সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা তুফান কনভেশনে অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: হাবিবুর রহমান। মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা: নাসির উদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা স্বাচিবের সভাপতি সাবেক এমপি ডা: মোখলেছুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক সিভিল সার্জন ডা: এস জেড আতিক, স্বাচিবের সাধারণ সম্পাদক ডা: মনোয়ার হোসেন, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারি, দৈনিক পত্রদূতের সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, ডেইলি সাতক্ষীরা’র সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, ডা: হরষিত চক্রবর্তী, ডা: কাজী আরিফ, ডা: রুহুল কুদ্দুস প্রমুখ। ইফতার পূর্ব দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, মেডিকেল কলেজ মসজিদের ইমাম মাও: মোশাররফ হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মিথ্যে সাক্ষী না দেয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাগুরা গ্রামের মৃত শেখ আব্দুল লতিফকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর জন্য মিথ্যে সাক্ষী না দেয়ায় তার ছেলেরা এক মুক্তিযোদ্ধা পারিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালিয়ে মারপিট ও বাড়িঘর ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তালার মাগুরা গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল মান্নানের ছেলে শেখ আব্দুল শাহিন পলাশ মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার চাচা মৃত শেখ আব্দুল লতিফ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। কিন্তু আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল মান্নান জীবিত থাকা অবস্থা আব্দুল লতিফ মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার পায়তারা শুরু করেন। ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আমার বাবা মারা যান। সম্প্রতি সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই শুরু হলে আমার চাচাত ভাই শেখ আব্দুল আলিম টুটুল, শেখ অব্দুস সেলিম ও শেখ বাবুল আক্তার তাদের পিতাকে মুক্তিযোদ্ধা বাননোর জন্য আমার বৃদ্ধা মা’কে সাক্ষী দিতে বলেন। কিন্তু আমার মা মিথ্যে সাক্ষী দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং আমাদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এরই জের ধরে গত ২ জুন তারা আমার বাড়িতে হামলা করে বাড়ির পিছনের জমির কিছু অংশের গাছপালা কাটতে থাকে। এসময় বাধা দিতে গেলে উল্লেখিতরা আমার বৃদ্ধা মা, বোন জেসমিন সুলতানা, ভগ্নিপতি মাসুদ রানা ও তাদের দুই মেয়েসহ আমাকে বেধড়ক মারপিট করে। স্থানীয়রা এসে আহতদের উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। বর্তমানে তারা আমাদেরকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করাসহ বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। ফলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বর্তমানে আমি চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি।
তিনি টুটুল গংদের হয়রানি থেকে রক্ষা পেয়ে যাতে নিজ বাড়িতে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ সচিবসহ ৮জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

ন্যাশনাল ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় চার সচিবসহ আটজনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও এক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চাকরির মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধি না করায় তাদের বিরুদ্ধে এ রুল জারি করা হয়।

একই সঙ্গে ওই পিআইওর স্থলে নতুন করে একজনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে জারি করা বিজ্ঞপ্তিও স্থগিত করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এই আটজন হলেন- মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, অর্থ সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মহাপরিচালক, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন, সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ আর এম কামরুজ্জামান কাকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

পরে এ বি এম আলতাফ হোসেন জানান, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার পিআইও সিরাজুল ইসলাম সিদ্দিকী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চাকরিতে নিয়োগ পান। পরে যাচাই-বাছাই শেষেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার নাম বহাল থাকে। তবে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চাকরির মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে যে প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন, সেটি তাকে প্রদান করা হয়নি।

ব্যারিস্টার আলতাফ হোসেন আরও বলেন, এ অবস্থায় গত ৩১ মে স্বাভাবিকভাবে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই সিরাজুল ইসলাম হাইকোর্টে একটি রিট করেন। সেই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ মে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ রিটকারী সিরাজুল ইসলামকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে চাকরির মেয়াদ ৬০ থেকে ৬১ বছরে বৃদ্ধি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেন।

আদালতের রায় সত্ত্বেও গত ৩০ মে ময়মনসিংহের জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সিরাজুল ইসলামের স্থলে পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়িয়া উপজেলার পিআইও মো. আ. বাসেদকে ১ জুন থেকে মুক্তাগাছার পিআইও হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়।

এ কারণে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে আবেদন করেন সিরাজুল ইসলাম। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হুমায়ূনের গল্পে শাওনের পাঁচ পর্বের ধারাবাহিক

বিনোদন ডেস্ক: আবারও পরিচালনায় ফিরছেন মেহের আফরোজ শাওন। আসছে রোজা ঈদ উপলক্ষে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘বোতল ভূত’ নামের নাটক। এটি প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি গল্প।

শিশুতোষ নাটকটি নির্মাণ করা হয়েছে পাঁচ পর্বের ধারাবাহিক হিসেবে। ছোটদের এই গল্প থেকে ধারাবাহিকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন লুৎফর রহমান নির্ঝর। এই ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, আজাদ আবুল কালাম, ঝুনা চৌধুরী, আবদুল্লাহ রানা, ওয়াসেক, শাহনাজ সুমি, প্রীনন, জয়াত, ঋতুসহ আরও অনেকে।

নাটকটি প্রসঙ্গে মেহের আফরোজ শাওন বলেন, ‘অনেকেই জানতে চাইতেন পরিচালনায় কবে ফিরবো। সেই জবাব নিশ্চয়ই তারা পেয়ে গেছেন। আর হুমায়ূন আহমেদের নাটকে বাচ্চাদের চরিত্রগুলোর বিশেষ ভূমিকা থাকলেও শুধু বাচ্চাদের নিয়ে কখনো কাজ করেননি তিনি। সেই ভাবনা থেকে তার গল্পে এই নাটকটি নির্মাণ করেছি।’

ধারাবাহিকটি দেখা যাবে দুরন্ত টিভিতে। ঈদের দিন থেকে ঈদের পঞ্চম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা দেড়টায় আর রাত আটটায় দেখানো হবে নাটকটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আখলাকুর রহমান এর উপর হামলার প্রতিবাদে কালিগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আখলাকুর রহমান এর উপর কর্তব্যরত অবস্থায় সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে কালিগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে একাত্মতা ঘোষণা করে উক্ত মানববন্ধনে অংশগ্রহন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর নেতৃবৃন্দ। এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের উপজেলা সভাপতি ও কুশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ শেখ মেহেদী হাসান সুমন প্রমুখ। প্রতিবাদ সমাবেশ সঞ্চালনায় ছিলেন সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক এসএম গোলাম ফারুক। পরে সরকারী কর্মকর্তার উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বাংলাদেশের সমতা ফেরানোর লড়াই

খেলার খবর: দেরাদুনে ৪৫ রানে হার দিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে টিকে থাকতে হলে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই সাকিবদের। জিতলে বাংলাদেশের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। মঙ্গলবার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে রাত সাড়ে ৮টায়। বাংলাদেশের দর্শকরা ম্যাচটি সরাসরি দেখতে পারবেন চ্যানেল আই ও গাজী টিভিতে।

এর আগে কখনোই আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে টি-টোয়েন্টি খেলেনি বাংলাদেশ। গত রবিবারের আগে এই সংস্করণে একবারই সাক্ষাৎ হয়েছে দল দুটির। ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে ৯ উইকেটের ব্যবধানে জিতেছিল সাকিবরা। তবে রবিবার আর আগের মতো আত্মসমর্পণ করেনি আফগানরা। দাপট দেখিয়েই জিতেছে প্রথম ম্যাচ। উল্টো দিকে দেরাদুনের হারটি টাইগারদের জন্য ছিল লজ্জার। এমন হারে দেশেও হচ্ছে সমালোচনা।

মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে দলের অভিজ্ঞ চার ক্রিকেটারের সামনে দলকে কক্ষপথে ফেরানোর চ্যালেঞ্জ। আফগানিস্তানের স্পিন জুজুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে না পারলে এই ম্যাচে ফেরা কঠিন হবে বাংলাদেশের। তবে এটা ঠিক দ্বিতীয় ম্যাচটিও সহজ হবে না। প্রথম ম্যাচটি জিতে আফগানদের আত্মবিশ্বাস ‍চূড়ায় রয়েছে।

সাকিব প্রথম ম্যাচ হেরে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কথা বলেছিলেন। ১৬৮ রানের চ্যালেঞ্জে খেলতে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ১২২ রানেই থেমে গেছে। বোলারদের পারফরম্যান্স যেমনই হোক না কেন, সাকিব ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সে তুষ্ট নন। এই মুহূর্তে ব্যাটসম্যানদের আগের ম্যাচের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।

তাই মঙ্গলবার ম্যাচ জিততে হলে বোলারদের পাশাপাশি ব্যাটসম্যানদেরও বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। বিশেষ করে তামিম ও মুশফিককে বড় ইনিংস খেলতে হবে। অধিনায়ক হিসেবে রণকৌশলে গভীরতা বাড়াতে হবে সাকিবকেও। প্রথম ম্যাচে শেষ চার ওভারে স্পিনারদের বল দেওয়ার ঝুঁকি নেননি তিনি। যদিও রাহী ও আবুল হাসানের মতো নবীন তারকাদের দিয়ে ডেথ ওভারের ভার সামলেছেন। তার এমন কৌশল নিয়েও রয়েছে সমালোচনা। তাই শেষ ম্যাচ বাংলাদেশের ত্রুটিগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ। এই অবস্থায় একাদশে বাংলাদেশ দলে দুটি পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় ‘মাদক সম্রাজ্ঞী দুই বোন জানু ও হোসনে আরা আটক

খুলনা ডেস্ক: খুলনায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ খ্যাত দুই মাদক সম্রাজ্ঞী জাহানারা বেগম জানু (৫০) ও হোসনে আরাকে (৪৭) আটক করেছে র‌্যাব। তবে তাদের বড় বোন লুৎফুন্নেসা ওরফে লুতুকে আটক করা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা র‌্যাব-৬ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের আটকের তথ্য জানান র‌্যাবের স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার মো. এনায়েত হোসেন মান্নান।

র‌্যাব জানিয়েছে, বিগত ২০/২২ বছর ধরে এই তিন বোন ও তাদের পরিবার মাদক ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। তারা নগরীর সোনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও গাঁজা পাইকারি হিসেবে চালান দিতো। মাদক ব্যবসায় অপ্রতিরোধ্য বলে এই তিন বোন এলাকায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ নামে পরিচিত। এর মধ্যে জাহানারার বিরুদ্ধে নগরীর খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা, বটিয়াঘাটা ও হরিণটানা থানায় ৮টি ও হোসনে আরার বিরুদ্ধে ৬টি মাদকের মামলা রয়েছে।

এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, সোমবার রাতে আড়ংঘাটা পূর্ব বিল পাবলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাহানারা ও হোসনে আরাকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫১০ গ্রাম গাঁজা ও ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আড়ংঘাটা থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯ (১) এর ৭ (ক) ও ৯ (ক) ধারায় মামলা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের কতিপয় সদস্যের সাথে আঁতাত করে এই চক্রটি খুলনায় মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করতো। তাদের কাছে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপাল ভাঁড় আসলে কে?

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: যে মানুষটির নাম শুনলেই অনেকে হেসে ফেলে। হাসতে হাসতে অনেকের আজও পেটে খিল ধরে যায়। যার কথা শুনলেই মনে পড়ে উদ্ভট কীর্তিকলাপ আর তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কথা। সেই সাথে মনে পড়ে ষড়যন্ত্রের রহস্য উদঘাটন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তার বিভিন্ন চোরাগোপ্তা অন্তর্ঘাতের কথা। সেই গোপাল ভাঁড় বলে কি সত্যিই কেউ ছিলেন?

তার সম্পর্কে বাঙ্গালির আগ্রহের শেষ নেই। যেই মানুষটা এতটা চালাক আর রহস্যময়ী আসলেই মানুষটা কে? এই প্রশ্নটা গোপাল ভাঁড় ভক্তদের মনে সবসময়ই আগ্রহই রয়ে গেছে। গোপাল ভাঁড় কি শুধুই গল্প কাহিনি? না তার কোন বাস্তব চিত্র রয়েছে? এ সম্পর্কে ঐতিহাসিকরাও সঠিক কোন তথ্য দিতে পারে নি।

তবে মানুষের ধারণা আর অনুমান বলে। গোপাল ভাঁড় আসলেও একজন বাস্তবেই ছিলেন। যিনি কি না ছিলেন নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভার একজন পরিহাসকারী। যার কাজ ছিল সভাকে প্রানবন্ত রাখা। এমনটাই ধারণা করেন অনেকে।

আবার অনেকে বলেন, গোপাল নামে কেউ-ই ছিলেন না, কিন্তু কৃষ্ণচন্দ্রের সভায় ছিলেন অতি সুচতুর একাধিক ব্যক্তি। তাঁদের সম্মিলিত রূপই মানুষের কাছে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে গোপাল ভাঁড় হিসেবে।

তবে এই বিতর্কের মাঝেই নগেন্দ্রনাথ দাস নামের এক ব্যাক্তি নিজেকে গোপাল ভাঁড়ের বংশধর বলে দাবি করে বসেন। এবং ‘নবদ্বীপ-কাহিনী বা মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র ও গোপাল ভাঁড়’ নামে একটি বইও লিখে ফেলেন তিনি।

এই বইয়ে নগেন্দ্রনাথ দাস দাবি করেন, ‘ভাঁড়’ নয়, গোপালের পদবি ছিল ‘নাই’। তাঁর দাদা ছিলেন ‘আনন্দরাম নাই নামে এক পরম তান্ত্রিক সাধক।’ আর গোপালের বাবা দুলালচন্দ্র নাই, পেশায় ছিলেন নাপিত। তবে, গোপালের বুদ্ধিতে মুগ্ধ হয়েই নদিয়ারাজ তাঁকে সভার অন্যতম রত্ন হিসেবে স্থান দেন। তখন গোপালের উপাধি হয় ‘ভাণ্ডারী’। ‘ভাণ্ডারী’ থেকে অপভ্রংশেই ‘ভাঁড়’ গোপাল ভাঁড়!

সে আরও দাবি করেন, কোনও পুত্রসন্তান না থাকলেও গোপাল ভাঁড়ের একটি মেয়ে ছিল। তাঁর নাম ‘রাধারাণী’। গোপাল ভাঁড়ের বংশ লতিকাও তিনি এই বইয়ে রেখেছেন।
নগেন্দ্রনাথের বক্তব্য, তিনি গোপালের ভাই কল্যাণের উত্তরসূরি। সেই অর্থে গোপালের একমাত্র বংশধর। তবে এই মত যে সব ঐতিহাসিক সন্দেহাতীত ভাবে মেনে নিচ্ছেন, তা বলা যায় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest