সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারLes jeux de casino incontournables à essayer absolument sur GTBetদেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাLes critères qui font de Boomerang Casino un choix incontournableসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেল

জবিতে সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়মে এ নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডাঃআ ফ ম রুহুল হক এমপি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. সুজার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.রবীন্দ্রনাথ মন্ডল,দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জি এম তারিকুল ইসলাম,প্রভাষক ও শিক্ষক নেতা কাজী ফারুক হোসেন,প্রভাষক মো: ফেরদৌস হোসেন,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেল।এছাড়া জেলা ছাত্রকল্যাণের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য তোষিকে কাইফু,মাহমুদ হোসেন পারভেজ,সাইফুল ইসলাম,অরুপ ব্যানার্জী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রাহী বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথি জবি ক্যাম্পাসে যেয়ে সাতক্ষীরা জেলা থেকে আগত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলীদের নিয়ে উপাচার্য ড. মিজানুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
পরে নবীণ শিক্ষার্থী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধ্যায়নরত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে যান।
তিনি এসময় জননেত্রী শেখ হাসিনার নানামুখী উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন,আগামীতে ক্ষমতায় গেলে যশোরের নাভারণ থেকে সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইনের কাজ সমাপ্ত করতে পারবো। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালক ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়েশ মাহমুদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টাক মাথায় চুল গজানোর নতুন ওষুধ আবিষ্কার

টাক মাথায় চুল গজানোর এক নতুন চিকিৎসা নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা বলছেন, হাড়ের ক্ষয়রোধে ব্যবহার হয় এমন একটি ওষুধ মাথার চুল পড়া ঠেকানোর এক নতুন চিকিৎসা হয়ে উঠতে পারে ।

গবেষকরা বলছেন, অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ সাইক্লোস্পোরিন নিয়ে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করার সময় দেখা গেছে – এটি চুলের গোড়ার ওপর ‘নাটকীয়’ প্রভাব ফেলে এবং তাকে বাড়তে উদ্দীপ্ত করতে পারে।

প্রকল্পের প্রধান ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ন্যাথান হকশ’ বলছেন, যেসব লোকেরা মাথার চুল পড়ে যাবার সমস্যায় আক্রান্ত – তাদের চিকিৎসায় এটা এক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

মানুষের দেহে এমন এক প্রোটিন আছে যা চুলের বৃদ্ধি আটকে দিতে অনেকটা গাড়ির ব্রেকের মতো কাজ করে।

এই সাইক্লোস্পোরিন ঠিক এই প্রোটিনটিকেই আক্রমণ করবে।

চুল পড়ার চিকিৎসার জন্য এখন মাত্র দুটি ওষুধ প্রচলিত আছে। একটি হচ্ছে মিনোক্সিডিল – যা পুরুষ ও মহিলা সবাই ব্যবহার করতে পারেন, আর অন্যটি হচ্ছে ফিনাস্টেরাইড – যা শুধু পুরুষের জন্য।

তবে এ দুটি ওষুধের প্রতিটিরই কিছু না কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, এবং সবার ক্ষেত্রে এগুলো সমান কার্যকর হয় না।

তাই টাকের সমস্যায় আক্রান্তরা প্রায়ই চুল প্রতিস্থাপনের মতো পন্থার আশ্রয় নেন।

তবে বিজ্ঞানীরা বলেন, চুল পড়ার এমন কোন চিকিৎসা নেই যা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ড. হকশ বলছেন, সাইক্লোস্পোরিন চুল পড়ার চিকিৎসায় কার্যকর এবং নিরাপদ কিনা তা বের করতে একটি ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা দরকার হবে।

চুল পড়ার চিকিৎসার জন্য এখন মাত্র দুটি ওষুধ প্রচলিত আছে। একটি হচ্ছে মিনোক্সিডিল – যা পুরুষ ও মহিলা সবাই ব্যবহার করতে পারেন, আর অন্যটি হচ্ছে ফিনাস্টেরাইড – যা শুধু পুরুষের জন্য।

তবে এ দুটি ওষুধের প্রতিটিরই কিছু না কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, এবং সবার ক্ষেত্রে এগুলো সমান কার্যকর হয় না।

তাই টাকের সমস্যায় আক্রান্তরা প্রায়ই চুল প্রতিস্থাপনের মতো পন্থার আশ্রয় নেন।

তবে বিজ্ঞানীরা বলেন, চুল পড়ার এমন কোন চিকিৎসা নেই যা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ড. হকশ বলছেন, সাইক্লোস্পোরিন চুল পড়ার চিকিৎসায় কার্যকর এবং নিরাপদ কিনা তা বের করতে একটি ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা দরকার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথমবার প্রকাশ্যে এল রাশিয়ার ‘ধ্বংসের অস্ত্র’

প্রথমবারের মতো অস্ত্রভাণ্ডার থেকে ‘ডুমসডে ওয়েপন’ বা ধ্বংসের অস্ত্র জনসমক্ষে নিয়ে এল রাশিয়া। কেএইচ-৪৭এম২ কিঞ্জাল (Kh-47M2 Kinzhal) নামের একটি হাইপারসনিক নিউক্লিয়ার মিসাইল প্রকাশ্যে এনেছে মস্কো। রাশিয়ার বিজয় দিবসের প্যারেডে ওই অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। গত মার্চেই এই বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন কৌশলী অস্ত্রের কথা ঘোষণা করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এদিনের প্যারেডে দুটি মিগ-৩১বিএম (MiG-31BM) ফাইটার জেটের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল একটি করে কিঞ্ঝাল (Kinzhal) মিসাইল।

এটি একটি এয়ার-টু-সার্ফেস মিসাইল। শব্দের গতির থেকে ১০ গুন বেশি গতিতে পৌঁছাতে পারে এই মিসাইল। অন্য যে কোনও অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেমের পক্ষে এটি আটকানো বেশ কঠিন। এই মিসাইলের রেঞ্জ প্রায় ২০০০ কিলোমিটার। সমুদ্রের মাঝে থাকা টার্গেটেও আঘাত করতে পারবে এটি। এটির দৈর্ঘ্য আট মিটার ও প্রস্থ ১ মিটার। এতে ৪৮০ কেজির নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড থাকা সম্ভব।

২০১৮-র মার্চে মিগ-৩১বিএম (MiG-31BM) থেকে এই মিসাইল পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।

এদিকে, পেন্টাগনের রিপোর্ট অনুযায়ী, সমুদ্রের গভীরে চালাতে একটি ডুবন্ত নিউক্লিয়ার টর্পেডো তৈরি করছে রাশিয়া। যে খবর ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে এই টর্পেডো নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত আমেরিকা।

আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগের তৈরি একটি রিপোর্টে অন্যান্য দেশের নতুন অস্ত্র ভাণ্ডার সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে রাশিয়া এই ইন্টারকন্টিনেন্টাল, পরমাণু চালিত ও পরমাণু অস্ত্রবাহী, ডুবন্ত ও স্বয়ংক্রিয় টর্পেডো তৈরি করছে। সাধারণ ভাষায় এই ধরনের যুদ্ধযানকে ‘স্টেটাস-৬’ আখ্যা দেওয়া হয়। একে ‘ডুমস-ডে ওয়েপন’ বা ধ্বংসের অস্ত্রও বলে থাকেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহরতলিতে বজ্রপাতে এক শিশু নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর কুচপুকুর বজ্রপাতে এক শিশু নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শিশু সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুচপুকুর গ্রামের আমের আলী সরদারের ছেলে সাইদুল্লাহ সরদার (১২)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে কুচপুকুর গ্রামের শিশু সাইদুল্লাাহ তাদের বাড়ির ছাদে জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরাচ্ছিলো। এ সময় বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটলে সে ঘটনা স্থলেই মারা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগ নেতা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার এমপি রানা

ডেস্ক রিপোর্ট: দুই যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর পর এবার ছাত্রলীগ নেতা হত্যাচেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঘাটাইল আমলী আদালতের বিচারক আরিফুর রহমান এ আবেদন মঞ্জুর করেন।

এ সময় রানার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এদিকে, বুধবার দুই যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

এ সময় রানাকে এই মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। পরে সকালে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলী আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মাসুমের আদালতে রিমান্ডের শুনানি হলে বিচারক দুপুরের দিকে রিমান্ডের বিষয়ে সময় নির্ধারণ করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি অশোক কুমার সিংহ এমপি রানাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন।

অপরদিকে ঘাটাইল জিবিজি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ছাত্রলীগ নেতা আবু সাঈদ রুবেলকে হত্যাচেষ্টার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুল ইসলাম ঘাটাইল আমলী আদালতে আমানুরকে গ্রেফতার দেখানোর অপর আবেদনটি করেন। পরে আদালতের বিচারক বৃহস্পতিবার ১০ মে আবেদনের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি অশোক কুমার সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর রাতে একদল সন্ত্রাসী আবু সাঈদকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এ হামলায় আবু সাঈদ পঙ্গু হয়ে যান। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া আসামি আব্দুল জব্বার বাবু ঘটনার সঙ্গে রানার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর আদালতে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে আব্দুল জব্বার জানান, এমপি রানা কারাগারে থেকে আবু সাঈদকে কিছু করার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশ মতোই হত্যার উদ্দেশে সাঈদের ওপর হামলা করা হয়।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি এমপি রানা এই মামলারও অন্যতম আসামি। বর্তমানে মামলাটি আদালতে চলছে। এই হত্যা মামলায় কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন তিনি।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা ফারুক আহমেদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে এর তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে দেয়া হয়। গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত শেষে গত ৬ সেপ্টেম্বর ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। তাদের জবানবন্দীতে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি রানা ও তার তিনভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়িক নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। এর পর থেকে তারা আত্মগোপনে চলে যান।

তবে পরে দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর এমপি রানা গত ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতেই আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বেশ কয়েক দফা উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালতে আবেদন করেও জামিন পাননি তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে অজিরা

স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ‘আর্থিকভাবে লাভবান নয়’ এমন অজুহাতে সেই সফর বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া।

তবে ২০২০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার কথা জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।

বৃহস্পতিবার (১০ মে) সিএ’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এমন তথ্য প্রকাশ হয়েছে।

আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) অনুযায়ী আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলার কথা ছিল মাশরাফি-সাবিকদের। কিন্তু বোর্ডের অর্থ সংক্রান্ত ক্ষতির কারণে এ সিরিজ আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে সিএ। ২০০৩ সালের এফটিপি অনুযায়ী দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ফিরতি সিরিজ হতো এটি।

সিরিজ বাতিল হলেও ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের পর একটি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া যেতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এমন একটি প্রস্তাব এরইমধ্যে চিঠি আকারে পাঠিয়েছে বিসিবি। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি’র সাথে আলোচনা করেই বাংলাদেশকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে সিএ।

আগামী ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরের বছর অনুষ্ঠেয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্বেই এই সিরিজ আয়োজনের কথা ভাবছে অজিরা। এতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধ পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিয়ে বাকি বাংলাদেশ দলের সুবিধা হবে বলে মনে করছে সিএ। বিসিবিও তাতে সম্মত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছে আরও দুইজন।বৃহস্প‌তিবার (১০ মে) দুপুরে উপজেলার কা‌শিমা‌ড়ি ইউনিয়নের ঘোলা ও গাঙআ‌টি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ঘোলা গ্রামের মৃত আব্দুল মাজেদের ছেলে আশরাফ হোসেন (২৮) ও গাঙআটি গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আমিনুর রহমান (১৬)।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মান্নান আলী ডেইলি সাতক্ষীরাকে বিষয়‌টি নি‌শ্চিত করেছেন।
দগ্ধরা হলো- গাঙআটি গ্রামের আব্দুর র‌হিমের ছেলে মিজানুর রহমান (১৫) ও গোলাম বারীর ছেলে আক্তা‌রুল ইসলাম (১৭)।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে আশরাফ হোসেন ঘেরে কাজ কর‌ছিলেন। এসময় হঠাৎ বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে আ‌মিনুর রহমান তার বা‌ড়ির পাশের মস‌জিদে জোহরের নামাজ পড়ে বারান্দায় বসে ছিলেন। মস‌জিদের বাইরের এক‌টি গাছে বজ্রপাত হলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দগ্ধ হন মিজানুর ও আক্তারুল। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
`কোটা নিয়ে কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে’

কোটা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। এটা আজকে সকালে পৌঁছেছে। এটা যদি প্রধানমন্ত্রী দেখেন তবে দুই-এক দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত দেবেন। একটি কমিটি হবে। কমিটি সুপারিশ করবে। কমিটির সুপারিশ সরকার অনেক সময় পুরোপুরি রাখে, অনেক সময় আংশিক রাখে, এরপর একটা সিদ্ধান্ত যেটা সবাই চাচ্ছে, আশা করি সেটা হবে।

মোজাম্মেল হক খান বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল নাকি সংস্কার হবে এ কমিটি সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। পরে সেটা সবাইকে (প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে) জানিয়ে দেয়া হবে। তবে কবে হবে সেটা বলতে পারব না।

প্রস্তাবিত এ কমিটির নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রস্তাবিত কমিটি কত সদস্যের জানতে চাইলে সিনিয়র সচিব বলেন, আমি যদি বলি পাঁচ, ছয়ও তো হতে পারে। চার-পাঁচ জন সদস্য এটা বলা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে- সামগ্রিক বিষয়, আইন-কানুন বিবেচনা করে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তারা প্রতিবেদনে সুপারিশ করবে। সরকার সেটাকে কতটুকু বিবেচনায় নেবে…। আমি আগেই বললাম, সরকার পুরোপুরি বিচেনা করতে পারে, আংশিক করতে পারে। যতটুকু গ্রহণযোগ্য ততটুকু নেবে।

‘কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন ওইটা আমাদের মাথায় রাখা ভালো। পরে বাস্তবে কি ঘটবে সেটা পরে দেখা যাবে’ বলেন মোজাম্মেল হক খান।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে সংরক্ষিত কোটা ৫৬ শতাংশ। বাকি ৪৪ শতাংশ নেয়া হয় মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে। বিসিএস নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩০, জেলা কোটায় ১০, নারী কোটায় ১০ ও উপজাতি কোটায় ৫ শতাংশ চাকরি সংরক্ষণ করা আছে। এ ৫৫ শতাংশ কোটায় পূরণযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সে ক্ষেত্রে ১ শতাংশ পদে প্রতিবন্ধী নিয়োগের বিধান রয়েছে।

উল্লেখ্য, কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছিলেন শিক্ষার্থীরা। কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করছিলেন তারা।

৯ এপ্রিল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীরা। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোটার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ৭ মে পর্যন্ত সময় নেন ওবায়দুল কাদের। কিন্তু এরপরের দিনও আন্দোলন চালিয়ে যান শিক্ষার্থীরা।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ এপ্রিল বুধবার জাতীয় সংসদে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোটা নিয়ে যখন এতকিছু, তখন কোটাই থাকবে না। কোনও কোটারই দরকার নেই। যারা প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী তাদের আমরা অন্যভাবে চাকরির ব্যবস্থা করে দেব।’

কিন্তু এরপর প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য অনুযায়ী কোটা নিয়ে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা না হলে ফের স্বোচ্চার হন শিক্ষার্থীরা। এই অবস্থায় গত ২৭ এপ্রিল কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

অস্টেলিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে- এ আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ওই বৈঠকে ৭ মে পর্যন্ত কোটাবিরোধী আন্দোলন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

কিন্তু ৭ মে’র মধ্যে কোটার প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় ফের আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest