সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলনসাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরিজাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটামশনিবার নিউমার্কেট চত্বরে মানববন্ধন : জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির সভাসব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে

সৌদির পার্কে এক মাস ধরে পড়ে আছেন অন্ধ বাংলাদেশি

বিদেশের খবর: ঢাকা কেরানীগঞ্জের ফজলুল হক, পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে ৭ বছর আগে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। মেধা আর দক্ষতা দিয়ে সেখানে খুব অল্প সময়ে নিজেই রঙের কাজ ধরে মানুষ দিয়ে কাজ করানো শুরু করেন। ধীরে ধীরে ভালো একটি অবস্থানে চলে যান তিনি।
সবকিছু ঠিকঠাক চললেও দিনদিন তার ছেলে অবাধ্য হয়ে যাচ্ছে, এমন খবর প্রবাসী এই বাবার কানে আসে। তখন ছেলেকে নিয়ে বাবা চিন্তা করবেন এমনটাই স্বাভাবিক, অনেক চেষ্টা করেও ছেলেকে তার মনের মতোন গড়ে তুলতে পারেননি। পারেননি লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতোন মানুষ করতে। একপর্যায়ে ছেলেকে কোনো এক কারণে জেলেও যেতে হয়। আর এসব কিছু সহ্য করতে না পেরে ছেলেকে পাঠিয়ে দেন বাহরাইন।
সেখানে গিয়েও বেশিদিন থাকতে পারেনি তার ছেলে। পাশাপাশি তার স্ত্রীর কাছে পাঠানো টাকা-পয়সারও কোনো প্রকার হিসাব পাচ্ছিলেন না তিনি। তার সাজানো সংসারটা যেন অগোছালো হয়ে যাচ্ছে দিনদিন। স্ত্রী ও ছেলের এমন চলাফেরা দিন দিন বেড়ে যাওয়াতে বেশ ভেঙে পড়েন ফজলুল। একবার স্ট্রোক করেন তিনি। ছেলেকে নিয়ে আসেন সৌদিতে নিজের কাছে। তারপরও যেন কোনোভাবে সুখ খুঁজে পাচ্ছিলেন না তিনি। কারণ পরিবারের উপার্জনের মাধ্যম তিনি হলেও পরিচালনা ছিল তার স্ত্রীর হাতে। আর সে পরিচালনায় বিশ্বাসঘাতকতার প্রমাণ পেয়ে দিনদিন অসুস্থ হয়ে যান ফজলুল।
একপর্যায়ে তার চোখের আলো নিভে যায়, ডাক্তারের কাছে গেলে মানসিক চাপের কথা উঠে আসে, আর সেটিই হলো। মানসিক চাপ থেকে মানসিক রোগী হয়ে গেলেন এক সময়ে লাখ লাখ সৌদি রিয়াল কামানো এই মানুষটি। আর এভাবে যতই তার অবস্থার অবনতি হয় ততো তার কাছ থেকে দূরে সরে যান কাছের মানুষরা।
কিন্তু বিদেশে এভাবে কী করে থাকবেন একা একজন মানুষ? কে করবেন তার সেবা? কারণ সবারই নিজ নিজ কাজ থাকে এ দেশে। যেখানে আপন লোকেরা পাশে নেই, সেখানে পর কী করে আপন হবে।
কোনো পথ আর উপাই না পেয়ে ফজলুল হক আশ্রয় নেন রিয়াদের ইশারা ডিরেক্টরের পার্শ্ববর্তী একটি পার্কে। কী রোদ, কী বৃষ্টি, নিয়মিত ধুলাবালি গরম সবকিছুকে সঙ্গী করে এক মাস ধরে পড়ে আছেন পার্কে। একমাত্র ছেলে, যাকে সৌদি আরব এনেছিলেন, সে ছেলেও কোনোপ্রকার খোঁজ নিচ্ছেন না বাবার। ছেলের মান-সম্মানে বাধে, কারণ তার বাবা মানসিক রোগী, আর সে কাজ করে নাম করা ব্র্যান্ড পিজ্জা হাটে।
কাছের মানুষরা চলে গেলেও দূরের বন্ধু, যাদের সঙ্গে বিদেশে আসার পর পরিচয় এবং এলাকার কিছু পরিচিত মুখ এখন ফজলুলের এমন অবস্থার কথা শুনে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাকে নিয়ে দূতাবাসে যান। কাগজপত্র সব ঠিকঠাক করে কফিলের (মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকের মালিককে কফিল বলে) সঙ্গে যে সমস্যা ছিল তার সমাধান করেছেন। দেশে পাঠিয়ে দেবেন এমন মুহূর্তে জানতে পারেন ফজলুলের নামে গাড়ির একটি মামলা রয়েছে, তিনি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর যখন স্মরণশক্তি কমে আসে, তখন তার কাছে থাকা ভাড়া গাড়ির জমা বাকি থাকাতে এ মামলা হয়।
আর সে মামলার সমাধান করে দেশে যেতে তার আরও কিছুদিন লাগবে। মামলা সমাধানের জন্যও প্রায় ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন এবং সে টাকারও ব্যবস্থা করছেন বর্তমানে যারা ফজলুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারা।
ফজলুল কেঁদে কেঁদে বলেন, দেশে যেয়ে তার অসুস্থ মাকে দেখবেন। এর বাইরে কারোর প্রতি তার কোনো অভিযোগ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলিউডের পর্দা কাঁপাতে আসছে শাহরুখ পুত্র-শ্রীদেবী কন্যা

বিনোদনের খবর: বলিউডে এবার পর্দা কাঁপাতে নতুন জুটি বাঁধতে চলেছেন বলিউড বাদশা খ্যাত শাহরুখ পুত্র আরিয়ান ও সদ্য প্রয়াত বলিউড তারকা অভিনেত্রী শ্রীদেবী-কন্যা খুশি কাপুর এমনটাই সংবাদ মাধ্যমের খবর। এর আগে খুশির বোন জাহ্নবী কাপুর বলিউডে অভিষিক্ত হয়েছেন।
জানাগেছে, বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক করণ জোহর খুশি কাপুরের বাবা বনি কাপুরের কাছ থেকে সম্মতি নিয়েছেন। এর আগে খুশির বড় বোন জাহ্নবী কাপুরও করণ জোহরের ‘ধড়ক’সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন।
সূত্রের খবর, বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানের প্রথম ছবিতে খুশি কাপুর জুটি বাঁধবেন। এই দুই তারকা পুত্র-কন্যাকে এক ছবিতে অভিষেক করানোর পরিকল্পনা করণ জোহরের।
শাহরুখ পুত্র আরিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাণ বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
তারকা পরিচালক করণ জোহর এ বিষয়ে জানান‘আরিয়ান ফেরার পর সে সিদ্ধান্ত নেবেন, যদি সে সিনেমা করতে চায়। যদি সে করে, তবে অবশ্যই পরিচালক হিসেবে আমি এর বড় অংশ হব অথবা শুধু সহায়তা করব। আরিয়ান আমার ছেলের মতো’।
অপর দিকে প্রথমে মডেলিংয়ে আগ্রহ থাকলেও এখন সিনেমায় অভিনয় করতে চান খুশি কাপুর। মেয়ের এই আগ্রহের কথা নিজেই জানিয়েছেন বাবা বনি কাপুর। অন্যদিকে অনেকদিন ধরেই শাহরুখ পুত্র আরিয়ানের সিনেমায় আসার কথা শোনা গেলেও তা শেষ পর্যন্ত গুঞ্জনই রয়ে গেছে।
একসাথে এই মহাতারকা পুত্র-কন্যাকে রুপালি পর্দায় দেখার জন্য ভক্তদের তর সইছে না!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছিটকে পড়া সেই শিশুটি মায়ের কোলে আর ফিরল না

অনলাইন ডেস্ক: মর্মান্তিক! এমনভাবে আদরের সন্তানকে হারাতে হবে কল্পনাও করা যায় না। মায়ের সোহাগ মাখা আদর দিয়ে আপন সন্তানকে কোলে নিয়ে পথ চলতে চলতে হঠাৎ বিভিষীকাময় চিত্র। কোল থেকেই আদরের সন্তানকে হারাতে হলো নিষ্ঠুর ঘাতক বাসের চাপায়।
একের পর এক মায়ের কোল খালি হচ্ছে বেপরোয়া বাস চালকদের দৌরাত্বে। কিছুতেই থামছে না বেপরোয়া বাসের ধাক্কা। প্রতিদিনই খালি হচ্ছে মায়েদের বুক। শিশুরা এখন আর মায়ের কোলে থেকেও রক্ষা পায় না। মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়েও বাসের চাকার নিচে যেতে হয় শিশুদের!
কুষ্টিয়া শহরে বাসের ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে রাস্তায় ছিটকেপড়া এক বছরের শিশু আকিফা মায়ের বুক খালি করে অবশেষে চলেই গেল (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। শিশু আকিফা কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাসের সবজি ব্যবসায়ী হারুন-উর রশিদের মেয়ে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে চৌড়হাস বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাসের সামনে দিয়ে শিশু আকিফাকে কোলে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন মা রিনা বেগম। হঠাৎ চালক বাসটি চালিয়ে রিনা বেগমকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে তার কোল থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় শিশু আকিফা।
মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এমন দুর্ঘটনার ভিডিওচিত্র ফেসবুকে ভাইরাল হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয় জেলাজুড়ে। ফরিদপুর থেকে রাজশাহীগামী গঞ্জেরাজ নামে বাসটি দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মা-মেয়েকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সন্ধ্যায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সিসি ক্যামেরায় দেখা গেছে, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী (ঢাকা মেট্রো-গ ১৪-০১৭৭) একটি যাত্রীবাহী বাস চৌড়হাস বাসস্টান্ডে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় শিশু আফিয়াকে (১) কোলে নিয়ে তার মা বিনা বেগম রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ যাত্রীবাহী বাসটি বিনা বেগমকে ধাক্কা দেয়। এতে কোলে থাকা শিশু আফিয়া রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এসময় বাসটি শিশুটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। বাসের ধাক্কায় আহত হন শিশু ও মা। পরে আশপাশের লোকেরা এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
শিশুটিকে উদ্ধারকারী শ্রমিক নেতা রাসেল জানান, বাসটি মা-মেয়েকে ধাক্কা দেয়ার সময় বাসের যাত্রীরাই চিৎকার দিয়ে ওঠেন। তবে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত বাসটি চলে যায়। এ সময় অন্যরা বাসটিকে ধাওয়া করেও আটকাতে ব্যর্থ হয়।
কুষ্টিয়া নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সভাপতি কেএম জাহিদ জানান, অদক্ষ চালকের কারণেই সড়কে ঘটে চলেছে এমন দুর্ঘটনা। এখনই সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এর লাগাম টেনে না ধরলে আরও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সহাবস্থান করছে

অনলাইন ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল কাপ্তান সিং সোলাঙ্কি। বুধবার ত্রিপুরার আগরতলা-আখাউড়া আন্তর্জাতিক সীমান্তে চেক পোস্ট পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল।এসময় তার সাথে ছিলেন রাজ্যপালের স্ত্রী রানি সোলাঙ্কিসহ বিএসএফ ও সরকারি কর্মকর্তারা। এরপর তারা আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, গত ২৫ আগস্ট ত্রিপুরার রাজ্যপালের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এই প্রথম সীমান্তে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলাম। এটা জেনে ভাল লাগল যে ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সহাবস্থান করছে এবং উভয় পাড়ের মানুষই বন্ধুত্বপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ আন্তরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
রাজ্যপাল আরও জানান, আমি এটা জেনেও খুব খুশি হয়েছি যে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ ত্রিপুরায় চিকিৎসার জন্য আসেন।
উল্লেখ্য, গত প্রায় চার বছর ধরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে এই সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নিচ্ছেন দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিদিন সূর্যাস্তের ঠিক আগেই বেজে ওঠে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিউগল। তারই সুরে দিনের শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রতিদিনই অর্ধনমিত করা হয় দুই দেশের জাতীয় পতাকা। সীমান্তের এই কুচকাওয়াজ দেখতে সীমান্তের উভয় দিকের বসবাসকারী বহু মানুষও তা দেখতে আসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে কখনই সফলতার মুখ দেখেনি

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যমত ও আন্দোলনের নামে সহিংসতা সৃষ্টি করা হলে জনগণকে সাথে নিয়ে সমুচিত জবাব দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার গাজীপুরের ভোগড়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বিআরটি প্রকল্প ও সড়ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, গত চার বছরে বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে কখনই সফলতার মুখ দেখেনি। জনগণ বিএনপিকে ভয় কারণ, তাদের আন্দোলন মানেই জ্বালাও-পোড়াও।
জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই সময় এবং খরচ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ইভিএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাই আওয়ামী লীগ ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়নের কাজে জনদুর্ভোগ কমাতে যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়া ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকপ্লের প্রকল্প পরিচালক সানাউল হক ও বিআরটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (বিবিএ অংশ) লিয়াকত আলীকে কারণ দর্শাতে বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নেতাদের সংশ্লিষ্ট যাঁরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে দেশে একটা অস্থিতিশীল নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চান, তাঁরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। বাংলাদেশে ২০১৪ সাল, ২০০১ সাল আর ফিরে আসবে না। সেই খোয়াব দেখলে অচিরেই কর্পূরের মতো উড়ে যাবে।’
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সানাউল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ঢাকা জোন) মো. আব্দুস সবুর, সড়ক ও জনপথের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা, গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাসিখুশি মানুষ পছন্দ করে ছাগল

অনলাইন ডেস্ক: কুকুর মানুষের মেজাজ বুঝতে পারে। গবেষকরা এবার জানিয়েছেন, ছাগলও বুঝতে পারে একজন মানুষ খুশি না রাগান্বিত। লন্ডনের কুইন মেরি ইউভার্সিটির অ্যালান ম্যাকএলিগোটের নেতৃত্বে একদল গবেষক বিষয়টি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।
গবেষণাটি করার সময় এতে নমুনা হিসেবে ব্যবহৃত ছাগলের সামনে একই ব্যক্তির রাগান্বিত মুখভঙ্গি ও হাসিমাখা প্রফুল্ল মুখের ছবি আলাদা-আলাদা টাঙানো হয়।
তখন দেখা যায় যে, রাগী-রাগী ছবির চেয়ে হাসিমাখা মুখের ছবিটির দিকে বেশি আকৃষ্ট হয় এবং এই ছবিটির সাথেই ছাগলটি অপেক্ষাকৃত বেশি সময় কাটায়।
গবেষকেরা সিদ্ধান্তে আসেন, কুকুর বা ঘোড়ার মতন পোষা প্রাণীগুলোই যে শুধু মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বুঝতে পারে এমন নয়। বরং ছাগল বা অন্যান্য প্রাণীরাও মানুষের মুখের হাবভাব খুব ভালো বুঝতে পারে। গবেষণার ফলাফল রয়্যাল সোসাইটি ওপেন সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ট সুস্থ রাখে মাছ

স্বাস্থ্য কণিকা: আশঙ্কাজনকভাবে হার্টের রোগ বেড়ে চলেছে। সাধারণত জেনেটিক বা বংশগত, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, দুশ্চিন্তা, ধূমপান ইত্যাদি কারণেই হার্টের রোগ হয়। বংশগত কারণ ছাড়া বাকিগুলো নিয়ন্ত্রণে রেখে কিংবা পরিবর্তন করে হার্টকে সুস্থ রাখা সম্ভব।
১. ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার
ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিন-সি যুক্ত ফলমূল হচ্ছে: কমলালেবু, পেঁপে, আপেল, কলা, স্ট্রবেরি, আঙ্গুর ইত্যাদি। এই খাবারগুলোতে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা হার্টের জন্য খুবই উপকারী।
২. খাবার তালিকায় মাছ যোগ করুন
মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় যা খেলে হার্টের রোগের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে আসে। পাশাপাশি এই এসিড রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমাট বাঁধা প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
৩. রান্নায় সঠিক তেলের ব্যবহার
হার্টের সুস্থতায় রান্নার তেল নির্বাচনের সময় সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। রান্নায় অলিভ ওয়েল বা বাদাম তেল ব্যবহার করা ভালো। ভেজিটেবল ওয়েলও হার্টের জন্য ভালো।
৪. ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজি
নিয়মিত ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজি খেলে হার্ট ভালো থাকে। বিশেষ করে, তাজা ফলের রস হার্টের জন্য খুবই ভালো। সবুজ শাক-সবজির মধ্যে পালংশাক, লাউ, কুমড়া, গাজর, বিট, বাঁধাকপি, ভুট্টা, লাল আলু ইত্যাদি হার্টের জন্য বেশ উপকারী।
৫. আদা, রসুন ও হলুদ
রান্নার সময় মসলা হিসেবে আদা, রসুন ও হলুদ ব্যবহার করুন। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থানকুনি পাতা খেলে ১০টি রোগের উপশম হয়

স্বাস্থ্য কণিকা: থানকুনি পাতা। আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম centella aciatica। গ্রামাঞ্চলে থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়।প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে সবাই চেনে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কেউ যদি নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করে, তাহলে মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন ধরুন…

১. চুল পড়ার হার কমে:
নানা সময়ে হওয়া বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে। চুল পড়ার হার কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। কীভাবে? পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে। তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে পেস্টটা চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে কম করে ২ বার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

২. টক্সিক উপাদানেরা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়:
নানাভাবে সারা দিন ধরে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, রক্তে প্রবেশ করে। এইসব বিষেদের যদি সময় থাকতে থাকতে শরীর থেকে বের করে দেওয়া না যায়, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! আর এই কাজটি করে থাকে থানকুনি পাতা। কীভাবে করে? এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।

৩. ক্ষতের চিকিৎসা করে:
থানকুনি পাতা শরীরে উপস্থিত স্পেয়োনিনস এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এবার থেকে কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।

৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি হবে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে টিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কম বয়সে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

৬. আমাশয়ের মতো সমস্যা দূর হয়:
এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। এমনটা টানা ৭ দিন যদি করতে পারেন, তাহলেই কেল্লাফতে! এই ধরনের সমস্যা কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। প্রথমে পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা বেটে নিন। তারপর সেই রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মেশান। এই মিশ্রনটি দু চামচ করে, দিনে দুবার খেলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।

৭. পেটের রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে:
অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১ টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভাল করে মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিন। এই মিশ্রনটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনও ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়। সেই সঙ্গে ক্রিমির প্রকোপও কমে।

৮. কাশির প্রকোপ কমে:
২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে কাশির কোনও চিহ্নই থাকবে না।

৯. জ্বরের প্রকোপ কমে:
সিজন চেঞ্জের সময় যারা প্রায়শই জ্বরের ধাক্কায় কাবু হয়ে পারেন, তাদের তো থানকুনি পাতা খাওয়া মাস্ট! কারণ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে যে জ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়। সেই সঙ্গে শারীরিক দুর্বলতাও কমে।

১০. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়:
অসময়ে খাওয়ার কারণে ফেঁসেছেন গ্যাস্ট্রিকের জালে? নো প্রবেলম! থানকুনি পাতা কিনে আনুন বাজার থেকে। তাহলেই দেখবেন সমস্যা একেবারে হাতের মধ্যে চলে আসবে। আসলে এক্ষেত্রে একটা ঘরোয়া চিকিৎসা দারুন কাজে আসে। কী সেই চিকিৎসা? হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা এক সপ্তাহ করলেই দেখবেন উপকার মিলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest