সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারInstant casino’s bieden meer dan alleen snelheid: een diepgaande analysePianificazione Strategica del Cool‑Off nel Gioco d’Azzardo Online – Come Trasformare le Pause in Strumenti di Benessereการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casinoIl nuovo paradigma dei leader di piattaforma nel casinò digitale 2024: un’analisi quantitativa estivaL’arte della persuasione nei giochi di slot: come le piattaforme leader sfruttano la psicologia del giocatore

ফের মা হচ্ছেন কারিনা!

বিনোদন ডেস্ক: কারিনা কাপুর খান। বলিউডের হার্টথ্রব অভিনেত্রী ও পতৌদির নবাব পরিবারের পুত্রবধূ। গত ২০১৬ সালে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন কারিনা। সাইফ-কারিনার ওই পুত্রের নাম তৈমুর আলী খান। তবে ২ বছর পর ফের মা হতে চলেছেন কারিনা। তবে বাস্তবে নয় সিনেমার চরিত্রে মায়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন কারিনা কাপুর খান।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ধর্মা প্রোডাকশনের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কারিনা। এতে সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে রোমান্স করতে দেখা যাবে তাকে। সবকিছু ঠিক থাকলে এ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার জুটি বাঁধবেন তারা। ‘নতুন এই সিনেমাটিতে কারিনা কাপুর একজন মায়ের চরিত্রে অভিনয় করবেন। তিনি বাস্তজীবনেও একজন মা। তাই এই চরিত্রের জন্য কারিনা উপযুক্ত। সিনেমাটির গল্প বিয়ে এবং সম্পর্ক নিয়ে। দুই দম্পতিকে ঘিরে সিনেমার কাহিনী এগিয়েছে। এক দম্পতি কয়েক বছর আগে বিয়ে করেছে আর অন্যটি সদ্য বিবাহিত। সিনেমাটির চিত্রনাট্য পড়ে কারিনা কাপুর পছন্দ করেছেন।’

সূত্রটি আরো জানায়, ‘২০০৬ সালে ধর্মা প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত ‘কি অ্যান্ড কা’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন কারিনা কাপুর। তারপর থেকেই করন জোহর চাচ্ছিলেন কারিনা ধর্মা প্রোডাকশনে ব্যানারে কাজ করুক। কিন্তু মাতৃত্বজনিত কারণে তা আর হয়ে উঠেনি। এখন দুজনেই একত্রে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর নতু্ন এই সিনেমাটি পরিচালনা করবেন রাজ মেহতা।’

সম্প্রতি করন জোহরের ধর্মা প্রোডাকশনের অফিসে দেখা গেছে কারিনাকে। পাশাপাশি করন-কারিনা বেশ ভালো বন্ধু। তাই দুই দুইয়ে চার মিলিয়ে সিনেমাটিতে কারিনার অভিনয়ের বিষয়টি বেশ জোরালো। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

কারিনা অভিনীত পরবর্তী সিনেমা ‘বীরে দ্য ওয়েডিং’। এতে আরো অভিনয় করেছেন সোনম কাপুর, অনিল কাপুর, স্বরা ভাস্কর প্রমুখ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শশাঙ্ক ঘোষ। আগামী ১ জুন সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা হওয়ার পর সন্তানের প্রথম ছবিতে সুনিধি চৌহান

বিনোদন ডেস্ক: যাঁরা সুনিধি চৌহানের ভক্ত, তাঁরা নিশ্চয় সুনিধিকে ভীষণ মিস করছিলেন। কারণ বহুদিন হলো গানের জগত থেকে দূরে রয়েছেন সুনিধি। আসলে আপাতত সুনিধি বেশ কয়েকমাস মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। আপাতত ৪ মাসের ছেলের সঙ্গে সময় কাটাতে ব্যস্ত তিনি। তবে চিন্তা নেই খুব তাড়াতাড়িই ফের গানের দুনিয়ায় ফিরছেন তিনি। তবে তার আগে ভক্তদের জন্য ৪মাসের পুত্রের ছবি শেয়ার করেছেন সুনিধি চৌহান।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে ব্ল্যাক স্ট্রাইপ কুর্তি পরে রয়েছেন তিনি। আর এক হাতে ছেলেকে ধরে রেখেছেন।

সুনিধির এই ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কমেন্ট করেছেন শ্রেয়া ঘোষাল, আকৃতি কক্কর, হর্ষদীপ কউর সহ আরও অনেকেই।

২০১২ সালে সঙ্গীত পরিচালক হীতেশ সোনিককে বিয়ে করেন সুনীধি। ২০১৭র ১৪ অগস্ট নিজের ৩৪ বছরের জন্মদিনের তাঁর মা হওয়ার কথা সকলকে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লঘুচাপ; সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা

ন্যাশনাল ডেস্ক: পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরো ঘণীভূত হয়ে উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসহ হতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সকালে এক বুলেটিনে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের নৌকা ও মাছ ধরার ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে নিরাপদে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অষ্টম সার্ক উৎসবে সেরা চলচ্চিত্র তৌকীরের ‘হালদা’

সংস্কৃতি সংবাদ: শ্রীলংকার কলম্বো থেকে দেশবাসীকে খুশির খবর দিলেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদ। অষ্টম সার্ক চলচ্চিত্র উৎসবে তার পরিচালিত ছবি ‘হালদা’ চারটি বিভাগে পুরস্কার জিতে নিয়েছে।

উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগের সমাপনী চলচ্চিত্র হিসেবে ২৬ মে স্থানীয় সময় সাড়ে ৩টায় ‘হালদা’ ছবিটি প্রদর্শিত হয়। বিচারকদের রায়ে ছবিটি সেরা চলচ্চিত্র, সেরা চিত্রগ্রাহক, সেরা সম্পাদক ও সেরা আবহ সংগীতের সম্মান অর্জন করেছে।

গত বছর ডিসেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হালদা’ চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীকেন্দ্রিক জেলে জীবনের বিপন্নতা নিয়ে নির্মিত হয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্তির খবরটি তৌকীর তার ফেসবুকে ছবিসহ শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা গেছে, তৌকীর আহমেদ চারটি ট্রফি বুকে আগলে রেখেছেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তির ব্যাপারে জানতে চাইলে তৌকীর এক ঝলক হেসে বলেন, ‘পুরস্কার তো সব সময় অনেক ভারী হয়। কিন্তু এই ট্রফিগুলো আক্ষরিক অর্থে অনেক ওজন, আয়োজকরা বলেছেন, একেকটার ওজন নাকি ছয় কেজি করে। সেই হিসাবে ২৪ কেজি দুই হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ছবি যখন দেশের বাইরে উৎসবে যায়, তখন সেখানে বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হয়। পুরস্কার পেলে তো বারবার বাংলাদেশের নাম শুনতে পারি। দেশের বাইরে মর্যাদাপূর্ণ আসরে কোনো অর্জনে দেশের নাম উচ্চারণের বিষয়টি অনেক গর্বের, অনেক আনন্দের।’

এবারের সার্ক চলচ্চিত্র উৎসবে ২৬টি চলচ্চিত্র জায়গা পেয়েছে। তৌকীরের ‘হালদা’ ছাড়াও উৎসবে আমন্ত্রিত হয়েছে আকরাম খানের ‘খাঁচা’ ও মোরশেদুল ইসলামের ‘আঁখি ও তাঁর বন্ধুরা’।

উৎসবের গত আসরে তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘অজ্ঞাতনামা’ চলচ্চিত্রটি সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদকবিরোধী অভিযান; সাতক্ষীরাসহ সারা দেশে ফের নিহত ১১

ন্যাশনাল ডেস্ক: রাজধানীসহ সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযানকালে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ জন নিহত হয়েছেন।

সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত চলা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কুমিল্লায় দুজন, ভালুকায় একজন, যশোরে দুজন, সাতক্ষীরায় একজন, কুষ্টিয়ায় দুজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, নারায়ণগঞ্জে একজন ও ঠাকুরগাওয়ে একজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যাবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রামোসের বিরুদ্ধে ৮ হাজার ৪৫১ কোটি টাকার মামলা!

স্পোর্টস ডেস্ক: মোহাম্মদ সালাহকে ইনজুরিতে ফেলে চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফিতে চুমু খেয়েছেন রিয়াল অধিনায়ক সার্জি রামোস। আর দুঃস্বপ্নের এক রাত কাটিয়েছে লিভারপুল ও তাদের ভক্তরা। তবে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না রামোসের। কারণ লিভারপুল ভক্তদের কাছে রীতিমতো ভিলেন বনে গেছেন রিয়াল অধিনায়ক।

রামোসের শাস্তি চেয়ে ইতোমধ্যে লিভারপুল ভক্তরা মাঠে নেমে পড়েছে। উয়েফা ও ফিফার কাছে শাস্তি চেয়ে নেমে পড়েছে গণস্বাক্ষর সংগ্রহের কাজে। বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির ১০০ মিলিয়ন অনুসারি রয়েছে। লক্ষ্য, তাদের মধ্য থেকে নূন্যতম ৫ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করা। যেভাবে স্বাক্ষর দিতে হামলে পড়েছেন অনুসারীরা, তাতে লক্ষ্য সীমা তো ছাপিয়ে যাবেই, শেষ পর্যন্ত সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে ঠেকে, সেটাই দেখার বিষয়। কারণ, এরই মধ্যে প্রায় ৪ লাখের মতো স্বাক্ষর আবেদন পড়েছে। তবে ফিফার ইতিহাস লিভারপুল সমর্থকরা হতাশই করবে। কারণ তাদের ইতিহাসে এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়ার নজির ফিফার নেই। আর এমন পিটিশনের ভিত্তিতে ফিফা কাউকে শাস্তি দিতে বাধ্য নয়।

এবার সেই আলোচনার পালে নতুন হাওয়া দিলেন মিশরিয়ান উকিল বাসেম ওয়াবা। সালাহকে করা রামোসের ফাউলকে ‘ইচ্ছাকৃত’ উল্লেখ করে রিয়াল অধিনায়কের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি টাকায় ৮ হাজার ৪৫১ কোটি টাকার (১ বিলিয়ন ডলার) মামলা করেছেন সেই উকিল। ফুটবলের বিখ্যাত ওয়েবসাইট গোলডটকম জানিয়েছে এ তথ্য।

সোমবার মিশরের আদালতে মামলা দায়ের করে ওয়াবা বলেন, রামোস ইচ্ছাকৃতভাবে সালাহকে আঘাত করেছে এবং এজন্য তার শাস্তি পাওয়া উচিৎ। আমি তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি এবং ফিফায় অভিযোগ করেছি। আমি ক্ষতিপূরণ আবেদন করবো, যা কিনা ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হতে পারে। সালাহসহ মিশরের মানুষকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে আঘাত দেয়ায় তার এই শাস্তি প্রাপ্য।

আপাতদৃষ্টিতে এই মামলায় জেতার কোন সম্ভাবনা নেই ওয়াবার। তবে কোনোভাবে মামলায় জিতে গেলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাওয়া টাকার পুরোটাই মিশরের উন্নতির কাজে দান করে দেবেন বলে জানিয়েছেন ওয়াবা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাকিবদের সঙ্গে আফগানিস্তানে যেতে পারছেন না মুস্তাফিজ

স্পোর্টস ডেস্ক: আইপিএল থেকে ফিরে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। কিন্তু ওয়ালশ তাকে দুইদিনের বিশ্রাম দিয়েছেন। কারণ মুম্বাইয়ের শেষ ম্যাচে বাঁ পায়ের আঙ্গুলে চোট পান কাটার মাস্টার। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে অংশ নিতে মঙ্গলবার সাকিবদের সঙ্গে যেতে পারছেন না মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশ ক্রি‌কেটের মিডিয়া বিভাগ সোমবার রাতে বিষয়টি জানিয়েছে।

আইপিএলে সময়টা ভালো যায়নি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের। খুব ভালো করতে পারেননি। অবশ্য খুব খারাপও করেননি। তবে দলের কম্বিনেশনের জন্য বেশ কিছু ম্যাচে তাকে বসে থাকতে হয়েছে। শেষ ম্যাচে পায়ের আঙ্গুলে ব্যথা পেয়েছেন। তবে মুস্তাফিজকে নিয়ে বেশ সতর্ক বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ কোর্টনি ওয়ালশ।

কাটার মাস্টারকে নিয়ে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে চান না কোচ। তাই বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মুস্তাফিজকে। ওয়ালশের দাবি, ‘ভারতে আমরা সেরা ফর্মের মুস্তাফিজকে চাই। সে অনেক উন্নতি করেছে। সে তার শক্তিও ফিরে পেয়েছে। আমি মনে করি, আফগানিস্তানের বিপক্ষে সে তার পুরো গতি দিয়ে বোলিং করতে পারবে। সে ভালো করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের হাতে পায়ে শেকড়, হাসপাতাল থেকে বৃক্ষমানব আবুল বাজানদারের পলায়ন

ন্যাশনাল ডেস্ক: ‘বৃক্ষমানব’ হিসেবে পরিচতি পাওয়া বিরল রোগ ট্রি-ম্যান সিনড্রোমে আক্রান্ত খুলনার ভ্যানচালক আবুল বাজনদার কাউকে কিছু না জানিয়েই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসিএইচ ) ছেড়ে চলে গেছেন। দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। গত শনিবার কাউকে কিছু না বলে বাইরে বেরিয়ে যান, আর ফিরে আসেননি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আবুল বাজনদার কাউকে কিছু না জানিয়েই চলে গেছে। সে যেতে চেয়েছিল, ওকে আমি বলেছি, তোমার অস্ত্রোপচার হয়েছে। আমরা আরও করবো। তার হাতে পায়ে আবারও অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া আগেই তিনি চলে যান।

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সরল গ্রামের আবুল বাজনাদারে দেহের বিভিন্ন অংশে ১০ বছর বয়স  গাছের শিকড়ের মতো লম্বা মাংশপিন্ড গজাতে থাকে। এক সময় চলাচল পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায় তার। স্থানীয়পর্যায়ে নানা রকম চিকিৎসা করিয়ে সহায়-সম্বল ও সর্বশেষ বসতভিটা বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বজনরা তাকে ভ্যানে করে বাজারে বাজারে ভিক্ষা করে সংসারের খরচ ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন।এমন পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পর সরকারি তত্ত্বাবধানে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে  চিকিৎসার জন্য আবুল বাজনাদারকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে। ধাপে ধাপে তার হাতে ও পায়ে ২৫টি অস্ত্রোপচার হয়। হাত-পায়ের দুই-এক জায়গায় মূল শিকড় উঠিয়ে ফেললেও বাকি জায়গা দিয়ে আবারো আগের মতো করে শিকড় উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আড়াই বছর চিকিৎসার পর সুস্থ না হওয়ায় অনেকটা হতাশ হয়েই পাইকগাছার নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন বৃক্ষমানব আবুল মজুমদার। ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে কেন এভাবে চলে এলেনন জানতে চাইলে আবুল বাজানদা বলেন, ‘কী করবো? ওনারা বলছেন যে তোমার সমস্যার সমাধান হবে না। শিকড় আবারও উঠবে। এটা অস্ত্রোপচার করে ফেলে দেওয়ার, আবারও দেখা দিবে। অস্ত্রোপচার বার বার করতে হবে। এদিকে পরিবার-পরিজন ছেড়ে হাসপাতালে থাকতে আমার অতিষ্ঠ লাগছিল। তাই চিকিৎসকদের কাছে কিছুদিন আগে আমি ছুটি চাই, তখন চিকিৎসকরা জানান তোমার ছুটি নিতে হলে কাগজে সই দিতে হবে। কাগজে অনেক কিছু লেখা ছিল, কিছু না বুঝে কেন আমি সই দেব? তাই কাউকে না জানিয়ে শনিবার কিছু না জানিযে চুপচাপ আমি বাড়ি চলে আসি।

শুরুতে সুচিকিৎসা পেলেও পরে  চিকিৎসকরা  আর আগের মতো তার যত্ন নেয়নি জানিয়ে আবুল বাজনাদার  বলেন, শুরুতে চিকিৎসকরা বলেছেন, ভয়ের কিছু নেই। চিকিৎসার পর তুমি ভালো হয়ে যাবে। এখন বলছেন, তোমার রোগটি জেনেটিক। তোমার রোগটি ভালো হবে না। বার বার শিকড় গজাতেই থাকবে, বার বার অস্ত্রোপচার করা লাগবে। সারাজীবন ধরে চলবে এই রকম চিকিৎসা। তাদের কথায় আমার মন ভেঙে গেছে।আমি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে বেঁটে থাকতে চাই, সুচিকিৎসা চাই।

এ প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করা হলে বার্ন ইউনিটে সমন্বকারী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আবুল বাজনাদার দীর্ঘদিন হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। কিন্তু পঁচিশবার অস্ত্রোপচারের পরও দূর্ভাগ্যজনকভাবে তার দেহে আবারও শিকড় দেখা দেয়। কারণ তার রোগটি জেনেটিক। আবার অস্ত্রোপচারের জন্য তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে বাজনদার কিছু দিন আগে হাসপাতাল থেকে বাড়ি যাওয়ার জন্য ছুটি চাইলে তাকে বলা হয় হাসপাতালের কিছু নিয়ম আছে সেই নিয়ম পালন করে তোমার যেতে হবে। যেমন ছুটির কাগজে তোমার সই দিতে হবে। কিন্তু বাজনাদার তা না করে কাউকে কিছু না জানিয়ে হাসপাতাল ছাড়ে।

ডিএমসিএইচের এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরো বলেন, এ ধরনের রোগ বাংলাদেশে এই প্রথম এবং গোটা বিশ্বে বিরল। ২০০৭ ও ২০০৯ সালে মাত্র দু’জন এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। এদের একজন ইন্দোনেশিয়ায় ও অপরজন রোমানিয়ায়। এ ধরনের রোগীকে সাধারণত ‘বৃক্ষমানব’ বলা হয়ে থাকে। ২০১৫ সালে যে সময় আবুলকে ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়, তার সপ্তাহখানেক আগে ইন্দোনেশিয়ায় বিরল এ রোগে আক্রান্ত কসওয়ারা দেদে নামে একজনের মৃত্যু হয়। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা মেডিক্যালের (ডিএমসিএইচ) বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকেরা বাজানদারের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সফল অস্ত্রোপচারে আবুলের সুস্থতা গোটা চিকিৎসা জগতের বিরল সাফল্য এনে দিয়েছিল। কিন্তু এটি জেনেটিক হওয়ায় আবার বাজনাদার হাতে পায়ে শিকড় গজাচ্ছে। তবু আমরা হাল ছাড়িনি।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আবুল বাজনদার ফিরে এলে অবশ্যই তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা হবে। নতুন করে আমরা আক্রান্ত স্থঅনে অস্ত্রোপচার করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest