সাতক্ষীরা পি.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী পি.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পি.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কার্যকরি পরিষদের ব্যবস্থাপনায় এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার বিকালে বিদ্যালয়ের হল রুমে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ভদ্রকান্ত সরকার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও সাবেক মন্ত্রী ডাঃ আফতাবুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহেদুর রহমান, সরকারি স্কুলের প্রতিনিধি হাবিবুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, প্রাক্তণ শিক্ষক শিহাব উদ্দীন, শেখ আলাউদ্দীন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পি.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, পি.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কার্যকারী পরিষদের সদস্য মোশারফ হোসেন, আঃ আলিম, রেহেনা পারভীন, আমজাদ হোসেন, আশরাফ, মোস্তাফিজুর রহমান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জাহাঙ্গীর আলম। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন শিক্ষক হাফেজ সাইফুদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রাক্তণ ছাত্রদের মিলন মেলায় পরিনত হয়। এসময় বক্তারা সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহি এ বিদ্যালয়ের হারানো গৌরব ফিরাতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও অবকাঠামো গত উন্নয়ন করতে ঐক্যতম পোষণ করে বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করেন। বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্যকে বিদ্যালয়টি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সাতক্ষীরা মুখ্য অঞ্চলের ইফতার

সোমবার বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সাতক্ষীরা মুখ্য অঞ্চলের ইফতার মাহফিল কৃষি ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ে উপ মহাব্যবস্থাপক মোঃ গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক মোঃ আতাউর রহমান প্রধান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা বিভাগীয় নিরীক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-মহাব্যস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলাম, আবু হাশেম ও সাতক্ষীরা মূখ্য আঞ্চলিক নিরীক্ষা কার্যালয়ের সহকারি মহা ব্যবস্থাপক মোঃ মিজানুর রহমান। এছাড়া সাতক্ষীরা অঞ্চলের ১৭টি শাখার ব্যবস্থাপক, সি আর এম অফিস ও নিরীক্ষা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। ইফতার মাহফিলে স্বাধীনতা ব্যাংকাস পরিষদের সভাপতি সমীর কুমার বিশ্বাস ও সেক্রেটারী শেখ সিদ্দিকুর রহমান, কাজী মাসুদুল হক, মোঃ আলতাফ হোসেন, শ্যামল কুমার ভট্টাচার্য্য প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৬ বছরেও সংস্কার করা হয়নি কলারোয়ার চন্দনপুর-চান্দুড়িয়া সড়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি: দুর্ভোগের যেন শেষ নেই? আর কত কাল আমাদের এ দুর্ভোগ পোহাতে হবে?- এমনই মন্তব্য করলেন কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নবাসী। ভেঙ্গেচুড়ে, ধ্বসে গিয়ে, খানা খন্দকে পরিণত হয়ে চন্দনপুর কলেজ মোড় থেকে সীমান্তবর্তী চান্দুড়িয়া কার্পেটিং রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ১৬বছরেও সংস্কার হয়নি ওই রাস্তাটি।
জনগুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম এ রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে হাজারো মানুষ। চান্দুড়িয়া বাজার, চান্দুড়িয়া হাইস্কুল, ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চান্দুুড়িয়া বিজিবি ক্যাম্পসহ নানান গুরুত্বপূর্ন অবকাঠামো, কৃষি-বানিজ্য ও অন্যান্য কারণে কাদপুর, চান্দুড়িয়া ও গোয়ালপাড়া গ্রামের মানুষ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শুধুমাত্র ভাঙ্গাচুড়া রাস্তাটির কারণ।
স্থানীয়রা জানান- ২/৩ বছর আগে গয়ড়া ও চান্দুড়িয়া এলাকায় গরুর খাটাল থাকার কারণে রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি মাত্রাতিরিক্ত বেশি হয়েছে। ওই সময় প্রতিদিন গরু ভর্তি ৭০/৮০টি ট্রাক যাতায়াত করতো। সাথে যোগ হয়েছে ইটভাটার কাজে ব্যবহৃত ইট ও মাটি আনা নেয়ার জন্য ট্রলি, ট্রাক্টর-ট্রাক ইত্যাদির অনিয়ন্ত্রিত চলাচল। আর চরম দূর্ভোগ নেমে আসে বর্ষা মৌসুমে। সামান্য বৃষ্টিতেই কর্দমক্ত হয়ে ছোট-বড় দূর্ঘটনা যেমন হচ্ছে তেমনি যাতায়াতে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। যেন এসব দেখার যেন কেউ নেই।
চন্দনপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কামাল হোসেন লাভলু, ২নং ওয়ার্ড সদস্য শাহাদাৎ হোসেনসহ স্থানীয় জনসাধারণ এমনটাই জানালেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে- চন্দনপুর ইউনাইটেড কলেজ মোড় থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দুরত্ব চান্দুড়িয়া বাজারের রাস্তাটি কার্পেটিং ধস নেমে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ও মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টির পানি নামতেই ভাঙ্গনের ফলে আরো নানান দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
দীর্ঘদিন যাবৎ এই রাস্তাটি জরাজীর্ণ হয়ে থাকলেও সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেন কোনো নজর আসেনি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম জানান- এ রাস্তা মেরামতের জন্য উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের সৃদৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
বিষয়টি নিরসনে এমপি মহোদয়ের সুদৃষ্টি আকর্ষন করেছেন এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ইফতার মাহফিলে সর্বস্তরের মানুষের মিলনমেলা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সর্বস্তরের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

সোমবার ১৮ রমজান জেলা পরিষদ চত্বরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ ফিরোজ আহমেদ স্বপন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ, উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) সাতক্ষীরা শাহ্ আবদুল সাদী, সাবেক সাংসদ ডা. মোখলেছুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মাহমুদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল হান্নান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার, সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, জেল সুপার আবু জাহেদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড জেলা শাখার সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেজুতি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি এনছান বাহার বুলবুল, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খলিলুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মীর মোশারফ হোসেন মন্টু, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অছলে, বল্লী ইউপি চেয়ারম্যান মো. বজলুর রহমান, আগরদাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালি, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, পৌর আওয়মীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, পৌর যুবলীগের আহবায়ক আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, পৌর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ কামরুল হক চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, জেলা পরিষদের সদস্য রোকেয়া মোসলেম উদ্দিন. শিল্পী রাণী মহলদার, শেখ আমজাদ হোসেন, মো. মতিয়ার রহমান গাজী, মো. ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মনিরুল ইসলাম, সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, এস.এম আসাদুর রহমান, মো. নুরুজ্জামান, ডালিম কুমার ঘরামী, এম.এ হাকিম, মো. মহিতুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, মীর জাকির হোসেন, এড.শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, মাহফুজা সুলতানা, মো. আল ফেরদৌস আলফা, কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল, জেলা তাঁতীলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদেকুর রহমান প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহিদ, শহিদ জাতীয় চার নেতা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহিদের রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লবণাক্ততাকে জয় করে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শ্যামনগরবাসী

আসাদুজ্জামান: উপকূলীয় এলাকার লবনাক্ততা সমস্যাকে জয় করে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বাসিন্দারা।

সুন্দরবন সংলগ্ন প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার আয়তনের এই শ্যামনগর উপজেলা। সিডর এবং আইলার মত প্রাকৃতিক দূর্যোগকে সঙ্গী করেই বেঁচে আছেন এখানকার ৩ লাখেরও বেশি মানুষ। সমুদ্র ঘেঁষা এলাকা হওয়ায় লবনাক্ত জমি তাই জীবনকে করে তুলেছে আরো কঠিন।
তবে এখন সে চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়ে ঘুরে দাড়িয়েছেন দূর্বার মানুষগুলো। এ যুদ্ধে সহযোগী হয়ে পাশে আছে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থা। পেয়েছেন চিংড়ি চাষে উন্নত প্রশিক্ষণ, আয়ত্ব করেছেন লবনসহিষ্ণু চাষাবাদের কৌশলও। তেমনই একটি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস। সিএনআরএস বাংলাদেশ বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সিডিপি, ক্রেলসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সুন্দরবন ও বেঁড়িবাধ রক্ষা, মিষ্টি পানির পুকুর খনন, লবনসহিষ্ণু মাটিতে সবজি চাষ, মাছ চাষ, হস্তশিল্পের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরী, হাঁস-মুরগী পালনসহ নারী-পুরুষদের বিকল্প কর্মসংস্থান উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছে। ক্রেল প্রকল্পের আওতায় ২০১৩ সালে শ্যামনগর উপজেলার সুন্দবন বেষ্টিত উপকুলীয় এলাকার ৩ টি ইউনিয়নের প্রায় ২০কিঃমিঃ চরবনায়ন করে যা এখন দৃষ্টিনন্দন মিনি সুন্দরবন নামে ক্ষ্যাত। আর এ বনায়নের ফলে এলাকার বেঁড়িবাধ রক্ষার পাশাপাশি মিষ্টি পানির পুকুর রক্ষার কাজসহ বিভিন্ন সুবিধা পাচ্ছেন এ অঞ্চলের মানুষ। এছাড়া মানুষের প্রধান সমস্যা বিশুদ্ধ পানির অভাব। মানুষ আগে বর্ষার পানি ধরে অথবা ৭/৮ কিঃমিঃ মাটির রাস্তা পায়ে হেঁটে পুকুর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করত। এখন এই প্রকল্পের আওতায় কয়েকটি পুকুর খনন করে পিএসএফ এর মাধমে তারা বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারে। যে সব নারীরা সুন্দরবনের উপর নির্ভর করে প্রতিদিন ৫০/৬০টাকা আয় করতো এ রকম দেড় হাজারেরও বেশি নারীদের প্রশিক্ষনের দিয়ে হস্তশিল্পের বিভিন্ন প্রকার সমগ্রী তৈরি করে তারা এখন দিনে ১৫০/২০০ টাকারও বেশি আয় করে থাকেন। তাদের হাতে তৈরী এসব সমগ্রী বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হয়। আর পুরুষদের মটরভ্যান,ইজিবাইক কিনে দেওয়াসহ যে, যে কাজে পারদর্শী তাদের সে কাজের জন্য সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া ৬’শ জনকে বিভিন্ন টিম গঠন করে বন ও বেঁড়িবাধ রক্ষার কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের বনমন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপকুলীয় এলাকায় এভাবে বন ও বেঁড়িবাধ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে সিএনআরএস। এছাড়া এ প্রকল্প থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে চিংড়ি ঘেড়ের পাড়ে নানা রকম সবজি সবজি চাষ করে বাড়তি অর্থ উপার্জন করছেন এ অঞ্চলের নারীরা।

এ ব্যাপারে ক্রেল প্রকল্পের কোঅর্ডিনেটর শরন কুমার চৌহান জানান, সুন্দবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১২ হাজার সুফল ভোগী কাজ করে যাচ্ছেন। যারা এ প্রকল্পের কাজ করে তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তিনি আরো জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে নারী-পুরুষদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিকল্প কর্মসংস্থানের মধ্যে রয়েছে, সুন্দরবন ও বেঁড়িবাধ রক্ষা, মধূ আহরন, মিষ্টি পানির পুকুর খনন, লবনসহিষ্ণু মাটিতে সবজি চাষ, মাছ চাষ, হস্তশিল্পের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরী, হাঁস-মুরগী পালনসহ বিভিন্ন ধরনের আয়বর্ধন মূলক কার্যক্রম।

বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, সুন্দবন ও সুন্দরবনের বেঁড়িবাধ রক্ষায় ক্রেল প্রকল্পটি স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপকুলীয় এলাকায় প্রায় ২০কিঃমিঃ চরবনায়ন করা হয়েছে। যা এখন দৃষ্টিনন্দন মিনি সুন্দরবন নামে ক্ষ্যাত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি বড়দলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আশাশুনি ব্যুরো/বড়দল প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বড়দল বাজারের সরকারি খাস সম্পত্তিতে সম্প্রতি রাতের আধারে নির্মিত একাধিক অবৈধ দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার সকালে এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন আশাশুনি উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত। জানাগেছে, বড়দল বাজারের মুক্তি যোদ্ধা অফিস সংলগ্ন দক্ষীন-পঞ্চিম পাশে ও কাঁচা বাজারের মাঝখানে সরকারি খাস সম্পত্তিতে গত শানি ও রবিবার রাতের আধারে বৃহৎ আকারের দুইটি দোকান ঘর তৈরী করেছিলেন খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার চাঁদখালি গ্রামের মৃত: মহাতাপ সরদারের পুত্র রাহাজ্জান সরদার এবং আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের সামছেদ গাজীর পুত্র রেজাউল মাস্টার। শনিবার বেলা ১১ টায় আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মিজাবে রহমতের নির্দেশে বড়দল ভূমি কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার অবৈধ স্থাপনা নির্মান বন্ধ করে দেন এবং ঘর নির্মানের সরঞ্জম জব্দ করেন। সোমবার সকালে উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত ঘটনাস্থানে উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে অবৈধ স্থাপনা দুটি ভেঙ্গে দিয়ে সরকারি খাস সম্পত্তি উদ্ধার করেন। এসময় তিনি বলেন, যেহেতু ঘরের মালিক খুজে পাওয়া যায়নি সেহেতু জরিমানা করা সম্ভব হলো না। তবে শুধু বড়দলে নয় উপজেলার কোথাও এরকম অবৈধ স্থাপনা পেলে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বাজারের অবৈধ্য স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার ফলে ব্যাবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তির বার্তা ফুটে উঠতে দেখা গেছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাবসায়ীর বক্তব্য শুধু এ দুটি অবৈধ স্থাপনা কেন, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিমসহ অন্যদের অবৈধ স্থাপনা গুলোও একই ভাবে ভেঙে দেওয়া হোক তাহলে বাজারের একটা মনোরম পরিবেশ ফিরে আসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের বহুলালোচিত সাবেক নেতা রনি কারাগারে

রাজনীতির খবর: চাঁদাবাজির একটি মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বহুলালোচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম ওসমান গণির আদালত এ আদেশ দেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউসন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান কলেজ অধ্যক্ষ জাহেদ খানের দায়ের করা চাঁদাবাজির একটি মামলায় নুরুল আজিম রনি চার সপ্তাহের অন্তর্বতী জামিনে ছিলেন। গত ৭ মে ২০১৮ তারিখে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন। মেয়াদ শেষে আজ মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির হয়ে আবারও জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল চকবাজার থানায় নুরুল আজিম রনিসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ জাহেদ খান। সে সময় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন রনি। এ ঘটনার পরে স্থানীয় এক কোচিং মালিককে রনির মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। এরপর ছাত্রলীগের পদ থেকে অব্যাহতি নেন রনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী অভিযানে ৭ ‘মাদক ব্যবসায়ী’সহ আটক ৪০

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭ মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪০ জনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ২৪৯ বোতল ফেনন্সিডিলসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে ৮টি মামলা।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৬ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ৭ জন, শ্যামনগর থানা ৬ জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest