সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে খুলনায় তদন্ত সোমবারদেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অতিবর্ষণে জেলার ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধহাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৬স্কুল-কলেজে সিসিটিভি ও অনলাইন নজরদারি, মাউশির জরুরি নির্দেশনাশেষের ঝড়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেখানে ইংল্যান্ডপাহাড় ধস – বন্যা: নিহত ৪৪- ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশিযুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার বাঁশদহার কৃতি সন্তান নূরুল হাফিজসাতক্ষীরায় কচি কণ্ঠের আসরের কমিটি গঠন: বিপ্লব সভাপতি, মাহিদা সম্পাদকইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যায়নে খুলনা বিভাগের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মাননা অর্জন করল সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা

লবণাক্ততাকে জয় করে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শ্যামনগরবাসী

আসাদুজ্জামান: উপকূলীয় এলাকার লবনাক্ততা সমস্যাকে জয় করে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বাসিন্দারা।

সুন্দরবন সংলগ্ন প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার আয়তনের এই শ্যামনগর উপজেলা। সিডর এবং আইলার মত প্রাকৃতিক দূর্যোগকে সঙ্গী করেই বেঁচে আছেন এখানকার ৩ লাখেরও বেশি মানুষ। সমুদ্র ঘেঁষা এলাকা হওয়ায় লবনাক্ত জমি তাই জীবনকে করে তুলেছে আরো কঠিন।
তবে এখন সে চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়ে ঘুরে দাড়িয়েছেন দূর্বার মানুষগুলো। এ যুদ্ধে সহযোগী হয়ে পাশে আছে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থা। পেয়েছেন চিংড়ি চাষে উন্নত প্রশিক্ষণ, আয়ত্ব করেছেন লবনসহিষ্ণু চাষাবাদের কৌশলও। তেমনই একটি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস। সিএনআরএস বাংলাদেশ বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সিডিপি, ক্রেলসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সুন্দরবন ও বেঁড়িবাধ রক্ষা, মিষ্টি পানির পুকুর খনন, লবনসহিষ্ণু মাটিতে সবজি চাষ, মাছ চাষ, হস্তশিল্পের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরী, হাঁস-মুরগী পালনসহ নারী-পুরুষদের বিকল্প কর্মসংস্থান উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছে। ক্রেল প্রকল্পের আওতায় ২০১৩ সালে শ্যামনগর উপজেলার সুন্দবন বেষ্টিত উপকুলীয় এলাকার ৩ টি ইউনিয়নের প্রায় ২০কিঃমিঃ চরবনায়ন করে যা এখন দৃষ্টিনন্দন মিনি সুন্দরবন নামে ক্ষ্যাত। আর এ বনায়নের ফলে এলাকার বেঁড়িবাধ রক্ষার পাশাপাশি মিষ্টি পানির পুকুর রক্ষার কাজসহ বিভিন্ন সুবিধা পাচ্ছেন এ অঞ্চলের মানুষ। এছাড়া মানুষের প্রধান সমস্যা বিশুদ্ধ পানির অভাব। মানুষ আগে বর্ষার পানি ধরে অথবা ৭/৮ কিঃমিঃ মাটির রাস্তা পায়ে হেঁটে পুকুর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করত। এখন এই প্রকল্পের আওতায় কয়েকটি পুকুর খনন করে পিএসএফ এর মাধমে তারা বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারে। যে সব নারীরা সুন্দরবনের উপর নির্ভর করে প্রতিদিন ৫০/৬০টাকা আয় করতো এ রকম দেড় হাজারেরও বেশি নারীদের প্রশিক্ষনের দিয়ে হস্তশিল্পের বিভিন্ন প্রকার সমগ্রী তৈরি করে তারা এখন দিনে ১৫০/২০০ টাকারও বেশি আয় করে থাকেন। তাদের হাতে তৈরী এসব সমগ্রী বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হয়। আর পুরুষদের মটরভ্যান,ইজিবাইক কিনে দেওয়াসহ যে, যে কাজে পারদর্শী তাদের সে কাজের জন্য সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া ৬’শ জনকে বিভিন্ন টিম গঠন করে বন ও বেঁড়িবাধ রক্ষার কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের বনমন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপকুলীয় এলাকায় এভাবে বন ও বেঁড়িবাধ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে সিএনআরএস। এছাড়া এ প্রকল্প থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে চিংড়ি ঘেড়ের পাড়ে নানা রকম সবজি সবজি চাষ করে বাড়তি অর্থ উপার্জন করছেন এ অঞ্চলের নারীরা।

এ ব্যাপারে ক্রেল প্রকল্পের কোঅর্ডিনেটর শরন কুমার চৌহান জানান, সুন্দবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১২ হাজার সুফল ভোগী কাজ করে যাচ্ছেন। যারা এ প্রকল্পের কাজ করে তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তিনি আরো জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে নারী-পুরুষদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিকল্প কর্মসংস্থানের মধ্যে রয়েছে, সুন্দরবন ও বেঁড়িবাধ রক্ষা, মধূ আহরন, মিষ্টি পানির পুকুর খনন, লবনসহিষ্ণু মাটিতে সবজি চাষ, মাছ চাষ, হস্তশিল্পের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরী, হাঁস-মুরগী পালনসহ বিভিন্ন ধরনের আয়বর্ধন মূলক কার্যক্রম।

বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, সুন্দবন ও সুন্দরবনের বেঁড়িবাধ রক্ষায় ক্রেল প্রকল্পটি স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপকুলীয় এলাকায় প্রায় ২০কিঃমিঃ চরবনায়ন করা হয়েছে। যা এখন দৃষ্টিনন্দন মিনি সুন্দরবন নামে ক্ষ্যাত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি বড়দলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আশাশুনি ব্যুরো/বড়দল প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বড়দল বাজারের সরকারি খাস সম্পত্তিতে সম্প্রতি রাতের আধারে নির্মিত একাধিক অবৈধ দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার সকালে এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন আশাশুনি উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত। জানাগেছে, বড়দল বাজারের মুক্তি যোদ্ধা অফিস সংলগ্ন দক্ষীন-পঞ্চিম পাশে ও কাঁচা বাজারের মাঝখানে সরকারি খাস সম্পত্তিতে গত শানি ও রবিবার রাতের আধারে বৃহৎ আকারের দুইটি দোকান ঘর তৈরী করেছিলেন খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার চাঁদখালি গ্রামের মৃত: মহাতাপ সরদারের পুত্র রাহাজ্জান সরদার এবং আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের সামছেদ গাজীর পুত্র রেজাউল মাস্টার। শনিবার বেলা ১১ টায় আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মিজাবে রহমতের নির্দেশে বড়দল ভূমি কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার অবৈধ স্থাপনা নির্মান বন্ধ করে দেন এবং ঘর নির্মানের সরঞ্জম জব্দ করেন। সোমবার সকালে উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত ঘটনাস্থানে উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে অবৈধ স্থাপনা দুটি ভেঙ্গে দিয়ে সরকারি খাস সম্পত্তি উদ্ধার করেন। এসময় তিনি বলেন, যেহেতু ঘরের মালিক খুজে পাওয়া যায়নি সেহেতু জরিমানা করা সম্ভব হলো না। তবে শুধু বড়দলে নয় উপজেলার কোথাও এরকম অবৈধ স্থাপনা পেলে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বাজারের অবৈধ্য স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার ফলে ব্যাবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তির বার্তা ফুটে উঠতে দেখা গেছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাবসায়ীর বক্তব্য শুধু এ দুটি অবৈধ স্থাপনা কেন, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিমসহ অন্যদের অবৈধ স্থাপনা গুলোও একই ভাবে ভেঙে দেওয়া হোক তাহলে বাজারের একটা মনোরম পরিবেশ ফিরে আসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের বহুলালোচিত সাবেক নেতা রনি কারাগারে

রাজনীতির খবর: চাঁদাবাজির একটি মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বহুলালোচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম ওসমান গণির আদালত এ আদেশ দেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউসন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান কলেজ অধ্যক্ষ জাহেদ খানের দায়ের করা চাঁদাবাজির একটি মামলায় নুরুল আজিম রনি চার সপ্তাহের অন্তর্বতী জামিনে ছিলেন। গত ৭ মে ২০১৮ তারিখে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন। মেয়াদ শেষে আজ মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির হয়ে আবারও জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল চকবাজার থানায় নুরুল আজিম রনিসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ জাহেদ খান। সে সময় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন রনি। এ ঘটনার পরে স্থানীয় এক কোচিং মালিককে রনির মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। এরপর ছাত্রলীগের পদ থেকে অব্যাহতি নেন রনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী অভিযানে ৭ ‘মাদক ব্যবসায়ী’সহ আটক ৪০

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭ মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪০ জনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ২৪৯ বোতল ফেনন্সিডিলসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে ৮টি মামলা।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৬ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ৭ জন, শ্যামনগর থানা ৬ জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেখানে সূর্য অস্ত যায় না !

ভিন্ন স্বাদের খবর: আপনি যদি আপনার দিনের সময় আরও বেশি করতে চান, তাহলে পৃথিবীর উত্তরের দিকে যেতে থাকেন। কতটা উত্তরে জানেন কি? আর্কটিক বৃত্তের কাছাকাছি চলে যান।

গ্রীষ্মকালে আর্কটিক বা সুমেরু বৃত্তের নিকটে সূর্য অস্ত যায় না। বস্তুত, এই ঘটনাটি সুমেরুবৃত্ত নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। বিষুবরেখার মত, সুমেরুবৃত্ত একটি কল্পিত লাইন বা রেখা। এখানে, সূর্য অস্ত যায় না। বিশেষ করে তা গ্রীষ্মকালের ২১ জুনে হয়।

উত্তরের সুমেরুবৃত্তে ধ্রুব রোদ প্রায় ৬ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আবার, এর বিপরীত দিকে শীতের সময় সেখানে সূর্যোদয় হয় না। সাধারণত ২১শে ডিসেম্বর এর কাছাকাছি সময়ে সেখানে সূর্যোদয় হয় না। আপনি কখনও চিন্তা করেছেন, বছরের ছয় মাস শুধু দিন আবার অপর ছয় মাস শুধু রাত হলে সেখানে বসবাস করা সম্ভব কিনা?

সুমেরু বৃত্তের আশেপাশে ও বর্ডারে বিভিন্ন দেশ রয়েছে। অনেক মানুষ এসব এলাকাকে ‘মধ্যরাত্রি সূর্যের ভূমি’ বলে থাকেন। কারণ, সেখানে প্রায়ই মাঝরাতে সূর্য দেখা যায়। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে উত্তর প্রান্তের কানাডা, গ্রিনল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, রাশিয়া, আলাস্কা এবং আইসল্যান্ড।

আপনি যদি সূর্যকে অনেক বেশি ভালবেসে থাকেন, তাহলে আপনার গ্রীষ্মের ছুটির জন্য নরওয়ের স্বালবার্ড এ ভ্রমণ করে আসতে পারেন। সেখানে এপ্রিলের ১৯ তারিখ থেকে অগাস্ট এর ২৩ তারিখ পর্যন্ত সূর্য অস্ত যায় না। আবার, এর বিপরীত সময়ে সূর্যোদয় হয় না।

এ ঘটনাটি ঘটার কারণ হল, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর ২৩ ডিগ্রি পরিমাণে হেলানো অবস্থায় রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর হিসেবে, সেখানে প্রতি বছরে মাত্র একবার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয়।

অবশ্যই, এই ঘটনা শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। এরকম পরিস্থিতি দক্ষিনাঞ্চলেও সাধিত হয়, এন্টার্কটিক বৃত্তের কাছাকাছি। সেখানে স্থায়ী কোন জনবসতি নেই। তাই, সেখানে কম মানুষ এই অভিজ্ঞতার শিকার হয়।

এসব এলাকায় যারা বসবাস করেন, তারা অনেক দিন পর্যন্ত সূর্যালোক বা অন্ধকারে থাকার বিষয়ে অভ্যস্ত। যারা এখানে নতুন করে বাস করতে যায় বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যায় তাদের সেখানে সামঞ্জস্য করতে অসুবিধা হয়। মূলত, তাদের ঘুমাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়, কারণ সারারাত সূর্যালোক থাকে। সূর্যের আলোতে সারারাতের ঘুম পূরণ করা অবশ্যই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিন ২৮ জুন পর্যন্ত

খেলার খবর: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত করেছেন আদালত। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে যে প্রডাকশন ওয়ারেন্ট ছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আজ সোমবার রাজধানীর বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

আজ এ আদালতে মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার যুক্তিতর্ক শুনানিতে খালেদা অনুপস্থিত থাকলে তার আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এ মামলায় জিয়াউল ইসলাম মুন্না নামে এক আসামি ওমরায় যাওয়ার জন্য আবেদন করলে আদালত সরকারের অনুমতিসাপেক্ষে তা মঞ্জুর করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারালো বাংলাদেশ

খেলার খবর: মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত এসিসি ওমেন্স এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। কুয়ালালামপুরের কিনরারা ওভাল মাঠে সকালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সালমা খাতুন।

সোমবার প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলিংতোপে সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। দলীয় ২২ রানে ওপেনার নাহিদা খানের (১৩) প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন সানা মীর। বল হাতে টাইগ্রেস নাহিদা নিয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া সালমা, ফাহিমা খাতুন ও রুমানা আহমেদ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
পরে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখায় বাংলাদেশ। ৯৫ রানের জবাবে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ দলের হয়ে ওপেনার শামিমা সুলতানার ৩১ ও ৪ নম্বরে নামা নিগার সুলতানার অনবদ্য ৩১ রানের ইনিংস জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
১ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ২৩ রান করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন টাইগ্রেস ফাহিমা খাতুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেনে নিন বিশ্বকাপের অজানা কিছু তথ্য

খেলার খবর: বিশ্বকাপ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে আরও বছরখানেক আগে থেকেই। পৃথিবী জুড়ে ফুটবল অনুরাগী কোটি কোটি মানুষ প্রতিটি দিন  গুণে গুণে পার করছেন। এইতো আর মাত্র ছ’মাস, এইতো আর মাত্র ৪৫ দিন, এই তো আর মাত্র এক মাস। প্রতিদিন যেখানেই যাক না কেন ফুটবলপাগল মানুষ দিনগুলো অধীর অপেক্ষায় কাটাচ্ছেন।

অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে। দুয়ারে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ। আর মাত্র ৯ দিন বাকি। তবে এই বিশ্বকাপ এলেই অনেকের মনে উঁকি দেয় নানা তথ্য-উপাত্ত। অনেকেই জানতে চায়- ফুটবল ইতিহাসের বিভিন্ন টুকিটাকি।

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেরকমই কিছু জানা অজানা তথ্য আজ তুলে ধরা হয়েছে বিডি২৪লাইভের পাঠকদের জন্য।

১. ১৯৩০ সাল থেকে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হলেও এবারই প্রথম রাশিয়ায় বসছে বিশ্বকাপের আসর।

২. চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালি এবার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব উতরাতে পারেনি।

৩. অবাক করার মতো বিষয় হলো- যে কোচের অধীনে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছে সৌদি আরব সেই দেশটিই বিশ্বকাপ নিশ্চিত হওয়ার পর দুজন কোচ বাতিল করেছে।

৪. পাঁচবারের বিশ্বসেরা ব্রাজিল এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছে। যার মধ্যে গোটা বিশ্বে পেলে একমাত্র খেলোয়াড় যিনি তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছেন।

৫. মাত্র চারটি দল এক বিশ্বকাপের সব ম্যাচ জিতেছে। উরুগুয়ে (১৯৩০, ৪টি ম্যাচ), ইতালি (১৯৩৮, ৪টি ম্যাচ), ব্রাজিল (১৯৭০, ৬টি ম্যাচ ও ২০০২, ৭টি ম্যাচ)।

৬. বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল করেছেন রাশিয়ার ওলেগ সালেনকোর। যেটি তিনি করেছিলেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের বিপক্ষে।

৭. ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সামনে সে সুযোগ ছিল। কিন্তু সেমিফাইনালে জার্মানদের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় সেলেসাওদের। তবে এখন পর্যন্ত স্বাগতিক দেশ হিসেবে ৬টি দল বিশ্বকাপ জিতেছে।

৮. বিশ্বকাপে অন্তত ১০ গোল করেছেন সাত জন খেলোয়াড়। সবচেয়ে কম সময়ে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড। ১৯৮২ সালে এল সালভাদরের বিপক্ষে ৫৯ থেকে ৭৬ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক করেছিলেন হাঙ্গেরির লাস্লো কিস।

৯. গত ৮৪ বছরে অনুষ্ঠিত মোট ২০টি বিশ্বকাপ ভাগাভাগি করে নিয়েছে ৮টি দেশ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্রাজিল (৫ বার)।

১০. বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়টি এসেছিল ১৯৮২ বিশ্বকাপে। সেবার এল সালভাদরকে ১০-১ গোলে হারিয়েছিল হাঙ্গেরি।

১১. এশিয়ার একমাত্র দল হিসেবে ১০টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া।

১২. ২০০২ সালে তরুণ তুর্কি মালিক হাকান সুকুর বিশ্বকাপে সবচেয়ে দ্রুততম গোলটি করেছিলেন। যিনি কিনা ম্যাচ শুরুর ১১ সেকেন্ডেই দলকে লিড এনে দিয়েছিলেন।

১৩. রাশিয়ার ১১টি শহরের ১২টি স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো। এর মধ্যে রাজধানী মস্কোতে দুটি স্টেডিয়াম।

১৪. এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল ফ্রান্সের জাঁ ফন্টেইন।

১৫. বিশ্বকাপে সর্বশেষ ১৪ ম্যাচে স্পেন ড্র করেনি।

১৬. এবার রাশিয়ায় নিজেদের ১৫তম বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স।

১৭. বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসা (১৬টি)। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মাটিতে ব্রাজিলের বিপক্ষে সেমিফাইলে গোল করে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদোর বিশ্বকাপে ১৫ গোলের রেকর্ডটি ভেঙে দেন ক্লোসা।

১৮. বিশ্বকাপে টানা ১৭ ম্যাচ হারের কলঙ্কিত রেকর্ডটি বুলগেরিয়ার দখলে। তারা ১৯৬২ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত টানা ১৭ ম্যাচ জয় পায়নি।

১৯. এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে মোট ১৮টি ম্যাচ খেলা কলম্বিয়া প্রত্যেক ম্যাচেই একটি হলেও গোল পেয়েছে।

২০. ২০১০ সালে বিশ্বকাপের ১৯তম আসর বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। স্বাগতিক দল হিসেবে তারাই শুধুমাত্র দ্বিতীয় পর্ব খেলেতে পারেনি।

২১. বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হেরেছে জার্মানি (২০)। সবচেয়ে কম জয় উরুগুয়ের (২০)।

২২. একমাত্র দল ব্রাজিল যারা কোন বিশ্বকাপে বাছাই পর্ব থেকে বাদ পড়েনি। সবগুলো বিশ্বকাপেই অংশ নিয়েছে ব্রাজিল।

২৩. সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টনি মিওলা (১৯৯০, প্রতিপক্ষ চেকোস্লোভাকিয়া)।

২৪. ফাইনাল না খেলে এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ফ্রান্সের (১৯৫৮)। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে গ্রুপ পর্ব পার হতে না পারার রেকর্ড স্কটল্যান্ডের।

২৫. বিশ্বকাপে অংশ নেয়া সব দল এখনও শেষ চারে খেলতে পারেনি।

২৬. লাতিনের দেশ হিসেবে তুলনামূলক বেশিবার বিশ্বকাপ খেলেও সবচেয়ে বেশি হার মেক্সিকোর।

২৭. বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় অস্ট্রেলিয়ার। আমেরিকান সামোয়াকে ২০০১ সালে ৩১-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল দলটি।

২৮. বিশ্বকাপে ডেনমার্ক যত গোল করেছে সবগুলোই ডি-বক্সের ভেতর থেকে।

২৯. ২০০৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল।

৩০. পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতলেও কলঙ্কটাও ব্রাজিলের গায়েই বেশি। কারণ, এখন পর্যন্ত সবগুলো বিশ্বকাপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১১টি লাল কার্ড পেয়েছে ব্রাজিল, যেখানে আর্জেন্টিনার লাল কার্ডের সংখ্যা ১০।

৩১. ২৬তম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০৩৮ সালে। সেটি হবে বর্তমান ট্রফিতে শেষ বিশ্বকাপ। এর পর ২০৪২ বিশ্বকাপ থেকে ট্রফিতে বিজয়ী দলের নাম লেখা থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest