শরীয়তপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাতক্ষীরার ৩ শ্রমিক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরে ধান বোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে ধান কাটার তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও নয় শ্রমিক।

শনিবার (০২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার কানার বাজার সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা এখনও ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছেন আহত শ্রমিকরা। এছাড়া পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনও উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

নিহতরা হলেন- ইদ্রিস বিশ্বাস (৭০), রহমত গাজী (৪০) ও নাইমুল ইসলাম (১৭)। তারা সবাই সাতক্ষীরা জেলার আশাাশুনি উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।

আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছ। তারা হলেন- ইসমাইল সরদার (৩৫), মহসিন (৪০), হামিদ (৩০), রবিউল ইসলাম (১৭) ও মালেক (২০)।

এছাড়াও বাকি আহতরা হলেন- খায়রুল ইসলাম (৩৫), মালেক সরদার (৪০), আব্দুল আলিম (৩০) ও রবিউল গাজী (২৫)। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহত ইসমাইল সরদার বলেন, আমরা ২০ জন শ্রমিক ৪০ দিন আগে কানার বাজার এলাকায় ধান কাটতে এসেছিলাম। এর মধ্যে আটজন এক সপ্তাহ আগে বাড়ি চলে যান। বাকি আমরা ১২ জন আজ একটি ট্রাক ভাড়া করে ২১০ বস্তা ধান নিয়ে কানার বাজার থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছিলাম। কিছু দূর যাওয়ার পর ট্রাকটি উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে আমাদের তিন শ্রমিক ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মারা যান।

শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক নিয়াজ আহমেদ বলেন, রাত ১০টায় দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ট্রাকের নিচে মরদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে। আমরা তা উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিম পাতার গুণাগুণ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: নিমগাছের পাতা, তেল ও কাণ্ডসহ নানা অংশ চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নানা রোগের উপশমের অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে এ গাছের। এ লেখায় থাকছে তেমনই কিছু ব্যবহার।

ম্যালেরিয়া
নিম পাতার নির্যাস ব্যবহারে ম্যালেরিয়া প্রশমিত হয়। পানি বা এলকোহল মিশ্রিত নিম পাতার নির্যাস ব্যবহারে একই ধরনের ফল পাওয়া যায়।

মানসিক চাপ ও অশান্তি
অল্প পরিমাণ নিম পাতার নির্যাস খেলে মানসিক চাপ ও মানসিক অশান্তি কমে যায়

এইডস
নিম গাছের বাকল হতে আহরিত নির্যাস এইডস ভাইরাসকে মারতে সক্ষম। নিম পাতার নির্যাস অথবা পুরু পাতা অথবা নিম পাতার চা পান করলে এইডস উপশম হয়।

আলসার
নিম পাতার নির্যাস ও নিম বীজ হতে নিম্বিডিন নির্যাস খেলে পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসার উপশম হয়।

ব্রণ
নিম পাতা পিষ্ট করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে প্রলেপ দিলে ব্রণ সেরে যায়।

জন্ডিস
২৫-৩০ ফোঁটা নিম পাতার রস একটু মধুর সঙ্গে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিস আরোগ্য হয়।

বহুমূত্র রোগ
প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ নিম পাতার রস সকালে খালি পেটে ৩ মাস খেলে ডায়বেটিস আরগ্য হয়। প্রতিদিন সকালে ১০টি নিম পাতা গুড়া বা চিবিয়ে সেবন করলে ডায়বেটিস ভালো হয়। নিম পাতার রস খেলে ৩০-৭০শতাংশ ইনসুলিন নেয়ার প্রবণতা কমে যায়।

বসন্ত
কাঁচা হলুদের সঙ্গে নিম পাতা বেটে বসন্তের গুটিতে দিলে গুটি দ্রুত শুকিয়ে যায়।

রাতকানা
নিম ফুল ভাজা খেলে রাতকানা উপশম হয়।

চোখের ব্যথা
নিম পাতা সামান্য শুস্ক আদা ও সৈন্ধব লবণ একত্রে পেষ্ট করে সামান্য গরম করে একটি পরিস্কার পাতলা কাপড়ে লাগিয়ে তা দ্বারা চোখ ঢেকে দিলে চোখের স্ফীতি ও ব্যথা সেরে যায়।

মাথাধরা
নিম তেল মাখলে মাথা ধরা কমে যায়।

ক্যান্সার
নিম তেল, বাকল ও পাতার নির্যাস ব্যবহারে ক্যান্সার-টিউমার, স্কীন ক্যান্সার প্রভৃতি ভালো হয়।

উকুন
নিমের ফুল বেটে মাথায় মাখলে উকুন মরে যায়।

হৃদরোগ
নিম পাতার নির্যাস খেলে হৃদরোগে উপকার পাওয়া যায়। নিম নির্যাস ব্লাড প্রেসার ও ক্লোরেস্টোরল কমায়। রক্ত পাতলা করে, হার্টবিট কমায়।

কৃমি নিরসন
৩-৪গ্রাম নিম বাকল চূর্ণ সামান্য পরিমাণ সৈন্ধব লবণসহ সকালে খালি পেটে সেবন করে গেলে কৃমির উপদ্রব হতে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত এক সপ্তাহ সেবন করে যেতে হবে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১-২ গ্রাম মাত্রায় সেব্য।

রক্ত পরিস্কার ও চর্ম রোগ
কাঁচা নিম পাতা ১০ গ্রাম ২ কাপ পানিতে জ্বাল করে ১ (এক) কাপ অবশিষ্ট থাকতে ছেঁকে নিয়ে প্রয়োজন মতো চিনি মিশিযে সেব্য।
উল্লেখিত নিয়মে প্রত্যহ ২-৩ বার, নিয়মিত ১-২ মাস সেবন করে যেতে হবে।

দাঁতের যত্ন
কচি নিম ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ভালো থাকে। নিম পাউডার দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ও মাঁড়ি ভালো থাকে। নিম পাতার নির্যাস পানিতে মিশিয়ে বা নিম দিয়ে মুখ আলতোভাবে ধুয়ে ফেললে দাঁতের আক্রমণ, দাঁতের পচন, রক্তপাত ও মাড়ির ব্যথা কমে যায়।

খোস-পাঁচড়া ও পুরনো ক্ষত
নিম পাতার সঙ্গে সামান্য কাঁচা হলুদ পিষে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ আকারে ৭-১০ দিন ব্যবহার করলে খোস-পাঁচড়া ও পুরনো ক্ষতের উপশম হয়। নিম পাতা ঘিয়ে ভেজে সেই ঘি ক্ষতে লাগালে ক্ষত অতি সত্বর আরোগ্য হয়।

বমি
বমি আসতে থাকলে নিম পাতার রস ৫-৬ ফোঁটা দুধ দিয়ে খেলে উপশম হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে শ্রমিক লীগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক লীগের আয়োজনে শনিবার উপজেলা অডিটোরিয়ামে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ইফতার মাহফিলে উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি শেখ শাহাজালালের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক শেখ ইকবাল আলম বাবলু ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী আব্দুস সবুরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান,থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব হোসেন, বিষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দিন, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান কে এম মোশারফ হোসেন প্রমুখ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন,নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ীর সভাপতি ফিরোজ কবির কাজল,উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গৌতম লস্করসহ উপজেলার আওয়ামীলীগ, শ্রমিক লীগ ,ছাত্রলীগ,কৃষকলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সুধীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বোর্ডারকে টপকে নতুন উচ্চতায় কুক

খেলার খবর: টানা ১৫৪ টেস্ট খেলে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যালান বোর্ডারকে টপকে বিশ্বরেকর্ডের জন্ম দিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক দলপতি ও ব্যাটসম্যান অ্যালিষ্টার কুক। শনিবার লিডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে নিজের ক্যারিয়ারের ১৫৬তম টেস্ট খেলতে নেমে টানা ১৫৪ ম্যাচ খেলার বিশ্ব রেকর্ড গড়েন কুক।

ক্যারিয়ারে প্রথম দু’ম্যাচের পর টানা ১৫৩টি টেস্ট খেলে গত টেস্টে লর্ডসে বোর্ডারের রেকর্ড স্পর্শ করেন কুক। ১৫৬ টেস্টের ক্যারিয়ারে টানা ১৫৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন বোর্ডার। গতকাল বোর্ডারকে ছাড়িয়ে গেলেন কুক।

কয়েক দিন আগে কুক নিজের রেকর্ড স্পর্শ করায় অনেকটাই বিস্মত হয়েছিলেন বোর্ডার। তখন বোর্ডার বলেছিলেন, ‘আমি কখনও ভাবিনি কেউই টানা এতগুলো টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারবে, এটি সত্যিই বিস্ময়কর।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের আগে ইংল্যান্ডের হয়ে ১৫৫ ম্যাচ খেলে ৩২টি সেঞ্চুরিতে ১২০৯৯ রান করেছেন ৩৩ বছর বয়সী কুক।

একটানা সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলা খেলোয়াড়রা : খেলোয়াড় টেস্ট অ্যালিষ্টার কুক (ইংল্যান্ড) ১৫৪, অ্যালান বোর্ডার (অস্ট্রেলিয়া) ১৫৩, মার্ক ওয়াহ (অস্ট্রেলিয়া) ১০৭, সুনীল গাভাস্কার (ভারত) ১০৬, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (নিউজিল্যান্ড) ১০১।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বিচার-বহির্ভূত হত্যা বন্ধ করুন’: সরকারপন্থী ১০ বুদ্ধিজীবীর বিবৃতি

ন্যাশনাল ডেস্ক: বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে পরিচিত ১০জন লেখক, কবি এবং শিল্পী চলমান মাদক বিরোধী অভিযান সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে অবিলম্বে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তারা বলেছেন, এই অভিযানে প্রতিদিন অনেক মানুষ বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের শিকার হচ্ছেন। যা পুলিশ বন্দুক যুদ্ধে নিহত বলে বর্ণনা করছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সমাজ ব্যবস্থায় এমন মৃত্যু কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

যে দশজন মিলে এই বিবৃতিটি দিয়েছেন তাদের মধ্যে আছেন আনিসুজ্জামান, হাসান আজিজুল হক, রামেন্দু মজুমদার, নির্মলেন্দু গুণ, নাসিরউদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, মামুনুর রশীদ, মফিদুল হক, আতাউর রহমান, গোলাম কুদ্দুস এবং হাসান আরিফ।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, সারাদেশে যে মাদক বিরোধী অভিযান চলছে তার যৌক্তিকতা তারা বুঝতে পারেন। কিন্তু এই অভিযানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন বলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যাবস্থায় এমন মৃত্যু কখনই গ্রহনযোগ্য নয়। সংবিধানে প্রদত্ত জীবনের অধিকার এ ভাবে কেড়ে নেয়া যায়না।

টেকনাফে পৌর কমিশনার একরাম হত্যার ঘটনা এবং প্রকাশিত ফোনালাপের কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, “কোন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজে অকল্পনীয়। এরকম একটি ঘটনাই সমগ্র অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ ও জনগনকে আতঙ্কিত করতে যথেষ্ট।”

বিবৃতিদাতাদের একজন নাট্যাভিনেতা মামুনুর রশিদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, প্রথম থেকেই এই অভিযান সম্পর্কে তাদের মনে উদ্বেগ ছিল।

“কিন্তু টেকনাফের নিহত পৌর কমিশনার একরামুল হকের স্ত্রী এবং কন্যার অডিও প্রকাশ হওয়ার পর সেটাই সবাইকে খুব নাড়া দিয়েছে। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এভাবে ধারাবাহিকভাবে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড চলতে দেয়া যায় না।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে যেভাবে এখন মাদক ব্যবসা সব জায়গায় ছড়িয়ে গেছে, সেখানে ১৪৪ জনকে হত্যা করে এই সমস্যার সমাধান হবে না। এর জন্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ দরকার। খুঁজে বের করা দরকার কারা এর সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, মাদক বিরোধী অভিযান অবশ্যই চলা দরকার। কিন্তু অভিযান মানেই তো হত্যা নয়। অভিযান আমরা বন্ধ করতে বলবো না। কিন্তু অভিযানের প্রকৃতি কী হবে, সেটা সরকারকে ভাবতে হবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হলিউডের ছবিতে দীপিকার লুঙ্গি ডান্স?

বিনোদন ডেস্ক: বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল চেন্নাই এক্সপ্রেসে ছবির ‘লুঙ্গি ডান্স’ গানটি। দুনিয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ছবির গান। শুধু তাই নয়, হলিউডের ছবি ট্রিপল এক্স: রিটার্ন অব জ্যান্ডার কেজ ছবির প্রচারে ভারতে এসে হলিউড অভিনেতা ভিন ডিজেলও খানিকটা লুঙ্গি নৃত্য দিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন দীপিকা।

শোনা যাচ্ছে, এই ছবির পরের কিস্তিতে নাকি থাকতে পারে ভারতীয় লুঙ্গি ডান্স। পরিচালক ডিজে কারুসোর টুইট তো তা-ই বলে।

ট্রিপল এক্স: রিটার্ন অব জ্যান্ডার কেজ ছবি দিয়ে হলিউডে অভিষেক হয় দীপিকার। পরিচালক অনেক আগেই বলেছিলেন পরবর্তী কিস্তিতেও তার পছন্দ দীপিকা। যদিও এখনো নিশ্চিতভাবে কিছুই জানাননি। চলছে পাণ্ডুলিপি ঘষামাজার কাজ। এরই মাঝে গত বুধবার পরিচালক তার মনের একটি ইচ্ছা টুইট করেন।

তিনি লেখেন, আমি ‘ট্রিপল এক্স ৪’ ছবিটি বলিউড নাচ দিয়ে শেষ করতে চাই। দীপিকা পাড়ুকোনের নেতৃত্বে লুঙ্গি ডান্স? কিছুটা নতুন?’

আর এই টুইটেই রাজ্যময় প্রচার-ছবিতে থাকছে লুঙ্গি ডান্স। বলিউডের এই নাচ থাকলে দীপিকা তো থাকবেনই। তা আর বলার অপেক্ষা রাখে? সে যা হোক, এই নাচ যে পাড়ি দিতে যাচ্ছে সাত সমুদ্দুর তেরো নদী-এ গুঞ্জন এখন বলিউডে।

ছবিটিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে দীপিকা জানিয়েছিলেন, বহু অডিশনের পর তিনি এই রোলটি পান। এর আগেও তিনি অন্যান্য সিনেমার অডিশনও দিয়েছেন। হলিউড অ্যাকশন স্টার ভিন ডিজেলের সঙ্গে ‘ট্রিপল এক্স’ ছবিতে কাজ করার সুযোগ পেয়ে বেশ খুশি নায়িকা। ট্রিপল-৪ নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের একাংশের ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের একাংশের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ১৬-ই রমজান শহরের একটি রেস্টুরেন্টে পৌর আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন’র সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, আজিবর রহমান, সদস্য মীর মোশারফ হোসেন মন্টু, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকী, সাপ্তাহিক ইচ্ছেনদী পত্রিকার সম্পাদক মকসুমুল হাকিম, জেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপকি এপিপি এড. তামিম আহম্মেদ সোহাগ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক কাজী মনিরুজ্জামান মুকুল, চেম্বার পরিচালক সৈয়দ শাহিনুর আলী, শেখ নাসেরুল হক, মীর মাহমুদ আলী আবির, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, জেলা যুব মহিলালীগের সভানেত্রী পৌর কাউন্সিলর ফারহা দীবা খান সাথী, সাধারণ সম্পাদক সাবিহা হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মাজেদ খান, কামরুল ইসলাম, মীর মাসুদ আলী সুবীর, ইকবাল হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, আব্দুস সবুর, জেলা যুবলীগের সদস্য কাজী আক্তার হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, পৌর আওয়ামীলীগের ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর মো. আব্দুস সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মো. হাসানুজ্জামান, ২ নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ কামরুল হক চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, ৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন মিলন, ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র, সাধারণ সম্পাদক রাফিনুর রহমান, ৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম রনি, ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক লিটন মির্জা প্রমুখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। দোয়া ও মোনাজাতে দেশ ও জাতির অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোববার উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছে ৬ লাখ শিক্ষার্থী

শিক্ষা ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ছয় লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। আগামীকাল (রোববার) থেকে প্রথম ধাপের উপবৃত্তির টাকা হস্তান্তর করা হবে বলে উচ্চ মাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্প থেকে জানা গেছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজেই এ অর্থ উত্তোলন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের ৪০ শতাংশ ছাত্রী ও ১০ শতাংশ ছাত্র এ উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপের টাকা দেয়া হবে আগামী ডিসেম্বরে। এ বছর মোট ছয় লাখ দুই হাজার শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির আওতায় আনা হবে। সরকারের তহবিল থেকে এ বাবদ প্রায় ১৬২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয় ধার্য করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, সারাদেশে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ও পরিবারের ওপর চাপ কমাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৪ সালে ‘উচ্চ মাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্প’ চালু হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে গত কয়েক বছর ধরে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও দ্বিতীয় দফায় আরও দুই বছর এর সময়কাল বাড়ানো হয়।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে এ প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, বইক্রয়, ফরমপূরণসহ অন্যান্য খরচের জন্য বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের বার্ষিক দুই হাজার ৮০০ এবং মানবিক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দুই হাজার ১০০ টাকা হারে উপবৃত্তি দেয়া হবে।

জানা গেছে, তালিকা সংগ্রহে গত ডিসেম্বরে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এ কার্যক্রম চলে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর তা যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়। এছাড়াও বৃত্তিপ্রাপ্তরা নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবে। এ জন্য প্রকল্প থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষকে মাসিক ৫০ টাকা দিতে হবে।

উপ-প্রকল্প পরিচালক এস এম সাইফুল আলম বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বাবদ অভিভাবকদের ব্যয় কমাতে গত কয়েক বছর ধরে উপবৃত্তি চালু রয়েছে। ‘উচ্চ মাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের’ মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, নিয়মিত পড়ালেখা চালিয়ে যেতে শুধু দরিদ্র শিক্ষার্থী নয়, প্রতিবন্ধী, এতিম, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনি, নদীভাঙন কবলিত এবং দুস্থ পরিবারের সন্তানদেরও অগ্রাধিকার দেয়া হয়ে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest