সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

কলারোয়ায় মাসিক আইনশৃংখলা ও চোরাচালান নিরোধ কমিটির সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মাসিক আইনশৃংখলা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ এবং চোরাচালান নিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯জুলাই) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ওই সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।
সভায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ, সার্বিক আইনশৃংখলা শান্তিপূর্ন রাখা ও কলারোয়া বাজারের পাকা ব্রিজটি সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন সভায় সভাপতিত্ব করেন।
কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, কলারোয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম, কলারোয়া হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেরুল্লাহ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকবর আলী, মহিলা বিষয়ক কর্মকতা নাসরিন জাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী গাজী, মাদরা ও কাকডাঙ্গা বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার, ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম, আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আইয়ুব আলী, শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরা পারভীন, সহকারী প্রধান শিক্ষক আসাদুর রহমান, প্রভাষক আন্দন মোহন, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, এমএ সাজেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন।
এদিকে, ওই মিটিং-এর পর একই স্থানে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অগ্রগতি’র আয়োজনে ‘শান্তি-সম্প্রতির স্বপক্ষে, উগ্রপন্থার বিপক্ষে’- শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মনিরা পারভীন। অগ্রগতির প্রতিনিধি নুরুল আমিন সভাটি সমন্বয় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে ৩টি হরিণ ও অস্ত্রসহ ২চোরাশিকারী আটক সাত্তার মোড়লসহ ৩জনের নামে মামলা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের দোবেকী এলাকা থেকে ৩টি হরিণ, ৩টি একনালা বন্দুক ও একটি নৌকাসহ দুই চোরাশিকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার ভোর রাতে সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদী সংলগ্ন দোবেকী নামকস্থান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটক চোরাশিকারীরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার কদমতলা গ্রামের ইমান গাজীর ছেলে মঞ্জু গাজী ও পাতাখালি গ্রামের আমজাদ গাজীর ছেলে মহিবুল্লাহ গাজী।

=”500″ height=”298″ />শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান, সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের গহীনে বনদস্যু জাকির বাহিনীর সদস্যরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনকুড়ি নদী সংলগ্ন দোবেকী নামকস্থান পুলিশের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে ৩টি জবাই করা হরিণ, ৩টি একনালা বন্দুক ও একটি নৌকাসহ উক্ত দুই চোরাশিকারীকে আটক করা হয়। তিনি আরো জানান, আটক দুই ব্যক্তির নামে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে, শ্যামনগর উপজেলার একাধিক লোকজন জানান, কালিগঞ্জ উপজেলার কুখ্যাত চোরাশিকারী জনৈক সাত্তার মোড়লসহ আরো অনেকেই এই হরিন শিকারীর সাথে জড়িত। অথচ তাদেরকে বাদ দিয়ে অন্য দুই জনকে এই মামলায় আসামী করার খবরে শ্যামনগর উপজেলা ব্যাপী মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এঘটনায় শ্যামনগর থানায় চোরাশিকারী সাত্তার মোড়লসহ ৩জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং-৩।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি আরবে জঙ্গি হামলায় বাংলাদেশি নিহত

বিদেশের খবর: সৌদি আরবে একটি চেক পয়েন্টে জঙ্গি হামলায় সৌদি আরবের একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত বাংলাদেশির নাম-পরিচায় জানা সম্ভব হয়নি।

রবিবার বিকেলে দেশটির কাসিম প্রদেশের বুরাইদহ এলাকার একটি চেক পয়েন্টে এই জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী তদন্ত চালাচ্ছে।

জানা যায়, স্থানীয় সময় রবিবার বিকেল পৌনে ৪ টায় ওই চেক পয়েন্টে তিন জঙ্গি হামলা চালায়। হামলায় সৌদি নিরাপত্তা অফিসার সুলাইমান আবদুল আজিজ আল আবদালিতফ নিহত হন। এছাড়া একজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

আরব নিউজের সেই প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, জঙ্গি হামলার সময় নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলি ছুড়ে। এসময় গোলাগুলিতে তিন জঙ্গির মধ্যে দু’জন মারা যায়। অপর একজন আহত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, ভিডিও ভাইরাল

এরপর তারা ওই হাসপাতাল ছেড়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন জানিয়ে দুর্জয় বলেন, “ভোর পৌনে ৬টার দিকে জরুরি বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দেখি, তিনি অন্যান্য রোগীদের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করছেন।

“একজন চিকিৎসক হয়ে তিনি বাবার সঙ্গে যা করেছেন সেটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি তুই তোকারি করেছেন, অশ্লীল ভাষায় কথা বলেছেন, তার হাসপাতালের স্টাফদের ডেকেছেন আমাদের আটকে ফেলতে।”

ঘটনার বিবরণে দুর্জয় বলেন, “আমার বাবা চিকিৎসককে বলেন, এখানে তো সিট পাচ্ছি না, তাই চলে যাব। তখন বাবা ওই চিকিৎসককে আমার এক চিকিৎসক চাচার (বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের) কথা বলেন যে তাকে দেখাবেন।

“তখন ডাক্তার বলেন, ‘যান ওনার কাছে চলে যান, এইখানে কেন আসছেন? লাগবে না ছাড়পত্র, ওনার কাছে চলে যান।

“তখন বাবা বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, এভাবে কথা বলবেন না। কিন্তু এই কথাটা শুনেই যেন তিনি জ্বলে ওঠেন। বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তো কী হয়েছে?”

এ সময় ‘পাবলিক সার্ভেন্ট’ হিসেবে তার ওই আচরণ সঙ্গত নয় বলে মন্তব্য করেন দুর্জয়। তিনি বলেন, “জনগণের ট্যাক্সের টাকায় লেখাপড়া করেছেন, এখন বেতনও পাচ্ছেন জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। তাই এই ধরনের আচরণ কারও সঙ্গেই ঠিক নয়।”

পাল্টায় আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চিকিৎসক, তার ওই সময়ের আচরণই উঠে এসেছে ফেইসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে।

এতে মুক্তিযোদ্ধার দিকে আঙুল উঁচিয়ে উচ্চ শব্দে চিকিৎসককে বলতে শোনা যায়, “আমি চাকর?”

জবাবে ফারুকুজ্জামান বলেন, “চাকর না তা কী?”

তখন তার গায়ে হাত দিয়ে একপাশে সরিয়ে দিতে দিতে চিকিৎসক বলেন, “যাহ”। এরপর সুর নামিয়ে বলেন, “ভাই এসব বইলেন না।”

পরেই আবার চিকিৎসককে তাকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, “এই ছেলে করেছেন ফ্রিডম ফাইটার হয়ে? এই ছেলে করেছেন?”

তখন ফারুকুজ্জামান প্রশ্ন করেন, “কী ছেলে করেছি? আপনার সঙ্গে কী আচরণ করেছি?”

পাল্টায় চিকিৎসক বলেন, “যাহ ব্যাটা।”
দুর্জয় জামান বলেন, “ওই চিকিৎসক এক পর্যায়ে স্টাফদের আমাদের আটকাতে বলে নিজে কক্ষের ভিতরে ঢুকে কিছু একটা নিয়ে আসেন বাবাকে মারতে। কিন্তু আমার স্ত্রী সব কিছু ভিডিও করছে দেখে তিনি থেমে যান।”

Posted by Sheikh Durjoy Zaman on Saturday, 7 July 2018

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে রেকর্ড গড়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

খেলার খবর: দুই দলের আগের লড়াইয়ে নায়ক ছিলেন ফখর জামান। সেটি ছিল আগে ব্যাট করে। ফাইনালে চ্যালেঞ্জ ছিল আরও বেশি। বড় ম্যাচের চাপ শুধু নয়, জিততে হল গড়তে হতো রান তাড়ার রেকর্ড। কিন্তু কঠিন চ্যালেঞ্জে আরও উত্তাল ফখরের ব্যাট। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে বাঁহাতি ওপেনার পাকিস্তানকে এনে দিলেন শিরোপা।

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। সিরিজ-টুর্নামেন্ট মিলিয়ে টি-টোয়েন্টির শীর্ষ দলটি জিতল টানা ৯ সিরিজ!

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে রোববার অস্ট্রেলিয়ার ১৮৩ রান তাড়ায় পাকিস্তান জিতেছে ৪ বল বাকি রেখে।

টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের এটিই সবচেয়ে বড় রান তাড়া করে জয়। আগের রেকর্ড ছিল ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ১৭৫ রান তাড়ায় জয়।

এক বছর আগে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ফখরের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভারতকে চমকে দিয়ে শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। এবার সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি বাঁহাতি ওপেনার। তবে তার ৪৬ বলে ৯১ রানের ঝড়ো ইনিংসই গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য।

অথচ পাকিস্তানি ওপেনারদের আগে ঝড় তুলেছিলন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনাররা। অ্যারন ফিঞ্চ ও ডার্সি শর্ট গড়েন দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি। ৯.৫ ওভারেই জুটিতে আসে ৯৫ রান।

ফর্মে থাকা ফিঞ্চ করেছেন ২৭ বলে ৪৭। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোয় কিছু রান পেলেও পুরো ছন্দে না থাকা শর্ট ফাইনালে খেলেছেন ৫৩ বলে ৭৬ রানের ইনিংস।
এই জুটি ভাঙার পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার পরের ব্যাটসম্যানদের কেউ কাজে লাগাতে পারেননি দারুণ ভিতটাকে।

রান বাড়াতে তিনে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ব্যর্থ। ওপেনারদের পর সর্বোচ্চ ছিল পাঁচে নামা ট্রাভিস হেডের ১১ বলে ১৯ রান। মার্কাস স্টয়নিস করেছেন ১২। আর কেউ পারেননি দু অঙ্ক ছুঁতে। দুইশ ছাড়ানোর পথে থাকলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া থমকে যায় ১৮৩ রানে।পাকিস্তানের শুরুটা ছিল অস্ট্রেলিয়ার উল্টো। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের অফ স্পিন দিয়ে বোলিং শুরু করে মেলে অভাবনীয় সাফল্য। প্রথম ওভারেই দুই উইকেট!

প্রাথমিক পর্বের চার ম্যাচে মোহাম্মদ হাফিজ ও হারিস সোহেলকে দুটি করে ম্যাচে ওপেন করিয়ে ফল পায়নি পাকিস্তান। ফাইনালে ফখরের সঙ্গে জুটিতে পাঠানো হয় সাহিবজাদা ফারহানকে। কিন্তু অভিষিক্ত ব্যাটসম্যান আউট শূন্য বলে শূন্য রানে। ওয়াইড বলে স্টাম্পড!

তিন বল পর ফেরেন তিনে নামা হুসাইন তালাত। ২ উইকেটে পাকিস্তানের রান ২।

ম্যাক্সওয়েলকে তুলোধুনো করেই পাকিস্তানের পাল্টা আক্রমণের শুরু। তৃতীয় ওভারে তাকে টানা দুটি চার মারেন ফখর। ওভারের শেষ দুই বলে সরফরাজ আহমেদ মারেন চার ও ছক্কা।

সেখান থেকে পাকিস্তানের ইনিংস যে গতি পেয়ে যায়, তা আর থামেনি। সরফরাজ আউট হয়েছেন ১৯ বলে ২৮ রানে। তবে ফখরের ব্যাটে উড়েছে পাকিস্তান।

শোয়েব মালিকের অভিজ্ঞ ব্যাট স্ট্রাইক দিয়ে গেছে ফখরকে। এই ওপেনার একরকম ছেলেখেলা করেছেন অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের নিয়ে। তৃতীয় উইকেটে ১০৭ রানের জুটি গড়েন দুজন। তাতে ফখরের অবদান ছিল ৩৬ বলে ৭৩, মালিকের ২৮ বলে ২৭।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচটিতেই করা ৭৩ ছিল ফখরের সর্বোচ্চ রান। এদিন সেটি ছাড়িয়ে করলেন ৯১। ১২ চারের সঙ্গে ইনিংসে ছক্কা তিনটি।ফখর আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৪ ওভারে ৩০ রান। পরের ওভারে অ্যান্ড্রু টাই দেন মাত্র ২ রান। একটু উত্তেজনা ফেরে ম্যাচে। কিন্তু জাই রিচার্ডসনের এক ওভারে মালিক ও আসিফ আলির দুটি ছক্কায় সহজ হয়ে যায় সমীকরণ।

৩৭ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় সঙ্গে নিয়েই ফেরেন মালিক। ১১ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন পাকিস্তানের এই টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফর্মার আসিফ আলি।

ফাইনালের সেরা তো বটেই, ৫৫.৬০ গড় ও ১৫৭.০৬ স্ট্রাইক রেটে ২৭৮ রান করে টুর্নামেন্টেরও সেরা ফখর। সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ২০ ওভারে ১৮৩/৮ (শর্ট ৭৬, ফিঞ্চ ৪৭, ম্যাক্সওয়েল ৫, স্টয়নিস ১২, হেড ১৯, কেয়ারি ২, অ্যাগার ৭, উইল্ডারমুথ ১*, টাই ০, রিচার্ডসন ৬*; আমির ৩/৩৩, ফাহিম ১/৩৮, হাসান ১/৩৮, শাহিন শাহ ১/৩২, শাদাব ২/৩৮)।

পাকিস্তান: ১৯.২ ওভারে ১৮৭/৪ (ফখর ৯১, সাহিবজাদা ০, তালাত ০, সরফরাজ ২৮, মালিক ৪৩*, আসিফ ১৭*; ম্যাক্সওয়েল ২/৩৫, স্ট্যানলেক ০/২৫, রিচার্ডসন ১/২৯, টাই ০/৩৩, স্টয়নিস ০/৩১, উইল্ডারমুথ ০/১৬, অ্যাগার ০/১৬)।

ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: ফখর জামান

ম্যান অব দা সিরিজ: ফখর জামান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিতের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে সিরিজ ভারতের

খেলার খবর: এই দুজনের পর বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আর কেউ। ২৪ বলে ৩০ করে ফিরেছেন হেলস, ১৪ বলে ২৫ বেয়ারস্টো। শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি ব্যাটসম্যানদের কেউ, ইংল্যান্ড আটকে যায় দুইশর নিচে।

টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার ৪ উইকেট নিয়েছেন পান্ডিয়া। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে ধোনি এক ম্যাচে নিয়েছেন ৫ ক্যাচ। প্রথম কিপার হিসেবে ছুঁয়েছেন ক্যারিয়ারে ৫০ ক্যাচও।

ইংলিশ অধিনায়ক ওয়েন মর্গ্যানের মতে, তাদের রানটা কম হয়ে গিয়েছিল ২০-৩০ রান। ভারতীয়দের ব্যাটিংয়ে প্রমাণ হয় সেটিই।

রান তাড়ায় তৃতীয় বলেই ছক্কায় শুরু করেন রোহিত। জেইক বলের দুর্দান্ত ক্যাচে শিখর ধাওয়ান ফেরেন ৫ রানে। ১০ বলে ১৯ রান করে লোকেশ রাহুল আউট হন ক্রিস জর্ডানের অসাধারণ ক্যাচে। কিন্ত রোহিত ছিলেন অপ্রতিরোধ্য।

তৃতীয় উইকেটে রোহিতের সঙ্গে ৮৯ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এই জুটিও ভেঙেছে দারুণ ক্যাচে। ২৯ বলে ৪৩ রান করা কোহলিকে ফিরতি ক্যাচে ফিরিয়েছেন জর্ডান।

ইংল্যান্ড ম্যাচে ফিরতে পারেনি তার পরও। পাঁচে প্রমোশন পেয়ে ভারতকে ঝড়ের গতিতে জয়ের দিকে এগিয়ে নেন পান্ডিয়া।

১১ চার ও ৫ ছক্কায় রোহিত অপরাজিত ১০০ রানে। পান্ডিয়ার ইনিংসে ছিল চারটি চার, দুটি ছয়।

দুই দল এখন মুখোমুখি হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। ট্রেন্ট ব্রিজে যেটি শুরু হবে বৃহস্পতিবার থেকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৯৮/৯ (রয় ৬৭, বাটলার ৩৪, হেলস ৩০, মর্গ্যান ৬, স্টোকস ১৪, বেয়ারস্টো ২৫, উইলি ১, জর্ডান ৩, প্লাঙ্কেট ৯, রশিদ ৪*; চাহার ১/৪৩, উমেশ ২/৩৬, সিদ্ধার্থ , পান্ডিয়া ৪/৩৮, চেহেল ০/৩০)।

ভারত: ১৮.৪ ওভারে ২০১/৩ (রোহিত ১০০*, ধাওয়ান ৫, রাহুল ১৯, কোহলি ৪৩, পান্ডিয়া ৩৩*; উইলি ১/৩৭, বল ১/৩৯, জর্ডান ১/৪০, প্লাঙ্কেট ০/৪২, স্টোকস ০/১১, রশিদ ০/৩২)।

ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ৩ ম্যাচ সিরিজে ভারত ২-১ ব্যবধানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: রোহিত শর্মা

ম্যান অব দা সিরিজ: রোহিত শর্মা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বন্দ্ব ঘোচাতে কেন্দ্রে মনিটরিং সেল চায় তৃণমূল আওয়ামী লীগ

রাজনীতির খবর: গত দশ বছর টানা ক্ষমতায় থাকার ফলে দলের ভেতরে যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ, দ্বন্দ্ব-কোন্দল দেখা দিয়েছে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব কাটিয়ে তুলতে বদ্ধপরিকর ক্ষমতাসীনরা। এরই অংশ হিসেবে সারাদেশের জেলা-উপজেলা, মহানগর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের গণভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ২৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে তাদের ঢাকায় ডেকে আনা। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নির্বাচনের আগে দলকে ঐক্যবদ্ধ দেখতে চান বলে তৃণমূল নেতাদের অবহিত করেছেন।

সারাদেশের সাংগঠনিক জেলার নেতা,স্থানীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেছেন- ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে পরাজিত করার শক্তি কারও নেই। এরপর ৩০ জুন ও ৭ জুলাই সারাদেশের মহানগর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা ও দলীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের গণভবনে ডেকে দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর করে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সরাসরি সাক্ষাতে তারা উজ্জীবিত, একথা স্বীকার করলেও তৃণমূল নেতারা বলছেন- শুধু নির্দেশনা দিয়ে দলে ঐক্য ফেরানো যাবে না। এটা খুবই কঠিন কাজ। দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর করে দলে ঐক্য ফেরাতে হলে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল করতে হবে। সেখানে অভিযোগ জমা পড়লে তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে। সারাদেশে অন্তত এক ডজন ঘটনার শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে এক মাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর হয়ে দলে ঐক্য ফিরে আসবে।

তৃণমূল নেতারা বলছেন, ‘ঢাকায় ডেকে নির্দেশনা দিলেও এলাকায় যেতে যেতে তা ভুলে যায় আমাদের নেতারা।’ তারা আরও বলেন, ‘টানা ক্ষমতায় থাকার কারণে দলে মৌসুমী নেতার সংখ্যা বেড়েছে। দলের ভেতরে কীভাবে অনৈক্য সৃষ্টি করে রাখা যায় তা নিশ্চিত করতে তারা দলে জায়গা করে নিয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান ফারুক বলেন, ‘কোন্দলের মূলে রয়েছে আদর্শিক দ্বন্দ্ব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগে আদর্শিক কর্মীর অভাব দেখা দিয়েছে। টানা ক্ষমতায় থেকে দলে আগাছা-পরগাছা জন্ম নিয়েছে। তারা কোন্দল জাগিয়ে রাখতে চায়।’

টাঙ্গাইলের এই নেতা আরও বলেন, ‘দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর করে দলে ঐক্য ফেরাতে হলে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল করতে হবে। কোথায় কোন্দল আছে, কেন আছে? তারা দলের আদর্শিক কর্মী নাকি সুবিধাভোগী—এগুলো চিহ্নিত করে অ্যাকশনে নামতে হবে। আগাছা-পরগাছাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই ঐক্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’

কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী বলেন, ‘দলে মৌসুমী নেতাদের আধিপত্য দূর করতে হবে।’ তার দাবি, আওয়ামী লীগের ঐক্য ধ্বংস করতেই দলে মৌসুমী নেতারা ঢুকছে দলে। সুতরাং তারা যতদিন থাকবে দ্বন্দ্ব-কোন্দল থাকবে,ঐক্য ফেরানো কঠিন কাজ।তিনি আরও বলেন,‘কেন্দ্রকে এগুলো চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে নেত্রকোনা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান খসরু বলেন,‘যেসব এলাকায় দ্বন্দ্ব-কোন্দল বিরাজমান,সেই অঞ্চল চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে নজির স্থাপন করতে হবে। তবেই ঐক্য ফিরে আসবে।’

পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে ঘিরে দলের ঐক্য অটুট রাখা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঐক্য সুনিশ্চিত করতে হলে আওয়ামী লীগকে কঠোর হতে হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও বাংলাদেশের মেয়েদের বিশাল জয়

খেলার খবর: দারুণ ছন্দে আছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।পাপুয়া নিউগিনিকে ৮ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু করেছিলেন নারীরা। জয়ের ধারা অব্যাহত রাখলেন তারা। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছেন সালমা বাহিনী।

রোববার আমস্টারডমে টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক সালমা খাতুন। তবে ব্যাট করতে নেমে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের বোলিং তোপের মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। ২ ওভার বাকি থাকতেই মাত্র ৪২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

দলের পক্ষে দুই অঙ্কের কোঠা স্পর্শ করেন সর্বসাকুল্যে দু’জন। স্টেরে ক্যালিস করেন ১৫ রান। আর ডেনিস হানেমার ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান। তৃতীয় সর্বোচ্চ রান ৪! বিনা রান করে সাজঘরে ফিরেছেন ৬ জন।

বাংলাদেশের হয়ে রুমানা আহমেদ ও ফাহিমা খাতুন শিকার করেন তিনটি করে উইকেট। এছাড়া পান্না ঘোষ দুটি এবং সালমা খাতুন ও নাহিদা আক্তার নেন একটি করে উইকেট।

৪৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে অনায়াসে জয়ের বন্দরে নোঙর করে বাংলাদেশ। ৭৩ বল ও সাত উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন ফারজানা হক ও রুমানা আহমেদ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শামিমা। আর ১১ রানে অপরাজিত থাকেন ফারজানা।

স্বাগতিকদের হয়ে ভান স্লব দুটি এবং সিলভার স্লিগারস একটি উইকেট লাভ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest