সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

শিক্ষা সংবাদ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪ এর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৯ হাজার ৫৫৫ জন প্রার্থী। আজ রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বর পাওয়া যাবে। এছাড়া উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বরের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদনের আপলোড করা ছবি, আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদসহ বিভিন্ন কোটায় অংশগ্রহণকারীদের সনদ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অনুলিপি কমপক্ষে নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত করে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ জেলায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এসব সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দেওয়ার সময় মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রদর্শন করতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে প্রার্থীকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে জানানো হবে এবং প্রার্থীদের অনুকূলে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কার্ড ইস্যু করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক

তরিকুল ইসলাম লাভলু: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা, আশাশুনি ও কালিগঞ্জের একাংশ) আসনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির যেসব মনোয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে নেমেছেন তাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার হিসেবে বিবেচিত সাতক্ষীরা-৩ আসনে সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।
এলাকাবাসী বলেন, রুহুল হক এমপি ২০০৮ সালে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ৫ বছর সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তার প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয় হয়েছে। এর আগে অবহেলিত সাতক্ষীরার বুকে কেউ এমন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগাতে পারেননি। বিশেষ করে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের দোরগোড়ায় তার প্রচেষ্টায় স্থাপিত হয়েছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ। বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন তিনি। তার প্রচেষ্টায় কালিগঞ্জের নলতায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করেছেন। তিনি ঢাকাতে অবস্থান করলেও এলাকার নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি এলাকায় তাঁর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি পর পর দুই বার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়ে দেশের জন্য এমডিজি পুরষ্কারসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক পুরষ্কার বয়ে এনছেন। দেশের স্বাস্থ্য সেবা সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো করেছেন সক্রিয়। আজ সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে। তাছাড়া তিনি দেবহাটা, আশাশুনি এবং কালিগঞ্জে প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ, ২৬ টি সাইক্লোন শেল্টার, একাধিক আশ্রয়ণ প্রকল্প, আশাশুনি ও দেবহাটায় ২ টি কলেজ ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংস্করণ, অসংখ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন ভবন নির্মাণ করণ, দেবহাটায় অত্যাধুনিক থানা ভবন নির্মান, আশাশুনি ও কালিগঞ্জে দুইটি ১০ শষ্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মান, বড়দল সেতু, মানিকখালি সেতু, তেতুলিয়া সেতু, শোভনালী সেতু, বাশতলা সেতুসহ অসংখ্যা ব্রীজ-কালভার্ট তৈরিকরণ, সাতক্ষীরা বাইপাস ও আশাশুনি বাইপাস তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজ দৃশ্যমান, যুব উন্নয়নের মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান করাসহ অসংখ্যা উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান। তাই আগামীতে এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সাতক্ষীরা-৩ আসনের মানুষ আবারও রুহুল হক এমপিকে পেতে চায়।
এ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছন নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনার উপচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও সাবেক সাংসদ মনসুর আহমেদ। এছাড়াও আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিমের পাশাপাশি সম্প্রতি দলীয় মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করছেন লে. কর্নেল জিএম জামায়েত আলী। সাধারণ ভোটাররা অবশ্য তাদের সুখ-দুঃখে দীর্ঘদিন ধরে ডাঃ রুহুল হক এমপিকেই কাছে পাচ্ছেন।
বিএনপি’র প্রার্থীদের মধ্যে ড্যাবের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডাঃ শহিদুল আলম চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। জামাতের রবিউল বাশারও এই আসনে বিএনপি-জামাত জোটের মনোনয়ন পেতে গোপনে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি বিএনপির মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলামও। আর জাতীয় পার্টি এরশাদের একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন সাবেক এমপি অ্যাড. স. ম সালাউদ্দিন।
তবে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের রূপকার সাতক্ষীরা-৩ আসনে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এলাকাবাসীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ভোটাররা মনে করেন ডা. রুহুল হক এর আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পরিম-লে ব্যাপক পরিচিতি থাকায় তিনি এলাকার উন্নয়নে যেমন ভূমিকা রাখতে পারেন, অন্যরা তা পারবেন না। তাই সাধারণ ভোটাররা তাকে আবারও এমপি হিসেবে পেয়ে সাতক্ষীরার উন্নয়ন অব্যাহত দেখতে চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর বন বিভাগের দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ জেলেরা

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনে জেলেদের পাশ পারমিটে ও বিএলসি নবায়নে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
উর্ধ্বতন বন কর্মকর্তার সাথে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার সখ্যতা থাকায় পার পাচ্ছেন এই সব অনিয়ম ও দূর্নীতি বাজরা। ভুক্তভোগী জেলেরা জানান, প্রতি বিএলসি নবায়নে সরকারী নিয়মানুযায়ী প্রতি ১০ কুইন্টাল (১০০০ কেজি) এ ৫ টাকা নেয়ার নিয়ম থাকলেও সেখানে নেওয়া হচ্ছে ৬‘শ থেকে ১২‘শ টাকা। আর নতুন বিএলসিতে নেয়া হচ্ছে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা। এছাড়া মাছ ও কাঁকড়ার পাশ পারমিটে সপ্তাহে জনপ্রতি ৬০ থেকে ৯০ টাকার স্থলে নেয়া হচ্ছে ২ থেকে ৩‘শ টাকা। এসব অতিরিক্ত উৎকোচের টাকা জেলেরা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ বিভিন্ন সরকারি মামলায় ফাসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। কিন্তু অভিযোগের তীর বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন অফিসার কে.এম কবির উদ্দীনের দিকে। আরও জানান এসব টাকা কিন্তু বন বিভাগের কেউ সরাসরি নিচ্ছে না। এখানেও দালাল নিযুক্ত করা হয়েছে উৎকোচ গ্রহনের জন্য। নীলডুমুরের শহীদুল মোল্লা, জালাল মোল্লা, হাসান দোকানদার ও ইসমাইল সানা এবং গাবুরার মজিদ গাজী, আলেক গাজী বন বিভাগের দালাল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।স্থানীয় ইউনুস গাজী (৫৯) বলেন, সরাসরি অফিসে গেলে বিএলসি এবং পাশ দেয়না। তাদেরকে বলা হয় অন্য মাধ্যমে আসেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে কোন আপত্তি আছে কি না জানতে চাইলে বলেন, আমাদের বন-বাদা করে খেতে হয়। যত টাকা লাগুক না কেন, বনে আমাদের যেতে হবে। বনে না গেলে খাবো কি.? সংসার চালাবো কিভাবে.!পাশ পারমিট ও বিএলসি নবায়নের অতিরিক্ত টাকা না দিলে পাশ, বিএলসি নবায়ন বা নতুন বিএলসি দেয় না। আমরা যদি কারও কাছে নালিশ করি তাহলে উল্টো বাঘ হত্যা মামলা, হরিন, বন্য প্রাণী চুরি সহ বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানীর ভয়ভীতি দিয়ে এসব ঘুষের টাকা আদায় করা হয়। এদিকে কাঁকড়া আরোহী কুদ্দুস গাজী (৪৮) কে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার কর্তৃক হুমকি দেওয়া হয়েছে মর্মে নিরাপত্তা চেয়ে তিনি শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যার জিডি নং-৩১৪, তাং ০৭/০৭/২০১৮।সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা কে.এম কবির উদ্দীন’র কাছে জানতে চাইলে তিনি সবকিছু অস্বীকার করে বলেন, তার কাছে কোন জেলে এসে ফিরে যায় না। তাছাড়া তাদের কোন সোর্স নেই। তাদের অফিসের কোন স্টাফ জেলেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কোন অভিযোগ নেই। বিএলসি রেট জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতি ১০ কুইন্টাল (১০০০ কেজি) এ ৫ টাকা সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। তার অফিস বাদে কে কত টাকা আদায় করছে তার জানা নেই এবং এখানে কোন অনিয়ম দূর্নীতি হয় না বলে দাবি করেন। সব কিছু সঠিক নিয়মেই চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাটক ফোর টুয়েন্টি প্রচার হবে সোমবার

৯ই জুলাই বিকাল ৫টায় চ্যানেল এস টিভিতে প্রচার হতে যাচ্ছে নিহার নাটক “ফোর টুয়েন্টি” নাট্য পরিচালক মোঃ মুছা করিমের পরিচালনায় এ নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, নিহা, জীবন, আপন, পিয়া, অতুল ঘোষ, জয়, ইব্রাহিম, রাকেশ, সোহাগ, মুক্তা, জি,এম হুমায়ন কবির, নজরুল ভাস্কর, মনির, ইকবাল, বদরুজ্জামান খোকা প্রমুখ। নাটকটি রচনা করেছেন, বিশ্বজিৎ দাশ। সাতক্ষীরা জেলার বাশদহা এলাকার দেশ বরেণ্য সু-সাহিত্যিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর বসতবাড়ী ও তার এলাকায় নাটকটি চিত্রায়িত হয়। নায়িকা নিহা নাটকটি দেখার জন্য সকলতে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধর্ষণ মামলায় জামিন পেয়েও ভেঙে গেল মিঠুনপুত্রের বিয়ে

বিনোদন সংবাদ: শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে গেল অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে মহাক্ষয়ের ওরফে মিমোর বিয়ে। কিছু দিন আগেই এক নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগ ওঠে মিমোর বিরুদ্ধে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিয়ে বাতিল করেননি কনে মদালসা শর্মার পরিবার।

তারা জানিয়েছিলেন, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিয়েটা আজই হবে। সেই মতো বিয়ের আসরও বসেছিল তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার উধগমণ্ডলমের একটি হোটেলে। বিলাসবহুল এই হোটেলটি মিঠুনেরই। সূত্রের খবর, আজ সেই হোটেলেই তদন্তকারীরা উপস্থিত হওয়ার পরেই বিয়ে বাতিল করে দিয়ে ফিরে গিয়েছেন কনেপক্ষ।

মিমোর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চার বছর ধরে এক মহিলার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রেখেছিলেন তিনি। একটি সূত্র আবার বলছে, অভিযোগকারি ভোজপুরি অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁকে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত করান মিঠুনের স্ত্রী যোগিতা বালি। ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ। অভিযোগকারি জানান, এর পরেই ভয়ে মুম্বাই থেকে দিল্লি চলে যান তিনি, পরে রোহিণী থানায় মিমোদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

এই সপ্তাহের শুরুতে দিল্লির এক আদালত জানায়, মিমো ও যোগিতার বিরুদ্ধে এফআইআর করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ আছে। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারি এড়াতে মুম্বাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মিমো ও তাঁর মা। সেই আর্জি খারিজ করে বিচারপতি জানান, এ নিয়ে ওঁরা দিল্লির সংশ্লিষ্ট আদালতে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন। আজ দিল্লির আদালত এক লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে মা-ছেলের জামিন দিয়েছে ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন আরও ২৫ বছর

রাজনীতির খবর: আইন প্রণয়নকাজে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংবিধানে বিশেষ কোটা চালু হয়েছিল ১৯৭২ সালেই। সেই থেকে প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনেই নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ থাকছে। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ ২৫ বছর সংরক্ষিত আসন বহাল রাখতে সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮ পাস করা হয়।

রবিবার (০৮ জুলাই ২০১৮) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। এর আগে বিকেল ৩টার পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আরও ১০ দিনের রিমান্ডে কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ

অনলাইন ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানের বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলায় ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মুহাম্মাদ আসাদুজ্জামান নূর এ আদেশ দেন।

এর আগে আজই তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে রাশেদকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

আদালত সূত্র জানায়, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় রাশেদকে পুনরায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, রাশেদের ফেসবুক মেসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিকাশ, রকেটের মাধ্যমে টাকার লেনদেন হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালতকে জানান, রাশেদের হিসাবে সাত লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তখন রাশেদের আইনজীবী জায়েদুর রহমান আদালতকে বলেন, এ টাকা কোনো ব্যবসায়ী দেননি। ঢাকাসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা এ টাকা দিয়েছেন। কেউ দিয়েছেন ১০০ টাকা, কেউবা ৫০০ টাকা। ব্যানার, ফেস্টুন, মাইকের ভাড়া বাবদ খরচ চালানোর জন্য এ টাকা দিয়েছেন আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা। তখন রাশেদের আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘এ কেমন আন্দোলন যে আন্দোলন করতে সাত লাখ টাকা লাগে!’ রাশেদের আইনজীবী তখন আদালতকে বলেন, এ টাকা ছাত্রদের টাকা।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনের হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানায় করা মামলায় রাশেদকে ১০ দিন রিমান্ড নেওয়ার আবেদন করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় রাশেদের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে রিমান্ড আবেদনে বলা হয়।

আদালত শুনানি শেষে দুই মামলায় রাশেদের ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাশেদকে ১ জুলাই রোববার রাজধানীর ভাষানটেক থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করে পুলিশ ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। আদালত রাশেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতে রাশেদের মা–বাবা
রাশেদের বাবা নবাই বিশ্বাস পেশায় রাজমিস্ত্রি। মা সালেহা বেগম গৃহিণী। দুপুরের পর তাঁরা আদালতে আসেন। সরেজমিনে দেখা যায়, রাশেদের মা-বাবা ছাড়াও তাঁর স্ত্রী রাবেয়া আলো আদালতে হাজির ছিলেন। রাশেদকে আদালতে তোলার পর তাঁর মা-বাবাকে কাঁদতে দেখা যায়। রাশেদের মা বলেন, রাশেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে ঝিনাইদহ গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় এসেছেন। তিনি অসুস্থ। রাশেদের বাবা বলেন, তিন বছর আগে বাসার ভিটেবাড়ি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রেখে ছেলের লেখাপড়ার খরচ জুগিয়েছি। চেয়েছিলাম, ছেলে লেখাপড়া শেষ করে ভালো একটা চাকরি ধরবে। অথচ ছেলে তাঁর জেলে।

রাশেদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলাটি করেন ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান। এজাহারে বলা হয়, গত ২৭ জুন রাত ৮টা ৮ মিনিটে রাশেদ খান ফেসবুক লাইভে মিথ্যা, মানহানিকর ও নাশকতা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। কিছু বক্তব্য সুস্পষ্টভাবে প্রধানমন্ত্রীর মানহানিকর ছিল।
সূত্র: প্রথমআলো অনলাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উদ্ধার ৪; মায়ের কোলে ফিরছে আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলার!

বিদেশের খবর: আজকের রবিবার (৮ জুলাই) দিনটিকেই মোক্ষম সময় হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে থাইল্যান্ডের গভীর গুহায় আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারে চূড়ান্ত অভিযান শুরু করা হয়েছিলো। অভিযান শুরুর পর চার কিশোরকে উদ্ধারের খবর দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।

আজ রবিবার (৮ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ১৩ বিদেশি ডুবুরি ও থাইল্যান্ডের নৌবাহিনীর অভিজাত শাখা থাই নেভি সিলের পাঁচ সদস্য এই উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

জানা গেছে, ১৩ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত বিদেশি ও পাঁচজন থাই নেভি উদ্ধারকারী ডাইভার এ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, গুহার ভেতর গভীর পানিতে ডুবুরিদের সহায়তায় এবং অল্প পানিতে হেঁটে তাদের এক এক করে বের করে আনা হচ্ছে। একে একে সব কিশোরকে বের করে আনতে তিন-চার দিন সময় লাগতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারীরা এ অভিযানকে ‘হয় এখনই, নয়তো কখনোই নয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এর আগে গুহা থেকে বের হওয়ার প্রক্রিয়ার ওপর একটি ইলাস্ট্রেশন প্রকাশ করেছিলো থাই নিউজ এজেন্সি। সেই ছবিতে দেখা গেছে, এক ডুবুরির সঙ্গে একটি ছেলেদের বেঁধে রাখা হয়েছে। আর ডুবুরির অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে তাকে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। ডুবুরিদের যাতে পথ ভুল না হয়ে যায় সেজন্য দড়ি বেঁধে রাখা হয়েছে। ওই দড়ি ধরে ধরে তারা সামনে এগোবেন।

গত ২৩ জুন থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকালে ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১২ ফুটবলার ও তাদের ২৫ বছর বয়সী কোচ থাইল্যান্ডের উত্তর অংশের প্রদেশ চিয়াং রাইয়ের ‘থাম লুয়াং নায় নন’ গুহায় প্রবেশ করেন। তাদের উদ্ধারে থাইল্যান্ডের স্থানীয় ডুবুরিরা ছাড়াও কাজ করছেন গুহার ভেতরে সাঁতারে বিশেষভাবে পারদর্শী বিদেশি সাঁতারুরা।

এর আগে ভাবা হয়েছিল যে আটকে পড়া দলটি নিজেরা সাঁতরিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসবে। কিন্তু সেই প্রস্তাব বাতিল করে দেয়া হয় কেননা ওই দলের সবাই সাঁতার কাটতে পারে না।

আরেকটি অপশন এমন ছিল যে, গুহার পানি কমিয়ে ফেলা গেলে দলটি হেঁটেই বের হতে পারবে। এদিকে ডুবুরিদের একটি দল কয়েকজন কিশোরকে নিয়ে ইতোমধ্যেই গুহা থেকে রওনা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে সরু ডুবন্ত প্যাসেজ দিয়ে ওই দলটিকে বের করে আনতে হবে যা বেশ চ্যালেঞ্জিং। আর ডাইভিং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় পানির নিচ দিয়ে চলাচল করাও আরেকটি চ্যালেঞ্জ। এছাড়া ওই কিশোররা কখনও এ ধরনের যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করেনি।

এদিকে রওনা হওয়া দলটি ডুবুরিদের জন্য তৈরি বেসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেবে। এভাবে ডুবুরিরা শেষ বেস পর্যন্ত ওই দলটিকে নিয়ে আসবেন, সেখান থেকে তারা হেঁটে বেরিয়ে আসার পর তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।

এর পরেই শুরু হয় উদ্ধার অভিযান একে একে বের করে আনা হয় আটকে পরা কিশোর ফুটবলারদের। মায়ের কোলে ফিরে আসে দীর্ঘ ১৩ দিন অন্ধকার গুহায় আটকে থাকার পরে। উদ্ধারের সাথে সাথেই কিশোর ফুটবলারদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest