সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারInstant casino’s bieden meer dan alleen snelheid: een diepgaande analysePianificazione Strategica del Cool‑Off nel Gioco d’Azzardo Online – Come Trasformare le Pause in Strumenti di Benessereการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casino

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাতক্ষীরা ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলী খালিদ স্ট্যান্ড রিলিজ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলীর ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নিীতির অভিযোগে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। গত-০৯/০৩/২০১৮ তারিখে খুলনা জোনের ওজোপাডিকো সদর দপ্তর বয়রা বিদ্যুৎ ভবন থেকে এ আদেশ দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিউদ্দিন। সাতক্ষীরাতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নিীতির অভিযোগে সাতক্ষীরা ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলী মো. খালিদ হোসেনকে বরগুনা জেলায় বদলী করা হয়েছে এবং মো. হাবিবুর রহমানকে সাতক্ষীরা ওজোপাডিকো আবাসিক প্রকৌশলী হিসেবে পদাস্থাপন করা হয়েছে। গ্রাহক হয়রানী, গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল দেওয়া, সরকারি বৈদ্যুতিক খুটি বিক্রয়, গ্রাহক ও অফিসের কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরণসহ নানাবিধ অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এব্যাপারে সাতক্ষীরার গ্রহক ও অফিসের কর্মচারীরা স্বস্থির নিঃশ^াস ফেলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির শুভেচ্ছা বিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের সাথে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির কার্যনিবাহী কমিটির ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, গাজী আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মহিউদ্দিন হাশেমী তপু, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৃপ্তি মোহন মল্লিক, নির্বাহী সদস্য মো. আমিনুল হক, প্রভাষক মো. রেজাউল করিম, অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, লায়লা পারভীন সেঁজুতি, বরুণ ব্যাণার্জী ও শেখ হারুন উর রশিদ প্রমুখ। এসময় নবাগত জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সাংগঠনিক বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং সকলের সাথে পরিচিত হন। এসময় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির আজীবন ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাটিয়া বউ বাজার এলাকায় এমপি রবি’র উঠান বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য নিয়ে জনগণের দোর গোড়ায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার রাতে পৌরসভার ০১ নং ওয়ার্ডে উত্তর কাটিয়া বউ বাজার এলাকায় আব্দুল কাদের এর বাড়ির উঠানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য তুলে ধরে মহিলাদের নিয়ে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে। শান্তি ও উন্নয়নের জন্য আওয়ামীলীগ সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে।’ এসময় ব্ক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ডা. মুনসুর আহমেদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, জুলফিকার আলী ভূট্রো, এড. ফারুক হোসেন, ইনতাজ আলী মোড়ল প্রমুখ। অপর দিকে শহরের মিল বাজার এলাকায় ভূট্রো মার্কেটে স্থানীয় মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় স্থানীয় আওয়ামীলীগের নের্তৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুরে প্রকল্প অবহিতকরণ কর্মশালা

ধুলিহর প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে রবিবার সকালে এসকেএস ফাউ-েশন কর্তৃক আয়োজিত ম্যাক্স ফাউ-েশন বাংলাদেশের অর্থায়নে ম্যাক্স ওয়াশ টু প্রকল্পের অবহিতকরন কর্মশালা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম.শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রকল্পটি নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন,স্বাস্থ্য বিধি, পুষ্টি ও যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কাজ করবে বলে আলোচিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সকল সদস্য,সদস্যা,সচিব, প্রকল্প কর্মী আলী সিদ্দিক,জোসনা বেগম,এনজিও প্রতিনিধি,ব্লুগোল্ড প্রতিনিধি ও ইউনিয়ন ওয়াটসান কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন ফ্যাসিলিটেটর গোলাম দস্তগীর বক্সী। অনুষ্ঠান শেষে প্রকল্পের সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর করেন ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম.শহিদুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার তালায় ৭ বছরের শিশু ধর্ষিত ॥ধর্ষক পলাতক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তালায় ৭ বছরের এক শিশু ধর্ষনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে তালা উপজেলার উত্তর নলতা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত লম্পট ধর্ষক বাহারুল ইসলাম (১৯) পলাতক রয়েছে। সে উপজেলার উত্তর নলতা গ্রামের নুরুল সরদারের ছেলে। এদিকে, ধর্ষিতা শিশুটিকে দেখতে সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে যান সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহামান।

শিশুটির বাবা জানান, বিকালে লম্পট বাহারুল তার শিশু কন্যাকে একা পেয়ে তাকে খাবার দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। এ সময় তার আত্মচিৎকারে প্রথমে তার মা ঘটনাস্থলে গেলে ধর্ষক তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে তাকে তালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইফুল্লাহ আল-কাফী জানান, শিশুটির অধিক রক্তক্ষরন হয়েছে। তাকে অপারেশর থিয়েটারে ঢুকানো হয়েছে।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান, ইতিমধ্যে তালা থানার ওসিসহ পুলিশের কয়েকটি টিম ধর্ষককে ধরতে মাঠে নেমেছে। খুব দ্রুত তাকে আটক করে আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের আওতাধীন বাঁকাল ইসলামপুর-১ আঞ্চলিক কমিটির দলীয় কার্যক্রম না থাকায় উক্ত বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। ১১ মার্চ২০১৮ তারিখে ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হাসিব সরকার ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে উক্ত কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৌর ২নং ওয়ার্ড জাতীয় শ্রমিকলীগের কমিটি গঠন

পৌর ২নং ওয়ার্ড জাতীয় শ্রমিকলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১০ মার্চ ২০১৮ তারিখে জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি জোহর আলী ও সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী স্বাক্ষরিত এক পত্রে ৭ সদস্য বিশিষ্ট ২নং ওয়ার্ড কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি হয়েছেন মোঃ বাবলু হাসান, সহ-সভাপতি মোঃ কাসেম আলী সরদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবিরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিদ্দিক মোড়ল, দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবু ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফতেমা বেগম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান অর্ধকোটি টাকা আত্মসাথ করেও বহাল তবিয়তে ॥ তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিভিন্ন প্রকল্পের নামে অর্থ উত্তোলন করে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাথ করেও বহাল তবিয়তে লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম। এঘটনায় লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, সমাবেশ, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোন দূশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ইউনিয়নবাসী।
এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যমতে, লাবসা ইউনিয়নের আওতাধীন বিনেরপোতা হাট ইজারা হতে ৪৬ % পান ইউনিয়ন পরিষদ। এতে করে ইউনিয়ন পরিষদের কোষাগারে প্রতিবছর একটি বড় অংকের অর্থ জমা হয়। তবে চলতি বাংলা ১৪২৪ সালে বিগত দিনের সকল রেকর্ড ভেঙে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। উপজেলা পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী মোট টাকার ৪৬% লাবসা ইউপিতে দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী এবার বিনেরপোতা হাট থেকে ৩৭ লক্ষ ২৮ হাজার ৭২৩ টাকা। যা ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক বিধি বিধান অনুযায়ী ব্যয় করার কথা থাকলেও সেখানে এ নিয়মের কোন তোয়াক্কা করা হয়নি। বিভিন্ন ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে, একই কাজ বার বার দেখিয়ে এবং ভুয়া রেজুলেশন করে গত ১৩ জুন ২৩২৪০৭৪ নং চেকে উক্ত ৩৭ লক্ষ ২৮ হাজার ৭২৩ টাকা উত্তোলন করেন ইউপি চেয়াম্যান আব্দুল আলিম ও ইউপি সচিব আব্দুর রাজ্জাক। অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে উক্ত টাকার কোন প্রকল্পই বাস্তবে রূপ পায়নি। পুরো টাকাটাই ইউপি চেয়ারম্যান ইউপি সচিব আব্দুর রাজ্জাকের সহযোগিতায় পকেটস্থ করেছেন বলে ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানাগেছে।
এছাড়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় অবস্থিত হাট বাজারের ইজারা থেকে সদরের ১৪টি ইউনিয়নের হাট বাজার সংস্কার বাবদ ১৫% টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়। সে অনুযায়ী লাবসা ইউনিয়ন পরিষদ ১৫% হিসাবে বিনেরপোতা হাট সংস্কারের জন্য ১২লক্ষ ১৫ হাজার ৮৮৮ টাকা বরাদ্ধ পান। উক্ত বরাদ্দ পত্রে মোট ৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য এ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলো হচ্ছে বিনেরপোতা হাটের কাপেটিং রাস্তা হতে ছোট’র আড়ৎ পর্যন্ত রাস্তা কংক্রিট ঢালাই নির্মাণের জন্য ১লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা, বিনেরপোতা হাটের ছোট’র আড়ৎ হতে অজিত বাবুর আড়ৎ পর্যন্ত কংক্রিট ঢালাই নির্মাণ ১লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা, বিনেরপোতা হাটের অজিত বাবুর আড়ৎ হতে অতিষের আড়ৎ পর্যন্ত রাস্তা কংক্রিট ঢালাই নির্মাণ ১লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা, বিনেরপোতা হাটের অতিষের আড়ৎ হতে তপন বাবুর আড়ৎ পর্যন্ত রাস্তা কংক্রিট ঢালাই নির্মাণ ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৮৮ টাকা, ৫. বিনেরপোতা হাটের কণ্ঠ’র আড়ৎ হতে লিয়াকতের আড়ৎ পর্যন্ত রাস্তা কংক্রিট ঢালাই নির্মান ১লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা, বিনেরপোতা হাটের তপন বাবুর আড়ৎ হতে সাতক্ষীরা ফিস পর্যন্ত রাস্তা কংক্রিট ঢালাই নির্মান ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও বিনেরপোতা হাটের সাতক্ষীরা ফিস হতে মিজানের আড়ৎ পর্যন্ত রাস্তা কংক্রিট ঢালাই নির্মাণ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। উক্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের শর্ত স্বাপেক্ষে গত ০৫ ডিসেম্বর১৭ তারিখে ২৮৭৭৭১৫ নং চেকে ১২লক্ষ ১৫ হাজার ৮৮৮ টাকা উত্তোলন করেন ইউপি চেয়ারম্যান। অথচ টাকা উত্তোলনের ২ থেকে আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও বিনেরপোতা হাটে ৭টি প্রকল্পের একটিও বাস্তবায়ন করা হয়নি।
হরিলুটের ঘটনায় সাতক্ষীরার বিভিন্ন পত্রিকাসহ আঞ্চলিক পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে নটক নড়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের। এরপর গত ২৬ ফেব্র“য়ারি সাতক্ষীরা স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আব্দুল লতিফ খান তদন্ত করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যান। কিন্তু সেখানে ইউপি সদস্যবৃন্দ চেয়ারম্যান কর্তৃক ৪৯ লক্ষ টাকা দুর্নীতির বিষয়ে অবগত করালে তিনি নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ের কথা বললে মেম্বরসহ স্থানীয় জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। পরে অবশ্যই এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসে শান্ত হন তারা।
সেসময় তিনি বলেন, আমার অফিসিয়াল নিয়মে জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ পরির্দশন করতে হয়। সে রুটিন মাফিক আমি লাবসা ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে চেয়ারম্যান কর্তৃক অর্ধকোটি টাকা লুটপাটের ঘটনা বা অভিযোগ সম্পর্কে আমার কিছুই জানা ছিলো না। তদন্তের জন্য আসা হয়নি। বা সরকারও আমাকে দায়িত্ব দেয়নি। এখানে এসে জানতে পেরেছি। এ অভিযোগ আমি আমার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানাবো তারা যে নির্দেশনা দিবেন সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এদিকে ইউপি সচিব ও সদস্যবৃন্দ উক্ত প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে ডিডিএলজির সামনে লিখিত মতামত ব্যক্ত করেন।
অপরদিকে উক্ত প্রকল্পের কাগজপত্রের বিষয়ে ইউপি সচিব আব্দুর রাজ্জাকের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ৩৭ লক্ষ টাকা এবং হাটের ১২ লক্ষ টাকার প্রকল্পের সকল ফাইল আমার নিকট থেকে চেয়ারম্যান সাহেবের নিকট নিয়ে নেন। যার তার নিজ হেফাজতে আছে। পরিদর্শনকারে ডিডি এলজি এঘটনার তদন্তপূর্বক সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাসও প্রদান করেন।
অথচ ঘটনার প্রায় ১২ দিন অতিবাহিত হলেও উর্দ্ধতন মহলের কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ চোখে না পড়ায় হতাশ হয়েছেন ইউনিয়নবাসী।
এদিকে অর্ধকোটি টাকা দুর্নীতির ঘটনায় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আব্দুল লতিফ খান বলেন, এঘটনায় তদন্তের জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তহমিনা সুলতানা বলেন, আমি কাগজপত্র পেয়েছি। আমি তদন্ত করে বিষয়টি দেখবো। সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, অভিযুক্ত হলে তাকে শাস্তি পেতে হবে। উন্নয়নের টাকা নিয়ে কেউ আত্মসাত করবে সেটি হতে পারে না। দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

১১.০৩.২০১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest