সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা স্বর্ণকার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা স্বর্ণকার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা-২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সদর উপজেলা স্বর্ণকার শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে সদর উপজেলা স্বর্ণকার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি গৌরাঙ্গ সরকারের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা স্বর্ণকার শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি অরবিন্দু কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক উৎপল দে, সহ-প্রচার সম্পাদক দেবাশিষ চৌধুরী প্রমুখ। সাধারণ সভায় বক্তারা সংগঠনের অভ্যান্তরীন বিষয়ে এবং সাংগঠনিক বিষয়ে আলোকপাত করেন। সংগঠনকে আরো মজবুত এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সচেতনতা বৃদ্ধির আহবান জানান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা স্বর্ণকার শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বর্ণমালা একাডেমির ৭ দিন ব্যাপী নৃত্য কর্মশালার উদ্বোধন

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় ৭ দিন ব্যাপী নৃত্য কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বিকালে বর্ণমালা একাডেমি’র আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্র শালায় বর্ণমালা একাডেমি’র সভাপতি শামীমা পারভীন রত্মার সভাপতিত্বে উদ্বোধক হিসেবে ৭ দিন ব্যাপি নৃত্য কর্মশালার উদ্বোধক হিসেবে উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন। এসময় তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়াঙ্গণে ও সাংস্কৃতিক অঙ্গণে অনেক সুনাম আছে। এই ক্ষুদে কোমলমতি নৃত্য শিল্পীরা একদিন এ জেলার জন্য আরো বেশি সুনাম বয়ে আনবে। লেখা-পড়ান পাশা পাশি সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। সাংস্কৃতিক চর্চা করলে প্রতিভার দ্রুত বিকাশ ঘটে। আজকের ক্ষুদে নাচিয়েরা আগামী দিনের বড় মাপের নৃত্য শিল্পী হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ নুরুল হক, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি কণ্ঠ শিল্পী আবু আফ্ফান রোজ বাবু, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টন, চ্যানেল আইয়ের সেরা নাচিয়ে প্রশিক্ষক সাইফুল ইসলাম ইভান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মনজুরুল হক, সাংবাদিক শফিউল ইসলাম খান, বর্ণমালা একাডেমির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লিটন শিকদার প্রমুখ। ৭ দিন ব্যাপি নৃত্য কর্মশালায় ৪০ জন নৃত্য শিল্পী অংশ নিয়েছে এবং আজ বৃহস্পতিবার যদি কোন প্রশিক্ষণার্থী কর্মশালায় অংশ নিতে চাই তাহলে তাদেরকে যোযাযোগ করতে বলা হয়েছে।। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বর্ণমালা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নাহিদা পারভীন পান্না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষক হতে পিএসসি পরীক্ষা দিতে হবে

এখন থেকে যেসব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসবে, সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে হলে সরকারি কর্মকমিশন (পাবলিক সার্ভিস কমিশন-পিএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। অন্যথায় প্রতিষ্ঠান সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেলেও শিক্ষকরা পাবেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন মতামত ব্যক্ত করেছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপস্থিত দলটির একাধিক নেতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সভাসূত্র জানায়, সম্প্রতি শিক্ষকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত আন্দোলনের বিষয়টি সভার আলোচনা আসলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন এই ভয়-ভীতি দেখিয়ে অযৌক্তিক দাবি আদায় করা যাবে না। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে হলে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোথাও নিউটন আইনস্টাইনকেও ছাড়িয়ে হকিং

বিজ্ঞানে স্টিফেন হকিংয়ের অবদান পরিমাপ করার মতো নয়। মহাবিশ্ব কী করে সৃষ্টি হয়েছে তা ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’ বইটিতে স্টিফেন হকিং উল্লেখ করেছেন।

মহাবিশ্বে কী ছিল তা আমরা জানি না। আমরা বর্তমান নিয়ে পড়ে রয়েছি। হকিং দেখিয়েছেন কিভাবে এই বিজ্ঞান এলো।

আইনস্টাইন সর্বপ্রথম মহাকর্ষ তরঙ্গ সম্পর্কে ধারণা দেন। কিন্তু এই তরঙ্গটির অস্তিত্ব তিনি প্রমাণ করতে পারেননি। এই তরঙ্গটি প্রথম দেখতে পান স্টিফেন হকিং। আগে মনে করা হতো, কৃষ্ণগহ্বর থেকে কোনো কিছুই বিকিরিত হয় না। কিন্তু স্টিফেন হকিং মহাকর্ষ তরঙ্গের সাহায্যে দেখিয়েছেন, কৃষ্ণগহ্বর থেকেও এক ধরনের রশ্মি বিকিরিত হয়। আর হকিং সেই রশ্মির নাম দেন হকিং রেডিয়েশন।

স্টিফেন হকিংয়ের বিজ্ঞান সম্পর্কে দেওয়া তথ্যগুলো বিজ্ঞানকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অনেক আবিষ্কারের ব্যাখ্যা তিনি দিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন আবিষ্কার সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্যও দিয়েছেন, যা আগের ওই আবিষ্কারগুলোতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার কিভাবে হলো তাও তিনি দেখিয়েছেন। হকিং সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। নিউক্লীয় বিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। একসময় তাপমাত্রা এত বাড়বে যে কোনো জীবজন্তু বেঁচে থাকতে পারবে না। এতে পৃথিবী একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে; তিনি বারবার এ কথাই বলেছেন।

প্রাণ, সৃষ্টি, উপযুক্ত পরিবেশ এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে আরো অনেক গ্রহেই থাকতে পারে। সেগুলো অনুসন্ধান করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, কালক্রমে মঙ্গলগ্রহের তাপমাত্রা সহনীয় হলে আমরা সেখানে গিয়ে বসবাস শুরু করতে পারি। তবে এর জন্য পরিবেশ দরকার। আর এই পরিবেশ হলেই জীবজন্তু বসবাস করতে পারে।

আমরা জানি যে বিগ ব্যাঙ বিস্ফোরণ থেকেই এই পৃথিবীর সৃষ্টি। এই বিস্ফোরণের ফলে পৃথিবীতে এলোমেলো অবস্থার সৃষ্টি হয়। আর এই এলোমেলো অবস্থা থেকে কিভাবে প্রাণ তৈরি হলো এবং সেই প্রাণ তৈরির মহাপরিকল্পনা তিনি তাঁর ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’ বইয়ে লিখে গেছেন।

মহাকর্ষ তরঙ্গের অস্তিত্ব প্রমাণ হতে শুরু হওয়ায় এখন স্টিফেনের তত্ত্বগুলো প্রতিষ্ঠা লাভ করা শুরু করেছে। সম্প্রতি কৃষ্ণগহ্বর সংশ্লিষ্ট আবিষ্কারগুলো মহাকর্ষ তরঙ্গের মাধ্যমে দৃশ্যমান হতে শুরু হয়েছে। কৃষ্ণগহ্বর এখন দেখা যাচ্ছে। তাঁর দেওয়া তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে একসময় বিজ্ঞান পৌঁছে যাবে অনন্য উচ্চতায়।

মাত্র ২১ বছর বয়সেই তাঁর অনিশ্চয়তার জীবন শুরু হয়। শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও তিনি বহু বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দিয়ে গেছেন। এতে করে দুই যুগের দুই মহাবিজ্ঞানী আইনস্টাইন ও নিউটন যে সম্মান অর্জন করেছেন, স্টিফেনও সেই সম্মান অর্জন করেছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিনি তাঁদেরও ছাড়িয়ে গেছেন। শুধু নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হতে পারেননি। কারণ তার আবিষ্কারগুলো এখনো পরীক্ষণে নিশ্চিত করার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু তার আগেই তিনি মারা গেলেন। বেঁচে থাকলে তিনি অবশ্যই নোবেল পেতেন।

মানুষ নশ্বর। তাঁর বয়স হয়েছিল। শারীরিক সমস্যার মধ্যেও যে তিনি এত বছর বেঁচে ছিলেন এটাই আমাদের অনেক পাওনা। তাঁর মাথা সব সময়ই কাজ করত। আমরা বহু কিছু পেয়েছি। তিনি বেঁচে থাকলে আমরা হয়তো আরো কিছু পেতাম। তাঁর খুব শখ ছিল, তিনি মহাকাশযানে চড়বেন। কিন্তু ওই পর্যন্ত তিনি বাঁচতে পারলেন না। যদি তিনি চড়তে পারতেন, তাহলে ওই অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি আমাদের আরো তথ্য-উপাত্ত দিতে পারতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরাজয়ে বৃথা গেল মুশফিকের দুর্দান্ত লড়াই

নিদাহাস ট্রফির টানা দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের ত্রাণকর্তা রূপে দেখা দিলেন মুশফিকুর রহিম। তুলে নিলেন টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি।

কিন্তু তার ৫৪ বলে ৮ চার ১ ছক্কায় অপরাজিত ৭২ রানের এই লড়াই আজ বৃথাই গেল। মি. ডিপেন্ডেবলকে সঙ্গ দিতে পারলেন না কেউ। বাকী ব্যাটসম্যানরা কেউই ত্রিশের ঘরে পা দিতে পারেননি। রোহিত শর্মার ভারতের কাছে ১৭ রানে হেরে ফাইনালে ওঠার লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে গেল মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদের দল।

১৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলটি বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে রানের খাতা খোলেন তামিম ইকবাল। আজও তার সঙ্গী গত ম্যাচে বিধ্বংসী ব্যাটিং করা লিটন দাস। তবে এই জুটি আজ আর বেশিদূর যেতে পারেনি। গত ম্যচে বিধ্বংসী ব্যাটিং করা লিটন দাস ৭ বলে ৭ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে দিনেশ কার্তিকের কৃতিত্বে স্টাম্পড হয়ে যান।

১২ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর বিধ্বংসী তামিম ইকবালের সঙ্গী হন তরুণ হার্ডহিটার সৌম্য সরকার।

কিন্তু তিনিও ১ রানের বেশি করতে পারেননি। সেই ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে তার স্টাম্প উড়ে যায়। অন্যপ্রান্তে বিধ্বংসী হয়ে ওঠা তামিমের সঙ্গী হন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ১৯ বলে ৪ বাউন্ডারি ১ ওভার বাউন্ডারিতে ২৭ রানে তামিম ওয়াশিংটনের তৃতীয় শিকারে পরিণত হলে স্তব্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশ শিবির।

‘ভায়রা-ভাই’ জুটিও আজ জমেনি। দলীয় ৬১ রানে অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদকে (১১) লোকেশ রাহুলের তালুবন্দি করে বাংলাদেশকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। সাব্বিরকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান মুশফিক। ৪২ বলে ৫ চার ১ ছক্কায় টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মি.ডিপেন্ডেবল। কিন্তু তার সঙ্গী হতে পারেনি কেউ। শার্দুল ঠাকুরের বলে ২৩ বলে ২৬ করা সাব্বিরের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। ভাঙে বাংলাদেশের জয়ের আশা। শেষ ওভারে মোহাম্মদ সিরাজের বলে ক্যাচ দেন মিরাজ (৭)।  নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৯ রানেই থামে বাংলাদেশ। মুশফিক অপরাজিত থাকেন ৭২ রানে।

কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে ভারত। দলকে ভালো সূচনা এনে দেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং শিখর ধাওয়ান। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ধাওয়ানকে (৩৫) রুবেল হোসেন বোল্ড করে দিলে ভাঙে ৭০ রানের উদ্বোধনী জুটি। এরপর ৪২ বলে ৩ চার ২ ছক্কায় ক্যারিয়ারের ১৩তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন রোহিত। রোহিতের সঙ্গে জুটি বেঁধে হাত খোলার চেষ্টা করেন সুরেশ রায়না। শুরু থেকে টাইগার বোলারদের আঁটোসাটো বোলিংও যেন কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলে।

৩০ বলে ৫ চার ২ ছক্কায় ৪৭ রান করা রায়না রুবেলের বলে সৌম্য সরকারের তালুবন্দি হলে ভাঙে ১০২ রানের জুটি। শেষ ওভারের শেষ বলে ৬১ বলে ৫ চার ৫ ছক্কায় ৮৯ করা রোহিতের রান-আউট করেছেন রুবেল। ভারতের রান দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১৭৬। টাইগার পেসার রুবেল হোসেন একটি রান-আউট করা ছাড়াও নিয়েছেন ২টি উইকেট।

আজকের ম্যচে একটি পরিবর্তন আনা হয়েছে বাংলাদেশ দলে। গত দুই ম্যাচে বোলিংয়ে জ্বলে উঠতে না পারা তাসকিনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন আরেক পেসার আবু হায়দার রনি। অন্যদিকে ভারত একাদশেও একটি পরিবর্তন এসেছে। পেসার জয়দেব উনাদকাটের জায়গায় দলে এসেছেন মোহাম্মদ সিরাজ।

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৭১জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে বাংলাদেশি ইউএস বাংলার একটি বিমান মাটিতে আছড়ে পড়ে অর্ধশতাধিক বাংলাদেশি ও নেপালি যাত্রীর প্রাণহানির ঘটনায় নিহতদের স্মরণে কালো ব্যাজ পরে আজ মাঠে নেমেছে টিম টাইগার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে মৌখিক চুক্তিতে সরকারি জমি বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলার আশাশুনি উপজেলায় সরকারি সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় ও জবর দখলের মহাৎসবের ঘটনা যেন নিত্যদিনের স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না তাদের। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, আশাশুনি উপজেলায় সরকারি সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় ও জবর দখলের হোতা নব্য ওলামালীগ নেতা বেউলা ওসমানিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুল মাজেদ সরদার দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে তার কার্যক্রম। অভিযোগ সুত্রে ও সরোজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামস্থ বেতনা নদীর চর (ওয়াপদা ও এসিল্যান্ডের সম্পত্তি) বে আইনীভাবে দখল ও মৌখিক চুক্তিতে দখল স্বত্ব বিক্রয়ের জন্য নওয়াপাড়া গ্রামে মৃত তমেউদ্দীন সরদারের পুত্র নব্য ওলামালীগ নেতা বেউলা ওসমানিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুল মাজেদ সরদার ও তার বড় ভাই আলী হোসেন সরদার ও চাচাত ভাই ইউনুস সরদার, আমজেদ সরদার, আনোয়ার সরদারসহ স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্লট প্লট আকারে ওয়াপদা ও এসিল্যান্ডের সম্পত্তি /সরকারি সম্পত্তি দখল ও মৌখিক চুক্তিতে অন্যায় ভাবে বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয় নিচ্ছে। কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না সরকারি সম্পত্তি দখলবাজদের। উল্লেখ্য যে, সরকারি সম্পত্তি বিক্রয় ও জবর দখলের বিষয়টি এলাকার জন সাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের সুদৃষ্টি না আসার কারণে এলাকার জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টির হচ্ছে।
তথ্যানুসন্ধানে আরো জানা গেছে, গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারী ঐ নব্য নেতা ও তার গংরাদের বিরুদ্ধে অনলাইন স্থানীয়, আঞ্চলিক , ও জাতীয় পত্রিকায় জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ প্রকাশ হয়। এদিকে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর থেকে ঐ নব্য নেতার ও তার গংরা বিভিন্ন ভাবে ডিসি অফিস স্মারক নং- ১৫৪ তাং ১৩/২/২০১৮ . এস পি স্বারক নং- ১২৭৯. এক্সএন স্মারক নং- ২০২৩ অভিযোগ পত্রটির প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্ন ভাবে মোঃ দাউদ হোসেন ও তার পরিবার সহ দিংদের বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে এবং তাদেরকে মারপিট সহ হত্যা, সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা,উচ্ছেদ সহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান অব্যাহত রাখে। মোঃ দাউদ হোসেন ও তার দুই সন্তান (সাতক্ষীরা জেলার বাইরে) কর্ম স্থানে থাকা সন্তানদেরকে ( ঢাকা ও চট্রগ্রাম) বিভিন্ন প্রকার সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলাসহ হত্যার পরিকল্পনা অব্যাহত রাখেন তারা। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানায়, উক্ত সম্পত্তি সাতক্ষীরা পাওবোর সম্পত্তি। উক্ত সম্পত্তিতে নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত ইসমাইল সরদারের পুত্র মোঃ দাউদ হোসেন,সুলাইমান সরদার, রবিউল ইসলাম, আরশাদুল ইসলাম, জামাত আলী সরদার, সামাদ,গফুর,দীর্ঘ ৪০ বছরের অধিকাল যাবত বসত বাড়ির পাকা টয়লেট,নলকূপ স্থাপন করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছে এবং উক্ত সম্পত্তির ব্যবহার করায় সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি রাজস্ব দিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২ বরাবর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সেক্রেটারী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুপারিশকৃত একটি আবেদন করায় সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২ নির্বাহী প্রকৌশলী অফিস স্মারক ৬৮২৪ তারিখঃ ২০/০৬/২০১৬ইং হওয়ার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ সরেজমিনে তদন্ত করে দেখেন নওয়াপাড়া মৌজার পাওবোর অধিগ্রহণকৃত এলএ কেস নং-১৭৭/৬২-৬৩ সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তিদের দখলে আছে। এই মোতাবেক তারা ইজারা পাইতে পারে বলে পাওবোর কর্মকর্তাবৃন্দ আশ্বাস প্রদান করেন। কিন্তু গত ০১/০১/২০১৮ তারিখে মাওলানা ও তার সহযোীগরা সকাল আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় উক্ত জায়গা মেপে কম্পিউটার লিখে একটা ভিত্তিহীন সালিশনামা করে যাতে বিবাদীদের স্বাক্ষর নেই। উল্লেখ্য যে, উক্ত বিষয়ের উপর মোঃ দাউদ হোসেন ডিসি অফিসে স্মারক নং-১৫৪ ও অনুলিপি এসপি ১২৭৯, নির্বাহী প্রকৌশলী সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২ স্মারক নং-২০২৩ আবেদন করেছে। উক্ত বিষয়টি নিয়ে বেউলা ওসমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আব্দুল মাজেদ ও তার গংরা বিভিন্নভাবে উক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অভিযোগ ও পাওবোর দাখিলকৃত আবেদন পত্রটি প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে অন্যের নিকট বিক্রয় ও শান্তিপ্রিয় নিরীহ মানুষকে হয়রানী করার অপচেষ্টা করায় এলাকায় সাধারণ জনগনের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করে। উক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধোতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুষ্পরেণু সাহিত্য সংসদের কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বুধবার ৭টায় পুষ্পরেণু সাহিত্য সংসদের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ সম্পর্কিত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মোঃ আশরাফুল হক লাল্টু’র সভাপতিত্বে ও শেখ আবু সালেকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ আব্দুল মালেক, মোসতাক আহমেদ সিদ্দিকী, সায়েম ফেরদৌস মিতুল, রুহুল আমিন ময়না প্রমুখ। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে রুহুল আমিন ময়নাকে সভাপতি ও শেখ আবু সালেককে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী ২ বছরের জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ২০১৮-২০২০ গঠন করা হয় ও সংগঠনের ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নানাবিধ অনুষ্ঠান ও সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথম ধাপে মাত্র ৩৭৪ রোহিঙ্গাকে নিতে সম্মতি জানালো মিয়ানমার

অবশেষে প্রথম ধাপে মাত্র ৩৭৪ জন রোহিঙ্গাকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছে মিয়ানমার। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের দেওয়া ৮ হাজার ৩২ জনের প্রথম তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই শেষে এই তালিকা চূড়ান্ত করেছে মিয়ানমার।

বুধবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই তালিকা পাঠানো হয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির পর দু‘দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৮ হাজার ৩২ জনের তালিকা উপস্থাপন করেছিল বাংলাদেশ। এই তালিকা থেকে মাত্র  ৩৭৪ জনকে যাচাই-বাছাই করে তাদের তথ্য বাংলাদেশকে হস্তান্তর করেছে মিয়ানমার। তবে তাদের রাখাইনের অধিবাসী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত এই ৩৭৪ জন ৯০টি পরিবারের সদস্য। যাদের যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এদের ভেতরে এক বা একাধিকজনকে আরসার সদস্য বলে সন্দেহ করছে তারা। তবে তাদেরকেও তারা ফেরত নিতে চায়।

চুক্তি অনুযায়ী, এখন তাদের জাতিসংঘের কোনও সংস্থার মাধ্যমে ফেরত পাঠাতে হবে। এজন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ইউএনএইচসিআর-এর সঙ্গে প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করে ফেলেছে। আশা করা হচ্ছে এটি অতি শিগগির স্বাক্ষরিত হবে।

ফিজিক্যাল অ্যারেজমেন্ট চুক্তিতে বলা হচ্ছে, তালিকা হস্তান্তরের দুই মাসের মধ্যে সম্ভব হলে তারা সম্পূর্ণ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ করবে। যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যাবে। তবে চুক্তির শর্তানুযায়ী রোহিঙ্গাদের ফেরত যেতে হবে স্বেচ্ছায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest