সর্বশেষ সংবাদ-
প্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতমHogyan segíti a Boabet magyar felület a játékosokat a könnyebb használatban?সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর আবহে এশিয়া পোস্টের যাত্রা শুরুসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে তালায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ  কোমরপুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  

আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার বৃহস্পতিবার

মইনুল ইসলাম: আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে বৃহস্পতিবার “আশাশুনির উন্নয়ন; সমস্যা ও সম্ভাবনা শীর্ষক” আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল’১৮ অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল সাড়ে ৪ টায় আশাশুনি এতিম ও প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, সাতক্ষীরা ৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রফেসর ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক। আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফ্ফারা তাসনীন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান সহ জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সকল দপ্তর প্রধানগণ, সকল ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়ন এর ইফতার মাহফিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়ন(রেজিঃ খুলনা-২২১৭) এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ১৩ রমজান সংগঠনের কার্যালয়ে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি মোঃ জুম্মান আলী সরদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান ফারুকের পরিচালনায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর কৃষকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও মদিনা রং ঘরের সত্বাধিকারী শাহ মোঃ আনারুল ইসলাম, এলিট পেইন্টের জেলা প্রতিনিধি মোঃ আবুল বাসার, বার্জার পেইন্টের জেলা প্রতিনিধি মোঃ তুহিন ইমাম, এশিয়ান পেইন্টের প্রতিনিধি মাছুম, আর.এ.কে পেইন্টের প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান বাবলু, নিপ্পন পেইন্টের প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান রাসেল, সাজিদ এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোঃ সহিদুজ্জামান (সাইদ), রাজধানী হার্ডওয়ারের সত্বাধিকারী টুটুল, তাইওয়ান এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, রং মহলের সত্ত্বাধিকারী মোঃ আওয়াল হোসেন, সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আবু সাদেক, কোষাধ্যক্ষ বাবুল আক্তার, প্রচার সম্পাদক রেজাউল হক, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কার্যনিবাহী সদস্য মোঃ আব্দুল হামিদসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ইফতার পূর্বে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, পাওয়ার হাউস জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বদু কাকা তখন কোথায় ছিলেন?- বি. চৌধুরীকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী

ভিন্ন স্বাদের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনি মুশতাকের অামলে সেনাপ্রধানে দায়িত্বে আসেন জিয়াউর রহমান। সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় অস্ত্রের মুখে তখনকার রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সায়েমকে সরিয়ে নিজেই রাষ্ট্রপতি হয়ে হ্যাঁ না ভোট দিয়েছিলেন। এধরনের ভোটের ঘটনা ছিল নজিরবিহীন। আজকে বদু কাকা (বি.চৌধুরী) নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কথা বলছেন। তখন বদু কাকা কোথায় ছিলেন!

বুধবার বিকেলে নির্বাচনের আগে বি চৌধুরীর জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাবনা প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ শেষে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

বি. চৌধুরীকে ‘বদু কাকা’ সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখলের পর বদু কাকাকে সাথে নিয়ে ভোটের নামে প্রহসন করেছিলেন। তিনি কি জিয়ার আমলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ও ৭৯ সালের নির্বাচনের কথা ভুলে গেছেন? অবশ্য তাঁকেও বেশি দিন রাখেননি খালেদা জিয়া। বিদায় নিতে হয়েছে। এখন সব ভুলে গিয়ে তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছেন। আসলে একটা কথা আছে না, ‘ওরে মেরেছে কলসির কানা, তাই বলে কি প্রেম দিব না।’

শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া মুচলেকা লিখে দিলো গ্যাস বিক্রি করবে ক্ষমতা এলো। গ্যাস তুলতে চেয়েছিলেন আমেরিকান কোম্পানী, তা আবার ভারতের কাছে বিক্রি করতে চেয়েছিল, ভারত ও আমেরিকার এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলাম আমি, খালেদা জিয়া এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছিল।

তিনি বলেন, ভারত আমাকে ক্ষমতায় আনবে কী আনবে না সেটা জানি না। ২০০১ সালে আমেরিকান কোম্পানী এখানে গ্যাস উত্তোলন করেছিল এখানে, সেই গ্যাস বিক্রি করবে ভারতের কাছে। আমি কিন্তু রাজি হয়নি, খালেদা জিয়া লিখে দিয়ে এসেছিলে। আমি বলেছিলাম গ্যাসের মালিক এ দেশের জনগণ।
আমি শুধু বললাম আল্লাহ্ মন বুঝে ধন দেয়। আমি মুচলেকা দেওয়া দলের নই।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মে দুই দিনের সরকারি সফরে কলকাতা যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে শান্তি নিকেতনে বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশে ভবন’ উদ্বোধন করেন। এ সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ভবনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন এবং বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সম্মানসূচক ডি-লিট (ডক্টর অফ লিটারেচার) ডিগ্রি গ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিখ্যাত ‘পাকিজা’ অভিনেত্রী গীতা কাপুরের করুণ মৃত্যু

বিনোদন ডেস্ক: ছিলেন তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা। করেছেন শতাধিক জনপ্রিয় ছবি। উপমহাদেশের বিখ্যাত ছবি ‘পাকিজা’র অভিনেত্রী তিনি। গত শনিবার মারা পাকিজা খ্যাত গীতা কাপুর। গীতা কাপুরের মৃত্যুর খবর পেয়ে দেখতে আসেননি তার ছেলে। মৃত্যুর পর ৩০ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ছেলে না আসায় মেয়েই করেন তার শেষকৃত্য।

৫৮ বছর বয়সে মারা যাওয়া এ অভিনেত্রী জীবনের শেষ দিনগুলো পরিবার ছেড়ে বৃদ্ধাশ্রমে কাটিয়েছেন। ভারতের মুম্বাইয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে গত এক বছর ধরে সন্তানদের একনজর দেখার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন অভিনেত্রী। অসুস্থ হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

জীবনের শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত ছেলে রাজা কাপুরের মুখটি একবারের জন্য দেখবেন বলে অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু মৃত্যুপথযাত্রী মায়ের জন্য তো নয়ই, তার শেষকৃত্যেও পৌঁছাল না পাষণ্ড এই ছেলে।

মায়ের প্রতি প্রায় একইরকম উদাসীন মেয়ে আরাধ্যাও। তবে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মানবিকতা দেখিয়ে মৃত্যুর ৩০ ঘণ্টা পর মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন গীতা কাপুরের মেয়ে।

গত বছরের মে মাসের এক দুপুরে গীতা কাপুরকে অসুস্থ অবস্থায় মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করান তার ছেলে রাজা। এরপর এটিএম কার্ড থেকে টাকা তুলে আনার কথা বলে মাকে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় ছেলে।

পরে সেখান থেকে গীতাকে উদ্ধার করেন ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। মৃত্যুর আগে সেই খ্যাতনামা অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, ছেলে রাজা প্রায়ই তাকে মারতেন। দিনের পর দিন তাকে অনাহারে রাখতেন। চারদিন পর একবার তাকে খেতে দেওয়া হতো।

সত্তরের দশকে ভারতের নামকরা অভিনেত্রী ছিলেন গীতা কাপুর। এক সময় বলিউড দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। ‘পাকিজা’র মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন রাজ কুমারের স্ত্রীর চরিত্রে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

তোষিকে কাইফু: আজ বুধবার চায়না বাংলার চায়না কিচেনে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আ’লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী অধ্যাপক রুহুল হক এমপি।

তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধু কন্যা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ২৫০ বেড থেকে ৫০০ বেডে করে দিয়েছেন।নলতায় প্যারা মেডিকেল করে দিয়েছেন, সারা দেশ কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করে দিয়েছেন।
চিকিৎসকদের প্রতি তিনি বলেন,সাতক্ষীরার কোন মানুষ যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।

এছাড়াও তিনি নবীন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন,তোমরা একটি এলিট শ্রেণি। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র কয়েক হাজার তোমরা।তোমাদের দায়িত্ব অনেক।
ডাক্তারদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, আপনাদের বেশি বেশি প্রাকটিস করতে হবে।কোন অসহায় মানুষ যেন বঞ্চিত না হয় আপনাদের সেবা থেকে।
সাতক্ষীরা জেলা শাখা স্বাচিপের সভাপতি ডা: মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা: মনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: কাজী হাবিবুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা: তৌহিদুর রহমান, ডা:শাহাজান আলী প্রমুখ।
ইফতার মাহফিলে সাতক্ষীরা জেলা স্বাচিপের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাইকোর্ট বিভাগে ১৮ অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ

ন্যাশনাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ১৮ জনকে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

বুধবার (৩০ মে) আইন ও বিচার বিভাগ সচিব এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে দুই বছরের জন্য ১৮ অতিরিক্ত বিচারককে নিয়োগ দেওয়া হলো। শপথের দিন থেকে তাদের নিয়োগ কার্যকর হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গডফাদার-ডন, কেউ ছাড় পাবে না

ন্যাশনাল ডেস্ক: মাদক নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান সাঁড়াশি অভিযান চলবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাদকের সঙ্গে যে-ই জড়িত থাক, গডফাদার-ডন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি।
সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে বুধবার (৩০ মে) বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে অভিযোগের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক সমাজে একটা ব্যাধির মতো। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এর সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে দীর্ঘদিন কাজ করেছে। আপনারা (সাংবাদিক) নিজেরাও মাদকের বিরুদ্ধে লিখেছেন, এখন যে-ই অভিযান শুরু করলাম, আবার এটা নিয়ে কথা উঠলো। এটা কেন? আর কে গডফাদার, ডন, কে কার ভাই -আত্মীয়, এসব আমি কখনো দেখিনি, দেখবো না। কেউ ছাড় পাবে না।

তিনি বলেন, এ অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ হাজারের ওপর গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু কোনো পত্রিকা কি লিখেছে তা? তা কিন্তু বলা হয় না।

‘আর যখন কোথাও পুলিশ- র‍্যাব অভিযানে যায়, সেখানে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হয়, তাহলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেবো। যদি বলেন, ভেজালবিরোধী-মাদকবিরোধী অভিযান বন্ধ করে দিই। ছেলে মাকে, বাবাকে হত্যা করছে মাদকের কারণে। এ ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটে।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রীকে এ সফরে ডি.লিট ডিগ্রিতে সম্মানিত করে।

এজন্য অভিনন্দন জানিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আপনি পুরস্কার আরও পেয়েছেন, আরও পাবেন, কিন্তু যে পুরস্কারের প্রাপ্য আপনি, তা এখনও পাননি, সেটা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। এজন্য এখন থেকেই প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানাই।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো পুরস্কারের প্রতি আমার প্রবৃত্তি নেই। আমি চাই আমার দেশের মানুষ যেন দু’বেলা দু’মুঠো খেতে পারে। আর কোনো পুরস্কারের জন্য লবিস্ট নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্যও নেই আমার। সামর্থ্য থাকলেও এসব আমি সমর্থন করি না।

বরং টাকা থাকলে আমার গরিবের মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই।

সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, এতে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কথা হয়েছে কি-না, প্রশ্ন করা হলে সরকারপ্রধান বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়েছি বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনে, সেদিকেই আমাদের গুরুত্ব ছিল। আর তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আমাদের দু’দেশের যৌথ নদী কমিশন আছে, সেখানে আলোচনা চলছে।

এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরের মধ্য দিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফের সাজা মওকুফ করেছেন রাষ্ট্রপতি!

ন্যাশনাল ডেস্ক: শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাজা মওকুফ করে রাষ্ট্রপতি তাকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। অত্যন্ত গোপনে কারামুক্ত হয়ে জোসেফ ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন বলেও খবর বেরিয়েছে।

তবে তার অবস্থান সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্য জানাননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বুধবার (৩০ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাটের সঙ্গে সাক্ষাতের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।

জোসেফ এখন কোথায়? এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জোসেফের যে প্রসঙ্গটা.., তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। তিনি অলরেডি ২০ বছর কারাভোগ করেছেন। ২০ বছর কারাভোগের পরই তিনি ডিউ প্রসেসে, যেভাবে প্রসেস হয় সেভাবে আবেদন করেছেন। সেই আবেদনটি রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত যাচ্ছে।

একজন সাংবাদিক বলেন, জোসেফ ভারতে চলে গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, ইন্ডিয়াতে চলে গেছে আপনি দেখেছেন নাকি? ওই সাংবাদিক তখন বলেন, আমি দেখিনি।

সাংবাদিকেরা আরও স্পষ্ট করে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি (জোসেফ) আবেদন করেছিলেন ভয়ানক অসুস্থ, এক বছর না দেড় বছর বাকি ছিল (সাজা), এক বছর কয়েক মাস। সেটার জন্য তিনি মার্সি পিটিশন করেছিলেন, সেই মার্সি পিটিশন খুব সম্ভব রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেছেন, এক বছর কয়েক দিন, তার কিছু অর্থদণ্ডও ছিল। সেগুলো আদায় সাপেক্ষে তাকে বিদেশে যেয়ে চিকিৎসা করার পারমিশন দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। এটুকু আমি জানি, এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না।

দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন জোসেফ। সেখান থেকেই মুক্তি পান বলে গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে।

১৯৯৯ সালের একটি হত্যাকাণ্ডে জোসেফের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল, হাইকোর্টও এ রায় বহাল রাখেন। পরে আপিল বিভাগ সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন সাজা দেয়। এখনো সেই সাজা ভোগ করা বাকি আছে প্রায় ২০ বছর। তার সম্ভাব্য মুক্তির তারিখ ছিল ২০৩৯ সালের ২৪ জানুয়ারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest