সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপ

‘মিয়ানমার সংলাপে আছে, তবে কাজ করছে না’

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাঁর সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে নেপিডো এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর রয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এই সংকটের সমাধান চাই বলে মিয়ানমারের সঙ্গে সংলাপ চালাচ্ছি, কিন্তু মিয়ানমার সব কিছুতে রাজী থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা কোন কিছুই করছে না।’

আজ রোববার রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটস অ্যাডভোকেসি অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট কেরি কেনেডিকে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কেরি কেনেডি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, তাঁরা মূলত রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েই আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিরাট বোঝা। সাধারণ মানুষ তাদের চাষাবাদের জমি, গাছপালা, বনভূমি হারিয়ে ক্ষতির সন্মুখীন হলেও তারা স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের জনগণও এমন দুর্ভোগের মুখোমুখি হয়েছিল।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং তাদেরকে পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গারা যাতে আরো ভালো অবস্থায় বসবাস করতে পারে সেজন্য সরকার নতুন জায়গার ব্যবস্থা করছে।’

কেরি কেনেডি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, রোহিঙ্গা জনগণের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করাই হচ্ছে তাঁর বাংলাদেশ সফরের উদ্দেশ্য।
কেরি বলেন, ‘তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যও পরিদর্শন করেছেন, কিন্তু সেখানে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে কোন অবকাঠামো বা কোন আশ্রয়ের ব্যবস্থা দেখেননি।’

কেরি আরো বলেন, ‘মিয়ানমার প্রত্যাবর্তনে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ তিনি মনে করেন, তাদের নিরাপত্তা দেয়া এবং তাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাজ করা উচিৎ।

কেরি বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (এসএসএন) কর্মসূচি ও নারীর ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা এবং বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি সায়মা ওয়াজেদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাজ্জাদুল হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাঠে নামছে অভিজ্ঞ ফ্রান্স আর দৃঢ় মানসিকতার ক্রোয়েশিয়া

খেলার খবর: ফুটবলপ্রেমীদের চমকে দেওয়া ক্রোয়েশিয়া আর শক্তিশালী ফ্রান্সের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচ দিয়েই পর্দা নামছে রাশিয়া বিশ্বকাপের। পুরো টুর্নামেন্টেই ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করেছে ফ্রান্স। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের চলতি আসরে একের পর এক চমক দেখিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ক্রোয়েশিয়া। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টায় মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে শুরু হবে শিরোপা জয়ের ম্যাচটি।

ক্রোয়েট ফুটবলাররা স্বপ্ন দেখছেন শিরোপা জয়ের। ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠে নামা ক্রোয়েশিয়ার সামনে আছে ইতিহাস লেখার হাতছানি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নবম দেশ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ ক্রোয়েটদের সামনে। ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে, এখনো হয়তো অনেকের বিশ্বাস হবে না। কিন্তু তারা করে দেখিয়েছে। এখান থেকে শিরোপা তুলে ধরলেও অবিশ্বাসের কিছু থাকবে না।

রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে ক্রোয়েটরা ছিল ফিফা র‌্যাংকিংয়ের ২০ নম্বরে। র‌্যাংকিংয়ের এত পিছনে থেকে এর আগে কোনো দেশ কখনও বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেনি। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়ে তৃতীয় হওয়া দেশটি সেবার যে বিস্ময় জাগিয়ে গিয়েছিলো ফুটবল ভক্তদের মনে সেই বিস্ময়ই যেনো আরও কয়েকধাপ বাড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েই রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরু করে ক্রোয়েটরা।

অন্যদিকে আছে ফ্রান্সের সম্মান আরও একটু বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ। নিজেদের জার্সিতে আরও একটি তারকা বাড়িয়ে নেওয়ার এই সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া করবে না তারা। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে রোনাল্ডো-রিভালদোর ব্রাজিল ছিল ফেভারিট, কিন্তু জিদানরা সেদিন ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেশকে প্রথমবার বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন।

২০০৬ বিশ্বকাপেও এই ফ্রান্সই ছিলো ফেভারিট, কিন্তু ইতালির বিপক্ষে কান্না নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ফরাসিদের।

এদিকে, প্রথমবার ফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও ফরাসিরা জানে ক্রোয়েশিয়া কতটা কঠিন দল। পরিসংখ্যান হোক আর অভিজ্ঞতা, সবদিক থেকেই ক্রোয়েশিয়ার থেকে এগিয়ে ফ্রান্স।

তবে বিশ্বকাপ ফাইনালে যে সব সময় ফেভারিটরা জেতে না সেটা ফরাসিরা খুব ভালো করেই জানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধ্যপ্রাচ্যের হুমকি ইরান : সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদেশের খবর: সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ন্যাটো জোটের বৈঠকের অবকাশে আবারো পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে আসায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করেন তিনি।

তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারে ইরান যদি তার নীতিতে পরিবর্তন না আনে তাহলে দেশটি আরো বেশি কোণঠাসা হয়ে পড়বে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের ব্যাপারে ভিত্তিহীন দাবির পুনরাবৃত্তি করে বলেন, তেহরানের এটা জেনে রাখা উচিত আন্তর্জাতিক সমাজ তাদেরকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেবে না।

আমেরিকার সঙ্গে সুর মিলিয়ে সৌদি আরবও বহুদিন ধরে মিথ্যা বক্তব্য তুলে ধরে ইরানভীতি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি সৌদি আরব ইরানের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য অতিরিক্ত তেল উৎপাদনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইরানের ব্যাপারে সৌদি আরবের এ বিদ্বেষী নীতির কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশ্লেষক মোহাম্মদ সালেহ সাদেকিয়ান বলেছেন, এ অঞ্চলে নিজের ব্যর্থতা ঢাকার জন্যই রিয়াদ তেহরানের সঙ্গে এ ধরনের বিদ্বেষী আচরণ করছে।

তিনি বলেন, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ইরান বিরোধী বক্তব্য আসলে বাস্তবতা থেকে পলায়ের চেষ্টা মাত্র। ইয়েমেন থেকে শুরু করে সিরিয়া ও ইরাকে লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ সৌদি আরব এভাবে নিজের পরাজয় আড়াল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এ ধরণের বিদ্বেষী আচরণের কারণে খোদ সৌদি আরবই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ইরানের এ বিশ্লেষক মন্তব্য করেন।

সৌদি আরব আসলে ইরানের ব্যাপারে অন্যের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী চলছে। কিন্তু এতে করে কেবল এ দেশটিই আরও বেশি কলঙ্কিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

খ্যাতনামা মার্কিন চিন্তাবিদ ও লেখক নওম চমস্কি সৌদি আরবকে উগ্রপন্থা বিস্তারের কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, বাস্তবতা হচ্ছে, উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটিয়ে ওই দেশটিই এখন নিজের পাতা ফাঁদে আটকা পড়েছে।

তিনি বলেন, সৌদি আরব যতদিন পর্যন্ত এ অঞ্চলে আমেরিকা, ব্রিটেন ও দখলদার ইসরায়েলের সেবাদান করে যাবে ততদিন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ নম্বর সতর্ক সংকেত; হতে পারে ঝড়ো হাওয়া

দেশের খবর: উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

রোববার (১৫ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।

কারণ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আম খেলেই পুত্রসন্তান, দাবি মৌলবাদি নেতার!

ভিন্ন স্বাদের খবর: পুত্র সন্তান চাই। তাহলে আমার বাগানের আম খান, নারীরা পুত্র সন্তান লাভ করবেন। এমন মন্তব্য করে গত জুন মাসে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন মুম্বাই মহারাষ্ট্রের হিন্দুত্ববাদী নেতা সাম্ভাজী ভিদে। এখন সেই মন্তব্য ঘিরে বিপাকে পড়ে গিয়েছেন এই নেতা। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছে নাসিক পুরসভা।

ঘটনার সূত্রপাত গত মাসে। নাসিকের এক সভায় সাম্ভাজি বলেন, ‘‘আম শক্তিশালী ও পুষ্টিকর। যদি কোন নারী আমার বাগান থেকে আম খান, তাহলে তিনি পুত্রসন্তান জন্ম দিতে পারেন।’’ সাবেক আর এস এস নেতার এহেন মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

এরপরেই আসরে নামে নাসিক পুরসভা। জানা গেছে, প্রথমে নাসিক পুরসভার তরফ থেকে একটি নোটিশ পাঠানো হয় সাম্ভাজির কাছে। কিন্তু সেই নোটিশের উত্তরই দেননি প্রভাবশালী এই নেতা। এর পরেই আইনজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে সেই নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি আদালতে মামলা করে নাসিক পুরসভা। বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা আনা হয়েছে।

সূত্রঃ এবেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে এমপি জগলুল চালালেন ট্রাক্টর

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার অামন ধান চাষ বৃদ্ধিতে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আজ নিজের জমি চাষ করেছেন ট্রাক্টর চালিয়ে। এর আগে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দুর্গাবাটিতে শ্রমিকদের সঙ্গে মিলে মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণে কাজ করেছেন জগলুল হায়দার।
শ্রমিক, সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্বুদ্ধ করতেই পরনে লুঙ্গি, গায়ে শ্যান্ডো গেঞ্জি, পায়ে রাবারের স্যান্ডেল ও মাথায় গামছা বেঁধে ট্রাক্টর চালিয়ে নিজের জমি চাষ করলেন তিনি।
এর আগে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মাথায় করে মাটি বয়ে নিয়ে যাওয়ার ভাইরাল হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হারিয়ে যাওয়ার পথে ‘গরুর গাড়ি’

নিজস্ব প্রতিনিধি: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের গরুর গাড়ি। এখন আর গ্রামগঞ্জে আগের মতো চোখে পড়ে না গরুর গাড়ি যা এক সময় কলারোয়া উপজেলার সকল জনপদে দেখা মিলতো।
কেঁড়াগাছী, বাঘাডাঙ্গা, কাকডাঙ্গা, ভাদিয়ালি, সোনাবাড়িয়া, গয়ড়া, চন্দনপুর, জয়নগর, জালালাবাদ, হেলাতলা, কুশোডাঙ্গা, কেরালকাতা, দেয়াড়া, যুগিখালী, কয়লা, লাঙ্গলঝাড়াসহ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সকল গ্রামের মেঠোপথে দেখা যেত গরুর গাড়ি। ছিল সর্বত্র এই গরুর গাড়ির মর্যাদাও। দু’টি গরু দিয়ে পিছনের গাড়ি চলতো ‘ঠাই ঠাই’ করে। বিয়েশাদি থেকে শুরু করে অন্য কোন অনুষ্ঠানে মানুষ বহনের জন্য ‘ছই ওয়ালা’ গরুর গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করতে পাতেন না এইসব গ্রামের মানুষ। মানুষ পরিবহনের পর গরুর গাড়ি হরহামেশা ব্যবহৃত হতো মাঠের ফসল আনা-নেয়ার কাজে। সেটাও যেনো এখন বিলুপ্তপ্রায় আধুনিকতা আর যান্ত্রিক বাহনের আধিক্যতায়। এমনকি ফসল কাটার পর ফাঁকা মাঠে গরুর গাড়ির প্রতিযোগিতা হতো- গাড়ি নিয়ে কার গরু আগে যায় দেখার জন্য। সেই বিশেষ প্রতিযোগিতাও এখন তেমনটা আর দেখা যায় না।
বাঁশ আর বাঁশের চটা দিয়ে পিছনের ফ্রেম তৈরি করে গরুর গাড়ি বানানো হতো। সেই গাড়ির চাকার জন্য কামারের কাছ থেকে লোহার পাত সংযুক্ত করা হতো। শতভাগ জ্বালানী বিহীন ও পরিবেশবান্ধব গরুর গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে কোন খরচ হতো না। শুধু গাড়ি বহনের দু’টি গরুর পিছনে যা খরচ হতো। আবার সেই গরুও বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হওয়া যেতো।
প্রবীন অনেকে জানালেন- কলারোয়া উপজেলায় এক সময় গরুর গাড়ি চলত প্রতিনিয়ত। কিন্তু এখন এই সব জনপদে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই গরুর গাড়ি। অবশ্য এখনো মাঝে মধ্যে গ্রামাঞ্চল গুলোতে দুই-একটি গরুর গাড়ি চোখে পড়ে। কিন্তু সেগুলোর অবস্থাও নাজুক।
চন্দনপুর গ্রামের ৮০উর্দ্ধো বয়সী নজরুল ইসলাম জানান- ‘আজ শহরের ছেলে মেয়েরা তো দূরের কথা, গ্রামের ছেলে মেয়েরাও গরুর গাড়ি যানবাহনটির সাথে খুব একটা পরিচিত নয়। আগে অনেকেরই গরুর গাড়ি ছিল উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন।’
কেঁড়াগাছী গ্রামের মুনছুর আলী বলেন- ‘আমার বাবা দাদারা গরুর গাড়ি চালিয়ে উপার্জন করে আমাদের বড় করেছেন। এই আধুনিক যুগে গরুর গাড়ি নেই, আছে অটো বা ইঞ্জিন চালিত যানবাহন। মানুষের গরুর গাড়ির ওপর চাহিদা নেই।’
কুশোডাঙ্গা এলাকার গরুর গাড়ির মালিক সুব্রত বলেন- ‘আগে মালামাল বহন করার জন্য গরুর গাড়ির বিকল্প ছিল না। শুধু মালামালই নয়, বিয়ের জন্য বা আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়ার একমাত্র ভরসা ছিলো গরুর গাড়ি। মাঠের ফসল বহনের জন্য গরুর গাড়ির বিকল্প ছিল না, যদিও যতসামান্য সেটা এখনো দেখা যায়। এমনকি ফসল কাটার পর ফাঁকা মাঠে গরুর গাড়ির প্রতিযোগিতা হতো- গাড়ি নিয়ে কার গরু আগে যায় দেখার জন্য। সেই বিশেষ প্রতিযোগিতাও এখন তেমনটা আর দেখা যায় না।’
বর্তমানে আমরা নিজেদের ব্যবহারের জন্য মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার বা মাইক্রো ক্রয় করি ঠিক তেমনি কয়েক যুগ আগেও গ্রামের অবস্থাসম্পন্ন লোকজন ও গৃহস্থরা গরুর গাড়ি নিজের ব্যবহারের জন্য তৈরি করে বাড়িতে রাখতেন। আপদ-বিপদে তা তারা বাহন হিসেবে ব্যবহার করতেন সেটা। মাঝেমধ্যে তা আবার ভাড়াও দিতেন।
এখন গরু আছে কিন্তু গাড়ি নেই। গরুর গাড়ি এখন শুধুই স্মৃতি হতে চলেছে। পরিবর্তনের যুগে এসে গ্রাম বাংলার সেই জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি এখন হারিয়ে যাওয়ার পথে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারুলিয়ায় ছকিনা ব্রিকস বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া ছকিনা ব্রিকস বন্ধের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ব্রিকসের কারনে এলাকার বিপর্যয় ঘটছে এই অভিযোগে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিকাল ৪টায় উক্ত ব্রিকসের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পারুলিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাহেব আলী। এসময় বক্তব্য রাখেন ২নং পারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোস্তফা কামাল সুইট, উপজেলা ছাত্রলীগের উপদপ্তর সম্পাদক সবুজ হোসেন, পবিত্র ঘোষ প্রমূখ। এ সময় বক্তরা বলেন, সেকেন্দার মাঠে ইটভাটা নির্মাণ করে এই এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এই এলাকায় আনসার আলি সরকারি প্রাইমারি স্কুল, কুলিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, দক্ষিন কুলিয়া এবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং কুলিয়া এলাহী বক্সদাখিল মাদ্রাসা, কুলিয়া জামে মসজিদসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখানে ভাটার কালো ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। একই সাথে নষ্ট হচ্ছে এই এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল। বিপন্ন হচ্ছে মানুষের স্বাস্থ্য। জনবসতি এলাকায় ইটের ভাটা স্থাপনের পর থেকে পরিবেশ দূষণ, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ইট পরিবহনের কারণে কাঁচা রাস্তায় বড় বড় গতের্র সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানিতে ভরপুর হয়ে পড়েছে সড়কটি। তথ্যমতে, সাতক্ষীরায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা লংঘন করে ও প্রশাসনের পূর্বাানুমতি ছাড়াই দেবহাটার উঃ পারুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে চার ফসলি জমিতে প্রস্তাবিত ছকিনা ব্রিকস নামের ইটভাটা নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এরপর এলাকাবাসির অভিযোগের ভিত্তিতে ভাটা মালিক মোশারফ হোসেন মুসাকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি সেখানে হাজির হননি। হাজির না হয়ে তিনি আবারও ভাটার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২২.০২.০০৪০.০৩৬.৬১.০০৫.১৬.১০৬৫ স্মারকে তাকে পূনরায় ভাটার যাবতীয় কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশসহ তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ অনুযায়ী কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না সেই মর্মে লিখিতভাবে আবারও নোটিশ জারী করা হয়েছিল। এলাকাবাসী দ্রুত ইটভাটাটি বন্ধের নির্দেশ প্রদানসহ পরিবেশ রক্ষার্থে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest