সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজন

আশাশুনির ধাপুয়ার খাল উন্মুক্তকরণের দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের শ্রীধরপুর মৌজায় ধাপুয়ার খাল জলমহাল উন্মুক্তকরনের দাবীর প্রেক্ষিতে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দরগাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার সরেজমিনে এ তদন্ত করেন। কপোতাক্ষ কৃষি বনায়ন ও নার্সারী সমবায় সমিতির সভাপতি আওছাফুর রহমান এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জলমহালটি ইজারা প্রদান না করে উন্মুক্ত রাখার আবেদন করেন। তদন্তকালে বাদী পক্ষ বলেন, খরিয়াটি, হোসেনপুর, শ্রীধরপুর, খাসবাগান, রামনগর, দরগাহপুর, সোনাই, তকিপুর, টেকাকাশিপুর, মোকাম খালি, তালবাড়িয়া সহ বিভিন্ন মৌজার হাজার হাজার বিঘা জমিতে ধান ও মাছ চাষ হয়ে থাকে। ধাপুয়ার খাল জলমহালটি আগেও অবমুক্ত ছিল, কিন্তু বর্তমানে ইজারা দেওয়ায় বর্ষা মৌসুমে একটু ভারী বৃষ্টি হলেই পানি নিস্কাশিত না হওয়ায় এ এলাকা প্লাবিত হয়ে থাকে। খাল ইজারা নিয়ে চিংড়ীচাষের জন্য বিভিন্ন স্থানে নেটপাটা ও বাঁধ দেওয়া হয়ে থাকে। ফলে পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়ে থাকে। এলাকার পানি নিস্কাশনের একমাত্র অবলম্বন এই খাল এর মাধ্যমে স্লুইস গেট দিয়ে নদীতে ফেলান হয়। কিন্তু ইজারা গ্রহিতারা খালে বাধ দেওয়ার কারনে সেটি চরম ভাবে বাধার সম্মুখীন হয়ে থাকে। তাছাড়া ইজারা গ্রহিতারা তাদের সুবিধামত গেট ব্যবহার করার কারণে লোনা পানির প্রভাবে ধান চাষীরা খুবই অসুবিধায় পড়েন। বিবাদী শ্রীধরপুর মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি পঞ্চরাম গাইন বলেন, তারা ডিসিআর নিয়ে এই খালে মৎস্য চাষ করছেন বিগত ৩ বছর। এবছর ডিসিআর প্রাপ্তির আবেদন করেছেন। তারা খালে পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন না। বরং সৈয়দপুর ট্রাস্ট ও কাদাকাটি বিল ফিসারিজ নামক জলমহাল ও খালে পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। সেখানে পানি সরতে না পারায় বর্ষা মৌসুমে সমস্যা দেখা দেয়। পলি অপসারণ করলে এবং স্লুইস গেটের মুখে পানি নিস্কাশন নিশ্চিত করতে পারলে সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। খাল/জলমহাল উন্মুক্ত করতে হলে ঐ দু’টি আগে উন্মুক্ত করা দরকার। সমিতির প্রাক্তন সদস্য শংকর, বিকাশ, তরুন, সঞ্জয়সহ আরো অনেকে বলেন, তারা প্রথম থেকে সমিতির সদস্য। অথচ তাদেরকে সমিতির নামে ডাকা খালে মৎস্য চাষের সাথে নেওয়া হয়না। তাদের অজান্তে গোপনে বেআইনী ভাবে সমিতির সদস্য পদ থেকে বাদ দিয়ে সভাপতি/সেক্রেটারী নিজেদের পছন্দের লোককে সদস্য করে পকেট কমিটির মাধ্যমে সমিতি চালাচ্ছে। তারা কখন কিভাবে সমিতি থেকে বাদ পড়লো তাদের জানানেই। তবে তাদেরকে সঠিক পন্থায় সমিতি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অন্যপক্ষ দাবী করেন। বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার। সচেতন এলাকাবাসীর দাবী, এলাকাকে প্লাবন মুক্ত করতে, ঘরবাড়ি, স্কুল-কলেজ ও চাষের জমি প্লাবিত না হয় সে জন্য মোকাম খালী স্লুইস গেটের খালের পলি অপসারণ/খাল খনন, অবৈধ নেটপাটা ও বাঁধ অপসারণ এবং ধাপুয়ার খাল জলমহালসহ পয়ঃ নিস্কাশনে বাধা খাল/জলমহাল অবমুক্ত করা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলতি সপ্তাহেই হতে পারে ছাত্রলীগের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি

রাজনীতি ডেস্ক: চলতি সপ্তাহে গঠিত হতে যাচ্ছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন কমিটি। গণভবনে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পদ প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের পর নতুন কমিটি দেয়া হবে। ইতোমধ্যে ছাত্রলীগের নতুন কমিটির পদ প্রত্যাশীদের তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জমা দেয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের এক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ‘ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন গত কয়েকদিন আগে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে যান। এবং দীর্ঘ সময় ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব বাছাই নিয়ে বৈঠক করেন। এসময় সোহাগ-জাকির ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে ছাত্রলীগের কমিটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।’

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি হবে। তবে তার আগে পদ প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিবেন শেখ হাসিনা। এই সপ্তাহের যে কোনো দিন প্রার্থীদের গণভবনে ডাকা হতে পারে বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। সেদিন প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতাও করা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ১১ মে ছাত্রলীগের ২৯ জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী ও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এদিন তিনি ছাত্রলীগের কমিটি সমঝোতার মাধ্যমে দেয়ার কথা বলেন। একই সঙ্গে নেতাদের বয়সসীমা ২৮ বছর নির্ধারণ করে দেন। এরপর যথারীতি দ্বিতীয় দিনের কাউন্সিল অধিবেশন হয়। সেদিন ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন না করেই সমাপ্তি ঘোষণা করেন সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদিতে নিয়ে নারী শ্রমিকদের বিক্রি করা হয় দু’বার!

ন্যাশনাল ডেস্ক: ভাগ্য ফেরাতে সৌদি আরবে যাওয়া নারীদের ভাগ্যই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৯ মে) রাত ৯টায় আরও ৬৬ নারী শ্রমিক দেশে ফেরত এসেছেন। এদেরই একজন লাবনী (ছদ্মনাম)। দুই বছর আগে কাজের সন্ধানে সৌদি যান। এই সময়টা তাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে বিরূপ পরিস্থিতির। তিনি বলেন, ‘যে বাড়িতে আমি ছিলাম সেখানে ১০টি রুম ঝাড়ু দিতে হতো। ঠিকমতো খাবার দিতো না। মালিক আমারে অত্যাচার করতো। চাকরি ছাড়তে চাইলেও আমারে ছাড়তে চায় নাই মালিক। ছাড়ার কথা বললে আরও বেশি মাইর দিতো।’

লাবনীর মতো প্রায় প্রতিদিনই নারী শ্রমিকরা দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা কর্মী জানান, তারা দেশে ফিরে এসেই কান্নাকাটি করেন। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে খাবার কিংবা আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেন। অনেকের শরীরে জখমের চিহ্নও দেখেছেন তারা।

লাবনী জানান, দুই বছর আগে রিয়াদ যান তিনি। আসার পর তাকে প্রথমে ১৫ দিন একটি কারাগারের মতো জায়গায় রাখা হয়। এরপর তাকে ৭৭ কিলোমিটার দূরে আল খারজ শহরে নিয়ে যাওয়া হয়। বেতন বলা হয়েছিল এক হাজার রিয়াল। ৪ মাস সেখানে কাজ করেন। এই সময় তাকে পরিবারের সঙ্গে কোনও কথা বলতে দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘সৌদি যাওয়ার জন্য মিরাজ নামের এক দালালকে ৬০ হাজার টাকা দিছিলাম। সে আমাকে বলছিল অনেক ভালো জায়গা। সৌদি যাওয়ার পর প্রথমে আমাকে এক মালিকের কাছে বিক্রি করা হয়। মালিকের অত্যাচারে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই। তখন আমারে ধরে একটা কোম্পানির মাধ্যমে ছয় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়। আমার মতো আরও কয়েকশ মেয়ে আছে সেখানে। তাদের দিয়ে জোর করে দেহ ব্যবসা করানো হয়। আমি একবার সুযোগ বুঝে আমার স্বামীকে ফোন দিয়া সব বলি। তারপর আমাকে সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়। আমার আগের মালিকের কাছে বেতন পাওনা ছিল। দূতাবাসের মাধ্যমে চাপ দিয়ে সেই টাকা পাইছি।’

ফেরত আসা আরেক নারী নাসিমা খাতুন। মাত্র দুই মাস আগেই তিনি সৌদি গিয়েছিলেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে ফিরে আসার কারণ জানতে চাইলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। বলেন, ‘যাওয়ার পর আমারে ১৫ দিন আটকায় রাখছে। এক দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার ট্যাকা দিয়া সৌদি আরব গেছিলাম। ১০০০ রিয়াল বেতন দেওয়ার কথা আছিল। বাসা বাড়ির কাম। প্রথম বাড়িতে মালিকের বউ অনেক মারতো। তাদের ভাষা বুঝতাম না। কাজের দেরি হইলেই লাঠি দিয়া মারতো। এরপর আমারে সেখান থেকে নিয়া আরেক জায়গায় দিছে। সেখানেও ঘরের কাজ। ছোট ফ্যামিলি বইলা আমারে পাঠায়ছিল কিন্তু গিয়া দেখি অনেক মানুষ পরিবারে। পরে সেখান থেকে পালায় যাই দূতাবাসে। এরপর আমারে দেশে পাঠায় দিছে। আমার পাসপোর্ট পর্যন্ত দেয় নাই, কোন ট্যাকাও দেয় নাই। আমি খালি হাতে ফিরছি।’

সৌদিতে বর্তমানে কতজন বাংলাদেশি নারী শ্রমিক আছেন তা জানা মুশকিল। ফেরত আসা নারীরা জানিয়েছেন, একই ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন অন্তত ৮০ জন। এছাড়া ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে রয়েছেন ৪০-৫০ জন। আর দূতাবাসে অপেক্ষমাণ আছে আরও কয়েক‘শ।

তবে মধ্যপ্রাচ্যে নারীরা যে একেবারেই নিরাপদ নয়, এ বিষয়টি ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার। তিনি বলেন, ‘আমরা যে নির্যাতনের অভিযোগগুলো পাই সেগুলোর ভিত্তিতে সৌদি সরকারকে বিষয়টি জানিয়েছি। তারা আমাদের জানিয়েছে, ৪৫ শতাংশ নারী চুক্তি ভেঙে দেশে ফেরে এবং সেটা তিন মাসের ভেতরে। যারা ফিরছে তাদের পক্ষ থেকে করা শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সবসময় সত্য নয়, আমি নিজে সেটা জানি।’

শনিবার রাতে ফেরা ৬৬ নারী শ্রমিকের মধ্যে ১২ জনকে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে নিয়ে আসা হয়। এ বিষয়ে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘প্রতিদিনই মেয়েরা ফিরছে। যারা নিজেদের শেষ সম্পদ বিক্রি করে ভালো ভবিষ্যতের আশায় বিদেশে যান তারা এমনিতেই ফিরে আসবেন এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কেন ফিরছেন তারা যেমন বলছেন তেমনই তাদের শরীরের ক্ষত আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা যেখানে আমাদের নিজেদের মেয়ে পাঠাবো না, সেখানে কেন দেশের মেয়েদের পাঠানোর সাহস করি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইফতারে আনারসের জুস

স্বাস্থ্য ডেস্ক: পবিত্র রমজান মাসের ইফতারে চাই পুষ্টিকর ও তৃষ্ণা মেটানো খাবার। এজন্য বিভিন্ন ফলের জুস হতে পারে একটি প্রধান পানীয়। এখন চলছে মৌসুমী ফলের ভরা মৌসুম। মৌসুমী ফলের নানা গুণ। আর সেটা যদি হয় আনারস তাহলে তো কথাই নেই। অসংখ্য গুণে গুনান্বিত এই ফলে খেয়ে যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটানো যায় তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর।

আনারসের জুস
আনারসে আছে ক্যালসিয়াম, বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া আছে ব্রোমেলিন যা হজম শক্তি বাড়ায়। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।পুদিনা পাতাও হজম শক্তি বাড়ায়।

প্রস্তুতপ্রণালী
আনারস দুইকাপ (কিউব করে) কাটা, বিট লবণ, পুদিনা পাতা, চিনি পরিমানমত এবং পানি একসঙ্গে দিয়ে ব্ল্যান্ড করে নিন। এবার একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন। এখন বরফ কুচি দিয়ে গ্লাসে সাজিয়ে ইফতারে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামীলীগের সভায় নিজ জেলা থেকে মতিয়া চৌধুরীকে প্রত্যাহার!

রাজনীতি ডেস্ক: শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের এমপি ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীকে জেলা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের এমপি ফজলুল হক চাঁনসহ পাঁচ জনকে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া বাতিল করা হয়েছে নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও।
শনিবার (১৯ মে) রাতে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলার দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানা যায়, শনিবার বিকালে শহরের চকবাজারের দলীয় কার্যালয়ে জেলা আওয়ামী লীগের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুইপ আতিউর রহমান আতিকের সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল।

সভায় সর্বসম্মতিতে বেগম মতিয়া চৌধুরীকে জেলা থেকে প্রত্যাহার এবং ফজলুল হক চাঁনকে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ওই সভায় আরও যাদের জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয় তারা হলেন- সহ-সভাপতি শামছুন্নাহার কামাল, নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল হক ও সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ।

একই সঙ্গে নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহকে অব্যাহতি দিয়ে ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ বোরহানউদ্দীনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সাক্ষাতের সময় চেয়ে আবেদনের সিদ্ধান্ত হয় সভায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘লিভ টুগেদার’ করছেন আলিয়া-রণবীর!

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড এখন নতুন করে সরগরম আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুরের প্রেমের খবরে। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে, তাদের প্রেমের গুঞ্জন। চলতি বছরে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিং সেট থেকেই নতুন এ লাভবার্ড জুটির ব্যক্তিগত রসায়ন শুরু। এখন আবার নতুন গুঞ্জন, তারা নাকি মাঝে মাঝে এক ছাদের নিচেও থাকছেন।

তবে আলিয়ার কথায়, সবকিছুই নিছক জল্পনা-কল্পনা। কোনো কিছুই সত্যি নয়। এমনকী, মহেশ ভাটের আদুরে কন্যা নাকি ভাট পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের আগেই জানিয়ে রেখেছেন, রণবীর কাপুরের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধুই বন্ধুত্বের। সে নাকি শুধুই তার সহ-অভিনেতা। এর বেশি কিছু নয়। কিন্তু কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যা জানা যাবে তাদের আপকামিং ছবি ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ মুক্তি পেলেই।

কিন্তু আলিয়া যতই লুকিয়ে রাখুক, বেশ কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে রণবীরের সঙ্গে তার সম্পর্কের গভীরতা ইতিমধ্যেই মেপে ফেলেছেন অনেকে। তাদের ধারণা, দুই তারকার সম্পর্ক এভাবে আগালে কাপুর ও ভাট পরিবারের মধ্যে খুব শিগগিরই একটা বন্ধন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রথমত, বছর কয়েক আগে বলিউডের নামকরা পরিচালক ও প্রযোজক করণ জোহারের চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এ হাজির হয়ে কফি খেতে খেতে আলিয়া বলেছিলেন, ‘রণবীর খুবই মিষ্টি। আই স্টিল ওয়ান্ট টু ম্যারি হিম।’ এছাড়া সে সময় রণবীরের ‘রকস্টার’ ছবিটি মুক্তি পেলে আলিয়া ফোন করে ব্যক্তিগতভাবে তাকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন।

দ্বিতীয়ত, গত বছর মুখার্জী বাড়ির দুর্গাপুজোতে আলিয়া-রণবীরকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। যেখানে তাদের সঙ্গে বন্ধু অয়ন মুখোপাধ্যায়ও ছিলেন। চলতি বছরের মার্চে আবার আলিয়ার জন্মদিন পালন করা হয় বুলগেরিয়ায়, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিং সেটে। সেখানে পৌছে যান রণবীর কাপুরের মা নীতু কাপুর। ছিলেন রণবীরও। একসঙ্গে আলিয়ার জন্মদিন পালন করেন তারা।

শেষবার গত সপ্তাহে, কনিল কাপুর কন্যা সোনম কাপুরের বিয়ের রিসেপশন অনুষ্ঠানে একেবারে হাতে হাত রেখে হাজির হয়েছিলেন দুই তারকা আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সেখানে দুজনের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ ছিল দেখার মতো! দুজনে পোজ দিয়ে অনেকগুলো ছবিও তুলেছিলেন সেখানে। তাছাড়া বর্তমানে রাত-বিরাতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে তাদের।

তাছাড়া ছেলের বউ হিসেবে মহেশ ভাট কন্যা আলিয়াকে যে রণবীর কাপুরের মা নীতু কাপুরের খুব পছন্দ সেটা তিনি একাধিক বারই বুঝিয়েছেন। গত ১৩ মে বিশ্ব মা দিবসে টুইটার কমেন্টসের মাধ্যমে রণবীরের মায়ের সঙ্গে আলিয়ার ভাব বিনিময়েও সেটা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাকিটা সময়ই বলে দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বোমারু বিমান মোতায়েন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শনিবার দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জে বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে চীন। এই বিমানগুলো পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম। সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে এই বোমারু বিমানগুলো মোতায়েন করা হয়েছে।

চীনা বিমানবাহিনীর এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শনিবার এইচ৬-কে মডেলের বিমানসহ কয়েকটি বোমারু বিমান দ্বীপগুলোর বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। শুধু তাই নয়, পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম বিমানগুলো সাগরে সামরিক মহড়া চালায়।

চীনা বিমানবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পিপলস লিবারেশন আর্মি এইচ৬-কে এর কয়েকটি বোমারু বিমান মহড়ার জন্য দ্বীপে অবতরণ করেছে। এইচ৬-কে পাইলটরা সেখানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। পশ্চিম প্রশান্ত সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে লড়াইয়ের কারণেই এই প্রশিক্ষণ।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে চীন। এই অঞ্চলকে নিজেদের বলে দাবি করে চীন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এই অঞ্চল আন্তর্জাতিক সীমারেখার অন্তর্ভুক্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নানা সমস্যায় জর্জরিত শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: চিকিৎসক স্বল্পতা, যন্ত্রপাতি অপ্রতুল, অপরিচ্ছন্নতা, রোগীদের ওষুধ না দেয়া ও সরকারি ওষুধ চোরাই পথে বিক্রিসহ নানা সঙ্কটে জর্জরিত শার্শার একমাত্র সরকারি বুরুজবাগান (নাভারন) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।
জানা যায়, শার্শার ১১টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ১৯৬২ সালে নির্মিত হাসপাতালটি এখন শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলার মানুষের একমাত্র নির্ভরতার জায়গা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোনো সুযোগ-সুবিধাই বাড়েনি এ হাসপাতালে। লোকবল, যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা সামগ্রীসহ সবকিছু এখনও পুরনো ধাঁচের। হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় দুইশ রোগীর সমাগম ঘটে। গড়ে পাঁচ থেকে আটজন রোগী ভর্তি হন।
তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মেডিকেল কর্মকর্তার পদ সংখ্যা ২২টি থাকলেও খাতা কলমে ৮ জন, কর্মরত আছেন ৩ জন। বাকিরা কেউ ছুটিতে কারো আবার ডে-অফ। ২০১৫ সালের ৩ মার্চ থেকে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখানে কোনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। বহির্বিভাগে টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও চিকিৎসক না থাকায় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।
হাসপাতালটিতে একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি প্রায় এক বছর যাবৎ নষ্ট। অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় গরিব ও অসহায় রোগীদের বাধ্য হয়ে ৩৬ কিলোমিটার দূরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। হাসপাতালে প্যাথলজি বিভাগ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার মান দিন দিন নিম্নমানের হয়ে পড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এখানকার রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পান না। জরুরি বিভাগে সাধারণ চিকিৎসা দেয়া, রোগীদের অতি নিম্নমানের খাবার ও নোংরা বিছানা পরিবেশন করা হয়। শৌচাগারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। সার্জারি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও অপারেশন থিয়েটার ও যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়েনি। হাসপাতালে নেই কোনো ডেন্টাল, গাইনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৮টায় অফিস শুরুর নিয়ম থাকলেও ডাক্তার আসেন সাড়ে ১০টায়। উপজেলার একমাত্র এ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীরা সকাল ৮টার সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও ১০টার আগে বহির্বিভাগে টিকিট দেয়া হয় না। অনেক সময় টিকিট সংগ্রহ করেও চিকিৎসকের দেখা পান না রোগীরা।
আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. এনাম উদ্দিন বলেন, জরুরি বিভাগে আমার কোনো ডিউটি করার কথা ছিল না। আসলে জরুরি বিভাগে কোনো মেডিকেল কর্মকর্তার ডিউটি করার নিয়ম নেই। আমরা যেটুকু করি তা অনুরোধক্রমে। সেখানে শুধু মাত্র একজন সহকারী মেডিকেল কর্মকর্তার ডিউটি করার নিয়ম আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অশোক কুমার সাহা জানান, হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় খাতা-কলমে উন্নীত হলেও কোনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। পর্যাপ্ত ডাক্তার ও জনবলের অভাবে আমরা জনগণকে তাদের চাহিদামত সেবা দিতে পারছি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest