সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শোসাতক্ষীরায় চার দিন ধরে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীর মেলেনি সন্ধান : দিশেহারা পরিবারসাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ইফতারি বিতরণসাতক্ষীরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের ইফতারদেবহাটার দর্জিরা আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেনবেতনা ও মরিচ্চাপ নদী রক্ষায় টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনদেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার

কেন্দ্রীয় কমিটি; ছাত্রলীগের ৩২৩ জন ডাক পাচ্ছেন গণভবনে

ন্যাশনাল ডেস্ক: ছাত্রলীগের নেতা হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা ৩২৩ প্রার্থী ডাক পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবন গণভবনে। আগামী রোববার ও সোমবার ডাকা হতে পারে এসব পদ প্রত্যাশীদের।
দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বুধবার রাতে গণভবনে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্রের দাবি অনুযায়ী, পদ প্রত্যাশীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। নেতা হিসাবে দায়িত্ব তুলে দেয়ার আগে তাদের রাজনৈতিক মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতার পরীক্ষা নিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন শেখ হাসিনা। ফলে চলতি সপ্তাহেও হচ্ছে না ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রলীগের নেতা হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের সাক্ষাতকার নেয়া শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও আবার বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।
ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে ১১১ ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্যে ২১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। চলতি মাসের ১১ও ১২ তারিখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে নতুন নেতা নির্বাচন করা ছাড়াই শেষ হয় সম্মেলন।
এর আগে তিন দফা ভোটর মাধ্যমে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচিত হয়। সারাদেশ থেকে আসা কাউন্সিলররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। তবে গত দুই বার ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হলেও তাদের নিয়ে নানা সমালোচনা হয়। সর্বশেষ দুই বারের কমিটিতে সংগঠনটিতে অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের বিরুদ্ধে এসব নানা অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীকে হতাশ করেছে। এরই পরিপ্রক্ষিতে সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোট প্রক্রিয়া বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানান শেখ হাসিনা। তিনি সিলেকশনে নেতা বানানোর সিদ্ধান্ত জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমবিবিএস পরীক্ষায় ২য় সেরা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ

নিজস্ব প্রতিনিধি: মেডিকেল কলেজ সমূহের এমবিবিএস পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেমেডিকেল কলেজগুলোর মধ্যে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ জন কৃতকার্য হয়েছে।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. কাজী হাবিবুর রহমান জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মেডিকেল কলেজ সমূহের শেষ বৃত্তিমূলক এমবিবিএস পরীক্ষায় ১৯টি মেডিকেল কলেজ হতে এক হাজার ৯৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষায় এক হাজার ২৫১ জন কৃতকার্য হয়। পাশের শতকরা হার ৬৩.৭৬ ভাগ। সেখানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে পাশের হার শতকরা ৮০ ভাগ। ৮৩.৩৩ ভাগ পাশ করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ প্রথম স্থান করে। ৭৫ ভাগ পাশ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ তৃতীয় স্থান এবং নর্দান মেডিকেল কলেজ ৩৩.৩৩ ভাগ পাশ করে ১৯টি কলেজের মধ্যে সর্বনিম্নে অবস্থান করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় অবৈধ কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে জেলা প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাডেমিক আওয়ারে স্কুল ফাঁকি দিয়ে কোচিং বাণিজ্যের সাথে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ অনুযায়ী গঠিত জেলা মনিটরিং কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গতকাল বুধবার কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোজার পরেই স্কুল খুললে শহরের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিভাবক সমাবেশ করা হবে। কোচিং সেন্টারগুলোকে নিয়েও পৃথক বৈঠক করা হবে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করে এ বিষয়ে সকলকে সচেতন করবেন।
সভায় বর্তমানে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রমে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন। তিনি বলেন, মাঝে মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে শহরের দুটি সরকারি হাইস্কুলে দুপুরের পর ৫-৭ জনের বেশি শিক্ষার্থী পাওয়া যায় না। যারা স্কুলে ক্লাস করতে ইচ্ছুক নয়, তাদেরকে ছাড়পত্র দেওয়ার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক। সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, সরকারি স্কুল ও কলেজে লেখাপড়া হচ্ছে না। শিক্ষকরা কোচিং করাতে উদ্বুদ্ধ করছেন। একাডেমিক আওয়ারে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বাড়িতে বসানো হচ্ছে কোচিং সেন্টার। এমনকি টিফিন আওয়ারে শিক্ষকরা স্কুল থেকে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে স্পেশাল কোচিং করাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ে না গেলে দুই একদিন অনুপস্থিতির জন্য ভর্তি বাতিল করার হুমকিও দিচ্ছেন। একাডেমিক আওয়ারে কোচিং সেন্টারগুলো খোলা রাখা হচ্ছে। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা খাতুন, অভিভাবক সদস্য ও দৈনিক পত্রদুত’র উপদেষ্টা সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাকিবের রানি এখন বুবলী!

বিনোদন ডেস্ক: ‘ও রানি তোয়ার লাগি পালকী সাজাইছি, চোখত নজর দিয়া হাজার ভেলকি দেখাইছি, তোরে বউ বানামু’- এমন গানের কথায় ঠোঁট মিলিয়ে বুবলীর সঙ্গে নাচছেন শাকিব। গানটির সঙ্গে রোমান্সে মেতেছেন শাকিব খান ও শবনম বুবলী।

শাকিব খান ও বুবলী অভিনীত ‘চিটাগাইংয়া পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ ছবির প্রথম পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে এরই মধ্যে। ছবিটি সেন্সরেও জমা পড়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আসছে ঈদে মুক্তি পাবে ছবিটি। ছবি মুক্তির আগে এবার প্রকাশিত হল ছবিটির প্রধান গানটি।

‘ও রানি’ শিরোনামের গানটি প্রকাশ করা হয়েছে শাপলা মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে। সোমবার রাতে প্রকাশিত হওয়া গানটি একদিনের মধ্যে এক লাখ ৭০ হাজারেরও অধিকবার দেখা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষার গান এটি। এই গানে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর ভাষার গানে ঠোঁট মিলিয়েছেন শাকিব-বুবলী।

এ গানের কথা লিখেছেন সুদীপ কুমার দীপ। সুর ও সংগীত করেছেন শাহরিয়ার রাফাত। দ্বৈত কণ্ঠের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ঐশী ও রাফাত নিজেই। আর এই গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন ভারতীয় নৃত্য পরিচালক বাবা যাদব। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন লোকেশনে গানটির শুটিং হয়েছে।

পরিচালক উত্তম আকাশ বলেন, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলের দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব এবং প্রেম-ভালোবাসার গল্প নিয়ে নির্মিত এ ছবিটি দর্শকরা ভালোভাবে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি। আগামী ঈদে দেশব্যাপী মুক্তি দেয়া হবে রোমান্টিক ও কমেডি গল্পের এ ছবিটি।

গেল বছরের অক্টোবরে এফডিসিতে মহরতের মাধ্যমে শুরু হয় ‘চিটাগাইংয়া পোয়া ও নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ ছবির শুটিং। এর পর নভেম্বরে শুটিং হয় ময়মনসিংহে আর গানের শুটিং হয় থাইল্যান্ডে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে মুম্বাইয়ের দুর্দান্ত জয়

স্পোর্টস ডেস্ক: আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের চারে জায়গা করার লড়াইয়ে টিকে আছে মুম্বাই। পাঞ্জাবের বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচে ৩ রানের দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে মুস্তাফিজ-রোহিতদের মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। এদিনের ম্যাচেও কাটার মাস্টারকে ছাড়াই মাঠে নেমেছিলো দলটি।

বুধবার মুম্বাইয়ের ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে জেপি ডুমিনির জায়গায় ডাক পান কাইরন পোলার্ড। আর সুযোগটা দারুণভাবেই কাজে লাগান তিনি। দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে মুম্বাই যখন ব্যাকফুটে তখন ক্রুনাল পান্ডিয়াকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন এই ক্যারিবীয়। ২৩ বলে ৩ ছক্কা আর ৫ বাউন্ডারিতে ঠিক ৫০ রানেই থামেন তিনি। মুম্বাইয়ের ইনিংস শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রানে থামে।

১৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ক্রিস গেইলের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাঞ্জাব। কিন্তু দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কেএল রাহুল অ্যারন ফিঞ্চকে নিয়ে ম্যাচের চাকা সচল রাখেন। ফিঞ্চ ৩৫ বলে ৪৬ রান করে বিদায় নিলেও ব্যাট চালিয়ে যান রাহুল। ৩৬ বলে ফিফটি তুলে নেওয়া রাহুল ম্যাচের ১৬তম ওভারের শেষ দুই বলে টানা ছক্কা মেরে ম্যাচের পাল্লা পাঞ্জাবের দিকে হেলিয়ে দেন। অবশেষে সেঞ্চুরির সুবাস পেতে থাকা রাহুলকে ৬০ বলে ৯৪ রানে ১৯তম ওভারে বিদায় করে দেন বুমরাহ। ওভারের তৃতীয় বলে বুমরাহ’র বলে দারুণ এক ক্যাচ ধরেন বেন কাটিং।

শেষ বলে ৮ রান প্রয়োজন ছিল পাঞ্জাবের। কিন্তু মনিশ তিওয়ারি মাত্র চার তুলতে সক্ষম হন। মুম্বাই জিতে যায় ৩ রানে।

এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বর স্থানে জায়গা করে নিলো। ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে রইলো মুস্তাফিজদের। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে নেমে গেছে পাঞ্জাব (নেট রান রেটের ব্যবধানে)। অন্যদিকে কলকাতাও ১৪ পয়েন্ট নিয়ে এক পা দিয়ে রেখেছে প্লে অফে।

উল্লেখ্য, এরইমধ্যে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে হায়দ্রাবাদ ও চেন্নাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চারিদিকে ইসরায়েলের নিন্দা, মুখ খোলেনি সৌদি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৬১ ফিলিস্তিনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। এছাড়া রাশিয়া ও চীনও গত মঙ্গলবার জাতিসংঘে নিন্দা জানিয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদের ওই বৈঠকে ফিলিস্তিন ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে জাতিসংঘের নীরবতার কড়া সমালোচনা জানায় ফ্রান্স। চলমান উত্তেজনায় সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্য।

এদিকে, নিরাপত্তা পরিষদের এ বৈঠকে গাজায় হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় ইরান ও হামাসকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতিই এ সংকটের একমাত্র সমাধান।

পরে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ইসরায়েলের কড়া সমালোচনা করেছে। দপ্তরের মুখপাত্র রুপার্ট কোলভিল জেনেভায় বলেছেন, কেউ সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসছে বলে তাদের গুলি করে মারতে হবে? তবে ফিলিস্তিনিদের হত্যার ব্যাপারে মুখ খোলেনি সৌদি আরব।

এরই মধ্যে ইসরায়েলে নিযুক্ত দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করেছে গুয়েতেমালা। মার্কিন দূতাবাস তেল আভিভ থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার একদিন পর জেরুজালেমে নিজেদের দূতাবাস উদ্বোধন করেছে গুয়েতেমালা।

জেরুজালেমে দূতাবাস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং গুয়েতেমালার প্রেসিডেন্ট জিমি মোরালেস উপস্থিত ছিলেন।

এর অাগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত সোমবার জেরুজালেমে দূতাবাসের উদ্বোধন করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করে কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি।

ফিলিস্তিনিদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে গুলি, কাঁদানে গ্যাস ও ড্রোন দিয়ে আগুনের গোলা ছুঁড়ে মারে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং দুই হাজার সাতশর বেশি মানুষ আহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

ন্যাশনাল ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ বৃহস্পতিবার (১৭ মে)। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় ঘাতকদের হাত থেকে রেহাই পান।

জাতির ইতিহাসের এ বিষাদময় ঘটনার সময় স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কর্মসূত্রে স্বামী ও বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা। পরে দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে ভারত হয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি।

শেখ হসিনার অনুপস্থিতিতে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে তাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপর ১৭ মে দেশে ফেরার পর শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ হাজির হন।

শেখ হাসিনার ৩৬তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ ছাড়া দলের উপকমিটি, অঙ্গসংগঠন, ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনসহ সহযোগী সংগঠনও নানা কর্মসূচি পালন করছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণী দিয়েছেন। গতকাল দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭৫ থেকে দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ উপলক্ষে এক বিবৃতিতে দেশ ও জাতির কল্যাণে, গণতন্ত্রের উন্নয়নে এবং আধুনিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনার সুন্দর জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। একই সঙ্গে দেশব্যাপী দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন দই খেয়েই দেখুন!

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সম্প্রতি জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে নিয়মিত দই খাওয়া শুরু করলে দেহে প্রদাহের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি পেটের রোগ, আর্থ্রাইটিস এবং অ্যাস্থেমার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

দই খেলে আরও যে উপকার পাওয়া যায় …

ওজন হ্রাস পায় : প্রতিদিন দই খাওয়া শুরু করলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়া এতটাই জোর কদমে চলতে থাকে যে দেহের ইতি-উতি মেদ জমার আশঙ্কা যায় কমে। অতিরিক্তি ওজনরে কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে নিয়মিত দু-কাপ করে দই খেতে ভুলবেন না যেন!

ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখে : দইয়ে উপস্থিত ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং স্ট্রেপটোকক্কাস থ্রেমোফিলাস নামক দুটি ব্যাকটেরিয়া শরীরের ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : দইয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা পাকস্থলিতে হজমে সহায়ক ভাল ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই কারণেই তো বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমাতে দই খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। পেপটিক আলসার হওয়ার পিছনে দায়ি এইচ পাইলোরি নামক ব্য়াকটেরিয়াকে মেরে ফলতেও দইয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

স্ট্রেসের মাত্রা কমে : দই খাওয়ার পর আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হয় যে মানসিক চাপ এবং অ্যাংজাইটি কমতে শুরু করে। বর্তমান সময়ে যেসব মারণ রোগগুলির কারণে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, তার প্রায় সবকটির সঙ্গেই স্ট্রেসের যোগ রয়েছে। নিয়মিত দই খাওয়ার প্রয়োজনয়ীতা যে বেড়েচে, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই।

হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : রক্তে খারাপ কোলেস্টরল বা এল ডি এল-এর মাত্রা কমানোর পাশাপাশি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয় দই। নিয়মিত এই দুগ্ধজাত খাবারটি খেলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। পরিবারে যদি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের ইতিহাস থাকলে দইকে সঙ্গ ছাড়ার ভুল কাজটি করবেন না যেন!

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে সংক্রমণ থেকে ভাইরাল ফিবার, কোনও কিছুই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে সুস্থ জীবনের পথ প্রশস্ত হয়।

দুধের আদর্শ বিকল্প বলা যেতে পারে : এমন অনেকই আছেন যারা একেবারে দুধ খেতে পারেন না। কারও গন্ধ লাগে, তো কারও বমি পায়। এই ধরনের সমস্যাকে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বলা হয়। দুধ থেকে দই হওয়ার সময় ল্যাকটোজ, ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়ে যায়। ফলে দই খেলে না গা গোলায়, না বমি পায়।

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : দইয়ে পরিমাণ মতো বেসন এবং অল্প করে লেবুর রস মিশিয়ে যদি মুখে লাগাতে পারেন তাহলে ত্বক নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকে না। দইয়ে থাকা জিঙ্ক, ভিটামিন ই এবং ফসফরাস এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পলন করে থাকে। এই ফেস প্যাকটি সপ্তাহে কম করে ২-৩ বার লাগালে দারুন উপকার মেলে।

হাড়ের জন্য খুব উপকারি : দুধের মতো দইয়েও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম। এই দুটি উপাদান দাঁত এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বুড়ো বয়সে গিয়ে যদি অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো রোগ আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে এখন থেকেই নিয়মিত দই খাওয়া শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন উপকার মিলবেই মিলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest