শ্বশুর অমিতাভ-শাশুড়ি জয়াকে নিয়ে ঐশ্বরিয়ার পোস্ট

বিনোদন ডেস্ক: রবিবার ছিল অমিতাভ ও জয়া বচ্চনের ৪৫তম বিবাহবার্ষিকী। নিজেদের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করতে গিয়ে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টটি জয়া বচ্চনের ছবি আর শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে ফেলেছিলেন অমিতাভ। দেরীতে হলেও নিজের শ্বশুর-শাশুড়িকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাতে ভুলে যাননি পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনও। ডিএনএ ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি একটি ছবিও নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার দিয়েছেন বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ।

ছবিতে অমিতাভ-জয়ার পাশাপাশি রয়েছেন ঐশ্বরিয়া ও তাঁর মেয়ে আরাধ্য এবং আরেক নাতি শ্বেতা বচ্চন নান্দার ছেলে আগাস্তায়া। ছবির ক্যাপশনে ঐশ্বরিয়া লিখেন, ‘শুভ বিবাহবার্ষিকী পা ও মা। ভালোবাসা, স্বাস্থ্য ও সুখ এবং সবসবময় সৃষ্টিকর্তার করুণা থাকুক আপনাদের ওপর। ছবিটি শেয়ার দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইন্টারনেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিতে লাইকের সংখ্যা ছাড়ায় তিন লাখের ওপরে।’

ওদিকে মা-বাবার বিবাহবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিষেক বচ্চনও। অভিমান ছবিতে মা-বাবার একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য শেয়ার দিয়ে অভিষেক লিখেন, ‘আমি চাই তোমাদের হাসি এবং ভালোবাসা আরো ৪৫ বছর ধরে চলুক। শুভ ৪৫তম বিবাহবার্ষিকী মা ও পা। আমি তোমাদের ভালোবাসি।’

১৯৭৩ সালের ৩ জুন অমিতাভ ও জয়া অভিনীত ছবি ‘অভিমান’ মুক্তির মাত্র কিছুদিন আগে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন তাঁরা। বাস্তব জীবনে সফল এই জুটি অভিনয় জীবনেও ছিলেন দুর্দান্ত। তাঁরা দুজনে ‘বানসি বিরজু’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘অভিমান’, ‘সিলসিলা’, ‘এক নজর’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কি অ্যান্ড কা’র মতো বেশ কিছু ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী ফেন্সি খুন

রাজনীতির খবর: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ গল্লাক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সি (৫৬) খুন হয়েছেন। তিনি কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ সদস্য ছিলেন।

সোমবার রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে শহরের ষোলঘর পাকা মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলায় খুন হন ফেন্সি।

খুনের ঘটনায় ফেন্সির স্বামী জহিরুল ইসলাম ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। জহিরুল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, যে বাড়িতে ফেন্সি খুন হন, সেটি পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ৩০০ গজের মধ্যে অবস্থিত। ঘটনার পর পুলিশ বাড়িটিতে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে রাখে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সেলিম আকবর ও জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সাজেদা কাকনের ভাষ্য, রাতে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন ফেন্সি। তাঁর স্বামী জহিরুল নামাজে গিয়ে ছিলেন। হাঁটা শেষে ফেন্সি ঘরে ফেরেন। নামাজ শেষে জহিরুল বাসায় ফিরে তাঁর স্ত্রীকে নিজ কক্ষের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ আসে।

পুলিশ জানায়, ফেন্সির মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হতে পারে।

ফেন্সির ভাই নাঈম উদ্দিন বলেন, বছর তিনেক আগে জহিরুল গোপনে আরেকটি বিয়ে করেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শহরের নাজির পাড়ায় থাকেন। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়লি উল্লাহ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফেন্সির স্বামী জহিরুল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ফেন্সির লাশ চাঁদপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুকুরে ভেসে উঠল ৪ শিশুর লাশ

ন্যাশনাল ডেস্ক: চাঁদপুরে হাজীগঞ্জে রাতে নিখোঁজ হওয়া চার শিশুর লাশ ভোরে একটি পুকুরে ভেসে উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পৌর এলাকার রান্ধনীমুড়া গ্রামের ওই পুকুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

মৃত শিশুরা হল- রান্ধুনীমুড়া শৃকু কমিশনারের বাড়ির রাহুল (১২), রায়হান (১৩), শামীম (১২) ও লিয়ন (১২)। তবে, কি কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

ঘটনাস্থল থেকে হাজীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুন্সি মোহাম্মদ মনির জানান, ভোরে ওই পুকুরে এলাকার কয়েকজন নামাজের জন্য অজু করতে গিয়ে মৃতদেহগুলো ভাসতে দেখেন। এরপরই তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি জাবেদুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে তাদের খোঁজ না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। ভোরে তাদের লাশ পুকুরে ভেসে ওঠার খবর পাই। এসআই জয়নাল আবদীনকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি।

এদিকে মৃত চার শিশুর লাশ দেখতে হাজার হাজার মানুষ সেখানে ভিড় করেছে। এক সঙ্গে এলাকার চার শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন খালেকপত্নী

বাগেরহাট-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের স্ত্রী হাবিবুন নাহার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। তালুকদার আব্দুল খালেক এই আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন।

আজ সোমবার বিকেলে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান তালুকদার আনুষ্ঠানিকভাবে হাবিবুন নাহারকে জয়ী ঘোষণা করেন।

মো. নুরুজ্জামান তালুকদার বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুন নাহার ছাড়া আর কেউ এ আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেননি। সোমবার বিকেলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

বাগেরহাট-৩ আসনে এর আগে তালুকদার আব্দুল খালেক সংসদ সদস্য ছিলেন। তালুকদার আব্দুল খালেক খুলনা সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য স্পিকারের কাছে তার সংসদ সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি নেন।

এরপর স্পিকার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিলে ১০ এপ্রিল আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। সেই শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয় তালুকদার আব্দুল খালেকের স্ত্রী হাবিবুন নাহারকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে বিলে স্বাক্ষর পুতিনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন অবরোধের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এ আইনের ক্ষমতাবলে রুশ কর্তৃপক্ষ যেকোন বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছিন্ন করতে পারবে। একই সঙ্গে আমদানি এবং রপ্তানিতেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে রুশ কর্তৃপক্ষ।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করেছে, এমন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ আইন প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুটির মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানুষের উচ্চতার চেয়ে বড় মুদ্রা!

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছয়শরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চল। এর পশ্চিমে ফিলিপাইন, দক্ষিণ-পশ্চিমে ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণে পাপুয়া নিউগিনি ও মেলানেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্বে পলিনেশিয়া।

মাইক্রোনেশিয়ার অন্যতম একটি দ্বীপ ইয়াপ। প্রতি বছর কয়েক লাখ পর্যটক ইয়াপে বেড়াতে যান। অন্য যে কোনো জায়গার চেয়ে ইয়াপে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা লাভ করেন পর্যটকরা। স্বতন্ত্র সেই অভিজ্ঞতা হল, বিশাল আকৃতির ‘পাথুরে শিলা মুদ্রা’।

প্রাচীনকাল থেকে ভারি ও বড় পাথুরে মুদ্রা দিয়ে এখানে বিনিময় প্রথা চালু রয়েছে। কয়েক সেন্টিমিটার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৭ মিটার ব্যাসের মুদ্রাও রয়েছে। কোনো কোনো শিলা মুদ্রার উচ্চতা মানুষের সমান। মূলত এখানকার গ্রামবাসীর সম্মান ও আভিজাত্যের প্রতীক এ দৈত্যাকার মুদ্রা। পাথুরে মুদ্রাগুলো ইয়াপ দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের দখলে রয়েছে।

যার বাড়িতে বা যে গ্রামে বেশি পাথুরে মুদ্রা রয়েছে, ধরে নেয়া হয়- কৃষ্টি-কালচার, আভিজাত্যে তারাই উৎকৃষ্ট। এই মুদ্রার বিনিময় প্রথা চালু রাখতে প্রতিটা গ্রামেই রয়েছে নিজস্ব পাথুরে শিলার মানি ব্যাংক।

জানা যায়, কয়েকশ’ বছর আগে ইয়াপের জেলেরা মাছ ধরতে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলেন। দুর্ঘটনাবশত তারা গিয়ে ওঠেন ৪০০ কিলোমিটার দূরের দেশ পালাউতে। সেখানে তারা গোলাকৃতির চুনাপাথর দেখতে পান। তারা একটি চুনাপাথর ঘষেমেজে ইয়াপে নিয়ে আসেন।

পাথরটি দেখতে গরুর গাড়ির চাকার মতো। ইয়াপবাসীর কাছে এর নাম ‘রাই’। জেলেরা যখন চুনাপাথর নিয়ে এলেন, তখন গ্রামবাসী এটাকে ‘টাকা’ বলতে শুরু করলেন। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে পালাউ থেকে গোলাকৃতির চুনাপাথর আনা শুরু করেন। আনা-নেয়ার সুবিধার জন্য এর মাঝখানে একটি গোলাকৃতির ছিদ্র করা হয়।

পাথুরে মুদ্রার দখলে নিতে কম লড়াই হয়নি এখানে। এমনকি চুনাপাথর আনতে গিয়ে বহু জনকে প্রাণ দিতে হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কখনো কখনো একটি নৌকার কেউ ফিরে আসতে পারতেন না। ইয়াপের প্রধানদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগুলো আনা হতো। তখন ইয়াপের প্রধানদের মধ্যে বেশ দ্বন্দ্ব ছিল। কার থেকে কে বেশি ধনী হবেন সেই প্রতিযোগিতা ছিল। ফলে তারা প্রচুর লোক নিয়োগ করে এসব পাথর নিয়ে আসতেন। অনেক সময় এক প্রধানের পাঠানো লোকদের গুম করে ফেলতেন অন্য প্রধানের লোকেরা। ফলে পাথুরে মুদ্রা আনতে গিয়ে অনেক প্রাণহানি ঘটত।

সচরাচর কেনাকাটার জন্য তারা এই মুদ্রা ব্যবহার করতেন না। মূলত বড় কোনো লেনদেন, বিয়ের উপহার, ক্ষতিপূরণ দিতে এ মুদ্রা ব্যবহার করা হতো। আর কেনাকাটার জন্য ব্যবহার করতেন মুক্তার মুদ্রা। ১৮৯৮ সালের পর থেকে পাথুরে মুদ্রার ব্যবহার কমতে থাকে। সেসময় স্পেন-আমেরিকা যুদ্ধের পর ইয়াপে ডেভিড ডিন ও’কেফ নামে এক শাসক আসেন। তিনি পাথরের মুদ্রা তৈরির আধুনিক সরঞ্জামাদি এনে দেন।

আর পালাউ থেকে প্রচুর চুনাপাথর আনতে বড় একটি জাহাজ নিয়ে আসেন। এরপর ইয়াপের লোকজন প্রচুর পাথুরে মুদ্রা তৈরি করে। ফলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয় ও মূল্য কমতে থাকে। একসময় পালাউ থেকে চুনাপাথর আনা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এই এলাকায় মুদ্রার জায়গা দখল করে নিয়েছে মার্কিন ডলার। সূত্র : ডয়চে ভেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ডা. রুহুল হক এমপির বেয়াই নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর পরীবাগে রাস্তা পারাপারের সময় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বেয়াই আব্দুস সালাম (৭০) এর মৃত্যু হয়েছে(ইন্নালিল্লাহে…………..রাজেউন)। সোমবার (৪ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বন্ধু এমদাদুল হক। তারা দুই বন্ধু মিলে পরিবাগ টিএনটি অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে সড়ক পার হওয়ার সময় শাহবাগগামী ৮ নম্বর বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আলাউদ্দিন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিহতের মাথায় আঘাত ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যু হয়েছে।

নিহত আবদুস সালাম সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ. ফ. ম. রুহুল হক এমপির কন্যার শ্বশুর। তিনি সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে আসেন আ. ফ. ম. রুহুল হক এমপিসহ স্বজনরা।

রমনা থানার এসআই মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ঘাতক বাস ও চালককে আটক করা হয়েছে।

নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আবদুস সালাম মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ার বাসায় থাকতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেনাপোলে পৌর কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল পৌর সভায় অস্বাভাবিক হারে পৌর কর নিরুপণ করার প্রতিবাদে সোমবার সকালে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন মিলনায়তনে বেনাপোলের বিভিন্ন পেশার নাগরিকদের এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মফিজুর রহমান সজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শামছুর রহমান, এসাসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি ও শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক লতা, যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন, কাস্টমস সম্পাদক নাসির উদ্দিন, বেনাপোল ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব মাস্টার শহিদুল্লাহ, ব্যবসায়ী আলহাজ্ব নুর আলম, রোকনউদ্দিন, রফিকুল ইসলাম শাহিন, জুলফিকক্কার মন্টু, রহমত আলী, আকবার আলী, সাংবাদিক বকুল মাহবুব, আজিবর রহমান, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি এনামুল হক মুকুল প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, কোন ভাবেই পৌরকর বৃদ্ধি মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে রাজপথে আন্দোলন, পৌরসভা ঘেরাও করে দাঁদভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। পৌর মেয়র ও সচিব মিলে নানা দূর্নীতি করে টাকা লুটপাট করেছে। সেই টাকা তুলতে নতুন করে অস্বাভাবিক হারে নতুন করে পৌর কর নির্ধারন করেছে। যার ২ হাজার টাকা পৌরকর ছিল এখন তাকে ১২ হাজার , যার ৬ হাজার টাকা ছিল এখন তাকে দেড় লাখ টাকা দিতে হবে। সেই সাথে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স ফি বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুন।

সভাশেষে আলহাজ্ব মাস্টার মোঃ শহিদুল্লাহকে আহবায়ক করে ৫৪ সদস্য বিশিস্ট বেনাপোল নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ জুন মঙ্গলবার এই কমিটির সভা এসোসিয়েশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest