সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in België

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষ ঠেকাতে জেলায় জেলায় তদারক দল

অনলাইন ডেস্ক: পুলিশ বাহিনীতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদের নিয়োগে ঘুষ ঠেকাতে জেলায় জেলায় তদারক দল পাঠাবে পুলিশ সদর দপ্তর। এই দলের উপস্থিতিতে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। কনস্টেবল নিয়োগ নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল পদে নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে গত রোববার পুলিশের অপরাধবিষয়ক সভায় আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, জেলায় জেলায় কনস্টেবল নিয়োগে লাখ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হচ্ছে। এই দুর্নীতিতে পুলিশের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতারাও জড়িত। পুলিশ বাহিনীর কনস্টেবল নিয়োগ নিয়ে সব সময়ই অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কিছু নেতার কাছে চাকরিপ্রার্থীরা ধরনা দিতে শুরু করেন।

এর আগে এ বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে এই নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে তা স্থগিত করা হয়। রোববারের অপরাধবিষয়ক সভায় কনস্টেবল নিয়োগপ্রক্রিয়া দুর্নীতিমুক্ত করার নির্দেশ দেন পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী।

সদর দপ্তরের সংস্থাপন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এ বছর সাড়ে আট হাজার পুরুষ, দেড় হাজার নারীসহ মোট ১০ হাজার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল গত বছরের ২১ ডিসেম্বর। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই নিয়োগ চলবে ১২ মার্চ পর্যন্ত। এ সময় ৬৪ জেলায় নিয়োগ দেওয়া হবে। এত দিন পুলিশ সুপাররা তাঁদের নিজের মতো করে নিয়োগ দিতেন। এবার সেই প্রক্রিয়া তদারক করতে প্রতি জেলায় দুজন করে কর্মকর্তা যাবেন। তাঁদের একজন পুলিশ সুপার ও অন্যজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদের হবেন। তাঁরা প্রশ্ন তৈরি করা, পরীক্ষা নেওয়া, খাতা কোডিং করা, উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা থেকে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সবকিছু তদারক করবেন। এই দলের উপস্থিতিতেই নিয়োগ চূড়ান্ত করা হবে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, এতে কনস্টেবল নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ কমে যাবে।

সূত্র: প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আয়ু বৃদ্ধিসহ থানকুনি পাতার বিস্ময়কর ৮টি উপকারীতা

প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসা শাস্ত্রের জন্ম লগ্ন থেকেই এই শাকটির ব্যবহার হয়ে আসছে। কারণ থানকুনি পাতা বা ব্রাহ্মী শাক খেলে নাকি ব্রেন পাওয়ার অনেক বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে মেলে আরো অনেক উপকার। সত্যিই কি তাই? একেবারেই! কারণ এই শাকটির গুণাগুণকে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও মান্যতা দিয়েছে। তাই রোগমুক্ত জীবনের পথের সন্ধান পেতে আজই খাওয়া শুরু করুন থানকুনি।

প্রসঙ্গত, প্রতিদিনের ডায়েটে ব্রাহ্মী শাকের অন্তর্ভুক্তি ঘটালে সাধারণত যে যে উপকারীতাগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হল…

১. ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ে
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত কয়েকটা করে থানকুনি বা ব্রাহ্মী শাকের পাতা মুখে নিয়ে চেবালে ধীরে ধীরে ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। তাই তো ব্রঙ্কাইটিস, বুকে কফ জমা এবং সাইনাসের মতো সমস্যা কমাতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি দারুন কাজে আসে। এবার বুঝেছেন তো নিয়মিত এই শাকটি খাওয়ার প্রয়োজন কতটা!

২. বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে থানকুনি বা ব্রাহ্মী শাকে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ব্রেনের হিপোকম্পাস অংশটির ক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি চোখে পড়ার মতো বাড়তে শুরু করে। প্রসঙ্গত, মনোযোগ বাড়াতেও এই শাকটি বিশেষ ভূমিকা নেয়। কারণ ব্রেনের হিপোকম্পাস অংশটির ক্ষমতা বাড়ছে না কমছে, তার উপর মনোযোগের বাড়া-কমা অনেকাংশেই বৃদ্ধি পায়।

৩. রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে
অতিরিক্ত টেনশনের কারণে কি ব্লাড প্রেসার ওঠা-নামা করছে? তাহলে আজ থেকেই ব্রাহ্মী শাক খাওয়া শুরু করুন। কারণ এই শকটি রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্লাড প্রেসার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কারণে যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৪. ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে
এই শাকটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদানটি শরীর থেকে নানাবিধ ক্ষতিকর উপাদানদের বার করে দিয়ে একদিকে যেমন ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকায়, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই কারণেই তো সুস্থ জীবন পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে ব্রাহ্মী শাকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করাটা জরুরি।

৫. দেহের অন্দরে প্রদাহ কমায়
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে শরীরের কোনও জায়গায় কেটে যাওয়ার পর ক্ষতস্থানে ব্রাহ্মী শাক বেঁটে লাগালে জ্বাল-যন্ত্রণা একেবারে কমে যায়। শুধু তাই নয়, নিয়মিত এই শাকটি খেলে শরীরের অন্দরে তৈরি হওয়া ইনফ্লেমেশনও কমে যেতে শুরু করে। ফলে কমে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।

৬. স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির মাত্রা কমায়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ব্রাহ্মী শাক খেলে মস্তিষ্কের অন্দরে স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির জন্ম দেওয়া কর্টিজল হরমোনের ক্ষরণ কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক চাপ যেমন কমে, তেমনি মনের হারিয়ে যাওয়া অনন্দও ফিরে আসে। প্রসঙ্গত, আজকের দিনে ছাত্র-ছাত্রী হোক কি চাকরিজীবী, সকলেই নানা কারণে বেজায় মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন। ফলে ডিপ্রেশনের মতো মানসিক রোগের খপ্পরে পরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ব্রাহ্মী শাক খেলে কতটা উপকার মিলতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
নিয়মিত এই শাকটি খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করে তুলতে সাহায্য করে। আর একবার ইমিউনিটি বেড়ে গেলে কোনও ধরনের সংক্রমণ তো ধারে কাছে ঘেঁষতে পারেই না, সেই সঙ্গে আরও নানাসব রোগ দূরে পালাতেও বাধ্য হয়।

৮. অ্যালঝাইমার রোগকে দূর রাখে
ব্রাহ্মী শাকে উপস্থিত ব্যাকোসাইড নামক এক ধরনের বায়ো-কেমিকাল ব্রেন টিস্যুর ক্ষত সারিয়ে তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্রেন পাওয়ার কমে যাওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি কগনিটিভ ফাংশন কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পৃথিবীতে সম্ভবত সবচেয়ে ভারী বস্তু হচ্ছে বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ।কিন্তু সেই লাশ কাঁধ থেকে নামিয়ে কবরে রেখেই ফুটবল মাঠে নামলেন এক বাবা।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরাকে। সন্তান মারা যাবার চব্বিশ ঘণ্টাও পার হয়নি। পরক্ষণেই মাঠে ফুটবল খেলতে নেমে পড়লেন বাবা।

ইরাক প্রিমিয়ার লিগের দল নাফত মেসানের হয়ে খেলেন আলা আহমেদ। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল তার কাছে। তিনি গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। বৃহস্পতিবার মারা যায় তার ছেলে। শুক্রবার শোক চাপা দিয়ে আহমেদ মাঠে নামেন ম্যাচ খেলতে। ম্যাচের আগে ক্লাবের কোনো সহ খেলোয়াড়, কোচ কাউকে জানাননি শোক সংবাদ।

ইরাক প্রিমিয়ার লিগে আল শারতার সঙ্গে ম্যাচ ড্র করে নাফত মেসান। ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলেন আলা আহমেদ। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর পুত্র-বিয়োগের বেদনা আর বুকের মধ্যে চেপে রাখতে পারেননি আলা আহমেদ। মাঠেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তখনই বিষয়টি জানতে পারেন তার সতীর্থরা। সতীর্থরা সমবেদনা জানান আলা আহমেদকে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে জন্মের কয়েক ঘণ্টা পরেই মারা যায় আমেরিকান ফুটবলার মারকুইজ গোডউইনের সন্তান। কিন্তু সন্তানের মৃত্যুর কিছুক্ষণ পরই খেলতে নেমে পড়েন মারকুইজ। শুধু তাই নয়, দলের হয়ে একটি গোলও করেছিলেন আমেরিকার সেই ফুটবলার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঠকছে গ্রাহক : মোবাইল ফোন অপারেটরদের বিরুদ্ধে ৭৫৯ অভিযোগ

অজান্তে ব্যালেন্স কাটা, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেবা না দেয়াসহ গ্রাহকের সঙ্গে প্রতিদিনই নানা প্রতারণা করছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ছাড়াও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে গত সাত মাসে প্রায় ৭৫৯টি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। গত বছরের জুন থেকে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ৭৫৯ অভিযোগের মধ্যে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে ২১৩টি, রবির বিরুদ্ধে ২০১টি, সম্প্রতি রবির সঙ্গে একীভূত হলেও স্বাধীন ব্র্যান্ড হিসেবে থাকা অপারেটর এয়ারটেলের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৫৯টি অভিযোগ, বাংলালিংকের বিরুদ্ধে ১৪৮টি এবং টেলিটকের বিরুদ্ধে জমা পড়েছে ৩৮টি অভিযোগ।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর বলেন, ভোক্তারা প্রতারিত কিংবা হয়রানির শিকার হয়ে অধিদফতরে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু একটি মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতে রিট করায় গত বছরের ২৮ মে-এর পর থেকে অধিদফতর এ সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারেনি। আর রিটের কারণে এখন অপারেটরদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। তবে আইনি জতিলতা দূর হলে গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে অপারেটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর এ রিট আবেদনের আগে মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, যার ২৫ ভাগ অর্থ অভিযোগকারীদের প্রদান করা হয়। রবি অজিয়াটা লিমিটেড গত মে মাসে এ ধরনের জরিমানার বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করে, যেটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ওই রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অধিদফতর আইন অনুযায়ী মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এবার ক্রিকইনফো অ্যাওয়ার্ডের ১১তম আসর। দশটি ক্যাটাগরিতে ১০ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। পুরস্কার জয়ীদের তালিকায় অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে নাম থাকলেও নেই কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। শুরুতে তিন ধরনের ক্রিকেটে ব্যাটিং, বোলিংয়ে সেরা পারফরম্যান্স বাছাই করেছে ওয়েবসাইটটি।

শুরুতে তিন ধরনের ক্রিকেটে ব্যাটিং, বোলিংয়ে সেরা পারফরম্যান্স বাছাই করেছে ওয়েবসাইটটি। পরে সাবেক ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও ক্রিকইনফোর সিনিয়র সম্পাদকদের নিয়ে গঠিত জুরি বোর্ডের ভোটে নির্বাচিত করেছে সেরা পারফর্মারকে।

এবারের জুরি বোর্ডে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ইয়ান চ্যাপেল, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোর্টনি ওয়ালশ, পাকিস্তানের রমিজ রাজা, সাউথ আফ্রিকার ড্যারেন কালিনান, ভারতের অজিত আগারকার এবং ক্রিকইফোর সিনিয়র এডিটর মার্ক নিকোলসন।

এবার বেস্ট টেস্ট ব্যাটিং পারফরম্যান্সের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। টেস্ট বোলিং অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন অজি স্পিনার নাথান লায়ন।

গত বছর পুনেতে ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার অপ্রত্যাশিত জয়ে ভূমিকা ছিল স্টিভেন স্মিথের ১০৯ রানের ইনিংসের। ওই ইনিংসই পেয়েছে বছর সেরা টেস্ট ব্যাটিং পারফরম্যান্সের তকমা। আর বেঙ্গালুরুতে রবিচন্দন অশ্বিনের ৪১ রানে ৬ উইকেট নেয়া ম্যাচে ৫০ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন লায়ন। সেই বোলিং তাকে ক্রিকইনফোর পুরস্কার এনে দিয়েছে।

ওয়ানডেতে সেরা ব্যাটিংয়ের পুরস্কার উঠেছে পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি বিজয়ী ফখর জামানের হাতে। ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে অপরাজিত ১১৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন পাকিস্তানি ওপেনার। এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের মাত্র চতুর্থ ওয়ানডে।

একইভাবে ওয়ানডের সেরা বোলিং পারফরম্যান্সের পুরস্কারটিও গেছে পাকিস্তানের ঝুলিতে। মোহাম্মদ আমির জিতেছেন সেরা বোলিংয়ের অ্যাওয়ার্ড। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ১৬ রানে তিন উইকেট নিয়েছিলেন। তার বোলিং তোপেই ভেঙে পড়েছিল ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ।

টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভিন লুইস। ভারতের বিপক্ষে কিংস্টনে অপরাজিত ১২৫ রানের ইনিংসের কারণে পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এই ফরম্যাটে বোলিংয়ে পুরস্কার গেছে ভারতীয় স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালের ঘরে। বেঙ্গালুরুতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৫ রানে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন। তার জন্যই পুরস্কার।

ইংল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিদার নাইট সেরা অধিনায়কের পুরস্কার জিতেছেন। তিনি পেছনে ফেলেছেন অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ, ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও পাকিস্তানি অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদকে। গত বছর আইসিসি নারী বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল ইংল্যান্ড। ওই দলের অধিনায়ক ছিলেন হিদার নাইট।

ডেব্যুট্যান্ট অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন ভারতীয় স্পিনার কুলদীপ যাদব। তিনি পেছনে ফেলেন পাকিস্তানি স্পিনার শাদাব খানকে। অ্যাসোসিয়েট বোলিং পারফরম্যান্স অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন আফগানিস্তানের লেগস্পিনার রশীদ খান। অ্যাসোসিয়েট ব্যাটিং অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন স্কটল্যান্ডের কাইল কোয়েৎজার।

ক্রিকইনফো অ্যাওয়ার্ড এর আগে তিনবার করে জিতেছেন মিচেল জনসন, শচীন টেন্ডুলকার ও লাসিথ মালিঙ্গা। আর ডেল স্টেইন, বিরেন্দ্র শেওয়াগ, শহীদ আফ্রিদি, স্টুয়ার্ট ব্রড ও বিরাট কোহলি দু’বার করে জিতেছেন।

এক নজরে কে কী পুরস্কার জিতলেন
বেস্ট টেস্ট ব্যাটিং পারফরম্যান্স: স্টিভেন স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
টেস্ট বোলিং অ্যাওয়ার্ড: নাথান লায়ন (অস্ট্রেলিয়া)
ওয়ানডেতে সেরা ব্যাটসম্যান: ফখর জামান (পাকিস্তান)
ওয়ানডেতে সেরা বোলার: মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান)
সেরা অধিনায়ক: হিদার নাইট (ইংল্যান্ড)
ডেবুট্যান্ট অব দ্য ইয়ার: কুলদীপ যাদব (ভারত)
টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং অ্যাওয়ার্ড: এভিন লিউইস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
টি-টোয়েন্টি বোলিং উইনার: যুজবেন্দ্র চাহাল (ভারত)
অ্যাসোসিয়েট ব্যাটিং পারফরম্যান্স অব দ্য ইয়ার: কাইল কোয়েৎজার (স্কটল্যান্ড)
অ্যাসোসিয়েট বোলিং পারফরম্যান্স অব দ্য ইয়ার: রশীদ খান (আফগানিস্তান)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চোরাকারবারীদের কাছ থেকে নকল ওষুধ কিনছে রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত বেসরকারি অ্যাপোলো হাসপাতাল। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতর, ওষুধ প্রশাসন ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে এই তথ্যের প্রমাণ মিলেছে।

ল্যাবে রোগ নির্ণয়ের জন্য মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট (রোগ নির্ণয়ের জন্য রাসায়নিক উপাদান) ব্যবহার এবং ফার্মেসিতে ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদনহীন ওষুধ রাখায় সোমবার ইতোমধ্যে এই হাসপাতালকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ অভিযানের পর জাগো নিউজে ‘অ্যাপোলোকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বাংলাদেশের অন্যতম ব্যয়বহুল এই হাসপাতালের এমন প্রতারণা আশা করেনি কেউ। ফেসবুকে অনেকে লিখেছেন, এটি ভয়ঙ্কর। মানুষ যাবে কোথায়? অ্যাপোলো হাসপাতালের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে খুবই দুঃখজনক।

সোমবারের ওই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা। অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। কীভাবে অ্যাপোলোর মেয়াদোত্তীর্ণ আর অনুমোদনহীন ওষুধের সন্ধান পেলেন তিনি? অভিযানের ক্লু জানতে চাইলে সারওয়ার আলম বলেন, ‘সম্প্রতি রাজধানীর নিকুঞ্জ-২ এলাকা থেকে নকল ওষুধ এবং প্যাকেজিং ম্যাটিরিয়ালসহ এক চোরাকারবারী ও নকল ওষুধ বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। বিশেষ ক্ষমতা আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়। তার কাছ থেকে জব্দ করা কিছু আলামতের সূত্র ধরে অভিযানটি চালানো হয়।’

র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, ওই চোরাকারবারীর নাম মো. দেলোয়ার হোসেন। যাকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করে র‌্যাব। তিনি নিম্নমানের ভেজাল ওষুধ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্থল ও আকাশ পথে আমদানি করতেন। সেদিন তার বাড়ি থেকে মোট এক কোটি টাকার ওষুধ জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, দেলোয়ারের কাছ থেকে পলি ফার্মা নামে একটি ওষুধ বিক্রির বিল (রশিদ) উদ্ধার করে র‌্যাব। রশিদে অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃক দুটি আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ কেনার কথা লেখা ছিল। সেটি যাচাই-বাছাই করার জন্য অ্যাপোলো হাসপাতালে অভিযানটি চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় র‌্যাব। দিনভর অভিযানে সন্দেহের সত্যতা পাওয়া যায়।

অ্যাপোলো থেকে উদ্ধার করা ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতের ‘বেথান্যাকোল ক্লোরাইড ট্যাবলেট’। র‌্যাব জানায়, বিদেশি ওষুধগুলো স্ব স্ব দেশের আবহাওয়া অনুযায়ী বানানো হয়। এগুলো বাংলদেশে বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা হলে ওষুধ প্রশাসনের অনুমতি লাগে।

অ্যাপোলো হাসপাতালের অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি এবারই প্রথম নয়। ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর একই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রায় ১০ লাখ ওষুধ জব্দ করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একই বছরের ৩ জুলাই এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর দায় চাপে অ্যাপোলোর চিকিৎসকের ওপর। এ ঘটনায় সেসময় রাজধানীর ভাটারা থানায় ৩০৪ (ক) ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা করে ওই শিশুর পরিবার।

২০১৭ সালের মার্চে বাংলাদেশের সাবেক পেস বোলার সৈয়দ রাসেলের ভুল এমআরআই রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ ওঠে এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে। সেসময় সৈয়দ রাসেল অভিযোগ করেন, ‘বাংলাদেশ অ্যাপোলো হাসপাতালের এমআরআই রিপোর্ট বলে আমার শোল্ডারের চারটা টেন্ডন (শিরা) ছেড়া। আর ভারতের (মুম্বাই) হাসপাতালের এমআরআই রিপোর্ট বলে আমার শোল্ডার ১০০ ভাগ ঠিক। শুধু একটা টেন্ডন একটু শুকিয়ে গেছে। যেটা থেরাপিস্ট দ্বারা ঠিক করা সম্ভব দু-তিন সপ্তাহে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ সিরিয়ায় আগুন নিয়ে না খেলতে আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার মস্কোতে ভালদাই ক্লাব কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

ল্যাভরভ বলেছেন, সিরিয়াকে ভাঙার ষড়যন্ত্রের বিষয়ে মস্কো উদ্বিগ্ন। মার্কিন আচরণই এই উদ্বেগের উৎস। আমেরিকাসহ কোনো কোনো দেশ সিরিয়া সংকটকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের ক্ষেত্রে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন ল্যাভরভ।

তিনি বলেন, সিরিয়ার দক্ষিণে আত্তানাফ এলাকায় আমেরিকা যে ‘জোন অব কন্ট্রোল’ গড়ে তুলেছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সেখানে অবস্থিত রুকবান শরণার্থী শিবিরটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মস্কো মনে করছে। আমেরিকা সেখানে মানবিক তৎপরতা চালাতে বাধা দিচ্ছে বলে ল্যাভরভ জানান।

রাশিয়ার মস্কোতে বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশের পদস্থ কর্মকর্তা ও চিন্তাবিদদের অংশগ্রহণে আজ থেকে এ সম্মেলন শুরু হয়েছে। এ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফও অংশ নিচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম বেলাল হোসাইন: জলাবদ্ধতা নিরসন, সকল নদী খাল পুনর্খনন, বাইপাস সড়ক আলীপুর চেকপোস্ট পর্যন্ত সম্প্রসারণ, সাতক্ষীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সুন্দরবন এলাকায় পরিবেশ বান্ধব পর্যটন কেন্দ্র ও ভোমরা স্থল বন্দরকে আধুনিকায়নের দাবিতে সোমবার বিকাল ৪টায় নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের এক মতবিনিময় সভা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার আহ্বায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুলের সঞ্চালনায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, জেলা জাসদের সভাপতি কাজী রিয়াজ, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক সুধাংশু শেখর সরকার ও স্বপন শীল, সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ারের সভাপতি ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবিদুর রহমান, সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, অগ্রগতির পরিচালক আব্দুস সবুর, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন লস্কর শেলী, জেলা রেস্তোর মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম, বাসদের সংগঠক এড. খগেন্দ্র মন্ডল, সাংবাদিক বরুণ ব্যনার্জী, সিপিবি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ রহমান, আমির হোসেন খান চৌধুরী, সুশীলনের জেলা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান, উত্তরনের এড. মনির উদ্দীন, রওনক বাসার, লোদী ইব্রাহিম, ওমর আলী সরদার প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার সবচেয়ে বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতার নিরসনের জন্য অবিলম্বে সাতক্ষীরার বেতনা, প্রাণ সায়ের খাল, মরিচ্চাপসহ সকল নদী,খাল খনন, সকল বিলের অপরিকল্পিত চিংড়ী চাষ বন্ধ এবং পানি নিষ্কাশনের সংযোগ খালগুলো খনন করা না গেলে সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী ব্যাপক জলাবদ্ধতার কবলে পড়তে হবে। এই ব্যাপারে প্রশাসনকে বার বার বলা শর্তেও প্রশাসন জলাবদ্ধতা নিরসনের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। অবিলম্বে যদি প্রশাসন পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না করে তবে সাতক্ষীরা জেলায় অনেক নতুন নতুন এলাকা জলাবদ্ধতার শিকার হবে।
এছাড়া সাতক্ষীরার মানুষের প্রাণের দাবি বাইপাস সড়কটি সম্প্রসারণ করে আলীপুর চেকপোস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা, সাতক্ষীরায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, পৌরসভাসহ জেলার সকল রাস্তাঘাট দ্রুত মেরামত, রেল লাইন, সুন্দরবনকে পরিবেশন বান্ধব পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা এবং ভোমরাস্থল বন্দরে আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করে সকল পণ্য আমদানি রপ্তানির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আগামী বাজেটে বরাদ্ধ রাখার আহ্বান জানান।
সভায় জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় নির্ধারণের জন্য হাফিজুর রহমান মাসুমকে আহবায়ক, ইঞ্জিনিয়র আবিদুর রহমান, আব্দুস সবুর, পলাশ রহমান, এড. মনির উদ্দীন, মনিরুজ্জামান ও রওনক বাসারকে সদস্য করে একটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য কি ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে একটি তথ্য নির্ভর প্রতিবেদন তৈরি করবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আগামী মার্চ এর ৩য় সপ্তাহের যে কোন দিন সাতক্ষীরায় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এ সংক্রান্ত একটি সেমিনার আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest