সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপি

রোনালদো নৈপুণ্যে রিয়ালের দারুণ জয়

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জ্বলে উঠলে রিয়াল মাদ্রিদ জিতবে, তা যেন অনেকটাই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। হয়েছেও তাই। শনিবার পর্তুগিজ তারকার জোড়া গোলে এইবারের বিপক্ষে দারুণ এক জয় পেয়েছে রিয়াল, ২-১ গোলে।

ম্যাচে একটু গুছিয়ে উঠতে সময় নিয়েছিল জিনেদিন জিদানের দল। ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল তারা। তবে এইবার গোলরক্ষক রুখে দিয়েছিলেন গ্যারেথ বলের সেই শট।

অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি রিয়ালকে। পরের মিনিটেই এইবার ডিফেন্ডার আরবিয়ার ভুলে গোল হজম করতে হয় এইবারকে। আরবিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে যান রিয়াল মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ। পেয়েই রোনালদোর কাছে ক্রসে বল পাঠান এই ক্রোয়েশিয় তারকা। নিচু শটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই খেলার সমতা আনে এইবার। কর্নার শট থেকে দারুণ হেডে দলকে লড়াইয়ে ফেরান সার্জিও রামিজ।

রোনালদোকে হতাশ করে দিয়ে ৪২ মিনিটে গোলরক্ষক দিমিত্রোভিচ আরেকবার রক্ষা করেন এইবারকে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাদ্রিদ তারকার শট আটকে দিয়েছিলেন এই সার্বিয়ান। ৫২ মিনিটে আবারো এইবার বেঁচে যায় গোলরক্ষকের কল্যাণে। বেলের পাস থেকে রোনালদোর গোল ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকান দিমিত্রোভিচ।

৮৪ মিনিটে আবারো নিজেদের ভুলে গোল হজম করে এইবার। রিয়ালের জয়সূচক গোলটি আসে রোনালদোর হেড থেকেই। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলের সঙ্গে চলতি মৌসুমের এই ফরোয়ার্ড তুলে নেন নিজের ১৮তম গোল। আর এই দুই গোলে শেষ সাত ম্যাচে রোনালদো পেলেন নিজের ১৩তম গোল।

এইবারের মাঠে পাওয়া জয়ে পয়েন্ট টেবিলেও অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে এনেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এক ম্যাচ কম খেলে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে অ্যাথলেটিকো আছে দ্বিতীয় স্থানে। আর ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমসিকিউ থাকা না থাকা নিয়ে পরীক্ষার্থীসহ ৪ কোটি শিক্ষার্থী উৎকণ্ঠায়

অনলাইন ডেস্ক: চলতি শিক্ষাবর্ষের প্রায় আড়াই মাস হতে চলল। অথচ চূড়ান্ত পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) থাকবে কি না সেই সিদ্ধান্ত এখনো জানাতে পারেনি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ কারণে আগামী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রায় ৭০ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা চরম উৎকণ্ঠায় আছেন। কেননা এই পাবলিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি শুরু করতে হয় আগেভাগেই।

তা ছাড়া এই পাবলিক পরীক্ষাকে ভিত্তি করেই অন্যান্য শ্রেণির পরীক্ষায় প্রশ্ন তৈরি ও নম্বর বিভাজন করা হয়। যদি পাবলিক পরীক্ষার এমসিকিউতে কোনো পরিবর্তন আসে, তাহলে সব শ্রেণির পরীক্ষায়ই সেই পরিবর্তন আসবে। সেই হিসাবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সব মিলিয়ে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীই তাদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় এমসিকিউ থাকা না থাকা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া এবারের এইচএসসি পরীক্ষা আপাতত এ আলোচনার বাইরে।

এদিকে শিক্ষাবর্ষের প্রায় আড়াই মাসেও প্রশ্ন ও নম্বর বণ্টন চূড়ান্ত না হওয়ায় এখনো এসংক্রান্ত গাইডলাইন পাননি শিক্ষকরা। এ কারণে শিক্ষকরাও ক্লাসে সঠিকভাবে পাঠদান করতে পারছেন না বলে জানা গেছে।

শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এবারের এসএসসি পরীক্ষার প্রায় প্রতিটি বিষয়েই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ছিল। রচনামূলক অংশের প্রশ্ন ফাঁস না হলেও এমসিকিউ প্রশ্ন পাওয়া গেছে প্রতিটি পরীক্ষার আগেই। তাই আগামী বছর থেকে এসএসসিতে এমসিকিউ উঠিয়ে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ পরিস্থিতিতে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সভায় পিইসি পরীক্ষা থেকেও এমসিকিউ উঠিয়ে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়; যদিও গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) চলতি বছরের পিইসি পরীক্ষার যে চূড়ান্ত নম্বর বিভাজন প্রকাশ করে, তাতে এমসিকিউ রাখা হয়। ছয়টি বিষয়ের মধ্যে বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ২০, গণিতে ২৪, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ে ৫০, প্রাথমিক বিজ্ঞানে ৫০ ও ধর্ম বিষয়ে ৫০ নম্বরের এমসিকিউ থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে ওই নম্বর বিভাজনে। কিন্তু এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

২৫ ফেব্রুয়ারির সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছিলেন, ‘পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ তুলে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে। নকলমুক্ত সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজন করতে সব চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে পরীক্ষা নিয়ে কোনো বিতর্ক না হয়।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন ফাঁস দেখে শঙ্কিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের ধারণা, এভাবে চলতে থাকলে পিইসি পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস হতে পারে। যেহেতু এমসিকিউ প্রশ্নই ফাঁস হচ্ছে, তাই মন্ত্রণালয় পিইসি পরীক্ষা থেকেও তা তুলে দিতে চাচ্ছে।

রাজধানীর মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রিফাতের বাবা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘পিইসি পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীকে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিতে হয়। কারণ এখানেও তো জিপিএ ৫ আছে। আমরা এমসিকিউ ধরে নিয়েই বাচ্চাকে লেখাপড়া করাচ্ছি। অথচ এখন আবার বলা হচ্ছে এমসিকিউ থাকবে না। শিক্ষকরাও ঠিকমতো বলতে পারছেন না। তাহলে আমরা এখন কী করব?’

একই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাজনীন আক্তার বলেন, ‘যদি এমসিকিউ না থাকে, তাহলে রচনামূলকের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। হয়তো রচনামূলকে নম্বর বাড়বে অথবা প্রশ্ন বাড়বে। কোনো একটি প্রশ্নে নম্বর বাড়লে সেটা আরো বিস্তারিতভাবে লিখতে হবে। আবার প্রশ্ন বাড়লে সেটাও যথাসময়ে শেষ করতে হবে। বাচ্চাদের তো এটা শেখাতে হবে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিইসি পরীক্ষা থেকে এমসিকিউ বাদ দিয়ে কী ধরনের প্রশ্ন যুক্ত হবে, তা ঠিক করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও নেপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর পর শিগগিরই বৈঠক করে এমসিকিউ তুলে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় এই পরীক্ষায় আরো কয়েকটি পরিবর্তন আসতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

আবার আগামী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের একাধিক অভিভাবক ২০১৯ সালের ওই পরীক্ষায়ও এমসিকিউ থাকবে কি না জানতে চেয়েছেন। কেননা এবারের এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে এমসিকিউয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন। তা ছাড়া গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এমসিকিউ তুলে দেওয়ার ইঙ্গিত দেন।

এ ব্যাপারে অভিভাবকরা বলছেন, এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি মূলত নবম শ্রেণি থেকেই শুরু হয়। কারণ নবম-দশম শ্রেণিতে একই বই। আগামী বছরে যারা এসএসসি পরীক্ষার্থী, তাদের নবম শ্রেণির প্রতিটি পরীক্ষায় এমসিকিউ ছিল। তাদের জন্য হঠাৎ করেই তা উঠিয়ে দিলে ফল ভালো হবে না। তাই যদি এসএসসির এমসিকিউয়ের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তাহলে যারা আগামী বছর নবম শ্রেণিতে উঠবে তাদের জন্য নিতে হবে।

এদিকে এসএসসি ও পিইসি পরীক্ষার এমসিকিউ উঠিয়ে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনার মধ্যে দোলাচলে ভুগছে জেএসসি পরীক্ষার্থীরাও। কেননা ওই দুই পাবলিক পরীক্ষায় এমসিকিউ উঠে গেলে জেএসসি থেকেও উঠে যাবে। কিন্তু শিক্ষাবর্ষের প্রায় আড়াই মাসেও এ ব্যাপারে চূড়ান্ত কোনো নির্দেশনা নেই জেএসসির শিক্ষার্থীদের কাছে।

ফলে আগামী পিইসি ও সমমানের প্রায় ৩০ লাখ, জেএসসি ও সমমানের ২১ লাখ এবং এসএসসি ও সমমানের প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থীর সবাই এমসিকিউ নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছে।

রাজধানীর কিশলয় বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. রহমত উল্লাহ্ বলেন, ‘আমাদের কাছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা প্রায়ই জানতে চাচ্ছে পরীক্ষায় এমসিকিউ থাকবে কি না? কিন্তু আমরা কোনো সদুত্তর দিতে পারছি না। আমি মনে করি, শিক্ষাবর্ষের মাঝামাঝি হুট করে কোনো পরিবর্তন করা উচিত নয়। এমসিকিউ উঠিয়ে দিতে হলে সুবিধা-অসুবিধা ভালোভাবে ভেবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা করেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, তা সব সময় শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই নিতে হবে। সেটা না করলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ বলেন, ‘এমসিকিউ চালু করা হয়েছিল পুরো বইটাকে পড়ার জন্য। কিন্তু এর সুযোগ কেউ কেউ অন্যভাবে নিচ্ছে। তাই তা তুলে দেওয়া হবে কি না সে ব্যাপারে শিগগিরই শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব।’

এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীও এ ব্যাপারে তাঁর নিজস্ব মত তুলে ধরেছেন উল্লেখ করে মুফাদ আহমেদ বলেন, ‘এমসিকিউ তুলে দেওয়া হলে এর বিকল্পটা কী হবে, সেটা নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে। আর শিক্ষার্থীদের সময় দেওয়ার ব্যাপারটাও আমাদের মাথায় আছে। কোন বছর থেকে নতুন পদ্ধতি চালু হবে, তা-ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৫ বলের দুর্দান্ত ইনিংস ৩৫ দিন বয়সী ছেলেকেই উৎসর্গ করলেন মুশফিক

সম্প্রতি হারতে হারতে খাদের কিনারায় চলে যাওয়া মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদের দলের জন্য প্রয়োজন ছিল একটি জয়ের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গতকাল নিদাহাস ট্রফির মঞ্চে ধরা দিল সেই জয়। আত্মবিশ্বাস ফেরানো এক জয়। শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২১৫ রানের টার্গেটে ২ বল এবং ৫ উইকেট হাতে রেখেই পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। এটিই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। যে জয়ে শেষের নায়ক হয়ে থাকলেন মি. ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম।

মুশফিকের ঘরে কদিন আগেই এসেছে এক ফুটফুটে ছেলে সন্তান। ম্যাচ সেরা মুশফিক ঐতিহাসিক এই জয় নিজের ৩৫ দিনের পুত্র সন্তান শাহরুজ রহিম মাইয়ানকে উৎসর্গ করছেন তিনি। ম্যাচশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নিজ পরিবারের নতুন অতিথিকে তার ইনিংসটি উৎসর্গ করে মুশফিক বলেন, ‘আমি ইনিংসটা আমার ছেলেকে উৎসর্গ করছি। তার বয়স মাত্র ৩৫ দিন।’

মুশফিকের ব্যাটে চড়েই প্রেমাদাসায় অবিশ্বাস্যভাবে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২১৫ রানের রেকর্ড তাড়া বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসেরই প্রথম। মুশফিক করেন ৩৫ বলে ৭২ রান, যার মধ্যে ছিল ৪টি বাউন্ডারি আর ৫টি ছক্কার মার।

ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে এসে তামিম ইকবাল বলে গেলেন, এই জয়টা বড্ড দরকার ছিল। প্রমাণ করা দরকার ছিল বাংলাদেশ যেভাবে খেলছে, এতটা খারাপ তারা নয়। নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ রাখার সঙ্গে সঙ্গে আসলে আরো একটা ব্যাপারও পরিষ্কার করে দিয়েছেন তামিম-মুশফিকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার জামিনের সিদ্ধান্ত আজ

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে হাইকোর্ট আদেশ দেবেন আজ। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেবেন।
এ জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে আজকের কার্যতালিকায় আবেদনটি এক নম্বরে রাখা হয়েছে। এ মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন। খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আদালত কী আদেশ দেন, এতে তিনি কারামুক্ত হতে পারবেন কিনা তা জানতে সবাই আদালতের দিকে তাকিয়ে আছেন।

হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে নথি আসার সময়সীমা শেষ হয়েছে বিষয়টি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতের নজরে আনেন গত বৃহস্পতিবার। পরে আদালত জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য রোববার (আজ) দিন ধার্য করেন। এরপর থেকেই সবার অপেক্ষা বাড়ছে। বিচারপতিরা কী আদেশ দেবেন তা জানতে দলের নেতাকর্মীসহ অনেক মানুষ উন্মুখ হয়ে আছেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলেছেন, এ মামলায় জামিন হবে বলে তারা আশাবাদী। দুদকের মামলায় ৫-১০ বছরের সাজা হলেও আসামির জামিনের নজির আছে। অন্য কোনো মামলায় যদি নতুন করে গ্রেফতার দেখানো না হয় তবে জামিন পেলে খালেদা জিয়ার কারা মুক্তিতে বাধা নেই বলেও তারা জানান। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদালত কী আদেশ দেন তা কালই (আজ) জানা যাবে। নথি আসার সময় এখনও শেষ হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন শুক্র ও শনিবার কার্যদিবসের হিসাব থেকে বাদ দেয়া হলে ১৫ দিন শেষ হবে আগামী বৃহস্পতিবার। আর যদি শুক্র ও শনিবার ধরে হিসাব করা হয় তবে মেয়াদ শেষ হবে কাল (আজ)।

জানা গেছে, মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানোর আদেশ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতে পৌঁছেছে। সে মোতাবেক ১৫ দিন শেষ হবে আজ। এ প্রসঙ্গে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর পেশকার মোকাররম হোসেন বলেন, বিচারিক নথি রোববার (আজ) হাইকোর্টে পাঠানো হচ্ছে। তিনি বলেন, নথি প্রস্তুতের আনুষঙ্গিক কাজগুলো করা হচ্ছে। রোববার এ মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। আপিল আবেদনে নিু আদালতের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে ৪৪টি যুক্তি দেখানো হয়। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারিক আদালতের দণ্ড স্থগিত চাওয়া হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিচারিক আদালতের দেয়া জরিমানার আদেশও স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া আপিল বিচারাধীন থাকাবস্থায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন ২৫ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য রাখেন আদালত। আদেশে এ মামলায় বিচারিক আদালতের নথি তলব করে ১৫ দিনের মধ্যে তা হাইকোর্টে পাঠাতে সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শেষে আদালত বলেছিলেন বিচারিক আদালতের নথি আসার পর আদেশ দেবেন।

জামিন বিষয়ে খালেদা জিয়ার প্যানেল আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমরা শুনেছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্য কোনো মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাবেন না। আমরাও আশা করছি তাই।’ তিনি বলেন, দুদক যেহেতু সাজা বৃদ্ধির কোনো আবেদন করেনি সেহেতু আমরা আশা করছি খালেদা জিয়ার জামিন হলে তারা (দুদক) আপিলে যাবে না। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া জামিন পাওয়ার যোগ্য।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. আক্তারুজ্জামানের আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই আদালত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় আসামির সবাইকে মোট ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এ অর্থ দণ্ডের টাকা প্রত্যেককে সমান অঙ্কে প্রদান করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। রায়ের পর থেকে কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া। বিচারিক আদালতের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পাওয়ার পর ৩২টি যুক্তি দেখিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন দেয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর বয়স ৭৩ বছর। তিনি শারীরিকভাবে বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। তিনি ৩০ বছর ধরে গেঁটেবাত, ২০ বছর ধরে ডায়াবেটিস, ১০ বছর ধরে উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে আয়রন ঘাটতিতে ভুগছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমস্যা যখন সাইনোসাইটিস

নাক ও চোখের চার পাশের হাড়ের ভেতর বায়ুপূর্ণ কুঠুরিকে সাইনাস বলে। এদের কর্মক্ষম থাকার জন্য স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকা জরুরি। এটি বাধাগ্রস্ত হলে সাইনাসে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাইনাসের অপারেশনের প্রয়োজন হয়।

এন্ডোসকপিক সাইনাস সার্জারি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি। প্রচলিত সাইনাস ওয়ান পদ্ধতিতে প্রবাহধারা বজায় রাখার জন্য কৃত্রিম পথ সৃষ্টি করা হয়, যা কার্যকরী নয়।

আধুনিক পদ্ধতি : এতে ব্যথানাশক ওষুধ দিয়েও হালকা ঘুম পাড়িয়ে নাকের ভেতর অবস ও অপারেশন করা যায়। এতে জীবনের কোনো ঝুঁকি নেই ও জটিলতা সামান্য। উন্নত বিশ্বে দীর্ঘদিনের সাইনোসাইটিস ও নাকের পলিপ অপারেশনের জন্য এন্ডোসকপিক সাইনাস সার্জারি একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

এতে মুখমণ্ডলে কোনো দাগ পড়ে না। তবে এ সার্জারির জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। রোগীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করাও অপারেশনের জটিলতা এড়ানোর পূর্ব শর্ত। অজ্ঞান করতে হাইপোটেনসিভ এনেসথেসিয়া প্রয়োজন।

এন্ডোসকোপের মাধ্যমে নেত্রনালি, চোখ, চোখের স্নায়ু, মস্তিষ্কের হাড় ও পিটুইটারি গ্রন্থিতে পৌঁছানো সম্ভব। বর্তমানে বাংলাদেশে এ অপারেশন সফলভাবে হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাগআঁচড়ায় দিনব্যাপী বিশেষ ডেন্টাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি : শার্শার বাগআঁচড়ায় দিন ব্যাপী বিশেষ ডেন্টাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে বাগআঁআচড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও চেয়ারম্যান ইলিয়াছ কবির বকুল।

দিন ব্যাপী বিশেষ ডেন্টাল ক্যাম্পেইনে উক্ত বিদ্যালয়ের ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর দাঁতের পরীক্ষা করেন কনসালটেন্ট ডেন্টাল সার্জন ডাঃ মুনজুরুল আহসান মুন ও ডেন্টাল সার্জন ডাঃ সৌরভ বিশ্বাস।

আয়োজনে ছিলেন শার্শা প্রেসক্লাব ও বুরুজবাগান জেনারেল হাসপাতাল (প্রাঃ) লিমিটেড।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শার্শা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা প্রবিন সাংবাদিক রবিউল হোসেন, সভাপতি মুন্নাফ খোকন, সিনিয়র সহ সভাপতি হেদায়েত উল্লাহ, বুরুজবাগান জেনারেল হাসপাতাল (প্রাঃ) লিমিটেডের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রাজু আহমেদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লেবু চা খাওয়ার উপকারিতা

স্বাস্থ্য ও জীবন: মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে শরীরের প্রায় প্রতিটি ভাইটাল অর্গ্যানের কর্মক্ষমতা বাড়াতে লেবু চায়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। লেবুর একাধিক কার্যকরী উপাদান আমাদের শরীরে প্রবেশ করা মাত্র নিজেদের খেল দেখাতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে আমাদের দেহের সচলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের প্রকোপও হ্রাস পেতে থাকে। আসুন, জেনে নিই বিস্তারিত …

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : ভিটামিন সি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে লেবুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পারছেন লেবু এবং ত্বকের সৌন্দর্যের মধ্যে সম্পর্কটা কোথায়! একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লেবু চা খেলে ব্রণর প্রকোপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা মুছে গিয়ে ত্বকের বয়সও হ্রাস পায়।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : মলিকিউলার নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড রিসার্চের প্রকাশ করা একটা রিপোর্ট অনুসারে লেবুতে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড রক্তে লিপিডের পরিমাণ কমায়, সেই সঙ্গে আর্টারিতে যাতে কোনও ভাবেই ব্লাড ক্লট না করে সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়।

শরীরকে বিষমুক্ত করে : খাবারের সঙ্গে এবং আরও নানাভাবে একাধিক ক্ষতিকর উপাদান প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে প্রবেশ করে চলেছে। আর রক্তে মিশতে থাকা এইসব টক্সিক উপাদান শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। তাই এ বিষয়ে সাবধান থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। আজ থেকেই দিনে কম করে দুবার লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুন, তাহলেই উপকার পাবেন। কারণ এই পানীয়টি টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে দ্রুত বার করে দিয়ে দেহকে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় : লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড হজমে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে কিডনি স্টোনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়। এখানেই শেষ নয়, খাবার উপস্থিত নানাবিধ পুষ্টকর উপাদান যাতে শরীরের ঠিক মতো কাজে আসতে পারে সেদিকেও লেবু চা বিশেষ খেয়াল রাখে।

ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমায় : খুব ঠাণ্ডা লেগেছে? সঙ্গে নাক দিয়ে অঝোরে ঝরছে পানি? তাহলে এক্ষুনি এক ফ্লাক্স লেবু চা বানিয়ে রেখে দিন, আর দিনে কম করে ২-৩ বার পান করুন, দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ লেবু আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। সেই সঙ্গে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াদের প্রকোপ কমিয়ে এমন ধরনের শারীরিক সমস্যাকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে লেবু চায়ে অল্প করে আদা মিশিয়েও খেতে পারেন। এমনটা করলে আরও দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

আয়রণের ঘাটতি দূর করে : সরাসরি না হলেও লেবু চা, দেহের ভেতরে আয়রনের ঘাটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে লেবুর ভেতরে থাকা ভিটামিন সি শরীরে আয়রনের শোষণ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজটির ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে কমে অ্যানিমিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও।

ওজন হ্রাসে সাহায্য করে : অতিরিক্ত ওজনের কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে নিয়মিত লেবু চা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। আসলে এই পানীয়টি খাওয়া মাত্র হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। ফলে দেহের ইতি-উতি মেদ জমার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক : লেবুতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল প্রপাটিজ রয়েছে, যা প্রতিনিয়ত নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়াল অথবা ভাইরাল ইনফেকশনের শিকার হয়ে থাকেন, তারা নিয়মিত লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়ে : জার্নাল অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্টির করা এক গবেষণা অনুসারে লেবুর রস আমাদের শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ইনসুলিনের অ্যাকটিভিটি বেড়ে যায়। ফলে শর্করা ভেঙে এনার্জির ঘাটতি পূরণ হয়। সেই সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তৃতীয় সন্তানের বাবা হলেন মেসি

তৃতীয় সন্তানের বাবা হলেন লিওনেল মেসি। শনিবার তার স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জা ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। শনিবার লা লীগায় মালাগার বিপক্ষে ম্যাচে ‘ব্যক্তিগত কারণে’ মেসি খেলবেন না বলে আগেই জানায় বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ।

পরে ইনস্টাগ্রামে খুশির খবর দিয়ে মেসি লেখেন, ‘স্বাগত সিরো! সবকিছু ঠিকভাবে হওয়ায় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।

সে ও তার মা ভালো আছে। আমরা খুবই খুশি।’ গত মাসে মেসি তার তৃতীয় ছেলে সন্তানের নাম ‘সিরো’ হবে জানিয়েছিলেন। গত বছর দীর্ঘদিনের বান্ধবী রোকুজ্জার সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন মেসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest