সর্বশেষ সংবাদ-

সুপ্রিমকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও বন্ধ হয়নি কুশখালী গরুর খাটাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুপ্রিমকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও বন্ধ হয়নি সাতক্ষীরা সদরের কুশখালী গরুর খাটাল। বরং সুপ্রিমকোর্টের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আজ বৃহস্পতিবার(২২.০২.১৮)ও এসেছে গরু, চলেছে সাতক্ষীরা সদরের কুশখালী গরুর বিট/খাটাল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতনমহলের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর গ্রামের জামিনী রায়ের ছেলে দেবব্রত কুমার রায় কুশখালী বিট/খাটাল পরিচালার জন্য হাইকোর্টে ৮৮১৫/২০১৭ নম্বর রিট পিটিশন দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ৮ জুন ওই রিট পিটিশন অনুযায়ী দেবব্রত রায় কুশখালী বিট/খাটাল পরিচালনার দায়িত্ব পান। এর পর থেকে দেবব্রত কুশখালী বিট/খাটাল পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু কুশখালী গ্রামের ফজলুল রহমানের ছেলে ও কুশখালী ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্যামল হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে কুশখালী বিট/খাটাল স্থগিত চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের লিভ টু আপীল ৫৬৭/২০১৮ নম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে ৩০ জানুয়ারী সুপ্রিম কোর্ট ৫ ফেব্রয়ারী মামলার শুনানির দিন ধার্য করে এবং সুপ্রিমকোর্ট ৫ ফেব্রয়ারী পর্যন্ত কুশখালী বিট/খাটালের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে গত ৫ ফেব্রয়ারী শুনানীর দিন মহামান্য সুপ্রিমকোর্টের লিভ টু আপীল ৫৬৭/২০১৮ নম্বর মামলায় ০৫.০২.২০১৮ খ্রিঃ তারিখের আদেশ মোতাবেক রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের ৮৮১৫/২০১৭ নম্বর রীট পিটিশন মামলার ০৮.০৬.২০১৭ খ্রিঃ তারিখের আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করে। কিন্তু দেবব্রত রায় ওই আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কুশখালীর একজন প্রভাবশালী নেতা ও তার সাঙ্গপাঙ্গদেরও ইন্ধনে এখন পর্যন্ত খাটাল পরিচালনা করছে এবং আজ বৃহস্পতিবার(২২.০২.১৮) ওই খাটালে গরু এসেছে।

কুশখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, এখানে খাটালের আধিপত্ত নিয়ে এখানে গন্ডগোল হচ্ছে। দেবব্রত বাহির হতে এখানে এসে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বানিজ্য করেছে। সে এলাকায় কারো ভাগ দেয়নি। এটি নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে।

এ ব্যাপারে কুশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্যামল বলেন, গত ৫ ফেব্রয়ারী সুপ্রিমকোর্টের ফুল বেঞ্চ আগামী ৩০ চৈত্র পর্যন্ত কুশখালী বিট/খাটালের সকল কার্যক্রম স্থগিত করে, গত ১৮ ফেব্রয়ারী সাতক্ষীরা সদর ইউএনও, বিজিবি অধিনায়ক, রাজস্ব কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর হাইকোর্টের ওই আদেশের কপি দেওয়া হয়েছে। তারপরও এখনও খাটাল বন্ধ হয়নি। আমার মনে হয় প্রশাসনের কিছু অসৎ কর্মকর্তার যোগসাজসে দেবব্রত এখনও খাটাল চালাচ্ছে। তা না হলে সুপ্রিম কোর্টের স্টে অর্ডারের পরও কিভাবে গরু আসে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় স্কুল ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় জয়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এবং প্রাইম ব্যাংক এর সহযোগিতায় রসুলপুর যুব সমিতির মাঠে প্রাইম ব্যাংক ইয়ং টাইগার্স জাতীয় স্কুল ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ’২০১৭-১৮ এর আজকের খেলা সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় বনাম পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

খেলায় পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয় টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩০.২ ওভারে ১০টি উইকেট হারিয়ে ২১৭ রান করে। জবাবে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ব্যাট করতে নেমে ৪৪ ওভারে ৬টি উইকেট হারিয়ে ২২১ রান করে। ফলে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ০৪ উইকেটে জয়লাভ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরকীয়ার জের; ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে যুবলীগ নেতার স্ত্রী !

কুষ্টিয়ার খোকসায় বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন যুবলীগ নেতার স্ত্রী জুয়েনা হোসেন লিমা।

তবে সুজনের পরিবারের সদস্যরা আগে থেকে সংবাদ পেয়ে বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের চুনিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবু ওবাইদা সাফির সঙ্গে প্রায় ১২ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে জুয়েনা হোসেন লিমার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে লাব্বিব মাহমুদ লিপু (১০) নামে একটি ছেলে সন্তান আছে।

দেড় বছর আগে সাফি জেলে থাকাবস্থায় তার স্ত্রী লিমার সঙ্গে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনের পরকীয়ার সম্পর্ক হয়।

সম্প্রতি তাদের দুইজনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। নিজ দলের নেতার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কটি জানাজানি হলে গত জানুয়ারি মাসে আবু ওবাইদা সাফি তার স্ত্রী লিমাকে তালাক দেন। এরপর লিমা ঢাকার কেরানীগঞ্জে তার বাবার বাড়িতে চলে যান।

সংসার ভাঙার পর সুজনকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে রিমা। কিন্তু সুজন বিয়ে না করে নানা টালবাহানা করেন। গত সপ্তাহে সুজন বিয়ে করতে পারবে না বলে লিমাকে জানিয়ে দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় লিমা চুনিয়াপাড়ায় সুজনের বাড়িতে চলে আসেন। কিন্তু সুজনের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে চলে যান। পরে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন লিমা। বর্তমানে বাড়িতে লিমা একাই অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে জুয়েনা হোসেন লিমা বলেন, সুজনের সঙ্গে দুই বছর ধরে আমার সম্পর্ক চলে আসছে। এ সম্পর্কের কারণেই আগের সংসার ভেঙে গেছে। এখন সুজন বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই সুজনের বাড়িতে আমাকে আসতে হয়েছে।

জানতে চাইলে লিমার সাবেক স্বামী যুবলীগ নেতা আবু ওবাইদা সাফি বলেন, দেড় বছর আগে আমি জেলে থাকার সুযোগ নিয়ে সুজন আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিছু দিন আগে ওদের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে আমি সুজনের হাত ধরে অনেক অনুরোধ করেছি। ওকে বারবার বলেছি, আমাদের সুখের সংসার ভাঙার দরকার নেই। কিন্তু দুজনই আমার কথা শুনেনি। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে অনেক ক্ষতি হয়েছে। ওরা যা খুশি করুক, তাই আমি লিমাকে তালাক দিয়েছি।

এ বিষয়ে জানতে সায়েম হোসেন সুজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বয়স যতই বেড়ে যাক, হাঁটু যতই বিদ্রোহ করুক, তিনি তো এক্সপ্রেস- নড়াইল এক্সপ্রেস। তাকে থামানোর সাধ্য কার! মাশরাফি বিন মর্তুজা তাই এখনও ক্রিকেট মাঠে সরব। বল হাতে দুর্নিবার। প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন ধরাতে এখনও ওস্তাদ। যেদিন পুরো ছন্দে থাকেন, সেদিন প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপকে ধুমড়ে-মুচড়ে দিতে মোটেও কার্পণ্য করেন না।

তেমনই এক পারফরম্যান্স আজ দেখিয়ে দিলেন জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। এবারের প্রিমিয়ার লিগে তিনি খেলছেন আবাহনীর জার্সিতে। তবে নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড তার হাতে বাধা নেই। খেলছেন নাসির হোসেনের নেতৃত্বে। সে কারণ সম্ভবত চাপও কম। সে কারণেই নিজেকে আরও একবার পূর্ণভাবে মেলে ধরলেন শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের বিপক্ষে।

বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ৫ম রাউন্ডের ম্যাচে আজ (বৃহস্পতিবার) শেখ জামালের মুখোমুখি হয়েছে আবাহনী লিমিটেডের। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে আবাহনী তুলেছে ২৭০ রান। জবাব দিতে নেমে মাশরাফির তোপের মুখে পড়ে শেখ জামাল। জামাল শিবিরে রীতিমত আতঙ্ক ধরিয়ে দেন মাশরাফি।

২৯ রান দিয়ে একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট। যার চারটিই আবার বোল্ড। শেখ জামালের চার ব্যাটসম্যানের স্ট্যাম্প উল্টে দিয়েছেন মাশরাফি। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে ৪৫.৩ ওভারেই ২২৩ রানে অলআউট হয়ে যায় শেখ জামাল।

শেখ জামালের দুই ওপেনার ওপেনার জিয়াউর রহমান (১), সৈকত আলি (৩১), লেট অর্ডার আল ইমরান (২৪), নাজমুল হোসেনকে (৩) বোল্ড করেন মাশরাফি। তার হাতেই শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন আবু জায়েদ রাহি। যদিও এটা বোল্ড ছিল না, ক্যাচ ধরেছেন সাকলায়েন সজিব।

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এ নিয়ে ৫ উইকেট নিলেন ৪র্থবার। তবে সেরা বোলিং কিন্তু এটি নয়। ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেয়ার রেকর্ডও রয়েছে মাশরাফির। ৪ উইকেট নিয়েছেন ১১বার। যার একটি আবার এ আসরেই। ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ হওয়ার পর প্রিমিয়ার লিগে যে দুর্দান্ত বোলিং করে যাচ্ছেন ম্যাশ সেটা এরই প্রমাণ। খেলাঘরের বিপক্ষে ২৩ রানে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। কলাবাগানের বিপক্ষে নিয়েছেন ৪৯ রানে ৪ উইকেট।

শেখ জামালের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সেরার পুরস্কার অবশ্য মাশরাফির সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেন এনামুল হক বিজয়ও। কারণ, বিজয় ব্যাট হাতে খেলেন ১১৬ রানের ইনিংস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ে অর্থদণ্ড স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে (নিম্ন) দেওয়া রায়ের নথি পত্র তলব করেছেন আদালত। আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে এ কপি হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিলের গ্রহণযোগ্যতা শুনানিতে আদালত এসব আদেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

তিনি বলেন, আদালত আপিল শুনানির জন্য আগামী রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন। ওইদিন তার (খালেদা জিয়া) জামিন আবেদনেরও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আদালত ১৫ দিনের মধ্যে রায়ের নথি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রায়ের সঙ্গে দেওয়া জরিমানা স্থগিত করেছেন।

হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। রোববার দুপুর ২টার সময় আপিল ও জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হবে। আদালতে আজ (বৃহস্পতিবার) খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন এজে মোহাম্মদ আলী। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এর আগে খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য ৮৮০ পৃষ্ঠার জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। আবেদনে বয়স, শারীরিক অবস্থা ও সামাজিক মর্যদা বিবেচনাসহ মোট ৩৩টি যুক্তি দেখানো হয়।

আদালতের শুনানির সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজাক খান, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, কায়সার কামাল, আতিকুর রহমান, ফাইয়াজ জিবরান, এএকেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির, মুরাদ রেজা ও দুদকের মোশারফ হোসেন কাজল, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, শম রেজাউর করিম এবং কামরুল ইসলাম সজল।

দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান জাগো নিউজকে বলেন, সাজা রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকের্ট। একই সঙ্গে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকার অর্থদণ্ডের মধ্যে খালোদ জিয়ার ভাগে যেটুকু জরিমানা সেই অর্থদণ্ড স্থগিত করা হয়েছে। যা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়ার পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এছাড়া এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করেছেন। পাশাপশি নিম্ন আদালতের নথি ১৫ দিনের মধ্যে পাঠাতে ঢাকা বিশেষ জজ আদালতের ৫ এর বিচারককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ১২২৩ পৃষ্ঠার আপিল আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। আপিলে নিম্ন আদালতের পাঁচ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে ৪৪টি যুক্তি দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি সম্পূরক হিসেবে জামিন চাওয়া হয়।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদার আইনজীবী প্যানেলের অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজাক খান এ আপিল দায়ের করেন। এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রায় প্রদানকারী বিচারক ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরের পর ১ হাজার ১৭৮ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিশেষ জজ ৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ডের রায় দেন। একইসঙ্গে দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীকে সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংবিধান ও দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা বলে তিনি বলেন, দেশের এবং বিশ্বের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বদা সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

সংবিধান ও দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল হয়েছে। বিশ্বের উন্নত দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল খাতে অবদান রাখছে বাংলাদেশ। অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন হয়েছে। ৫ কোটি মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত থেকে ওঠে এসেছে। উন্নয়ন প্রকল্পের ৯০ ভাগ নিজস্ব অর্থায়নে ব্যয় করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি আকাশপথে ঢাকা থেকে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুরের কাদিরাবাদ সেনানিবাসে এসে উপস্থিত হন। টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয়বারের মতো রাজশাহীতে সফর করছেন। সেখানে সেনাবাহিনীর কুচকাওয়াজে সালাম ও অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি।

নাটোরের কাদিরাবাদ সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের ষষ্ঠ কোরের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

দুপুরের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী যাবেন। সেখানে বিকেলে মহানগরীর মাদ্রাসা ময়দানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেবেন। মাদ্রাসা ময়দান থেকে ২১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও ১২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সাত বছর আগে রাজশাহীর এই ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে দলীয় জনসভায় ভাষণ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর বাগমারা, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চারঘাটে আওয়ামী লীগের জনসভায় যোগ দেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর পবায় দলীয় জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহম্মদ শফিউল হক, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহম্মেদ সিদ্দিক, নৌ বাহিনীর প্রধান এডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাসহ ইঞ্জিনিয়ার সেন্টার এন্ড স্কুল অব মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরিরত কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পদবীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে বেশ অনেকদিন ধরেই চলছে বিতর্ক। কেউ বলছেন, ৫ দিনের ক্রিকেট এখন আর চলে না; এটাকে ৪ দিনে কিংবা ৩ দিনে নামিয়ে আনা হোক।

আবার কেউ বলছেন, টি-টোয়েন্টির যুগে ধীরে ধীরে টেস্ট ক্রিকেটটাই বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু ক্রিকেটের শাস্ত্রীয় বিশেষজ্ঞরা টেস্ট ফরম্যটে কোনো পরিবর্তন আনতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে নতুন এক মন্তব্য করে আলোড়ন তুললেন সাবেক ইংলিশ ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেন।

টুইটারে পিটারসেন লিখেছেন, ‘আমি বলে দিলাম, আগামী দশ বছরে টেস্ট ক্রিকেট হবে পাঁচ দলের খেলা। ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত পাকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়া ছাড়া আর কোনো দল টেস্ট খেলতেই পারবে না। তাদের বিপক্ষে এই পাঁচ দল টেস্ট খেলতে চাইবে না। তখন আমার এই টুইটের কথা সবাই স্মরণ করবে। ‘

পিটারসেনের কথাটা বেশ অহংকারসুলভ হয়ে গেলেও এতে বাস্তবতা আছে। এখনই ক্রিকেটের বড় শক্তিগুলো জিম্বাবুয়ে, বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত দলের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে চায় না।

চাইলেও সেটা এক ম্যাচ থেকে সর্বোচ্চ ২ ম্যাচ হতে পারে। অবাক করা ব্যাপার হলো, পিটারসেনের তালিকায় নিউজিল্যান্ডের নামও নেই! যদিও টেস্ট ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড এত দুর্বল দল নয়।

টেস্ট প্লেয়িং দলগুলোর জন্য ম্যাচ খেলার দিক দিয়ে সমতা আনার দাবি অনেকদিনের। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আইসিসি চাইলেও বড় দলগুলো নিচের সারির দলের সঙ্গে টেস্ট খেলতে চায় না। ২০১৭ সালে প্রথমবারের মত ভারতে টেস্ট সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার ১৭ বছর পর সেটা ছিল ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম একমাত্র টেস্ট খেলা। এরপর বাংলাদেশের মাটিতে ৯ বছর পর অস্ট্রেলিয়া আসে। সেটাও অনেক ঝামেলার পর। পিটারসেনের ভবিষ্যদ্বানী মিথ্যা প্রমাণ করার দায়িত্ব এখন আইসিসির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় কর্মরত বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ২৩ কর্মকর্তাকে রাজধানীর বাইরে বদলি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন এলাকার কলেজে তাদের বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের তদারক ও মূল্যায়ন শাখার পরিচালক মো. সেলিম, উপপরিচালক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার, শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকি, খ ম রাশেদুল হাসান, সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।
বাকিরা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত। এসব কর্মকর্তার মধ্যে কেউ কেউ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে রয়েছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest