সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতি

মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে দুই মাদকাসক্তের নেতৃত্বে গঠিত হলো কলারোয়া ছাত্রলীগের কমিটি!

কলারোয়া প্রতিবেদক: সারাদেশে যখন মাদকবিরোধী অভিযান চলছে এবং প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বলছেন এই অভিযান চলতে থাকবে তখন গুঞ্জনকে সত্য করে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আনা হয়েছে মাদকসেবনের দায়ে অভিযুক্তদের। একই সাথে এসব কমিটি যেমন কোন প্রকার সম্মেলন না করে দেয়া হচ্ছে তেমনি সংশ্লিষ্ট এলাকার আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দকেও অন্ধকারে রাখা হচ্ছে। এর ফলে কার্যত মাদার সংগঠন আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের থেকে জেলার অনেক স্থানেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে ছাত্রলীগ।
উল্লেখ্য, সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের অভিযোগ- ইদানীং সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের একের পর এক কমিটি হচ্ছে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে। কোন সম্মেলন ছাড়াই এসব কমিটি হচ্ছে ব্যক্তিগত পছন্দে-অপছন্দে। এরই ধারাবহিকতায় গভীর রাতে ফেসবুকে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে গঠিত হলো কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি।
কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নব গঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মাদকাসক্ত। ছবিতে নব গঠিত কমিটির সভাপতি এস.এম আবু সাঈদ ফেন্সিডিল সেবন করছেন। আরেকটি ছবিতে সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান জজ ফেন্সিডিলের বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। এই ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। মন্তব্যে অনেকেই বলছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা হয়নি এখনও। এই অন্তবর্তী সময়ের সুযোগ নিয়ে গঠনতন্ত্রের প্রতি বিন্দুমাত্র সম্মান না দেখিয়ে অর্থের বিনিময়ে সাতক্ষীরায় বিক্রি করা হচ্ছে একের পর এক ছাত্রলীগের বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিটের পদ।

শুক্রবার মধ্যরাতে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান সাদিক তাদের নিজ ফেসবুকে একটি কমিটি প্রকাশ করেছেন। আগামী এক বছরের জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট নব গঠিত কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুইজনই মাদকাসক্ত।- বলছেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ অকেনেই।

কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কুিমটির সভাপতি শেখ ইমরান হোসেন জানান, আমি গত ৮ বছর ছাত্রলীগের কলারোয়া উপজেলার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। আমার কিছু চাওয়া পাওয়ার নেই। তবে মাদকাসক্তদের দিয়ে কমিটি গৌরবজ্জ্বল ছাত্রলীগের ঐতিহ্য বিলীন করবে।

এদিকে, মাদকসেবনের বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য গঠিত কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম আবু সাঈদ বলেন, আমি মাদকের সঙ্গে যুক্ত নই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এক শ্রেণির ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মাদক সেবনরত ছবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তবে বলেন, আমি এটা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছিলাম। আর আমি মাদকের সঙ্গে কোন ভাবেই জড়িত না।
অন্যদিকে, ফেন্সিডিলের বোতল হাতে দাঁড়িয়ে থাকা সদ্য গঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান জজ বলেন, ছবিটা আমার তবে আমি মাদক সেবন করি না। তবে ছবি আসলো কিভাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সাবেক কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ ইমরান হোসেন একজন চিহ্নিত মাদকসেবী। পূর্বে তার সঙ্গে আমার সখ্যতা ছিলো। একদিন সে এই ছবিটা তুলেছিলো।
এদিকে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের এমন বিতর্কিত কমিটি নিয়ে সর্বত্র চলছে সমালোচনা। বিষয়টি সকলেই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন।
কলারোয়া উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন বলেন, এস. এম আবু সাঈদ ও শাকিল খান জজ এলাকায় চিহ্নিত মাদকসেবী। কারা কিভাবে কমিটি দেয় এটি আমার বোধগোম্য নয়। সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের কমিটির জন্য মাদার সংগঠন আ.লীগের সঙ্গে সামান্যতম যোগাযোগ করা হয় না। তা ছাড়া আবু সাঈদ ও শাকিল খান জজ এদের আ.লীগের কোন প্রগামেও দেখা যায়নি। জামায়াত-শিবির পরিবারের অন্তভূক্ত এরা। এলাকায় চিহ্নিত মাদকসেবী ও জামায়াত-শিবির পরিবারের সদস্য দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।
এসব বিষয়ে কথা বলতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান সাদিক বলেন, বিষয়টি জেনেছি। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কেউ বলতে চায় ছবিটি এডিট করা। তবে ঘটনার সত্যতা মিললে কমিটি বাতিল করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৪৮

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০ মাদক মামলার আসামীসহ ৪৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৮ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৯ জন, তালা থানা ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ৫ জন, শ্যামনগর থানা ৬ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘যত বার বলি বয়ফ্রেন্ড নেই, বিশ্বাস করতেই চায় না’

বিনোদন সংবাদ: কলকাতার মুক্তি পাচ্ছে অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের ‘সুলতান: দ্য সেভিয়র’। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় টলিউড অভিনেতা জিৎ। কলকাতায় এটি মিমের তিন নম্বর ছবি। বর্তমানে রাজা চন্দ পরিচালিত এ ছবিটির প্রচারণা দিয়ে ব্যস্ত তিনি।

ব্যক্তিগতভাবে অভিনেতা জিতের ভক্ত মিম। তাকে নিয়ে সম্প্রতি কলকাতার আনন্দবাজার দেয়া সাক্ষাৎকারে মিম জানান, শুটিংয়ের সময় জিৎদা বারবার আমাকে জিজ্ঞেস করতেন, আমি কারও সঙ্গে প্রেম করি কি না। যত বার বলি আমার বয়ফ্রেন্ড নেই, বিশ্বাস করতেই চায় না।

‘সুলতান’ ছবিতে নিজের চরিত্র নিয়ে মিম বলেন, ধনী পরিবারের জেদি মেয়ের। পেশায় আইনজীবী। সুলতানের (জিৎ) প্রেমে পড়ি। সুলতান আমার প্রেমে না পড়ায় আমার জেদ চড়চড় করে বাড়ে। না… আর বলব না। (হাসি)
বাংলাদেশ ও কলকাতায় কাজের পার্থক্য নিয়ে জানতে চাইলে মিম বলেন, ক্যামেরার কাজ, স্ক্রিপ্ট, পরিচালনায় অমিল নেই। কিন্তু কাঠামো কিছুটা আলাদা। যেমন এখানে ছ’টায় কল টাইম হলে, শুটিং শুরু হয় ছ’টাতেই। কিন্তু বাংলাদেশে সেটা সাতটা-আটটা হয়েই যায়। এখানে আউটডোরে কাজের সময় ভ্যান পাই। ওখানে সে ব্যবস্থা নেই। সেই সময় নিজের গাড়িই ভরসা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিলিপাইনের রহস্যময় ‘চকোলেট’ পাহাড়

ভিন্ন স্বাদের খবর: ফিলিপাইনের বোহল দ্বীপের উপর দিয়ে উড়োজাহাজ কিংবা হেলিকপ্টারে উড়ে যাবার সময় নিচের দিকে তাকালে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য নজরে পড়বে। মনে হবে যেন মাঠের ভেতর সারি সারি খড়ের গাদা বসানো। এগুলো আসলে সারি সারি ঢিবির মতো পাহাড়। শুকনোর দিনে সব কটির রং বাদামি। যেন প্রকাণ্ড এক একটি খাঁজকাটা চকোলেট।

এক হাজার ৭৭৬টি পাহাড় আছে এখানে। দেখতে সব কটি প্রায় একই রকম। ২০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই পাহাড়গুলোর উচ্চতাও প্রায় একই রকম, ৪০০ ফুটের কাছাকাছি। এটি প্রকৃতির অপার বিস্ময় বলে উল্লেখ করেছে গবেষকরা। সবুজে ঢাকা পাহাড়গুলো মানুষ বানায়নি, তা সম্ভবও নয়। তবে কী করে হলো?

প্রকৃতিবিশারদরা বলছেন, আগ্নেয়গিরি থেকেই এমনটা হয়েছে। কেউ বলছেন, সাগরের তলদেশের আগ্নেয়গিরি ফেটে গিয়ে তলা থেকে বুদ্বুদের মতো ফুলে গেছে মাটি। আবার ওপরে থাকা কোনো আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরিত হয়ে লাভা ছড়িয়ে পড়েও এমনটা হতে পারে বলে মনে করা হয়।

ফিলিপাইনের বোহোল পৌরসভায় এই চকোলেট পাহাড়গুলোর অবস্থান। ডোম আকৃতির এই পাহাড়গুলো দেখে অগণিত মানুষের চোখ জুড়ায়। ঋতু অনুসারে পাহাড়গুলোর রং বদল হয়। সবচে সুন্দর লাগে এর চকোলেট রং। ফিলিপাইনের পর্যটন আকর্ষণের মধ্যে এটা হচ্ছে অন্যতম। ২০০৬ সালে ইউনেসকে এগুলোকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রত্যক্ষদর্শী পর্যটকদের মতে, এই দৃশ্যের সাক্ষী হতে পারা যে কারো জন্য ভাগ্যের ব্যাপার।-ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় হলুদ!

স্বাস্থ্য ও জীবন: হলুদ একটি জাদুকরী ভেষজ উপাদান তাৎক্ষণিক এবং স্থায়ী সৌন্দর্যের মূলমন্ত্র হল হলুদ। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে হলুদের গুরুত্ব অপরিসীম। হলুদ শুধু রান্নায় ব্যবহার করা হয়না, সুন্দর নিখুঁত ত্বকের যত্নেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে সৌন্দর্য সচেতন নারীদের রুপচর্চায়। এখনও অনেকেই রুপচর্চার আভিজাত্য হিসেবে হলুদকেই প্রাধান্য দেয়।

চলুন, হলুদের ব্যবহার এবং উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই-

১) মধু ও হলুদের প্যাক-
এক চা চামচ হলুদ আর আধ চা চামচ মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। ব্রণের উপর লাগিয়ে দশ মিনিট এর মত অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ না শুকোনো পর্যন্ত দিনে একবার লাগাতে হবে। আপনি যদি ত্বকে আগে কখনও হলুদ না লাগিয়ে থাকেন, তবে প্যাচ টেস্ট করে নিবেন।

২) হলুদ ও টক দইয়ের মাস্ক-
দু’ টেবিলচামচ টকদই আর আধ চা চামচ হলুদ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ব্রণের জায়গাগুলোতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন বার লাগালেই ব্রণ দূর হয়ে যাবে।

৩) নিম ও হলুদের প্যাক-
ত্বক সুস্থ রাখতে নিমের ব্যবহার বহু প্রচলিত। দরকার ১০-১২টা টাটকা নিমপাতা আর সিকি চামচ হলুদগুঁড়ো। নিমপাতাগুলো জলে ফুটিয়ে বেটে নিন। এবার তাতে হলুদগুঁড়ো মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এখন ব্রণের উপর লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলের ঝাপটায় ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার লাগাতে হবে।

৪) চন্দন ও হলুদের প্যাক-
শুধু ত্বকই নয়, চন্দনের মনমাতানো গন্ধ আপনার মনকেও শীতল করে তোলে। দু’ টেবিলচামচ চন্দনগুঁড়ো নিন। তার সঙ্গে আধ চা চামচ হলুদগুঁড়ো আর পরিমাণমতো গোলাপজল দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। ব্রণের উপর লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে হালকা গরমজলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার লাগাতে হবে।

৫) বেসন ও হলুদের প্যাক-
এই ফেসপ্যাকটি শুধু ব্রণর উপরেই নয়, সারা মুখেও মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এক চা চামচ হলুদগুঁড়ো, দু’চা চামচ বেসন আর তিন চা চামচ গোলাপজল। তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখ পরিষ্কার করে তারপর সারা মুখে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবেন। সপ্তাহে দু’বার করলে ব্রণ তো কমবেই, ত্বক ভরপুর জেল্লাদারও হয়ে উঠবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে ৭০ লাখ মাদকাসক্ত, প্রতিবছর মাদকে ব্যয় ৬০ হাজার কোটি টাকা

দেশের খবর: জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সদস্য ডা. অরুপ রতন চৌধুরী বলেছেন, দেশে প্রায় ৭০ লাখ মাদকাসক্ত রয়েছে, আর প্রতিবছর মাদকের পেছনে তারা ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ প্রতিদিন আয়োজিত ‘মাদক বিরোধী অভিযান ও বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি সমাজে মাদকাসক্তির কারণ হিসেবে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে মাদক গ্রহণ , কৌতুহলবশত মাদক গ্রহণ, হতাশা, পরীক্ষায় ফেল, প্রেমে ব্যর্থতা, পারিবারিক প্রতিকূল পরিবেশ, ধর্মীয় ভাবাগের অনুপস্থিতি, মাদকের সহজ লভ্যতাকে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, তিনভাবে মাদকের প্রসার রোধ করা যায়, আর তা হলো- সাপ্লাই রিডাকশন, ডিমান্ড রিডাকশন ও হার্ম রিডাকশন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সচিব নাসির উদ্দিন আহমদ, বিএসএমএমইউ এর ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মোহিত কামাল, ঢাবি অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাসেত মজুমদার, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী সিকদার (অব.), নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ (অব.), জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা.ফারজানা, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার শেখ আসলাম, অভিনেতা জায়েদ খান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিকে-শাকিরার দামি সম্পত্তি চুরি হয়ে গেল!

খেলার খবর: বিশ্বকাপ নিয়ে এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে স্পেন। তবে এর মধ্যেই তারকা ডিফেন্ডার পিকে’র মন নেই বিশ্বকাপে। তিনি এখন ব্যস্ত বাড়ি থেকে খোওয়া যাওয়া দামি জিনিসপত্র উদ্ধার করা নিয়ে। আসলে পিকে-শাকিরার বাড়িতে বড়সড় চুরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, দামি গহনা, জুয়েলারি, ঘড়ি চুরি হয়েছে এসপ্লাগেস ডি লবরিগাটের বাড়ি থেকে। বার্সেলোনা থেকে এই স্থানের দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। এখানেই শাকিরার সঙ্গে বাসা পিকে’র।

তবে বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য বর্তমানে জাতীয় দলের সঙ্গে রয়েছেন পিকে। অন্যদিকে স্ত্রী শাকিরা গান গাইতে বেড়িয়েছেন ওয়ার্ল্ড ট্যুরে। কর্তা-গিন্নির অনুপস্থিতিকেই ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছেন চোরেরা।

তবে জানা গেছে, পিকে, শাকিরা বাড়িতে না থাকলেও সেই বাড়িতে ছিলেন পিকের বাবা-মা। তাদেরই প্রথম নজরে আসে চুরির ঘটনা। তৎক্ষণিকভাবে কাতালান থানায় খবর দেন তারা।। আপাতত সেই ঘটনার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনা গড়িয়েছে বহুদূর। এমনকি স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপের কানেও পৌঁছেছে এই চুরির ঘটনা।

রাশিয়ার বিমানে ওড়ার আগে জাতীয় দলের ফুটবলারদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন রাজা ফিলিপ। সেখানেই রাজার কাছে ব্যক্তিগত সমস্যার কথা তুলে ধরেন পিকে। তবে চোরদের হদিস পেতে ছুটেছে পুলিশ। কারণ, বাড়িতে চোরেদের কোনও হাতের ছাপ পাওয়া যায়নি। সেলিব্রিটি চোর বলে কথা!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করছেন? তাহলে জেনে নিন!

স্বাস্থ্য কণিকা: বেশিরভাগ পুরুষই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন কিন্তু জানেন কী, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে শরীরে মারত্মক ক্ষতি হয়। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সব মারাত্মক ক্ষতি হয় তা নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ। এক নজরে দেখে নিন দাড়িয়ে প্রস্রাব করার মারাত্বক ক্ষতিকর দিকগুলো-

১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলি মূত্রথলির নীচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে মূত্রথলিতে চাপ লাগে, ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

২) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপরের অংশে কোনও চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু স্বাভাবিক ভাবে বের হতে পারে না। উল্টে তা শরীরের উপর দিকে উঠে যায়। এর ফলে শরীরের অস্থিরতা, রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের গতি বৃদ্ধি পায়।

৪) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলি শরীর থেকে ঠিক মতো বেরিয়ে যেতে পারে না। সেগুলি মূত্রথলির নীচে গিয়ে জমা হয়। দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে এই দূষিত পদার্থগুলি জমতে জমতে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করে।

৫) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন, তাঁরা শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস বা মারাত্মক কিডনির অসুখে আক্রান্ত হন।

সুতরাং, বদলে নিন অভ্যাস, সুস্থ শরীরে বাঁচুন দীর্ঘদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest