শহর প্রতিনিধি : আশাশুনিতে বিদ্যালয়ের সভাপতি কর্তৃক প্রধান শিক্ষককে মারপিট ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ ইফতেখার হোসেনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি চিত্তরঞ্জন ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দীন, সহ-সভাপতি এনামুল হক, আশাশুনি উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক সভাপতি নীলকন্ঠ সোম, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সহ:সভাপতি অরুন কুমার গাইন, সরাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া, খাজরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান ও ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার ঢালী প্রমুখ।
স্মারকলিপি সূত্রে জানাগেছে, আশাশুনি উপজেলার ফকরাবাদ জে,বি নি¤œমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি সুব্রত কুমার মন্ডল বিগত কয়েকদিন পূর্বে আকস্মিক বিদ্যালয়ে যান। শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের উপস্থিতিতে তিনি বিদ্যালয়ের রেজুলেশন খাতা, নোটিশ খাতা, ক্যাশখাতাসহ অন্যান্য খাতা দলিলপত্র, চুক্তিপত্র নিয়ে বিদ্যালয় হতে চলে যান। পরবর্তীতে উক্ত খাতাপত্র প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার ঢালী সভাপতি সাহেবের কাছে চাইতে গেলে তিনি সেগুলো না দিয়ে তাল বাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক আবারো বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উক্ত খাতাপত্র গুলো ফেরত দেওয়ার জন্য সভাপতিকে অনুরোধ জানালে তিনি গত ০১আগস্ট২০১৮ তারিখে বেলা অনুমান ১২ টার দিকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার ঢালীর সাথে কথাকাটাকাটি করতে থাকেন। একপর্যায়ে সভাপতি সুব্রত কুমার মন্ডল প্রধান শিক্ষককে কিল,ঘুষি মেরে আহত করেন এবং লাঞ্ছিত করেন। এঘটনা দ্রুত বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়লে আশাশুনি উপজেলাসহ জেলা সকল শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ একজন জাতি গড়ার কারিগরকে মারপিট ও লাঞ্ছিতকারী ওই সভাপতিকে অপসারণ পূর্বক আইনের আওতার আনার দাবি জানান।

প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। আর তাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ৩০ লক্ষ শহীদের স্মরনে সারা বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ বৃক্ষ রোপনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের ত্রিশ হাজার চারা রোপন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুলিশ জনগনের বন্ধু। তাই জনগণকে সাথে নিয়েই এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।
