সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরসাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারশ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপ

ডায়াবেটিস ঠেকাবে যেসব খাবার

শরীরে অগ্ন্যাশয় যদি যথার্থ ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীরে ইনসুলিনের সঠিক কাজ ব্যাহত হয় তাহলে সেটাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণার্ত অনুভব করে এবং বার বার মুখ শুকিয়ে যায়।আক্রান্তরা অতিশয় দুর্বলতা, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানান সমস্যায় ভোগে।

ডায়াবেটিস নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে গেলে তা শরীরের ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস রোগীকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। নিচে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলো :

সবুজ চা : সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এটি।

ওয়াইল্ড স্যামন : ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম একটি ঔষধি খাদ্য ওয়াইল্ড স্যামন। এতে উচ্চ মাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে। ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি বড় উৎস এটি। ডায়াবেটিস রোগের পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকিও কমায় ওয়াইল্ড স্যামন।

মাছ : গবেষণায় দেখা যায়, মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে।

টক দই : টক দই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে চিনির পরিমাণ খুব কম। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। দুপুরের খাবারের সঙ্গে বা বিকেলের নাস্তায় স্যান্ডউইচের সঙ্গে টক দই খাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ডিমের সাদা অংশ : ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চ মানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চ মানের চর্বিহীন প্রোটিন এবং কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা ২ ধরণের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

লেবু : লেবু ও লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে লেবু জাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা, লেবু এবং লাইমস ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

সবুজ শাকসবজি : সবুজশাক সবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতা কপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় বলা হয়, সবুজ শাক সবজি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে।

শস্য দানা : প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শস্য দানা মানুষের শরীরের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে শস্য দানা।

বাদাম : গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিসের ঝুকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমায় চীনাবাদাম। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিস্ময়করভাবে কাজ করে। নিয়মিত বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

মটরশুটি : ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য মটরশুটি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১ কাপ মটরশুটি খেলে ২ ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। এতে উচ্চমাত্রায় শর্করা, চর্বিহীন প্রোটিন এবং আঁশ রয়েছে। এটি শরীরের রক্তে চিনি কমাতে সাহায্য করে; হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে পুলিশ ইন্সপেক্টর নিহত

ঢাকার মিরপুরে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে গোয়েন্দা পুলিশের এক পরিদর্শক নিহত হয়েছেন।

সোমবার মধ্যরাতে মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. জালালউদ্দিনের মাথায় গুলি লেগেছিল। রাতে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া রাতেই ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গোলাগুলির এক পর্যায়ে ‘সন্ত্রাসীরা’ বাড়ির পেছন দিয়ে পালিয়ে যায়।

পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, গোলাগুলির পর পীরের বাগের ওই চারতলা বাসা ঘিরে পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে।

“যে বাসায় সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছিল, সেখান থেকে এক নারীকে আটক করে নিয়ে গেছে গোয়েন্দা পুলিশ। পাশের বাসা থেকে আরও চারজনকে মিরপুর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় সিকান্দার মেলায় নগ্নতার প্রদর্শনী, মঞ্চ ভেঙে দিলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: মেলার শর্ত ভঙ্গ ও যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনের অভিযোগে অবশেষে সোমবার সকালে তালার ঐতিহ্যবাহী সিকান্দার মেলায় আগত আনন্দ অপেরা ও নিউ নিজাম পুতুল নাচের প্যান্ডেল ভেঙ্গে দিয়েছে পুলিশ। এর আগে যাত্রা ও পুতুল নাচের নামে মধ্যরাতে অর্ধ নগ্ন নারীদের উদোম নৃত্য নিয়ে ছবিসহ সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হলে তানিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এরপর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রবিবার রাতে পুতুল নাচ চলাকালীন তা বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপরও চলতে থাকে আনন্দ অপেরার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী।
তবে সোমবার সকাল ১০ টার দিকে এমন অভিযোগে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে আনন্দ অপেরা, নিউ নিজাম পুতুল নাচ ও চিত্র তারকা মেলার প্যান্ডেলগুলি ভেঙ্গে দেওয়া হয়।
দেশের প্রখ্যাত কবি সিকান্দার আবু জাফরের স্মৃতি রক্ষা ও পর্বণ প্রিয় বাঙালির ঐতিহ্যের সন্ধানে ২০১৭ সাল থেকে কবির গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার তালায় সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে সিকান্দার মেলা। এরআগে কবি পরিবারের পক্ষে ২০০১ সাল হতে ১৬’ সাল পর্যন্ত সিকান্দার মেলা চলে আসছিল। এজন্য প্রতি বছর মেলার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় হলেও তা অদ্যবধি কবির স্মৃতি সংরক্ষণ বা মেলায় দর্শনার্থীদের কবি সম্পর্কে ধারণা দিতে কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে একদিকে যেমন সিকান্দার আবু জাফর সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অজানা থেকে যাচ্ছে তেমনি চিত্ত বিনোদনে বাণিজ্যিক প্রসারতায় নানা আয়োজনে মূল লক্ষ থেকে সরে ঐতিহ্য হারাচ্ছে তালাবাসীর প্রাণের মেলা সিকান্দার মেলা। প্রতি বারের ন্যায় এবারো তালার তেঁতুলিয়াতে আয়োজিত মেলায় কবির জীবনী ও সাহিত্য সংষ্কৃতি বিষয়ক আলোচনার পাশাপাশি তাঁর লেখা বই,গান,নাটক ও কবিতা প্রদর্শনের শর্ত থাকলেও বাণিজ্যিকিকরণের নানা পসরায় এবারো চাপা পড়েছে তা। সব মিলিয়ে মেলার সার্বিক আয়োজনে প্রথম থেকেই ক্ষুব্ধ ছিল তালা অঞ্চলের মানুষ।
দেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক সিকান্দার আবু জাফরের ৯৯ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বারের ন্যায় এবারো সরকারের সংষ্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমােদনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে জেলার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়াস্থ কবির জন্ম ভিটায় শুরু হয় সিকান্দার মেলা। এলক্ষে সম্ভাব্য সকল প্রস্তুতির পর আয়োজকরা গত ৯ মার্চ থেকে ১৫ দিন ব্যাপী শুরু হয় মেলাটি। সে অনুযায়ী ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলার কথা ছিল তা। তবে এর ৫ দিন আগেই আয়োজকদের দায়িত্বহীনতা, অবহেলা ও অব্যবস্থাপনায় নানা সংকটে মেলার এবারের প্রাণ যাত্রা ও পুতুল নাচ বন্ধ হয়ে যায়। তবে সার্কাস নির্ভর মেলা কিভাবে তা ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ইতোমধ্যে আয়োজকরা মেলার বর্ণাঢ্য বাস্তবায়নে কমিটি গঠন থেকে শুরু করে অনুষ্ঠান সূচি, সিদ্ধান্ত, উদ্ভোধন, মাঠ ইজারা, অনুমোদিত ইভেন্ট ও ব্যবস্থাপনাসহ নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে চললেও মেলার প্রায় শেষ ভাগেও শুরু করতে পারেননি ব্যবস্থাপনার থ’ ক্রমিকের কবির জীবনী ও সাহিত্য সংস্কৃতির কোন আলোচনা বা সংশ্লিষ্ট কোন আয়োজন। এমন অবস্থায় সাহিত্য ও সংষ্কৃতি প্রেমী তালার সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলছেন, অঙ্কুরেই শেষ হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী তালার প্রাণের মেলা সিকান্দার মেলা।
অন্যদিকে মেলার লাভ-ক্ষতির বিষয়টিকে সামনে রেখে তালাবাসীর মনে নতুন করে নানা আশংকা জেকে বসেছে। তাদের ধারণা, পুরনো পথেই নতুন করে এগিয়ে চলেছে সিকান্দার মেলা।
সূত্র জানায়- উপজেলার সবুজ শিক্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তেঁতুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দু’টিকে সামনে রেখে অনুমোদিত মেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠকে সম্পৃক্ত করলেও বাইরে রাখা হচ্ছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি। আর মেলার মূল আয়োজন থাকছে কবি পরিবারেরই নিজস্ব ফসলি প্রান্তরে। এতে মাঠ ইজারার টাকা প্রাপ্তির বিষয়টি নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
সূত্র আরো জানায়- এবার মেলার মূল মাঠ বিক্রি হয়েছে ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায়। এতে ভ্যাট রয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা, আর সরকারি অনুদান প্রায় ২ লাখ। তবে মেলা কেন্দ্রিক আয়ের এত উৎস্য তৈরী হলেও তা কবির স্মৃতি রক্ষা বা বর্তমান প্রজন্মের কাছে সিকান্দার আবু জাফরকে পৌছে দিতে মূলত কোন প্রভাব ফেলেনি।
এদিকে দেশের একজন বরেণ্য কবির নামে শুরু হওয়া মেলাকে ঘিরে শুরু থেকেই ছিল নানা অভিযোগ। মেলায় আগত যাত্রা গান, পুতুল নাচে সংস্কৃতির নামে চলে আসছিল অশ্লীল উদোম নৃত্যের মহোৎসব। এজন্য কতৃপক্ষ অবশ্য দর্শক আকর্ষণকেই প্রাধান্য দিয়েছিল। তবে এবার মেলায় যাত্রা, পুতুল নাচ, সার্কাস, নাগর দোলা সহ বাহারি পসরায় দোকানিদের আগমনেও দর্শক সমাগম করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, অসামাজিক নানা ঘাটতি মেলায় দর্শক শূণ্যতার কারণ। তবে এলাকাবাসীর দাবি ভিন্ন। তারা বলছেন, অশ্লীলতাই শূণ্যতার জন্য দায়ী।
সিকান্দার মেলায় সিকান্দারকে নিয়ে কোন আয়োজন না থাকায় ভিঁড় নেই বর্তমান প্রজন্মের জ্ঞানপিপাসুদের। এলাকাবাসীর আশংকা, এমনটি চলতে থাকলে অনেক ঐতিহ্যবাহী মেলার ভিড়ে হারিয়ে যাবে প্রাণের সিকান্দার মেলাও।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রথমত কবি পরিবারের পক্ষে ২০০১ সাল হতে ১৬’ পর্যন্ত মেলা চালিয়ে গেলেও ব্যাপক গণ দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৭ সাল থেকে প্রথম বারের মত সরকারিভাবে কবির জন্ম বার্ষিকীকে সামনে রেখে চালু হয়েছে সিকান্দার মেলার আয়োজন।
এলাকাবাসী আরো জানায়,মেলাটির শুরুতে ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে আবাল,বৃদ্ধ,বণিতাদের ব্যাপক সমাগম পরিলক্ষিত হলেও বর্তমানে অশ্লীলতা নির্ভর মেলা রীতিমত দর্শক হারাতে বসেছে।
এ ব্যাপারে মেলার সদস্য সচিব শেখ মোসফিকুর রহমান মিলটন’র কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপ-কমিটি ও স্থানীয় সমন্বয়কারী ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব। অনিয়মের কোন সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে মেলার মাঠ ইজারাদার সাইফুল জানান,এবারের মেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা লগ্নি করেছেন। জুয়া বা লটারী চালু না করলে কোন ভাবেই তার লগ্নির টাকা উশুল হবেনা। এরপর যাত্রা ও পুতুল নাচও বন্ধ করে দেয়ায় তার প্রায় সমুদয় লগ্নি ভেস্তে যাচ্ছে।
এব্যপারে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান- মেলায় কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা তিনি বা পুলিশ সমর্থন করেনা। তাদের কাছে মেলায় আগত যাত্রা ও পুতুল নাচের নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শণের অভিযোগ আসায় এবং এনিয়ে পত্রিকায় খবর প্রকাশে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে তারা ঐ প্যান্ডেলগুলি পন্ড করে দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেন খাবেন কালো টমেটো?

টমেটো আমরা বরাবরই লাল দেখে এসেছি। এটাই যেন স্বাভাবিক। অবশ্য সবুজ বা কাঁচা টমেটো খেতেও মন্দ নয়। সালাদেও এর প্রয়োজনীয়তা কম নয়। কিন্তু এর বাইরেও ‘ব্ল্যাক টমেটো’ বা ‘কালো টমেটো’ রয়েছে। এর বাইরে কালো হলেও ভেতরে একটু লালচে। তবে এর গুণাগুণ সম্পর্কে জানলে অবাক হয়ে যাবেন।

কেন খাবেন
১. সুগারের সমস্যায় কালো টমেটো আপনার জন্য উপকারী।
২. এ ধরনের বিশেষ টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লড়তেও সক্ষম।
৩. কালো টমেটো চোখের জন্য উপকারী।
৪. ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ঘাটতি পূরণ করে এটি।
৫. রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।
৬. ওজন কমাতেও সাহায্য করে এ টমেটো।
৭. নিয়মিত কালো টমেটো খেলে হৃদয়ঘটিত সমস্যা দূর করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বছর শেষে মুক্তি পাবে ফেরদৌস-মৌসুমীর নতুন ছবি

বেশ কিছু ব্যবসা সফল ছবি উপহার দিয়েছেন ফেরদৌস ও মৌসুমী জুটি। ‘খায়রুন সুন্দরী’ হয়ে আছে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘদিন পর আবারও রুপালি পর্দায় হাজির হচ্ছেন তারা। কাটছে এই জুটির ভক্তদের প্রতীক্ষাও।

বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী ৩০ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে ফেরদৌস-মৌসুমীর ‘পোস্টমাস্টার ৭১’ নামের ছবিটি। এর প্রযোজনার দায়িত্বেও রয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

ছবিটি রাশেদ শামীম ও আবির খান পরিচালনা করছেন যৌথভাবে। ছবির কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের শেষ দিকে। এরপর ২০১৬ ও ২০১৭ সালে একাধিকবার মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেও পিছিয়ে যায় ছবিটির মুক্তি। অবশেষে চলতি বছরের শেষ মাসের ৩০ তারিখকেই বেছে নিয়েছেন নির্মাতাদ্বয়।

ছাবির গল্প নিয়ে রাশেদ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি মিষ্টি প্রেমের ছবি ‘পোস্টমাস্টার ৭১’। এর প্রেক্ষাপট শুরু হবে ১৯৬৫ সাল থেকে। একজন পোস্টমাস্টারের প্রেমের গল্প দেখানো হবে এখানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টি-টোয়েন্টি বোলিং র‌্যাংকিংয়ে সেরা দশে মোস্তাফিজ

ভারতের বিপক্ষে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে দুর্দান্ত এক ওভারের কারিশমায় ম্যাচটা বাংলাদেশের পক্ষে নিয়ে এসেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। শেষদিকে দীনেশ কার্তিকের বীরত্বের কারণে জেতা ম্যাচটি হেরে গেছে বাংলাদেশ। তবে দল হারলেও টি-টোয়েন্টি বোলিং র‌্যাংকিংয়ে সেরা দশে ঢুকে পড়েছেন বাঁহাতি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ।

আইসিসির প্রকাশিত সর্বশেষ র‌্যাংকিংয়ে দেখা যাচ্ছে, মোস্তাফিজের সঙ্গে উন্নতি হয়েছে ফাইনালের ট্র্যাজেডি নায়ক রুবেল হোসেনেরও। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম এবং সাব্বির রহমানের।

ফাইনালে ৫০ বলে ৭৭ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলা সাব্বির রহমান টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান র‌্যাংকিংয়ের সেরা বিশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের রেটিং পয়েন্ট এখন ৬১৫, আছেন র‌্যাংকিংয়ের ১৮তম অবস্থানে।

নিদাহাস ট্রফিতে খুব ভালো করতে না পারলেও বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সাব্বিরের পরের অবস্থানেই আছেন সৌম্য সরকার। ৫৪১ পয়েন্ট নিয়ে ৩১ নাম্বারে তিনি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪২ এবং মুশফিকুর রহীম ৪৭তম অবস্থানে আছেন।

বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে মোস্তাফিজেরই। ৬৪৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাঁহাতি এই পেসার এখন র‌্যাংকিংয়ের ৮ম অবস্থানে। ৬০৮ রেটিং নিয়ে সাকিব আল হাসান আছেন ১৩ নাম্বারে। ৪৬৫ পয়েন্টে রুবেল হোসেনের অবস্থান ৪২তম।

এদিকে, ভারতীয় বোলারদের মধ্যে ১২ ধাপ এগিয়ে দুই নাম্বারে চলে এসেছেন স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল। ১৫১ ধাপ এগিয়ে ৩১তম অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন আরেক স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটারদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের ক্রিকেটাররা ভালো খেলেছেন, তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এক ম্যাচ হেরে মনোবল হারানোরও কিছু নেই। তিনি বলেন, আমাদের ছেলেরা ভবিষ্যতে আরো ভালো খেলবে। খেলা শেষে পাপনকে ফোন করে বলেছি, ওরা (খেলোয়াড়রা) যেন মনোবল না হারায়।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনির্ধারিত আলোচনায় এ প্রসঙ্গটি ওঠে আসে। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রসঙ্গটি তোলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ক্রিকেটের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শেষ বলে ছয় মেরে ভারত জিতে গেল। বাংলাদেশের আগের ম্যাচে শেষ বলে ছয় মেরে জিতেছিল।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশের পরাজয়ের বিষয়টি নিয়ে এ সময় আলোচনা হয়। সেইসঙ্গে এর আগের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের ফাইনালে যাওয়ার প্রসঙ্গ নিয়েও মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আলোচনার এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খেলা শেষে আমি পাপনকে (নাজমুল হাসান পাপন, বিসিবি সভাপতি) ফোন করেছিলাম। আমি তাকে বলেছি, খেলোয়াড়দেরকে বলো মনোবল না হারাতে। ওদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ওরা যেনো মনোক্ষুণ্ণ না হয়। ওরা খুব ভালো খেলেছে। ভবিষ্যতে ওরা খুব ভালো করবে। শেষে একটি বল ছিল। এক বলে চারও হতে পারতো। তা না হয়ে ছয় হয়ে গেছে ভারত জিতে গেল। এতে মন খারাপ করার কিছু নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমে উঠেছে তুজলপুর হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী লড়াই

জি.এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তুজলপুর জি.সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ মার্চ। দুই প্যানেলে অভিভাবক সদস্য পদে মোট ১০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহন চলবে। মোট ৩৯৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মো. আলী হোসেন-ডা. মোফাখ্খারুল ইসলাম পরিষদে রাজহাস প্রতিকে মো. আবুল খায়ের বিশ্বাস, দোয়াত কলম প্রতিকে মো. শরিফুজ্জামান (ময়না), চেয়ার প্রতিকে মো. ফকরুল ইসলাম, মোরগ প্রতিকে মো. জাহারুল ইসলাম ও মহিলা সদস্যা পদে মাছ প্রতিকে মোছা. ফাতিমা খাতুন প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া দাতা সদস্য একক প্রার্থী হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রভাষক রাশেদ রেজা (তরুন)। অপরদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবুল হোসেন – শাহাজান সিরাজ পরিষদে ফুটবল প্রতিকে ডা. শেখ আবুল হোসেন, ছাতা প্রতিকে মো. শাহাজান সিরাজ, বই প্রতিকে মো. মশিউর রহমান, আনারস প্রতিকে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও মহিলা সদস্যা পদে গোলাপ ফুল প্রতিকে মোছা. আফরোজা খাতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest