সর্বশেষ সংবাদ-
চলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

কালিগঞ্জের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মোশারাফ হোসেন ছোট ভাই আশরাফের পাশেই শায়িত হলেন

হাফিজুর রহমান শিমুল: কালিগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পাটির সাবেক সেক্রেটারী ও জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান কে এম মোশারাফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিজের গড়া প্রতিষ্ঠান সহিলউদ্দীন এন্ড করিমুন্নেছে একাডেমীর চত্তরে ছোট ভাই কে এম আশারাফ হোসেনের কবরের পাশেই শায়িত হলেন তিনি। রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৬ টায় কৃষান মজদুর ইউনাইটেড স্কুলের মাঠে দশ সহস্রাধীক জনতার অংশগ্রহনে জানাজা নামাজ শেষে সন্ধ্যায় সমাহিত করা হয়। জানাজার নামাজের পূর্বে স্মৃতিচারণ মুলক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহাদৎ হোসেন, আলহাজ্ব এইচ এম গোলাম রেজা, কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও মৌতলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ মোজাহার হোসেন কান্টু, বিষ্ণপুর চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীন, তারালী চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, ধলবাড়িয়া চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী শওকাত হোসেন, রতনপুর চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকন, কাশিমাড়ি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রউপ, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ একে এম জাফরুল আলম বাবু, জাতীয় যুব সংহতির জেলা সভাপতি আকরাম হোসেন বাপ্পী ও সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন ও হত্যার স্বীকার ককে এম মোশারাফ হোসেনের বড় ভাই কে এম সোহারাব হোসেন প্রমুখ। জানাজায় অংশগ্রহন করেন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতুবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক সহ সর্বস্তরের জনতা। উল্লেখ্য যে, কালিগঞ্জ উপজেলার অতি জনপ্রিয় চেয়ারম্যান কে এম মোশারাফ হোসেন (৪৮) কে অঞ্জাতনামা সন্ত্রাসীরা শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০ টায় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। প্রত্যাক্ষদর্শী গ্রাম পুলিশ রমজান আলী জানান, বালিয়াডাঙ্গা বাজারস্থ কৃষি ব্যাংকের সামনে আওয়ামী যুবলীগ কার্যালয়ে তিনি বসা ছিলেন। এমন সময় পৃথক দুটি মটর সাইকেল যোগে ৬জন অঞ্জাতনামা ব্যাক্তি অতর্কিতভাবে কুপিয়ে ও পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দ্রুত চলে যায়। তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয়রা রক্তাক্ত চেয়ারম্যানকে নিজস্ব মাইক্রোযোগে কালিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাঃ মহাসিন আলী মৃত্যু ঘোষনা করে। এদিকে চেয়ারম্যান মোশারাফ হত্যায় জড়িতদের ধরতে থানা পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যান্ত কাওকে আটক করতে পারেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনেক দক্ষ দু’জন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: সংসদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও সরকারি দলের সদস্য এস, এম, মোস্তফা রশিদী সুজার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা অনেক দক্ষ দু’জন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি।

তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও মোস্তফা রশিদী সুজার উপর আনীত শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এস, এম, মোস্তফা রশিদী সুজা একজন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ছিলেন। তিনি একজন প্রাণবন্ত মানুষ ছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় অনেক নেতাকর্মীকে অত্যাচার নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সময় অপারেশন ক্লিন হার্ট এর নামে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ওই সময় দেড়শ’জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী ছিলেন। এখানে অনেক সংসদ সদস্য রয়েছেন যাদের অনেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এস, এম, মোস্তফা রশিদী সুজাকে হারিয়ে দলের অনেক ক্ষতি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাজুল ইসলাম চৌধুরীর বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। তিনি মনে প্রাণে চেয়েছিলেন নির্বাচনটা যাতে হয়। এই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে তার আন্তরিকতা ছিল। ওই নির্বাচনটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল।

বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ বলেন, তাজুল ইসলাম ও মোস্তফা রশিদী সুজা এতো তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। তার পরও প্রকৃতির নিয়ম আমাদের মেনে নিতেই হবে।

তিনি বলেন, তাজুল ইসলাম একজন ভাল পার্লামেন্টেরিয়ান ছিলেন। তিনি সংসদে থাকলে আমাকে আর চিন্তা করতে হতো না।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, মোস্তফা রশিদী সুজা একজন সাহসী মানুষ ছিলেন। তার সাহসী ভূমিকার ফলে খুলনা আওয়ামী লীগ অনেক দুর এগিয়ে গিয়েছিল। ক্লীন হার্ট অপারেশনে তার উপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে এজন্য তার অকাল মৃত্যু হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও মোস্তফা রশিদী সুজা দু’জনই সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ ছিলেন। তারা দু’জনই বিনয়ী ও ভাল মানুষ ছিলেন।

তিনি বলেন, তাজুল ইসলাম একজন চমৎকার সম্ভ্রান্ত পরিবারের মানুষ ছিলেন। দুজনই বিনয়ী, সদালাপী মানুষ ছিলেন।
সরকারি দলের সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, সুজা জীবনে অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে দলের প্রতি আনুগত্য ছিলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শিক কর্মী ছিলেন। শুধু রাজনীতিই নয়, তিনি একজন ভাল ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। সত্য ও ন্যায়ের জন্য তিনি কখনো মাথানত করতেন না।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ও জামায়াত বিএনপি তার মতো জনপ্রিয় নেতাকে নির্যাতন করে হত্যা করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চেয়েছিল।

ফজলুল করিম সেলিম বলেন, তাজুল ইসলাম ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনিও ন্যায়ের জন্য সারাজীবন লড়াই করেছেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এস, এম মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ক্লীন হার্ট অপারেশনের নামে তার উপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে এর ফলে তার কিডনী, লিভারসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ অকেজো হয়ে অকাল মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ক্লীন হার্ট অপারেশনকে বিএনপি জামায়াতের সময় ইনডেমনিটি দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও এস, এম মোস্তফা রশিদী সুজার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

জাতীয় পার্টির সদস্য এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, তাজুল ইসলাম একজন সংগ্রামী নেতা ছিলেন। ছাত্র জীবনে তিনি ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। অনেক দুঃসময়ে তিনি দলের প্রতি আনুগত্য ছিলেন। তিনি তাজুল ইসলাম ও সুজা’র আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

তাজুল ইসলাম একজন সদালাপী মানুষ ছিলেন। তিনি এমন একজন নেতা ছিলেন যার কাছে না বলতে কিছু ছিলো না। তার কাছে যে কোন কাজে গেলে হাসি মুখে তা করে দিতেন।

এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা. সরকারি দলের সদস্য মীর শওকত আলী বাদশা, আব্দুস সালাম মুর্শেদী, মনিরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, নুরুল ইসলাম ওমর ও ফখরুল ইমাম আলোচনায় অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ক্ষোভ থেকে দেশ ছাড়িনি’

বিনোদনের খবর: ‘কারও ওপর ক্ষোভ থেকে দেশ ছাড়িনি। দুই দিনের জন্য গিয়েছিলাম। ওখানে গিয়ে এমন ফেঁসে গেলাম, আর আসতে পারিনি।’ বললেন চিত্রনায়িকা অঞ্জু ঘোষ। তিনি এখন স্থায়ীভাবে আছেন ভারতের কলকাতায়। মাঝে মাঝে বাংলাদেশে আসেন, তবে এবার অনেক বছর পর এসেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি)। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি গত শতকের আশি ও নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকাকে সংবর্ধনা দিয়েছে। আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর এফডিসিতে সংগঠনটির কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এ ব্যাপারে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন হাসতে হাসতে বলেন, ‘আজ আমি নিজেই একটু দেরি করে এসেছি। কারণ আজ আর সেই বেদের মেয়ে জোসনার জন্য অপেক্ষা করতে চাইনি। আমি চেয়েছি, আজ অন্তত জোসনা আমার আগে চলে আসুক।’
তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু ঘোষ। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৯ সালে। এরপর ছবিটি যে ব্যবসা করেছে, বলা হয় বাংলাদেশে আর কোনো চলচ্চিত্র এখন পর্যন্ত সেই রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। আজকের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাই বারবার সেই চলচ্চিত্রের প্রসঙ্গ সামনে চলে আসে।
কোন অভিমান থেকে ভারতে চলে গিয়েছিলেন অঞ্জু ঘোষ? সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, কোনো ক্ষোভ থেকে আমি সেখানে যাইনি। গিয়েছিলাম বেড়াতে। তারপর ওখানে ছবিতে কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি, আর ফেরা হয়নি।’ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, ‘আপনারা যে আমাকে এখনো মনে রেখেছেন, আমি সত্যিই দারুণ খুশি হয়েছি। সবার ভালোবাসা দেখে বারবার আমার চোখ ভিজে যাচ্ছে।’
অঞ্জু ঘোষ যখন বাংলাদেশ থেকে চলে গিয়েছিলেন, সেই সময়ের চলচ্চিত্র নিয়ে বললেন, ‘আমি যখন এই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলাম, তখন ক্লাস নাইনে পড়তাম। সেই থেকে অনেক বছর এখানেই কাজ করেছি। এই এফডিসি তখন কী জমজমাট ছিল! একসঙ্গে চার-পাঁচটি ছবির শুটিং হতো এখানে। শিল্পীদের ভিড় লেগে থাকত। তখন পুরো এফডিসি জুড়ে কী ব্যস্ততা ছিল! এটাই ছিল আমাদের‍ ঘরবাড়ি। এটাই ছিল সংসার। কিন্তু এবার এসে হতাশ হয়েছি। সব পাল্টে গেছে। দর্শক যাতে আবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরে আসেন, তার জন্য সবাইকে চেষ্টা করতে হবে।’
‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবির দারুণ সাফল্য নিয়ে অঞ্জু ঘোষ বলেন, ‘ছবিটিতে মাটির টান ছিল। আমরা সবাই মাটিকে ভালোবাসি। এ কারণেই ছবিটি সুপার-ডুপার হিট হয়েছিল।’
অঞ্জু ঘোষকে স্বাগত জানিয়ে আজকের অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আহমেদ শরীফ, অঞ্জনা, সুব্রত, নাদের খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অঞ্জু ঘোষের হাতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্যপদের চিঠি তুলে দেন সংগঠনটির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিবি কার্যালয়ে ১২ শিক্ষার্থীকে তিন দিন ধরে আটকে রাখার অভিযোগ

দেশের খবর: রাজধানীর মহাখালী ও তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে তিন দিন আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের বিরুদ্ধে। তাঁদের কী কারণে আটকে রাখা হয়েছে, সে সম্পর্কে পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি বলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি।
রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) ক্রাইম রিপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ক্র্যাব) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আটক শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তারা বলেন, অভিযান চালিয়ে তিন দিন আগে শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। আটক শিক্ষাথীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
পরিবারের সদস্যদের দাবি অনুযায়ী, আটককৃতরা হলেন আল আমিন, জহিরুল ইসলাম হাসিব, মুজাহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, সাইফুল্লাহ বিন মনসুর, গাজী এম বোরহান উদ্দিন, তারেক আজিজ, মাহফুজ, রায়হানুল আবেদীন, ইফতেখার আলম, তারেক আজিজ ও মেহেদী হাসান রাজীব। তাদের মধ্যে ছয়জন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র, অন্যররা হলেন তিতুমীর কলেজ, করটিয়ার সরকারি সা’দত কলেজ ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সির ছাত্র।
এসব শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ মহাখালী, তেজকুনিপাড়া ও বিজি প্রেস এলাকা থেকে ৩১ জনকে তুলে নিয়ে যায়। এক দিন পর ১২ জনকে আটকে রেখে বাকিদের মুচলেকা নিয়ে মিন্টো রোডের ডিবি অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর এই শিক্ষার্থীদের আদালতে তোলার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তাদের বেআইনিভাবে আটকে রেখেছে পুলিশ।
আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তি দাবি করে অভিভাবকরা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চার কোটি রুপিতে শাহরুখের বিলাসবহুল ভ্যানিটি ভ্যান

বিনোদনের খবর: বলিউড তারকাদের এক-একটা ভ্যানিটি ভ্যান যেন পাঁচতারা হোটেল। এদের মধ্যে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ভ্যানিটি ভ্যান অন্যতম। চার কোটি রুপিতে শাহরুখ খান ভ্যানটি কিনেছেন। তবে ভ্যান নয়, একে বিলাসবহুল বাস বললে ভুল হবে না।
শাহরুখের ১৪ মিটার লম্বা বি৯আর ভলভোটিতে জায়গা রয়েছে ২৮০ বর্গফুট। তবে হাইড্রলিকসের কারণে একে আরো বাড়িয়ে ৩৬০ বর্গফুট করার বন্দোবস্তও রয়েছে। কী নেই এই ভ্যানটিতে! শাহরুখের বিশাল এ সাজঘরে পাবেন বেডরুম, মিটিং রুম, বাথরুম ও মেকআপ-কাম-চেঞ্জিং রুম।
এলইডি লাইটস দিয়ে সাজানো কাচের মেঝে। কাঠের ছাদ, রয়েছে ৪-কে স্যাটেলাইট টেলিভিশন, দুর্দান্ত সাউন্ড সিস্টেম, টাচ-কন্ট্রোল লাইটিং সিস্টেম।
সবক’টি রুমেই রয়েছে ওয়াই-ফাইয়ের সুবিধা। আরাম করে বসে আড্ডা দেয়ার জন্য রয়েছে বিশাল লাউঞ্জ। এখানে বসে খাওয়া-দাওয়াও করা যায়। অবসরে বন্ধুদের নিয়ে এখানেই আড্ডায় মেতে ওঠেন কিং খানখ্যাত শাহরুখ।
তাইতো কিং খানের এ চলন্ত সাজঘরটিতে একটু ঢু মেরে আসতে চান অনেক বলি-সেলেবরাও। শাহরুখের এ বিলাসবহুল ভ্যানটি নতুন করে সাজিয়েছেন ভারতীয় অটোমোবাইল ডিজাইনার দিলীপ ছাবাড়িয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ীতে কৃষি সেবাকেন্দ্রের ইন্টারফেইস মিটিং অনুষ্ঠিত



 কাশিমাড়ী শ্যামনগর : শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে নবযাত্রা প্রকল্পের ইউএসএআইডি’র খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় ইউনিয়ন কৃষি সেবার মান বৃদ্ধির জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরী করার লক্ষ্যে ইউনিয়ন কৃষি সেবাকেন্দ্র/ইউনিটের জন্য ইন্টারফেইস মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১ টায় ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম আবুল হোসেন, সার্জেন্ট (অবঃ) ডেন্টিস্ট হাফিজ, কাশিমাড়ী আইডিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এস.এম আব্দুল হাই, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্পোরাল গোলাম সারোয়ার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামসুর রহমান, কামরুল ইসলাম, ০৫ ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরদার, ০৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল হক তরফদার, ইউনিয়ন দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সওকাত হোসেন ঢালী, ইউপি সদস্যবৃন্দ ও এলাকার সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ।সমগ্র অনুষ্ঠানটি যৌথ ভাবে সঞ্চালনা করেন নবযাত্রা প্রকল্পের এসএও জিএম আলাউদ্দিন হোসেন ও ঠাকুর পদ ঢালী। 
 

 
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিস্ফোরক খুঁজতে এবার সেনাবাহিনীতে বেজি

অনলাইন ডেস্ক: এবার বিস্ফোরক উদ্ধারের কাজে কুকুরের বদলি হিসেবে বেজির সহায়তা নেবে সেনাবাহিনী। ফলে দেশটির সেনাবাহিনীতে ইতোমধ্যে একদল বেজিকে নিয়োগ করা হয়েছে। শিকারি এই প্রাণিটিকে মাইন এবং বিস্ফোরক খুঁজতে কাজে লাগাতে চায় সেনাবাহিনী।
যদিও এতদিন পর্যন্ত যে কোনো বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে কুকুরের জুড়ি মেলা ভার বলে মনে করা হতো। ফলে পুলিশ থেকে শুরু করে সেনাবাহিনী, দুই জায়গাতেই সমান দক্ষতায় কাজ করে চলেছে অসংখ্য স্নিফার ডগ। কুকুরের পরিবর্ত হিসাবে আর কোনো প্রাণীকে সেভাবে এই কাজে পারদর্শীতা দেখাতে সচরাচর দেখা যায়নি।
তবে, এবার কুকুরের বদলি হিসেবে কাজ করবে বেজি! বিশ্বে প্রথম কোনো দেশের সেনাবাহিনীতে এবার কুকুরের বদলি হিসেবে বিস্ফোরক উদ্ধারের কাজে ব্যবহার করা হবে বেজিকে। এমন ঘটনা ঘটিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কান সেনাবাহিনী।
শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী এবার একদল বেজিকে নিয়োগ করেছে। শিকারি প্রাণী হিসেবে বেজি বা নেউলের এমনিতেই সুনাম আছে। বিষাক্ত কোনো সাপ মারার জন্যও এই প্রাণীরা সুপরিচিত।
শ্রীলঙ্কার সেনা কর্তারা বলছেন, ‘মাইন ও বিস্ফোরক খোঁজার কাজেও পারদর্শী বেজি। এদের ঘ্রানশক্তি কুকুরের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেজি কিন্তু কুকুরকেও টেক্কা দিতে পারে। আর এটা প্রমাণিত।’
লঙ্কান সামরিক বাহিনীতে আপাতত দু’টি বেজিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে। বিভিন্ন রকম বিস্ফোরকের গন্ধ শুকিয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের একাংশের দাবি, বিদেশ থেকে আনা দামী কুকুরের চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে দেশি বেজি বেশি কার্যকর। তবে এক্ষেত্রে সঠিক ট্রেনিং প্রয়োজন। বেজিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য তারা বিশেষভাবে কয়েকজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
ওই কর্মকর্তাদের দাবি, মাটি থেকে এক মিটার উপরে লুকানো কোনো বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে পারে এই প্রাণী। বেজিকে প্রশিক্ষণ দিতে ৬ মাসের মতো সময় লাগে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সেনাকর্তারা। প্রশিক্ষণরত বেজিদের সেনা সদস্যদের মতো পরিচিতি নম্বর দেওয়া হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই বেজিদের কাজে লাগানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২২তমই শেষ নয়, অক্টোবরেও বসবে অধিবেশন

দেশের খবর: দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। এ অধিবেশন আগামী ২০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত ১০ কার্যদিবস চলবে। অধিবেশন শুরুর আগে ধারণা করা হয়েছে এটিই হবে বহুল আলোচিত দশম সংসদের শেষ অধিবেশন। পরে অধিবেশনের আগে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে আগামী অক্টোবরে সুবিধাজনক সময়ে আরেকটি অধিবেশনের সিদ্ধান্ত হয়।
রোববার (০৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়।
এর আগে অনুষ্ঠিত হয় কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক।কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য এবং সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে অংশ নেন। এ ছাড়া কমিটির সদস্য বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, রাশেদ খান মেনন, আ.স.ম. ফিরোজ, মইন উদ্দীন খান বাদল এবং আনিসুল হক বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠক শেষে বিকেল পাঁচটায় বসে সংসদ অধিবেশন। শুরুতেই স্পিকার চলতি অধিবেশনের সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন দেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন ইমরান আহমেদ, এবি তাজুল ইসলাম, মাহবুব উল আলম হানিফ, ফখরুল ইমাম, নূর জাহান বেগম। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে অগ্রবর্তীজন সংসদ পরিচালনা করবেন।

পরে স্পিকার চলমান সংসদের সদস্য এস এম মোস্তফা রশিদী, বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ জাতীয় পার্টির আইনপ্রণেতা তাজুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। চলমান সংসদের কোনো সদস্যের মৃত্যু হলে অধিবেশনে শোক প্রস্তাব গ্রহণের পর রেওয়াজ অনুযায়ী বৈঠক মুলতবি হয়।এ ছাড়া ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান, সাবেক সংসদ সদস্য কল্পরঞ্জন চাকমা, মোজাফফর হোসেন, শরীফ খসরুজ্জামান, আব্দুর রউফ মিয়া, মো. ফজলে এলাহী, আলফাজ উদ্দিন, মো. আব্দুল মান্নান মণ্ডল, আনোয়ারা হাবীবের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
পাশাপাশি সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আয়ুব বখত জগলুল, দ্যা ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক এএইচএম মোয়াজ্জেম হোসেন, মার্কিন সিনেটর জন ম্যাককেইন, ভাষাসংগ্রামী হালিমা খাতুন, আব্দুল বাতেন, নৃত্যগুরু বজলার রহমান বাদল, ডেইলি অবজারভারের নির্বাহী সম্পাদক আনিস আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধ ও লেখক কামরুল হাসান ভূইয়া, বীরঙ্গনা রমা চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাক হোসেন, দক্ষিণ সুদানে গুলিতে নিহত কমান্ডার আশরাফ সিদ্দিকী, বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া আক্তার মিম ও আব্দুল করিম রাজীব, মুজিবনগর সরকারের গার্ড অব অনার প্রদানকারী আনসার সদস্য লিয়াকত আলী, অভিনেত্রী রানী সরকার, ইটিভির সিনিয়র রিপোর্টার মামুনুর রশিদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের অধিবেশনে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ আইন পাসের সম্ভাবনা রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-আরপিও সংশোধনের প্রস্তাব উত্থাপিত হতে পারে। এই আইনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিধান। অধিবেশনে সড়ক পরিবহন, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সরকারি কর্মচারী আইনসহ ২০টি বিল নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। এছাড়া একাদশ সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিতে পারেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, বর্তমান সরকারের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে আগামী ২৮ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বের ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার বিধান রয়েছে। সেই হিসেবে আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ৯০ দিনের দিনক্ষণ গণনা শুরু হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest