তিনটি রেকর্ডের মালিক ‘ভিড়ে ডি ওয়েডিং’

বিনোদন ডেস্ক: নারীভিত্তিক ছবির মন্দার বাজারে বেশ ভালোই ভেলকি দেখাচ্ছে কারিনা কাপুর খান, সোনম কাপুর আহুজা, সারা ভাস্কর, শিখা তালসানিয়া অভিনীত নারীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র ‘ভিড়ে ডি ওয়েডিং’। গত তিনদিনে বক্স অফিসে ছবিটির আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ কোটি রুপি। যদিও এই আয় বড় কোনো সংখ্যা নয় কিন্তু বলিউডের ইতিহাসে যখন মাত্র একটি ছবি (তানু ওয়েডস মানু রিটার্নস) ১০০ কোটির বাধা অতিক্রম করতে পেরেছে তখন এই সংখ্যাটাকে বেশিই বলতে হয়।

শুধু তাই নয় বলিউড লাইফ ডটকম জানাচ্ছে ছবিটি তিনটি রেকর্ডও গড়ে ফেলেছে এরই মধ্যে। চলুন একনজরে দেখে নিই কোন তিনটি রেকর্ড রয়েছে ভিড়ে ডি ওয়েডিংয়ের ঝুলিতে।

২০১৮ সালের প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি আয় করা তৃতীয় ছবি :

অজয় দেবগণের ‘রেইড’ প্রথম দিনে আয় করে ১০ কোটি ৪ লাখ রুপি। অন্যদিকে, অক্ষয় কুমারের ‘প্যাডম্যান’ প্রথম দিনে আয় করে ১০ কোটি ২৬ লাখ রুপি। এই দুই ছবিকে পেছনে ফেলে কারিনা-সোনম অভিনীত ছবিটি প্রথম দিনে আয় করে ১০ কোটি ৭০ লাখ রুপি। ফলে ২০১৮ সালে প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি আয় করা ছবির তালিকায় তৃতীয় স্থান দখল করে ছবিটি।

২০১৮ সালের মুক্তির সপ্তাহের প্রথম ছুটির দিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আয় করা পঞ্চম ছবি :

মুক্তির প্রথম সপ্তাহের প্রথম ছুটির দিন পর্যন্ত ‘ভিড়ে ডি ওয়েডিং’য়ের আয় দাঁড়িয়েছে ৩৬ কোটি ৫২ লাখ রুপিতে। অন্যদিকে, আলিয়া ভাটের ‘রাজি’র আয় ছিল ৩৪ কোটি ৯৪ লাখ রুপিতে। এর মাধ্যমে ছবিটি দখল করে পঞ্চম স্থান।

নারীভিত্তিক ছবির ক্ষেত্রে মুক্তির সপ্তাহের প্রথম ছুটির দিন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয় করা ছবি :

বলিউড ইতিহাসে মুক্তি পাওয়া সব নারীভিত্তিক ছবিকে এই একটি দিক দিয়ে ছাড়িয়ে গেছে ‘ভিড়ে ডি ওয়েডিং’। ছবিটির মুক্তির প্রথম সপ্তাহে প্রথম ছুটির দিন পর্যন্ত বলিউডের উল্লেখযোগ্য নারীভিত্তিক ছবিগুলোর আয় ছিল, ‘আংরি ইন্ডিয়া গডেস’ (এক কোটি ২৫ লাখ রুপি), ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বুরখা’ (৫ কোটি ৮০ লাখ রুপি), ‘বেগম জান’ (১১ কোটি ৪৮ লাখ রুপি)। আর এই সব ছবিকে ছাড়িয়ে প্রথম ছুটির দিন পর্যন্ত ‘ভিড়ে ডি ওয়েডিং’য়ের আয় দাঁড়িয়েছে ৩৬ কোটি ৫২ লাখ রুপিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে যৌথ অভিযানে ৮৭ সন্ত্রাসী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৮৭ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্তা বিভাগ এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। সোমবার সশস্ত্র বাহিনী ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।

নানগারহার, গজনি, উরুজগান, জাবুল, হেরাত, ফারিয়াব, বাগলান, তাখার, বাদাখশান এবং হেলমান্দে পরিচালিত ওই যৌথ অভিযানে অন্তত ৮৭ সন্ত্রাসী নিহত এবং আরও ২৩ সন্ত্রাসী আহত হয়েছে।

নানগারহারে নিহতদের মধ্যে তাকফিরি দায়েশ সন্ত্রাসীদের ১৯ সদস্য ছিল। ফারিয়াব প্রদেশে নিহতদের মধ্যে ছিল তালেবান কমান্ডারসহ তাদের বেশকজন সদস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবে ইফতার মাহফিল রবিবার ক্লাবের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সেলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমেদ মাছুম, কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান মেহেদী সিদ্দিকী, থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ ফজলুল হক মনি, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনোজিত নন্দী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. আকছেদুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী সাহাবুল আলম, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শেখ মুজিবর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহরিয়া মাহমুদ রনজু, নির্বাচন কর্মকর্তা হায়দার আলী, রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর মাহবুবুর রহমান, সহকারী শিক্ষা অফিসার সোহরাব হোসেন, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব গাজী শওকাত হোসেন, মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম, জনতা ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মাহাবুবর রহমান প্রমুখ।। ইফতার অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কোর্ট মসজিদের খতিব আলহাজ্জ্ব মাওলানা আকরাম হোসাইন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিটি মৃত্যুর তদন্ত চায় ইউরোপিয় ইউনিয়ন

ন্যাশনাল ডেস্ক: বাংলাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যুর সব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়েছে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনগুলো।

সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করে বলা হয়, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সন্দেহভাজন অপরাধীদের ‍মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে।

ঢাকায় ইইউ দেশগুলোর মিশনপ্রধানদের সম্মতিতে ইইউর স্থায়ী প্রতিনিধির পক্ষে এই বিবৃতি দেওয়া হয়।

মাদকের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচারকে বৈশ্বিক সমস্যা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৪ মে পর্যন্ত ১২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাতে আইন ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেইসঙ্গে তারা যাতে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে না করে- তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয় বিবৃতিতে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটছে অভিযান চালানোর সময় মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলিতে কিংবা মাদক বিক্রেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে।

তবে মানবাধিকারকর্মীরা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ মৃত্যুর ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলছেন। মাদকের উৎস বন্ধ না করে এভাবে ‘বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ ঘটিয়ে অভিযানের সফলতা আসবে না বলেও দাবি তাদের।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন ও রীতি অনুযায়ী পরিচালনার কথা বলা হয়।  এছাড়াও বাহিনীর শক্তি প্রয়োগে যথাযথ সেফগার্ড রাখার কথাও বলা হয় বিবৃতিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে থেমে নেই বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ

আরাফাত আলী : কালিগঞ্জে অসাধু ব্যবসায়ীরা এখনও থেমে নেই বাগদা চিংড়িতে বিষাক্ত জেলী, সাবুর দানা, ভাতের মাড়সহ বিভিন্ন অপদ্রব্য পুশ থেকে। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও অনলাইন পোর্টালে অসাধু ব্যবসায়ীদের নামের তালিকা সহ প্রকাশ করার পরও অজ্ঞাত কারনে আজও কোন প্রতিকার হয়নি। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম অসাধু চিংড়ি পুশ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা গ্রহনের কথা সাংবাদিকদের জানালেও আজও পর্যন্ত এই সব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি তিনি। উল্লেখ্য যে,অসাধু ব্যবসায়ী,ডিপোমালিকদের বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার ফলে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির মান হ্রাস পেতে বসেছে। যার ফলে যথার্থ মুল্য না পাওয়ায় বাগদা চিংড়ি চাষীরা অনীহা প্রকাশ করছে। সরেজমিনে যেয়ে কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বন্দকাটি গ্রাম সহ কয়েকটি বাগদা ব্যবসায়ীদের বাড়ীতে গেলে ধরা পড়ে বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার দৃশ্য। এই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত বন্দকাটি গ্রামের ইমান আলী মোড়লের ছেলে আক্তার আলী ও তার সহোদর মোক্তার আলী, গফ্ফার গাজীর ছেলে রাজু,কপিল গাজীর ছেলে মফিজুল,মান্নান গাজীর ছেলে মাছুম,আশরাফ মোড়লের ছেলে আলমগীর,বাঁশতলা বাজারের জহুর গাজী, নৌবাজপুর গ্রামের জয়নাল গাজীর ছেলে রবিউল,আব্দুর ছত্তার গাজীর ছেলে মোক্তার,একই এলাকার আয়তুল্ল্যাহ,মোবারক। দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের মৃত মোকছেদ গাজীর ছেলে মুনসুর,মনো মোড়লের ছেলে আনছার,আব্দুর রহিম,আহার গাজীর ছেলে রফি,আমিরুল,মুছা গাজী,সাঈদ গাজী,রবিউল সহ সকল অসাধু ব্যবসায়ীরা স্থানীয় বাজার সহ বিভিন্ন এজেন্টদের নিকট পুশকৃত বাগদা চিংড়ি বিক্রয় করেন। এই অপদ্রব্য পুশ করার ফলে বাগদা চিংড়ি অল্প দিনের ভিতরে পোঁকা ধরে যায়। যার ফলে বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ির চাহিদা বিশ্ব বাজারে হ্রাস পেতে বসেছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের নিকট পুশ করার কারন জানতে চাইলে বলেন অধিক মুনাফার জন্য তারা অপদ্রব্য পুশ করেন। তারা আরও বলেন মাছের ডিপো মালিকরা যদি পুশ মাছ নেওয়া বন্ধ করেন, তাহলে বাগদা চিংড়িতে পুশ করা বন্ধ করতে সব ব্যবসায়ীরা বাধ্য হবে। তাছাড়া থানা সহ বিভিন্ন দপ্তরে টাকা দিয়ে তাদের বাগদা পুশের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈন উদ্দীন হাসান বলেন উপজেলার সকল অবৈধ বাগদা পুশ ব্যবসায়ীদের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে অতিদ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পাচার মামলার বাদিকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহ বধূকে ভারতে পাচারের ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করায় আসামিরা বাদি গৃহ বধূর স্বামীকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার দিঘলার আইট গ্রামের মৃত দাউদ আলী সানার ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কাজের সন্ধানে আমি বাইরে থাকার সুযোগে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে পার্শ্ববর্তী সুভদ্রকাটি গ্রামের আরশাদ সানার ছেলে মোঃ আছাদুল হক খোকন বাড়িতে এসে আমার স্ত্রী রাবেয়া খাতুনকে ভারতে মোটা অংকের টাকার বেতনে চাকুরি প্রস্তাব দেয়। স্ত্রী বিষয়টি আমাকে জানলে আমি তাকে খোকনের কথায় ভারতে যেতে নিষেধ করি। আমার কথ শুনে স্ত্রী খোকনের সাথে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। কিন্তু এর পরও খোকন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রলোভনে আমার স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে তোলে। এক পর্যায় গত ২৮ এপ্রিল সকাল ৯ টার দিকে আছাদুল হক খোকন ও তার সহযোগি দিঘলার আইট গ্রামের আয়ুব সানার ছেলে ওবায়দুল্লাহ, একই গ্রামের মৃত রজব ঢালীর ছেলে হযরত আলী, মৃত দরবার জোয়ার্দ্দারের ছেলে শাহ আলম, রুইয়ের বিল গ্রামের বাক্কার সানার ছেলে মহাসিন সানা ও সদর উপজেলার পদ্মশাখরা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে শাহিন ইসলাম আমার বাড়িতে আসে। তারা ভারতে মোটা অংকের টাকার ভাল কাজ দেয়ার কথা বলে আমার স্ত্রী রাবেয়া খাতুনকে একটি ইঞ্জিন ভ্যানে তুলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। কাজ শেষে বাড়িতে এসে স্ত্রীকে না পেয়ে খোঁজ খবর করতে থাকলে প্রতিবেশীরা জানায় উল্লেখিতরা তার স্ত্রীকে ভারতে খোকনের এক আত্মীয়ের বাড়িতে কাজের জন্য পাঠিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এঘটনার পর আমি খোকনের বাড়িতে গিয়ে ঘটনা জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় রাবেয়াকে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে কাজের জন্য পাঠিয়েছে। আমি তাকে ফেরত আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় খোকন জানায় চাকুরি দেয়ার নাম করে তার স্ত্রীকে ভারতের এক মারোয়াড়ীর কাছে ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে। এনিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাকে হত্যার হুমকি দেয় খোকন। এঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নেয়ায় তিনি আদালতে উল্লেখিতদের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আশাশুনি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে মামলার কথা জানতে পেরে আসামিরা তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। ফলে ভয়ে তিনি বাড়ি ছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছন। এঘটনায় তিনি গতকাল ৪ জুন আসামিদের নামে আদালতে একটি ৭ ধারার মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তার স্ত্রীকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইকগাছা উপজেলা ও পৌর জাতীয় পার্টির বার্ষিক ইফতার

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছা উপজেলা ও পৌর জাতীয় পার্টির বার্ষিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে পৌরসভা মাঠে উপজেলা জাপার উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় সদস্য ও উপজেলা জাপার আহবায়ক মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর। উপজেলা জাপার সদস্য সচিব শামছুল হুদা খোকনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় সদস্য ও জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, পৌর জাপার আহবায়ক গাজী আব্দুস সামাদ, সদস্য সচিব গাজী রবিউল ইসলাম, কয়রা উপজেলা জাপার সদস্য সচিব গাজী আব্দুস সালাম, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, পোনা সমিতির সভাপতি সাজ্জাত আলী সরদার। বক্তব্য রাখেন, জাপানেতা সরদার ফরিদ আহম্মেদ, কৃষ্ণ রায়, শেখ আব্দুল আজিজ, আশিক মাহমুদ, মুজিবর রহমান, ঢালী কামরুল ইসলাম, এম রফিক সিরাজ, অবসর প্রাপ্ত আর্মি রেজাউল করিম, অব কয়রা উপজেলা যুব সংহতির আহবায়ক সরদার আব্দুল মান্নান, যুগ্ম আহবায়ক এসএম লুৎফর রহমান, পাইকগাছার আহবায়ক শেখ মাসুদুর রহমান, দিবাশীষ সানা, আব্দুর রহিম, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আজিবর রহমান, ছাত্রনেতা তন্ময় রায়, গফুর হোসেন ডাবলু, জিএম বাবলা, খায়রুল ইসলাম, হাসানুর রহমান, বাবলু শেখ, এনামুল হক, জিয়াউর রহমান ও আব্দুল কাদের। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কয়রা উপজেলা উলামা পার্টির সভাপতি মাওঃ আব্দুর রহিম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইকগাছার জিরোপয়েন্টে যত্রতত্র বাস পার্কিং ॥ তীব্র যানজট

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছার জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন এলাকার সড়কে যত্রতত্র বাস পার্কিং করায় সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। পৌর সদরে যাতায়াতে চরম দূর্ভোগে রয়েছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে এ ধরণের যানজট ও দূর্ভোগ অন্যান্য সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জিরোপয়েন্ট সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়ন ও যত্রতত্র বাস পার্কিং বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী। এলাকার প্রধান সড়কের তেল পাম্প হতে বাসষ্ট্যান্ড পর্যন্ত বাস পার্কিং করে আসছিল শ্রমিক ও মালিক কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে অসংখ্যবার উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃংখলা সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কমিটির সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার তাগিদ দেওয়ার ফলে মালিক ও শ্রমিকরা বেশ কয়েক মাস তাদের বাস গুলো শিববাটী অভিমুখে কয়রা-পাইকগাছা সড়কে রাখে। এ সময় মূল সড়কে যানজট কমে আসলেও আবারও কতিপয় শ্রমিকরা প্রধান সড়কের বিভিন্ন স্থানে বাস পার্কিং শুরু করেছে। ফলে আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে যানজট। বিশেষ করে সামনে ঈদ আগত হওয়ায় মানুষের চলা ফেরা বৃদ্ধি পাওয়ায় জিরোপয়েন্ট সহ আশপাশ এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রচন্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে একই জায়গায়। ফলে পৌর সদরে যাতায়াত নিয়ে চরম দূর্ভোগে রয়েছেন এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসীর একটাই দাবী প্রধান সড়কের এমন দূর্ভোগ আর কত দিন?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest