সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩

কোরবানির মাংস সংরক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: কোরবানির ঈদে মাংস সংরক্ষণ অনেকের চিন্তা বিষয় হয়ে ওঠে। ফ্রিজের কল্যাণে সে কাজটা সহজ হয়ে গেছে। এ কারণে অনেকেই কোরবানির আগে নয়া ফ্রিজ কেনেন। নিয়ম মেনে কোরবানির মাংস গরীবদের এবং আত্মীয়-স্বজনদের দেওয়ার পরও প্রয়োজন হয় সংরক্ষণের। অনেকেই জানেন না কোরবানির মাংস কতদিন পর্যন্ত ফ্রিজে রাখা যায়। এখানে মাংস সংরক্ষণ বিষয়ে কিছু তথ্য দেয়া হলো।

১. ফ্রিজে গরুর মাংস ৫-৬ মাস, খাসির মাংস ৪-৫ মাস পর্যন্ত রাখা যায়। তবে কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। এ ছাড়া উট, মহিষের মাংস ৩-৪ মাস রাখা যাবে। আর ভেড়া রাখা যাবে ২-৩ মাস।

২. ফ্রিজের মধ্যে যে বাক্স থাকে সেখানে খোলা মাংস রাখবেন না। প্লাস্টিকের ব্যাগেই মাংস রাখা উচিত। চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা রাখাই ভালো। ফ্রিজে রাখার আগে, ধোয়ার পর পানি ভালো করে ঝরিয়ে নিন। না হলে অনেক দিন রেখে দিলে মাংস নষ্ট হয়ে যাবে।

৩. মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে বাসায় ইলেকট্রিসিটি না থাকলে খুব একটা ফ্রিজ খুলবেন না। এতে মাংস শক্ত হওয়ার আগেই বাতাস লাগলে বেশিদিন ভালো থাকবে না।

৪. রান্না করা মাংস ছোট বাক্সে রাখুন। না হলে ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস গরম করে আবার ফ্রিজে রাখলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৫. ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার নিচে তাপমাত্রায় কাঁচা মাংস ৪ থেকে ৬ দিন রাখা যায়।

৬. জিরো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নিচে রাখলে গরুর কাঁচা মাংস ১২ মাস ভালো থাকবে।

৭. মাংস ফ্রিজে রাখার আগে প্যাকেটের গায়ে তারিখ লিখে রাখুন। এতে মাংসগুলো কতদিন সংরক্ষণ করা হয়েছে সেটা সহজেই বোঝা যাবে।

৮. ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ঠিক আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৯. আর ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে বড় বড় টুকরা করে রাখতে হবে। কারণ, ছোট টুকরাতেও অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে।

১০. মাংস ফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাংস থেকে রক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে নিতে হবে। এগুলো থাকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

১১. মাংস অবশ্যই প্লাস্টিকের ব্যাগে বা অ্যালমুনিয়াম ফয়েলে রাখতে হবে। প্লাস্টিকের ব্যাগ বা অ্যালমুনিয়াম ফয়েলে রাখলে বাতাস থাকে না। বাতাস ঢুকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

১২. তবে পুষ্টিগুণের কথা চিন্তা করতে হলে অবশ্যই মাংস এক মাসের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত বলে পরামর্শ দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপিওভুক্তির আবেদন করেছে ৬৪১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের

শিক্ষা সংবাদ: এমপিওভুক্তির জন্য সারা দেশের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার স্কুল-কলেজ আবেদন করেছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অনলাইনে এ আবেদন জমা পড়ে। গত ১৫ দিনে এসব অনলাইন আবেদন জমা পড়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এমপিওভুক্তি প্রতিষ্ঠান যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ বলেন, এমপিওভুক্তির জন্য সাধারণ স্কুল-কলেজ থেকে ছয় হাজার ৪১২টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন জমা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন কার্যক্রম চলে।

কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে তালিকা করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল এখন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। ঈদের ছুটির পর আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও যোগ্যতার ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৮ সেপ্টেম্বরের পর আবেদন করা প্রতিষ্ঠানের যাচাই-বাছাই কাজ শুরু হবে। এরপর খসড়া তালিকা মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। চলতি অর্থবছরে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তিতে ৪৩২ কোটি দুই লাখ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বছর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) সারা দেশের এমপিওবিহীন সাত হাজার ১৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে বার্ষিক দুই হাজার ১৮৪ কোটি ২৭ লাখ ৫২ হাজার ২৫০ টাকা চাহিদা পাঠিয়ে ছিল মন্ত্রণালয়ে। এ হিসাবে বরাদ্দকৃত অর্থে পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হবে। সংসদীয় আসনপ্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের। সেভাবেই সফটওয়ারের মাধ্যমে গ্রের্ডিং করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট থেকে আবেদন নেয়া শুরু হলে মন্ত্রী-এমপিরা নিজ নিজ এলাকার স্কুল-কলেজ এমপিও করতে তদবির শুরু করেছেন। এরই মধ্যে ডিও লেটারের স্তূপ জমেছে মন্ত্রণালয়ে। তাদের চাহিদা পূরণ করতে হলে অন্তত পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে হবে।

এদিকে, এমপিওভুক্তির জন্য স্কুল-কলেজ আবেদন কার্যক্রম শেষ হলেও কারিগরি ও মাদরাসার এমপিওভুক্তির আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। এমপিও নীতিমালাও জারিতেও বিলম্ব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

জানতে চাইলে এমপিওভুক্তির জন্য প্রতিষ্ঠান (কারিগরি ও মাদরাসা) যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও উন্নয়ন) এ কে এম জাকির হোসেন ভুঞা বলেন, সচিব বিদেশে থাকায় এমপিওভুক্তির আবেদন কার্যক্রম শুরু করতে দেরি হচ্ছে। আগামী ২৬ আগস্ট থেকে আবেদন শুরু হবে। ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের পর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি বন্ধ রয়েছে। গত ১০ জুন থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এমপিওভুক্তির দাবিতে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অনশনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। পরে সরকারের আশ্বাসে তারা বাড়ি ফিরে যান। এর আগে গত ডিসেম্বর মাসেও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলন করেছেন। ২০১৩ সাল থেকে শিক্ষকরা দাবি আদায়ে নানা কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবলীগ নেতার ধাক্কায় ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু!

দেশের খবর: কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় যুবলীগ নেতার ধাক্কায় মাটিতে পড়ে গিয়ে মারা গেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাবুল তালুকদার (৫২)। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একই ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রবিউল আউয়ালের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদুয়া ইউপির চেয়ারম্যান বাবুল তালুকদার সকাল থেকে পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিএফের চাল বিতরণ করছিলেন। পূর্ববিরোধের জের ধরে দুপুর ১২টার দিকে পদুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রবিউল আউয়াল পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে বাবুল তালুকদারের সঙ্গে তর্কবিতর্ক শুরু করেন। একপর্যায়ে বাবুলকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন রবিউল। এতে ঘটনাস্থলেই বাবুল তালুকদার মারা যান।

খবর পেয়ে দাউদকান্দি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবুল তালুকদারের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য বলেন, নির্বাচনী বিষয় নিয়ে বাবুল তালুকদারের সঙ্গে রবিউল আউয়ালের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। মাটিতে পড়ে সম্ভবত তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
কুমিল্লার সহকারী জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার মহিদুল ইসলাম বলেন, বাবুল তালুকদারের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই আসল রহস্য উদঘাটন হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইদ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের শুভেচ্ছা বাণী
শুভেচ্ছা বাণী
সাতক্ষীরাবাসীসহ সকলকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মানে আনন্দ, ঘরের দুয়ারে কড়া নাড়ছে ঈদ উৎসব, উচ্ছ্বাস আর আনন্দের ঝলকানি সর্বত্র। মুসলিম সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ধনী গরীবের ব্যবধান দূরীভূত হয়। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের ঈদ এবং পশু কোরবানির মাধ্যমে দূরীভূত হোক সকলের মনের পশুত্ব। শহর ও গ্রামের মেঠো পথ গুলোতে আগতদের হাটাচলার ধুম। ক্লান্তিহীন যাত্রা আর বিরামহীন পথচলা, নাড়ীর টানে ঘরে ফেরা মানুষগুলোর জন্য কেবল সড়ক ও মহাসড়ক গুলো জনবহুল এবং কর্মচাঞ্চল্যে পূর্ণতা পাচ্ছে তা নয়, নাড়ির টানে ঘরে ফেরা মানুষগুলো পরিবার পরিজনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করবে। তাই সব ধরণের বন্ধুর পথকে অতিক্রম করার জন্য সাতক্ষীরা শহর ও গ্রামকে পুলিশি নিরাপত্তা বেষ্টনীতে আনা হয়েছে। নিরাপত্তা নির্বিঘœ করতে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

(মোঃ সাজ্জাদুর রহমান)
পুলিশ সুপার
সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের আনন্দে বাধা হতে পারে বৃষ্টি

রাত পোহালেই পবিত্র কোরবানির ঈদ। ঈদ নিয়ে কতো জনের মনে কতো পরিকল্পনা। কতো আনন্দধারা বয়ে যাবে সবার মনে। কিন্তু এই আনন্দের দিনেই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান জানান, বাংলাদেশের উপরে যে লঘু চাপটা ছিল তার প্রভাব বেশ কমে গেছে। তবে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে বুধবার থেমে থেমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া রাজধানীতে ঈদের দিন সকালে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাতে দুর্ভোগের শঙ্কা কম।

মঙ্গলবার ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে এবং বুধবার ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৬ মিনিটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হমলার  প্রতিবাদ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত

মেহেদি সোহাগ: ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাস্তির দাবীতে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মসূচি  অনুষ্ঠিত হয়।  কর্মসূচিতে  ভয়াবহ ২১আগস্ট স্মরণে দোষীদের শাস্তির দাবিতে স্মরণ সভা শোক র‍্যালি এবং দোয়া অনুষ্ঠান করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ।উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন। স্মরণ সভায় বক্তারা ভয়াবহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।  উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মাসুমের সঞ্চালনায়  স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন উপজেলা আ.লীগের সহ. সভাপতি খায়বার হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, রবিউল হাসান, শেখ ইমরান হোসেন, মনিরুল ইসলাম মনি, আসলামুল আলম আসলাম, এসএম মনিরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন হাবিল, মাহাবুবুর রহমান মফে, পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, আ.লীগ নেতা প্রধান শিক্ষক বদরুজ্জামান বিপ্লব, মাস্টার আজিজুর রহমান, শেখ ফিরোজ আহম্মেদ, মাস্টার হাফিজুর রহমান, রাম প্রসাদ দত্ত, পৌর কাউন্সিলর মেজবাউদ্দীন লিলু, আকিমুদ্দীন আকি, উপজেলা যুবলীগের সা. সম্পাদক আসাদুজ্জামান তুহিন, স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক শেখ আশিকুর রহমান মুন্না, শ্রমিকলীগ নেতা শফিউল আলম শফি, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রুহুল কুদ্দুস, নয়ন হোসেন, ইউপি সদস্য রহিমা বেগম কাজল, শাহাদাৎ হোসেন, নজরুল মেম্বার, কওছার, ওলিয়ার রহমান প্রমুখ। এ সময় শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। স্মরণ সভা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি শোক র‍্যালি বের করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শুটিং বন্ধ, সঙ্কটে কলকাতার টিভি চ্যানেলগুলো

বিনোদন সংবাদ: টানা চারদিন শুটিং বন্ধ থাকায় পশ্চিমবঙ্গের টিভি চ্যানেলগুলো সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। বিভিন্ন দাবি নিয়ে টালিউডের প্রযোজকদের সঙ্গে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিবাদের জেরে গত শনিবার থেকে বন্ধ রয়েছে শুটিং। ফলে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক বাংলা টিভি চ্যানেলগুলোতে চলা জনপ্রিয় মেগা সিরিয়ালগুলি রীতিমতো বিপদে পড়েছে। সোমবার থেকেই বহু টিভি চ্যানেল নতুন এপিসোড না পেয়ে পুরোনো এপিসোড দেখাতে শুরু করেছে। ফলে হতাশ হচ্ছেন দর্শক।

টালিপাড়ার শিল্পী ফোরাম আজ মঙ্গলবার জানিয়েছে, শুটিং বন্ধ রেখেছেন প্রযোজকরা। এই সমস্যার জন্য অভিনেতারা কোনোভাবেই দায়ী নয়। তাদের সাফ বক্তব্য, প্রযোজকরা তাদের দাবিদাওয়া মেনে নিলেই শুটিং শুরু হবে।

শিল্পী ফোরামের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে সব অভিনেতাকে বেতন দিতে হবে। বকেয়া বেতন সব পরিশোধ করতে হবে। অভিনেতাদের দিনে সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করাতে হবে। দিনে ১০ ঘণ্টার বেশি কাজ করলেই ঘণ্টা পিছু অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত সমস্ত বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিতে হবে।

শিল্পী ফোরামের পক্ষ থেকে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কল টাইমে মেকআপ করে কোনো অভিনেতা শুটিং ফ্লোরে গেলেও সহ-অভিনেতাদের পারিশ্রমিক না মেটানো পর্যন্ত তাঁরা কেউ শুটিং করতে পারবেন না। ফলে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার শিল্পী ফোরামের বৈঠকে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুটিং বন্ধ রয়েছে। টালিপাড়ায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এই অচলাবস্থার জন্য শিল্পীরা দায়ী নন। শুটিং বন্ধ রেখেছেন প্রযোজকরা। শিল্পীদের পাওনা নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে প্রযোজকদের ওয়েলফেয়ার সংগঠন ও শিল্পী ফোরামের মধ্যে। শিল্পীরা ধর্মঘটে যাননি, প্রযোজকেরা চাইলেই শুটিং শুরু হবে।

প্রবীণ অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অভিনেতা বা অভিনেত্রীদের দিয়ে বেশি কাজ করালে কখনোই কাজের গুণগত মান বাড়ে না।

এদিকে, শিল্পী ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের বকেয়া পাওনা নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল শিল্পী ফোরাম ও প্রযোজকদের সংস্থার মধ্যে। চুক্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে শিল্পীদের সমস্ত বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্ত সেই চুক্তি এখন অস্বীকার করছেন প্রযোজকেরা। তাঁরা শিল্পীদের দাবি মানছেন না। যে কারণে এই অচলাবস্থা। প্রযোজকেরা দাবি মেনে কল টাইম দিলেই শিল্পীরা কাজে যোগ দেবেন বলেও জানানো হয়েছে।

জটিল এই পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে শুটিং। ফলে টিভির মেগাসিরিয়াল থেকে শুরু করে ছোট ধারাবাহিকের সবগুলোই এখন নতুন এপিসোডের অভাবে ধুঁকছে। বাধ্য হয়ে সোমবার রাত থেকে কলকাতার বহু টিভি চ্যানেল পুরোনো এপিসোড দেখাচ্ছে। কবে এ অবস্থার উন্নতি হবে বা কবে থেকে শুটিং শুরু হবে, তার কোনো নিশ্চয়তাও আপাতত নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইজি, ডিআইজিসহ সকল কর্মকর্তা রাস্তায় রয়েছে- আইজিপি

দেশের খবর: বাংলাদেশ পুলিশের পরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, সাধারণ মানুষ গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছে পরিবার পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে। কিন্তু পুলিশের আইজি, ডিআইজিসহ সকল কর্মকর্তা রাস্তায় রয়েছে। তারা সবাই সারারাত জেগে কাজ করেছে এবং আজ সকাল থেকেই তারা রাস্তায় কাজ করছেন। জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন সে জন্য তারা কাজ করছেন।

এ জন্য তিনি সকল পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে মহাসড়কে যানজট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এসে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, ঈদের সময় প্রায় কোটি লোক ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে যায়। তারা যেন নিরাপদে যেতে পারে এ বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ ছিল। একই সাথে এতগুলো গার্মেন্টস ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে। তারাও নিরাপদে নির্বিঘ্নে যেতে পেরেছে।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে গাজীপুর পর্যন্ত কোথাও কোন যানজট নেই। কোন রকমের প্রতিবন্ধকতা নেই। মাত্র ২০-২৫ মিনিটে ঢাকার মিন্টু রোড থেকে গাজীপুর পর্যন্ত এসেছি। ঈদের পরেও ঘরমুখী মানুষ আবার তাদের কর্মস্থলে ফিরে আসবে আমাদের এই সকল কর্মকর্তা তাদের কারো ঈদ নেই, কারো ছুটি নেই। সব কিছু ফেলে রেখে জনগণের জন্য আমরা এ সার্ভিসটা দিয়ে যাচ্ছি। যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ঘরে পৌঁছাতে পারেন।

আইজিপি বলেন, আগস্ট শোকের মাস। আমরা ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট দুটি শোকাবহ দিন হিসেবে পালন করেছি। আমরা মনে করিনি কোন ধরণের হুমকি আছে। আমরা প্রত্যেকটি হুমকি, কি ধরনের হুমকি হতে পারে, সম্ভাব্য প্রত্যেকটি হুমকিকে গণনায় নিয়ে সেটাকে মাথায় রেখে পরিকল্পণা গ্রহণ করেছি এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। সে জন্যই খুব নির্বিঘ্নে ১৫ আগস্টের প্রত্যেকটি অনুষ্ঠান এবং ২১ আগস্টের প্রত্যেকটি অনুষ্ঠান সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করছি যে পরবর্তী যে দিনগুলো আছে সেগুলোও আমরা সঠিকভাবে পালন করতে পারবো। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের পরিকল্পনা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা সবাইকে আমরা দিতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহায় দুটি চ্যালেঞ্জ নিতে হয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে সবাই ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে যায়। আর পশু শহরমুখী হয়। বিভিন্ন উৎস থেকে পশুবাহী যানবাহন ঢাকায় আসে। এ দুটি চ্যালেঞ্জ এবার ঈদুল আজহাতে ছিল। আমরা এ দুটি চ্যালেঞ্জকেই সঠিকভাবেই মোকাবেলা করতে পেরেছি। আমরা ঈদের মার্কেটের সাথে সাথে প্রত্যেকটি পশুর মার্কেটেও নিরাপত্তা সঠিকভাবে দিয়েছি।

আইজিপি বলেন, এক সঙ্গে লক্ষ লক্ষ লোক রাস্তায় নেমে আসবে, এক সাথে অনেকগুলো গাড়ি রাস্তায় আসবে এতে কিছুটাতো গাড়ি ধীরগতি সম্পন্ন হবেই। রাস্তায় যানবাহনের গতি কিছুটা মন্থর ছিল। তবে কোথাও কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়নি। তবে ঘাটে কিছুটা অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছি। বিশেষ করে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে দৌলতদিয়া ঘাটের ওই পারে প্রচণ্ড ভীড়ে এবং লোড আনলোডের কারণে ৩০-৪০ মিনিট সময় লেগে গেছে। যেজন্য কিছুটি দীর্ঘ সারি এপারে ওপারে হয়ে গেছে। এটাতে আমাদের করণীয় কিছু ছিল না। প্রকৃতির কাছে আমরা অসহায় ছিলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest