রাজনীতির খবর: সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে প্রচারণার শেষ দিনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে সমর্থন দিয়েছে জাতীয় সংসদের বিরোধীদল ও মহাজোট সরকারের অন্যতম শরিক দল জাতীয় পার্টি।
শনিবার নগরীর একটি হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে সিলেট জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে এ সমর্থনের কথা জানায়।
এ সময় জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিলেট জেলা আহবায়ক এটিইউ তাজ রহমান বলেন, মহাজোট সরকারের অন্যতম শরিক দল হিসেবে জোটের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে জাতীয় পার্টির কাজ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশে সিলেট সিটিকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মহাজোটের শরিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীকে আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।
এসময় তিনি জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির সব নেতাকর্মী এবং দলের প্রতি অনুগত সবাইকে নৌকা মার্কার পক্ষে কাজ করার পাশাপাশি নির্বাচনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান।
আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে ভোট দেয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতিও আহ্বান জানান তাজ রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী।
জাতীয় পার্টির এ সমর্থনকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, বিগত সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রায় সব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি এক সঙ্গে কাজ করে আসছে। সিলেট সিটি নির্বাচনেও জাতীয় পার্টির সমর্থন দুই দলের ঐক্য ও দেশের উন্নয়নে কাজে লাগবে।
আগামীতে সব সুদিন-দুর্দিনে জাতীয় পার্টিকে কাছে পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

এসময় সংসদ সদস্য তার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তুলে ধরে বলেন, “আমরা সেই নেতার সৈনিক যে নেতার আদর্শ নিয়ে আমরা রাজনীতি করি। আসুন আমরা সবাই আজ থেকে শপথ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে সব ভেদাভেদ উপেক্ষা করে নৌকাকে আবারো বিজয়ী করি এবং মানবতার জননী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলায় দেখতে চাই। ” তিনি আরও বলেন, আমি এমপি হই আর না হই আমি আবারো এই বাংলাতে আমার জনম দুঃখীনী জননেত্রীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।” স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি মিলন মেলায় পরিণত হয়।
