সর্বশেষ সংবাদ-
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠন

পৃথিবীর প্রথম পুরুষাঙ্গ ও অন্ডকোষ প্রতিস্থাপন

আফগানিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে আহত এক মার্কিন সৈন্যের দেহে পুরুষাঙ্গ ও অন্ডকোষ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

মেরিল্যান্ড রাজ্যের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শল্যচিকিৎসক এই অপারেশনটি করেন। তারা একজন মৃত দাতার পুরুষাঙ্গ, ‘মুষ্ক’ বা অন্ডকোষের থলি এবং তলপেটের কিছুটা অংশ প্রতিস্থাপন করেন ওই মার্কিন সৈন্যের দেহে।

ডাক্তাররা বলছেন, এ অস্ত্রোপচারের পর ওই সৈন্য যৌন-ক্ষমতা ফিরে পাবেন বলেই তারা মনে করছেন। তবে প্রতিস্থাপন না করে তারা যদি ক্ষতিগ্রস্ত পুরুষাঙ্গটি ‘পুননির্মাণ’ করতেন তাহলে ওই সৈন্যটির পক্ষে যৌন-ক্ষমতা ফিরে পাওয়া অসম্ভব হতো।

মার্চ মাসে এই অপারেশনটি হয় এবং তাতে ১৪ ঘন্টা সময় লাগে।

তবে ডাক্তাররা বলেছেন, নৈতিক বিবেচনা থেকে সৈন্যটির অন্ডকোষ দুটি প্রতিস্থাপন করা হয় নি।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ড. এ্যান্ড্রু লী সোমবার এক সংবাদ ব্রিফিংএ বলেন, যুদ্ধে অনেক সময় লোকে এমন গুরুতর ভাবে আহত হন, যা তারা গোপন রাখেন, এবং তাদের জীবনে এর যে প্রভাব পড়ে তা অনেকেই উপলব্ধি করতে পারেন না।

তিনি আরো বলেন, যৌনাঙ্গের ক্ষতি হওয়াটা হচ্ছে যুদ্ধে আহত হবার এমন একটি দিক যা নিয়ে কথা বলা হয় না – অথচ তা মানুষের আত্মপরিচয়, মর্যাদাবোধ এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুতর প্রভাব ফেলে।

পৃথিবীর প্রথম পুরুষাঙ্গ প্রতিস্থাপন অপারেশন হয়েছিল ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী নির্বাচনে ভারতের ইন্টারফেয়ার করার কিছু নেই- দেশে ফিরে ওবায়দুল কাদের

ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দাবি করেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের ইন্টারফেয়ার করার কিছু নেই। এমনকি কারও অনুগ্রহে নয়, বরং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আগামীতে ক্ষমতায় আসতে চায় আওয়ামী লীগ।

ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধবের আমন্ত্রণে তিন দিনের সফর শেষে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছে। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি রাজনৈতিক দল। আমরা আজ ক্ষমতায় আছি কাল নাও থাকতে পারি। আমাদের ক্ষমতার উৎস দেশের জনগণ। দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে কে ক্ষমতায় আসবে। এই বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের ইন্টারফেয়ার করার কিছু নেই। আমরা আশাও করি না। এসব ব্যাপার আমরাই ঠিক করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশি শক্তি আমাদের বন্ধু হতে পারে। কিন্তু নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে আমরা তা আশা করি না। আর ভারত নির্বাচনের হস্তক্ষেপ করে না। এবারও করবে না। তাদের অনেক নেতার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, আলোচনা হয়েছে।’

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের স্বার্থে আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক করতে পারি। আমাদেরকে বিজেপি আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমরা কি সেখানে খেতে গেছি নাকি? ওখানে কি আমরা বেড়াতে গেছি? আনন্দ উল্লাস করতে গেছি? আমরা তাদের সঙ্গে সিরিয়াসলি আলাপ আলোচনা করেছি। আর যা আলোচনা হয়েছে সবকিছুই বলবো কোনো কিছু লুকাবো না। একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবকিছুই বলা হবে।’

তারপড়েও তিস্তা পানিবন্টন চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যেটা তা হলো তিস্তা চুক্তি। আমরা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, আপনারা দু’জন বছরের পর বছর ঝুলে থাকা সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন করেছেন। এর ফলে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আপনার এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়েছে। আমরা আশা করবো তিস্তা চুক্তিও আপনাদের হাত ধরেই হবে।’

‘উত্তরের জনপদে পানির জন্য হাহাকার এখন বাস্তবতা। বিষয়টি মোদিকে জানানো হয়েছে। বলেছি, ‘এই কাজ করলে, দুই পিএম এর চলমান টার্মে হলে ট্রিমেন্ডাস গুড উইল সৃষ্টি হবে।’

‘তিস্তার পানিবন্টন চুক্তির ব্যাপারে মোদি আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেছেন’ বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তারেক রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এড়িয়ে যান মন্ত্রী। বলেন, ‘আমি তিন দিন দেশে ছিলাম না। না জেনে কিছু বলতে পারবো না। আর আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এই বিষয়ে কথা বলেছেন।’

এর আগে প্রতিনিধি দলকে বিমানবন্দরে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ও কার্যনির্বাহী সদস্য আমিরুল আলম মিলন।

গত ২২ এপ্রিল ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল ভারতে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপের আমন্ত্রণে দেশটিতে সফরে যায়।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২০মিনিটে জেট এয়ারওয়েজ যোগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে ওবায়দুল কাদের নেতৃত্বাধীন ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে বহনকারী বিমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মায়ের সঙ্গে ঝগড়া, একা অস্ট্রেলিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় ১২ বছরের শিশু!

অনলাইন ডেস্ক: মাত্র ১২ বছর বয়স তার। অস্ট্রেলিয়া থেকে চলে এসেছেন ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে। সেখানে একটি রিসোর্টে ৪ দিন কাটিয়েও দেয় শিশুটি। সে তার বাবা-মায়ের ক্রেডিট কার্ড চুরি করেই এই অভিযানে বেরিয়ে পড়ে।
আসলে মায়ের সঙ্গে একটু রাগারাগি হয় তার। হয়তো মা বকুনি দিয়েছিলেন। এ কারণেই সে ক্রেডিট কার্ডটি হস্তগত করে। তারপর প্রথমেই পার্থ থেকে জেটস্টার এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে চেপে বালিতে চলে আসে। এসব তথ্য জানায় চ্যানেল নাইন।
তার মা এমা জানান, আমি তাকে একটা বিষয়ে ‘না’ করেছিলাম। এতেই সে রেগে যায়। এরপর তাকে পেলাম ইন্দোনেশিয়ায়।
কিন্তু মা নাখোশ হয়েছেন এই কারণে যে, এত ছোট একটা বাচ্চা বিমানের টিকেট চাইলো আর তা দিয়ে দেওয়া হলো। অর্থাৎ, আমাদের সিস্টেমেই সমস্যা রয়েছে। আসলে কম বয়সীদের কাছে বিমানের টিকেট বিক্রির ক্ষেত্রে আমাদের আরো সাবধান হওয়া উচিত। খুব সহজেই এত ছোট বাচ্চার হাতে টিকেট তুলে দেওয়া হলো।
তারা স্বপরিবারে এক ছুটিতে বালিতে এসেছিলেন। তাই বাচ্চাটির পক্ষে ফ্লাইট বুকিং দেওয়া এবং এখানে পৌঁছানো সহজ হয়েছে। এর আগেও নাকি সে একাই ফ্লাইট বুকিং দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু মায়ের চিঠি না থাকায় তাকে টিকেট দেওয়া হয়নি।
এদিকে খুঁজে পাওয়া গেছে বাচ্চাটিকে। সে জানিয়েছে, একটা রোমাঞ্চকর অভিযানের জন্যেই সে বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু এবার এয়ারলাইন্সে এক কর্মকর্তা তাকে জানায় যে টিকেট কাটতে তার মায়ের চিঠির প্রয়োজন হবে না।
বালির একটি হোটেলে চার দিন ছিল সে। সেখানে একটি স্কুটারও ভাড়া করে সে। বিয়ার পান করে এবং সুইমিং পুলে গোসল করে।
চ্যানেল নাইন জানায়, এই অভিযানে তার বাবা-মায়ের ক্রেডিট কার্ড থেকে ৬ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার নাই হয়ে গেছে।
বাচ্চাকে না পাওয়ার পরই পুলিশের শরণাপন্ন হয় বাবা-মা। পুলিশ জানায়, আসলে তার ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল বন্ধের ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। আবার তার পাসপোর্ট জব্দের ক্ষেত্রেও কোনো ক্ষমতা তাদের নেই, যদি না তার মালিক কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।
তবে এ ধরনের ঘটনা যেন ভবিষ্যতে না ঘটে তার জন্যে গোটা সিস্টেমের ফাঁকগুলো খুঁজে বের করবে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার পর থেকেই জেটস্টার এই নিয়ম চালু করে দিয়েছে যে, শিশুদের একা ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই অভিভাবকের অনুমতিপত্র লাগবে। সাধারণভাবে অস্ট্রেলিয়ান এয়ারলাইন্স ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের এক ভ্রমণের অনুমতকি দেয় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক তোষিকে কাইফু’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারে শ্রীউলায় প্রতিবাদের ঝড়

মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনির শ্রীউলায় সাংবাদিক তোষিকে কাইফু’র বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের জবর দখলের মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করায় এলাকায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সরজমিন ঘুরে দেখাগেছে আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের কলিমাখালী গ্রামের লাঙ্গলদাড়িয়া মৌজায় এমপি ডাঃ রুহুল হক এর এ্যাম্বাসিডর ও দৈনিক ভোরের পাতার নিজস্ব প্রতিনিধি তোষিকে কাইফু সহ এলাকাবাসী লাঙ্গলদাড়িয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছেন। মৎস্য ঘেরে নদীর পানি সরবরাহের জন্য এলাকাবাসী সকল মৎস্য ঘের মালিকের জমির (ঘের) পাশ দিয়ে জোয়ারের পানি উঠা নামার জন্য একটি আউট ড্রেন নির্মান করেছে। যার একটি অংশের ড্রেন একই এলাকার মৃত বাবর আলী মেল্যার স্ত্রী স্বরুপজান বিবি’র (অভিযোগকারী) মৎস্য ঘেরের পাশ দিয়ে নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, আউট ড্রেনের শুরুর দিকে তোষিকে কাইফুদের জমির উপর দিয়ে একটি বড় অংশ দীর্ঘ ১৬ বছর থেকে বর্তমানে ঐ এলাকার মৎস্য ঘেরে পানি উঠা নামার আউট ড্রেন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে কারও কোন আপত্তি ছিলনা। বিগত ১বছর পূর্বে তোষিকে কাইফু’র পরোপকারে ঈর্ষান্বিত হয়ে স্থানীয় জামাত শিবিরের নেতাদের ইন্দনে স্বরুপজান বিবি এ আউট ড্রেনে বাঁধা সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে আশাশুনি থানা পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে আউট ড্রেনটির সমস্যা সমাধান করেন। সেখান থেকেই সব ঘের মালিকরা সেভাবেই পানি পাচ্ছিলো এবং সব কিছু ঠিকঠাক চলছিলো। সম্প্রতি উপজেলার শ্রীউলায় যুব সমাজ ধ্বংসকারী জুয়া ও ফড়ের আসর বন্ধ করাকে কেন্দ্র জুয়াড়ী ও বোর্ড মালিকদের ইন্দনে আবারও আউট ড্রেনটি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে শুরু করেন স্বরুপজান বিবি। প্রকাশিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরুপজান বিবি সাংবাদিক তোষিকে কাইফুকে জামাত শিবিরের নেতা বললেও এ প্রতিবেদকের কাছে কথাটি অস্বীকার করে বলেন আমিতো এসকল কথা বলিনি। এদিকে এলাকায় সাংবাদিক তোষিকে কাইফু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করায় ছোট-বড় সকলের মাঝে প্রতিবাদের ঝড় উঠতে দেখা গেছে। জানাগেছে ইতিপূর্বে স্বরুপজান বিবি’র পুত্র ইজ্জত আলী মাছ চুরির সময় জনগনের হাতে ধরা পড়লে তাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ইজ্জত আলী কোটে পুলিশের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করে। অভিযোগের বিষয়টি জানতে চাইলে আউট ড্রেন সমাধানের সময় উপস্থিত থাকা আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন বলেন, তোষিকে কাইফু বর্তমান সরকার এবং আলহাজ্ব ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক (এমপি) এর বিভিন্ন উন্নয়নের ব্যপক প্রচার করে থাকেন। সরকারের এই প্রচার-প্রসারকে বাঁধাগ্রস্থ করতে তোষিকে কাইফু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে হয়রানী করা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে তোষিকে কাইফু সম্পূর্ণ নির্দোষ। জানতে চাইলে শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল জানান, এ বিষয়টি আমার ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছিলো। আমরা কয়েকজন বিচারক, পরিষদের দুইজন ইউপি সদস্য ও দুইজন গ্রাম পুলিশকে পাঠিয়ে জনস্বার্থে ড্রেনটি পূর্বের ন্যায় তৈরীর করার জন্য বলা হয়। এখান থেকে ১বছর পূর্বে দীর্ঘ ১৫/১৬বছরের ন্যায় ড্রেনটি অব্যহত রাখা হয় এবং সেভাবেই শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিটি মৎস্য ঘেরে পানি নিষ্কাশন হয়ে আসছিলো। অভিযোগের বিষয়ে তোষিকে কাইফু নির্দোষ। তিনি আরও বলেন স্বরুপজানের পুত্র ইজ্জত আলী এলাকার চিহ্নিত মাছ চোর। চুরি করার জন্য সে তাদের এ ঘেরকে ব্যবহার করেন। তার চুরির কাজে বাঁধা দেওয়ায় তার বৃদ্ধ মা, প্রতিবন্ধি বোন, পুত্র ও পুত্রবধুকে ব্যবহার করে মানুষকে বিপদে ফেলেন। এব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন প্রকাশিত সংবাদে প্রশাসনের কথা লেখা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে এ ব্যাপারে আশাশুনি থানা পুলিশ তাদেরকে কখনোই গ্রেফতার করেনি। শুনেছি বিষয়টির সমাধানে আশাশুনি থানা পুলিশের ভুমিকা ছিলো। তবে বর্তমানে বিষয়টি আমার নলেজে আছে। এখানে তোষিকে কাইফু কর্তৃক অন্যের ঘের দখল করার অভিযোগটি ভিত্তিহীন। সেখান থেকে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়েছিলো বলে আমি জানি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আটা এবং ময়দা, কোনটা কেমন জেনে নিন

আমাদের দেশে প্রতিদিন সকালের নাস্তায় রুটি বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু স্বাস্থ্যসচেতন মানুষরা প্রায়ই একটা বিষয়ে দুশ্চিন্তা করেন। ভালো আটা কোনটা? স্রেফ গম ভাঙানো আটা ভালো, নাকি পরিশোধিত আটা ভালো? আসলে পরিশোধিক আটাকে আমরা ময়দা বলি। এখানে এদের সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রস্তুতপ্রণালী 
আটা এবং ময়দা বানানোর প্রক্রিয়া আসলে ভিন্ন। গম পিষে তৈরি করা হয় আদা। এতে গমের বীজের সঙ্গে তার খোসাও পিষে ফেলা হয়। এ কারণে আদার রং অনেকটা বাদামী হয়। কিন্তু ময়দা বানাতে আটাকে পরিশোধিত করা হয়। আলাদা করা হয় খোসা। এ কাজটি কয়েক দফা করলেই ময়দা মেলে। এ কারণে ময়দার রং ধবধবে সাদা হয়।

আটাই বেশি স্বাস্থ্যকর 
ময়দার চেয়ে আটাকে বেশি স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। কারণ আটায় প্রচুর ফাইবার থাকে যা ভক্ষণযোগ্য। এতে ভিটামিন এবং খনিজও থাকে বেশি। কিন্তু ময়দায় তেমন কিছু থাকে না। এতে অবশ্য ক্যালোরিও থাকে না।

রাসায়নিক ব্লিচ
ময়দাকে ‘অল পারপাসস ফ্লাওয়ার’ বলা হয়। এর সুন্দর শুভ্র চেহারা ও মসৃণতা আনার জন্যে রাসায়নিক উপাদান দিয়ে ব্লিচ করা হয়। কিন্তু আটায় এসব প্রক্রিয়া প্রয়োগ করা হয় না। ফলে তা থাকে অনেক বেশি সাস্থ্যকর এবং উপাদেয়।

পুষ্টি উপাদান 
আটায় অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান মেলে। এতে আছে ফোলেট, রিবোফ্লাভিন এবং ভিটাইম বি১, বি৩ এবং বি৫। এদিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছে ময়দা। পরিশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসলে আটা থেকে প্রায় সব পুষ্টি উপাদান বেরিয়ে যায়।

ফাইবার 
সাদা ময়দার চেয়ে আটায় অনেক বেশি ফাইবার থাকে। ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারে অনেক উপকার। কোষ্ঠকাঠিন্য কমে, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ওজন হ্রাস করে।

অন্যান্য উপাদান 
আটায় তাকে অ্যামাইনো এসিড এবং অ্যান্টঅক্সিডেন্ট। এগুলো দেহের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনায় সহায়তা করে। উদ্বেগ, ঘুম না আসা, মাথাব্যথা এবং বিষণ্নতা সারাতে এই উপাদানগুলো বেশ কাজ করে।

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স 
পরিশোধিত আটা বা ময়দা গ্লাইসেমিকক ইনডেক্সে আটার অনেক ওপরে অবস্থান করে। এই ইনডেক্সে যারা ওপরে অবস্থান করে সে সব খাবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে ইনসুলিন উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

ভিন্ন ব্যবহার 
সাধারণ ময়দা ব্যবহৃত হয় কেক, কুকি, পাস্তা, নুডলস, মাফিন এবং নানরুটি বানাতে। আর রুটি, পুরি এবং ডেজার্ট বানাতে লাগে আটা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রেখে জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক: অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফফার স্মৃতি ফুটবল মাঠের দৃষ্টি নন্দন গেট নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। গেটের পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে একটি সুদর্শন স্টেজও। সাতক্ষীরা শহরের গাঁ ঘেষে মাছখোলা ও শাল্যে এলাকাটি অবস্থিত হলেও সেটি ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের আওতায়। একেবারে শহরের গাঁ ঘেষা হলেও দীর্ঘদিন শাল্যে এলাকা অবহেলিত ছিলো। এমনটিই দাবি করেন শাল্যে-মাছখোলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দাদের।
তারা বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফফার ব্রহ্মরাজপুর ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর শাল্যে এলাকার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। রাস্তা-ঘাট, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। সেই মহান মানুষটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য শাল্যে এলাকায় আব্দুল গফফার স্মৃতি ফুটবল মাঠ নামে একটি খেলার মাঠের নাম করণ করেন তার পুত্র সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। পরবর্তীতে সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্পের মাধ্যমে একটি দৃষ্টি নন্দন গেট ও একটি স্টেজ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে।
শাল্যে এলাকার ভ্যান চালক আবুল হোসেন, গোলাম রসুলসহ অনেকে বলেন, গফফার চেয়ারম্যান এই এলাকার উন্নয়ন করেছিলো। তার মৃত্যুর পর এখানো কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। তার ছেলে আসাদুজ্জামান বাবু সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর শাল্যে এলাকায় উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। হয়েছে আধুনিকায়ন। শাল্যে এলাকা বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। স্কুল, মাদ্রাসা, খেলার মাঠসহ বহু উন্নয়নের সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
তারা বলেন, বাবু ছাড়া এই এলাকা কোন নেতা নেই। আর যারা আছেন সবাই নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। বাবু শুধু স্কুল, মাদ্রাসা, বিদ্যুতের উন্নয়ন করেনি। তিনি শাল্যে এলাকার সরকারি খাস জমিগুলো এ অঞ্চলের ভূমিহীন অসহায় ব্যক্তিদের মাথাগোজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। শুধু বসবাসের স্থানই না তাদের বসবাসের জন্য নিজের অর্থ দিয়ে বাড়ি ঘর নির্মাণ এবং ৪টি বাড়ি প্রতি একটি করে পুকুর এবং মসজিদ করে দিয়েছেন। যা শাল্যে কেন জেলার কোন নেতা করেছেন কি না আমাদের জানা নেই। আর তিনি প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করবেন এটি হতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে এযাবতকাল অত্র অঞ্চলের কতিপয় ভূমিদস্যুরা সরকারী খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে মৎস্য চাষ, ইটভাটা পরিচালনা করে আসছিলো। কিন্তু বাবু তাদের অবৈধ দখল বন্ধ করে গরিব মানুষদের মাথা গোজার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। যা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তারা আরো বলেন, তার তো পেট ভরা। তাদের তো অভাব নেই। তাহলে কেন লুটপাট করবেন। এ ধরনের অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, পিতার নামে গেট ও স্টেজ নির্মাণ করায় এলাকার কতিপয় দুস্কৃতিকারীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে। অথচ, উক্ত প্রকল্পের টাকা এখনো উত্তোলনই করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে গাজা ব্যবসায়ীর সাজা

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটায় ইউএনওর ভ্রাম্যমাণ আদালতে গাজা ব্যবসায়ীর ১ মাসের সাজা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ এই সাজা প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত গাজা ব্যবসায়ীর নাম আসাদুল ইসলাম (২২)। সে দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের আফছার আলীর ছেলে বলে জানা গেছে। দেবহাটা থানার এসআই রাজিব কুমার ও এএসআই আমজাদ হোসেন মঙ্গলবার ভোররাতে ১ শত গাজা সহ আসাদুলকে আটক করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ আসাদুলকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। একই সময় অপর ২ আসামীকেও ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় কাল বৈশাখীর তান্ডবে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় কাল বৈশাখীর তান্ডবে বহু ঘরবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। গাছপালা ভেঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আর ক্ষতি হয়েছে অনেক ফসলী জমির ধান ও আমের। সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে আকষ্মিকভাবে এই ঝড়ের তান্ডবে অনেক মানুষের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। দেবহাটার সুশীরগাতী গ্রামের আম ব্যবসায়ী শিবলু জানান, তিনি প্রতিবছর আমের বাগান কিনে ব্যবসা করেন। তার কামটা, দেবহাটা, সুশীলগাতী ও টাউনশ্রীপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় আমের বাগান কেনা আছে। সোমবারের ঝড়ে তার কামটা এলাকার আম বাগানের আম গাছের কয়েকটি ডাল ভেঙ্গে গেছে। এতে তার অনেক আম নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া সকল এলাকায় আম গাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে তার আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। শিবলু জানান, শুধু তিনি না, এলাকার সকল আম ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দেবহাটা সদরের আম ব্যবসায়ী ঝন্টু কুমারও একই কথা জানিয়ে বলেন, তারও ব্যাপক আমের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া উপজেলার বোরো ধানের অনেক ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। যারা ধান কেটে জমিতে রেখেছিল তাদের ধান পানির নিচে। এছাড়া যারা ধান কাটেনি তাদেরও ঝড়ে ধানের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সোমবারের ঝড়ের তান্ডবে গাছ পড়ে এবং বাতাসের কারনে অনেক মানুষের গৃহের ঘরের চাল উড়ে গেছে আবার অনেক ঘর ভেঙ্গে গেছে। গাছ পড়ার কারনে সোমবার রাত ৮ টার পর থেকে মঙ্গলবার বিকাল ৫ টা এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুতের দেখা মেলেনি। তবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যথা দ্রুত সম্ভব তারা বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest