সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরায় জেলা বিএনপির দোয়াজেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারOpas Naobet-kasinolle rekisteröitymiseen ja tilin hallintaanScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কারাগারে নওয়াজ, প্রচারে জঙ্গি নেতা হাফিজ সাঈদ!

বিদেশের খবর: পাকিস্তানের নির্বাচন ক্রমশই ঐতিহাসিক হয়ে উঠছে। যেখানে দাপিয়ে প্রচার চালাচ্ছে জঙ্গি নেতা হাফিজ সাঈদ। অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে নওয়াজ শরিফ। চিত্রটা মারাত্মক ভারসাম্যহীন বলে মনে করা হচ্ছে।

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার সুপ্রিমো হাফিজকে ভোটে দাড়ানোর ছাড়পত্র দিয়েছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। বিতর্ককে পিছনে ফেলেই হাফিজ দর্পের সঙ্গে তার নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল মিল্লি মুসলিম লীগের সমর্থনে ভোট প্রচার করছে।

এদিকে সোমবার দুর্নীতির রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইসলামাবাদ হাই কোর্টে পালটা মামলা দায়ের করলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ।

পাকিস্তানের ভোটের চিত্রটা বিশ্ববাসীকে কী বার্তা দিচ্ছে তা এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। কারণ, নওয়াজের পিএমএল-এন দলের আইনি স্বীকৃতিকে অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। অথচ জাতিসংঘের তোয়াক্কা না করে আল্লাহ-উ-আকবর তেহরিকের হয়ে নিজের প্রার্থী দিয়েছে সাঈদ। রয়েছে সাঈদের জামাই ও ১৩ নারী প্রার্থী। ১৪ প্রার্থীর প্রত্যেকেই জামাত উদ দাওয়ার ২৬৫ সদস্যের অন্তর্ভূক্ত।

হাফিজ সাঈদ, ভারতে মুম্বাই হামলার মূলচক্রী। জঙ্গি সংগঠন জামাত উদ দাওয়ার প্রধান নেতা। জাতিসংঘের ঘোষিত আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেতা হাফিজ, যার মাথার মূল্য ১০মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই জঙ্গি নেতা পাকিস্তান প্রশাসনকে পাশে পেয়েই প্রচার চালাচ্ছে, প্রকাশ্যে জনসভা করছে। সেই জনসভায় হাফিজের অকপট ভাষণ সন্ত্রাসবাদের পক্ষেই।

জাতিসংঘের চোখ রাঙানিকে তোয়াক্কা না করে পাকিস্তান নিজের মহিমায়। কয়েকদিন আগেই FATF-এর কালো তালিকায় যায় পাকিস্তান। সন্ত্রাসে মদত ও আর্থিক কারচুপির অভিযোগ ওঠে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। তাতেও পরিস্থিতি সেই তিমিরেই। তিন বারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ আবারও গারদে, জঙ্গি নেতা সাঈদ মুক্ত আকাশে প্রচারের ধ্বজা ওড়াচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পরিসরে বিতর্কের ঝড়, সন্ত্রাসবাদী সংগঠন যে দেশের নির্বাচনে দাঁড়াতে পারে, সেই দেশকে আটকাতে কেন তৎপর নয় জাতিসংঘ। নওয়াজ, ইমরান প্রত্যেকেই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সন্ত্রাসমুক্ত পাকিস্তানের দাবি রেখে হাফিজকে ভোটে দাঁড়ানোর ছাড়পত্র কেন দিল নির্বাচন কমিশন? উঠছে সেই প্রশ্ন। পাকিস্তানে নির্বাচনের আগে দফায় দফায় হামলার মুখে পড়ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা।

পিএমএল-এন, এএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রচারে যেতে ভয় পাচ্ছেন। অথচ নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনিতে নির্বিঘ্নে প্রচার সারছে জঙ্গি নেতা হাফিজ সাঈদ৷ প্রচার সভায় পাকিস্তানে নবজাগরণ আনার আশ্বাস দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি পাকিস্তানে ভোট বাতিলের দাবি উঠছে। অবশ্য, গোটা বিষয়ে মুখে কুলুপ পাকিস্তান প্রশাসনের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণপিটুনি ‘গণতন্ত্রের ভয়ঙ্কর রূপ’ : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

বিদেশের খবর: গণপিটুনির ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের ভয়ঙ্কর রূপ’ হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে এ ব্যাপারে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে পার্লামেন্টে আইন তৈরিসহ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে বলেছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।

গণপিটুনিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার গণপিটুনি সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানিতে এমন আদেশ দেন আদালত। আগামী ২৮ আগস্ট এ ব্যাপারে পরবর্তী শুনানি হবে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, কোনও নাগরিকের আইন হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার নেই। এ ধরনের ঘটনা যেন শক্ত হাতে দমন করা হয়।

আদালত বলেছে, ‘গো-রক্ষার নামেও আইন হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার নেই কারও। দেশের বিভিন্ন স্থানে গো-রক্ষার নামে হওয়া সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। ভয় এবং অরাজকতার পরিবেশ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে পদক্ষেপ নিতে হবে। আইনের শাসন কায়েম করা সরকারের কর্তব্য।’

আদালতে কেন্দ্রীয় সরকারের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল পি এস নরসিমহা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এ ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। কেন্দ্রীয় সরকার এতে ততক্ষণ হস্তক্ষেপ করতে পারে না, যতক্ষণ না রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে আবেদন জানায়।

গত বছর ৬ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সব রাজ্যকে গো-রক্ষার নামে সহিংসতা বন্ধের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেয়। এর পাশাপাশি প্রত্যেক জেলায় এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাকে নোডাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করতে বলা হয়েছিল। রাজস্থান, হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশ সরকার এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় আদালত তাদের কাছে এ ব্যাপারে জবাব চেয়েছে।

বিভিন্ন রাজ্যে স্বঘোষিত গো-রক্ষকদের তাণ্ডব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজবের জেরে গণপিটুনির বিষয় উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা, তুষার গান্ধী ও অন্যরা। সেই আবেদনের ভিত্তিতে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারপতির সমন্বিত বেঞ্চ গণপিটুনি ইস্যুতে কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে বিশ্বজয়ীর সম্মান পেল ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলাররা

খেলার খবর: ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-৪ গোলে হেরেও দেশে ফিরে বীরের মতো সংবর্ধনা পেল ক্রোয়েশিয়া। প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও হাতছাড়া হয়েছে বিশ্বজয়ের স্মারক। তবু এতটুকু খেদ নেই ক্রোয়েটদের। বিশ্বকাপের মঞ্চে দেশকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরা ফুটবলারদের বীরের সম্মানে বরণ করে নিল ক্রোয়েশিয়া।প্লেন অবতরণ থেকে শুরু করে বাসে রাজপথে মদ্রিচদের অভিবাদন গ্রহণ, লক্ষাধীক ক্রোয়েশিয়ান উন্মত্ত চিৎকারে উৎসবমুখর করে তোলে রাজধানী জাগরেবের আকাশ-বাতাস। ফুটবলাররাও সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানাতে পিছপা হননি। সমর্থকদরে সঙ্গে হাসি-কান্না, নাচে-গানে একাত্ম হয়ে যান মান্দজুকিচ-রাকিটিচরা।মাত্র ৪.২ মিলিয়ন মানুষের ছোট্ট দেশ ক্রোয়েশিয়া। এদিন মদ্রিচ-রাকিতিচদের বরণ করতে রাস্তায় নেমে আসে সাড়ে ৫ লক্ষ মানুষ। যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ। নেচে গেয়ে তারা স্বাগত জানায় জাতীয় বীরদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিউ ইয়র্কের রাস্তায় নাচলেন প্রিয়াঙ্কা

বিনোদন সংবাদ: সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের রাস্তায় দর্শকদের নাচে-গানে মাত করেছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। জানা যায়, ‘ইজ নট ইট রোমান্টিক’ নামে হলিউডের একটি সিনেমার শুটিংয়ের প্রয়োজনে নেচেছেন এই অভিনেত্রী। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নাচের কিছু ছবি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যানহাটনের পার্ক অ্যাভিনিউয়ের ৪০তম সড়কে নেচেছেন প্রিয়াঙ্কা।

এদিকে প্রকাশিত একাধিক ছবিতে দেখা যায়, গোলাপি রঙের জামা পরে নাচছেন প্রিয়াঙ্কা। তার সঙ্গে রয়েছেন রেবেল উইলসন। তিনি উজ্জ্বল লাল রঙের জামা পরে নাচছেন। এছাড়াও লিয়াম হ্যামসওয়ার্থকে কালো রঙের পোশাক পরে নাচতে দেখা যায়।

টড স্ট্রাউস-স্কুলসন পরিচালিত এ সিনেমাটি প্রযোজনা করছে নিউ লাইন সিনেমা। ২০১৯ সালের ভালোবাসা দিবসে সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।

নিউইয়র্কের এক স্থাপত্যবিদ নাটালিকে নিয়ে সিনেমাটির কাহিনি। সেখানে নাটালির ভূমিকায় অভিনয় করছেন রেবেল। লিয়াম ব্লেক নামে এক সুদর্শন ক্রেতার ভূমিকায়। আর প্রিয়াংকা যোগব্যায়াম শিক্ষক ইসাবেলার চরিত্রে অভিনয় করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুরি ঠেকাতে ইউটিউবের নতুন কৌশল

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব চুরি ঠেকাতে নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। ‘কপিরাইট ম্যাচ টুল’ নামের একটি নতুন ফিচার আনছে ইউটিউব। এতে ইউটিউবের ভিডিও নির্মাতারা তাঁদের ভিডিও চুরি ঠেকাতে পারবেন। অর্থাৎ, তাঁর আপলোড করা ভিডিও অবৈধভাবে আর কেউ আপলোড করতে পারবে না। ইউটিউবের এক ব্লগ পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন এই টুলের মাধ্যমে নতুন ভিডিও আপলোড হলে তা স্ক্যান করে দেখবে ইউটিউব। এতে আপলোড করা ভিডিওর সঙ্গে ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা কোনো ভিডিওর সামঞ্জস্য আছে কি না, তা দেখা হবে। যদি ওই ভিডিও মিলে যায়, তবে ‘ম্যাচেস’ নামের একটি ট্যাব হাজির হবে।

ইউটিউব কর্তৃপক্ষ বলেছে, অবৈধভাবে কনটেন্ট পুনরায় আপলোড ঠেকাতে এক বছর ধরেই কপিরাইট ম্যাচ টুলটি নিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। টুলটি নিরাপদ, কার্যকর ও পুরো কমিউনিটির উপযোগী করে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে।

যদি আগে আপলোড করা কোনও কনটেন্টের সঙ্গে নতুন কনটেন্ট মিলে যায়, তখন প্রকৃত আপলোডকারী নতুন আপলোডকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বা ইউটিউবকে ওই ভিডিও সরিয়ে ফেলার অনুরোধ করতে পারবেন।

ইউটিউবে যাঁদের এক লাখের বেশি সাবস্ক্রাইবার আছে, তাঁরা আগামী সপ্তাহ থেকে নতুন ফিচারটি ব্যবহার করতে পারবেন। ইউটিউবের ব্লগ পোস্টে বলা হয়েছে, এটি শক্তিশালী ফিচার। এর ব্যবহার গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভাতা বিতরণ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামাজিক নিরাপত্তাবলয় কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের ভাতা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে (জিটুপি-গভর্নমেন্ট টু পারসন) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এই কর্মসূচির আওতায় প্রবীণ, শারীরিক প্রতিবন্ধী, বিধবাসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রায় ৬৭ লাখ ভাতাপ্রাপ্ত মানুষ প্রতি মাসের নির্দিষ্ট সময়ে মোবাইল ফোনে এসএসএম পাওয়ার পর সরাসরি ব্যাংক থেকে তাঁদের প্রাপ্ত ভাতা তুলতে পারবেন।

সরকার চলতি অর্থবছর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তবলয় কর্মসূচির আওতায় চার হাজার ৩১৭ কোটি টাকা বেদে, হরিজন, চা শ্রমিক এবং দুরারোগ্য ব্যাধি, যেমন : ক্যানসার, কিডনি, লিভার সমস্যায় আক্রান্তদের সহযোগিতার জন্য বরাদ্দ করেছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান প্রকল্পের অর্থ প্রদান সম্পর্কিত একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং গোপালগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসকরা ভিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় আরো সাতটি জেলা অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আমরা গড়ে তুলব। প্রতিটি গ্রামে মানুষ শহরের মতো সুবিধা পাবে।’ তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় সরকারি ভাতা দেওয়ার পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যাতে দরিদ্র মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে। তাদের সম্পদ ও টাকা-পয়সা কেউ কেড়ে নিতে না পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগে ভাতার টাকা ব্যাংক ও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে যেত। এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। আজ আমরা সেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে যারা যা প্রাপ্য, তার কাছেই পৌঁছে দেবো। কেউ আর কমিশন খেতে পারবে না। সরাসরি টাকা আপনার হাতে পৌঁছে যাবে।’ তিনি বলেন, টাকা প্রাপকদের নামের একটি ডাটাবেজ করে রাখা হবে, যাতে কেউ তাদের নিয়ে কোনোরকম খেলা খেলতে না পারেন। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যক্তির কাছে অর্থাৎ ‘গভর্নমেন্ট টু পারসন’ এই ভাতা পৌঁছে যাবে।

সরকারি ভাতার ওপর নির্ভর করে কর্মবিমুখ না হতে হতদরিদ্রদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মানুষ যেন না খেয়ে কষ্ট না পায়, সে জন্য আমরা সহযোগিতা দিচ্ছি। পুরো সংসারের দায়িত্ব আমরা নেব না। মানুষ যাতে পুরোপুরি ভাতার ওপর নির্ভরশীল না হয়, কর্মবিমুখ না হয়।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এমন পরিমাণে ভাতা দেওয়া হবে, যা দিয়ে আপনি খাদ্য কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনাকে কাজ করতে হবে। শুধু ভাতার ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না। যাঁরা কর্মক্ষম, তাঁরা কাজ করবেন।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের আমলে দুস্থ মানুষ সেবার বদলে বারবার নিগৃহীত হয়েছে। তখন সামাজিক ভাতা ১০০ টাকা দিলে মাঝখান থেকে ৫/১০ টাকা নিয়ে নিত। এখানেও দুর্নীতি ছিল। এমন ব্যবস্থা চালু করে যাচ্ছি, যাতে মানুষকে আর ভোগান্তি পোহাতে না হয়।’

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ২০০৫ সালে ১৩ শতাংশ হতদরিদ্র মানুষ থাকলেও ২০১৮ সালে ২৮ শতাংশ প্রান্তিক মানুষ এখন সুবিধা পাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘সামনে নির্বাচন, জনগণ যদি ভোট দেয়, তাহলে আবার ক্ষমতায় আসব। না হলে আসব না। এটা আল্লাহর ওপরও নির্ভর করে, তিনি যদি চান। তবে, তাঁর আগেই আমি আমার কাজগুলোকে সুরক্ষিত করতে চাই।’ ‘মানুষের সেবা করাই আমাদের কাজ, মানুষের পাশে থাকাই আমাদের কাজ,’ বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ছয় বছর প্রবাস জীবন শেষে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দেশে ফেরার সময়কার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘তখন সারা দেশে ছুটে বেড়িয়েছি। দেখেছি হাড্ডিসার, কঙ্কালসার মানুষ ক্ষুধার তাড়নায়, চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মুত্যুবরণ করছে। এইসব দুর্ভাগা মানুষের জন্যই স্বাধীনতা, তাঁদের কল্যাণের জন্যই ছিল আমার বাবার (বঙ্গবন্ধু) রাজনীতি। তাঁদের জন্যই তিনি সারা জীবন জেল-জুলুম, অত্যাচার সহ্য করে গেছেন।’

দেশকে ভালোবাসা, দেশের মানুষকে ভালোবাসার শিক্ষা তিনি বাবার কাছ থেকেই পেয়েছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার জীবনের একটাই লক্ষ্য, এ দেশের মানুষের জন্য কিছু করা। তিনি সুষ্ঠুভাবে দেশসেবার জন্য সকলের দোয়া প্রত্যাশা করেন।’

নরসিংদী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গোপালগঞ্জের প্রান্তিক এলাকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে টাকা পৌঁছার খবর তাঁদের মোবাইল ফোনে চলে যাবে এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাঁরা টাকা তুলতে পারবেন। যেসব দুস্থ মানুষ টাকা আনতে ব্যাংকে বা ইউনিয়ন পরিষদে যেতে পারবেন না, তাঁরা সমাজকল্যাণ অফিসকে জানালে বাড়িতে টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ভাতাভোগীরা মধুমতি, এনআরবি, ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে এই টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা ৩৫

দেশের খবর: বেসরকারি কারিগরি ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় বয়সসীমার বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভা শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাদরাসা) রওনক মাহমুদ বলেন, কারিগরি ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগে বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত আলাদা দুটি নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। নীতিমালায় বেসরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষক নিয়োগের মতোই বিধি থাকছে। খসড়া চূড়ান্ত করা হলেও মঙ্গলবার সভায় শিক্ষকদের নিয়োগের বয়সসীমার বিষয়টি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। সে সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী বেসরকারি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বেসরকারি এমপিও নীতিমালার সঙ্গে মাদরাসা ও কারিগরি নীতিমালায় সার্বিক মিল থাকলেও এতে শিক্ষকদের নতুন পদ সৃজন করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির পর সেসব প্রতিষ্ঠানে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সচিব, প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী অনুমোদন দিলে নীতিমালাটি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। এরপর কারিগরি ও মাদরাসায় নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিভুক্তির জন্য আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)- এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ জারি করে। ওই নীতিমালায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয় ৩৫ বছর। পাশাপাশি বদলির ব্যবস্থাও রাখা হয়। কিন্তু ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (কারিগরি ও মাদরাসা)- এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ বয়সসীমা নির্ধারণ না করায় বিতর্ক দেখা দেয়। প্রশ্ন ওঠে দেশের স্কুল কলেজের শিক্ষকদের নিয়োগ পেতে বয়স ৩৫ বছর থাকবে আর কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষকদের নিয়োগে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না, সমমানের পদে নিয়োগে এ বৈষম্য অনৈতিক। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক উঠলে তা পরিবর্তন করে নতুন করে বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষকদের বদলি-সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে রওনক মাহমুদ বলেন, সরকার চাইলে যে কোনো সময় যে কোনো বেসরকারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষককে বদলি করতে পারবেন, এ জন্য বদলি নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় নীতিমালাটি অনুমোদন দিয়েছে। মাদরাসা ও কারিগরির ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য আছে। সেগুলো ঠিক করে আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রসমাজের আহবায়ক কমিটি গঠন

জাতীয় ছাত্রসমাজ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ১৭ জুলাই সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ছাত্রসমাজের সভাপতি আশরাফুজ্জামান রকি ও সাধারণ সম্পাদক কায়মুজ্জামান পাভেল স্বাক্ষরিক এক পত্রে উক্ত কমিটি বিলুপ্ত এবং সাথে সাথে আলমগীর হোসেনকে আহবায়ক, আলামিন, রাইহান, ওয়াহিদুর রহমান শাওনকে কে যুগ্ম আহবায়ক ও শেখ আলামিন হাসান কে সদস্য সচিব করে আগামী ৩ মাসের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest