সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

জাতীয় নির্বাচনের আগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামছে দুদক

দেশের খবর: মাদকবিরোধী অভিযানের পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ার চেষ্টা করবে সরকার। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের প্রতি মানুষের সমর্থন দেখে সরকার উৎসাহবোধ করছে। তাই শিগগির দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি সংস্কারের। দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শক্তিশালী করতে অনুমোদন করা হয়েছে নতুন ১০৬৮টি পদ। অনুসন্ধান ও তদন্ত ছাড়াও ঘুষ লেনদেনের সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে ফাঁদ পাতার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দুদকে থাকছে গোয়েন্দা ইউনিট ও রিজার্ভ শাখা। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি গত ৪ জুলাই দুদকের জন্য নতুন পদ অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে অনুমোদন দেয় জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়। বর্তমানে দুদকের জনবল এক হাজার ২৬৪ জন।

সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রে জানা যায়, অনেকটা মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের আদলেই দুর্নীতির বিরুদ্ধেও অভিযান চলবে। এর মাধ্যমে আর্থিক খাতের পাশাপাশি পুলিশসহ সরকারি প্রশাসনে লাগামহীন দুর্নীতির রশি টেনে ধরার চেষ্টা করবে সরকার। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এ অভিযান শিগগির শুরু করা হবে। অভিযান চালাতে প্রয়োজনে সংস্কার করা হবে দুদকের বিদ্যমান আইন ও বিধি। কোন পদ্ধতিতে অভিযান চালানো হবে সে বিষয়টি নিয়ে এখন কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছি। এরই মধ্যে অনেক আইন সংস্কার করে যুগোপযোগী করা হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে অভিযান চলছে। আগামীতে এ অভিযান আরো শক্তিশালী করা হবে। এ জন্য আইন সংস্কার প্রয়োজন হলে তাও করা হবে।’

দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, দুর্নীতি দমন সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। মাদক ও জঙ্গি দমনে সরকার যতটা কঠোর, দুর্নীতি দমনেও একই রকম কঠোর। এ কারণেই নতুন করে আরো কিছু পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

বিদ্যমান আইনে দুর্নীতি দমন সম্ভব কি না জানতে চাওয়া হলে দুদকের আইন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মঈদুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে আইন কোনো সমস্যা নয়, সমস্যা প্রয়োগ ও মানুষের। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির ক্ষেত্রে সাজার জন্য বিভিন্ন আইন রয়েছে। দুর্নীতি প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। তিনি দাবি করেন, গত বছর পুলিশের চেয়ে বেশি দুদকের মামলায় অপরাধীর সাজা হয়েছে। এ হার ৭০ শতাংশ।

জানা গেছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান কঠোর করার লক্ষ্যে দুদকের কয়েকটি বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মামলা দায়ের, জরিমানা ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা সংক্রান্ত বিধিগুলো সংশোধনীর জন্য বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে রয়েছে। যেকোনো সময় তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠবে। এ ছাড়া দুদকের যে কয়েকটি আইন ছড়ানো ছিটানো রয়েছে, সেগুলো একত্র করার উদ্যোগ চলছে। সম্প্রতি ভারতে দুর্নীতি দমনসংক্রান্ত কয়েকটি ছড়ানো ছিটানো আইন একত্র করে একটি আইনে পরিণত করা হয়েছে। সে আলোকেই বাংলাদেশেও তেমনটি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দুদকের নতুন পদ সৃষ্টির যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি। দেশের প্রকৃত আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য একটি সুশাসনভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার, যা সরকারের ভিশন-২০২১-এ ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সচিব কমিটির সভায় আরো বলা হয়েছে, সরকার সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে ২০১২ সালে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ প্রণয়ন করে। এ ছাড়া ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১’-এ দুর্নীতিকে একটি আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য দুদকের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।

দুদক কয়েকটি জেলা সমন্বয়ে ‘সমন্বিত জেলা কার্যালয়’ গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নতুন জনবল নেওয়ার পর দুদক প্রায় সব জেলায় সতন্ত্রভাবে কাজ করবে। কমিশনের বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামোতে রয়েছে এক হাজার ৭৩টি পদ। সুপারনিউমারিসহ মোট পদের সংখ্যা এক হাজার ২৬৪। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে আরো এক হাজার ৬৮টি পদ। এ অতিরিক্ত জনবলের জন্য বছরে ২১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। বর্তমানে কমিশনে ছয়জন মহাপরিচালক আছেন। আরো দুজন মহাপরিচালক যুক্ত হবেন। বর্তমানে পরিচালক রয়েছেন ১৯ জন, তাঁদের সঙ্গে আরো যোগ দেবেন ১৮ জন। ৮১ জন উপপরিচালকের সঙ্গে আরো ১১০ জন নিয়োগ পাবেন। নতুন পদ সৃষ্টির পর ১২৪ জন উপসহকারী পরিচালকের সঙ্গে যোগ দেবেন আরো ২৩৩ জন। এ ছাড়া পরিদর্শক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রধান সহকারী, হিসাবরক্ষক, উচ্চমান সহকারী, ড্রাইভার, কনস্টেবলসহ মোট ৩৬টি পদে নতুন করে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।

সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট : আদালতে দুর্নীতিবাজদের শাস্তি হলেও তাদের সম্পদের কিছু হয় না। দুর্নীতিবাজদের সম্পদ যেন তার বংশধরদের কেউ ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট গঠন করা হচ্ছে। এই ব্যবস্থাপনা ইউনিট দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের তত্ত্বাবধানকারী হবে এবং রাষ্ট্রীয় খাতে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া গ্রহণ করবে। এ ইউনিট কাজ করবে দুদক সচিবের তত্ত্বাবধানে। একজন পরিচালক, দুইজন উপপরিচালক, চার সহকারী পরিচালকসহ মোট ১১ জন এ ইউনিটে থাকবেন। বর্তমান কাঠামোতে এ ধরনের কোনো ইউনিট নেই।

রিজার্ভ শাখা : কমিশনের হঠাৎ জনবলের প্রয়োজন হয়। সেই জনবল সরবরাহ করতে পারে না কমিশন। বিশেষ পরিস্থিতিতে কোনো বিষয়ের অনুসন্ধান, তদন্ত ও ঘুষ লেনদেনের সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে ফাঁদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমিশন জনবল সরবরাহ করতে পারে না। এই সমস্যা দূর করার জন্য রিজার্ভ শাখা অনুমোদন করা হয়েছে। দুদক সচিবের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে এ রিজার্ভ শাখা। ১৫ জন উপপরিচালক, ১৪ জন সহকারী পরিচালক, ২৭ জন উপসহকারী পরিচালকসহ মোট ৮৩ জন থাকবেন এ রিজার্ভ শাখায়।

গোয়েন্দা ইউনিট : দুর্নীতিবাজদের খুঁজে বের করার জন্য বর্তমানে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই, অভিযোগ অনুসন্ধান ও মামলা তদন্ত করতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে সময় লাগে অনেক বেশি। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়ে নির্ভুল অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজের জন্য নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামোতে সচিবের অধীন একজন পরিচালক, তিনজন উপপরিচালকসহ মোট ১০টি নতুন পদ থাকছে।

আসামি গ্রেপ্তারকালে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখার জন্য দুদক সচিবের তত্ত্বাবধানে এনফোর্সমেন্ট শাখাও থাকবে। এ জন্য একজন উপপরিচালক, দুই সহকারী পরিচালকসহ মোট ২৬টি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

দুদকের চলমান মামলা বেড়েই চলেছে। এসব মামলা পরিচালনার জন্য ‘লিগ্যাল ও প্রসিকিউশন’ নামে একটি অনুবিভাগ রয়েছে। অনুমোদিত কাঠামোতে এ বিভাগ পুনর্বিন্যাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামোতে সিস্টেম এনালিস্টের অধীন তথ্য-প্রযুক্তি সেল থাকলেও তা কাজ করছে অন্য অনুবিভাগের অধীন। দুর্নীতি অনুসন্ধানে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য তথ্য-প্রযুক্তি সেলকে তথ্য-প্রযুক্তি শাখা হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তির সঙ্গে প্রশিক্ষণ শাখাকে যুক্ত করে একজন মহাপরিচালকের অধীনে থাকবে প্রশিক্ষণ ও তথ্য-প্রযুক্তি শাখা।

জনসংযোগ শাখাকে আপগ্রেড করা হচ্ছে। বর্তমানে এ কাজটি করছেন একজন উপপরিচালক। সংবাদপত্রে প্রকাশিত দুর্নীতিবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণের পর অনুসন্ধানে নামবে কমিশন। তথ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক কলাকৌশল অবলম্বন করে প্রেস ও মিডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য উপস্থাপন করার কাজটি করার জন্য একজন পরিচালকের অধীন দুজন উপপরিচালকসহ সাতটি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসছে পপি-সালমা ‘দুইবোনের’ ধামাকা

বিনোদন সংবাদ: ক্লোজআপ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী সালমা। কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত। স্টেজ ও নতুন দু জায়গাতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যদিকে পপি ফের ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নতুন নতুন ছবির কাজে। সম্প্রতি সাহসী যোদ্ধা ও কাঠগড়ায় শরৎ চন্দ্র নামের দুই ছবি নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে এই গুণী অভিনেত্রীর।

এরইমধ্যে একসাথে দেখা গেল কণ্ঠশিল্পী ও অভিনয়শিল্পীকে। শুধু যে একসাথে দেখা গেছে তাই নয়, সেখানে পপিকে বোন বানিয়ে ফেলেছেন সালমা। দুইজনের প্রায়ই একই ধরনের জামা পরিহিত একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন সালমা। যেখানে দেখা যাচ্ছে দুজনকে দুজনকে পরম আত্মীয়ের মতো ছুঁয়ে রয়েছেন।

সালমা লিখেছেন, ‘আমি হাসি কারণ তুমি আমার বোন। আমি হাসি কারণ এখানে তোমার করার কিচ্ছু নেই, এ কারণেই হাসি।’

অর্থাৎ সালমার ঠোঁটে যে স্নিগ্ধ হাসি ঝুলে রইলো তা বোন পপির জন্যই। অর্থাৎ পপিকে পেয়ে আপ্লুত ছোটবোন সালমা। হঠাৎ দুইজনের একত্রে হওয়ার কারণ কী? এ বিষয়ে কথা হয় পপির সঙ্গে।

পপি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আমাদের একসাথে শো থাকে। এরমকই কোনো একটি মুহূর্তের ছবি এটি। আমাদের তো অনেকগুলো ছবিই রয়েছে সালমা যে কোনটি ফেসবুকে পোস্ট করেছে দেখিনি। তবে আমঅরা দুইজন একটা চমক নিয়ে আসছি। বলা যায় বড় ধরনের ধামাকাই। একটু অপেক্ষা করুন, শিগগির জানাবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আর্জেন্টিনা চলেছে মেসির ইশারাতেই!

খেলার খবর: বিশ্বকাপের আগেই এবার আর্জেন্টিনা হেরে গেছে—এমনটা বললে খুব বেশি কি বলা হবে? সেরা খেলোয়াড়দের সাইড বেঞ্চে রেখে, একই ভুলের পুনরাবৃত্তিই যে করতে যাচ্ছেন কোচ হোর্হে সাম্পাওলি, সেটি জানাই ছিল ফুটবল-ভক্তদের। তবে দলের এমন উদ্ভট সিদ্ধান্তে সব দোষ যে কোচের নয়, সেই ধারণা ভাঙতে শুরু করেছে।

কোনো এলাকার সব নিয়ন্ত্রণ একজনের হাতে কিন্তু এর লিখিত বা চাক্ষুষ কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। অথচ তাঁর আঙুলের ইশারায় নির্ধারিত হয় কী হবে না হবে। আর্জেন্টিনা দলেও এমন একজন আছেন। দলের কোচের ওপরও তাঁর কথা অনেক সময় গুরুত্ব পায়। নাম না বললেও হয়তো ধরতে পারছেন, তিনি কে!

রাশিয়া বিশ্বকাপটা বেশ অস্থির গেছে আর্জেন্টিনার। দল গোছাতে কোচ সাম্পাওলির ব্যর্থতা, দল নির্বাচনে ভুল—সব মিলিয়ে খুব বেশি কারণ প্রয়োজন হয়নি দলকে ডোবাতে। আলবিসেলেস্তেদের ভরাডুবিতে কোচকেই দায়ী করেছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞ ও ভক্তরা। তবে আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম সম্প্রতি একটি খবর প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে দলের একাদশ নির্বাচনের ক্ষেত্রে অধিনায়ক লিওনেল মেসি প্রভাব খাটিয়েছেন। ডিফেন্ডার ফেদেরিকো ফাসিও আর মিডফিল্ডার জিওভান্নি লো সেলসোকে দলে না রাখতে কোচকে সরাসরি বারণ করেছেন মেসি!

স্পেনের সঙ্গে ৬-১-এ হারার পর দলে এমনকি কোচিং স্টাফদের ওপরও প্রভাব বিস্তার করেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। ইতালি ও ফ্রান্সের ম্যাচ সামনে রেখে ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে অনুশীলন করে আর্জেন্টিনা। সে সময় কোচ সাম্পাওলির সহকারী একজন কোচ সেবাস্তিয়ান ব্যাচ্চাচেচে মেসিকে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। মেসির অনুশীলনে করা ভুল শোধরানোর পরামর্শ দিচ্ছিলেন ব্যাচ্চাচেচে। বিষয়টি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসির খুব একটা ভালো লাগেনি। কোচ সাম্পাওলিকে জানান, তাঁর সঙ্গে যেন এমন কিছু আর না হয়।

শুধু তা-ই নয়, গত মৌসুমে রোমা আর পিএসজির হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফাসিও আর সেলসোকে একাদশে রাখতে কোচকে নিষেধ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অনুশীলনে নাকি ‘ফুটবল টেনিসে’ সেলসো হারিয়ে দিয়েছিলেন মেসিকে। আর্জেন্টিনার একটি গণমাধ্যম দাবি তুলেছে, বিব্রত হওয়ার বিষয়টি ভুলতে পারেননি অধিনায়ক।

শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে ফাসিও নেমেছিলেন মাঠে। সেলসোর কপালে বিশ্বকাপের এক মিনিটও জোটেনি। এবারের বিশ্বকাপে মাউরো ইকার্দির আর্জেন্টিনা দলে না থাকার পেছনে মেসির দিকেই ইঙ্গিত তোলা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছিল, মেসির সঙ্গে বন্ধুত্ব ততটা গাঢ় না হওয়ায় দলে জায়গা হয়নি ইন্টার মিলানের এই স্ট্রাইকারের।

সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হতে হয়েছে পাওলো দিবালাকে। মেসির আর দিবালার খেলার ধরন একই হওয়ায় একাদশে জায়গা হয়নি তাঁর। আর্জেন্টিনা গণমাধ্যমের কথা যদি সত্যি হয়, দলকে ডোবাতে কোচ সাম্পাওলির সঙ্গে মেসির অবদানও কম নয়, এমনটা তো ভাবা যেতেই পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অ্যাপেনডিক্স বাড়তি ঝামেলা নয়, অত্যন্ত দরকারি

স্বাস্থ্য কণিকা: অতীতে মনে করা হতো, পেটের ভেতরে থাকা ছোট অ্যাপেনডিক্স নামে অংশটি দেহের জন্য একটি বাড়তি ঝামেলা। আর তাই এখানে সংক্রমণ হলে চিকিত্সকরা প্রায়ই প্রত্যঙ্গটিকে ছুরি চালিয়ে ফেলে দিয়েছেন।

কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রত্যঙ্গটি অন্ত্রের ভেতর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

গবেষণাটি চালিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল স্কুলের সার্জন আর ইমিউনোলজিস্টরা। বিজ্ঞান সাময়িকী জার্নাল অব থিওরিটিক্যাল বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে সে গবেষণার ফলাফল।

গবেষকরা দেখেছেন, মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে থাকা বিপুল পরিমাণ ব্যাকটেরিয়াকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে অ্যাপেনডিক্স।
পেটে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, যার বেশিরভাগই উপকারী। খাদ্য হজমে সাহায্য করে এসব ব্যাকটেরিয়া। কিন্তু প্রায়ই কোনো সমস্যায় ব্যাকটেরিয়া মরে যায়। কলেরা বা অ্যামিবিক আমাশয় হলে তা অন্ত্র বা নাড়িভুঁড়ি থেকে সব ব্যাকটেরিয়া বের করে ফেলে। অ্যাপেনডিক্সের কাজ হচ্ছে এরকম ক্ষেত্রে সেখানে লুকানো ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে তা দিয়ে আবার পরিপাকতন্ত্রকে চাঙ্গা করা। অর্থাৎ অ্যাপেনডিক্স ব্যাকটেরিয়ার জন্য একটি নিরাপদ আবাস হিসেবে কাজ করে।

পাশাপাশি গবেষকরা বলছেন, অস্ত্রোপচার করে এটি ফেলে দিলে তাৎক্ষনিকভাবে কোনো সমস্যা না হলেও দীর্ঘমেয়াদে দেহের ক্ষতি হয়।

এছাড়া গবেষকরা বলছেন, অ্যাপেনডিক্সের দেয়ালে রয়েছে উচ্চমাত্রায় রোগপ্রতিরোধী সেল। এগুলো আদতে দেহের রোগপ্রতিরোধে কার্যকরভাবে সহায়তা করে।

গবেষকরা বলছেন, যাদের অ্যাপেনডিক্স অপসারণ করা হয় তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এমনকি তাদের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি চার গুণ বেড়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮

বিদেশের খবর: পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে আওয়ামী পার্টির (বিএপি) বৈঠকে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮ হয়েছে। হামলায় আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থী নবাবজাদা সিরাজ রাইসানিও মারা গেছেন। শুক্রবার বেলুচিস্তান প্রদেশের মাসতুংয়ে এ হামলায় কমপক্ষে আরও দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। খবর- রয়টার্স।

হতাহতদের কোয়েটা সিভিল হাসপাতাল, বলান মেডিকেল কমপ্লেক্স ও কেয়েটা মিলিটারি হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। প্রদেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আঘা উমর বুঙ্গালজাই বলেছেন, নওয়াবজাদা সিরাজ বাইসানির সভাকে লক্ষ্য করে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আহত অবস্থায় কোয়েটায় নেয়ার পর সিরাজ বাইসানি মারা গেছেন।

বুঙ্গালজাইসহ প্রদেশটির সিভিল ডিফেন্স ডিরেক্টর আসলাম তারিন জানিয়েছেন, এটি একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ।

আগামী ২৫ জুলাই পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন হবে। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটিতে হামলার ঘটনা বেড়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে পেশোয়ারে আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির (এএনপি) নির্বাচনী সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ২১ জন নিহত হন।

এদিকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরে গ্রেফতার হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ। শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ৯টার দিকে লাহোর বিমানবন্দরে নামার পর তাদের গ্রেফতার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়াকে ঘিরে ফেলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র? শঙ্কা মস্কোর

বিদেশের খবর: রাশিয়াকে আগ্রাসনের জন্য অভিযুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। অথচ তাদের সামরিক বাহিনীই দিন দিন রুশ সীমান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু।

তিনি বলেন, কেন রাশিয়ার আশে-পাশের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো রুশ সীমান্তের দিকে এগিয়ে আনা হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে।

শোইগু বলেন, রুশ সীমান্তের দিকে মার্কিন সেনাদের এই অগ্রসর হওয়াকে মিত্রদের কাজ বলে গণ্য করার সুযোগ নেই বরং মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে মস্কো।

ইতালির একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সের্গেই শোইগু এসব কথা বলেন। তার এই সাক্ষাৎকার আজ শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, মার্কিন সরকার ইউরোপের দেশগুলোতে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে তা সরাসরি ‘ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্স ট্রিটি’র লঙ্ঘন।

তিনি বলেন, এসব ব্যবস্থা থেকে রাশিয়ার ভূখণ্ডের দিকে টোমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে। আমেরিকার পক্ষ থেকে চুক্তি লঙ্ঘনের কথা মস্কো আন্তর্জাতিক সব ফোরামে তুলে ধরেছে বলেও তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে ফিরতেই গ্রেপ্তার নওয়াজ ও তার মেয়ে

বিদেশের খবর: গ্রেপ্তার আতংকের মাঝেই পাকিস্তান এসে পৌঁছেছিলেন দেশটির ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ এবং তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ। শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৫০ মিনিটে লাহোর বিমানবন্দরে নামেন তারা। এর কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দরেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বাবা ও মেয়ে দু’জনেরই পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর হেলিকপ্টারে করে রাওয়ালপিণ্ডির আদিয়ালা জেলের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদেরকে। ওদিকে তাদের গ্রেপ্তারের খবরে লাহোরে ব্যাপক বিক্ষোভের খবর পাওয়া গিয়েছে। লাহোর জুড়ে বেশ বড়সড় বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে তাঁর দল পিএমএল-এর সমর্থকেরা। তবে এখনো কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতির দায়ে ৬ জুলাই নওয়াজ শরিফকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর মেয়ে মরিয়ম নওয়াজকে ৭ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

আদালতের রায় ঘোষণার সময় নওয়াজ ও মরিয়ম লন্ডনে অবস্থান করছিলেন। আজ শুক্রবার লন্ডন থেকে আবুধাবি হয়ে দেশে ফিরলেন তাঁরা। তাঁদের আগমন উপলক্ষে নওয়াজের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (পিএমএল-এন) লাহোরে ব্যাপক শোডাউনের আয়োজন করে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়।

আদালত নওয়াজ-মরিয়মের সঙ্গে ক্যাপ্টেন সফদারকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। সফদার হলেন মরিয়মের স্বামী। পাকিস্তানের অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্ট ওই রায় দেন। কারাদণ্ডাদেশের পাশাপাশি নওয়াজকে ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড ও মরিয়মকে ২০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। ক্যাপ্টেন সফদার গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে।

লন্ডনে চারটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনাকে কেন্দ্র করে নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। নব্বইয়ের দশকে লন্ডনে পার্ক লেনের অ্যাভেনফিল্ড হাউসে চারটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনে নওয়াজের পরিবার। নওয়াজ শরিফ বরাবরই দুর্নীতির এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ফ্ল্যাট কেনার অর্থের বৈধ উৎস দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন নওয়াজ।

এর আগে ২০১৫ সালে পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে নাম আসে নওয়াজের। ওই সময় জানা গিয়েছিল, বেশ কয়েকটি অফশোর কম্পানির সঙ্গে নওয়াজ শরিফের ছেলে-মেয়েদের যোগসূত্র রয়েছে।

অভিযোগ আছে, এই কম্পানিগুলোকে ব্যবহার করে বিদেশে অর্থপাচার করা হয়েছে এবং বিদেশে নানা সম্পদ কেনা হয়েছে। আলোচনায় ছিল লন্ডনে কেনা এই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটগুলোও।

পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতে হয় নওয়াজ শরিফকে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করেন। আদালত তাঁকে রাষ্ট্রীয় যেকোনো পদে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। পরে আদালতের রায়ে দলীয় প্রধানের পদও ছাড়তে হয় নওয়াজকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাছের চারা বিতরণ করলেন নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে বসতভিটায় ফলজ ও বনজ বৃক্ষ গাছের চারা রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ৭নং ওয়ার্ডের বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কার্যালয়ে এ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে আনোয়ার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৭নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের জেলা সভাপতি এড. আল মাহমুদ পলাশ, পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, মিজানুর রহমান, আবুল হোসেন, মুকুল হোসেন, রোকন উদ্দীন, মনোরঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, রবিউল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আক্তারুজ্জামান মুকুল। এসময় নজরুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরার রাস্তাঘাটের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমান ১৮ হাজার মেগাওয়াট। আমাদের দেশে ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এদেশের শিক্ষা, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ, সব দিক দিয়ে এগিয়ে গেছে। যা বিগত অন্য কোন সরকারের আমলে সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest