সর্বশেষ সংবাদ-
কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির সতর্কবার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরেররদেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্তসাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ময়লার স্তুপদেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাInfluencer & Casino Live: la nuova frontiera delle partnership nel gaming digitaleকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

মস্তিষ্ক ও লিভারের অসুখ সারাতে ফোটানো হলুদ-পানি

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রতিদিনের রান্নায় আমরা যে সকল মশলা ব্যবহার করি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভেষজ গুণ রয়েছে হলুদের মধ্যে। সুস্বাস্থ্য রক্ষায় হলুদের ভূমিকা নানাবিধ। প্রায় ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে (আজ থেকে ৫ হাজার বছর আগে) হলুদের সন্ধান পায় মানুষ। ট্রপিক্যাল আবহাওয়ায় হলুদের চাষ ভালো হয়।

হলুদ যে ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তা তো জানেন। এশিয়ার বহু দেশে ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট হিসাবে হলুদ ব্যবহার করা হয়। কারণ হলুদে প্রচুর পরিমানে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন সি রয়েছে। হলুদ রান্নায় খেলে ভালো। কাঁচা হলুদ বেটে মাখলে তা ত্বকের পক্ষে ভালো। ব্যাথার উপশমে হলুদ সাহায্য করে। এতো গেল হলুদের কথা।
যদি এক চামচ হলুদ গরম পানিতে গুলে খান তার যেসব উপকারিতা রয়েছে জানেন কি… জেনে নিন…

এক্ষেত্রে বাজারের কেনা প্যাকেট হলুদের বদলে যদি কাঁচা হলুদ কিনে শুকনো করে গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো করে নিতে পারেন, তাহলে ভালো ফল পাবেন।

আমেরিকার একটি গবেষণা পত্র থেকে জানা গিয়েছে, ব্রেনের জটিল অসুখ, অ্যালঝাইমার্স, ব্রেন টিউমার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত সেরে যায় যদি প্রতিদিন গরম পানিতে হলুদ খান। তবে একেবারে গরম নয়, ইষদুষ্ণ গরম পানিতে এক চামচ হলুদ ফেলে গুলে খান। সকালে খালি পেটে খেতে পারলে ভালো। এছাড়াও দিনের যেকোনও সময় খেতে পারেন।

জন্ডিস, হেপাটাইটিস, লিভার বড় হয়ে যাওয়া, হজমের সমস্যা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও খুব কাজে দেয় হলুদের পানি। যাদের হজম, গ্যাস ইত্যাদির ক্রনিক সমস্যা রয়েছে তারা প্রতিদিন খেতে পারেন হলুদ পানি। খেয়াল রাখবেন হলুদ মেশানোর পর তা যেন অন্তত দশ মিনিট ধরে ফোটে।

এছাড়াও যে উপকার গুলি পাবেন-

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধকারী ও অন্ত্রের ক্যান্সার নিরাময় করে।

শিশুদের লিউকেমিয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদ অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার উপশমে চমৎকার কাজ করে।

কোমো থেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রোধে সাহায্য করে।

টিউমার হওয়া বন্ধ ও নতুন রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি করে।

এটি চর্বি বিপাকে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করে।

হলুদের গাঠ পিষে, ঘিয়ে ভেজে চিনি মিশিয়ে কিছু দিন খেলে (নিয়মিত) ডায়াবেটিস সারে।

যে কোনো চর্ম রোগের জন্য হলুদ অনেক উপকারী। কাঁচা হলুদের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে শরীরে মাখলে একজিমা, অ্যালার্জি, চুলকানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মানসিক অবসাদ রোধে সাহায্য করে।

সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেয় হলুদ। কাশি কমাতে হলে হলুদের রস খেয়ে নিন কয়েক চামচ, কিংবা এক টুকরো হলুদের সাথে মধু মাখিয়ে তা মুখের মাঝে রেখে আস্তে আস্তে চুষতে পারেন। সেটা করতে না পারলে এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে হলুদের গুঁড়ো, সামান্য মাখন এবং গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। কয়েকবার খেলে নিজেই তফাৎ বুঝতে পারবেন।

হলুদের মধ্যে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ লবণ, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, লোহা প্রভৃতি নানা পদার্থ রয়েছে। তাই হলুদ খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

হলুদের অন্য এক উপাদান ‘পলিফেনল’ চোখের অসুখ ‘ক্রনিক অ্যান্টিরিয়ার ইউভেইটিস’ সারাতে কর্টিকোস্টেরয়ডের কাজ করে।
উল্লেখ্য, এই রোগের প্রকোপে চোখে প্রচণ্ড জ্বালা ও ব্যথা
হয়। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনিয়ন্ত্রিত সেলফিতে খেপলেন প্রিয়াঙ্কা

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া তার সাবলীল অভিনয়ে যেমন সবার কাছে আপন হয়েছেন ঠিক তেমনি নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের সাথেও আন্তরিক হয়ে মেশার চেষ্টা করেছেন এই অভিনেত্রী।

মিয়ানমারে সেনা নিপীড়ন ও সহিংসতা থেকে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। সোমবার (২১ মে) রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে হাজির হন প্রিয়াঙ্কা।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে আপন জনের মতো মিশতে তাই সোমবার (২১ মে) আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তাবলয় একপ্রকার তুলে দিয়েছিলেন তিনি।

শুরুতে রোহিঙ্গাদের প্রিয়াঙ্কার কাছে ঘেঁষতে বাধা দিচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ছেড়ে আপন জনের মতো রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে মিশে যান প্রিয়াঙ্কা। তাদেরকে মমতা ভরে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা শিশুদের কষ্টের কথা শোনেন।

কিন্তু এ সরলতা তার জন্য উল্টো হয়ে দাঁড়ায়। রোহিঙ্গা নারী-শিশু ও প্রশাসনের দায়িত্বশীলদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষও কাছাকাছি এসে রূপালী পর্দার স্বপ্নের মানুষটাকে দেখার সুযোগ পান। এ স্মরণীয় মুহূর্তকে ধারণ করে রাখতে সঙ্গে থাকা স্মার্টফোনে প্রিয় নায়িকাকে অনেকে সেলফি বন্দি করেছেন।

সিংহভাগই নির্দিষ্ট দূরত্বে নিজেদের সেলফি বন্দি করলেও কেউ কেউ আবার এ সুযোগকে করেছেন অপব্যবহার। বাধাহীনভাবে কাছে যেতে পারায় বৌ কিংবা প্রেমিকা বা বন্ধুদের সঙ্গে মুঠোফোনে চ্যালেঞ্জ ধরেছেন প্রিয়াঙ্কার গা-ঘেঁষেই সেলফি বন্দি হবেন। সেভাবে করেছেনও কেউ কেউ। এবং এসব চিত্র আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গর্বের সাথে আপলোডও করেছেন তারা। প্রিয়াঙ্কা যখন রোহিঙ্গা নারী-শিশু ও ইউনিসেফ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছিলেন চ্যালেঞ্জ পূরণ করতে এ সময়টাকে বেছে নিয়ে গা ঘেঁষেই সেলিফ বন্দি হয়েছেন কেউ কেউ।

পরিস্থিতি বিদঘুটে না করতে সে সময়ে প্রতিবাদ না করলেও এসব আচরণে ক্ষেপেছেন এই নায়িকা। হোটেলে ফিরে এ নিয়ে তিনি রীতিমতো ক্ষোভ ঝেরেছেন। পরিবর্তন আনেন ক্যাম্প ভিজিটের নির্ধারিত সিডিউলও। সিদ্ধান্ত দেন মঙ্গলবার (২২ মে) ক্যাম্প পরিদর্শনকালে ইউনিসেফ কর্মকর্তা ও নিজস্ব নিরাপত্তাবাহিনী ছাড়া কেউ কাছে থাকবে না। কোনো মিডিয়াকর্মী, স্থানীয় জনগণ এমনকি বাংলাদেশি নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরাও না। হয়েছেও তা।

সিডিউল মতে, মঙ্গলবার সকালে টেকনাফের সাবরাং হারিয়াখালি, নয়াপাড়া, উনচিপ্রাং ও লেদা ক্যাম্পে যাওয়ার কথা ছিল প্রিয়াঙ্কার। কিন্তু তিনি সকাল সাড়ে ৯টায় সাবরাংহ হারিয়াখালি ক্যাম্পে গেলেও ইউনিসেফের নির্দিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া কাউকে তার এক কিলোমিটারের ভেতর আসতে দেয়া হয়নি। নিজের মতো করেই ক্যাম্পে রোহিঙ্গা শিশু ও নারীর সাথে কথা বলেন তিনি। এরপর নাফ নদীর তীরে গিয়ে মিয়ানমারের সীমানা ও অন্যান্য এলাকা অবলোকন করে ছবি তুলে নেন।

এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ থানার ওসি রনজিত বড়ুয়া জানান, সোমবার (২১ মে) বাহারছরায় সবার সাথে প্রাণবন্ত আচরণ করায় সেলফির নামে তামাশা করেছেন অনেকে। ফলে মঙ্গলবার (২২ মে) কঠোরভাবে সবার কাছ থেকে দূরে থেকেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তার চাওয়া মতো নিরাপত্তা কঠোরভাবে পালন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ নয় গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীকেও কাছে যাওয়ার অনুমতি দেননি তিনি।

এদিকে, মঙ্গলবার সারাদিন টেকনাফেই সিডিউল রাখলেও সাবরাং হারিয়াখালি থেকে যেন তেন ভাবেই লেদা, উনচিপ্রাং ক্যাম্প পরিদর্শন করে প্রিয়াঙ্কা বালুখালি ক্যাম্পে চলে যান। সেখানে অল্প কিছুক্ষণ ঘুরে ফিরে বিকেলেই হোটেলে ফিরে যান। সব জায়গাতেই প্রথম দিনের মতো প্রফুল্লতা ছিল না তার অবয়বে।

এ নিয়ে ইউনিসেফর এক কর্মকর্তা বলেছেন, এটি দুঃখজনক। কোনো সেলিব্রেটি যখন পাবলিক প্লেসে আসে তখন সচেতন পেশাজীবীদের উচিত তার সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু সেলিব্রেটিরা যখন সাধারণ মানুষের সাথে সাবলীলভাবে মিশে আন্তরিক হতে চাই তখনও উচিত নিরাপত্তা বলয়ের মতোই তার কাছ থেকে নূন্যতম দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। এতে ভক্তকূল সম্পর্কে তার ধারণাটা পরিচ্ছন্ন হবে। সোমবার ইনানীর মনখালীতে কিছু মিডিয়াকর্মী বিশ্রিভাবে সেলফিবাজি করেছে। যা নিয়ে ভীষণ মনোক্ষুণ্ন হয়েছেন শুভেচ্ছাদূত।

তাই মঙ্গলবারের পরিদর্শনে কাউকে কাছে আসতে না দিতে কঠোরভাবে বলেদেন।

বুধবার (২৩ মে) ও বৃহস্পতিবারের (২৪ মে) পরিদর্শনে একই নির্দেশনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাই নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের সহমর্মিতা দেখাতে আসা বিশ্ব অতিথিদের মতো শুভেচ্ছা দূত তারকাদের সাথেও দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক সহযোগিতার আহবান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রযোজনায় নামছেন বারাক ওবামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তারা ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। সৃষ্টিসুখের উল্লাসে নিজেদের মেলে ধরতে চাইছেন তারা। আর তারা যে কেউ নন, তারা হলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং তার স্ত্রী মিশেল ওবামা। তারা নেটফ্লিক্স সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন।

নেটফ্লিক্স সংস্থা সূত্রে খবর, বেশকিছু তথ্যচিত্রে ও ফিল্মে তারা প্রযোজনা করবেন। সেই বিষয়ে দু’‌পক্ষের মধ্যে চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি থাকবে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত। তবে এখানে কোনও রাজনৈতিক বিষয় থাকবে না। এই চুক্তির ফলে ১২৫ কোটি গ্রাহক উৎসাহিত হবেন।

যদিও ওবামার বিবৃতি মানুষের জীবন ও সমস্যা তিনি যা দেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকার সময় তা তুলে ধরতেই এই প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সেখানে নতুন মেধাকে তুলে আনা হবে বলেও তার বিবৃতি থেকে জানা গেছে।

নেটফ্লিক্সের চিফ কনটেন্ট অফিসার টেড সারানডস জানান, ওবামার ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা তথ্যচিত্র ও ফিল্মকে বিশেষ মাত্রা যোগ করবে। আর সমাজের বুকে মানুষের ঘটনাবহুল জীবনকে গোটা বিশ্বের দরবারে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন কাঁচা পেঁয়াজ খেলে যে উপকার হয়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ‘যত কাঁদবেন, তত হাসবেন’- পেঁয়াজের ক্ষেত্রে এই কথাটা দারুণভাবে কার্যকরী। কারণ এই সবজি কাটতে গিয়ে চোখ ফুলিয়ে কাঁদতে হয় ঠিকই। কিন্তু এই প্রাকৃতিক উপাদানটি শরীরেরও কম উপকার লাগে না! একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়েছে- পেঁয়াজের শরীরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারী উপাদান একাধিক রোগের চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন:-

মুখের গন্ধ দূর করে
কাঁচা পেঁয়াজ খেলে মুখ গহ্বরের উপস্থিত ব্যাকটেরিয়াগুলো মরতে শুরু করে। ফলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। সেই সঙ্গে মাড়িতে নানাবিধ রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়
শরীরে ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল-এর মাত্রা বাড়িয়ে একদিকে যেমন শরীরকে চাঙ্গা রাখে, তেমনি অন্যদিকে খারাপ কোলেস্টরলের পরিমাণ কমিয়ে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এভাবে নিজের বিশেষ ক্ষমতা বলে পেঁয়াজ আমাদের আয়ু বাড়াতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে।

জ্বরের প্রকোপ কমায়
ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটা পিঁয়াজ কেটে নিন। তার সঙ্গে অল্প করে আলু এবং ২টা রসুনের কোয়া মিশিয়ে মোজার মধ্যে রেখে সেই মোজা পরে ঘুমাতে যান। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন সুস্থ হতে শুরু করেছেন।

ডায়াবেটিসের মতো রোগকে দূরে রাখে
একেবারে ঠিক শুনেছেন! ২১ শতকের সব থেকে ভয়ঙ্কর এই রোগকে দাবিয়ে রাখতে পেঁয়াজের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সবজিটিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপদান রক্তে শর্করার মাত্রাকে বাড়তে দেয় না। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের ঘাটতি যাতে দেখা না দেয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বৃদ্ধির সুযোগই থাকে না।

ইনসোমনিয়া মতো রোগের প্রকোপ কমায়
আপনি কি রাতের তারা? ঘড়ির কাঁটা সকালের দিকে এগিয়ে গেলেও চোখের পাতা এক করতে পারেন না? তাহলে তো প্রতিদিনের ডায়েটে পেঁয়াজের থাকা চাইই চাই। কারণ ইনসোমনিয়ার মতো রোগের উপশমে এই সবজিটি দারুণ কাজে আসে।

আঁচিল দূর করে
গোল করে পেঁয়াজ কেটে আঁচিলের উপর রেখে একটা কাপড় দিয়ে বেঁধে দিন। যাতে সেটি পরে না যায়। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এমনটা করলে অল্প দিনেই দেখবেন আঁচিল খসে পড়ে গেছে।

স্মৃতি শক্তির উন্নতি ঘটায়
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র অনুসারে নিয়মিত কাঁচা পেঁয়াজ খেলে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তির যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনি নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে একাধিক ব্রেন ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে
ব্রেন, কোলোন এবং ঘাড়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে শূন্যতে এসে দাঁড়ায় যদি প্রতিদিন পেঁয়াজ খাওয়া যায়। কারণ এই সবজিটিতে উপস্থিত বেশকিছু উপাদান শরীরের অন্দরে ক্যান্সার কোষের জন্ম হতে দেয় না। ফলে এমন ধরনের মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

কাশির প্রকোপ কমায়
একটা পেঁয়াজকে কেটে নিয়ে তার রস সংগ্রহ করে নিন। তারপর তাতে কয়েক ড্রপ মধু মিশিয়ে এই মিশ্রণ দিনে কম করে দুইবার পান করলেই কাশি কমে যেতে শুরু করবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফুসফুস ক্যান্সারের কোষ ধ্বংসে চা পাতা!

স্বাস্থ্য ডেস্ক: একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, ফুসফুস ক্যান্সারের কোষগুলো চা পাতার ক্ষুদ্র কনার সাহায্যে ধ্বংস করা যেতে পারে। গবেষকরা এই ক্ষুদ্র কণার নাম দিয়েছেন ‘কোয়ান্টাম ডটস’ মানুষের একটি চুলের চেয়েও ৪০০ গুণ বেশি পাতলা। চায়ের পাতার উৎপাদিত এ কণা নিরাপদ ও বিষমুক্ত।

স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এই কণার সম্ভাব্য ব্যবহারের ওপর এখন ব্যাপকহারে গবেষণা করা হচ্ছে। চায়ের পাতার এই ন্যানোপার্টিকেলস বা ক্ষুদ্র কণা সংক্রান্ত গবেষণাটি করা হয়েছে যুক্তরাজ্যের সোয়ানসিয়া ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফেলো সুধাগার পিচাইমুথুর নেতৃত্বে। গবেষণাটি অ্যাপলাইড ন্যানো ম্যাটেরিয়েলস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার মুক্তামণি আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার মুক্তামণি আর নেই (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)।

আজ বুধবার সকালে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মুক্তামণি না ফেরার দেশে চলে গেছে।

মুক্তামণির নানা ফকির আহমেদ বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার মুক্তামণিকে নিয়ে যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তামণির চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব নেন।

মুক্তামণির চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠনসহ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ ছয় মাস চিকিৎসার পর হাতের অবস্থা কিছুটা ভালো হলে তাকে এক মাসের জন্য গ্রামের বাড়িতে আসার অনুমতি দেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি প্রার্থীদের ভোটে চিন্তায় ক্ষমতাসীনরা

ন্যাশনাল ডেস্ক: আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার টানা দুই মেয়াদে গত প্রায় সাড়ে ৯ বছরে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাজা ভোগ করছেন বিএনপির চেয়ারপারসন। আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগও আছে দলটির বিরুদ্ধে। তবু স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা বিপুলসংখ্যক ভোট পাচ্ছেন। এ নিয়ে চিন্তিত ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকরা। সর্বশেষ খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর লক্ষাধিক ভোট প্রাপ্তি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১৬ মে গণভবনে ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের এক বৈঠকে তিনি তাঁর মনোভাব প্রকাশ করেন। বৈঠকে ১৪ দলের নেতারা বিএনপির বিপুল ভোটপ্রাপ্তির কারণ মূল্যায়নের পরামর্শ দেন। ১৪ দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

ক্ষমতাসীন জোটের ওই নেতাদের মতে, তৃণমূলে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ড সরকারের প্রতি মানুষের অসন্তোষ বাড়িয়ে তুলছে। বিএনপির আমলে শুরু হওয়া দুর্নীতি, লুটপাটের ধারা বন্ধ করতে সরকার তেমন সাফল্য দেখাতে পারেনি। প্রশাসনের সেবার মান নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়াতে হলে এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে।

১৪ দলের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মূলত বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে গত ১৬ মে সন্ধ্যায় গণভবনে ওই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। রাত সাড়ে ১০টার কিছু পর পর্যন্ত বৈঠক চলে। সমসাময়িক নানা বিষয়েও আলোচনা হয় সেখানে। একপর্যায়ে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সবাইকে একসঙ্গে নির্বাচন করতে হবে সেখানে। স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠীকে পরাজিত করতে হবে। এই দেখেন, দেশের এত উন্নয়ন হলো, এর পরও মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। ওদের প্রার্থী এক লাখের ওপরে ভোট পেয়েছে। আপনারা শুধু প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে না থেকে যাঁর যাঁর অবস্থান থেকে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রচার করেন। আমাদের দলের নেতাকর্মীদের কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থাকলে সেগুলো লিখে রাখেন, আমাদের জানান।’

সূত্র মতে, বৈঠকে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, উন্নয়ন যথেষ্ট হয়েছে। এর পরও কেন বিএনপি এত ভোট পাচ্ছে সেটা মূল্যায়ন করা দরকার। সম্মিলিতভাবে আগামী নির্বাচনে লড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি ১৪ দলের শরিকদের মূল্যায়ন করার তাগিদ দেন। ন্যাপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। প্রশাসনের সেবার মান বাড়াতে হবে। প্রশাসনের সেবার মান নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তুষ্টি আছে।

১৪ দলের একাধিক নেতা গতকাল সোমবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএনপির বিপুল ভোট পাওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একধরনের দুশ্চিন্তা রয়েছে। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বক্তব্যেও বিষয়টি উঠে এসেছে। কিন্তু কিভাবে উত্তরণ করা যায় সে বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বৈঠকে।

জানা যায়, বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান ও পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জেপির মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, তরীকত ফেডারেশনের মহাসচিব নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের যুগ্ম আহ্বায়ক অসিত বরণ রায় প্রমুখ।

বিএনপির প্রার্থীরা কেন বিপুল ভোট পাচ্ছেন এবং ভোট বাড়াতে সরকারের করণীয় বিষয়ে জানতে চাইলে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘বিএনপির বিপুল ভোট পাওয়ার বড় দুটি কারণ হলো—সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তৃণমূলে তেমনভাবে প্রচার হয় না। আর আওয়ামী লীগের নিচের স্তরের কর্মীদের নানা নেতিবাচক কাজ মানুষের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করে রেখেছে।’

শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু উন্নয়ন দিয়ে মানুষের চাহিদা পূরণ হয় না। সাধারণ মানুষ কমপক্ষে তিনটি জিনিস চায়। প্রথমত, সুশাসন ও জবাবদিহি। শুধু কেন্দ্রে নয়, যেখান থেকে মানুষ সরকারি সেবা পায় সেখানে একটা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহি থাকা জরুরি। সরকার বিভিন্ন সেবা অনলাইনকেন্দ্রিক করে পরিস্থিতি উন্নয়নের চেষ্টা করছে। তবে তা এখনো যথেষ্ট নয়। দ্বিতীয়ত, দুর্নীতি দূর করা। বিভিন্ন অফিস-আদালতে দুর্নীতিবাজদের দাপট রয়েছে। এগুলো দূর করতে হবে। তৃতীয়ত, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষে মানুষে অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ছে। ফলে জনমনে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে।’

বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধী পক্ষের সব ভোট বিএনপির ঘরে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিএনপির আমলে শুরু হওয়া লুণ্ঠন এখনো উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমেনি। ন্যায়বিচার ও সুশাসনের অভাব আছে। মানুষের মন জয় করার জন্য যে ধরনের কর্মকাণ্ড দরকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তা পারেনি। ফলে জনগণের সন্তুষ্টি সেভাবে আসেনি। আর তৃণমূলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল একটা বড় সমস্যা।’

শিরীন আখতার বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সরকার থাকবে নাকি স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতায় থাকবে সেই ফয়সালা করার দিকে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এ ছাড়া মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়া, শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ রাখা, মানুষের জন্য অসহনীয় হয় এমন পরিস্থিতি তৈরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’

দিলীপ বড়ুয়া বলেন, ‘টানা ক্ষমতায় থাকলে সরকারের প্রতি মানুষের মধ্যে একধরনের নেতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে। এ কারণে অনেকে বিরোধী পক্ষকে ভোট দেয়। আর বর্তমানে দেশে স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী একটি বড় অবস্থান নিয়ে আছে। এদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার জন্য শাসক দলের জনগণের সঙ্গে যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার তারা তা পারছে না। তৃণমূল পর্যায়ে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দখলদারি এখনো চলছে। বিভিন্ন অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। ফলে তারা সরকারের উন্নয়ন ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে প্রাধান্য দিচ্ছে না।’

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্রে জানা যায়, ১৪ দলের শরিক দলগুলোর নেতারা আগামী জাতীয় নির্বাচনে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে শেখ হাসিনাকে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক ব্যবসার পৃষ্ঠপোষক কিছু পুলিশ আর রাজনীতিক

রাজনৈতিক নেতারা ‘অপবাদ’ বলে উড়িয়ে দেন ‘বদলিতে’ রেহাই পায় পুলিশ ৫ বছরে ৪০০ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ন্যাশনাল ডেস্ক: রাজনৈতিক দলের স্থানীয় পর্যায়ের কিছু প্রভাবশালী নেতা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের মদদেই দেশের প্রতিটি এলাকায় মাদকের কারবার চলে। মাদকের আখড়া ও চিহ্নিত মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের টাকা নেয় এসব সিন্ডিকেট। গোয়েন্দা তথ্য ও গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সারা দেশে দুই শতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি মাদক কারবারে মদদ দিচ্ছেন।

প্রমাণ হাতে না পাওয়ার কারণে গণমাধ্যম এসব প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে না। গোয়েন্দা তালিকায় নাম আছে—এমন বরাতে সংবাদ প্রকাশিত হলেও তাঁরা এসবকে ‘প্রতিপক্ষের অপবাদ’ বলে এড়িয়ে যান। অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই মাদক কারবারে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ বেশি। গোয়েন্দা, পুলিশ সদর দপ্তর ও স্থানীয় পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে পুলিশের চার শতাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয় না। বদলি ছাড়া তেমন কোনো ‘শাস্তির’ মুখোমুখি হতে হয়নি অভিযুক্তদের।

গত ৪ মে বিশেষ অভিযান শুরুর পর থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩৮ জন নিহত হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত অভিযানে মারা গেছে ১১ জন।

রাজশাহীর পুঠিয়ায় নিহত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী লিয়াকত আলী মণ্ডল ছিলেন উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি।

গতকাল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘মাদকের কোনো চুনোপুঁটিদের ধরা হচ্ছে না। চুনোপুঁটিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকে না। এ যাবৎ দুই হাজারের বেশি মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচার করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ, র‌্যাব, সাংবাদিক—যাঁরাই মাদকের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাঁদের ছাড় নয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সংসদ সদস্য বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তথ্য-প্রমাণ নাই।’

ঢাকায় কারবার চলে শেল্টারে

শীর্ষ ইয়াবার ডিলার ইশতিয়াকের আমিনবাজারের বাড়িতে ধরতে গত বছরের ২১ নভেম্বর অভিযান চালালেও তাকে ধরতে পারেনি মাদকদ্রব্য নিরয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। সেই অভিযানে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইশতিয়াকের বাড়িতে যেসব কাগজপত্র পেয়েছি তা দেখে অবাক হয়ে যাই। বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতা এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে তার যোগাযোগ। ইশতিয়াক তাঁদের কাছে গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিএনসি তাকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগও করে।

রূপনগরের ঝিলপাড় বস্তিতে কারবারি নজরুল ইসলাম নজুকে সহায়তা করার অভিযোগ আছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর রজ্জব হোসেনের বিরুদ্ধে। তবে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে এই ‘অপবাদ’ দিচ্ছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নজুর আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও তাকে ধরতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সূত্র জানায়, রামপুরায় আগে মাদক বাণিজ্যের হোতা ছিলেন কয়েক বছর ধরে নিখোঁজ ছাত্রলীগ নেতা তপু। এখন মদদ দিচ্ছেন থানা যুবলীগ নেতা তানিম। মেরুল বাড্ডার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জয়নাল নিয়ন্ত্রণ করছেন একটি বড় সিন্ডিকেট।

মাদক কারবারিদের একটি তালিকায় নয়াপল্টনের ইফতেখার জামান জয়ের নাম আছে, যাকে স্থানীয় এক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মদদ দিচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়। লালবাগের ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোশাররফ হোসেনের ছোট ভাই মহসীন আজাদ এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি বলে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গুলশানের ৪৩ নম্বর রোডসহ কয়েকটি এলাকায় অনুমোদনহীন বার চলছে এক মন্ত্রীর ছেলের নামে। সেখানে মদের পাশাপাশি ইয়াবা সেবনও চলে। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইয়াবা তৈরির অভিযোগও ওঠে। খিলগাঁওয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদ বাবু, সবুজবাগের রিপন বড়ুয়া এবং ধানমণ্ডি থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজিমউদ্দিন বাবুর নাম কারবারি হিসেবে গোয়েন্দা তালিকায় আছে। কামরাঙ্গীর চরে ইয়াবা ব্যবসার নিয়ন্ত্রক নসু। তার ভগ্নিপতি কামরাঙ্গীর চরের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহসম্পাদক সোনা মিয়া। ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুনের ভাই নাদিম ইয়াবা ও হেরোইন কারবারি হিসেবে পরিচিত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দেশের ৪৪ প্রতিষ্ঠানে ৪৬৯ জন মাদক কারবারির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক ১৪ নেতার নাম আছে। লেদার টেকনোলজি কলেজকেন্দ্রিক কারবারে হাজারীবাগ থানা যুবলীগ সদস্য রাইসুল ইসলাম রবিনের নাম আছে সে তালিকায়। ধানমণ্ডির ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকেন্দ্রিক হোতা হিসেবে ধানমণ্ডি থানার ছাত্রলীগের সভাপতি হাওলাদার সুজাউদ্দিন তুহিনের নামও তালিকায় উঠে এসেছে। কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রাজধানীতে মাদক কারবার করছে একটি চক্র, যারা স্থানীয়ভাবে পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত।

অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর করা ইয়াবার গডফাদারদের তালিকায় সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি ও তাঁর পাঁচ ভাইসহ কক্সবাজারের ৩৫ জনপ্রতিনিধির নাম আছে। বদির পিএস মং মং সেন, ভাগ্নে সাহেদুর রহমান নিপু, বেয়াই আকতার কামাল (মেম্বার) ও শাহেদ কামাল, মামা হায়দার আলী ও মামাতো ভাই কামরুল ইসলাম রাসেলের নাম আছে সেসব তালিকায়। টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ এবং তাঁর চার ছেলে শাহজাহান, ইলিয়াস, দিদারুল আলম ও মোস্তাক আহমদ ইয়াবা কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাহান, সাবরাং ইউনিয়নের নাজিরপাড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার এনামুল হক, সাবরাং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নূর হোসেন, লেঙ্গুর বিলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার শামসুল আলম, নয়াপাড়ার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাম্মদুর রহমান, সাবরাং ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোয়াজ্জেম হোসেন দানু, বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিন, হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার জামাল হোসেন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল হুদা, হ্নীলা লেদার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আলী, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার রাকিব আহমেদ, টেকনাফ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একরামুল হক, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুর বশর নুরসাদ কারবারের নিয়ন্ত্রক।

কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেদ ও মাহবুব মোরশেদের নাম আছে ইয়াবা কারবারিদের তালিকায়। তালিকাভুক্ত কারবারি সৈয়দ হোসেন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেনের ভাই।

ফেনীর বিএনপি নেতা আজাদ হোসেন, বিএনপির সাবেক (সংরক্ষিত আসন) এমপি রেহানা আক্তার রানুর ভাইয়ের ছেলে ইসমাইল হোসেন, জেলা যুবলীগ নেতা জিয়াউল আলম মিস্টার, আওয়ামী লীগ নেতা কমিশনার গিটার, ধর্মপুর ইউপি আওয়ামী লীগ নেতা সোহাগ, ফুলগাজী থানা বিএনপি নেতা আবদুর রউফ ও তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক কারবারে জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে গোয়ন্দাদের কাছে।

উত্তরে ক্ষমতাধরদের প্রশ্রয়

পঞ্চগড়ের অমরখানা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা নূরুজ্জামান, বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিলন, তেঁতুলিয়ার ভজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোস্তফা কামাল পাশা, সাইদুর রহমান বাবলু, শ্রমিক দল নেতা মুক্তারুল ইসলাম মুকুসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গোয়েন্দারা মাদকে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ তুলেছেন। জেলার ১৮ পুলিশ সদস্যদের নামও দেখা যায় গোয়েন্দা তালিকায়, যাঁদের এরই মধ্যে বদলি করা হয়েছে। কুড়িগ্রামে মদদদাতা রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি জাকির হোসেন, একই উপজেলার যুবলীগ সভাপতি হারুন-অর রশিদ, রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর আলম ওরফে শফিউল আলম, চিলমারীর রমনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুর-ই-এলাহী তুহিন, রাজীবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল, ফুলবাড়ী দাসিয়ারছড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম সেরা ও দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিএসসি। জেলার ৯ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও আছে সহায়তার অভিযোগ।

গাইবান্ধার পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে আছে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, পৌর মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বিহারী, বাদিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আতোয়ার রহমান, কূপতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, দরবস্ত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ফারুক হোসেনসহ ২৭ জনপ্রতিনিধির নাম। একই গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ১৩ পুলিশ সদস্যকেও সহযোগী উল্লেখ করা হয়েছে। অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি ২০ জন মাদক কারবারিকে মাদকবিরোধী শপথ পড়িয়েছেন।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কারবারিদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে গোমস্তাপুর উপজেলার বাইরুল ইসলাম, ভোলাহাট উপজেলার মোজাম্মেল হক চুনু, নাচোল উপজেলার আবদুল কাদের এবং শিবগঞ্জ উপজেলার সরওয়ার জাহান সেরফানের নাম থাকলেও তাদের রাজনৈতিক পরিচয় নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা সরকারদলীয় নেতাকর্মী। এ ছাড়া চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।

‘রক্ষক ভক্ষক হওয়ার’ অসংখ্য নজির

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, বছরে গড়ে এক শ পুলিশের বিরুদ্ধে মাদকে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। গত বছরের প্রথম ছয় মাসেই মাদকে জড়িত থাকার অভিযোগ ৬৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ঢাকার বিভিন্ন ইউনিটের ২৩ জন। কক্সবাজারে মাদক কারবারে সহায়তা করার অভিযোগ ওঠে টেকনাফ ও উখিয়া থানার ১৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের নাম আসার পর টেকনাফ থানার এসআই আলমগীর, এসআই সরোজ আচার্য, সামিউর রহমান, পিএসআই সাইদুল, এএসআই আযহার ও কনস্টেবল বারী, আমিরুল এবং থানার ওসি জহিরুল ইসলাম, এসআই রাজেশ বড়ুয়া, দিদার মিয়া, প্রবোদ দাশ, এএসআই হাসানকে বদলি করা হয়। গত ৮ মার্চ নারায়ণগঞ্জের বন্দরের রূপালী এলাকার বাসা থেকে পুলিশের এএসআই আলম সরোয়ার্দী রুবেলকে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে জেলা ডিবি পুলিশ। আদালতে তাঁর দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আরো পুলিশের জড়িত থাকার তথ্য মিলে।

ডিএনসি সূত্র জানায়, গত এক বছরে পুলিশের ৭২ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ, যাদের কয়েকজন মাদকে জড়িত ছিল। পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সহেলী ফেরদৌস বলেন, ‘মাদকে জড়িত থাকলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের চেয়ে তাদের শাস্তি বেশি। কারণ অভিযোগ ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করে তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।’

সূত্র: ২৩ মে, ২০১৮ কালের কণ্ঠ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest