সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরায় জেলা বিএনপির দোয়াজেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারOpas Naobet-kasinolle rekisteröitymiseen ja tilin hallintaanScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

৬ মাস পর্যন্ত ঘরেই সংরক্ষণ করুন পাকা আম

স্বাস্থ্য কণিকা: বাজারের হাত বাড়ালে পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। আমের মৌসুমে দাম কম হওয়ায় বেশি করে আম কিনলেও অনেক সময় পচে যায়। তবে আপনি জেনে খুশি হবেন যে চাইলে ৬ মাস পর্যন্ত ঘরেই সংরক্ষণ করতে পারবেন আম।

বাজারে যেসব ম্যাঙ্গো জুস মেলে, তাতে কি আর মন ভরে। তাই আমের মৌসুমে বেশি করে আম কিনুন। আর ৬ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন সুস্বাদু আম!
আসুন জেনে নেই ৬ মাস পর্যন্ত কীভাবে ঘরেই সংরক্ষণ করবেন আম।

ডীপ ফ্রিজ: প্রথমে পাকা আম নিয়ে ভালো করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর লম্বাভাবে টুকরো করে কাটতে হবে। এই আমের টুকরোগুলো প্লাষ্টিক বাটি বা পলিব্যাগে ভরে ডীপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে।

সংরক্ষিত আমের এই পাল্প জুস বা মিল্কশেক তৈরি করে ছোট বড় সবাই খেতে পারবেন। আমের ভরা মৌসুমে আমরা সকলেই যদি কিছু পরিমাণ আমের পাল্প করে সংরক্ষণ করতে পারি তবে তা দেশের আম চাষিদের জন্য যেমন কল্যাণকর হবে তেমনি তা আমাদের ফলের পুষ্টি চাহিদা পূরণে অনেকদিন সহায়ক হবে।

ফুড গ্রেড প্লাস্টিক বক্স: যেনতেন প্লাস্টিকের বাটিতে সংরক্ষণ করতে যাবেন না যেন। তাতে করে উপকার তো পাবেনই না, বরং অপকারই বেশি হবে। এক্ষেত্রে ফুড গ্রেড প্লাস্টিক বক্স ব্যবহার করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইলিশ উৎপাদনে রেকর্ড বাংলাদেশের

দেশের খবর: ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। দেশে প্রতিবছরই ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। মাত্র দেড় দশকের ব্যবধানে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে পাঁচ লাখ টনের ঘর। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৮৬-৮৭ সালে দেশে ইলিশ উৎপাদিত হয়েছে একলাখ ৯৫ হাজার টন। ২০০২-০৩ অর্থবছরেও ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল একলাখ ৯১ হাজার টনের ঘরেই। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করায় ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৯৫ হাজার টনে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন চার লাখ টন ছাড়িয়ে গেছে। আশা করা হচ্ছে, সদ্য সমাপ্ত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন পাঁচ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

এদিকে, ওয়ার্ল্ড ফিশের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী বিশ্বের ৬০ শতাংশ ইলিশই উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। এ ছাড়া, ভারতে ২০ শতাংশ, মিয়ানমারে ১৫ শতাংশ, আরব সাগর তীরবর্তী দেশ এবং প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগর তীরবর্তী দেশগুলোয় বাকি ৫ শতাংশ ইলিশ ধরা পড়ে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্র জানায়, ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশের পরের অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইরান, ইরাক, কুয়েত, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, বাহরাইন ও ইন্দোনেশিয়া। এসব দেশের উপকূলেও ইলিশ মাছ ধরা পড়ে। তবে এসব দেশে সম্প্রতি ইলিশ উৎপাদন কমেছে। কিন্তু বাংলাদেশেই প্রতিবছর ৯-১০ শতাংশ হারে বাড়ছে ইলিশের উৎপাদন। কারণ ইলিশ ডিম ছাড়ার জন্য বেছে নেয় বাংলাদেশের সীমানাকে। এজন্য বর্ষায় এ দেশের নদীগুলো ‘মা’ ইলিশে ভরে ওঠে। মোহনা থেকে নদীর ১২০০-১৩০০ কিলোমিটার উজানে ও উপকূল থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত সমুদ্রে ইলিশ পাওয়া যায়। দিনে ৭১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে ইলিশ। সাগর থেকে ইলিশ যত ভেতরের দিকে আসে, ততই শরীর থেকে লবণ কমে যায়। এতে স্বাদ বাড়ে ইলিশের।

এ দিকে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ইলিশের অবদান এক দশমিক ১৫ শতাংশ। এদেশের মোট মাছের ১২ শতাংশই ইলিশ। এর অর্থমূল্য প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা। আর ইলিশ রফতানির মাধ্যমে আসে ১৫০-৩০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানান, উপকূলীয় মৎসজীবী সম্প্রদায়ের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ইলিশ আহরণে সরাসরি সম্পৃক্ত। আরও ২০-২৫ লাখ মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস ইলিশ। তারা পরিবহন, বিক্রয়, জাল ও নৌকা তৈরি, বরফ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রফতানি ইত্যাদি কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত।

তিনি আরও জানান, মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ এখন মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বাংলাদেশ বিশ্বে মাছ উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া অনেক প্রজাতির মাছ এখন চাষ করা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারিভাবেও বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া মাছ চাষ হচ্ছে। মাছ চাষে আরও গবেষণা হবে। এ ছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় সরকার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ইলিশ ধরা বন্ধকালীন জেলেদের নানা ধরনের সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বছরে যে পরিমাণ জাটকা ধরা পড়ে তার অর্ধেকও রক্ষা করা গেলে এবং সেগুলোর গড় ওজন ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে দেশে ইলিশের উৎপাদন আরও প্রায় দুই লাখ টন বাড়ানো সম্ভব। এজন্য সরকারি নজরদারি প্রয়োজন বলেও মনে করেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, প্রজনন মৌসুমে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইলিশ যেন ডিম ছাড়তে পারে ও ছোট ইলিশ যেন বড় হতে পারে, সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলেই দেশের ছোট-বড় নদীগুলো আবার ইলিশে ভরে উঠবে।

চট্টগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মৃদুলা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইলিশের সঙ্গে বিশ্বের কোনও দেশের ইলিশকে মেলানো যাবে না। বাংলাদেশের ইলিশ ব্যতিক্রম। পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া হলে এদেশে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব। এর জন্য সরকারের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। জাটকা ধরা বন্ধ করতে হবে। ইলিশকে স্বাচ্ছন্দে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে হবে।’

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা ফলাফল বলছে, ১০ বছর আগে দেশের ২১টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যেতো। বর্তমানে ১২৫টি উপজেলার আশপাশ দিয়ে প্রবাহিত নদীতে এই মাছ পাওয়া যাচ্ছে। পদ্মার শাখানদী মহানন্দা থেকে শুরু করে মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেদির হাওরেও ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে জাটকা নিধনের কারণে ইলিশ মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে না।

মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, ২৫ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট ইলিশকে জাটকা বলা হয়। ২০১২ সালে দেশে ১০ হাজার ৯০০ টন, ২০১৩ সালে সাড়ে ১১ হাজার টন, ২০১৪ সালে ১১ হাজার ৮০০ টন জাটকা ধরা হয়। এগুলোর আকার ১৪-২০ সেন্টিমিটারের মধ্যে। আর ওজন গড়ে ৩০ গ্রাম। হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৩৮ কোটি জাটকা ইলিশ ধরা পড়ছে দেশে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, একটি ইলিশ একসঙ্গে কমপক্ষে ৩ লাখ ও সর্বোচ্চ ২১ লাখ ডিম ছাড়ে। এসব ডিমের ৭০-৮০ শতাংশ ফুটে রেণু ইলিশ হয়। এর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে, যা পরবর্তীতে ইলিশে রূপান্তরিত হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানান, জাটকা আহরণের নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের কথা ভেবে সরকার ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাল দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এগিয়ে এসেছে। এ পর্যন্ত মোট ৪২ হাজার ৬১৫টি জেলে পরিবারকে তাদের চাহিদানুযায়ী নানা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দুই লাখ ৩৬ হাজার ১৭৬টি জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে ৩৭ হাজার ৭৮৮ টন ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে রুল

দেশের খবর: বিনা কারণে ইউএনওর কার্যালয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক রাখা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাদের কেন ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিকালে এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি), ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদা আফসারী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোনিয়া সুলতানাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান দুই ব্যক্তির আইনজীবী মো. মঈনুল ইসলাম।

তিনি জানান, ছাতকের নোয়ারাই গাজির মোকাম-জামে মসজিদ ভাঙতে এলাকার দুই ব্যক্তি মঞ্জুরুল ও আশিমশাকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসার আদেশ দেন। এ আদেশ পালন না করায় তাদের আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাখা হয়।

পরবর্তীতে এলাকার সাধারণ মানুষের আন্দোলনের কারণে এই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয় ইউএনও। এ ঘটনায় সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ লংঘন হওয়ার অভিযোগ এনে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টের রিট করেন এই আইনজীবী। শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদালত এ অদেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অংকের ভুলে স্বর্ণের মানে পার্থক্য : বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের খবর: ভল্টে স্বর্ণ যেভাবে রাখা হয়েছিল সেভাবেই আছে। কোনো প্রকার হেরফের হয়নি বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক রবিউল হাসান, ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের মহাব্যবস্থাপক জি এম আবুল কালাম আজাদ, কারেন্সি অফিসার আওলাদ হোসেন চৌধুরী, ও ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্টের মহাব্যবস্থাপক সুলতান মাসুদ আহমেদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভল্টে স্বর্ণ যেভাবে রাখা হয়েছিল সেভাবেই আছে। কোনো প্রকার হেরফের হয়নি। একটি করণিক ভুলের কারণে স্বর্ণের মানের পার্থক্য দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে এনবিআর ও শুল্ক গোয়েন্দাকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, একটি রিং মানের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব স্বর্ণকার যখন এটি পরিমাণ করেন তখন বলেছিলেন, সেই রিংয়ে ৪০ শতাংশ স্বর্ণ আছে। কিন্তু পরে প্রতিবেদন করার সময় ভুলে ৪০ কে ৮০ (ইরেজিতে শব্দ মনে করে) লিখা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ৯৬৩ কেজি স্বর্ণ জমা আছে। এর মধ্যে ১০ কেজি ৫৭ গ্রাম স্থায়ী স্বর্ণ, বাকিগুলো অস্থায়ী। আর সর্বশেষ ২০০৮ সালে নিলামে স্বর্ণ বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর আর নিলাম হয়নি।

উল্লেখ্য, আজ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। এতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক অনুসন্ধান প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছিল ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের চাকতি ও আংটি, তা হয়ে আছে মিশ্র বা সংকর ধাতু। ছিল ২২ ক্যারেট স্বর্ণ, হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে আশা ভারতীয় হাই কমিশনারের

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। তিনি বলেন, ‘সব দলের অংশ গ্রহণে আগামীতে বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বারিধারা’র প্রেসিডেন্ট পার্কে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় এবং ভারতীয় হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রাজেশ উখী।
জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সভায় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া রাজনৈতিক, আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি ও জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়।
ভারতীয় হাই কমিশনারের আশাবাদে সহমত প্রকাশ করেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেন, ‘একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান এ দেশের প্রতিটি মানুষ কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করে। দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।’
বৈঠকে প্রসঙ্গে জাপার প্রেসিডিয়ামের সদস্য সুনীল শুভরায় বলেন, ‘পুরো বৈঠকটি এক ঘণ্টার ছিল। শিডিউল করা এ বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট, রাজনৈতিক ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ৮ জুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া ব্লুম বার্নিকাটও এরশাদের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের ওই বৈঠকটি প্রায় দেড়ঘণ্টার ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমি মনে-প্রাণে একজন ফিলিস্তিনি: ম্যারাদোনা

বিদেশের খবর: আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাদোনা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকারের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

রাশিয়ায় ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে ম্যারাডোনা এ কথা জানান।

রোববার রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ। আর সেই ম্যাচটি দেখার জন্য রাশিয়ায় উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল লিজেন্ড ডিয়াগো ম্যারাডোনা।

এদিকে এই ম্যাচটি দেখতে রাশিয়ায় ছিলেন ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। সেখানে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন ম্যারাডোনা ও প্রেসিডেন্ট আব্বাস।

দুই জনের এই সাক্ষাতে ম্যারাদোনা আব্বাসকে বলেন, আমি মনে প্রাণে একজন ফিলিস্তিনি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মস্কো গেছেন প্রেসিডেন্ট আব্বাস। বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় এবং আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে দুই নেতা বৈঠকে মিলিত হবেন বলে কথা রয়েছে।

ফুটবল জগতে কিংবদন্তি হিসেবে পরিচিত ম্যারাদোনা দীর্ঘ সময় থেকেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন।

ফিলিস্তিন একদিন চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে জানান ম্যারাডোনা।

নিজের ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে ম্যারাদোনা লিখেন, এই লোকটি ফিলিস্তিনে শান্তি চায়। জনাব আব্বাস, আপনার নিজের একটি পূর্ণাঙ্গ দেশ আছে।

এর আগে ২০১৪ সালেও ম্যারাদোনা বলেছিলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনের সঙ্গে যা করছে তা লজ্জার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তারের বিরুদ্ধে ডাক্তারি সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতিপক্ষদের কাছ থেকে মোট অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে ডাক্তারি সনদে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সিভিল সার্জনের কাছে অভিযোগ করে প্রতিকার না পাওয়ায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও দুদকের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের শাহাবাজ হোসেনের মেয়ে বেবী নাজমিম এর অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, গত ২৮ মে দুপুর দেড়টার দিকে পল্লী বিদ্যুতের লোকজন তাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে এলে বাধা দেয় প্রতিবেশী আব্দুর রহমান ফকির, আনারুল ফকির ও আলম ফকিরসহ তাদের পরিবারের মহিলা সদস্যরা। প্রতিবাদ করায় তাকে মাথায় কোপ মেরে ও বোন মারুফাকে মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
বেবি নাজমিম আরো জানান, তারা ভর্তি হওয়ার আগেই হাসপাতাল গেটে অবস্থান করা অফিস সহকারি কাম ভারপ্রাপ্ত ওয়ার্ড মাষ্টার আক্তার হোসেনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় হাসপাতালের মাষ্টার রোলে কর্মরত তাদেরই গ্রামের রুবেল ওরফে শামীম। ভাল চিকিৎসা পাওয়ার জন্য তারাসহ মা সাবিনা পারভিন কয়েক দফায় আক্তার হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন। তবে ২৯ মে ডাঃ শরিফুল ইসলাম তাদের দু’ বোনকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা বললে তারা আপত্তি জানায়। তার মাথায় ছয়টি সেলাই ও বোন মারুফার মাথায় গভীর ক্ষতের ফলে চারটি সেলাই দেওয়া অবস্থায় ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই ছাড়পত্র দেওয়ার কথা বলায় তারা অসহায় হয়ে পড়েন। পরদিন একজন নার্স এসে তাদেরকে এক্স-রে করার জন্য দু’টি স্লিপ ধরিয়ে দিলে তারা আক্তার হোসেনের কাছে চলে যান। আক্তার হোসেন একজন নার্স বা আয়াকে ডেকে তাদেরকে নিয়ে ১২৫ নং কক্ষে এক্স-রে করে আসতে বলেন। আক্তার হোসেনের কথামত দু’জনের এক্স-রে বাবদ ৭০০ টাকাতাদের সঙ্গে থাকা নার্সকে দিয়ে দেয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই নার্স তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ১২৫ নং কক্ষে যেয়ে তাকে ও মারুফাকে পর্যায়ক্রমে এক্সরে ট্রলীতে তোলেন। কয়েকটি স্লুইজে চেপে আলো জ্বেলে এক্স-রে হয়ে গেছে, প্লেট বিকেলে তিনি নিয়ে যাবেন বলে ওয়ার্ডে যেতে বলেন। বিকেল ৬টার দিকে ওই নারী দু’টি প্লেট নিয়ে তাদের কাছে রেখে দেন। ৩১ মে সকালে ছাড়পত্র দেওয়ার পর তারা এক্স-রে প্লেট, এক্স-রে স্লিপ ও ছাড়পত্র নিয়ে আক্তার হোসেনের অফিসে যান। আক্তার হোসেন এক্স-রে প্লেট ও স্লিপ টি নিয়ে এমসি দেওয়ার সময় তা আদালতে পাঠিয়ে দেবেন বলে জানান। এ সময় আক্তার হোসেন ছাড়পত্রে লেখা ডাঃ শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষরের নীচে থাকা তারিখটি কাটাকাটি করে ৩০ মে লিখে তাকে দেন। ওই দিন শামীম তাকে জানায় যে, হামলাকারি আব্দুর রহমান ফকিরের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে সে আক্তার হোসেনকে দিয়েছে। যে কারণে তাদেরকে তড়িঘড়ি করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আক্তার হোসেনের নির্দেশে। এমনকি এমসি দুর্বল করে তাদেরকে জামিনে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন আক্তার হোসেন। কয়েকদিন না যেতেই থানা থেকে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শাহাদাতুল আলম আবেদন করার আগেই তড়িঘড়ি করে আক্তার হোসেন ২৩ জুন এমসি পাঠিয়ে দেন। দু’ বোনের মাথায় গভীর ক্ষত হওয়ার কারণে কয়েকটি সেলাই দেওয়ার পরও এমসিতে ছেলা জখম বলে উল্লেখ করায় তারা অবাক হন। হাসপতালে তারা ডাঃ শরিফুল ইসলামের কাছে চিকিৎসা নিলেও তাকে বাদ দিয়ে এমসিতে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ পরিমল কুমার বিশ্বাস, ডাঃ মোঃ মাহাবুবর রহমান ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিল সাক্ষর করেছেন। এমসিতে এক্স-রে করা হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। একপর্যায়ে তারা সোমবার একজন আইনজীবী ও একজন সাংবাদিককে নিয়ে সিভিল সার্জনের কাছে গেলে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তিনি সংশ্লিষ্ট ডাঃ শরিফুল ইসলামকে নিয়ে পর্যালোচনায় বসবেন বলে জানিয়ে তাদেরকেও ওই সময়ে আসতে বলেন।
বেবী অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তারা হাসপাতালে গেলে আক্তার হোসেন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারের সামনে তাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চান সিভিল সার্জন ডাঃ তওহিদুর রহমান। এ সময় ডাঃ শরিফফুল ইসলামকে থাকার জন্য বললে তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। উপরন্তু আক্তারকে ভাল লোক হিসেবে চিহ্নিত করে তাদেরকে মিথ্যাবাদি বলে প্রমাণ করানোর চেষ্টা করেন সিভিল সার্জন ও আরএমও। ৩০ মে সকাল ১০ টার দিকে ওই ওয়ার্ডে যে নার্স ডিউটি করেছে তাদেরকে আনলে চিনতে পারবো বলার পরও মাত্র একজনকে ডেকে আনা হয়।একপর্যায়ে হাসপাতালে রক্ষিত তাদের চিকিৎসা ফাইলে তারা এক্স-রে করবে না বলে তাদের দু’টি টিপসহি ও তাদের মায়ের টিপ সহি ও মোবাইল নম্বর দেখানো হয়। মারুফা মাষ্টার্স পড়ছে ও সে ইন্টারমিডিয়েট পড়ার পর কিভাবে তাদের টিপসহি দিয়েছে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন তাদেরকে মামলা করে টিপ সহি চ্যালেঞ্জ করতে বলেন।
এদিকে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, গত বছরের আশাশুনি উপজেলার সুভদ্রকাটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে শহরতলীর এল্লারচরে এনে গণধর্ষণ করা হয়। তাকে পুলিশ উদ্ধার করে পরদিনওই সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করায়। সদর হাসপাতালে পাঠানো এমসিতে ধর্ষণের কোন আলামত মেলেনি। অথচ মহাখালির ভিসেরা রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। সদর হাসপাতালের প্রতিবেদন পরিবর্তণ করতে প্রভাবশালী আসামী সোহরাব হোসেনের কাছ থেকে আক্তার হোসেন এক লাখ টাকা গ্রহণ করে বলে একধিক সূত্রে জানা যায়। এ ছাড়াও দুর্বল এমসি দেওয়ার জন্য ও এমসি গ্রিভিয়াস করার জন্য সদর হাসপাতালের সবচেয়ে বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে আক্তার হোসেন পরিচিতি লাভ করেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্মী জানান।
আর্থিক সুবিধা নিয়ে বেবী, মারুফা ও সুভদ্রাকাটির অষ্টম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীর ডাক্তারি সনদসহ যে কোন ডাক্তারি সনদ জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করে সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তার হোসেন বলেন, তাকে অহেতুক জড়ানো হচ্ছে। কারণ কোন ডাক্তারি সনদে তার সাক্ষর থাকে না।
তবে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাক্তার তওহিদুর রহমান ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিল জানান, বেবী ও মারুফার অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। তবে তারা এক্স-রে করবে না বলে যে টিপসহি দিয়েছে তা তাদেরই না হলে মামলা করতে পারে। কেবলমাত্র কেবিন পাওয়ার জন্য আক্তার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা লাগে বলে উল্লেখ করে তারা বলেন, শিক্ষিত মেয়েরা এধরণের ভুল করলে বিশ্বাস করবেন কিভাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাটরিনার বয়স ২১!

কাটরিনার বয়স ২১!

কর্তৃক daily satkhira

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড তারকা কাটরিনা কাইফের জন্মদিন ছিল ১৬ই জুলাই। এই দিন ৩৫ বছর পূর্ণ হলো নায়িকার। কিন্তু কাটরিনা দাবি করেছেন তার বয়স নাকি ২১ বছর! নিজের জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমার ২১তম জন্মদিন। আচ্ছা ঠিক আছে। আরও কয়েকটি বছর না হয় যুক্ত রয়েছে। আর এই পুরো ক্রেডিট আমার মায়ের।’ অনেকটা মজার ছলেই এমন ক্যাপশন লিখেছেন এই অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest