যেখানে সূর্য অস্ত যায় না !

ভিন্ন স্বাদের খবর: আপনি যদি আপনার দিনের সময় আরও বেশি করতে চান, তাহলে পৃথিবীর উত্তরের দিকে যেতে থাকেন। কতটা উত্তরে জানেন কি? আর্কটিক বৃত্তের কাছাকাছি চলে যান।

গ্রীষ্মকালে আর্কটিক বা সুমেরু বৃত্তের নিকটে সূর্য অস্ত যায় না। বস্তুত, এই ঘটনাটি সুমেরুবৃত্ত নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। বিষুবরেখার মত, সুমেরুবৃত্ত একটি কল্পিত লাইন বা রেখা। এখানে, সূর্য অস্ত যায় না। বিশেষ করে তা গ্রীষ্মকালের ২১ জুনে হয়।

উত্তরের সুমেরুবৃত্তে ধ্রুব রোদ প্রায় ৬ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আবার, এর বিপরীত দিকে শীতের সময় সেখানে সূর্যোদয় হয় না। সাধারণত ২১শে ডিসেম্বর এর কাছাকাছি সময়ে সেখানে সূর্যোদয় হয় না। আপনি কখনও চিন্তা করেছেন, বছরের ছয় মাস শুধু দিন আবার অপর ছয় মাস শুধু রাত হলে সেখানে বসবাস করা সম্ভব কিনা?

সুমেরু বৃত্তের আশেপাশে ও বর্ডারে বিভিন্ন দেশ রয়েছে। অনেক মানুষ এসব এলাকাকে ‘মধ্যরাত্রি সূর্যের ভূমি’ বলে থাকেন। কারণ, সেখানে প্রায়ই মাঝরাতে সূর্য দেখা যায়। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে উত্তর প্রান্তের কানাডা, গ্রিনল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, রাশিয়া, আলাস্কা এবং আইসল্যান্ড।

আপনি যদি সূর্যকে অনেক বেশি ভালবেসে থাকেন, তাহলে আপনার গ্রীষ্মের ছুটির জন্য নরওয়ের স্বালবার্ড এ ভ্রমণ করে আসতে পারেন। সেখানে এপ্রিলের ১৯ তারিখ থেকে অগাস্ট এর ২৩ তারিখ পর্যন্ত সূর্য অস্ত যায় না। আবার, এর বিপরীত সময়ে সূর্যোদয় হয় না।

এ ঘটনাটি ঘটার কারণ হল, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর ২৩ ডিগ্রি পরিমাণে হেলানো অবস্থায় রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর হিসেবে, সেখানে প্রতি বছরে মাত্র একবার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয়।

অবশ্যই, এই ঘটনা শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। এরকম পরিস্থিতি দক্ষিনাঞ্চলেও সাধিত হয়, এন্টার্কটিক বৃত্তের কাছাকাছি। সেখানে স্থায়ী কোন জনবসতি নেই। তাই, সেখানে কম মানুষ এই অভিজ্ঞতার শিকার হয়।

এসব এলাকায় যারা বসবাস করেন, তারা অনেক দিন পর্যন্ত সূর্যালোক বা অন্ধকারে থাকার বিষয়ে অভ্যস্ত। যারা এখানে নতুন করে বাস করতে যায় বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যায় তাদের সেখানে সামঞ্জস্য করতে অসুবিধা হয়। মূলত, তাদের ঘুমাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়, কারণ সারারাত সূর্যালোক থাকে। সূর্যের আলোতে সারারাতের ঘুম পূরণ করা অবশ্যই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিন ২৮ জুন পর্যন্ত

খেলার খবর: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত করেছেন আদালত। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে যে প্রডাকশন ওয়ারেন্ট ছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আজ সোমবার রাজধানীর বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

আজ এ আদালতে মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার যুক্তিতর্ক শুনানিতে খালেদা অনুপস্থিত থাকলে তার আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এ মামলায় জিয়াউল ইসলাম মুন্না নামে এক আসামি ওমরায় যাওয়ার জন্য আবেদন করলে আদালত সরকারের অনুমতিসাপেক্ষে তা মঞ্জুর করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারালো বাংলাদেশ

খেলার খবর: মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত এসিসি ওমেন্স এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। কুয়ালালামপুরের কিনরারা ওভাল মাঠে সকালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সালমা খাতুন।

সোমবার প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলিংতোপে সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। দলীয় ২২ রানে ওপেনার নাহিদা খানের (১৩) প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন সানা মীর। বল হাতে টাইগ্রেস নাহিদা নিয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া সালমা, ফাহিমা খাতুন ও রুমানা আহমেদ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
পরে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখায় বাংলাদেশ। ৯৫ রানের জবাবে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ দলের হয়ে ওপেনার শামিমা সুলতানার ৩১ ও ৪ নম্বরে নামা নিগার সুলতানার অনবদ্য ৩১ রানের ইনিংস জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
১ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ২৩ রান করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন টাইগ্রেস ফাহিমা খাতুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেনে নিন বিশ্বকাপের অজানা কিছু তথ্য

খেলার খবর: বিশ্বকাপ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে আরও বছরখানেক আগে থেকেই। পৃথিবী জুড়ে ফুটবল অনুরাগী কোটি কোটি মানুষ প্রতিটি দিন  গুণে গুণে পার করছেন। এইতো আর মাত্র ছ’মাস, এইতো আর মাত্র ৪৫ দিন, এই তো আর মাত্র এক মাস। প্রতিদিন যেখানেই যাক না কেন ফুটবলপাগল মানুষ দিনগুলো অধীর অপেক্ষায় কাটাচ্ছেন।

অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে। দুয়ারে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ। আর মাত্র ৯ দিন বাকি। তবে এই বিশ্বকাপ এলেই অনেকের মনে উঁকি দেয় নানা তথ্য-উপাত্ত। অনেকেই জানতে চায়- ফুটবল ইতিহাসের বিভিন্ন টুকিটাকি।

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেরকমই কিছু জানা অজানা তথ্য আজ তুলে ধরা হয়েছে বিডি২৪লাইভের পাঠকদের জন্য।

১. ১৯৩০ সাল থেকে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হলেও এবারই প্রথম রাশিয়ায় বসছে বিশ্বকাপের আসর।

২. চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালি এবার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব উতরাতে পারেনি।

৩. অবাক করার মতো বিষয় হলো- যে কোচের অধীনে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছে সৌদি আরব সেই দেশটিই বিশ্বকাপ নিশ্চিত হওয়ার পর দুজন কোচ বাতিল করেছে।

৪. পাঁচবারের বিশ্বসেরা ব্রাজিল এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছে। যার মধ্যে গোটা বিশ্বে পেলে একমাত্র খেলোয়াড় যিনি তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছেন।

৫. মাত্র চারটি দল এক বিশ্বকাপের সব ম্যাচ জিতেছে। উরুগুয়ে (১৯৩০, ৪টি ম্যাচ), ইতালি (১৯৩৮, ৪টি ম্যাচ), ব্রাজিল (১৯৭০, ৬টি ম্যাচ ও ২০০২, ৭টি ম্যাচ)।

৬. বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল করেছেন রাশিয়ার ওলেগ সালেনকোর। যেটি তিনি করেছিলেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের বিপক্ষে।

৭. ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সামনে সে সুযোগ ছিল। কিন্তু সেমিফাইনালে জার্মানদের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় সেলেসাওদের। তবে এখন পর্যন্ত স্বাগতিক দেশ হিসেবে ৬টি দল বিশ্বকাপ জিতেছে।

৮. বিশ্বকাপে অন্তত ১০ গোল করেছেন সাত জন খেলোয়াড়। সবচেয়ে কম সময়ে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড। ১৯৮২ সালে এল সালভাদরের বিপক্ষে ৫৯ থেকে ৭৬ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক করেছিলেন হাঙ্গেরির লাস্লো কিস।

৯. গত ৮৪ বছরে অনুষ্ঠিত মোট ২০টি বিশ্বকাপ ভাগাভাগি করে নিয়েছে ৮টি দেশ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্রাজিল (৫ বার)।

১০. বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়টি এসেছিল ১৯৮২ বিশ্বকাপে। সেবার এল সালভাদরকে ১০-১ গোলে হারিয়েছিল হাঙ্গেরি।

১১. এশিয়ার একমাত্র দল হিসেবে ১০টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া।

১২. ২০০২ সালে তরুণ তুর্কি মালিক হাকান সুকুর বিশ্বকাপে সবচেয়ে দ্রুততম গোলটি করেছিলেন। যিনি কিনা ম্যাচ শুরুর ১১ সেকেন্ডেই দলকে লিড এনে দিয়েছিলেন।

১৩. রাশিয়ার ১১টি শহরের ১২টি স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো। এর মধ্যে রাজধানী মস্কোতে দুটি স্টেডিয়াম।

১৪. এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল ফ্রান্সের জাঁ ফন্টেইন।

১৫. বিশ্বকাপে সর্বশেষ ১৪ ম্যাচে স্পেন ড্র করেনি।

১৬. এবার রাশিয়ায় নিজেদের ১৫তম বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স।

১৭. বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসা (১৬টি)। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মাটিতে ব্রাজিলের বিপক্ষে সেমিফাইলে গোল করে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদোর বিশ্বকাপে ১৫ গোলের রেকর্ডটি ভেঙে দেন ক্লোসা।

১৮. বিশ্বকাপে টানা ১৭ ম্যাচ হারের কলঙ্কিত রেকর্ডটি বুলগেরিয়ার দখলে। তারা ১৯৬২ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত টানা ১৭ ম্যাচ জয় পায়নি।

১৯. এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে মোট ১৮টি ম্যাচ খেলা কলম্বিয়া প্রত্যেক ম্যাচেই একটি হলেও গোল পেয়েছে।

২০. ২০১০ সালে বিশ্বকাপের ১৯তম আসর বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। স্বাগতিক দল হিসেবে তারাই শুধুমাত্র দ্বিতীয় পর্ব খেলেতে পারেনি।

২১. বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হেরেছে জার্মানি (২০)। সবচেয়ে কম জয় উরুগুয়ের (২০)।

২২. একমাত্র দল ব্রাজিল যারা কোন বিশ্বকাপে বাছাই পর্ব থেকে বাদ পড়েনি। সবগুলো বিশ্বকাপেই অংশ নিয়েছে ব্রাজিল।

২৩. সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টনি মিওলা (১৯৯০, প্রতিপক্ষ চেকোস্লোভাকিয়া)।

২৪. ফাইনাল না খেলে এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ফ্রান্সের (১৯৫৮)। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে গ্রুপ পর্ব পার হতে না পারার রেকর্ড স্কটল্যান্ডের।

২৫. বিশ্বকাপে অংশ নেয়া সব দল এখনও শেষ চারে খেলতে পারেনি।

২৬. লাতিনের দেশ হিসেবে তুলনামূলক বেশিবার বিশ্বকাপ খেলেও সবচেয়ে বেশি হার মেক্সিকোর।

২৭. বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় অস্ট্রেলিয়ার। আমেরিকান সামোয়াকে ২০০১ সালে ৩১-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল দলটি।

২৮. বিশ্বকাপে ডেনমার্ক যত গোল করেছে সবগুলোই ডি-বক্সের ভেতর থেকে।

২৯. ২০০৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল।

৩০. পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতলেও কলঙ্কটাও ব্রাজিলের গায়েই বেশি। কারণ, এখন পর্যন্ত সবগুলো বিশ্বকাপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১১টি লাল কার্ড পেয়েছে ব্রাজিল, যেখানে আর্জেন্টিনার লাল কার্ডের সংখ্যা ১০।

৩১. ২৬তম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০৩৮ সালে। সেটি হবে বর্তমান ট্রফিতে শেষ বিশ্বকাপ। এর পর ২০৪২ বিশ্বকাপ থেকে ট্রফিতে বিজয়ী দলের নাম লেখা থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অহনার ‘বোম্বাই দুলাল’ মীর সাব্বির

বিনোদন ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘বোম্বাই দুলাল’। অভিনয়ের পাশাপাশি নাটকটি রচনা ও পরিচালনাও করেছেন মীর সাব্বির। এতে মীর সাব্বিরের বিপরীতে রয়েছেন অভিনেত্রী অহনা।

ইতোমধ্যে সাব্বির ও অহনা জুটির নাটকগুলো দর্শকদের কাছে থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সম্প্রতি ‘বোম্বাই দুলাল’ নাটকটির দৃশ্যায়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে নির্মাতা সূত্রে জানা যায়। এই নাটকে একটি গান ব্যবহার করা হয়েছে। আর গানটি গেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পলাশ। ঈদুল ফিতরে ‘বোম্বাই দুলাল’ নাটকটি গাজী টিভিতে প্রচারিত হবে বলে জানান নির্মাতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতার ছবিতে অপু বিশ্বাস

বিনোদন ডেস্ক: কলকাতার জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর লেখা গল্প নিয়ে ছবি হচ্ছে। ছবির নাম দেয়া হয়েছে ‘শর্টকাট’। এতে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, অনিন্দিতা বসুর পাশাপাশি অভিনয় করবেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস।

ছবিটি সঙ্গীত পরিচালনা করবেন নচিকেতা নিজেই। তিনি বলেন, এই গল্পের মধ্যে সিনেমার উপাদান আছে। এটা ছোট্ট একটা গল্প। কলকাতাকে আমরা যেভাবে দেখি, সেটাই তো শহরের আসল রূপ নয়। গভীরে গভীরে অনেক স্তর রয়েছে। বাংলা ছবিতেও সেগুলো উঠে আসেনি। এই ছবির মাধ্যমে সেগুলো দর্শক জানতে পারবেন।

ছবির কাহিনী নিয়ে পরিচালক সুবীর মণ্ডল বলেন, আমাদের সকলের মধ্যেই একটা শর্টকাট নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। পরিণতিতে কেউ সফল, কেউ ব্যর্থ। এই সময়ের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে দুটো আলাদা আর্থ-সামাজিক অবস্থার দুই যুবকের গল্প ‘শর্টকাট’। বিত্তবান পরিবারের একটি ছেলে আর ঠিক পাশের বস্তিতে থাকা আর একটি ছেলে। আপাতদৃষ্টিতে দু’জনের অবস্থান আলাদা হলেও তাদের দু’জনের জীবনেই ব্যর্থতার গ্লানি রয়েছে। কোথাও গিয়ে তারা মিলে যায়। এ বার তারা পরিস্থিতি থেকে বেরোতে পারে কি না সেটা নিয়েই গল্প। সূত্র: আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুস্থ আছেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের হৃদযন্ত্রে গত শনিবার দুটি রিং স্থাপন পরানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্যরা।

গত ১৫ মে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের অসুস্থতার খবর জানান আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। এতে তিনি লেখেন, আমার হার্টে ৮টা ব্লক ধরা পড়েছে এবং বাইপাস সার্জারি ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব না। এরই মাঝে কাউকে না জানিয়ে আমি ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে-এ সিসিইউ তে চারদিন ভর্তি ছিলাম। আগামী ১০ দিনের মধ্যে আমি আমার হার্টের বাইপাস সার্জারি করাতে প্রস্তুত রয়েছি।

বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। তাকে ভর্তি করা হয় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। সেখানে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারি না করে শরীরে রিং পরানোর সিদ্ধান্ত নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেটের সমস্যায় কিসমিসের পানি

স্বাস্থ্য ডেস্ক: পেটের সমস্যা? ওষুধে তেমন কাজ হচ্ছে না? নিয়মিত কিসমিস খান। রক্তাল্পতায় কিসমিস যে উপকারী, তা অনেকেই জানেন। কারণ কিসমিস শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। সেইসঙ্গে নিয়মিত কিসমিসের পানি খেলে একদম পরিষ্কার থাকবে লিভারও।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিসমিসের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। শরীরে রক্ত দ্রুত পরিশোধন হতে থাকে। টানা চার দিন কিসমিসের পানি খেলে পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যায়। পেটের গণ্ডগোল উধাও হয়ে যায়। সঙ্গে পাওয়া যায় ভরপুর এনার্জি। সেইসঙ্গে কিসমিসে রয়েছে নানা রকম ভিটামিন ও মিনারেল। কিসমিস না খেয়ে কিসমিসের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানি ভেজানোর বাড়তি উপকারিতা হলো শর্করার মাত্রা কমে।

কীভাবে তৈরি করবেন কিসমিসের পানি?
দুই কাপ পানিতে ৪০০ গ্রাম কিসমিস রাতভর ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিসমিস ছেঁকে নিয়ে জল হালকা গরম করে খান। পানি পানের পর আধঘণ্টা অন্য কিছু খাবেন না। তবে একটা কথা মাথায় রাখা দরকার। ডায়াবেটিস রোগীদের কিন্তু কিসমিস খাওয়ার আগে ডাক্তারদের পরামর্শ নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest