সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধানসাতক্ষীরায় যানজট নিরসনকল্পে সভা : একগুচ্ছ পদক্ষেপে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনার আশাবাদশ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!এনসিপির সমাবেশে হামলা নিয়ে নাহিদের বক্তব্য রাজনৈতিক: ডা. জাহেদতালায় নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশগাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণমজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভসাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখম

যেসকল খাবার এবং পানীয় কোনোদিন আপনার লিভার খারাপ হতে দেবে না!

১. রসুন
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত সকালবেলা, খালি পেটে এক কোয়া করে রসুন খাওয়া শুরু করলে লিভারের অন্দরে উপস্থিত টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এই প্রাকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত অ্যালিসিন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. বিট
শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকারক কার্সিনোজেনের কারণে অনেক সময়ই লিভার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে নানাবিধ লিভারের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। এমনটা আপনার সঙ্গেও ঘটুক, তা যদি না চান, তাহলে নিয়মিত বিটের রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। আসলে বিটের অন্দরে উপস্থিত বিটালেনস নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, দেহের অন্দরে জমতে থাকা ক্ষতিকর উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে লিভারের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৩. ব্রকলি
এই সবজিটির অন্দরে উপস্থিত আইসোথিয়োসায়ানেট নামক উপাদান দেহের অন্দরে প্রদাহের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, ইলিনোস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার’ এর মতো রোগকে দূরে রাখতে ব্রকলির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই লিভারকে যদি সুস্থ রাখতে হয়, তাহলে সপ্তাহে ৩ দিন ব্রকলি খেতে ভুলবেন না যেন!

৪. পাতি লেবু
মৌসাম্বির মতো লেবুও একটি সাইট্রাস ফল, যাতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বায়োফ্লেবোনাইডস। এই উপাদানগুলি লিভারকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি শরীরের অন্দরে যাতে অক্সিডাইজ ড্য়ামেজ বেশি মাত্রা না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে।

৫. কাঁচা আম
বেশ কিছু গবেষণায় দেখে গাছে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে কাঁচা আমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, লিভার এবং গল ব্লাডারের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. আপেল
কথাতেই আছে , ‘প্রতিদিন যদি একটা করে আপেল খাওয়া যায়, তাহলে কোনও দিন চিকিৎসকের মুখ দেখতে হয় না।’ কথাটা কোনও অংশে ভুল নয়। আসলে আপেলে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান লিভারের অন্দরে যাতে কোনও ক্ষত সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজর রাখার পাশাপাশি সার্বিকবাবে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়তেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৭. গাজর
ক্যারোটিনয়েড নামে একটি অতি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে গাজরের শরীরে, যা দেহের ইতিউতি ঘুরে বেড়ানো ফ্রি র‌্যাডিকাল বা টক্সিক উপাদনদের কোনো অঙ্গের ধারে কাছে যেতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, কোনও অরগ্যানেরই ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

প্রসঙ্গত, বেশ কিছু পানীয়ও আছে, যেগুলি নিয়মিত খেলে লিভারের রোগে ভোগার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। যেমন ধরুন…

১. পিপারমেন্ট টি
রাতে একটু বেশি খাওয়া হয়ে গেছে? কেমন হাঁসফাঁস করছে শরীরটা। চিন্তা নেই। এক কাপ পিপারমেন্ট চা খেয়ে নিন না, দেখবেন সমস্য়া কমে যাবে। সেই সঙ্গে লিভারের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে।

২. লেবুর জল
লিভারকের ভালো রাখতে এটি আরেকটি কার্যকরি পানীয়। লেবুর জলে, লিভারের জন্য় উপকারি বেশ কেয়কটি নিউিট্রয়েন্টস থাকে। তাই এই পানীয় যদি রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে খাওয়া যায় তাহলে লিভার পরিষ্কার থাকে। সেই সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতাও বাড়ে।

৩. ক্যামোমিল চা
এই চায়ে প্রচুর পরিমাণে সেসকুইটারপেন ল্য়াকটোন নামে এর ধরনের উপাদান থাকে, যা লিভারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার প্রক্রিয়াটিকে ঠিকভাবে চালাতে সাহায্য় করে।

৪. গোলাপ চা
এই চা রোজ খেলে লিভার তো ভালো থাকেই, সেই সঙ্গে স্ট্রেস এবং ডিপ্রেশন কমিয়ে রাতের ঘুম যাতে ভালো হয় সেদিকেও খেয়াল রাখে এই পানীয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুরনো সমরাস্ত্র বিভিন্ন দেশকে দেবে ভারত

ভারতের সামরিক বাহিনী ব্যবহারের পর বিভিন্ন পুরনো অস্ত্র পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে বিভিন্ন মিত্র দেশকে উপহার দেবে দেশটি। এজন্য ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জামের তালিকা করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

ব্যবহার করা সমরাস্ত্র ঠিক করে সেগুলো সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে বিভিন্ন দেশকে উপহার দেয়া হবে। ওইসব অস্ত্রের মজুতের তালিকা চূড়ান্ত হলে ন্যূনতম খরচে সেগুলো মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত ভারত তার ব্যবহৃত এমআই-২৫ হেলিকপ্টার ও দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একাধিক ভেসেল, জাহাজ বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশকে দিয়েছে।

সমরাস্ত্র সহায়তা দিয়ে দুটি সুবিধা লাভ করতে চায় ভারত। এর একটি হলো তাদের সঙ্গে গভীর কৌশলগত সম্পর্ক তৈরি করা যাবে, অন্যদিকে তেমন প্রশিক্ষকদের দল পাঠানো, ভারতে এসে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ দেয়া, রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যন্ত্রাংশ সরবরাহ করার মতো মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকে রাখার পথ তৈরি হবে।

হেলিকপ্টারগুলো দেয়া হয়েছে আফগানিস্তানকে। বাকি যেগুলো দেয়া হবে তার মধ্যে রয়েছে কামান, আর্মার্ড ভেহিকেল, হেলিকপ্টার, টহল নৌযান এবং রাডার সিস্টেম।

উপহার হিসেবে সামরিক সহায়তা চাওয়া এসব দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত মহাসগর অঞ্চল, আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ। তাদেরকেই এসব দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসরাইলের গুলি: ৩ ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ৯০০

ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভে আবারো গুলি চালিয়েছে দখলদার ইসরাইলি সেনারা। গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায় এ হামলায় অন্তত ৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯শ’ জন।

জানা গেছে, শুক্রবার ৫ম দিনের মতো নিজের জন্ম ভূমিতে ফেরার দাবিতে বিক্ষোভ করে ফিলিস্তিনিরা। ইসরাইলি সৈন্যরা এ বিক্ষোভে গুলি চালায়। এতে ৩ ফিলিস্তিনি নিহত হন।

এদিকে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর হত্যা-নির্যাতন বন্ধ করতে আহবান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান জেইদ রাদ আল হোসেইন। দখলদার ইসরাইলি সৈন্যরা জাতিসংঘের এ আহবান অগ্রাহ্য করেই শুক্রবার আবারো বিক্ষোভে গুলি চালিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ মার্চ থেকে গাজার সীমান্তবর্তী এলাকায় নিজেদের অধিকার ফিরে পাবার দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছে ফিলিস্তিনিরা। এসব বিক্ষোভে ইসরাইলি সৈন্যদের গুলিতে এ পর্যন্ত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল; ভোটে নয়, সিলেকশনে হবে আগামীর নেতৃত্ব

অনলাইন ডেস্ক: দক্ষ, যোগ্য ও মেধাবী নেতৃত্ব আনার লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ছাত্রলীগে ভোট প্রক্রিয়া চালু হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পরামর্শেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। গত তিনটি সম্মেলনে এভাবেই ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হয়। সারাদেশ থেকে আসা কাউন্সিলরা এই ভোটে অংশ নেন। তবে যে লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল তা গত তিনটি কমিটি তা পূরণ হয়নি বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। দলীয় সভাপতিও তেমনটাই মনে করেন বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে। ফলে ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচনে আবার সিলেকশন পদ্ধতির দিকে ফিরে যাওয়া হচ্ছে। আসন্ন ২৯তম সম্মেলন থেকেই এটা কার্যকর হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বড় একটি অংশও ভোট বিরোধী। ওই অংশটি গত তিনটি কমিটির কার্যক্রম তুলে ধরে ভোটে নেতা নির্বাচনের নানা কুফল শেখ হাসিনার সামনে তুলে ধরেন। তারা মনে করে, ভোট প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ভোটের সুযোগটি কাজে লাগিয়ে নানা কৌশলে ব্যর্থ নেতৃত্ব বের করে আনা হয়েছে। তাই ভোট প্রক্রিয়া আপাতত বাদ দিতে আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়েছেন।
আগামী ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
পারিবারিকভাবে যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, পরিবার থেকেই মুজিব আদর্শে অনুপ্রাণিত, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ এবং শিক্ষিত মার্জিত ছেলে মেয়েদেরকেই নেতা হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এসব যোগ্যতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া নয়, এমন কেউ পাওয়া গেলেও নেতা হওয়ার সুযোগ থেকে যাবে।
জানা গেছে, ভোট পদ্ধতিতে ব্যর্থ নেতৃত্ব বেরিয়ে আসার ফলে এখন বাধ্য হয়েই ভোট প্রক্রিয়া থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারকরা। সংগঠনে গণতন্ত্রের চর্চা করতে ভোট প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেও নেতৃত্ব নির্বাচনে গত তিনটি সম্মেলনে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না আসায় আবারও সিলেকশন পদ্ধতিতে ফিরে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড।
আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা জানিয়েছেন, এবারের সম্মেলনে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোট প্রক্রিয়া আর থাকছে না। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেকশনে পদ্ধতি এই সংগঠনের নেতা বের করে আনবেন।
আরও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, সর্বশেষ দু’টি সম্মেলনে ভোটে নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কলুষিত করা হয়েছে। দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের বদৌলতে অদক্ষ, অযোগ্য, অসাংগঠনিক, ভিন্ন চিন্তা-চেতনা এবং ভিন্ন আদর্শের ছেলেরা ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচিত হয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে নানা দুঃষ্কর্মের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। অনুপ্রবেশের সুযোগটিও ভোট প্রক্রিয়ার ফলে এসেছে। তাই আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ে এবার ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন না করার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর তিন জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বলেন, ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচন এবার ভোটে হবে না। দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ করে প্রস্তবিত নামগুলো নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে দুই জন নেতা নির্বাচন করবেন। তাদের হাতে সংগঠনের দায়িত্ব অর্পণ করবেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই সদস্য বলেন, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগ কোনও ভূমিকা পালন করতে পারেনি। বরং ছাত্রলীগই এই আন্দোলনে ইন্ধন যুগিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শেখ হাসিনা মনে করেন, দুর্বল নেতৃত্ব থাকার কারণে এই আন্দোলনে ছাত্রলীগের কোনও নিয়ন্ত্রণ ছিল না। বিষয়টি শেখ হাসিনাকে হতাশ করেছে।
ওই দুই নেতা আরও বলেন, শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছন ভোটের সুযোগ নিয়ে দুর্বল নেতারা নেতৃত্বে এসেছে। অনুপ্রবেশের সুযোগটিও এসেছে ভোট পদ্ধতিতে। তাই এ পদ্ধতি আপাতত স্থগিত করতে তিনি ইতিমধ্যেই সম্মত হয়েছেন।
শেখ হাসিনা এবার ছাত্রলীগের সম্মেলন দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন কেন্দ্রের অনেক নেতাকে। তাদের কাছে ইঙ্গিত রয়েছে ছাত্রলীগের এবারের নেতা নির্বাচিত হবে সিলেকশনে। শেখ হাসিনা নিজেই এবার নেতা সিলেকশন করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বড়’ শিশু বলিদান ঘটনার সন্ধান

মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ শিশু বলিদানের ঘটনার সন্ধান পেয়েছেন পুরাতাত্ত্বিকরা। পেরুর উপকূলবর্তী উত্তর অঞ্চলে ৫৫০ বছর আগের এ ঘটনায় একসঙ্গে ১৪০ জন শিশুকে বলি দেওয়া হয়।

প্রাচীন চিমু সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু, যা আধুনিক যুগে ত্রুহিয়ো নামে পরিচিত, এ অঞ্চলের পাশে ঘটনাটির সন্ধান পেয়েছেন পুরাতাত্ত্বিকরা।

শিশুদের সঙ্গে স্থানীয় ভিত্তিতে লামা পরিচিত ২০০ পশুকেও বলি দেওয়া হয়।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির অর্থায়নে পরিচালিত এ উদ্ভাবন/গবেষণা প্রক্রিয়া নিয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

গবেষক দলের অন্যতম সদস্য জন ভেরানো বলেন, ‘আমি কখনোই এটা আশা করিনি। আর আমি মনে করি না অন্য কেউ এ রকম কিছু আশা করত।’

২০১১ সালে সাড়ে তিন হাজার প্রাচীন একটি উপাসনালয় খননকাজ করতে গিয়ে এ রকম মানব বলিদানের ঘটনা প্রথম পাওয়া যায়। হুয়ানচাকিতো-লাস লামা নামের জায়গায় ৪০ জন মানুষ ও ৭৪টি লামাকে বলি দেওয়ার ঘটনা ছিল সেটি।

ন্যাশন্যাল জিওগ্রাফিক জানায়, চলতি সপ্তাহে ঘোষণা করা তালিকায় দেখা যায়, ১৪০ জন শিশুর সবার বয়স পাঁচ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে বেশির ভাগের বয়স আট থেকে ১২ বছর।

হাড়ে কাটা দাগ থাকার কারণে বোঝা যাচ্ছে শিশু বলিদানের শিকার। বুকের মধ্যস্থলের হাড়েও কাটা দাগ রয়েছে। এ ছাড়া পাঁজরের অনেক হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় হৃৎপিণ্ড বের করে ফেলা হয়েছিল।

এ ছাড়া অনেক শিশুর শরীরে উজ্জ্বল লাল রঞ্জক লাগানো হয়েছিল, এটা বলিদানের রীতির অংশ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

লামাগুলোর ভাগ্যেও একই পরিণতি জুটেছে, যাদের বয়স ছিল ১৮ মাসের কম। আন্দিস পর্বতমালায় পূর্ব দিকে মুখ করে এদের সমাহিত করা হয়।

আরেক নেতৃস্থানীয় গবেষক গ্যাব্রিয়েল প্রিয়েতো বলেন, ‘লোকজন যখন এটা শুনল এবং এর ভয়াবহতার মাত্রা টের পেল, সবসময় তাদের জিজ্ঞাসা ছিল কেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রিভিউ কমিটির অনুমতি পেল মিম-জিৎ’র সুলতান

যৌথ প্রযোজনার ছবি হিসেবে প্রিভিউ কমিটির অনুমতি পেয়েছে বিদ্যা সিনহা মিম ও জিৎ’এর ছবি ‘সুলতান: দ্য সেভিওর’। বাংলাদেশ থেকে ছবির প্রযোজনা করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতা থেকে জিৎ’স ফিল্ম ওয়ার্কস। সব ঠিক থাকলে রোজার ঈদে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রিভিউ কমিটির সদস্য মুশফিকুর রহমান গুলজার জানান, গত মঙ্গলবার প্রিভিউ কমিটি থেকে ‘সুলতান: দ্য সেভিওর’ ছবিটির শুটিংয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

‘সুলতান: দ্য সেভিওর’ ছবিটি পরিচালনা করছে কলকাতার পরিচালক রাজা চন্দ। সম্প্রতি ছবির ‘মাশা আল্লাহ’ শিরোনামের একটি গানের টিজার প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিতে জিৎ’র প্রথম ঝলক প্রকাশ করা হয়েছে। ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে কলকাতার অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তারা আমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করতে চেয়েছিল-শামির স্ত্রী হাসিন

ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ শামির স্ত্রী হাসিন জাহান একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি শামির বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা, সহিংসতা থেকে শুরু করে খুনের অভিযোগ পর্যন্ত এনেছিলেন। এবার তার নিজের পরিস্থিতিকে গণধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশুর সঙ্গে তুলনা করলেন।

গত জানুয়ারিতে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া শহরে ৮ বছরের একটি শিশুকে ৫ দিন মন্দিরে আটকে রেখে গণধর্ষণ করা হয়। এ পুরো সময় জুড়ে শিশুটাকে কিছু খেতেও দেয়া হয়নি। গণধর্ষণের পর শিশুটিকে পাথর ছুড়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

কাঠুয়ার ওই কাণ্ডের প্রতিবাদে ২৩ এপ্রিল কলকাতায় বিক্ষোভে অংশ নেন হাসিন জাহান। ওই সময়েই তিনি বলেন, ‘যারা এই অপরাধ করেছে তাদের সাজা হওয়া উচিত। এমনকি আমার ঘটনাও এরকমই। কিন্তু আমি বেঁচে আছি। তারা (শামি ও তার পরিবার) আমাকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করেছিল, হত্যার পর আমার মৃতদেহ জঙ্গলে ফেলে দিতে চেয়েছে। দুই মাস ধরে আমি এসবের বিরুদ্ধে লড়ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতনদীতে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৫ এপ্রিল ২০১৮ ইং তারিখে সাতনদী পত্রিকার প্রথম পৃষ্টায় “১০ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার দু আ’লীগ নেতা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটিতে যে সকল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়। প্রকৃতপক্ষে চাঁদা চাওয়া বা মুচলেকা দেওয়ার মত কোন ঘটনা সেখানে ঘটেনি। আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি কু-চক্রী মহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে উক্ত সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমরা উক্ত মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

বিনীত

তারেক ও আমজাদ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest