সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারLes jeux de casino incontournables à essayer absolument sur GTBetদেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাLes critères qui font de Boomerang Casino un choix incontournableসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেল

কাঁদলেন আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীর এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞে নিহত দুই ভাই শেখ কামাল এবং শেখ জামালের সেনা বাহিনীতে কাজ করা এবং ছোট ভাই শেখ রাসেলের সেনাবাহিনীতে কাজ করার ইচ্ছার কথা বলতে গিয়ে কণ্ঠ ধরে আসে তার।

১৯৯৬ সালে সেনা সদরদপ্তরে গিয়ে তাদের দুপুরে ভাতের দাবি পূরণে উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। জানান, সেনাবাহিনীকে দুপুরে ভাতের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত দুই বছর তিনি নিজেও দুপুরে ভাত খাননি।

রবিবার (১৩ মে) ঢাকা সেনানিবাসে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী। কিছুক্ষণ তিনি কোনো কথা বলতে পারেননি। এ সময় সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যেও নেমে আসে নিরবতা।

সেনাবাহিনীকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তার সার্বিক উন্নয়ন করা আমাদের দায়িত্ব বলে মনে করি।’

‘আর আমি করি এ কারণে যে আমার সঙ্গে সেনাবাহিনীর একটা পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। আমার ভাই শেখ কামাল মুক্তিযোদ্ধা, সে একজন ক্যাপ্টেন ছিল। আমার দ্বিতীয় ভাই শেখ জামাল সে একজন লেফটেন্যান্ট এবং এমআরএফ থেকে ট্রেইনিং নিয়ে সে সেনাবাহিনীতে যোগ দান করেছিল। এমনকি আমার ছোট ভাই, সে মাত্র ১০ বছরের। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হতো, সে বড় হলে কী হবে, তার একটাই কথা ছিল, সেও সেনাবাহিনীতে যোগদান করবে।’

‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে ১৫ আগস্ট সবাই শাদাহাৎ বরণ করেছে। কিন্তু আমি মনি করে এই পরিবারের সদস্য হিসেবে এই বাহিনীর উন্নয়ন করা আমার একটি কর্তব্য। সেই সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার ক্ষেত্রে আমরা আরও বেশি উন্নত, সমৃদ্ধ হব সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করি।’

এটুকু বলার পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ কথা বলতে পারেননি। চুপ থাকার পর আবার যখন তিনি বক্তব্য শুরু করেন তখনও তার কণ্ঠ কাঁপছে।

১৯৭৫ সালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে হত্যার দিন খুন করা হয় মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল ও শেখ জামাল এবং দুই ভাইয়ের স্ত্রীকেও। বাদ যায়নি শিশু শেখ রাসেলও।

সেনাবাহিনীর উন্নয়নে তার সরকারের নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। আর ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনাতেই এই আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

‘তিনি (বঙ্গবন্ধু) যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সেই নির্দেশনার আলোকেই আমরা (সেনাবাহিনী) গড়ে তুলছি। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি, সে কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ দেশ ও দেশের বাইরে এক সম্মানজনক অবস্থানে উন্নীত হতে পেরেছে।’

ফোর্সেস গোল ২০৩০ অনুসারে পদাতিক ডিভিশন, ব্রিগেড, ইউনিট, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানসহ গড়ে তোলা, সব ইনফ্রেনট্রি ব্যাটালিয়ানকে প্যারা ব্যাটালিয়ান ও ম্যাকানাইজড ব্যাটালিয়ানেও রূপান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ সুবিধার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণের মেয়াদকাল বৃদ্ধি, নোয়াখালীর স্বর্ণদীপে সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, শিক্ষার সুযোগ তৈরি, সেনা-নৌ ও বিমানবাহিনীতে নারী অফিসার ও সৈনিক পদ সৃষ্টিসহ নানা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীকে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড গঠন, আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও সুসংহত করতে এনএলআরএস ও মিসাইল রেজিমেন্ট সংযোজন, অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, হেলিকপ্টার, মডার্ন ইনফ্রেনট্রি গেজেটসহ সংযোজন করে অপারেশনাল সক্ষমতাকে বৃদ্ধির কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে গ্রামে ৪০০ বছর ধরে জন্ম নেয়নি কোন শিশু!

দেখতে আর পাঁচটা সাধারণ গ্রামের মতোই। নাম শঙ্ক শ্যাম জি গ্রাম। কিন্তু এই গ্রামের রয়েছে অদ্ভুত এক রীতি। এখানে নাকি ৪০০ বছর ধরে কোন শিশু জন্ম নেয়নি। ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলায় অবস্থিত এই গ্রামটি।

গ্রামের প্রবীণদের দাবি অনুযায়ী, ষোড়শ শতক থেকেই এমন রীতি চলে আসছে এখানে। গ্রামের লোকেদের বিশ্বাস, এই গ্রামে ঈশ্বরের অভিশাপ রয়েছে। এই গ্রামে যদি কোনও শিশু জন্ম নেয়, তাহলে সেই শিশুটি বিকলাঙ্গ হয়ে যাবে, না হলে শিশুটির মা মারা যাবেন।

গ্রামের প্রবীণদের কথায়, ষোড়শ শতকের গ্রামে একটি মন্দির নির্মাণের কাজ চলছিল। সেই সময়ে এক মহিলা গম ভাঙতে শুরু করেন। সেই আওয়াজের ফলে নির্মাণকাজে ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষুব্ধ হন স্বয়ং ঈশ্বর। অভিশপ্ত হয় গোটা গ্রাম।

ফলে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য গ্রামের সীমানার বাইরে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রাম প্রধান নরেন্দ্র গুর্জর। তিনি আরও বলেন, মন্দির নির্মাণের সময় ঈশ্বর এক মহিলা ওপর রেগে গিয়েছিলেন। যার ফল ভুগতে হচ্ছে গোটা গ্রামকে।

সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান, ৯০ শতাংশ মহিলা সন্তান প্রসব করেন হাসপাতালে। জরুরি পরিস্থিতির সময় গ্রামের সীমানার বাইরে যে ঘরটি তৈরি করা হয়েছে, সেখানেই সন্তান জন্ম দেন প্রসূতিরা।

গ্রামের আর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, গ্রামের মধ্যে মদ কিংবা মাংসও খাওয়াও হয় না। ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট রাখতেই না কি এই রীতি চালু রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানকে সুপার জেট দেবে রাশিয়া

রাশিয়ার সুখোই সিভিল এয়াক্রাফ্ট কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা তেহরানকে সুখোই সুপার জেট-১০০ বিমান সরবরাহ করবে। সুখোই কোম্পানি বলেছে, ইরানের এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

সুখোই সিভিল এয়ারক্রাফটের প্রেসিডেন্ট আলেকেজান্ডার রুব্তসোভ বলেন, ইরানকে যেসব বিমান দেয়া হবে তাতে মার্কিন নির্মিত কোনো যন্ত্রাংশ কিংবা উপাদান ব্যবহার করা হবে না। এতে করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়ানো সম্ভব হবে।

গত মাসে ইউরেশিয়া এয়ার শো-তে ইরান ও সুখোই কোম্পানির মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুসারে ইরানের অসেমান এয়ারলাইন্স ও ইরান এয়ার ট্যুরস সুখোই কোম্পানির কাছ থেকে ৪০টি যাত্রীবাহী আধুনিকমানের বিমান কিনবে।

এসব বিমান ১০০ যাত্রী বহন করতে সক্ষম। ইরান এয়ার ট্যুরসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা যেসব বিমান কিনবেন তার জন্য সুখোই কোম্পানিকে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে। কোম্পানিটি আগামী বছর থেকে বিমান সরবরাহ শুরু করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজেকে ‘এ-প্লাস’ দিলেন ট্রাম্প

মার্কিন ভোটে রুশ হস্তক্ষেপের তদন্তে বরাবর নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রকাশ্যে গালমন্দ করে ছেঁটেও ফেলেছেন গোয়েন্দা প্রধান জেমস কোমিকে।

সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক টেলিফোন-সাক্ষাৎকারে তাকে অপদস্থ করার দায়ে ফের কাঠগড়ায় তুললেন কোমিকে। কোমির মতো ‘চক্রান্তকারী ও দুর্নীতিগ্রস্তদের’ সংস্থার মাথায় বসিয়ে রাখার অভিযোগে বিঁধলেন এফবিআই’কে। একহাত নিলেন বিচারবিভাগকেও। তার কথায়, রুশ হস্তক্ষেপের মতো ভিত্তিহীন বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে ওদের অন্য বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

সাক্ষাৎকারের আগাগোড়া ট্রাম্প শুধু নিজের পিঠ চাপড়েছেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজেকে ‘এ-প্লাস’ দিয়ে তার দাবি, প্রথম থেকেই মাথার উপর ভুয়ো অভিযোগের মেঘ। তবু এরই মধ্যে আমি যা-যা করেছি, এর আগে কেউ তা করেননি। কর সংস্কার থেকে শুরু করে, জঙ্গিদের শিক্ষা দেওয়া, কনজারভেটিভ বিচারপতি নিয়োগ ইত্যাদি ‘ভাল কাজের’ লম্বা তালিকা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

রুশ-হস্তক্ষেপ তদন্তের দায়িত্ব এখন বিচারবিভাগের হাতে। ট্রাম্প এ দিন বুঝিয়ে দিলেন, এদেরও তিনি তেমন সুনজরে রাখছেন না। তার কথায়, যেভাবে ওরা আমার পিছনে লেগেছে, তাতে ওদের কাজকর্মে আর জড়াব না। এমন সিদ্ধান্ত আমার নেওয়ার কথা নয়, পরে হয়তো এটা বদলাতেও পারি। তবু বলে রাখলাম।

নিজের ভালো কাজের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে হালে উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের সঙ্গে তার আলোচনার প্রসঙ্গও টানেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা ভালোই চলছে। এখন দেখার তার কতটা ফলপ্রসূ হয়।

এ দিন পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলস প্রসঙ্গেও মুখ খোলে ট্রাম্প। অভিযোগ, স্টর্মির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক ছিল ট্রাম্পের। আর ভোটের আগে মুখ বন্ধ রাখতে ওই পর্ন তারকাকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন।

এতদিন প্রেসিডেন্ট দাবি করে আসছিলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানতেন না। বললেন, স্টর্মির মতো ফালতু ব্যাপারটা কোহেনই সামলেছিলেন। তবে আমি তো এর মধ্যে কোনও ভুল দেখি না। প্রচার তহবিল থেকে সেই অর্থ খরচ করা হয়েছিল বলেও মনে করি না আমি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে অভিনন্দন সুষমা স্বরাজের

বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগভিত্তিক স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ সফল উৎক্ষেপণে দেশটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। রবিবার ট্যুইট করে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশকে এই অভিনন্দন জানান সুষমা।

শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি। এটিকে মহাকাশে পৌঁছে দিয়ে নিজের কক্ষপথে ফিরে আসে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেশ এক্স’এর ফ্যালকন-৯ রকেট।
রবিবার ট্যুইট বার্তায় ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে বাংলাদেশ সরকার ও সেদেশের মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বার কাউন্সিল নির্বাচন আগামিকাল

আগামীকাল বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন। সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সারা দেশের সকল আইনজীবী সমিতিতে ভোটগ্রহণ চলবে।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির ভবন ছাড়াও দেশের জেলা সদর এবং উপজেলা সদরের দেওয়ানি আদালত প্রাঙ্গণ ও বাজিতপুরের কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪৩ হাজার ৮৮৪ জন আইনজীবী।

নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের মনোনীত প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন বার কাউন্সিলের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সৈয়দ রেজাউর রহমান, জেড আই খান পান্না, পরিমল চন্দ্র গুহ ও শ. ম রেজাউল করীম। এই সাতজন সাধারণ সদস্য পদে লড়বেন। সাতটি আঞ্চলিক সদস্য পদে আছেন এ গ্রুপ থেকে কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, বি গ্রুপ থেকে মো. কবির উদ্দিন ভূঁইয়া, সি গ্রুপ থেকে ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, ডি গ্রুপ থেকে এ এফ মো. রুহুল আনাম চৌধুরী, ই গ্রুপ থেকে পারভেজ আলম খান, এফ গ্রুপ থেকে মো. ইয়াহিয়া ও জি গ্রুপ থেকে মো. রেজাউল করিম মন্টু।

অন্যদিকে, বিএনপি ও সমমনা সমর্থক জাতীযতাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের সাধারণ সদস্য প্রার্থীরা হলেন সাবেক এটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, ফজলুর রহমান, তৈমূর আলম খন্দকার, বোরহানউদ্দিন, হেলালউদ্দিন মোল্লা, মো. আব্বাস উদ্দিন ও আসিফা আশরাফী পাপিয়া। অঞ্চলভিত্তিক সদস্য পদে এ গ্রুপ থেকে মো. মহসীন মিয়া, বি গ্রুপ থেকে বাধন কুমার গোস্বামী, সি গ্রুপ থেকে শেখ মোখলেসুর রহমান, ডি গ্রুপ থেকে মো. দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, ই গ্রুপ থেকে এস আর ফারুক ও এফ গ্রুপ থেকে মো. ইসহাক।

প্রতি তিন বছর অন্তর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একজন ভোটার মোট আটটি ভোট দিতে পারেন। এর মধ্যে সাধারণ আসনের জন্য ৭টি ভোট এবং অঞ্চলভিত্তিক একটি ভোট। বার কাউন্সিল ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি ১৪ জন আইনজীবীদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

১৪ জনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সারাদেশে সনদপ্রাপ্ত আইনজীবীদের (বার কাউন্সিলের সদস্য) ভোটে সাধারণ আসনে সাতজন এবং দেশের সাতটি অঞ্চলের লোকাল আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন করে সাতজন নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সূত্র: বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা নিয়ে কুমিল্লায় সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০

কোটা বাতিল-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে শিক্ষার্থীরা নগরীতে সমবেত হচ্ছে- এমন গুজবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ৩টি গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার সন্ধ্যায় নগরীর পুলিশ লাইন এলাকায় কুমিল্লা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা এ হামলা চালায়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পক্ষ থেকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ফাঁকা গুলি করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

খবর পেয়ে উত্তেজিত কুবির শিক্ষার্থীরা পুলিশ লাইন এলাকায় প্রায় ১ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে। এ সময় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও শিক্ষার্থীরা জানায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসযোগে ফেরার পথে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নগরীর পুলিশ লাইন এলাকায় আসার পর কুমিল্লা সরকারি কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।

একপর্যায়ে কুমিল্লা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা কুবির শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসে ভাঙচুর শুরু করে। ওই গাড়িতে থাকা শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুটি গাড়ি নগরীর রেইসকোর্স এলাকায় আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে কুমিল্লা সরকারি কলেজের ছাত্রদের ধাওয়া করে। এ সময় কলেজের প্রধান ফটকের দুটি দোকান ভাঙচুর করা হয়।

সেই সঙ্গে পুলিশ লাইন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়াসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুল অভি, জনিসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বলেন, ক্লাস শেষে নগরীতে ফিরছিলাম। এ সময় কোটা-সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের কোনো কর্মসূচি ছিল না। কিন্তু কোটাবিরোধী আন্দোলনে আমরা সমবেত হচ্ছি- এমন সন্দেহে আমাদের গাড়িতে অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।

কুমিল্লা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষার্থীদের পূর্বঘোষিত কোটা-সংক্রান্ত বিষয়ে কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নগরীতে সমবেত হচ্ছিল। বিষয়টি অবগত হয়ে আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িটিতে বাধা দিই। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর চড়াও হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ভাঙচুরকৃত গাড়ি পুলিশ লাইনের ভেতর রাখা হয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরী জানান, ঘটনার বিষয়ে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে। কি কারণে ঘটনাটি ঘটেছে এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। সোমবার ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাইডু ঝড়ে উঠে গেল সাকিবদের হায়দরাবাদ

আম্বাতি রাইডুর অপরাজিত সেঞ্চুরির উপর ভর করে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের দেওয়া ১৮০ রানের বিশাল টার্গেট অনায়াসে পেরিয়ে গেল ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। এই জয়ে প্লে অফ নিশ্চিত হলো চেন্নাইয়ের। অন্যদিকে টানা ৬ ম্যাচে জয়ের পর প্রথম হারের স্বাদ পেল সাকিবরা।

রবিবার বিকালে ঘরের মাঠে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেন চেন্নাইয়ের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুরুটা যদিও ভালো হয়নি হায়দরাবাদের। দলীয় ১৮ রানেই ফিরে যান অ্যালেক্স হেলস। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ১২৩ রানের বড় জুটি গড়েন শিখর ধাওয়ান ও কেন উইলিয়ামসন। পরপর দুই বলে আউট হন দুজনই। ৪৯ বলে ১০ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৯ রান করেন ধাওয়ান। আর অধিনায়ক উইলিয়ামসন ৩৯ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৫১।

এছাড়া দীপক হুদার ১১ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় অপরাজিত ২১ রানের ‘ক্যামিও’ ইনিংসে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৯ রান তোলে হায়দরাবাদ। সাকিব ১৮তম ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ বলে এক চারে ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। চেন্নাইয়ের হয়ে শার্দুল ঠাকুর সর্বোচ্চ ২ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া দীপক চাহার ও ডোয়াইন ব্রাভো পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই রানবন্যা বইয়ে দেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার শেন ওয়াটসন ও আম্বাতি রাইডু। ওয়াটসন ৩৫ বলে ৫৭ রান করে রান আউট হলেও দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন রাইডু। উইকেটে জমে থেকে সুযোগ বুঝে বোলারদের উপর ছড়ি ঘুরিয়ে চলতি আইপিএলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৬২ বলে খেলা তার অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংসটা সাত ছক্কা আর সাত চারে সাজানো।

হায়দ্রাবাদের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ঝড়টা গেছে সিদ্ধার্থ কৌলের ওপর দিয়ে। তিন ওভারে ৪০ রান দিয়েছেন তিনি। সাকিব ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে উইকেট শূন্য ছিলেন। যদিও ব্যক্তিগত চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলেই উইকেটের দেখা পেতেন সাকিব। কিন্তু হাতে পড়া সহজ ক্যাচটা নিতে পারেননি মনিশ পাণ্ডে। এর পরের চার বলে সাকিব দেন আরও ১২ রান। বাকি বোলারদের মধ্যে রশিদ খান ছাড়া বাকিরা সবাই ওভারপ্রতি রান দিয়ে ৯ এর ওপরে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest