সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধন

ফিলিপাইনে দেড় মাস আটক ১১ বাংলাদেশি নাবিক

দেশের খবর: ভিয়েতনাম থেকে চাল সংগ্রহ করে তা মিন্দানাও দ্বীপে খালাসের সময় বাংলাদেশের ১১ জন নাবিক এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে ফিলিপাইনে আটক রয়েছেন। ফিলিপাইনে চাল আমদানি নিষিদ্ধ বলে চীনের মালিকানাধীন জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশের নাবিকদের আটক করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রোববার জানান, গত ১৫ এপ্রিল ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপে চাল খালাসের সময় সে দেশের নৌবাহিনী জাহাজটিকে চ্যালেঞ্জ করে। এরপর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জাহাজটিকে ওই দ্বীপের জামবোয়াঙ্গা বন্দরে আটক রাখা হয়।

ফিলিপাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের নাবিকেরা এখন ওই জাহাজে রয়েছেন। তাঁদের মুক্তির জন্য চেষ্টা চলছে। বিষয়টি এখন শুল্ক ও অভিবাসনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। কারণ বাংলাদেশের ১১ নাবিকের কাছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পাসপোর্ট দেখতে চাইলে তাঁরা তা দেখাতে ব্যর্থ হন। নাবিকেরা বলছেন, তাঁদের কাগজপত্র জাহাজের ক্যাপ্টেনের কাছে ছিল। নাবিকেরা এটাও বলেছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পালন করা ছাড়া, তাদের কোনো দায় নেই।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস ফিলিপাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের মুক্তির বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে।

দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানান, নাবিকেরা সবাই সুস্থ আছেন। দূতাবাস তাঁদের জন্য খাবার, পানিসহ ও অন্যান্য জিনিসপত্র সরবরাহ করছে।

সূত্র: প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যাংক খাতে লুটপাট; সংসদে তোপের মুখে অর্থমন্ত্রী

দেশের খবর: ব্যাংকিং খাতে অব্যবস্থাপনা ও লুটপাট নিয়ে রোববার সংসদে তোপের মুখে পড়েন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ব্যাংক লুটকারী ও অর্থ পাচারকারীদের ধরতে না পারায় এবং পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে না পারায় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা তার কঠোর সমালোচনা করেন।

জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্যাংকিং খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা শুরু করেন আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফ।

এরপর আলোচনায় তাল মেলান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির এমপি কাজী ফিরোজ রশিদ, স্বতন্ত্র এমপি রুস্তম আলী ফরাজীসহ বেশ কয়েকজন এমপি।

অধ্যাপক আলী আশরাফ শুরুতে সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের আবাদি জমি কমেছে, কিন্তু খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটা অভূতপূর্ব সাফল্য। তা ছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে।’ তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে যুগান্তকারী সাফল্য হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিরাট বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য খাতে বিরাট সাফল্য অর্জন করেছি। সাধারণ মানুষ আজ কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ৩২ রকমের ওষুধ ফ্রি পাচ্ছেন। এখন আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। তবে এডিপি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু শৈথিল্য আছে। সেগুলো দূর করতে হবে।’

এর পরই তিনি ব্যাংকিং খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলা শুরু করেন। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা আনা দরকার। এ খাতে শৃঙ্খলা আনতে না পারলে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। কিছু মানুষ ব্যাংকিং খাতে লুটপাট করবে, বিদেশে অর্থ পাচার করবে, এটা হতে পারে না। ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের আপনি ধরেন।

কুমিল্লার সংসদ সদস্য সাবেক এই ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘ব্যাংকের লুটপাট থেকে বেরিয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে না পারলে বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হবে না।’

এ ছাড়া তিনি বলেন, করের আওতা বাড়াতে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কর অফিস করেন। বিমান চলছে না, বিদেশিরা এসে বিমানে উঠলে মনে করে যে কোনো সময় ভেঙে পড়বে। সর্বত্র ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা চলছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে যে লুটপাট হয়েছে তা ভারতের সমনাথ মন্দিরের লুটপাটের সঙ্গে তুলনা করা যায়। তখন সমনাথ মন্দির আক্রমণ করে ২০ বিলিয়ন ডলার লুটপাট করা হয়েছিল। বাংলাদেশে ব্যাংক লুটপাটের আগ পর্যন্ত এত বড় লুটপাটের ঘটনা আর ঘটেনি। সামনে নির্বাচন, নির্বাচনের আগে এই ব্যাংক মালিক লুটপাটকারীরা দেশে থাকবে না, তাদের খুঁজেও পাবেন না। তারা বিদেশে পালিয়ে যাবে, এরই মধ্যে ভিসা লাগিয়ে ফেলেছে।’

অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ব্যাংক খেলাপি কারা? এটা কি আপনি জানেন না? কেন তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছেন না। এরা ২৪ হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। এসব ভুয়া বাজেট দিয়ে কাজ হবে না। এই বাজেটের মধ্যে কিছু নেই। ধনীকে খুশি, গরিবকে নিঃস্ব আর ব্যাংক ডাকাতদের উৎসাহিত করেছেন এই বাজেটে।’

ব্যাংকে আমানত রাখতে মানুষ এখন ভয় পায় মন্তব্য করে স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ‘ব্যাংকে টাকা রাখে মানুষ নিরাপত্তার জন্য। মানুষ ভীত হয়ে গেছে। টাকা পাচার হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ঋণখেলাপিরা টাকা দেশেও রাখে না, বিদেশে পাচার করে। এরা ব্যাংকের কিছু আর রাখবে না। যারা ব্যাংকে লুটপাট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। লুটপাটকারীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করার জন্য কী করা যেতে পারে, সেটা অর্থমন্ত্রীকে ভাবতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিয়ে এই টাকা আদায়ে কী করা যায় করেন, তাহলে জনগণ আস্থা ফিরে পাবে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসনে চলছে অনিয়ম। বেতন বাড়ানো হল, তারপরও কর্মকর্তারা ঘুষ খায়। তারা বেতন নিলে ঘুষ বন্ধ করতে হবে। আর ঘুষ নিলে বেতন বন্ধ করতে হবে। একসঙ্গে দুটো চলবে না।’

সোহরাব উদ্দিন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ সৃষ্টির দাবি করে বলেন, ‘এ টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যায়। যদি এটি সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়, তাহলে আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়বে।’

এরপর একে একে জাতীয় পার্টির নূরুল ইসলাম ওমর, পীর ফজলুর রহমানসহ অন্য এমপিরা তাদের বক্তব্যে ব্যাংকিং খাতের অব্যবস্থাপনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে লুটপাটকারীদের ধরে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়টি দ্রুত বিবেচনায় নেয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ ২০-২৫ বছর ধরে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা এক প্রকার না খেয়ে আছে। বেসরকারি খাত থেকে পাওয়া সামান্য অর্থ দিয়ে তাদের দিন চলে। শিক্ষার উন্নয়নের স্বার্থে এ বিষয়ে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।

বিদ্যুৎ খাতের অভ‚তপূর্ব উন্নয়নে সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে সরকার ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আর সেটা হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার লক্ষ্যে দ্রুতই পৌঁছা যাবে।

নূরুল ইসলাম ওমর বলেন, প্রত্যেকটি ভালো কাজের সঙ্গে একটি খারাপ বিষয় যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণে তেমনটি হয়েছে।

তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলো নিয়ম মানছে না। অনেকেই বরাদ্দের টাকা খরচ করতে পারেন না। কিন্তু টাকা ধরে রাখেন। খরচ না করতে পারলে টাকা ফেরত দিন।

নূরুল ইসলাম আরও বলেন, ব্যাপক পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। যাদের কোনো কাজ নেই। আবার আমার বগুড়া জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে সচিব নেই। তাহলে এ প্রতিষ্ঠানটি চলবে কীভাবে? যেসব মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের সম্পূরক বাজেট অনুমোদন না দেয়ার দাবি জানান তিনি।

বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পীর ফজলুর রহমান বলেন, বড় বাজেট নিয়ে আত্মতুষ্টির কিছু নেই। কারণ গড় মাথাপিছু আয় ৭০০ ডলার থেকে বেড়ে এক হাজার ৭০০ ডলার হলেও সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষের আয় কত? তাদের আয় কমেছে। মানুষে মানুষে বৈষম্য বেড়েছে। অনেকেই সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। ধনী ও বিত্তশালীরা ফুলেফেঁপে বড় হচ্ছে। গরিব আরও গরিব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি তদন্তে ব্যাংক লুটপাটকারীদের নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সুবিধা দেয়া হচ্ছে। সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে বাজেট বরাদ্দের সুবিধা প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বেসরকারি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তিতে বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানান সরকারি দলের সদস্য সোহরাব উদ্দিন। তিনি ব্যাংক খাতের লুটপাটকারীদের শাস্তির পাশাপাশি মানি লন্ডারিং বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পর্ন মুভির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সিউলের রাস্তায় হাজারো নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পর্ন মুভির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের রাস্তায় নেমেছে প্রায় ৩০ হাজার নারী।

দেশটিতে পর্ন ব্যবসায়ীদের দাপটে বিষিয়ে উঠেছে নারীদের জীবন। ঘরে-বাইরে কোথাও শান্তি নেই। কেউ জানে না কোথায় বসানো হয়েছে গোপন ক্যামেরা। টয়লেট থেকে শুরু করে পাবলিক যানবাহন সর্বত্রই পর্ন ব্যবসায়ীরা গোপনে ক্যামেরা পেতে রেখেছেন। এরই প্রতিবাদে ১০ জুন রোববার রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ জানায় নারীরা।

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম বলেছে, দেশটির ইতিহাসে নারীদের এত বিশাল বিক্ষোভ ও সমাবেশ আর কখনও হয় নি।

বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, তারা রাস্তাঘাটে কোথাও নিরাপদ অনুভব করতে পারেন না। সর্বত্রই গোপন ক্যামেরার ভয়ে থাকতে হয়। কিন্তু পুলিশ এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। পর্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ক্যামেরায় ছবি ও ভিডিও ধারণের সঙ্গে জড়িতদের পাশাপাশি যারা তা ডাউনলোড করেন এবং দেখেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেছেন নারী বিক্ষোভকারীরা।

তারা বলছেন, অনেক নারীই টয়লেটে যাওয়ার সময় নানা উপায়ে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন সেখানে ক্যামেরা বসানো আছে কিনা। কিন্তু এরপরও ক্যামেরা বিষাক্ত ছোবল থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারছেন না। গোপনে ধারণকৃত ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা বিপুল অংকের অর্থ আয় করছে।

হাউন জুং নামের একজন প্রতিবাদী মহিলা বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় এখন গোপন ক্যামেরা বসানো সিগারেটের প্যাকেট, চাবির রিং, পানির বোতল ও চশমা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এ ধরনের পণ্য বিক্রি বন্ধ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পানিতে ডুবে প্রাণ গেল তিন ভাই-বোনের

দেশের খবর: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামে পানিতে ডুবে তিন ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার দুপুর ১টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মিম (৪), জিমি (৭) ও সাজ্জাদ (৫) চাচাতো ভাইবোন। মিম কাঠালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীতে ও জিমি ও সাজ্জাদ সদরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতো বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

জানা যায়, ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা বাশার মাতুব্বর এর মেয়ে মিম (৪) ও বাশার মাতুব্বরের ছোট ভাই জামের আলী মাতুব্বরের মেয়ে জিমি (৭) ও ছেলে সাজ্জাদ (৫) বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে মিম পানিতে তলিয়ে গেলে জিমি ও সাজ্জাদ তাকে তুলতে গেলে তিন জনই পানিতে ডুবে যায়। পরে বাড়ির লোকজন পুকুর থেকে তাদের তিনজনকে উদ্ধার করে সদরপুরর আটরশি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণ করেন। নিহত তিন জনই আপন চাচাতো ভাই বোন।

নিহত মিম এর চাচা এনামুল মাতুব্বর জানান, দুপুর ১টার দিকে মিম, জিমি ও সাজ্জাদ বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নামলে পানিতে ডুবে তাদের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। তিনি জানান, জিমি ও সাজ্জাদকে নিয়ে তার পিতা জামের আলী সদরপুরে বসবাস করেন। আজ রবিবার কাঠালবাড়িয়া মসজিদে পরিবারের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন জামের আলী মাতুব্বর ও তার ভাই বাশার মাতুব্বর। ইফতার মাহফিলের কারণে শনিবার সদরপুর থেকে কাঠালবাড়িয়া গ্রামের বাড়িতে আসেন জামের আলী। বাশার মাতুব্বর কাঠালবাড়িয়া গ্রামের বাড়িতেই বসবাস করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেনাপোল ২০ লক্ষ টাকার ইমিটেশন জুয়েলারি আটক

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: শার্শা সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইমিটেশন জুয়েলারী জব্দ করেছে ৪৯ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানাযায়, ৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফুল হক, পিবিজিএম জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ১০ জুন ২০১৮ তারিখ বিকালে আমড়াখালী চেকপোষ্টে কর্মরত নায়েব সুবেদার মোঃ মিজানুর রহমান এর নেতৃত্বে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে বেনাপোল হতে যশোর গামী লোকাল বাস তল্লাশী করে সীটের নিচে হতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ০২ টি বস্তার মধ্যে থাকা বিপুল পরিমাণ ইমিটেশন জুয়েলারী আটক করা হয় যার আনুমানিক সিজার মূল্য ২০ লক্ষ টাকা।
আটককৃত ইমিটেশন জুয়েলারী গুলো বেনাপোল কাস্টমস এ জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে প্রস্তুতি সারলো ব্রাজিল

খেলার খবর: জার্মানিকে গত ২ জুন প্রস্তুতি ম্যাচে ২-১ গোলে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল অস্ট্রিয়া। আর সেই অস্ট্রিয়া এবার ব্রাজিলের কাছে কোনও পাত্তাই পেল না। নেইমার, জেসুস ও কৌতিনহোর নৈপুণ্যে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। এদিন শুরু থেকেই একাদশে ছিলেন ব্রাজিলের প্রাণ ভোমরা নেইমার। পুরো ম্যাচে ব্রাজিল আধিপত্য রাখলেও শুরুতে ম্যাচে অস্ট্রিয়া ছিল চমৎকার। কিন্তু ৩৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের দেওয়া প্রথম গোলের পরই খেই হারাতে থাকে অস্ট্রিয়া।

৬৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার। দুর্দান্ত এই গোলে নেইমার জানান দিলেন বিশ্বকাপের জন্য তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত। এই গোলের সুবাদে ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোমারিওর সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন তিনি। দেশের হয়ে দুই জনেরই গোল ৫৫টি।

বদলি নামার দুই মিনিটের মধ্যে কৌতিনহোর গোলে অবদান রাখেন ফিরমিনো। লিভারপুল ফরোয়ার্ডের ডিফেন্স চেরা পাস পেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড কৌতিনিয়ো। ৬৯তম মিনিটে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

আগামী ১৭ জুন সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরু করবে ব্রাজিল। ‘ই’ গ্রুপে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ কোস্টারিকা ও সার্বিয়া।

https://www.youtube.com/watch?v=4MXH9EiTIs8

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ভেলকিবাজি; জ্বলে না-জ্বলে না, রাস্তার সোলার বাতি জ্বলে না রে!

নিজস্ব প্রতিনিধি : জ্বলে না, জ্বলে না, জ্বলে না রে, রাস্তার সোলার বাতি জ্বলে না রে…। গানের সুরে অনেকেই এমন কথা বলছেন। কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রদত্ত সোলারের সড়ক বাতি এতটাই নিন্মমানের যে সেগুলো স্থাপনের কিছুদিনের মধ্যে বেশিরভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বর্তমান সরকারের একটি মহতি উদ্যোগ ও জনসেবা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে কতিপয় অর্থলোভি ব্যক্তিদের ব্যক্তিস্বার্থের কারণে।
অনেকে অভিযোগের সুরে জানিয়েছেন- কলারোয়ায় ‘স্যোলার সড়ক বাতি’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার প্রায় সব ক’টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে ৩টি করে সোলার বাতি দেয়া হয়েছে জনগণের সুবিধার্থে। রাতের অন্ধকারে আলো জ্বালাতে আর সর্বসাধারণের জনকল্যাণে বর্তমান সরকার এ ব্যবস্থাটি করেন। কিন্তু বিধিবাম, সেগুলো স্থাপনের কিছু দিনের মধ্যেই বেশির ভাগ সড়কের সোলার বাতি গুলোতে আর জ্বলে না। কিছু বাতি ধিকধিক করে জ্বলে আর নিভে যায়। ফলে রাতের আধারটি আরো বিরক্তিকর করে তুলেছে স্থানীয়দের।
অথচ বর্তমান সরকারের জনকল্যানমূলক মহতি এ কাজটি সুনাম বয়ে না এনে বরং দুর্নাম হচ্ছে কতিপয় স্বার্থনেষি ব্যক্তিদের কারণে। অথচ যেনো দেখার কেউ নেই।
এটা নতুন নয়, এর আগেও পাঠকপ্রিয় ‘কলারোয়া নিউজে’ স্ট্রিটলাইটের ভেলকিবাজী নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।
জানা গেছে- এ প্রকল্পে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে উপজেলায় ১কোটি ৮৬লক্ষ ১৭হাজার ২শ ৪০টাকার বাজেট হয়, যা ২/১ মাসের মধ্যেই অচাল হয়ে পড়ে। এই প্রকল্পটির কাজ করেন ম্যাক্স কোম্পানী নামে একটি প্রতিষ্ঠান। নিন্মমানের ব্যাটারী ও স্যোলার সিস্টেমে নিন্মমানের পন্যসামগ্রি দেয়ায় সড়ক বাতি অচল হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভাতেও জানান। তবে তাতেও কোন কাজ হয়নি।
অথচ এবারও একই প্রকল্প ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে এনজিও সংস্থা ব্রীজ বাংলাদেশ নামে নতুন করে ১ কোটি ৯৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ৩শ ৫৭ টাকার সড়ক বাতি প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। তারা ইতোমধ্যে কার্যাদেশের মাধ্যমে ৫০% চুক্তি করে অগ্রীম বিল তুলতে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।
সাধারণ মানুষেরা বলছেন- ‘এ কেমন প্রকল্প, যা কাজ না করে অগ্রীম বিল উঠানো যায়? যা সরকারের ভাব মুর্তি নষ্ট ছাড়া কিছুই নয়।’
বিষয়টি সমাধান করার দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগিরা।
এদিকে, রবিবার ১০জুন সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন- ‘আমি আজ এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কলারোয়াকে – আমার একই অভিযোগের বিষয় জানিয়েছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় যুবলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০জুন, ২৪ রমযান রবিবার বিকেলে কলারোয়া সরকারী পাইলট হাইস্কুল অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান।
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান সাহাজাদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সম মোরশেদ আলী ও অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, পৌর আ.লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান, লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি অধ্যাপক এমএ কালাম, কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ভূট্টোলাল গাইন, সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন, দেয়াড়া ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুল মান্নান, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি রুবেল মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সম্রাট, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাঈদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান জর্জ, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন রাসেল প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest