সর্বশেষ সংবাদ-
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে জনবল নিয়োগে দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ও হাসপাতালে জনবলের ঠিকাদার নিয়োগে লাগামহীন দুর্নীতি,বিএনপির ক্যাডার দুলালের কার্যাদেশ বাতিলের দাবিতে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সচেতন সাতক্ষীরাবাসী ও ভূমিহীন সমিতির আয়োজনে ২৪এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, জেলা ভূমিহীন উন্নয়ন সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার। জেলা বাস্তহারালীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা মারুফ আহমেদ, প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন কল্যাণ সমিতির মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ, ভূমিহীন নেতা মফিজুর রহমান, আবিদার রহমান, মোমিন হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, এ সরকারের দেওয়া সাতক্ষীরা বাসির জন্য একটি অনন্য অবদান। কিন্তু সাতক্ষীরাবাসি মেডিকেল কলেজের সুফল ভোগ করতে পারছে না অসাধু কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্নীতির কারনে। যার পেছনে আছে বর্তমান সরকারের নামধারী কিছু জননেতা। জনবল সরবরাহের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৮ সালের জানুয়ারী মাসে জনবল নিয়োগের দরপত্র আহ্বান করা হলে সাতক্ষীরার একজন ঠিকাদারসহ সারাদেশের ৮জন ঠিকাদার অংশগ্রহণ করে। পিমা এসোসিয়েট লিমিটেড সর্বচ্চ দরদাতা হওয়ায় এবং “সলুসন ফোর্স লিঃ একুশে সিকিউরিটি সার্ভিস প্রাঃ লিঃ সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টেন্ডার বাতিল করে দেন পরবর্তীতে প্রিমা এসোসিয়েট এর দেলোয়ারের নির্দেশ মত শর্ত দিয়ে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে। গোপন চুক্তির ভিত্তিতে প্রিম এসোসিয়েট লিঃ এর মালিক বরিশালের মেহেদিগঞ্জ থানার জয়নগর ইউপি নির্বাচনে ধানের শীষ পীিতকে নির্বাচন করে পরাজিত হওয়া বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন দুলালকে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা রক্ষা করে। অন্যদিকে মেডিকেল কলেজে ৪৬ জনের জনবল সরবরাহের টেন্ডার পায় প্রিমা এসোসিয়েট লিঃ যা চলছে গত ৪ বছর ধরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অমান্য করে ১৪৫৫০ টাকা বেতন প্রদান না করে প্রদান করে ৭ হাজার টাকা। তাও আবার ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে না দিয়ে বেতন দেয়া হয় হাতে হাতে। শুধু মাত্র আওয়ামীলীগ করার অপরাধে আমাদের প্রতিষ্ঠান বরাবরে কার্যাদেশ না দিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি বিএনপি নেতার প্রতিষ্ঠান প্রিমা এসোসিয়েট লিঃ নামে কার্যাদেশ প্রদানের ষড়যন্ত্র করেছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের কার্যাদেশ প্রদানের উদ্দেশ্যে তারা ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটির দিনে মূল্যায়ন কমিটির বোর্ড বসায় যখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সারা দেশের মানুষ স্বাধীনতা উদযাপনে ব্যস্ত তখন মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে পরাজিত দুলালকে কার্যাদেশ প্রদানের জন্য। এছাড়া হাসপাতালে গ্যাস প্লান্ট সংযোজন বাবদ ৫ কোটি টাকার বিল পরিশোধ করা হলেও বাস্তবে কোন গ্যাস প্লান্ট আজও সংযোজিত হয়নি। ১৪ সালের কার্যাদেশে সিটি র্ক্যান মেশিন ক্রয় বাবদ সাড়ে সাড়ে আট কোটি টাকা সরকারি মূল্য থাকলেও বাস্তবে দশ কোটি পঁচাত্তর লাখ টাকা পরিশোধ দেখানো হয়েছে। কার্যাদশের মেয়াদ না থাকা সত্বেও ব্যাগডেটে রিসিভ দেখিয়ে মূল্য দেওয়া হয় ঠিকাদারের ১৬-১৭অর্থ বছরে এম.এস আর ক্রয় সংক্রান্ত দরপত্র দাখিলের চার মাস পর শর্তাবলি পরিবর্তন করে দরপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে কার্যাদেশ জারি সর্বনিম্ন দরদাতা“ বেনিবুলাম’ নামক প্রতিষ্ঠানকে না দিয়ে গোপন চুক্তির ভিত্তিতে অন্য একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল সায়িন্টিফিকস এর মালিক জহির নামক ব্যক্তিকে দেওয়া হয়।
বক্তারা ভালুকাচাঁদপুরে যুদ্ধাপরাধী খালেক মন্ডলের ছেলে শামীমকে কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কর্তৃক পূর্ণাঙ্গ বেতন ভাতা প্রদানের প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, খন্দকার মোস্তাক ও মীরজাফরদের মত সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের একটি অংশ জামায়াত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তাদের সাথে প্রশ্রায় দিয়ে যাচ্ছে। ওই অংশের উপর ভর করে স্বাধীনতা বিরোধীরা আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। কিন্তু সাতক্ষীরার মানুষ এটা হতে দেবে না। মেডিকেল কলেজে ওই সব কর্মকর্তাদের হুশিয়ারী প্রদান করে বক্তারা বলেন প্রয়োজনে আমরা মেডিকেল কলেজকে অচল করে দেবো। এখনো সময় আছে দুর্নীতি বন্ধ করুন। তা না হলে সাতক্ষীরাবাসী কাউকে ছাড় দেবে না।
ওই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক আহ্বানকৃত দরপত্রটি বাতিল করে সিডিউল সংশোধন পূর্বক পুনরায় দরপত্র আহ্বানের নির্দেশ প্রদানের আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৈশ্বিক নারী নেতৃত্বের খেতাব পাচ্ছেন শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক: নারী নেতৃত্বে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানজনক ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার থেকে অস্ট্রেলিয়ায় তিন দিনের সফরের সময় তিনি সিডনিতে ওই পুরস্কার গ্রহণ করবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের আমন্ত্রণে ২৬ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে সফরে থাকবেন শেখ হাসিনা।
“বাংলাদেশে লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করার জন্য ২০১৮ সালের বিশ্ব নারী শীর্ষ সম্মেলনে (গ্লোবাল সামিট অব উইমেন) তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।”
বাংলাদেশসহ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নারী শিক্ষা ও ব্যবসায়িক উদ্যোগের বিষয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্লোবাল সামিট অব উইমেন এই পুরস্কার দিচ্ছে।
গত বছর জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটা আজীবন সম্মানন।”
অন্যদের মধ্যে জাতিসংঘ মহাচিব বান কি-মুন ও ইউনেস্কোর সাবেক মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভাও এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
শুক্রবার সিডনিতে এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হবে। সেখানে তিনি নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নে তাদের মূলধারায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তার সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে বক্তব্য দেবেন।
অস্ট্রেলিয়া সফরকালে শনিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। আলোচনায় শিক্ষা, ক্রীড়া, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, কৃষি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রাধান্য পাবে।
২২তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সর্বশেষ ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া সফর করেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন তারেক : ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন- সম্প্রতি আওয়ামী লীগের তরফ থেকে এমন দাবি ওঠার পর তার ‘ব্যাখ্যা’ দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তারেকের দেশ ছাড়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফখরুল বলেছেন, ‘বিশ্বের অসংখ্য বরেণ্য রাজনীতিবিদ, সরকারবিরোধী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতোই সাময়িকভাবে বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন এবং সঙ্গত কারণেই তা পেয়েছেন। এই প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ হিসেবেই তিনি যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র বিভাগে তার পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। সে দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, তার পাসপোর্ট জমা রেখে তাকে ট্রাভেল পারমিট দেয়া হয়েছে। কাজেই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পাসপোর্ট তার কোনো কাজে লাগছে না। যখনই তিনি দেশে ফেরার মতো সুস্থ হবেন, তখনই তিনি দেশের অন্যান্য নাগরিকের মতোই পাসপোর্টের জন্য আবেদন জানাতে এবং তা অর্জন করতে পারবেন।’

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘বৃটিশ স্বরাষ্ট্র বিভাগ থেকে তার পাসপোর্ট লন্ডন হাইকমিশনে পাঠানোর যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তার দ্বারাও কোনো আইন কিংবা যুক্তিতে প্রমাণ হয় না যে, তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেছেন। এ ধরনের উদ্ভট ধারণাকে তত্ত্ব কিংবা তথ্য হিসেবে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন কিংবা ফেসবুকে প্রচার রাজনৈতিক মূর্খতা এবং উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু হতে পারে না।’
মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম প্রথম এ তথ্য জানান।

শাহরিয়ার আলমের সমালোচনা করে তার দেয়া তথ্যকে অদ্ভুত, যুক্তিহীন ও বেআইনি আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদ ও নিন্দাও জানান ফখরুল।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘কী কী কারণে একজন নাগরিক জন্মসূত্রে প্রাপ্ত নাগরিকত্ব হারাতে পারেন, এটাও যিনি জানেন না-, তেমন একজন ব্যক্তির শুধু এ ধরনের অনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রী পদে থাকা সম্ভব এবং তা জাতির জন্য লজ্জাজনক।’

তিনি বলেন, ‘দেশবাসী জানেন যে, বর্তমান সরকারের তথাকথিত আন্দোলনের ফসল অবৈধ ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের নৃশংস রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে পঙ্গু অবস্থায় সুচিকিৎসার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে তারেক রহমান ২০০৮ সালে লন্ডনে যান এবং পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় এখনও সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। ইতোমধ্যে তার অনুপস্থিতিতে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার ও সরকারি দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে এটা স্পষ্টতই প্রমাণিত যে, দেশে তারেক রহমানের জীবন নিরাপদ নয়।’

তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণ ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করেছে যে, তাদের কষ্টার্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে লন্ডন সফরকারী বিশাল বহরের একমাত্র অর্জন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সংগ্রহ করা তারেক রহমানের ২০০৮ সালে ইস্যু করা পাসপোর্টের তিনটি পাতা এবং বৃটিশ স্বরাষ্ট্র বিভাগের অসংখ্য ভুলে ভরা এক লাইনের রহস্যজনক একটি চিঠির ফটোকপি। কী বিচিত্র এই সরকার ! কী দুর্বল তাদের অপকৌশল।’

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট ভাষায় দেশবাসীকে জানাতে চাই যে, জননেতা তারেক রহমান জন্মসূত্রে বাংলাদেশের একজন গর্বিত নাগরিক। তিনি তার এই প্রিয় দেশের নাগরিক ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন ইনশা’আল্লাহ।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, উপদেষ্টা পরিষদের বরকত উল্লাহ বুলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কবি ও সাংবাদিক বেলাল চৌধুরী আর নেই

দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কবি বেলাল চৌধুরী মারা গেছেন।

রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা মঙ্গলবার দুপুরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান কবির বড় ছেলে আব্দুল্লাহ প্রতীক ইউসুফ চৌধুরী।

কিডনি জটিলতা, রক্তশূন্যতা ও থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে গত চার মাস ধরে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৮০ বছর বয়সী বেলাল চৌধুরী। অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ কোরেশীর তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

গত ১৯ এপ্রিল রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। পরদিন তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। সব আশা নিভে যাওয়ায় মঙ্গলবার বেলা ১২টা ১ মিনিটে লাইফ সাপোর্ট খুলে নেন চিকিৎসকরা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বেলাল চৌধুরী ২০১৪ সালের ৯ মে কলকাতা সাহিত্য আকাদেমির এক অনু্ষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

তখন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার কিডনিতে সমস্যা হয়েছে। মূত্রনালির ইনফেকশন থেকে জীবাণু সংক্রমণ ছড়িয়েছে রক্তেও। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের সমস্যাও ছিল তার।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস জানান, হাসপাতাল থেকে কবির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার পল্টনের বাসায়। সেখানে গোসল শেষে মরদেহ রাখা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলের হিমঘরে।

বুধবার বেলা ১১ থেকে ১২টা পর্যন্ত কবির কফিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে তাকে তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর শর্শদিতে দাফন করা হবে।

একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সাংবাদিক বেলাল চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৮ সালে ১২ নভেম্বর, ফেনীতে। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

ছাত্র অবস্থায় বেলাল জড়িয়ে পড়েন বাম ধারার রাজনীতিতে, ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাগারেও যান।

ষাট ও সত্তরের দশকে কয়েক বছর কলকাতায় বসবাসের সময় সাহিত্য পত্রিকা কৃত্তিবাস সম্পাদনায় যুক্ত হন কবি। পরে পল্লীবার্তা, সচিত্র সন্ধানী ও ভারত বিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদনায় যুক্ত হন।

কবিতা, গদ্য, অনুবাদ, সম্পাদনা, শিশুসাহিত্য মিলিয়ে বেলাল চৌধুরীল গ্রন্থ সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। ‘বল্লাল সেন’, ‘ময়ূর বাহন’, ‘সবু্ক্তগীন’ ছদ্মনামেও তিনি লিখেছেন।

তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘নিষাদ প্রদেশে’, ‘আত্মপ্রতিকৃতি’, ‘স্থির জীবন ও নিসর্গ’, ‘জলবিষুবের পূর্ণিমা’, ‘সেলাই করা ছায়া’, ‘কবিতার কমলবনে’, ‘বত্রিশ নম্বর’, ‘যে ধ্বনি চৈত্রে শিমুলে’, ‘বিদায়ী চুমুক’ উল্লখযোগ্য।

এছাড়া তার কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ ও গবেষণা গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল’, ‘ডুমুরপাতার আবরণ’, ‘চেতনার রঙ চন্দ্রশিলা’ এবং ‘লাকসাম দাদা ও অন্যান্য গল্প’।

‘কাগজে কলমে’, ‘মিশ্রচিত্রপট’, ‘নিরুদ্দেশ হাওয়ায় হাওয়ায়’, ‘জীবনের আশ্চর্য ফাল্গুন’, ‘নবরাগে নব আনন্দে’, ‘সুন্দরবন, সোঁদরবন ও রবীন্দ্রনাথ’, ‘মুহূর্তভাষ্য’ ইত্যাদি তার গদ্যনির্ভর গ্রন্থ।

শিশু-কিশোরদের জন্য বেলাল চৌধুরী লিখে গেছেন, ‘সাড়ে বত্রিশ ভাজা’, ‘সপ্তরত্নের কাণ্ডকারখানা’, ‘সবুজ ভাষার ছড়া’।

নিজে লেখার পাশাপাশি হোর্হে লুই বোর্হেস, পাবালো নেরুদা, ডিলান টমাস, অক্তাবিও পাসের মতো কবিদের লেখা তর্জমা করেছেন বেলাল চৌধুরী; সম্পাদনা করেছেন বেশ কিছু স্মারকগ্রন্থ।

তার সম্পাদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘জলের মধ্যে চাঁদ ও অন্যান্য জাপানি গল্প’, ‘বিশ্বনাগরিক গ্যেটে’, ‘পাবলো নেরুদা-শতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি’, ‘শামসুর রাহমান সংবর্ধনাগ্রন্থ’, ‘পদাবলী কবিতা সংকলন’ ও ‘কবিতায় বঙ্গবন্ধু’।

বেলাল চৌধুরী কলকাতা থেকে ১৯৭৪ সালে দেশে ফিরে আসেন, যোগ দেন প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনে। সে সময়ে জাতীয় কবিতা পরিষদ ও পদাবলী কবিতা সংগঠন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৪ সালে একুশে পদক পান কবি বেলাল চৌধুরী; পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, নীহাররঞ্জন স্বর্ণপদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কারসহ নানা সম্মাননা।

এক মেয়ে সাফিয়া আক্তার চৌধুরী মৌরী এবং দুই ছেলে আব্দুল্লাহ প্রতীক ইউসুফ চৌধুরী ও আব্দুল্লাহ নাসিফ চৌধুরী পাবলোকে রেখে গেছেন বেলাল চৌধুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানবতাবিরোধী অপরাধে এনএসআই’র সাবেক ডিজি গ্রেফতার

মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে এনএসআই’র সাবেক ডিজি মো. ওয়াহিদুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিএনপি সরকারের আস্থাভাজন এই কর্মকর্তা এনআইএর ডিজি হওয়ার আগে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ডিজি ও বাংলাদেশ পুলিশ এর ডিআইজি ছিলেন।

ওয়াহিদুল হকের ২৮ মার্চ ১৯৭১ সালে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে ৫/৬ মানুষকে মেশিনগানে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মো. ওয়াহিদুল হককে গ্রেফতার করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত-১

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কালবৈশাখী ঝড়ে দেয়াল চাপা পড়ে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। এসময় বিপুল সংখ্যক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বাঁধ ধসে কয়েকটি মাছের ঘেরও লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।
সোমবার রাতে রাত দশটার দিকে বয়ে যাওয়া কয়েক মিনিটের এই ঝড়ের পরপরই আশাশুনি উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
নিহত বৃদ্ধার নাম রিজিয়া খাতুন (৬০)। তিনি শ্রীউলা ইউনিয়নের বকচর গ্রামের বসির আহমেদের স্ত্রী।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাগফুরা তাসমিন একজন নিহত হবার কথা স্বীকার করে বলেন, আকস্মিক ঝড়ে কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই সংখ্যা নিরুপন করা যায়নি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল জানান ঝড়ে তার ইউনিয়নের মাড়িয়ালা, শ্রীউলা, বকচর, লাঙ্গলদাঁড়িয়া, কলিমাখালি, রাধার আঁটি, গাজিপুর , মহিষকুড় ও পুঁইজালা গ্রামের বিপুল সংখ্যক বাড়িঘর কম বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ সময় বাঁধ ধসে বেশ কয়েকটি মাছের ঘেরের ক্ষতি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রয়োজন আসাদুজ্জামানের নূরের মত সংসদ সদস্য

অনলাইন ডেস্ক: আসাদুজ্জামান নূর। সারাদেশের মানুষের প্রিয় অভিনেতা ‘বাকের ভাই’। টিভি নাটকে তার ফাঁসি যেন না হয় সেই দাবিতে রাজপথে মিছিলও হয়েছে। সেই তিনি যখন নিজ এলাকার এমপি হলেন তখনও তার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। অসাধারণ সততা, মানুষের প্রতি কর্তব্যনিষ্ঠা আর সস্তা ভণ্ডামিমুক্ত- তিনি একজন অনন্য সংসদ সদস্য। সাতক্ষীরার মানুষও আসাদুজ্জামান নূরের মত সংসদ সদস্য চান, যাকে নিয়ে তারা গর্ব করতে পারবেন। যার সততার কথা সারাদেশের মানুষ চর্চা করবে। শুধু সাতক্ষীরা কেন, সারাদেশেই এমন সংসদ সদস্য প্রয়োজন যাকে নিয়ে তার নিজ এলাকার মানুষ গর্ব করবে। দেশবাসী যার সুনাম করবে।

কেমন সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর? দেশের একটি জনপ্রিয় গণমাধ্যমে আসাদুজ্জামান নূরের নির্বাচনী এলাকায় তার জনপ্রিয়তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক সেখানে তাকে নিয়ে কি লেখা হয়েছে-

এলাকার মানুষের মাঝে ক্লিন ইমেজ ধরে রেখেছেন নীলফামারী-২(সদর) আসনের টানা তিন বারের সংসদ সদস্য(এমপি) সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। সততা, কথা দিয়ে কথা রক্ষা করা এবং কাউকে মিথ্যা আশ্বাস না দেওয়া এলাকার মানুষের কাছে তার প্রধান গুণ বলে বিবেচিত।
নীলফামারী সদর নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনবারের এমপি এবং বর্তমান সরকারের মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। এলাকার রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজের তিনি উন্নয়ন করেছেন। নীলফামারীতে স্পেশাল ইকোনোমিক জোনের কাজ চলছে। এখানে প্রায় সাড়ে চারশ’ একর জমির উপর নির্মিত এই জোনের কাজ শেষ হলে একলাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
এলাকাবাসী জানান, এই স্পেশাল ইকোনোমিক জোন প্রতিষ্ঠায় আসাদুজ্জামান নূরের অবদান রয়েছে। নীলফামারীতে রয়েছে রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা (ইপিজেড)। এখানে প্রায় অর্ধলাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এই ইপিজেড স্থাপনেও আসাদুজ্জামান নূরের ভূমিকা ছিল।
উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে নীলফামারীর যোগাযোগ সুবিধার জন্য রিং রোডের দাবি রয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। এ দাবি বাস্তবায়নে এমপি নূরের সুদৃষ্টি আছে বলেও এলাকাবাসী জানান।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা আরো জানা যায়, এলাকার উন্নয়ন, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, কর্মসংস্থান, চাকরির ক্ষেত্রে তিনি সাধ্যমত চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এলাকায় নেই।
নিয়োগ বাণিজ্য বা টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও কেউ তুলতে পারবে না। চাকরি বা সমস্যা নিয়ে এলাকার মানুষ তার কাছে গেলে তিনি কাউকে মিথ্যা আশ্বাস দেন না। যেটা তিনি পারবেন সেটা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন। যেটা তিনি পারবেন না সেটা আগে থেকেই না করে দেন। কেউ অর্থের বিনিময়ে কোন কাজ করে দেওয়ার বা অন্যায় আবদার নিয়ে তার কাছে আসতে পারেন না বলেও এলাকাবাসী জানান। এ কারণে বলতে গেলে নীলফামারীর সর্বস্তরের মানুষ তাকে সম্মান করে। এলাকায় তিনি গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত।
তিনি নিয়মিত এলাকায় যোগাযোগ রাখেন, আসেন। মন্ত্রী হওয়ার পরও আসাদুজ্জামান নূর প্রতিমাসে চার থেকে পাঁচ বার এলাকায় আসেন বলে জানা গেছে। এসময় এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ দলীয় কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
এদিকে নীলফামারী সদর আসনে আসাদুজ্জামান নূর এমপি হওয়ার কারণে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বা হানাহানি নেই। অন্য রাজনৈতিক দলও শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারে বলে জানায় এলাকাবাসী।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যেও প্রকাশ্য কোন গ্রুপিং নেই।
জানা যায়, আওয়ামী লীগের জেলা সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হকের মধ্যে এক সময় দ্বন্দ্ব ছিলো। আসাদুজ্জামান নূরের চেষ্টায় সেই দ্বন্দ্ব এখন নেই।
গতমাসে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের যে বিশেষ বর্ধিত সভা হয়, সেই সভার পর ওই দ্বন্দ্বের অবসান হয়েছে।
নীলফামারী বাজারে কথা হয় এখানকার বাসিন্দা মনিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, আসাদুজ্জামান নূর এমপি থাকার কারণে এখানে রাজনৈতিক হানাহানি বা কোন মারামারি নেই। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই। মানুষকে তিনি মিথ্যা আশ্বাস দেন না। যেটা পারেন সেটাই করেন। এলাকার উন্নয়নে তিনি অবদান রেখে যাচ্ছেন। এলাকার সঙ্গেও তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।
নীলফামারী বাজারের ব্যবসায়ী সেলিম উদ্দিন বলেন, আসাদুজ্জামান নূর ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। এলাকার জন্য তিনি যথেষ্ট কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ নাই। আগে তিনি যখন শুধু এমপি ছিলেন তখনও তার সর্ম্পকে যা শুনেছি, মন্ত্রী হওয়ার পরও তাই শুনছি।
নীলফামারীর প্রবীণ সাংবাদিক আবু মুসা বলেন, আসাদুজ্জামান নূর এখানকার উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। স্পেশাল ইকোনোমিক জোন হচ্ছে, এর পেছনে তার যথেষ্ট ভূমিকা আছে। ইপিজেড স্থাপনেও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ অনিয়মের অভিযোগ তুলতে পারবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনে অগ্নিকাণ্ডে ১৮ জনের মৃত্যু

দক্ষিণ চীনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার রাত ১ টা নাগাদ গুয়াংদং প্রদেশের কিনগিউআন শহরের একটি তিন তলা ভবনে আগুন লাগে।

কিনগিউআন পাবলিক সিকিওরিটি ডিপার্টমেন্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest