দুর্ঘটনায় রাজীবেরই ভুল দেখছেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সড়ক দুর্ঘটনার নিহত সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব হোসেনের নিহত হওয়ার ঘটনায় রাজীবের ভুলকেই দায়ী করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘এর সঙ্গে তো সড়ক ব্যবস্থাপনা দায়ী না? গাড়িটা যারা চালাচ্ছে এবং গাড়ীতে যারা আরোহী, তারা দায়ী হতে পারে? ওই ছেলেটাও ভুল করতে পারে। তার দাঁড়ানোটা সঠিক নাও হতে পারে?’

বুধবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর এফডিসির সামনে হাতিরঝিলের এন্ট্রি পয়েন্টে বিআরটিএর ভ্রামমাণ অভিযান পরিদর্শনের সময সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

গত ৩ এপ্রিল কারওয়ান বাজারে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের দুটি বাসের প্রতিযোগিতার বলি হয়ে বিআরটিসির বাসে থাকা রাজীবের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় সে মাথাও প্রচণ্ড আঘাত পায়। গত দুসপ্তাহ ধরে চিকিৎসকরা চেষ্টা করেও জীবন-মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়া রাজীব শেষ পর্যন্ত মারা যান। ১৬ এপ্রিল মধ্যরাতে লাইফ সাপোর্টে থাকা রাজীবকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার তার মরদেহ পটুয়াখালীর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন রাজীব হোসেন। তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র থাকাকালে তিনি মাকে হারান। আর বাবাকে হারান অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময়।

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবারই সচেতনতা জরুরি প্রয়োজন বলে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের দেশে আজকে দুর্ঘটনা বলুন, যানজট বলুন, এগুলো আমরা যদি এড়াতে চাই, কমাতে চাই, সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে চাই তাহলে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করা খুবই জরুরি। আমাদের চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সবারই মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।’

এ ব্যাপারে চালকদের সচেতনতটা খুব বেশী জরুরি দাবি করে মন্ত্রী আরও বলেন, একজনের গাড়ী ওভারটেক করতে গিয়ে হাত গেল? এটার সঙ্গে সড়কের কি সম্পর্ক?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পৃথক ঘটনায় স্কুল ছাত্রীসহ দু’ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে ও বজ্রপাতে এক স্কুল ছাত্রীসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টার দিকে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার গোপালপুর ও বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দিকে কলারোয়া উপজেলার কাদপুর গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন শুভশ্রী মুখার্জী (৬)। সে তালা উপজেলার মাগুরা চরগ্রামের শঙ্কর মুখার্জীর মেয়ে গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী শুভশ্রী মুখার্জী (৬) ও কলারোয়া উপজেলার কাদপুর গ্রামের ধুপচাপ সরদারের ছেলে বিল্লাল সরদার (৩৫)।
গোপালপুর গ্রামের তপন হালদার জানান, তার জামাতা শঙ্কর মুখার্জী বেনাপোল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে চাকুরি করে। এ জন্য নাতনি শুভশ্রী মুখার্জীকে এবার তার কাছে রেখে গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করে দেন। বুধবার সকাল ৮টার দিকে তিনি বাড়ির পাশে গোপালপুর খালে স্নান করতে গেলে শুভশ্রী তার সঙ্গে যায়। স্নান করার একপর্যায়ে তিনি শুভশ্রীকে না পেয়ে বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতে না পেয়ে খালে সন্ধান চালানোর একপর্যায়ে কয়েকজন জেলের সহায়তায় শুভশ্রীকে কাদা-জলের মধ্যে দাঁড়ানো মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কলারোয়ার চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম জানান, বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে স্ত্রী আছিয়া খাতুনকে নিয়ে অন্যের খেতে পটলের ফুল ছোঁয়াচ্ছিলেন কাদপুর গ্রামের বিল্লাল সরদার। এ সময় আকষ্মিক বজ্রপাতে বেল্লাল মারা যায়।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমান জানান, শুভশ্রীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ জানান, নিহত বিল্লালের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসন, সুপেয় পানিসহ সকল নাগরিক সমস্যা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক : জলাবদ্ধতা নিরসন, সুপেয় পানি, পয়:নিস্কাশন, মশা-মাছি নিধন, প্রাণ সায়ের খাল রক্ষা, রাস্তাঘাট সংস্কারসহ সকল নাগরিক সমস্যা নিরসনের দাবিতে বুধবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার সামনে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলুর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুলের পরিচালনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার রাস্তাঘাটগুলো চলাচলের একেবারে অনুপযোগি। শহরের মেন রাস্তায় যত্রতত্র বাস,ট্রাক পার্কি করে রাখার ফলে শহরে প্রতিনিয়ত যানজটন ও দূর্ঘটনা ঘটছে। নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক সুধাংশু শেখর সরকার বলেন, সাতক্ষীরায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। ড্রেনগুলো পরিস্কারের অভাবে পানি নিস্কাশনে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে।
নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক ওবায়দুস সুলতান বাবলু বলেন, সাতক্ষীরা পূর্ব এবং পশ্চিম পাশে বর্ষার শুরুতেই ব্যাপকভাবে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। পানি নিস্কাশনের পথগুলো প্রভাবশালীরা দখল করার ফলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পৌর কর্র্তৃপক্ষ জোরালো পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলেই এই সমস্যা হচ্ছে বলে আমরা মনে করি।
নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক নিত্যানন্দ সরকার বলেন, শহরে মশা মাছির উপদ্রব বেড়েই চলেছে। পৌর কর্তৃপক্ষ মশা মাছি নিধনের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। মশা-মাছির কারণেই পৌরবাসীর জনজীবন অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অবিলম্বে মশামাছি নিধনের আহ্বান জানান।
ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক ও নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য হাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সুপেয় পানির ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। প্রতিটি মানুষকে পানি ক্রয় করে পান করতে হচ্ছে। পৌরসভা থেকে যে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে তা রান্না-বান্নাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা একেবারেই অনুপযোগী। সাতক্ষীরা পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার লিটার পানি প্রয়োজন। কিন্তু পৌরসভা পানি বিতরণ করছে মাত্র ৬৫ হাজার লিটার। যা পৌরবাসীর চাহিদার অর্ধেকেরও কম। অবিলম্বে বাটকেখালী পানি প্লানটি দ্রুত চালু করার দাবি জানান।
নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু বলেন, সাতক্ষীরা প্রাণসায়ের খাল শোভাবর্ধনের জন্য ৩২ লক্ষ টাকার প্রকল্প সাবেক জেলা প্রশাসকসহ পৌর মেয়র উদ্বোধন করলেন সেই কাজের কোন অগ্রগতি নেই। প্রাণ সায়ের খাল আজ সাতক্ষীরাবাসীর জন্য গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবিলম্বে প্রাণ সায়ের খালের শোভাবর্ধন ও খনন করার জন্য জোর দাবি জানান।
সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল বলেন, বাঁকাল স্কুল থেকে বাস টার্মিনাল পর্যন্ত রাস্তার দুধারে বাঁশ বালি এবং পরিবহন, বালুর ট্রাক যত্রতত্রভাবে পার্র্কিং করার ফলে প্রতিনিয়ত স্কুল, অফিস ও পথযাত্রীরা দুর্ঘটনা ও দুর্ভোগে পড়ছেন। সাতক্ষীরা পৌরসভার ভিতরে যত্রতত্র বাস ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন পার্কিং বন্ধ করার দাবি জানান।
আরো বক্তব্য রাখেন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রইফ উদ্দিন, বাসদের আবু তালেব, রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোমিন হাওলাদার, সদর উপজেলা ভূমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবু, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য রওনক বাসার, সালাউদ্দিন ইকবাল লোদী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয়ে এ মুজিবনগর দিবস পালিত হয়। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি এড. সাইদুজ্জামান জিকো, সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের শাইন আলম সাদ্দাম, সাধারন সম্পাদক ফজলে রাব্বি শাওন, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী শাহেদ পারভেজ ইমন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান শোভন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুর রহমান শিমুল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এড. ফারুক হোসেন, জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ অলিউর রহমান মুকুল সহ জেলা আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুন্সিপাড়ায় জামায়াত নেতা মহাসীনের কাছে জিম্মি ২টি সংখ্যালঘু পরিবার

শহর প্রতিনিধি : শহরের মুন্সিপাড়ায় ২টি সংখ্যালঘু পরিবারের যাতায়াতের পথ নিয়ে এক নতুন খেলায় মেতেছে জামায়াত নেতা মহসীন। কিছু দিন পর পর তালা লাগিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই সংখ্যালঘু পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা। এঘটনায় নিরূপায় হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মুন্সিপাড়া এলাকার কালিপদ দাশের ছেলে সঞ্জয় কুমার দাশ।
অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিন ঘুরে জানাগেছে, সঞ্জয় কুমারের পিতা বিগত ৫০/৬০ বছর ধরে মুন্সিপাড়া এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। গত ২০১২ ডিসেম্বর মাসে তাদের যাতায়াতের জন্য পাশ্ববর্তী মৃত ডাঃ জয়নুল আরা ৩০ হাজার টাকা বিনিময়ে নোটারি পাবলিকের কার্যালয় হতে এফিডেভিটের মাধ্যমে উক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুমতি প্রদান করেন। তারপর থেকে আমরা প্রায় ৬ বছর উক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছি। কিন্তু ডা: জয়নুল আরার মৃত্যুর পর তার ছেলে কুখ্যাত জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল মহাসিন সাগর উক্ত যাতায়াতের রাস্তা মাঝে মাঝে বন্ধ করে দেন। এঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলর আব্দুস সেলিম ও পৌর মেয়রের মাধ্যমে মিমাংসা করা হলেও কয়েকদিন যেতে না যেতেই মহসীন ওই রাস্তায় একটি গেট নির্মাণ করে আবারো তালা মেরে দেয়। সে সময় প্রতিবেশির সহযোগিতায় তালা খুলে দেন এরপর ওই জামায়াত নেতা মহসীন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং সাতক্ষীরা আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। যার নং- ৭৯/২০১৭। এর জের ধরে সোমবার দিবাগত রাতে উক্ত রাস্তায় আবারো তালা লাগিয়ে দেয়। পরদিন সকালে ওই ২ সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তাদের সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে তালা লাগানো থাকার কারণে সময়মত স্কুলে নিয়ে যেতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন সঞ্জয় কুমার স্বপন। বিষয়টি জানতে চাইলে মহসীন বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী সঞ্জয় তাদের যাতায়াতের রাস্তা উন্মক্তের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার ও পৌর মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‌’খালেক মন্ডলের নির্দেশে রাজাকার রোকন  ও বাকী মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ এবং আফতাবকে হত্যা করে’

ডেস্ক রিপোর্ট: মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক মণ্ডল ওরফে জল্লাদ খালেক, রাজাকার শিরোমণি আলীপুরের আব্দুল্লাহিল বাকী, পলাশপোলের খান রোকনুজ্জামান ওরফে কসাই রোকন এবং বৈকারীর জরহরুল ইসলাম ও রফে টিক্কা খানসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের তৃতীয় সাক্ষী জহিরুল হক তার জবানবন্দি পেশ করেছেন। জবানবন্দি পেশ করার পর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেছেন। জেরা শেষে মামলার কার্যক্রম আগামী ১৫ মে পর্যন্ত মামলা কার্যক্রম মূলতবি করেছেন আদালত।
জবানবন্দীতে সাক্ষী বলেন, আসামি খালেক মন্ডলের নির্দেশে আমার ভাই সিরাজুল ইসলামকে রোকনুজ্জামান খান ও সহমুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিনকে আব্দুল্লাহিল বাকী বুকে গুলি করে হত্যা করে। তিনি বলেন, আমি টেক্সটাইল মিলে চাকরি করতাম। বর্তমানে অবসর জীবন যাপন করছি। আসামি খালেক মন্ডল নৌ কমান্ড সিরাজুল ইসলাম ও আফতাব উদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করার নির্দেশ দেন। এর পর রাজাকার রোকন ও বাকী নৌকামান্ডো সিরাজুল ইসলাম ও আফতাব উদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করে।
সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের পর জেরার কার্যক্রম শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এ মামলার পরবর্তী দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ মে।
ট্রাইব্যুনালের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আমীর হোসেনের নেতৃত্বে দুই বিচারপতির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্য হলেন বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ও রেজিয়া সুলতানা চমন।
অন্যদিকে আসামি খালেক মণ্ডলের পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান তরফদার ও মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, অপর আসামি সাতক্ষীরার রাজাকার কমান্ডার আব্দুল্লাহ হেল বাকীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। পলাতক দুই আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী গাজী এমইএইচ তামিম। এর আগে গত ৫ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়া হয়।
২০১৭ সালের ১৯ মার্চ এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। মামলায় চার আসামির মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক মণ্ডল ওরফে খালেক কারাগারে রয়েছেন এবং অপর আসামি সাতক্ষীরার রাজাকার কমান্ডার আব্দুল্লাহ হেল বাকী গ্রেফতারের পর শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন। বাকি দুই আসামি খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ইসলাম টেক্কা খান পলাতক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনুমোদন পেলো আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

নতুন করে আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) অনুমোদন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় দুটি হলো খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মহিউদ্দীন খান।

এ নিয়ে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়ালো ৯৯টিতে। দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়টি আদালতের নির্দেশে বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে আরও আটটি বিশ্ববিদ্যালয়।

মো. মহিউদ্দীন খান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দুটি অনুমোদনের প্রস্তাব আগেই পাঠানো হয়েছিল। এখন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি জেড এন আর এফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় নামের আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি স্থাপন করা হবে রাজধানীর গুলশানে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ড. এম. জুবায়দুর রহমান।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন অনুমোদন পাওয়া বিশ্ববিদ্যলয়ের মধ্যে খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা দেখানো হয়েছে ১৪০ কেডিএ, খান বাহাদুর আহছানউল্লা সড়ক, ছোট বয়রা, সোনাডাঙ্গা, খুলনা। আর আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা দেখানো হয়েছে ২১৬/১ তালাইমারি, পোস্ট- কাজলা, রাজশাহী।

বিশ্ববিদ্যালয় দুটির প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। এর আগে তিনি আহছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অনুমোদন নিয়ে তা পরিচালনা করছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০-এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতিতে একই আইনের ৭-এর ১ ও ২ ধারা অনুযায়ী ২৩টি শর্তে সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দুটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় দুটি স্থাপনের বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয় থেকে গত ২৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় দুটির অনুমোদন দেয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়।এটি স্থাপনের আবেদন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উসৈশিং এমপি। শামসুল আলম নামে একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী শাহ মখদুম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আবেদন করেছেন। বিরোধী দলীয় নেতা নিজ নামে রওশন এরশাদ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ স্থাপনের আবেদন করেছেন। সাবেক এমপি এবং হুইপ এইচ এম গোলাম রেজা রাজধানীর সেনপাড়ায় সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ স্থাপনের অনুমোদন চেয়েছেন। ‘অ্যাপোলা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য শামসুল আলম ভূঁইয়া। পটুয়াখালীর লাউকাঠিতে সাউথ রিজন ইউনিভার্সিটি স্থাপনের আবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ.স.ম. ফিরোজ। ইন্টারন্যাশনাল স্টান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি নামে রাজধানীর মহাখালীতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন করেছেন ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম মোশাররফ হুসাইন। বাংলাদেশ বৌদ্ধকৃষ্টি প্রচার সংঘের প্রেসিডেন্ট এইচ এন ভেন সঙ্ঘনায়ক শ্রদ্ধানন্দ মহাথের ইউনিভার্সিটি অব অতীশ দীপঙ্কর বাজরাগজনি স্থাপনের অনুমোদন চেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আত্মহত্যা করার যন্ত্র আবিষ্কার!

প্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের তালিকায় স্থান পাচ্ছে এমন সব যন্ত্রপাতি যা মানুষ একটা সময় হয়তো ভাবতেও পারত না। কিন্তু এবার সবাইকে অবাক করে আবিষ্কৃত হয়েছে আত্মহত্যা করার অদ্ভুত এক যন্ত্র ৷

যন্ত্রের নাম ‘সার্কো’ ৷ ‘সার্কো’ নামটি এসেছে ‘সার্কোফ্যাগাস’ শব্দটি থেকে। পাথরের তৈরি অলংকৃত কফিনকে সার্কোফ্যাগাস বলা হয়। ৭০ বছরের ফিলিপ নিৎশকে এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন ৷

নেদারল্যান্ডের রাজধানী আমস্টারডামে ‘ফিউনারেল ফেয়ার’ নামে একটি মেলা হচ্ছে ৷ আর সেখানেই সার্কো যন্ত্রটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করেছেনএই বিজ্ঞানী। কফিনের মতো এই যন্ত্রটি একটি স্ট্যান্ডের ওপর দাঁড় করানো আছে। এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে নাইট্রোজেনের একটি ক্যান।

ফিলিপ নিৎশকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলে এই কফিনের ভেতরে শুয়ে একটি বোতাম চাপতে হবে। এতে ওই কফিনের ভেতরটা নাইট্রোজেনে ভরে যাবে। প্রথমে একটু মাথা ঘোরার ভাব হবে। এরপর সেই ব্যক্তি অচেতন হয়ে যাবেন এবং কিছু সময় পর মারা যাবেন।

ফিলিপ নিৎশকে নিজেকে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু এবং ‘যুক্তিযুক্ত আত্মহত্যার’ পক্ষে একজন কর্মী মনে করেন। ‘এক্সিট ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার, যেখানে বলা হয় অসুস্থ এবং মৃত্যুপথযাত্রী একজন মানুষের অধিকার রয়েছে নিজের মৃত্যু বেছে নেওয়ার।

তিনি মনে করেন, স্বেচ্ছামৃত্যু এবং আত্মহত্যা দুটোই মানুষের অধিকার। এ কারণেই সার্কো তৈরি করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest