সর্বশেষ সংবাদ-
দেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতারInsider Bonus Secrets at Sweety Win for Seasonal Celebrationsবাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনেরসখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার- সময়মতো মিলছে না খাবারসাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভাসাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিল

ভারতে ঝড়ে কমপক্ষে ৭০ জন নিহত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রচণ্ড ধুলাঝড় ও বজ্রপাতসহ বৃষ্টিতে ভারতের রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরখণ্ডে কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এই ঝড়ে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। রাজস্থান রাজ্যের কয়েক জেলায় ‍বুধবার রাতে ধুলাঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। এই রাজ্যে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩১ জন। উত্তর প্রদেশে বজ্রপাতসহ বৃষ্টিতে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪২ জন বলে জানা গেছে। উত্তরখান্ডে লণ্ডভণ্ড হয়ে অনেক ঘরবাড়ি। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকা। তবে ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই’র বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট নিহতের সংখ্যা ৭৭ বলে জানিয়েছে। তাদের খবরে ১৪৩ জন আহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমস বলেছে, উত্তর প্রদেশের চার জেলায় ঝড়ের কবলে পড়ে কমপক্ষে ৪২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে আগ্রা জেলায়। সেখানে কমপক্ষে ৩৬ জন নিহত হয়েছেন। আর বিজনোরে তিনজন ও সাহারানপুরে দুই নিহত হয়েছেন। ঝড়ের পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগি আদিত্যনাথ দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার কার করার জন্য জেলার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

রাজস্থানে নিহতদের বেশিরভাগই বিধ্বস্ত ঘর-বাড়ির নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, কয়েকদিন ধরেই রাজ্যস্থানে তীব্র গরম চলছিল। অনেক স্থানে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছিল। এরই মধ্যে বুধবার রাতে এই ধুলাঝড় শুরু হয়। ধুলোঝড়ের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভরতপুর এবং অলওয়ার জেলা। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ভরতপুরেই মারা গিয়েছেন ১২ জন। আর অলওয়ার জেলার একটি গ্রামে বজ্রপাত্র থেকে আগুন লেগে ৪০টিরও বেশি কুড়েঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অলওয়ারে চারজন, ঢোলপুরে পাঁচজন, ঝুনঝুনু ও বিকানেরে এক জন করে এবং অন্যান্য জায়গায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। ঝড়ের দাপটে অলওয়ারে একশ’রও বেশি গাছ উপড়ে পড়েছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি-দোকানপাটের উপরে গাছ পড়ে গুরুতর জখম হয়েছেন বহু মানুষ।

ঝড়ের কারণে বিদ্যুতের খুঁটির উপরে গাছ পড়ায় তার ছিঁড়ে বহু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অলওয়ারের বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার নির্বাহী প্রকৌশলী ডি পি সিংহের বরাত দিয়ে আনন্দ বাজার প্রত্রিকার খবরে বলা হয়, ‘ঝড়ের দাপটে এক হাজারেরও বেশি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। গোটা শহরই অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে আরও দিন দুয়েক সময় লাগবে।’

এমন প্রলঙ্কারী ঝড়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে টুইট করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে। আহতদের সব ধরনের সাহায্যের জন্য জেলা প্রশাসনকেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আর নিহতদের শোকে নিজের জন্মদিনের উৎসব পালন বন্ধ রেখেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত।

উত্তরখণ্ডের দুর্যোগ প্রশমন ও ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, কুমাওন জেলায় কমপক্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রাজ্যের আবহাওয়া বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ভারী বৃষ্টিসহ বজ্রপাত আরও ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। চামোলি, উত্তরকাশি, রুদ্রপ্রায়াগ ও পিথোগ্রামসহ রাজ্যের পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। এসব এলাকায় পাহাড় ও ভূমি ধসেরও আশঙ্কা করেছে আবহাওয়া বিভাগ।

এছাড়া পাঞ্জাব প্রদেশের মোহালি, জিরাকপুর, লুধিয়ানা ও মুক্তসারসহ আরও কয়েকটি জেলায় ঝড়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পাটিয়ালায় বজ্রপাতে দুইজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হরিয়ানা প্রদেশের পাঞ্চকুলা, কার্নাল, মাহেনদারগড় ও আম্বালায়ও ধুলাঝড়ের খবর পাওয়া গেছে। এসব স্থানে অনেক গাছ উপড়ে পড়ে বিভিন্ন সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিদুৎ সরবরাহ ব্যবস্থারও অনেক ক্ষতি হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যগুলোতে প্রচণ্ড গরম থাকলেও ঝড় ও বৃষ্টির পর তাপমাত্রা দ্রুত কমে গেছে। অনেক এলাকায় হাড় কাঁপানো শীতও অনুভূত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় ওআইসি সম্মেলনে গুরুত্ব পাবে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট

আগামী শনিবার থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৫তম সম্মেলন।

এতে ফিলিস্তিন, মসজিদুল আকসা ও রোহিঙ্গা ইস্যু বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলমও উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্যালেস্টাইন ও আল-কুদসের জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবি এবং অধিকারের বিষয়টি আলোচনায় বরাবরের মতোই গুরুত্ব পাবে। রোহিঙ্গা সংকট ঢাকা সম্মেলনে বিশেষভাবে স্থান পাবে এবং বিষয়টি একটি বিশেষ অধিবেশনে আলোচনা করা হবে।

এ ছাড়া আগ্রহী দেশ ও প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার প্রতিনিধিদের শুক্রবার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে নিয়ে যাওয়া হবে বলে তিনি জানান।

‘টেকসই শান্তি, সংহতি ও উন্নয়নে ইসলামিক মূল্যবোধ’ শীর্ষক দুদিনব্যাপী ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এতে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪০ মন্ত্রী ও সহকারী মন্ত্রীসহ ওআইসির সব সদস্য রাষ্ট্র, পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র, ওআইসি প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানসহ সাড়ে ৫০০ প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আগামী এক বছর ওআইসির কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্স-সিএমএফের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবে।

এ সম্মেলনের গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মুসলিম বিশ্বের বেশ কিছু দেশ শান্তি, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় হুমকি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, মুসলিম রাষ্ট্রে বাইরের হস্তক্ষেপ, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, ‘ইসলামোফোবিয়া’ ও মানবিক বিপর্যয়সহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে এবং একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংস্থাটির সম্মিলিত উদ্যোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে শুধু ওআইসিতেই নয়, সারাবিশ্বেই বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিনির্মাণ, স্বার্থ সংরক্ষণ ও বিশ্বপরিমণ্ডলে স্বীয় কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও সুসংহত করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠতা বাড়বে এবং দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী ফল বয়ে আনবে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাঙামাটিতে জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয়কে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার সাথে রূপম চাকমা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে যাওয়ার সময় খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার জন্য ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে (ইউপিডিএফ) দায়ী করা হয়েছে।

অবশ্য ইউপিডিএফের মুখপাত্র নিরন চাকমা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এটা মিথ্যা ও বানোয়াট। এর সাথে ইউপিডিএফের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

শক্তিমান চাকমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

উপজেলা পরিষদ চত্বরের বাসভবনেই থাকতেন শক্তিমান চাকমা। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে আসার পথে দুজন অস্ত্রধারী তাকে গুলি করে। তখন মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান তিনি। এ সময় একজন অস্ত্রধারী কাছে গিয়ে তাকে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর আহত শক্তিমান চাকমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শক্তিমান চাকমাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অ্যাডভোকেট শক্তিমান চামকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

তিনি ২০১০ সালে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি থেকে বেরিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এম এন লারমা) নামের নতুন দলে যোগ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মুকুল মাষ্টারকে গ্রেফতার দাবীতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুলের গ্রেফতার ও বিদ্যালয়ের নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটি বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যালয়ের অভিভাবকবৃন্দ ও ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের নাগরিক সমাজের আয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুটুক্তিকারী, ২টি নাশকতা মামলার আসামী, সহকারী শিক্ষকদের নির্যাতনকারী, অনিয়ম-দূর্ণীতি ও স্বজনপ্রীতিকারী, ডি.বি.ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মুকুলের গ্রেফতার ও ডি.বি.ইউনাইটেড হাইস্কুলে গোপনীয়ভাবে নব গঠিত ম্যানেজিং কমিটি বাতিলের দাবীতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন নাগরিক সমাজের আহবায়ক ও ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস ছালামের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলিপ কুমার মল্লিক, ধুলিহর ইউনিয়ন আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ বোরহান উদ্দীন, ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি মেম্বার মোঃ রেজাউল করিম মিঠু ও এন,বি,বি,কে আল-মদিনা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি শেখ আব্দুল আহাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি হুমায়ন কবির, ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ শাহাদাত হোসেন রাজ, মোঃ আব্দুর রহিম প্রমূখ।
এছাড়া বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোঃ আব্দুস সেলিম, নুরুল ইসলাম বাবু, রবিউল ইসলাম, আব্দুল গফ্ফার শেখ, মোঃ শামসুর রহমান, মোঃ আব্দুল গফ্ফার কারিকর, টুটুল হোসেন প্রমূখ। মানববন্ধনে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর হতে একের পর এক অঘটন ঘটিয়ে যাচ্ছে। তাঁর একক সিদ্ধান্তে চলার কারনে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে গেছে। ইতিমধ্যে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক তার হাতে নির্যাতন ও লাঞ্চিতের শিকার হয়েছে। নির্যাতিত ও লাঞ্চিতদের মধ্যে রয়েছে সহকারী প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান, গণিতের শিক্ষক নিমাই চন্দ্র মন্ডল, শরীর চর্চার শিক্ষক আবুল হাসান ও বাংলার শিক্ষক রমেশ চন্দ্র সরকার। শরীর চর্চার শিক্ষক আবুল হাসানকে একবার এমন শারিরীক নির্যাতন করে যে, তার কানের পর্দা ফেটে প্রচুর রক্তক্ষরন হয়। এ নিয়েও ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ পর্যন্ত করে। বেশ কিছু দিন আগে শিক্ষক রমেশ চন্দ্র সরকারের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সেখানে মুকুল মাষ্টার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংখ্যালঘুদের নিয়ে কুটুক্তি করে বলেও বক্তারা জানান। শুধু তাই নয়, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসলে এই মুকুল মাষ্টার তৎকালীন প্রধান শিক্ষক আশরাফ আলী সিদ্দীকির সাথে দূর্ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি অফিস কক্ষ থেকে জোরপূর্বক নামাতে বাধ্য করে।
কয়েকজন অভিভাবক মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে তাদের বক্তব্যে বলেন, ডিবি স্কুল মুকুল মাষ্টারের নির্দেশে চলে। কাউকে পরোয়া না করে তার একক হঠকারী সিদ্ধান্তে বিদ্যালয়ে যা খুশি তাই করে যাচ্ছে। হেড মাস্টার হিসাবে যোগ দিয়ে তার আমলে কোন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ম্যানেজিং কমিটি গঠন হয়নি। নিজের স্বার্থ হাসিল করতে সব সময় গোপনীয়ভাবে তার চাচা সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামকে বানায় আজীবন সভাপতি। আর সদস্য বানায় তার একান্ত পকেটের লোক। নব গঠিত ম্যানেজিং কমিটিতেও একই চেহারা বিদ্যমান। সম্পূর্ন গোপনীয়ভাবে এলাকার কোন মানুষকে না জানিয়ে কাগজপত্র ঠিক রেখে এই ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটা নিয়ে মানুষ আজ মুখ খুলতে শুরু করেছে। মুকুল মাষ্টার ও তার চাচা শহিদুলের হাত থেকে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠকে রক্ষা করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে বলেও তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, মুকুল মাষ্টার একজন বিএনপি নেতা। সে বর্তমানে ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সেক্রেটারী। তার নামে ২টি নাশকতার মামলা রয়েছে। যার সাতক্ষীরা থানার মামলা নং-০৪, তাং ০৩/০১/২০১৪ ইং। অপরটি হলো সাতক্ষীরা থানার মামলা নং-৪৫, তাং-২৮/১২/২০১৭ ইং।
মুকুল মাষ্টার একটি মামলায় জামিনে থাকলেও অপর মামলায় জামিন না নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেও বলে মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন।
সবশেষে মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা মুকুল মাষ্টারকে গ্রেফতার ও ডি.বি.ইউনাইটেড হাইস্কুলের নব গঠিত ম্যানেজিং কমিটি বাতিল সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৯

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে একটি সামরিক কার্গো বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। সাভান্নাহ উপকূলীয় শহরের একটি স্থানীয় বিমানবন্দরের কাছে হাইওয়ের পাশে সি-১৩০ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। খবর বিবিসি।

বিমানটি পুয়ের্তো রিকো ন্যাশনাল গার্ডের। বিমানের আরোহীরা একটি প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল গার্ড।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে বিমানের ধ্বংসাবশেষ এবং কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। পুয়ের্তো রিকো ন্যাশনাল গার্ডের মুখপাত্র মাজ পল দেহলেন বলেন, আমরা নয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। এদের মধ্যে পাঁচজন বিমানের ক্রু এবং চারজন অতিরিক্ত যাত্রী।

বিমান বিধ্বস্তের পর কর্মকর্তা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন যে, কমপক্ষে পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এক টুইট বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত ন্যাশনাল গার্ডের নারী এবং পুরুষ সদস্য এবং তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং প্রার্থনায় দয়া করে আপনারাও আমার সঙ্গে যোগ দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে মাউন্ট ফুজি আগ্নেয়গিরি, হুমকিতে টোকিও

জাপানের ১১০টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে। যার মধ্যে ৪৭টিকে সক্রিয় বলে ধরা হয়ে থাকে। এগুলো ১০ হাজার বছর ধরে সক্রিয় অথবা গ্যাস নির্গমন করে আসছে। জাপানের ইতিহাস বলছে প্রতি ৩৮ বছরের মধ্যে বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে থাকে। ১৫টি আগ্নেয়গিরি প্রতিবছরই অগ্ন্যুৎপাত ঘটাচ্ছে।

এদিকে, তোহোকু অঞ্চলের ভূমিকম্পের সময় মাটির স্তর সরে গেছে অনেকখানি। জাপানে এ নিয়ে আপাতত চিন্তা বাড়ছে।এই ভূমিকম্পের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ছিল ১১০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, তার মধ্যে ২০টি নড়েচড়ে ওঠে। এসব আগ্নেয়গিরি ‘সিসমিক অ্যাকটিভিটি’ বলে দেয় আসন্ন বিপদের কথা। ভূমিকম্পের সময় জিএমএ বা জাপান মেট্রোলজিক্যাল এজেন্সি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এই সক্রিয়তা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে।

জাপানের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ফুজি যার উচ্চতা ১২ হাজার ৩৮০ ফুট। ভূমিকম্পের সময় এর সাড়া দেওয়ার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে বিশেষজ্ঞদের। টোকিও শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে মাউন্ট ফুজির অগ্ন্যুৎপাতে পুরো টোকিও শহর ছাইয়ের নিচে চাপা পড়তে পারে।

সমীক্ষা বলছে মাউন্ট ফুজির ম্যাগমা চেম্বারের চাপ বেড়ে উদ্বেগজনক ১.৬ মেগাপ্যাসকালে দাঁড়িয়েছে। মনে করা হচ্ছে, শেষবার অগ্ন্যুৎপাতের সময় ম্যাগমা চেম্বারের চাপ এর চাইতে কম ছিলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের কোনো ধর্ম নেই: প্রধানমন্ত্রী

সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের কোনো ধর্ম নেই। তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু। জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে র‌্যাবের বিশিষ্ট ভূমিকা ছিল। তাদের এ ভূমিকা প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। র‌্যাব ফোর্সেসের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাহিনীটির সদরদফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশজুড়ে একসময় জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছিল উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, অনেকে স্বার্থসিদ্ধির জন্য ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির চেষ্টা করে। একইসঙ্গে এসবের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতিকে আরো সচেতন হতে হবে।

কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেন জঙ্গিবাদে জড়িয়ে না পড়ে সেজন্য অভিভাবক ও তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও নজর রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা তো ভুল পথ। এ ভুল পথে যেন ছেলে-মেয়েরা না যায়, সেজন্য সমগ্র জাতিকে সচেতন করতে হবে। জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা চালাতে হবে। এরইমধ্যে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। সেজন্য সারাবিশ্বে বাংলাদেশ প্রশংসিতও। অনেকে মনে করে, কিভাবে আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সফল কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমাদের বাহিনীগুলোর পাশাপাশি জনগণও সচেতন ভূমিকা রেখেছে।

মাদকের বিরুদ্ধেও সবাইকে সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে এরইমধ্যে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কেউ যদি মাদকে জড়িয়ে পড়ে, তবে সেটা যে তার পরিবারের জন্য কতোটা কষ্টের, তা ওই পরিবারই বোঝে। আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যেমন সফলতা অর্জন করেছি, মাদকের বিরুদ্ধেও র‌্যাবকে অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। এরইমধ্যে তারা অনেক সফল অভিযান চালিয়েছে। যারা উৎপাদন করে, পরিবহন করে, বিক্রি করে এবং সেবন করে সবাই সমান অপরাধী। এ বিষয়েও র‌্যাবকে বিশিষ্ট ভূমিকা রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনা সিটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুর প্রচার স্থগিত

খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে সব ধরনের প্রচার স্থগিত করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তিনি প্রচারে নামেননি।

আজ সকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, গতকাল বুধবার রাত আটটা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটা পর্যন্ত নগরজুড়ে পুলিশ ও ডিবির সদস্যরা ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায় জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ের ১৯ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেন। এ ছাড়া অনেক নেতা-কর্মীর বাড়িতে তল্লাশির নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকলে পরিণতি হবে ভয়াবহ বলেও ডিবি হুমকি দিয়েছে। এসব ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা স্থগিত থাকবে।

বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন। তিনি সরকারি কর্মকর্তা ও যাঁরা ভোটের দিন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকবেন, তাঁদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। এসব ব্যাপারে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একাধিক অভিযোগ করা হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। শুধু তা-ই নয়, যারা বিএনপির পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, তাঁদেরও আটক বা গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

নির্বাচনী কাজে বাধা ও অভিযানের প্রতিবাদে কঠোর কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। ৬ মে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আসবেন। তিনি আসার আগে এসব কার্যক্রম বন্ধ না করা হলে তাঁর সঙ্গে বিএনপির বৈঠক বর্জন করা হবে। প্রয়োজনে সরকার ও সিইসিকে কালো পতাকা প্রদর্শন করা হবে বলে জানান মঞ্জু।

খুলনা নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার এস এম কামরুল ইসলাম বলেন, নগর ডিবি থেকে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আর ভয়ভীতি দেখানোর প্রশ্নই ওঠে না।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) সোনালী সেন বলেন, গতকাল অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা আছে। ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ সত্য নয়।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যদি কারও বিরুদ্ধে মামলা থাকে আর পুলিশ যদি তাঁকে গ্রেপ্তার করে, সেটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার। এটা কোনোভাবেই নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত নয়। আওয়ামী লীগও এ ব্যাপারে কিছু জানে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest