নিজস্ব প্রতিবেদক : ট্রাকের ধাক্কায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা সদরের বাস টার্মিনালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক ট্রাকটি আটক করতে পারেনি।
নিহতের নাম মোবারক আলী মোল্লা (৮০)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার সোনাতলা গ্রামের দেলবার আলী মোল্লার ছেলে।
শ্রীকলা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক সোনাতলা গ্রামের মাওলানা রওশান আলী মোল্লা জানান, তার বাবা বৃহষ্পতিবার সকালে নলতায় যাওয়ার জন্য বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। সকাল ১১ টার দিকে তিনি কালিগঞ্জ বাস টার্মিনালের পাশে মদিনা হোটেলের সামনে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে একটি পণ্যবাহি ট্রাক তাকে ধাক্কা মারে। এতে তিনি মারাত্মক জখম হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মহসিন আলী জানান, দুর্ঘটনায় মস্তিকে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মোবারক আলী মোল্লার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রাজীব হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মোবারক আলী মোল্লার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘাতক ট্রাকটি আটক করা যায়নি।
রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার সাথে রূপম চাকমা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে যাওয়ার সময় খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার জন্য ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে (ইউপিডিএফ) দায়ী করা হয়েছে।
অবশ্য ইউপিডিএফের মুখপাত্র নিরন চাকমা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এটা মিথ্যা ও বানোয়াট। এর সাথে ইউপিডিএফের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
শক্তিমান চাকমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
উপজেলা পরিষদ চত্বরের বাসভবনেই থাকতেন শক্তিমান চাকমা। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে আসার পথে দুজন অস্ত্রধারী তাকে গুলি করে। তখন মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান তিনি। এ সময় একজন অস্ত্রধারী কাছে গিয়ে তাকে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর আহত শক্তিমান চাকমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শক্তিমান চাকমাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অ্যাডভোকেট শক্তিমান চামকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।
তিনি ২০১০ সালে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি থেকে বেরিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এম এন লারমা) নামের নতুন দলে যোগ দেন।

