সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারInstant casino’s bieden meer dan alleen snelheid: een diepgaande analysePianificazione Strategica del Cool‑Off nel Gioco d’Azzardo Online – Come Trasformare le Pause in Strumenti di Benessereการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casino

টাকা আদায়ে পরিচালককে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম পরীমনির

চিত্রনির্মাতাকে পাওনা টাকা চেয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তবে ওই নির্মাতার নাম প্রকাশ করেননি ঢাকাই চলচ্চিত্রের এ নায়িকা।

পরীমনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের মাধ্যমে শনিবার দিবাগত রাতে এসব জানান। পরীমনি নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘২৪ ঘণ্টা সময় এর মধ্যে আমার পাওনা টাকা নিজ দায়িত্বে দিয়ে যাবেন সম্মানিত ডিরেক্টর সাহেব। নামটা ২৪ ঘণ্টা পর লিখবও। যদি এর মধ্যে আমি টাকা না পাই।’

পরীমনি জানান, পাওনা টাকার জন্য দুই বছর ধরে ঘুরছেন। কিন্তু এর মধ্যে ওই পরিচালক টাকা পরিশোধ করছেন না। ওটা কোনো পেমেন্ট ছিল না। নগদ টাকা ধার নিয়েছিলেন ওই পরিচালক। তিনি বলেন, ‘ভুলে গেছেন, ওটা পেমেন্ট ছিল না, ধার নিয়েছিলেন সাহেব। এবার বুঝবেন মুনাফেকগিরি কি জিনিস!’

সম্প্রতি বিএফডিসির ৭ নম্বর ফ্লোরে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের প্রযোজনা সংস্থার নাম ও কর্মপরিধির কথা জানান পরীমনি। এ সময় সবাইকে চমকে দিয়ে পরী প্রযোজিত প্রথম সিনেমা সম্প্রতি নামও ঘোষণা করেন এ নায়িকা। ‘ক্ষত’ নামে এ সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করবেন পরীমনি ও জায়েদ খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জমিতে ঘাঁটি বানাচ্ছে সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক: মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্যাতনে রোহিঙ্গারা পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের ফেলে আসা গ্রাম ও জমিজমায় ঘাঁটি তৈরি করছে সেনাবাহিনী।

নতুন এক গবেষণার পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, তারা স্যাটেলাইট থেকে ধারণ করা ছবি ও প্রত্যক্ষ দর্শীদের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানতে পেরেছেন।

 যেসব গ্রাম থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনে রোহিঙ্গারা পালিয়ে গেছেন সেসব গ্রামেই ঐ রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা জমি ও ভিটা-বাড়ির উপর ঘাঁটি তৈরি করছে সেনাবাহিনী।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে রোহিঙ্গাদের গ্রামে বহু বাড়ি-ঘর বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। নতুন করে সারি সারি ঘর জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।

এর আগে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও একই ধরনের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক মুখপাত্র এটিকে সেনাবাহিনী দ্বারা ভূমিগ্রাস বলে উল্লেখ করেছেন। তবে মিয়ানমার সরকার অ্যামনেস্টির অভিযোগ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেনি।

গত বছরের আগস্টের ২৫ তারিখ থেকে রাখাইনে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। তাদের অভিযানের পর থেকে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মানুষ চোখ মারতে ভুলেই গিয়েছিল, তাই আমাকে পছন্দ করেছে’

অনলাইন ডেস্ক: সিনেমার প্রচারণার জন্য প্রকাশিত প্রথম ভিডিও ক্লিপেই সুপার-ডুপার হিট। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই তাণ্ডবে যোগ দিয়েছিল ভারত ছাড়িয়ে বিশ্বের বড় বড় সব গণ মাধ্যম।

যাকে নিয়ে এমন মাতাল হাওয়া বইল তিনি কি ভাবছেন? সেটাইতো প্রিয়া প্রকাশ কি ভাবছেন? এত দিন এ নিয়ে তেমন কিছু না বললেও এবার মুখ খুলেছেন আন্তর্জাতিক গণ মাধ্যম বিবিসির কাছে।

বলছেন কি? এক চোখের টিপে লক্ষ কোটি হৃদয়কে এফোড়-ওফোড় করা প্রিয়া!

প্রিয়া প্রকাশ বলেন, ‘রাতারাতি এটা হয়েছে। এরকম কিছু আশা করি নি। ভেবেছিলাম ভিডিওটা হয়তো শুধু কেরালাতে আলোচনার জন্ম দেবে। কিন্তু কখনোই ভাবিনি যে এটা এমন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও চলে যেতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চোখ মারা নিয়েই লোকজন বেশি কথা বলেছে। আমাকে ‘চোখ মারার রানী’, ‘চোখ মারার সেনসেশন’ ইত্যাদি বলেও তারা ডাকছিলো। আমি মনে করি, আজকালকার দিনে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষ মনের কথা জানিয়ে দেয়। কথা বলে, বার্তা পাঠায় মোবাইল ফোনে।’

প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার বলেন, ‘নিজেদের আবেগ অনুভূতি প্রকাশে মানুষ এখন প্রচুর স্মাইলি ব্যবহার করে। সামনা সামনি এ সব বিষয়ে কথা বলে না। ফলে ওই ভিডিওতে ব্যক্তিগতভাবে এ রকম করে আমার চোখ মারা দেখে লোকের পছন্দ হয়েছে।’

কিন্তু সবাই যে এই ‘চোখ মারার’ ভিডিওটিতে মুগ্ধ হয়েছে তা কিন্তু নয় বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন হালের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেনসেশন।

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) স্ত্রী খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে গাওয়া হয়েছিলো, এমন অভিযোগ তুলে ভারতের কয়েকটি মুসলমান গ্রুপ তার এবং ওই সিনেমার নির্মাতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল। কিন্তু দেশটির সুপ্রিম কোর্ট মামলাটিকে খারিজ করে দেয়।

‘ওরু আদার লাভ’ নামের ওই সিনেমাটিতে প্রিয়া প্রকাশ একজন ছাত্রীর ভূমিকায় অভিনয়ে করেন। এটি একটি কিশোর প্রেমের কাহিনীর নির্ভন সিনেমা।

অষ্টাদশী প্রিয়া বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম না থাকলে আমার এই ভিডিও ভাইরাল হতো না। হয়তো এই ভিডিওটির লোকজন কথা হয়তো জানতই না।’

রাতারাতি এমন সেনসেশনে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি তিনি আরেকটি কারণে ভীষণ খুশি। তিনি বলেন, ‘ভারতীয় সিনেমার কথা বললেই সবার প্রথমে মনে হয় বলিউডের কথা। কিন্তু বলিউডের বাইরেও বহু বড় বড় সিনেমা শিল্প রয়েছে- মালায়লাম, তেলেগু, তামিল, কান্নাড়া। ওগুলোতেও অনেক ভালো ভালো সিনেমা তৈরি হয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীর বস্তির দুই হাজার ঘর পুড়ে ছাই

অনলাইন ডেস্ক: মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ইয়াসিন আলী মোল্লার বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টার পর আজ সোমবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এর আগে ভোর ৪টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের ২৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ করে। আগুনে প্রায় দুই হাজার ঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বস্তির উত্তর দিক থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কিছুক্ষণের মধ্যে তা দক্ষিণ দিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আগুনে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে যাওয়ার রাস্তা সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সেখানে পৌঁছাতে সময় লাগে।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) মেজর শাকিল জানান, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে তাঁদের ২৩টি ইউনিট কাজ করে। সকাল ৭টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মেজর শাকিল আরো জানান, বস্তির বাসিন্দারা বেশিরভাগই পোশাক শ্রমিক। তাদের ঘরে প্রচুর পরিমাণে ঝুট ছিল। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হতাহতের সঠিক সংখ্যা তিনি জানাতে পারেননি। তবে এক নারীর আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তামিম চৌধুরীর নির্দেশে হলি আর্টিজানে হামলা

অনলাইন ডেস্ক: নব্য জেএমবির নেতা তামিম চৌধুরীর নির্দেশেই গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। টার্গেট নির্ধারণ করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জঙ্গি তানভীর কাদেরির ভাড়া বাসায় ওঠেন তামিমসহ ৯ জঙ্গি। ২০১৬ সালের ১ জুলাই সেখান থেকে আসামিরা হলি আর্টিজানে হামলা চালায়।
লালবাগে জঙ্গি অভিযান মামলার চার্জশিটে (অভিযোগপত্র) এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলার চার্জশিটে এক কিশোরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় বৃহস্পতিবার দুটি চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। মঙ্গলবার মামলার ধার্য তারিখে চার্জশিট দুটি আদালতে দাখিল করা হবে। আদালত সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চার্জশিটে বলা হয়, ২০১৪ সালে হজ পালন করার পর তানভীর কাদেরি ও আবিদাতুল ফাতেমা নামাজ-কালেমার দিকে বেশি মনোযোগী হন। তানভীর উত্তরার একটি মসজিদে নামাজ পড়াতেন। সেখানে জঙ্গি মুসা ও জঙ্গি মেজর জাহিদের (মৃত) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তিনজনের মধ্যে মতের মিল হয়। এরপর মেজর জাহিদের মাধ্যমে তানভীর নিউ জেএমবিতে যোগ দেন। চাকরি ছেড়ে দিয়ে তানভীর ও তার স্ত্রী আবিদাতুল ফাতেমা নিউ জেএমবির বায়াত গ্রহণ করেন। নিজের ব্যবহৃত গাড়ি সাড়ে ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করে তানভীর স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ হিজরতে বের হন। তারা প্রথমে রাজধানীর পল্লবীতে বাসা ভাড়া নেন। সেখানে জঙ্গি বাসারুজ্জামান ওরফে চকলেট ওরফে র‌্যাশ ওরফে রাশেদ (মৃত) আসত। তামিমের নির্দেশে বাসারুজ্জামানসহ তানভীর বসুন্ধরার আবাসিক এলাকায় বাসা ভাড়া নেন এবং পরিবারসহ ওঠেন। ওই বাসায় তামিম, তার সহযোগী নুরুল ইসলাম ওরফে মারজান, নিবরাস, রোহান, মীর সালেহ মোবাশ্বের, খায়রুল ইসলাম পায়েল, শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ও জাহাঙ্গীর ওঠেন। সেখান থেকেই আসামিরা হলি আর্টিজানে হামলা করে। হলি আর্টিজানে হামলার দিন তামিমের নির্দেশে তারা বসুন্ধরার আবাসিক এলাকার বাসা ছেড়ে পল্লবীর বাসায় চলে আসেন। এরপর রূপনগরে বাসাভাড়া নিয়ে তারা থাকা শুরু করেন। এরপর সেখান থেকে লালবাগে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করতে থাকেন। ওই বাসায় বাসারুজ্জামানের স্ত্রী শায়লা আফরিন এবং মারজানের স্ত্রী প্রিয়তী অবস্থান করতেন।

চার্জশিটে আরও বলা হয়, আসামি তানভীর ও তার স্ত্রী আবিদাতুল ফাতেমা ওরফে খাদিজা ওরফে আশা (৩৮) উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। তানভীর ডাচ্ বাংলা ব্যাংক ও রবি এবং ফাতেমা সেভ দ্য চিলড্রেনে চাকরি করতেন। তাদের সন্তান তাহরীম দাদেরি ও আফিম কাদেরি উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে পড়ালেখা করত।

চার্জশিটে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর লালবাগের জঙ্গি আস্তানায় তল্লাশির সময় আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশকে আহত করা হয়। গুলিও করা হয়। পুলিশও আত্মরক্ষায় গুলি করে। একপর্যায়ে তানভীর আত্মসমর্পণ না করে নিজেই গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন। লালবাগের স্টাফ কোয়ার্টারের পাশে ২০৯/৫ লালবাগ রোডের হাজী মো. কায়সারের বিল্ডিয়ের দ্বিতীয়তলায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ দরজায় নক করলে তাদের লক্ষ্য করে কয়েকটি গ্রেনেড নিক্ষেপ ও কয়েক রাউন্ড গুলি করে জঙ্গিরা। জঙ্গিদের বোমা ও ছুরিকাঘাতে পাঁচ পুলিশ আহত হন। শর্টগানের গুলিতে নারী জঙ্গি আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে যায়। পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করলে তাহরিম কাদেরি ওরফে রাসেল (১৪) তাদের ওপর ছুরি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পুলিশ তাকে সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলে। বাসায় তানভীরকে মৃত অবস্থায় এবং দুই জঙ্গি নারীকে ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে পুলিশ। এরপর পুলিশ দুই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রাজধানীর লালবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে। মামলায় তানভীর, গ্রেফতার প্রিয়তী, ফাতেমা, শায়লা আফরীন, রাসেলকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আহসানুল হক মামলাটির চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের আগস্টে নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ার শাহ সুজা রোডের বাসায় তামিম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহত হন। ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা ৃচালিয়ে দুই পুলিশসহ দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ডে’ পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলঙ্কানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফফারের দাফন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটা উপজেলার মাঘরী গ্রামের মৃত মিনাজউদ্দীনের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফফার ইন্তেকাল করেছেন। ররিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে তিনি তার মাঘরী গ্রামস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ^াস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত ও শ^াসকষ্ঠজনিত রোগে ভুগছিলেন। নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। রবিবার বাদ আছর মরহুমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। এসময় দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ, দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেন, এসআই নিত্য কুমার মন্ডল, সমাজসেবক আবু তৈয়ব খাঁন, সখিপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি হারুন-অর রশিদ সহ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নামাযে জানাযা পড়ান নলতা আহছানিয়া জামে মসজিদের খতিব হাফেজ সামছুল হুদা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মীম এবার ইউটিউব পরামর্শক!

অভিনয়ে আর সে অর্থে পাওয়া যায় না টিভি পর্দার প্রিয়মুখ সাবরিন সাকা মীমকে। কারণটাও অস্পষ্ট। তবে সংবাদ পাঠক হিসেবে ভালোই করছেন সাম্প্রতিক সময়ে। সেসব ছাপিয়ে এবার তাকে পাওয়া যাবে ইউটিউবে, পরমর্শকের ভূমিকায়।

ছোট বোন ডা. শারমীন সাকা টুকটুকিকে নিয়ে ‘মীমস স্টুডিও’ নামে ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলেছেন তিনি। ১ মার্চ এ বিষয়ে একটি প্রমোশনাল ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে যার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যেখানে তিনি ও তার বোন সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে ভিডিও বানিয়ে নিয়মিত প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছেন দর্শকদের।
মীম বলেন, ‘আমার ১ বছর বয়স থেকেই লাইট-ক্যামেরার সামনে বসার অভিজ্ঞতা! আব্বু-আম্মু আমার প্রথম জন্মদিন থেকেই প্রফেশনাল ক্যামেরাম্যান ডেকে ভিডিও ধারণ করতেন। এরপর ১৯৯১ সাল থেকে যখন আমি ক্লাস ওয়ানে পড়ি তখন থেকে নাচ, গান, অভিনয়, উপস্থাপনা নিয়ে নিয়মিত টিভি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছি। ফলে এই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বরাবরই ইচ্ছে সাধারণ মানুষদের জন্য কিছু একটা করার। সেই তাগিদ থেকেই আমি আমার বোনকে নিয়ে এই ইউটিউব স্টুডিও তৈরির সিদ্ধান্ত নিলাম।’
মীম আরও জানান, তিনি ছাড়া তাদের পরিবারের সবাই ডাক্তার। মানুষের সেবা করার অভ্যাস তাই পরিবার থেকেই পাওয়া। ফলে সামাজিক সচেতনতা তৈরি এবং বিভিন্ন রকমের ভালো পরামর্শ দিয়ে মানুষের সেবা করাই ‘মীমস স্টুডিও’র মূল উদ্দেশ্য।

প্রসঙ্গত, মীম এখন আরটিভি’র নিয়মিত সংবাদ পাঠিকা হিসেবে কর্মরত আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাতক্ষীরা ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলী খালিদ স্ট্যান্ড রিলিজ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলীর ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নিীতির অভিযোগে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। গত-০৯/০৩/২০১৮ তারিখে খুলনা জোনের ওজোপাডিকো সদর দপ্তর বয়রা বিদ্যুৎ ভবন থেকে এ আদেশ দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিউদ্দিন। সাতক্ষীরাতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নিীতির অভিযোগে সাতক্ষীরা ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলী মো. খালিদ হোসেনকে বরগুনা জেলায় বদলী করা হয়েছে এবং মো. হাবিবুর রহমানকে সাতক্ষীরা ওজোপাডিকো আবাসিক প্রকৌশলী হিসেবে পদাস্থাপন করা হয়েছে। গ্রাহক হয়রানী, গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল দেওয়া, সরকারি বৈদ্যুতিক খুটি বিক্রয়, গ্রাহক ও অফিসের কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরণসহ নানাবিধ অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এব্যাপারে সাতক্ষীরার গ্রহক ও অফিসের কর্মচারীরা স্বস্থির নিঃশ^াস ফেলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest