সর্বশেষ সংবাদ-
বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালা

‘এলোমেলো জীবন’ এ আসিফ-কর্নিয়া

বিনোদনের খবর: আবারও জুটি বেঁধে শ্রোতাদের সামনে হাজির হচ্ছেন আসিফ আকবর ও কর্নিয়া। ‘এলোমেলো জীবন’ শিরোনামের নতুন এই গানটির কথা, সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন তরুণ মুন্সী। একই সঙ্গে গানের ভিডিওতেও দেখা গেছে আসিফ-কর্নিয়ার রোমান্টিক পারফরম্যান্স। সৈকত নাসির নির্মিত গানের ভিডিওটি প্রকাশ করছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)।
জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবার ধ্রুব মিউজিক স্টেশন তাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করবে ‘এলোমেলো জীবন’ গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে ডিএমএস ওয়েব সাইট, জিপি মিউজিক এবং বাংলালিংক ভাইবে।
এর আগে, ‘কি করে তোকে বোঝাই’ শিরোনামের একটি গানে জুটিবদ্ধ হতে দেখা গেছে আসিফ আকবর ও কর্নিয়াকে। গানটি প্রকাশের পরপরই শ্রোতা মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ভিডিওতে এই জুটির পারফরম্যান্সও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটে ফিরছেন ডি ভিলিয়ার্স

খেলার খবর: হঠাৎ করে দক্ষিণ আফ্রিকা দল থেকে অবসর নেওয়া মারকুটে ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স ক্রিকেটে ফিরছেন। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) হয়ে এবার খেলবেন এ প্রোটিয়া ক্রিকেটার।
এ বছরের শুরুর দিকে আচমকা জাতীয় দল থেকে অবসর নেন এবি। পরে জানান, ঘরোয়া লিগ ও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলবেন।
এবার আরও একটি টি ২০ লিগে তার খেলার কথা জানা গেল। পিএসএলে ডি ভিলিয়ার্সের খেলাড় সম্ভাবনার কথা আগেও পিএসএলের টুইটারে জানানো হয়েছিল। তখন অবশ্য খেলেননি।
শুধু ডি ভিলিয়ার্সই নন, পিএসএলে খেলার ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে নিষিদ্ধ দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা ডেভিড ওয়ার্নার এবং স্টিভ স্মিথও।
এই তিনজনের ব্যাপারে দলগুলোর সিদ্ধান্ত চলতি মাসের মধ্যে শেষ হবে। অক্টোবরের মাঝামাঝি পিএসএলের চতুর্থ আসর বসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ ১জন আটক

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ আব্দুল মাজেদ তরফদার (৫২) কে আটক করেছে। সে থানা এলাকার রতনপুর ইউনিয়নের তেরুলিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার তরফদারের পুত্র। অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে।

থানা সুত্রে জানাগেছে, কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমানের নির্দেশে থানার উপ-পরিদর্শক মোমরেজ ইসলাম ও জাহিদ সহ সঙ্গীয় ফোর্স মঙ্গলবার ( ৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১ টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আব্দুল মাজেদের নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় তাঁর বসত ঘর থেকে ১ টি পাইপগান, ১ টি ইয়ারগান ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে এবং তাকে আটক করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক বিরোধী প্রচারণায় সঞ্জয় দত্ত

বিনোদনের খবর: সঞ্জয় দত্ত। বলিউডের তুখোড় অভিনেতাদের একজন। তবে ব্যক্তি জীবনে সঞ্জয় দত্ত এক সময় মাদকাসক্ত ছিলেন। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন ছেড়ে রীতিমতো নেশার জগতে বুঁদ হয়েছিলেন এই অভিনেতা। এজন্য মাদক নিরাময় কেন্দ্রেও ভর্তি ছিলেন তিনি। তার জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘সাঞ্জু’ সিনেমাতেও এসব বিষয় উঠে এসেছে।
এবার এই অভিনেতা মাদক বিরোধী প্রচারণায় নামছেন। তাকে ভারতের উত্তরাখণ্ড সরকারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত করা হয়েছে। গত শনিবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত জীবনে মাদকাসক্ত ছিলেন সঞ্জয় দত্ত। ফলে তিনি যতটা নেশার ক্ষতিকর দিকটা তুলে ধরতে পারবেন, তা অন্য কেউ পারবেন না। তাই সঞ্জয়কে এই প্রচারে যুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, এ বিষয়ে সঞ্জয়ের সঙ্গে এক দফা কথাবার্তাও সেরে রেখেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেও সঞ্জয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন মন্ত্রী। এই প্রচারে সঞ্জয়কে যুক্ত করায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষা ক্যাডা‌রে শীঘ্রই বড় ধর‌নের প‌দোন্ন‌তি আস‌ছে

অনলাইন ডেস্ক: বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে শিগগিরই বড় ধরনের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর-মাউশি। এ তালিকা নিয়ে আগস্টের শেষ সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে শিক্ষা ক্যাডারের ‘বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি’র (ডিপিসি) সভা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। শিগগিরই আরেকটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এবার প্রায় এক হাজার কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। যদিও এই ক্যাডারে এ মুহূর্তে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তা রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার।
এ ব্যাপারে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিতে শিগগিরই ডিপিসি সভায় বসে এ বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে, পদোন্নতির খবরে সারাদেশের সরকারি কলেজগুলোতে শিক্ষকরা নড়েচড়ে বসেছেন। দীর্ঘদিন পর তারা পদোন্নতির খবর পেয়ে আশায় বুক বেঁধেছেন।

পদোন্নতির তালিকা নিয়ে অভিযোগ: শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা জানান, তিনভাবে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা নিয়োগ পান। সরাসরি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে, বেসরকারি কলেজ থেকে আত্তীকরণ এবং রাষ্ট্রপতির ১০ শতাংশ কোটায়। এই ক্যাডারের কর্মকর্তারা সরকারি কলেজে সরাসরি শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশ সার্ভিস রুল ১৯৮১-এর ৫, ৬ ও ৭ বিধি অনুযায়ী, শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতির জন্য পাঁচ বছর, সহযোগী অধ্যাপকের জন্য তিন বছর এবং অধ্যাপক পদের জন্য দুই বছর অর্থাৎ ফিডার পদে ১০ বছর থাকতে হবে। ফিডার সার্ভিস বলতে শিক্ষা ক্যাডারের মূল পদ সরকারি কলেজে কর্মরত থাকতে হবে। এ ছাড়াও সব ক্যাডার পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের শুরুতে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ, বিভাগীয় পরীক্ষায় পাস ও শিক্ষানবিশকাল শেষ করে চাকরি স্থায়ীকরণ বাধ্যতামূলক। পদোন্নতির জন্য পরীক্ষায় পাসও বাধ্যতামূলক। যারা এসব যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হবেন, তাদের চাকরির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে পরীক্ষা প্রমার্জন সাপেক্ষে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হবেন। কিন্তু এসব আইন ভঙ্গ করে ২০০৬ সাল থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষা ক্যাডারে চরম অসন্তোষ ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। আদালতে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। তার পরও মাউশি আবারও বিধি লঙ্ঘন করে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আগস্টের শেষ সপ্তাহে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে ‘বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সভা হয়। সেখানে প্রস্তাবিত তালিকা থেকে বিষয়ভিত্তিক ২০ শতাংশ সহযোগী অধ্যাপককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তালিকায় পদার্থবিদ্যার ৪৯, পরিসংখ্যানে দুই, প্রাণিবিদ্যায় ৬৩, বাংলায় ৮০, ব্যবস্থাপনায় ৬৯, ভূগোলে সাত, মৃত্তিকা বিজ্ঞানে তিন, মনোবিজ্ঞানে চার, রসায়নে ৪২, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৭৮, সমাজবিজ্ঞানে ১৩, সমাজকল্যাণে ২৯, সংস্কৃতে এক, হিসাববিজ্ঞানে ৬৩, অর্থনীতিতে ৮১, আরবিতে আট, ইসলামী শিক্ষায় ২৭, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ৭২, ইংরেজিতে ৭৯, ইতিহাসে ৭৯, উদ্ভিদবিদ্যায় ৭৮, গার্হ্যস্থ অর্থনীতিতে ছয়, গণিতে ৫৯ এবং দর্শনে ৮৫ জন রয়েছেন। এ ছাড়া টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ইতিহাসে একজন, ভূগোলে একজন, বিজ্ঞানে একজন, শিক্ষা নয়জন, গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সিলিং বিষয়ে একজন রয়েছেন।

মাউশি জানায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অধ্যাপকদের অবসরে যাওয়ার তালিকা হিসাব করে ১৯টি বিষয়ের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য এক হাজার ৯১ জনের একটি খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সারাদেশের সরকারি কলেজের বর্তমানে ৯৮টি অধ্যাপক পদ শূন্য রয়েছে। আর ডিসেম্বরে আরও ৮০ জন অবসরে যাবেন। মাউশির হিসাব মতে, ১৭৮টি পদে অধ্যাপকের পদোন্নতি যোগ্য। তবে গত বছরের ১০ নভেম্বর ২৭৪ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫৮ জন আগের পদে বহাল আছেন।

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষা ক্যাডারে বিসিএস পরীক্ষায় পাস না করেও আত্তীকৃত শিক্ষক, পরিদর্শক থেকে পদোন্নতিসহ বিভিন্নভাবে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। বিধি অনুযায়ী, শিক্ষা ক্যাডারের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে যোগদানের তারিখ থেকে। পদোন্নতির খসড়া তালিকা করার ক্ষেত্রে এ বিধানও মানা হয়নি। নিয়ম মেনে পদোন্নতি না দেওয়ায় ৭ম থেকে ১৪তম বিসিএস পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাডারের প্রায় দেড় হাজার কর্মকর্তা পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন। এবারের পদোন্নতির তালিকায় বিভাগীয় পরীক্ষায় পাসসহ নিয়মিত পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও মেধাবীদের নাম রয়েছে অপেক্ষাকৃত নিচের দিকে। এতে করে তারা পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। মাউশির এক শ্রেণির কর্মকর্তারা অর্থের বিনিময়ে অযোগ্যদের তালিকার শীর্ষে রাখছেন বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে মাউশির মহাপরিচালক বলেন, কিছু ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পদোন্নতির যোগ্যতায় কারও ঘাটতি থাকলে তাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে না। পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো রকম অনিয়ম হবে না।

চাকরিবিধি ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে গত সাত বছরে প্রায় এক হাজার বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষায় ফেল করেছেন। কারও আবার চাকরিই স্থায়ী হয়নি। তবুও অধ্যাপক হয়েছেন। এসব পদোন্নতির ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির একটি সিন্ডিকেট মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কলকাঠি নেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে অবৈধভাবে পদোন্নতি দিতে গিয়ে বলি দেওয়া হয়েছে পদোন্নতিযোগ্য প্রায় দেড় হাজার কর্মকর্তাকে।

২০০৬ থেকে ২০১৭ সালের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জ্যেষ্ঠতা তালিকা, ফিট লিস্ট বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ও ২৩ অক্টোবর দুই দফায় ৫৮৭ পদোন্নতিপ্রাপ্ত অধ্যাপকের মধ্যে ১৫৪ জন বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষায় ফেল করা। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর পদোন্নতিপ্রাপ্ত ৩৬৭ অধ্যাপকের মধ্যে দুই শতাধিক ফেল করা ও ১৪৮ জন পদোন্নতির অযোগ্য ছিলেন। শর্ত পূরণ না করায় তাদের চাকরিও স্থায়ী হয়নি। তবুও তারা অধ্যাপক হয়েছেন।

কারা পাবেন পদোন্নতি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ) ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ হলো, পদোন্নতিযোগ্য যত বেশি কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া যায়, দিতে হবে। সে লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজ উইং থেকে জানা গেছে, তদবিরের চাপ এড়াতে এবার পদোন্নতি আদেশের সঙ্গে সঙ্গেই পদায়নও করা হবে। অধ্যাপক পদে বিভিন্ন বিষয়ে এবার প্রায় আড়াইশ’ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে। যদিও মাউশি এক হাজার ৮১ জনের একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেছে। এর বাইরে রিজার্ভ পদের বিপরীতেও পদোন্নতি দেওয়া হবে। অধ্যাপক পদের জন্য বিসিএসের ১৪তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এবার বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাচে প্রায় ১৮০০ কর্মকর্তা থাকলেও ১১৭০ জন পদোন্নতিযোগ্য। তবে এই ক্যাডারে বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদের বিপরীতে পদোন্নতি দেওয়া হয় বিধায় মাউশির তৈরি করা পদোন্নতিযোগ্য এই ১১৭০ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ২০০ জনের ভাগ্যের শিকে ছিঁড়তে পারে।

উল্লেখ্য, এই ব্যাচের বেশিরভাগ কর্মকর্তা ২০১৩ সাল থেকে অধ্যাপকের স্কেলে বেতন পাচ্ছেন। তাদের পদোন্নতি দেওয়া হলে সরকারের কোনো ব্যয় বাড়বে না। আর সহযোগী অধ্যাপক পদে প্রায় ৩০০ জন এবার পদোন্নতি পাবেন। সহযোগী অধ্যাপক পদে এবার বিসিএসের ১৭, ১৮ ও ২০, ২১ ও ২২তম ব্যাচের কর্মকর্তারা ডিপিসির বিবেচনায় রয়েছেন।

অন্যদিকে, প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে এবার প্রায় ৫০০ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সহকারী অধ্যাপক হওয়ার জন্য এবার বিসিএসের ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা বিবেচিত হচ্ছেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পদোন্নতির তালিকা চূড়ান্ত করা হলে সেদিনই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের এবারের পদোন্নতি সম্পর্কে এই কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি’র সভাপতি অধ্যাপক আইকে সেলিমউল্লাহ খন্দকার বলেন, তাদের ক্যাডারের প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মকর্তা বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করে বসে আছেন। তাদের কারও কারও পদোন্নতি দেওয়া হলে তাতেও সরকারের ব্যয় বাড়বে না। অথচ পদশূন্যতার অভাবে তাদের পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না। এজন্য নতুন পদ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এনাম কমিটির সুপারিশ অনুসারে তাদের ক্যাডারে আরও সাড়ে ১২ হাজার পদ প্রাপ্য রয়েছে। এসব পদ সৃষ্টির জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি করে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে এই প্রস্তাবও সরকারের সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন।

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজের শিক্ষকরা জানান, তাদের একই পদে ১২ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত চাকরি করতে হয়। পদোন্নতির জন্য আর কোনো ক্যাডারে এভাবে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় না। এ বিষয়ে সেলিমউল্লাহ খন্দকার বলেন, ১৪তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা ২৫ বছর ধরে চাকরি করেও এখনও অধ্যাপক হতে পারেননি। এই বঞ্চনা সহ্য করার মতো নয়।
জানা গেছে, শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চনা চলছে। অন্যসব ক্যাডারে ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হলেও এই ক্যাডারে বিষয়ভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হয়। ফলে বিভিন্ন কলেজে জুনিয়ররা চাকরিতে সিনিয়রদের ওপরে উঠে গেছেন।

মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, দেশের ৩২৭টি সরকারি কলেজসহ সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকের পদ রয়েছে ১৫ হাজার ১১২টি। এর মধ্যে বর্তমানে শূন্য রয়েছে প্রায় তিন হাজার পদ। এর প্রায় সবই ঢাকার বাইরের উপজেলা ও মফস্বল এলাকার কলেজের। এর বাইরে সম্প্রতি আরও ২৭৬টি বেসরকারি কলেজকে সরকারিকরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদুলের জামিন শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট

দেশের খবর: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের জামিন শুনানি শুনতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ।

মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিব্রতবোধ করেন।
আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন দেওয়ান।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছাত্র হত্যা ও ছাত্রী ধর্ষণের গুজব ছড়ানো হয় পরিকল্পিতভাবে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এই গুজব ছড়িয়ে যে পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা ছিল তা অবশ্য সফল হয়নি।

এই গুজব ছড়ানোর ঘটনায় পাঁচ নারী, শিক্ষার্থীসহ বহুজন আটক হয়েছে। আটকদের মধ্যে আছেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম।
গত ৫ আগস্ট রা‌তে ধানমন্ডির বাসা থেকে শ‌হিদুল আলম‌কে তুলে নেয় ডিবি। এরপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ‘উস্কানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখা‌নো হয়। প‌রদিন এই মামলায় শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এরপর গত ১২ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় শহিদুল আলমের জা‌মিন আবেদন নামঞ্জুর ক‌রে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

১৪ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এরপর ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ এগোনোর জন্য আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করেননি আদালত। ২৬ আগস্ট শহিদুল আলমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ২৯ আগস্ট আবেদনটি শুনানির জন্য আরজি জানানো হয়। আদালত এ ধরনের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত দাখিল করতে বলেন।
গতকাল শহিদুল আলমের পক্ষে জামিনের আবেদন হাইকোর্টের কার্যতালিকায় থাকলেও জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে বন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জাতিসংঘের

বিদেশের খবর: মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দণ্ডিত রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের নতুন মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল ব্যাশেলেট।
সেই সঙ্গে মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য যে সাংবাদিকদের আটক রাখা হয়েছে, তাদের সবাইকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহের সময় গ্রেপ্তার রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়া লোন (৩২) এবং কিয়াও সো ওকে (২৮) সোমবার দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ইয়াংগনের একটি আদালত।
রাখাইনের সেনা অভিযানের সময় ইনদিন গ্রামে ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করে লাশ পুঁতে ফেলার একটি ঘটনা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছিলেন ওই দুই সাংবাদিক।

বরাবরই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আসা এই দুই সাংবাদিক মামলার বিচারের সময় আদালতকে বলেছিলেন, গত ১২ ডিসেম্বর ইয়াংগনের এক রেস্তোরাঁয় দাওয়াত দিয়ে নিয়ে দুই পুলিশ সদস্য তাদের হাতে কিছু মোড়ানো কাগজ ধরিয়ে দেন এবং তার পরপরই সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার এক বিবৃতিতে মিশেল ব্যাশেলেট বলেন, যে আইনি প্রক্রিয়ায় ওই দুই সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তাতে স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক মানের বত্যয় ঘটেছে।

“এই রায় মিয়ানমারে দায়িত্বরত সব সাংবাদিককে এটাই বলছে- তারা সেখানে নির্ভয়ে কাজ করতে পারবেন না। হয় তাদের ঘটনা চেপে যেতে হবে নইলে কারাগারে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে হবে “

গতবছরের ২৫ অগাস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েক ডজন নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার জবাবে সেনাবাহিনী ওই নির্মম দমন অভিযান শুরু করে। জাতিসংঘ বলছে, সেনাবাহিনীর ওই অভিযানে এ পর্যন্ত দশ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর ওই দমন-পীড়নের মুখে গতবছর অগাস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেখা হচ্ছে দক্ষিণ এ অঞ্চলের সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠা শরণার্থী সঙ্কট হিসেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উত্তরপাড়ার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই- ড. কামাল

দেশের খবর: বাংলাদেশে নতুন একটি রাজনৈতিক জোট এবং তাদের নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে যেভাবে ঠাট্টা তামাশা করেছেন – তা বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
যুক্তফ্রন্ট নামে সদ্য-গঠিত ঐ জোটের নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে পত্র-পত্রিকায়, সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ চর্চা চলছে।
যেমন নতুন জোটের অন্যতম নেতা ড. কামাল হোসেন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন — তিনি যখন গরম বক্তৃতা দেবেন, তখন ধরে নেবেন তার প্লেন রেডি।
তার এবং তাদের জোট সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের মন্তব্যকে তিনি কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এসব নিয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে চান না।
তবে তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা যে নতুন জোটকে স্বাগত জানিয়েছেন সেটা ইতিবাচক।
জনগণের কাছে নতুন এই জোটের গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন সে বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা তো ওনার সমর্থনে কিছু করিনি, স্বাধীনভাবে করেছি, তাই এবিষয়ে তো তিনি প্রশ্ন তুলতেই পারেন।”

ড. কামাল হোসেন বলেন, “মানুষ এটা ভালোভাবেই জানে যে ২০০৮ সালে আমরা কী করেছিলাম। আমাদের জোটে যারা আছেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে তাদের কী অবদান সেটা সবাই জানেন।”
“ভোটার তালিকা বাতিল করার জন্যে আমি মামলা করেছিলাম। তখন এক কোটি ৪৪ লাখ ভোট বাতিল করা হলো। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করালাম। ইয়াজউদ্দিন আহমদকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের পদ থেকে সরালাম। তখন আমাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা হলো। এসব অবদানের কথা তো অনস্বীকার্য,” বলেন তিনি।

যুক্তফ্রন্টের এই নেতা বলেন, তাদের নতুন জোট চাইছে বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। “যদি জনমত নেওয়া যায় তাহলে দেখবেন যে ১০০% সমর্থন এর পক্ষে আছে।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত চার/পাঁচ বছরে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়েছে কিন্তু সেরকম কিছুই করা হয়নি। “মনোনীত লোকজনদের নিয়ে সংসদ বানানো হয়েছে কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম গন্ধ কেউ পায় নি।”
এটা করার জন্যে নতুন জোটের সেই শক্তি কি আছে- এই প্রশ্নের জবাবে ড. হোসেন বলেন, “আমাদের শক্তি শূন্য বলে ধরে নিচ্ছি কিন্তু জনগণের সেই শক্তি আছে। আমাদের কথাবার্তা তো জনগণের কাছে নিয়ে যাচ্ছি। জনমত যাচাই করে দেখেন তারা পরিবর্তন চাচ্ছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন এই জোটের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করেছেন। তাদের নিয়ে ছড়াও কেটেছেন।
যুক্তফ্রন্টের নেতাদের ইঙ্গিত করে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বাংলাদেশে কিছু মানুষ আছে যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন কিন্তু তারা অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করেন। তারা উত্তর পাড়ার (ক্যান্টনমেন্ট) দিকে তাকিয়ে থাকেন- এই মন্তব্যের জবাবে কামাল হোসেন বলেন, এই বক্তব্য তাদের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়।

শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আদৌ নির্বাচন হবে কিনা যারা বলেন তারা হয়তো বসে আছেন…কোন কিছু হলে সব উত্তর পাড়ার দিকে তাকিয়ে বসে থাকে। এটাই তো বাস্তবতা। যেমন আমার বাবাকে হত্যা করেছে। যিনি এই দেশটা স্বাধীন করে দিয়ে গেলেন তাকে যারা খুন করতে পারে তো সেদেশে কীনা হতে পারে!”
এর জবাবে কামাল হোসেন বলেছেন, “২০০৮ সালে আমরা যা করেছি সেটা তো গোপনে করিনি। আমি মামলা করে সব ভুয়া ভোটার বাতিল করলাম, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করলাম- এসব উত্তর পাড়ার কোন ব্যাপার নয়। তাদের সাথে আমাদের কোনদিন সম্পর্ক ছিল না।”

বিএনপির সাথে যুক্তফ্রন্টের কোন রাজনৈতিক ঐক্য হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে কামাল হোসেন বলেন, এবিষয়ে বিএনপির সাথে তাদের কোন কথা হয়নি। তবে এবিষয়ে নীতিগত ইস্যুতে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
“যদি হয় তখন দেখা যাবে,” বলেন তিনি। তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest