সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

লাহোরে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ; গ্রেফতার হচ্ছেন নওয়াজ ও মরিয়ম

বিদেশের খবর: দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও তার মেয়ে মরিয়ম শরিফকে বিমানে থাকা অবস্থাতেই গ্রেফতার করা হতে পারে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তাদের লাহোরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। তবে সম্ভাবনা রয়েছে যে, তাদেরকে অবতরণ করার আগেই গ্রেফতার করা হবে। খবর ডেক্কান ক্রনিকলের।

খবরে বলা হয়, নওয়াজ ও মরিয়মের দেশে ফেরা নিয়ে পাকিস্তানজুড়েই তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। দেশে প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে শুধুমাত্র লাহোরেই মোতায়েন করা হয়েছে ১০ হাজারের বেশি পুলিশকর্মী।

খবর পাওয়া গেছে, পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহিতে ব্যুরোর একটি দল আবু ধাবিতে নওয়াজ ও মরিয়মের ফ্লাইটে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। যাতে করে তাদেরকে বিমানে থাকা অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যায়।

উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আবু ধাবিতে অবস্থান করছেন নওয়াজ ও মরিয়ম শরিফ। তারা শুক্রবার সকালে সেখানে পৌঁছান। তাদের স্বাগতম জানাতে লাহোর বিমানবন্দরের পাশে অবস্থান নিয়েছে তাদের হাজার হাজার সমর্থক।

এদিকে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে লাহোরে সকল ধরণের টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মোবাইল নেটওয়ার্কও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে নির্বাচনী মিছিলে আত্মঘাতী হামলায় প্রার্থীসহ নিহত ২৫

বিদেশের খবর: পাকিস্তানে নির্বাচনী প্রচারণার মিছিলে আত্মঘাতী হামলায় আওয়ামী পার্টির প্রার্থীসহ ২৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। শুক্রবার দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশে এ ঘটনা ঘটে। খবর এএফপি ও ডনের।

আগামী ২৫ জুলাই দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন হামলার ঘটনা ঘটছে। গত দুই দিন আগেও নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

ওই প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগা উমর বুনগালজাই বলেন, ইতিমধ্যে এ হামলায় ২৫ জন নিহত হয়েছেন, এ সংখ্যা আরও আরও বাড়তে পারে।

আত্মঘাতী এ হামলায় বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির (বিএপি) প্রার্থী মীর সিরাজ রাইসানি নিহত হয়েছেন। তিনি ওই আসনের প্রার্থী ছিলেন। বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত সিরাজকে কুয়েটা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মারা যান। নিহত সিরাজ ওই প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মীর আসলাম রাইসানির ছোট ভাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপের সম্ভাব্য সেরা মদ্রিচের অভাবনীয় কষ্টের জীবন

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে ক্রোয়েশিয়া। আর দলটির নেতৃত্ব আছেন বর্তমান ফুটবলের সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে বিবেচিত লুকা মদ্রিচ। তবে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকার জীবনের শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না।

মদ্রিচের শৈশব ছিলো ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় ঠাসা। বলকান যুদ্ধ যখন শুরু হয় ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে লুকার বয়স তখন মাত্র ৬ বছর। সার্বিয়ান সেনারা ক্রোয়েশিয়ার গ্রামে গ্রামে ভয়াবহ আক্রমণ চালায়। মদ্রিচের চোখের সামনেই তার দাদাকে গুলি করে হত্যা করে সার্ব আর্মি। সার্বদের গণহত্যার মুখে লুকার পরিবার শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। অনেক সাক্ষাৎকারে লুকা তার শৈশবে বোমার শব্দ আর গুলির সাক্ষাৎ অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।

মদ্রিচ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই যুদ্ধ আমাকে শক্তি জুগিয়েছে। আমার সাথে আমার পরিবার দীর্ঘ সময় অভাবনীয় কষ্ট করেছে। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদোকে নিজের আদর্শ খেলোয়াড় ভাবেন বলেও জানান লুকা মদ্রিচ।

এছাড়া ছোট্ট শারীরিক গড়নের জন্যও অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাকে। মদ্রিচতে দুর্বল আর লাজুক মনে করতো সবাই। ছোট আকৃতি ফুটবল খেলার সাথে ফিট নয় বলে কটাক্ষও শুনতে হয়েছে তাকে। তবে সবকিছুকেই ভুল প্রমান করেছেন এই ফুটবল নক্ষত্র, জয় করেছেন পুরো ফুটবল বিশ্বকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনন্য রেকর্ডের সামনে ফ্রান্স কোচ দেশ্যম

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ফ্রান্স। এরইমধ্যে দাপটের সঙ্গে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে দলটি। রবিবার শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে ক্রোয়েশিয়াকে হারাতে পারলেই রেকর্ড বইয়ে নাম তুলে ফেলবেন ফ্রান্স কোচ দেশ্যম। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন দিদিয়ে দেশ্যম। কোচ হিসেবে এবার বিশ্বকাপ জিতে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, মারিও জাগালোর কীর্তিকে স্পর্শ করার হাতছানি দেশ্যমের সামনে।

মঙ্গলবার বেলজিয়ামকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে দিদিয়ে দেশ্যমের ফ্রান্স। ১৯৭৪ সালে ফুটবলার হিসেবে ও ১৯৯০ সালে কোচ হিসেবে দু’বারই জার্মানিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার।

তবে বেকেনবাওয়ারের মত ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিলনা ফোলারের। ১৯৯০ সালে ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ জিতলেও ২০০২ সালে কোচ হিসেবে দল বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি ফোলারের দল। জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের মতো ব্রাজিলের মারিও জাগালো ফুটবলার ও কোচ হিসেবে দু’বারই বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠেন। ১৯৫৮ সালে ফুটবলার হিসেবে এবং ১৯৭০ সালে কোচ হিসেবে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন তিনি।

বেকেনবাওয়ার, জাগালো- এই দু’জনের পাশে নাম লেখানোর সুযোগ দেশ্যমের সামনে। ১৯৯৮ সালে অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপের ট্রফি জয় করেছিলেন দেশ্যম। ১৫ জুলাই মস্কোতে ফ্রান্স বিশ্বকাপ ফাইনাল জিতলেই রেকর্ড বইয়ে নাম উঠে যাবে দিদিয়ে দেশ্যমের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি আর্জেন্টিনার ‘অভিনেতা’

খেলার খবর: ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমারের কাণ্ডকারখানায় ‘অভিনয়’ শব্দটা ইদানিং খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিল বিদায় নিয়েও নেইমারকে ‘অভিনেতা’ বলে ট্রল চলছে এখনও। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে একজন পেশাদার অভিনেতা রেফারির দায়িত্ব করবেন। তিনি আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্তর পিতানা। তার ওপরেই বর্তেছে ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব।

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপ পেয়ে গেছে দুই ফাইনালিস্টকে। আগামী ১৫ জুলাই রবিবার মস্কোতে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সে এবং ক্রোয়েশিয়া। ইউরোপের দুই দেশের এই শিরোপার লড়াইয়ে রেফারিং করা ল্যাটিন দেশটির নেস্তর পিতানা একসময় অভিনেতা ছিলেন। এখন শরীরচর্চার শিক্ষক। সেইসঙ্গে রেফারিং করা তার শখ। সেই শখের বসেই ২০০৭ সাল থেকে এই রেফারিং করে যাচ্ছেন তিনি। সুযোগ পেয়েছেন বিশ্বকাপেও।

২০১০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচে রেফারিং শুরু করা ৪৩ বছর বয়সী রেফারি নেস্তর রাশিয়া বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৪টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তার অধীনে এই বিশ্বকাপে ফ্রান্স-ক্রোয়েশিয়া দুই দলই খেলেছে। শেষ ষোলোয় ডেনমার্ক-ক্রোয়েশিয়া আর ফ্রান্স-উরুগুয়ের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালেও রেফারি ছিলেন তিনি। এলিজেন্দোর পর দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনা করবেন পিতানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রিটিশ আইনজীবীকে বাধা ভারতের ইন্টারনাল বিষয়: সেতুমন্ত্রী

রাজনীতির খবর: বেগম খালেদা জিয়ার ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলের ভারত থেকে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের কোনো হাত নেই বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি শুক্রবার দুপুরে গাজীপুরের চন্দ্রায় আগামী কোরবানির ঈদের সড়ক প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে ভারতে আসতে বাধার ব্যাপারটি ভারতের ইন্টারনাল বিষয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এ বিষয়ে কিছুই করার নেই। তবে আমরা যতদুর জানি তার ভারতে প্রবেশে কাগজপত্রে ঘাটতি থাকায় ভারত সরকার তাকে প্রবেশ করতে দেয়নি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারের ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে অন্যান্য বছরের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এতো বেশি পুলিশ মোতায়েন করার প্রয়োজন পড়বে না। কারণ এবার রাস্তা অনেক প্রশস্ত করা হয়েছে এবং ২৩ ব্রিজের উপর দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে পারবে। ঈদে মহাসড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসবে না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ফিটনেজবিহীন পশুবাহী গাড়ী যাতে সমস্যা করতে না তার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

সিটি নির্বাচন নিয়ে সেতুমন্ত্রী জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুসারে নির্বাচন হবে। সরকার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। এছাড়া সরকার দলের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হবে না। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাসেক প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার জিকরুল হাসান, ঢাকা বিভাগীয় সড়ক ও জনপথের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খানসহ সড়ক বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থাই কিশোরদের উদ্ধারের পর কিছু প্রশ্ন এবং তার জবাব

বিদেশের খবর: জটিল অভিযানের মধ্য দিয়ে ১৭দিন পর গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া থাই কিশোর ফুটবলাররা এবং তাদের কোচ এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

থাইল্যান্ডের এবং আন্তর্জাতিক ডুবুরিরা মিলে যে বিপদজনক পরিস্থিতিতে এই অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করেছে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

তবে ঘটনা নিয়ে মৌলিক প্রশ্নগুলোর জবাব কি মিলেছে? বলা হচ্ছে জবাব মিলতে শুরু করেছে।

কিশোর ফুটবলাররা কেন গুহার গভীরে গিয়েছিলো?
এই প্রশ্নে অনেক বক্তব্য এসেছে।

কিন্তু যারা গুহায় আটকা পড়েছিল, সেই কিশোর ফুটবলার এবং তাদের সাথে থাকা সহকারি কোচের কাছ থেকে সরাসরি এখনও কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

তাদের প্রধান কোচ নোপারাত কানতাওং বলেছেন, শনিবার তাদের একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল। সেটি বাতিল করে তিনি সেদিন প্রশিক্ষণের জন্য সময় নির্ধারণ করেছিলেন।

তিনি তাদের গুহায় যাওয়ার জন্য কোনো পরামর্শ দেননি। ফলে তাদের সেখানে যাওয়ার কথা ছিল না।

তবে শনিবার কিশোর ফুটবলারদের একজনের জন্মদিন ছিল।

জন্মদিন পালনের জন্য সেদিন স্থানীয় একটি দোকান থেকে এই কিশোররা সাত’শ থাই বাথ দিয়ে খাবার কিনেছিল বলে ঐ দোকানদার জানিয়েছেন।

প্রধান কোচ নোপারাত কানতাওং বলেছেন, সহকারি কোচ একাপল এই কিশোর ফুটবলারদের খুব ভালবাসে এবং তাদের জন্য সে সবকিছু করতে পারে।

তিনি ধারণা করছেন, কিশোর ফুটবলাররা সহকারি কোচের কাছে আবদার করে তাকে নিয়ে গুহায় গিয়েছিল।এই এলাকায় গুহাটি সকলের কাছে পরিচিত এবং এই কিশোররাও আগে ঔ গুহায় গিয়েছিল।

তারা যে গুহার গভীরে চলে যায়, সে ব্যাপারে ধারণা করা হচ্ছে, তারা যখন গুহায় গেছে, তখন শুকনো ছিল।

কিন্তু হঠাৎ অতিবর্ষণে গুহায় পানি বাড়তে থাকায় তারা গভীরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

 

উদ্ধার হওয়ার পর এই কিশোরদের সাথে তাদের বাবা মাকে কাছে যেতে দেয়া হচ্ছে না কেন?

এই প্রশ্নে থাই কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা হচ্ছে, এই কিশোররা এখনও অনেক দূর্বল। আর এমন দূর্বল শরীরে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। সেকারণে তারা এমুহুর্তে সেই ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

কিশোর ফুটবলারদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে সর্বাত্নক চেষ্টা চালিয়ে।

থাইল্যান্ডে তাদের জীবন এখন অনেক মূল্যবান। তাদের কোনো ক্ষতি হোক, সেই সুযোগ দিতে রাজি নয় থাই কর্তৃপক্ষ।

সেজন্য পিতা মাতাদের কাঁচের দেয়ালের বাইরে থেকে দেখানো হয়েছে।

এই কিশোরদের বেশিরভাগের পিতা মাতা প্রান্তিক এলাকার এবং দরিদ্র। তাদের সন্তানদের যেভাবে উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে তারা বার বার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

ফলে আপাতত সন্তানের কাছে যেতে না দেয়ার জন্য পিতা মাতারা প্রতিবাদ করবেন না।

 

সহকারি কোচ একাপল এর বিরুদ্ধে কী শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে?

যেহেতু এই কোচ কিশোরদের সাথে গুহায় গিয়েছিলেন, সেখানে ঘটনার দায় তার উপরই আসতে পারে।

কিন্তু কিশোরদের মাতা পিতারা বলেছেন, তারা তাঁকে মাফ করে দিয়েছেন। কারণ গুহায় আটকা থাকাবস্থায় এই সহকারি কোচই কিশোরদের উজ্জীবিত করে রেখেছিলেন।

এছাড়া সহকারি কোচ অতীতে ১২ বছর ভিক্ষু হিসেবে ছিলেন। ফলে তিনি মেডিটেশন বা ধ্যানের মাধ্যমে কিশোরদের ধকল সামাল দেয়ার মতো পরিস্থিতিতে রাখতে পেরেছিলেন।

গুহায় আটকা পড়ার পর তাদের কাছে যেটুকু খাবার ছিল, তা তিনি নিজে না খেয়ে থাকার চেষ্টা করেছেন। তিনি খেলে কিশোরদের খাবার কমে যেতে পারে, এই চিন্তা তার মধ্য ছিল।

এমন অনেক কথা সামাজিক নেটওয়ার্কে ছড়িয়েছে।

তাঁর প্রশংসা ছড়িয়ে পড়েছে থাই জনগণের মাঝে।

তাছাড়া থাই জনগণের মাঝে দোষারোপের সংস্কৃতি নেই।

 

তারা কী গুহার ভেতরে পুরোটা সময় অন্ধকারে ছিল?

তাদের সাথে ছিল কমদামি টর্চ লাইট। যেটি অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যায়।

ফলে তাদের খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ, নয়দিন তারা অন্ধকারে ছিল।

এরপর থাই সেনাবাহিনীর একজন চিকিৎসক এবং তিনজন ডুবুরি যখন তাদের খুঁজে পেলো, তখন তাদের কাছে আলো জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

অনেকদিন অন্ধকার গুহায় থাকার পর আলো জ্বালানোর কারণে চোখ বাঁচাতে তাদের তখন সানগ্লাস পড়তে হয়।

 

কিশোরদের উদ্ধারে এতবড় অভিযানে অর্থ কে দিয়েছে?

অভিযানের পিছনে খরচের বড় অংশ দিয়েছে থাই সরকার।

অনেক দেশ এতে জড়িত ছিল, সেই দেশগুলোও তাদের নিজেদের সহযোগিতা দলের খরচ বহন করেছে।

যেমন মার্কিন বিমান বাহিনীর ৩০ জন সদস্য এসেছিল সাহায্যের জন্য।সেই অর্থ মার্কিন সরকার দিয়েছে।

থাই ব্যবসায়ীরা অনেকে পরিবহণ এবং খাবার দিয়ে সাহায্য করেছে।

আন্তর্জাতিক ডুবুরিদের আনার জন্য বিভিন্ন এয়ারলাইন্স বিনামূল্যে টিকেট দিয়েছে। এছাড়া অনেক সাধারণ মানুষও নানাভাবে সাহায্য করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনের শিল্প পার্কে বিস্ফোরণে নিহত ১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের শিচুয়ান প্রদেশের একটি শিল্প পার্কে বিস্ফোরণে ১৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছেন ১২ জন।

জিয়ানগনের স্থানীয় সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় ইয়িবিন হেংদা টেকনোলজি শিল্প পার্কে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়ার বরাত দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়, আহতদের পরিস্থিতি খুব খারাপ নয়। বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

খাদ্য ও ফার্মাসিটিক্যালস পণ্যের কেমিক্যাল উৎপাদক প্রতিষ্ঠানটি বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে দেখা যায়, প্রচুর ধোঁয়া উড়ছে। এছাড়া আগুনও দেখা যাচ্ছে।

এর আগে ২০১৫ সালে চীনের উত্তরাঞ্চল তিয়ানজিনে একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৬৫ জন নিহত হয়। গত বছর পশ্চিমাঞ্চলের শানডং প্রদেশে একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে বিস্ফোরণে আটজন নিহত হন।

এসব ঘটনার পরে গত বছর থেকে চীন কয়লা খনি ও কেমিক্যাল প্ল্যান্টে নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। তবে এর মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest