সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

পৃথিবীর যে স্থানে ৬ হাজার বছর ধরে আগুন জ্বলছে!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার একটি পরিত্যক্ত শহর সেন্ট্রালিয়ার একটি ভূগর্ভস্থ কয়লাখনিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে ‘সাইলেন্ট হিল’ নামের একটি ভিডিও গেম। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রও নির্মাণ করা হয় একে ঘিরে।

সেন্ট্রালিয়ার ওই কয়লাখনির গ্যাসের আগুন বিগত ৫৩ বছর ধরে জ্বলছে। যা অনেকটা আপেক্ষিক মনে হবে। কিন্তু যখন আপনি জানবেন যে একই ধরনের আগুন অস্ট্রেলিয়ায় একটি স্থানে ৬ হাজার বছর ধরে জ্বলছে তখন সেটাকে আর আপেক্ষিক মনে হবে না! ইউরোপীয়দের মহাদেশ আবিষ্কারের আগে থেকে এই আগুন জ্বলছে!

স্থানটির অবস্থান অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস এর মাউন্ট উইংগেনের বার্নিং মাউন্টেইনের (জ্বলন্ত পর্বত) ভূ-অভ্যন্তরে। যদিও ওই জায়গায় প্রথম কিভাবে এই আগুনের সৃষ্টি হয়েছিল তা অজানাই রয়ে গেছে এখনো। এর রহস্য উদঘাটনও সম্ভব হয়নি।

তবে ওই অঞ্চলের ঐতিহাসিক সম্প্রদায় ওয়ানারুয়াহ এর লোকজনের মতামত অনুসারে, আদিবাসী মানুষেরা হাজার হাজার বছর ধরে তাদের উষ্ণতার জন্য, রান্না-বান্নার জন্য এবং যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য এই আগুন ব্যবহার করে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাধিক বিয়ের অনুষ্ঠান। তাই কর্ণাটকের মহীশূরের ললিত মহল প্যালেসের প্রায় সব ক’টি ঘরই ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। আর সেজন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ঘর দিতে পারল না ঐতিহ্যবাহী ওই হোটেল। বাধ্য হয়ে প্রশাসন মোদী এবং তার সফর সঙ্গীদের জন্য প্রথম পছন্দের হোটেল ছেড়ে অন্যত্র ব্যবস্থা করে।
সোমবার কর্নাটকের হাসন জেলার শ্রাবণবেলগোলায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বেশ কয়েকটি দলীয় কর্মসূচিও ছিল। তাই মহীশূরের ললিত মহল প্যালেসে প্রধানমন্ত্রীর থাকার ব্যবস্থা করতে চেয়েছিল রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু তাতে বিপত্তি বাধে।
হোটেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অধিকাংশ ঘরই অগ্রিম ভাড়া হয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য। আর যে তিনটি কক্ষ আছে তা কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাল না। আনন্দবাজার পত্রিকা
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ৩৯১ কর্মকর্তা

প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব ও সমমর্যাদার ৩৯১ কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার গভীর রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পদোন্নতির আদেশ জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। নতুন উপসচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

তিন স্তরে পদোন্নতির গুঞ্জনের মধ্যে সর্বশেষ গত ২১ ডিসেম্বর যুগ্ম-সচিব পদে ১৯৩ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল। এর আগে ১১ ডিসেম্বর অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পান ১২৮ যুগ্মসচিব।

তবে উপ-সচিব পদে এর আগে বড় ধরনের পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল গত বছরের ২৩ এপ্রিল। ওই সময় ২৬৭ কর্মকর্তা উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।

উপসচিব থেকে উপরের পদগুলো সরকারের পদ হিসেবে গণ্য করা হয়। এবার প্রশাসন ক্যাডার থেকে এ পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৮৬ জন কর্মকর্তা। অন্যান্য ক্যাডার থেকে উপসচিব হয়েছেন ১০৫ জন কর্মকর্তা।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ অনুযায়ী উপসচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ২৫ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিবেচনায় নিতে হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ‘প্রশাসনে উপসচিব পদে এমনিতেই নিয়মিত পদের চেয়ে বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা রয়েছেন। তার উপর আবার নতুন করে পদোন্নতি দেয়া হলো। এতে প্রশাসনে আরো বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদোন্নতির পর উপসচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৭৪৫ জন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘উপসচিবের নিয়মিত পদ সাড়ে আটশ’র মতো।’

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের তালিকা দেখতে ক্লিক করুন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় একুশের প্রথম প্রহরে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহিদদের স্মরণ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: একুশের প্রথম প্রহরে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহিদ বেদীতে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করেছে।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবি আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালায় পুলিশ। এতে শহীদ হন রফিক, জব্বার, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা আরো অনেকে। পাকিস্তান শাসনামল থেকেই দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করে আসছে বাঙালিরা। ভাষার দাবিতে বিশ্বের প্রথম কোনো জাতি জীবন দেওয়ায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো।

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর একটি সভায় ১৮৮টি রাষ্ট্রে সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালন করছে বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী। দিবসটি উদ্যাপনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিন¤্র শ্রদ্ধায় ভাষা শহিদদের স্মরণ করতে প্রভাতফেরি লক্ষ্য করা যায়। এরপর বুধবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

শহিদ বেদীতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন সাতক্ষীরা-০২ ও সাতক্ষীরা-০১ আসনের সংসদ সদস্যদ্বয় যথাক্রমে মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ও এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা পুলিশ সুপার মো.সাজ্জাদুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল হান্নান, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তহমিনা খাতুন প্রমুখ। এরপর দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে শহিদ মিনারের বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন রাজনীতিক, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, ছাত্রসহ সকল শ্রেণি-পেশা ও বিভিন্ন বয়সের মানুষ।

মনোরম আল্পনাআঁকা শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে খালি পায়ে ভিড় করেন তারা। পর্যায়ক্রমে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন- সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাব, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, জেলা শ্রমিক লীগ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, জেলা কৃষক লীগ, দৈনিক পত্রদূত, দৈনিক দৃষ্টিপাত, দৈনিক যুগেরবার্তা, দৈনিক কালের চিত্র, দৈনিক দক্ষিণের মশাল, ডেইলি সাতক্ষীরা, ভয়েস অব সাতক্ষীরা, সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ, দিবা-নৈশ কলেজ, ছফুরননেছা মহিলা কলেজ, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ, জেলা কারাগার, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি, জেলা জাতীয় পার্টি, জেলা জাতীয় যুব সংহতি, জাতীয় ছাত্র সমাজ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, জেলা কৃষকলীগ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদ, জেলা আইনজীবী সমিতি, সাতক্ষীরা পৌরসভা, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সাতক্ষীরা, চেম্বার অব কমার্স, রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরা, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, নবজীবন ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি, সাতক্ষীরা আহছানিয়া আদর্শ আলিম মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা জেলা স্কাউটস্, সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতি, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), জেলা শিল্পকলা একাডেমী, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন, সাতক্ষীরা শিশু একাডেমি, নলকুড়া নাট্য গোষ্ঠী, বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ, সাতক্ষীরা ‘ল’ কলেজ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, বর্ণমালা একাডেমি, দীপালোক একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, নলকুড়া তরুণ সংঘ, সাতক্ষীরা অন লাইন প্রেসক্লাব, জেলা মিনিবাস মালিক সমিতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এড. এন্তাজ আলী স্মৃতি সংসদ, ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখা, জেলা মন্দির সমিতি, পৌর শ্রমিকলীগ, মটর সাইকেল চালক এসোসিয়েশন, জেলা মাহিন্দ্রা থ্রি হুইলার চালকলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ অন্যান্য ছাত্রসংগঠন এবং সর্বস্তরের নাগরিকেরা ফুল দিয়ে বায়ান্নর ভাষাশহীদদের স্মরণ করেন। মাইকে বাজতে থাকে অমর একুশের গানের করুণ সুর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি। ধারাভাষ্যকারেরা অবিরাম কবিতার পক্তিমালা আবৃত্তি করেন। ঘোষণা মঞ্চে দায়িত্ব পালন করেন তৈয়েব হাসান বাবু, শেখ মোসফিকুর রহমান মিল্টন, শামীমা পারভীন রতœা, ও আবু আফ্ফান রোজ বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভাষাশহীদদের স্মরণ করার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরেই শুরু হয়েছে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। গোটা জাতি ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মধ্যরাতে ছুটে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

খালি পায়ে প্রভাতফেরি আর মুখে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান। সেই প্রভাতফেরি গিয়ে মিলবে শহীদ মিনারের পাদদেশে।

রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমেই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তারপরই বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুজনই সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে নিয়েও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। পরে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা বাংলা ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

মধ্যরাতে শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ঘিরে সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

১৯৫২ সালের এই দিনে ‘বাংলাকে’ রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসকগোষ্ঠীর চোখ-রাঙানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে।

মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শঙ্কিত করে তোলায় সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।

মাতৃভাষা আন্দোলনের ৬৬ বছর পূর্ণ হলো আজ। ২১ ফেব্রুয়ারি শোকাবহ হলেও এর যে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় পৃথিবীর বুকে অনন্য। কারণ বিশ্বে এ যাবৎকালে একমাত্র বাঙালি জাতিই ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) ১৯৯৯ সালে মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আরাফাত হোসেন লিটন: “ধান লাগিয়ে ক্ষেতে যদি ডাল পুতে দাও, পাখি বসে ধরে খাবে মাজরা পোকার ছাও” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে দেবহাটায় বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে ধানের ক্ষেতে পার্চিং উৎস এবং কৃষকদের মাঝে ডালের বীজ ও ফেরোমন ট্রাফের উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে সখিপুর ইউনিয়নের মাঘরী ব্লকে উক্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসীম উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, প্রভাষক শেখ শরিফুল ইসলাম পলাশ, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আহাদ আলী খান, মোস্তফা আহম্মেদ, মনিরুল ইসলাম, জিএম আল-মামুন, আহম্মদ সাঈদ, ইব্রাহিম খলিল, আফজাল হোসেন, আলাউর রহমান, জাহিদুর রহমানসহ মাঘরী ব্লকের কৃষকরা। এসময় বোরো ধানের ক্ষেতে যেয়ে পার্চিং অথ্যাৎ পাখি বসার জন্য ধানের খেতে গাছের ডাল বা অন্য উপকরণ ব্যবহার করে বিষমুক্ত প্রকৃতিক উপায়ে ফসলের ক্ষতিকর পোকা দমন করার উপায় বাস্তবে দেখান অতিথিরা। এছাড়া রাজস্ব খাতের বাজেটের আওতায় প্রদর্শনীর জন্য ৮৪জন কৃষকের মাঝে ৮ কেজি হারে মুগের ডাল এবং বিষমুক্ত কুমড়া জাতীয় ফসল উৎপাদন করতে ফেরোমন ট্রাফের বক্স ও লিওর বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আরাফাত হোসেন লিটন: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলাধীন ৪ নং নওয়াপাড়া ইউনিয়নের আস্কারপুর কেন্দ্রীয় আলিমীয়া কল্যাণ সংস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ৩৩ তম ইসলামী মহা সম্মেলন ২২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার হতে শুরু হচ্ছে। আলহাজ্জ আলিম বক্স শাহ্ ওয়ার্ছি প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রীয় আলিমীয়া কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ২২, ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. এবং ১০, ১১ ও ১২ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ রোজ বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার ৩ দিন ব্যাপি ইসলামী মহাসম্মেলনের প্রথম দিন বাদ ফজর হতে আছর পর্যন্ত পবিত্র তেলোয়াতে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া। বাদ মাগরিব হতে জেকের আসকার ও মিলাদ মাহফিল। ১ম দিন বৃহস্পতিবার যে সমস্ত আলেম পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে তাফসির পেশ করবেন তারা হলেন- মুফতি মুহাদ্দেস হযরতে মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম পাটান (খতিব, কুতুববাগ শাহী জামে মসজিদ, ঢাকা), হযরত শাহসুফী আবু আইয়ুব আনসারী (সাতক্ষীরা), ক্বারী মো. আলাউদ্দীন (খতিব, গান্ধুলিয়া জামে মসজিদ, মৌতলা) ও হযরত মাওলানা মো. আঃ মোমিন (নলতা শরীফ, সাতক্ষীরা)। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১১ফাল্গুন শুক্রবার দিবা -রাত্র ওয়াজ মাহফিল, হামদ ও নাত। মাহফিলে আলোচনা রাখবেন -আলহাজ্জ মাওলানা আ ন ম মাসুদ হোসাইন আল ক্বাদরী ( খতিব, ইমাম হোসাইন ইবনে আলী রা: জামে মসজিদ এবং নির্বাহী সচীব আহালে সুন্নাত আল জামাত, ঢাকা), হযরত মাওলানা মো. আশরাফুল ইসলাম (খতিব, কালিগঞ্জ থানা জামে মসজিদ, সাতক্ষীরা ), পীরে তরিকাত মুফতি আবু সাফুয়ান মো. আশরাফুল ওয়াদুদ (কামিল, হাদিস ,ফিকাহ, তাফসীর প্রথম শ্রেণি ও খতিব, শাহেস্তানগর গাউছিয়া জামে মসজিদ ) সহ অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম বক্তব্য রাখবেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১২ ফাল্গুন শনিবার বাদ ফজর হতে সকাল ৯টার মধ্যে আখেরী মোনাজাত। সকাল ১০টার পর নলতা শরীফে হজরত শাহসুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.) এঁর পাক রওজা শরীফ জিয়ারত ও চাদর পেশ। উক্ত ইসলামী মহাসম্মেলনে উপস্থিত হয়ে দো’জাহানের অশেষ নেকী হাসেলের জন্য অত্র সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামী মহা সম্মেলন উদযাপন কমিটির আহব্য়াক আলহাজ্জ মো. আকদাছ হোসেন মন্টু সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্বাধীনতা বিরোধী বই বাজারজাত বন্ধে শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতা বিরোধী বই ক্রয়, বিক্রয় ও বাজারজাত না করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৯ ফেব্র“য়ারি ০৫.৪৪.৮৭০০.০১০.৫৪০.১৮ নং স্মারকে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ জাকির হোসেন এক নির্দেশ দেন। নির্দেশে তিনি উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি কিছু অসাধু পুস্তক প্রকাশন মহান স্বাধীণতা বিরোধী পুস্তক প্রকাশপূর্বখ বাজারজাতকরনের মাধ্যমে দেশের ছাত্র সমাজ/জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে। দেশ, জাতি ও ছাত্রসমাজের বৃহত্তর স্বার্থে কতিপয় অসাধু পুস্তক প্রকাশক/ ব্যবসায়ীদের এ ধরনের অপচেষ্টা রোধ করা প্রয়োজন। যে কারণে জেলা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাতে মহান স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী কোন ধরনের বই ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রচলন করতে না পারে সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest