আগামী অক্টোবর মাসে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। বিস্তারিত আসছে…
সম্প্রতি গবেষকেরা ওমান উপসাগরে বিশাল একটি মৃত্যুকূপের সন্ধান পেয়েছেন। গবেষকদের দাবি, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মৃত্যুকূপ। এর আয়তন স্কটল্যান্ডের চেয়েও বেশি। লন্ডনের ইস্ট অ্যাংলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউইএ) গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। ওমানের সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয় ওই গবেষণায় সহযোগিতা করেছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, ওমান উপসাগরের ওই বিশাল জায়গায় কোনো প্রাণী টিকতে পারছে না। আরব সাগরের অংশ ওই জায়গা আগে অপেক্ষাকৃত ছোট থাকলেও ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে। জলদস্যু ও সাগরের ওই অংশের মালিকানা নিয়ে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর দ্বন্দ্ব থাকায় এত দিন ওই এলাকা নিয়ে কোনো গবেষণা হয়নি।
সম্প্রতি গবেষকেরা এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদন বলছে, ওমান উপসাগরের প্রায় অক্সিজেনশূন্য ওই এলাকা স্কটল্যান্ডের চেয়ে বড়। ওই এলাকার আয়তন ৭৮ হাজার বর্গকিলোমিটারের চেয়েও বেশি, যা দিন দিন আরও বাড়ছে।
ওই অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহে সিগ্লাইডার্স নামের রোবট ব্যবহার করেছেন গবেষকেরা। এই রোবট পানিতে এক হাজার মিটার গভীর পর্যন্ত যেতে পারে। এই রোবটে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার থাকে, যা তথ্য বিশ্লেষণে বেশ দক্ষ। গবেষকেরা বলছেন, মৃত্যুকূপে এমনও জায়গা আছে যেখানে রোবট তেমন কোনো অক্সিজেনই পায়নি।
গবেষকেরা বলছেন, পরিবেশগত এই বিপর্যয় শুধু সেখানকার সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্যই হুমকি নয়। সেখানকার সমুদ্রের ওপর জীবন-জীবিকার জন্য নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জন্যও হুমকি।
গবেষক দলের প্রধান বাসতিন কুইস্ট বলেন, ওমান উপসাগরের এই এলাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মৃত্যুকূপ। এর জন্য দায়ী জলবায়ু পরিবর্তন। বিশ্বের যেকোনো সাগরে ২০০ থেকে ৮০০ মিটার গভীরতায় অক্সিজেন কম থাকে। কিন্তু মৃত্যুকূপে পানির এই গভীরতায় অক্সিজেনের পরিমাণ আরও কম।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আম্বার রাড পদত্যাগ করেছেন। ‘উইন্ডরাশ জেনারেশন’ বিতর্কে সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেছেন তিনি। অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতার বিষয়ে সরকারি কমিটিকে ‘অসাবধানতাবশত বিভ্রান্ত’ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গত ২৪ এপ্রিল যুক্তরাজ্যে আসা কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নাগরিকদের কোনো ডকুমেন্ট ছাড়াই ন্যূনতম ফি’র বিনিময়ে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেন আম্বার রাড। তিনি অভিবাসন সংক্রান্ত সরকারি কমিটিকে জানান, এ বিষয়ে তার কোনো জ্ঞান ছিল না। অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা দ্য গার্ডিয়ানকে রাড বলেছিলেন, ‘অভিবাসন কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কমনওয়েলথভুক্ত ক্যারিবীয় দেশগুলো থেকে আসা উইন্ডরাশ জেনারেশনের ল্যান্ডিং কার্ড ধ্বংসের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছিল সরকার। এ জন্যে উইন্ডরাশ জেনারেশনের কাছে ক্ষমাও চাইতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মে’কে।
উইন্ডরাশ জেনারেশন বিষয়ে সরকার ঘোষণা দেয় যে, ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৩ সাল সময়ে যুক্তরাজ্যে কর্মজীবন কাটিয়ে যারা নিজ দেশে ফেরত গেছেন তারাও চাইলে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিতে পারবেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার দলকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদির মুখোশ খুলে গেছে। মানুষ বুঝে গেছেন তার কথা আর কাজে কোনো মিল নেই। ২০১৯ সালে কংগ্রেস জিতছেই! কংগ্রেস তার শক্তি দেখিয়ে দেবে।’ রবিবার নয়াদিল্লির রামলীলা ময়দানে এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সেখানে রাহুল ছাড়া বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মননোহন সিং, সোনিয়া গান্ধী। খবর এনডিটিভির।
জনসভায় রাহুল আরো বলেন, মোদি যেখানেই যান দুর্নীতি দূর করার প্রসঙ্গ তোলেন। কিন্তু কাজে কতটা কী করেন তা সবাই দেখতে পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি বড় বড় শিল্পপতির ঋণ মওকুফ করে দেন, কিন্তু কৃষকদের এক পয়সাও ছাড়েন না। দেশে একের পর এক কৃষক আত্মহত্যা করছেন অথচ মোদি সে বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করলেন না।
শুধু তাই নয়, নীরব মোদি যে এত বড় কাণ্ড ঘটিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল তা নিয়েও দেশের ‘চৌকিদার’ চুপ।’ কেমন প্রধানমন্ত্রী তিনি, এমন প্রশ্নও তোলেন রাহুল। উন্নাও এবং কাঠুয়া কাণ্ড নিয়েও নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করেন রাহুল।
জনসভার আগে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে রবিবার নয়াদিল্লির রামলীলা ময়দানে র্যালি করেন তিনি।
আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে খাল পরিষ্কার কার্যক্রমে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছেন বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান…
অনলাইন ডেস্ক : এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘রাজনীতি করলে ব্যানার খুলে…
অনলাইন ডেস্ক : দক্ষিণ আফ্রিকার কুইনসটাউনের কাছে একটি বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন…