সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরসাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারশ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপ

শ্যামনগরে প্রধান শিক্ষকের অর্থ বাণিজ্য! নিম্ন মানের বই এর ফাঁদে ছফিরুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়

শ্যামনগর ব্যুরোঃ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হলেও কতিপয় শিক্ষকের নৈতিকতা বিরোধী অর্থ বাণিজ্যের কারনে সুকৌশলে পাঠ্যক্রমে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে নিম্ন মানের খুলনার হতে প্রকাশিত ভূলে ভরা ব্যাকরণ গ্রামার ও নোট বই।এবার গুরুতর অভিযোগ নওয়াবেঁকী ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক হজরত আলী ও সহ: প্রধান শিক্ষক শচীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী এর বিরুদ্ধে।সচেতন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শ্যামনগর এর অনলাইন এক্টিভিষ্ট ও সমাজকর্মী রেজওয়ানুল আজাদ নিপুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়,মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেছেন তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ থাকে যে,অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয় অসাধু পুস্তক ব্যবসায়ী ও প্রকাশকের যোগসাজশ এ অত্যন্ত নিম্ন মানের বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণ ও গ্রামার নোট বই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে যুক্ত করতে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে কৌশলে কিনতে বাধ্য করছেন।খোঁজ নিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলে।কয়েকজন শিক্ষার্থী এই প্রতিবেদকে বলেন,আজ বিদ্যালয় ছুটির আগে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীতে সহ:প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন তোমাদের যে বই দেওয়া হয়েছে তা ভালো এবং এই বই আপাতত স্কুলে আনবে না আমাদের (শিক্ষক) বিপদ হবে।অনুরুপভাবে সহ: শিক্ষক অরুপ বাবু সপ্তম শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের সামনে বলেন প্রকাশক স্কুলের কল্যাণে কিছু টাকা দিয়েছে যা পরে ব্যয় করা হবে।কয়েকজন অভিভাবক ক্ষুব্ধ কন্ঠে বলেন,১০৫০ টাকা ও ১২০০টাকায় নিম্নমানের স্কয়ার প্রকাশনির নোট গাইড ও খুলনার আজিজিয়া লাইব্রেরীর ভাষা বিন্যাসও ব্রিলিয়্যান্ট গ্রামার ব্যাকরন বই কিনতে বাধ্য হচ্ছি।কারণ স্কুলে এই বই থেকে পড়ায়।পড়া না পারলে শাস্তির ভয়ে বাধ্য হয়ে এই ব্যাকরণ ও নোট বই কিনতে বাধ্য হচ্ছি আমরা।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষক হজরত আলীর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। আমি দীর্ঘ বছর যাবত এ বিষয়ের সাথে জড়িত না।অথচ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষন শচীন্দ্রনাথ মিস্ত্রির সাথে কথা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন,আমরা অল্প কিছু গ্রামার বা ব্যাকারণ বই বাচ্চাদের কেনার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।সরকার নিষিদ্ধ বই কেনো কেনার নির্দেশ দিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,কোন বই সরকার নিষিদ্ধ আর কোন বই নিষিদ্ধ না সেটা আমরা জানিনা তাছাড়া মাধ্যমিক অফিস থেকেও আমাদের এ বিষয়ে কোনোদিন কোনো কিছু বলেনি। অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক বলেন,খায়না এমন কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম মোঃ রফিকুজ্জমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি বিষয়টি জানতাম না। অবশ্যই এ বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জনৈক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অভিন্ন সুরে বলেন,স্কয়ার গাইডের বাংলা দ্বিতীয় পত্রের রচনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ রচনায় স্বাধীনতার ইতিহাস এ স্বাধীনতার স্থপতির নাম উচ্চারিত হয়েছে একবার।কি শিখবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই বই পড়ে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক বি এম আলাউদ্দীনের চাচার ইন্তেকাল

বি এম আলাউদ্দীন ঃ আশাশুনির সাংবাদিক বি এম আলাউদ্দীনের চাচা ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজেউন)। মৃতকালে তার বয়স হয়েছিলো ৩৮ বছর। তিনি আশাশুনি থানা বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামের শওকাত বিশ্বাসের পুত্র যুবলীগ নেতা মোঃ বিল্লাল বিশ্বাস দীর্ঘ দুই তিন মাস হৃদ রোগে ভুগছিলেন চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকা হার্ডইনিষ্টিড হাসপাতাল ও সোরওয়ারর্দী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরত দেয়। বাড়ি আসার পথে চুপনগরে এ্যম্বুলেন্সে রাত ১১:৩০ টায় শ্বাস কষ্টে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ পুত্র সন্তান রেখে যান।
সোমবার যোহরবাদ ফকরাবাদ ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে যানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে যানাজায় ইমামতি করেন মরহুমের ভাতিজা হাফেজ মোঃ আল-আমিন বিশ্বাস কাঁটাবুনি জামেমসজিদ ইমাম সাহেব।
নামাজে যানাজা শেষে মরহুমের পারিবারিক করবস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এসময় নামাজে যানাজায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম, বড়দল যুবলীগ সভাপতি মোঃ আছাদুল ফকির, চাপড়া মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আছাদুল হক, বড়দল ইউপি সদস্য হাফেজ মোঃ রুহল আমিন ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাহ্ জালাল কিন্ডার গার্টেন স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী

নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ্ জালাল কিন্ডার গার্টেন স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে কুখরালী বারুইপাড়াস্থ স্কুল চত্বরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মোঃ রুহুল আমিন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ডা: আলহাজ্ব আবুল কালাম বাবলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পৌর ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন (কালু), বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ আরিফুর রহমান (উজ্জ্বল), কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাতলুব হোসেন (লিটন) প্রমুখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী শিক্ষক প্রদীপ মিত্র, হাসানুর রহমান, নাজিম উদ্দীন খান, ইয়াসির আবিদ (সজল), মোঃ রবিউল ইসলাম, মহসিনা ইসলাম (শোভা), মেহেরুন্নেছা, রজনী পারভীনসহ ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘নাগিন ডান্সের’ রহস্য জানালেন মুশফিক

অনলাইন ডেস্ক: নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি টাইগাররা স্বপ্নপূরণের খুব কাছাকাছি গিয়েও ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ শেষে সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাকিবরা।

দেশে ফিরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ জিতে ‘নাগিন ডান্স’ দিতে দেখা যায় মুশফিককে। আর এর পর থেকেই ভাইরাল হয়ে যায় এই নাগিন ডান্স। হঠাৎ কেন তিনি এমন ‘নাগিন ডান্স’ নেচে জয় উদযাপন করলেন প্রশ্ন সবার মনেই। আর সে প্রশ্নটাই সোমবার করা হয় মুশফিককে।

আর এই প্রশ্নের জবাবে মুশফিক বলেন, ‘প্রত্যেকটা ম্যাচই ভিন্ন। প্রতিটা ম্যাচেরই ভিন্ন পরিস্থিতি, ভিন্ন রকম অনুভূতি থাকে। এমন একটা ম্যাচ জেতার পর…শেষ পর্যন্ত কেউ ভাবেনি ওই ম্যাচটা আমরা জিততে পারবো। এগুলো আসলে বলে কয়ে আসে না।

এটাতো শুধু একটা উদযাপন। হতেই পারে। ‘

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার তালায় পানের বরজে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ আগুন লেগে একটি বরজের দু’ লক্ষাধিক টাকার পান পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। সোমবার বিকেল ৫ টার দিকে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের ভাগবাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বরজ মালিক বৃন্দাবন দে জানান, পানের বরজে আগুন লেগে ধোঁয়া উঠতে দেখে পরিবারের লোকজনকে সাথে নিয়ে সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে ঘটনাস্থলে যান তিনি। এ সময় পাড়া প্রতিবেশিরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করার আগেই বাগানটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে কি ভাবে আগুন লেগেছে তা তিনি বলতে পারেননি। এতে তার দু ’ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, তিনি মোবাইলে ঘটনাটি শুনেছেন। তবে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ নিয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তামার গ্লাসে পানি পান করার উপকারিতা দেখুন!

পানিতে থাকা লক্ষাধিক মাইক্রোঅর্গেনিজম, মোল্ড, ফাঙ্গাস এবং ব্য়াকটেরিয়াদের মেরে ফেলতে তামার কোনও বিকল্প হয় না। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে তামার একাধিক গুণাগুণ পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করার ফলে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

তামায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা একদিকে যেমন ক্যান্সার বিরোধী, তেমনি অন্যদিকে শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতেও সাহায্য করে। তাই তো প্রতিদিন কম করে ২-৩ গ্লাস পানি তামার গ্লাসে রেখে পান করলে নানাবিধ শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে তামার পাত্রে পানি খাওয়া শুরু করলে শরীরের তামার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন কোষেদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তেমনি আয়রনের শোষণ হারও বেড়ে যেতে শুরু করে। ফলে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে : অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হল ক্যান্সার বিরোধী। তাই শরীরে যত অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ বাড়তে থাকবে, তত দূরে পালাবে কর্কট রোগ। কিন্তু শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়বে কীভাবে? এক্ষেত্রে প্রতিদিন তামার গ্লাসে পানি খেলেই কেল্লাফতে! কারণ তামায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা পানির সঙ্গে মিশে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে কোষেদের বিভাজন যাতে ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে দেহে কোষের অস্বাভাবিক বিভাজন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : তামার এমন কিছু গুণ রয়েছে যা চোখের পলকে পাকস্থলীতে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। ফলে আলসার, বদহজম এবং স্টমাক ইনফেকশনের মতো রোগ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এখানেই শেষ নয়, স্টমাকে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিনদের বের করে দেওয়ার পাশাপাশি লিভার এবং কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতেও দারুন কাজে আসে তামা। তাই তো প্রতিদিন তামার গ্লাস খাওয়ার পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকেরা।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির করা এক গবেষণা অনুসারে কপার বা তামা হার্ট অ্যাটাক, কোলেস্টরল এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো মারণ রোগকে একেবারে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে আয়ু তো বাড়েই, সেই সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও সুন্দর হয়ে ওঠে।

ওজন হ্রাস পায় : তামার গ্লাসে পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে একদিকে যেমন হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, তেমনি শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বিও ঝড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মেদ কমতে থাকে।

সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : পানিতে লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকারক জীবাণুদের দ্রুত মেরে ফেলে কপার। তাই তো তামার পাত্রে পানি খাওয়া শুরু করলে ছোট-বড় নানা ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ক্ষত সারে দ্রুত : অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ থাকার কারণে শরীরে তামার পরিমাণ যত বাড়তে থাকে, তত দ্রত ক্ষতও সারতে শুরু করে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে একাধিক সংক্রমণের প্রকোপ একেবারে কমে যায়।

আর্থ্রাইটিসের কষ্ট কমে : এই রোগে আক্রান্ত হওয়া মানেই জয়েন্ট পেন হয়ে উঠবে রোজের সঙ্গী। ফলে স্বাভাবিক হাঁটা-চলার উপর একেবারে ফুল স্টপ পরে যাবে। কিন্তু তামাকে সঙ্গে রাখলে দেখবেন আর এমন কষ্ট পেতে হবে না। তামায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ, যা আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা শুধু নয়, শরীরের যে কোনও প্রদাহ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তামার পাত্রে পানি পান করলে দেহে তামার ঘাটতি দূর হয়। যার প্রভাবে মস্তিষ্কে থাকা নিউরনদের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে ব্রেন পাওয়ার বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্ক এত দ্রুত কাজ করা শুরু করে দেয় যে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি বাড়তেও সময় লাগে না।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে : তামা, ত্বকের মেলানিনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটার পাশাপাশি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে মুখ মণ্ডল বেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চেক জালিয়াতি মামলায় আব্দুল কাদেরের কারাদন্ড ও জরিমানা

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় চেকজালিয়াতির মামলায় আসামী আব্দুল কাদের সরদারকে এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও চেকের সমপরিমান ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরার যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ পারভেজ শাহারিয়ার এ সাজা প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন, আশাশুনি উপজেলার কাপসান্ডা গ্রামের মোঃ আব্দুল খালেক সরদারের ছেলে মোঃ আব্দুল কাদের সরদার।
বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. এস.এম আলমগীর হোসেন বাপ্পী জানান, আশাশুনি উপজেলার কাপসান্ডা গ্রামের আব্দুল কাদের ব্যবসায়িক সম্পর্কের সুবাদে ২০১৬ সালের ১৪ই মে ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহন করেন এই মামলার বাদী ফেরদাউস গাজীর কাছ থেকে। এই টাকা ফেরত দেয়ার নামে বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকেন আসামী আব্দুল কাদের। এক পর্যায়ে টাকা নেয়ার দুই মাস পরে ২০১৬ সালের ১৪ই জুলাই আসামী আব্দুল কাদের এ মামলার বাদী ফেরদাউস গাজীকে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বসে ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকার সোনালী ব্যাংক, আশাশুনি শাখার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ওই দিনই ফেরদাউস গাজী ব্যাংকে প্রদান করলে টাকা না থাকায় ব্যাংক কর্মকর্তরা চেকটি ডিজ-অনার করেন। এরপর ২০ জুলাই তিনি তার নিযুক্ত আইনজীবির মাধ্যমে সমুদয় টাকা নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য রেজিস্ট্রি ডাকযোগে আসামী আব্দুল কাদেরের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। নির্দিষ্ট সময়ে তিনি তার পাওনা টাকা পরিশোধে ব্যার্থ হওয়ায় একই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে এন,আই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারা মোতাবেক আসামী আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তিনি একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৪৬৬/১৭। এই মামলাটি দীর্ঘ এক বছর পর সোমবার স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে আসামী আব্দুল কাদের সরদারকে এক বছরের সাজা ও ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন সাতক্ষীরা যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ পারভেজ শাহারিয়ার। বাদী পক্ষের আইনজীবি এড. এস.এম আলমগীর হোসেন বাপ্পী আরো জানান, এ মামলার রায়ের সময় আসামী আব্দুল কাদের সরদার আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জ্যাকুলিনের ‘এক দো তিন’ ভাইরাল (ভিডিও)

‘এক দো তিন’… শুনলেই বলিউডের মনে পড়ে মাধুরী দীক্ষিতকে। ১৯৮৮-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তেজাব’-এ এই গানের সাথে মাধুরীর নাচ ঢুকে পড়েছে সিনে ইতিহাসে। এবার সেই গানের সাথে নেচে মাধুরীকে ট্রিবিউট জানালেন জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ।

টাইগার শ্রফ এবং দিশা পাটানির ছবি ‘বাঘি ২’-এ দেখা যাবে জ্যাকুলিনের এই নাচ। সদ্য মুক্তি পেয়েছে সেই ভিডিও। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

সন্দীপ শিরোদকরের কম্পোজিশনে নতুন এই গানটি গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। লক্ষ্মীকান্ত পেয়ারেলালের কম্পোজিশনে আসল গানটি গেয়েছিলেন অলকা যাজ্ঞিক।

এ প্রসঙ্গে জ্যাকুলিন বলেন, ওই গানটায় মাধুরী ম্যামের পারফরম্যান্স দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকতাম। এটা ওর প্রতি আমার ট্রিবিউট। আমি তো কোন ছাড়, কেউই ওর অরিজিনাল পারফরমন্যান্সের ধারে কাছে আসতে পারবে না।

অরিজিনাল ভার্সনের কোরিওগ্রাফ করেছিলেন সরোজ খান। জ্যাকুলিনের কোরিওগ্রাফিও সরোজ করেছেন। তাকে সাহায্য করেছেন গণেশ আচার্য এবং আহমদ খান। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০ মার্চ মুক্তি পাবে এই ছবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest