সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতDe Meest Winstgevende Spellen Bij Jaabet Die U Moet ProberenKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgū

বাটলার-বেসের ফিফটিতে ইংল্যান্ডের প্রতিরোধ

স্পোর্টস ডেস্ক: দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতেই ভেঙে পড়েছিল ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ। তবে জস বাটলার ও ডোমিনিক বেসের ফিফটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়েছে তারা।

তাতে লিড নিলেও হারের শঙ্কা কাটাতে পারেনি ইংল্যান্ড। ৪ উইকেট হাতে রেখে ৫৬ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে এগিয়ে স্বাগতিকরা।

প্রথম ইনিংসে ১৮৪ রান ইংল্যান্ডকে অলআউট করার পর পাকিস্তান করে ৩৬৩ রান। ১৭৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ইংলিশরা করে ৬ উইকেটে ২৩৫ রান।

৮ উইকেটে ৩৫০ রানে শনিবারের খেলা শুরু করেছিল পাকিস্তান। ১৩ রান করতেই বাকি দুই উইকেট হারায় তারা।

ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন বেন স্টোকস ও জিমি অ্যান্ডারসন। দুটি পান মার্ক উড।

বেশ বড় লিড নিয়ে পাকিস্তানের বোলাররা ১১০ রানের মধ্যে ইংল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নেন। তবে বাটলার ও বেসের অপরাজিত ১২৫ রানের জুটিতে শুরুর এই লজ্জা কাটিয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। বাটলার ৬৬ ও বেস ৫৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।

তার আগে অধিনায়ক জো রুট ৬৮ রানের ধীর ইনিংস খেলেন।

পাকিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ আব্বাস ও শাদাব খান দুটি করে উইকেট নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবলীগ নেতা পৌর কাউন্সিলর নিহত

ন্যাশনাল ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কের নোখায়ালিয়া পাড়ায় “বন্দুকযুদ্ধে” নিহত যুবকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২ টায় কক্সবাজার- টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে নোয়াখালিয়াপাড়ায় ওই ঘটনা ঘটে। ওই সময় মরদেহের পাশ থেকে একটি পিস্তল, একটি এলজি, ৬ রাউন্ড গুলি এবং ৭ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, নিহত যুবক টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক (৪৬)। একরাম টেকনাফ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের খায়ুকখালীপাড়ার পরপর তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর। এছাড়াও তিনি টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও টেকনাফ বাস স্টেশন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং টেকনাফ মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক আহবায়ক। তার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের একটি ইয়াবা মামলা রয়েছে।

র‌্যাব সূত্র জানায়, একরাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা পাচারকারী। ঢাকা শহরে তার বাড়ি-গাড়ি রয়েছে।

রাতের অন্ধকারে নোয়াখালিয়া পাড়া থেকে একটি ইয়াবার চালান কক্সবাজার শহরে যাওয়ার কথা ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব মেরিন ড্রাইভে অবস্থান নেয়। কিন্তু র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা পাচারকারীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর‌্যায়ে পাচারকারীদল পিছু হটে। পরিস্থিতি শান্ত হলে সেখানে এক যুবকের মৃতদেহ দেখতে পায়।

র‌্যাব ৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ১ টি পিস্তল, ১ টি এলজি, ৬ রাউন্ড গুলি এবং ইয়াবা ভর্তি কিছু প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ থানার ওসি রনজিৎ বড়ুয়া বলেন, নোয়াখালিয়াপাড়ায় বন্দুকযুদ্ধের খবর পুলিশ পৌঁছালে একজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় এটি পৌর কাউন্সিলর একরামের মরদেহ বলে সনাক্ত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি এলজি, ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি বড়দল ব্রিজ উদ্বোধনের আগেই বসে গেছে এ্যাপ্রোচ সড়ক!

মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ব্রীজ উদ্বোধনের আগেই ব্রীজের এ্যাপ্রোজ সড়ক বসতে শুরু করেছে। ফলে সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
বড়দল ব্রীজটি নির্মান কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ব্রীজের দু’পাশে রং করার কাজ চলছে। বড়দলের পাড়ে এ্যাপ্রোজ সড়ক নির্মান কাজ শেষ হয় বেশ কয়েক মাস আগে। কিন্তু ১০/১৫ দিন আগে থেকে সড়কের দু’পার্শের বড় অংশ বসে যেতে শুরু করে। এবং কয়েক ইঞ্চি করে সড়ক ধ্বস নিয়ে বসে গেছে। ব্রীজের মুখের কাছে ঢালাইও ফেটে গেছে। ঠিকাদারের লোকজন কোন কোন স্থানে ইতিমধ্যে পুটিং এর ব্যবস্থা করেছেন। বাকী অংশ এখনো বসে আছে। কোন যানবাহন চলাচলের আগেই সড়ক বসে ফেটে যাওয়ায় জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে, যানবাহন চলাচল শুরু হলে কি অবস্থা হবে? বিষয়টি তদন্ত পূর্বক কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যানের উপর মাদকাসক্তদের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও কয়লা ইউনিয়ন পরিষদের সভাপতি শেখ ইমরান হোসেনর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইমরান হোসেন বাদি হয়ে কলারোয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী মো. আবু সাঈদ, শেখ মারুফ আহমেদ জনি ও শাকিল খান জজকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার বিকাল ৪টার দিকে কলারোয়া কাছারী মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে মারাত্মক আহত হয়ে কলারোয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান ও কলারোয়া উপজেলা তরুণলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন।

আহত শেখ ইমরান হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে হঠাৎ আমাদেরকে ফোনে জানানো হয় শনিবার উপজেলা ছাত্রলীগের বর্ধিত সভা করতে হবে। সে মোতাবেক আমরা শনিবার বিকালে কলারোয়া কাছারী মসজিদ এলাকায় বর্ধিত সভার আয়োজন করি। সভায় আমি সভাপতির বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলি যে, ভবিষ্যতে কলারােয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যে কমিটি হবে সেখানে যেন কোনভাবে কোন মাদকাসক্তকে স্থান দেয়া না হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার সারাদেশের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। সুতরাং, ছাত্রলীগও যেন বিষয়টি খেয়াল রাখে। কোন মাদকাসক্ত দিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি করা হলে কলারোয়ার ছাত্রলীগ তা মেনে নেবে না। আমার এ বক্তব্যে পদ প্রত্যাশী তিন চিহ্নিত মাদকাসক্ত সাঈদ, জনি ও শাকিল অসন্তুষ্ট হয়ে থাকবে। আমরা শুনেছি এরা টাকা-পয়সা বিনিময়ে ছাত্রলীগের মত ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের নেতৃত্ব কেনার চেষ্টা করছে। এরাই পরবর্তীতে সংঘবদ্ধ হয়ে আমার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ভিডি ছড়িয়ে পেেড়ছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব চাওয়া সাঈদ, জনি ও শাকিল বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাদাকাটিতে সরকারি জমিতে অবৈধ ঘর নির্মাণের অভিযোগ

মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি হলদেপোতা টু তেঁতুলিয়া সড়কের মোড়ে সরকারি খাস জমি দখল নিয়ে ঘর নির্মান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হলদেপোতা মোড়ের পূর্বপাশে সড়কের জমি দখল নিয়ে কাদাকাটি গ্রামের মৃত উপেন্দ্র মন্ডলের পুত্র সুকুমার মন্ডল দীর্ঘ ১৫/২০ দিন ধরে পিলার করে পাকা ঘর নির্মানের কাজ করে আসছেন। প্রকাশ্যে সরকারি জমি দখল নিয়ে ঘর নির্মানের ঘটনায় এলাবাসীর মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সুকুমার মন্ডল সাংবাদিকদের জানান, তার রেকর্ডীয় জমি খাস করে নয়নজোল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই জমিতে ঘর নির্মান করায় কোন অপরাধ হতে পারেনা। কাদাকাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মুকিত জানান, বিষয়টি আমার জানানেই। খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ২

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতারী পরোয়ানার এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান, এএসআই আসলাম ও কামরুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে বন আইনে মামলা নং ৪০/০৮ (মোংলা) এ ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের জেল মাথায় নিয়ে পলাতক বল্লভপুর গ্রামের আঃ গফুর কারিগরের পুত্র রহমানকে গ্রেফতার করেন। এসআই প্রদীপ কুমার সানা ও এএসআই কামরুল পৃথক অভিযানে সিআর ৩৮০/১৭ এর আসামী খলিসানী গ্রামের আঃ রহিম গাইনের পুত্র মিঠুনকে গ্রেফতার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ল’ কলেজের ইফতার মহফিল ও পরিচালনা পর্ষদের সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা ল কলেজের ইফতার মহফিল ও পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ল কলেজ মিলনায়তনে ইফতার মহফিল ও পরিচালনা পর্ষদের সভা সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, কলেজের অধ্যক্ষ এড. এস এম হায়দার, পরিচালনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুস সবুর, সদস্য আব্দুল হামিদ, ডা. বিপীন বিহারী, কলেজের প্রভাষক এড. অরুণ কুমার ব্যানার্জি, এড. শেখ সিরাজুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও কলেজের প্রভাষক এড. রেজওয়ান উল্লাহ সবুজ, এড. শহীদ হাসান, এড. হোসনে আয়া, এড. মুনির উদ্দীন, এড. নাজমুন নাহার ঝুমুর, এড. লাকী ইয়াসমিন, এড. আজমীর হোসাইন রোকন, ল স্টুডেন্টস ফোরামের সভাপতি নাজমুল হক, সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহাব উদ্দীন সাজু, নব নির্বাচিত সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১৫৩

ন্যাশনাল ডেস্ক: ঢাকার মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫৩ জনকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এর মধ্যে ৭৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাকি ৭৬ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদকবিরোধী মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

র‍্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, ‘আমাদের বিপুল প্রস্তুতি ছিল। র‍্যাব-২–এর নেতৃত্বে প্রায় ৮০০ জনের দল অভিযানে অংশ নেন। জেনেভা ক্যাম্পে প্রথমে ৫১৩ জনকে আটক করা হয়। সেখান থেকে তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে ১৫৩ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে ৭৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য ৭৬ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদকবিরোধী মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন নারী আছেন। এ অভিযানে ১৩ হাজার ইয়াবা বড়ি ও ৩০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।’

র‍্যাব সূত্র জানায়, জেনেভা ক্যাম্পে মাদকবিরোধী অভিযানে র‍্যাব-১, ২, ৩, ৪, ১০ ও ১১ অংশ নেয়। এতে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। বাধা আসতে পারে ভেবেই এতসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে উপস্থিত রাখা হয়েছে বলে র‍্যাব সূত্র জানায়।

আজ শনিবার দুপুর পৌনে ১২টা থেকে এই অভিযান শুরু করে র‍্যাব। অভিযান শুরু করার আধঘণ্টার মধ্যে মাদক বিক্রির অভিযোগে শতাধিক লোককে আটক করা হয়।

৩ মে প্রধানমন্ত্রী র‍্যাবকে মাদকের বিরুদ্ধ অবস্থান নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। পরদিন থেকে র‍্যাব মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

দেশে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে গতকাল শুক্রবার রাতের বিভিন্ন সময় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরও নয়জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বরগুনা ও দিনাজপুর থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

দেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার ১২তম দিনে এখন পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার সংখ্যা ৭৩-এ দাঁড়িয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের প্রায় সবাই মাদক ব্যবসায়ী বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।

১৯ মে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, সরকার মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স (শূন্য সহনশীলতা) নীতি অবলম্বন করেছে।

গতকাল তিনি বলেন, যত দিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে, তত দিন এ অভিযান চলবে। আরও প্রত্যন্ত এলাকায় এ অভিযান ছড়িয়ে দেওয়া হবে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে, তাঁদের নাম অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ ১৪ মে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে মাদক কেনাবেচায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest