সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in België

দুর্নীতি বন্ধে কঠোর আইজিপি; আতঙ্কে দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তারা

অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। কারণ তাদের কড়া নজরদারিতে রেখেছেন নবনিযুক্ত আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। পাশাপাশি নিয়োগ, বদলি এবং পদোন্নতিতে কোনো ধরনের তদবির গ্রহণ করা হবে না বলেও হুশিয়ারি করে দিয়েছেন পুলিশপ্রধান।

তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। ইতিমধ্যে পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইডের (পিআইও) মাধ্যমে খোঁজখবর নেয়া শুরু হয়েছে। রোববার থেকে তৎপরতা বেড়ে গেছে পিআইও দফতরের।
পুলিশ সদর দফতরের এআইজি আবদুল্লাহ হীল বাকী এবং ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে কাজ শরু করেছেন এ দফতরের কর্মকর্তারা। প্রায় দুই ডজন পুলিশ কর্মকর্তার প্রোফাইল নিয়ে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র মতে, পুলিশ সদর দফতর মনে করে ঘুষ, দুর্নীতি ও মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে হলে সংশ্লিষ্ট ডিআইজি, কমিশনার ও এসপিদের সৎ থাকা জরুরি। কিন্তু দায়িত্বশীল অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর স্পষ্ট হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, কেউ কেউ ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এছাড়া তারা নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করা যাচ্ছে না।

কারণ যেসব ওসি বা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি বা পোস্টিং নেন তারা কর্মস্থলে যোগদান করেই ওই টাকা উঠাতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন। এজন্য মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশ করেন। পুলিশের কয়েকজন ডিআইজি, কমিশনার এবং এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অবৈধ লেনদেনের বিস্তর অভিযোগ জমা হয়েছে।
এ তালিকায় রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, ভোলা, যশোর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, রংপুর, মুন্সীগঞ্জ, শেরপুর এবং ঝিনাইদহসহ কয়েকটি এলাকার পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে।

এদিকে রোববার পুলিশ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক ক্রাইম কনফারেন্সে দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়েছেন পুলিশের নবনিযুক্ত আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। ওই ক্রাইম কনফারেন্সের বরাত দিয়ে সূত্র জানায়, পুলিশের ঘুষ ও দুর্নীতির কারণে দেশে মাদক ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না।

পুলিশ বাহিনীতে লোকবল নিয়োগ, পদায়ন ও বদলিতেও ঘুষ লেনদেন হচ্ছে। এই ঘুষের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতারাও জড়িত। সভায় পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, কোনো কোনো থানায় নতুন ওসি যোগদান করতে হলে তাকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়।

শুধু ওসি নন, এসআই ও এএসআই বদলি করতেও লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এত টাকা ঘুষ দেয়ার পর ওই কর্মকর্তা মাদকের সঙ্গে যুক্ত হবেন, এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া ঘুষের এই অর্থ তিনি তুলবেন কী করে? ডিসি বিপ্লব কুমার আরও বলেন, জেলার এসপিরা যদি ওসির কাছ থেকে টাকা নেন, তাহলে ওসিকে মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে বলবেন কীভাবে?
মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও ডিআইজিরা টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্য নিয়োগ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের যোগসাজশের কারণে মাদক বন্ধ হচ্ছে না।

ক্রাইম কনফারেন্সে অভিযোগ করা হয়, বেশির ভাগ ডিআইজি এক থানা থেকে আরেক থানায় ওসিদের পোস্টিং দেন টাকার বিনিময়ে। এসআই বদলি করতে লাখ লাখ টাকা নেন। কনস্টেবল থেকে এএসআই পদে পদোন্নতি দিতেও লাখ লাখ টাকা ঘুষ নেন। বলা হয়, কনস্টেবল নিয়োগে এসপির ঘুষ নেয়া বন্ধ করতে পারলে অনেক দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। এ সময় দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তার মধ্যে অস্বস্তি লক্ষ্য করা যায়। কনফারেন্স শেষে বিক্ষুব্ধদের অনেকে বলতে থাকেন, এভাবে ওপেন মিটিংয়ে যে ধরনের আলোচনা হলো তা শুভ লক্ষণ নয়।

সভায় পুলিশের আইজি জাবেদ পাটোয়ারী কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোনো পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত অপরাধের দায়ভার প্রতিষ্ঠান বহন করবে না। কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সামনে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগে কোনো রাজনীতিবিদদের কথা না শোনার আহ্বান জানিয়ে এসপিদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, এ নিয়োগ নিয়ে কোনো পুুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিন্দুমাত্র ছাড়া দেয়া হবে না। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে প্রত্যেক জেলায় পুলিশ সদর দফতর থেকে এসপি এবং অতিরিক্ত এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা পাঠানো হবে বলেও আইজি জানান।

তিনি বলেন, যেসব পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কনস্টেবল নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখাকে তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন। রোববারের ক্রাইম কনফারেন্স ও এর পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মনিরুজ্জামান বলেন, ঘুষ-দুর্নীতির বিষয়ে যে আলোচনা হয়েছে সে বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে পারব না। তবে এটুকু নিশ্চিত যে, মাদক বন্ধে পুলিশ সদর দফতর সর্বশক্তি নিয়োগ করবে। এর সঙ্গে কোনো আপস নেই। পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
সূত্র: যুগান্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অক্সফোর্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা

‘বাংলাদেশে আমার প্রথম সপ্তাহে দেশটির একজন নাগরিক আমাকে বলেছিলেন যে আমি অনেক বাংলাদেশির চেয়ে ভালো লিখি। এ মূল্যায়ন নিঃসন্দেহে অবাস্তব। তবে হয়তো তিনি বুঝিয়েছিলেন যে আমার লেখা বাংলা বেশি খারাপ না। এটুকুই যে পারি, তার কৃতিত্ব ড. উইলিয়াম রাদিচের।’ আমাজন ডটকমে রাদিচের লেখা বই ‘টিচ ইওরসেলফ বেঙ্গলি বুক’ গ্রন্থের মূল্যায়ন করতে কথাগুলো লিখেছেন একজন ক্রেতা। বাংলা ভাষার গুণমুগ্ধ এই বিদেশি নাগরিক আরো একজন ভিনভাষী বাংলা লেখকের লেখা বই পড়তে পরামর্শ দিয়েছেন বাংলা শেখায় আগ্রহী অন্য ভাষাভাষীদের। ডক্টর হানা রুথ থমসন। আমাজনে ড. হানা রুথের লেখা বেশ কয়েকটি বাংলা শিক্ষার বই বিক্রি হতেও দেখা যায়। উইলিয়াম রাদিচে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজে বাংলার অধ্যাপক। ডক্টর হানা রুথ থমসন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক।

পেশা সূত্রে বাংলাদেশ বা বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত বিদেশিরা ইংরেজিতে লেখা বিভিন্ন বই পড়ে বাংলা ভাষা যেমন রপ্ত করছেন, বিদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও রয়েছে স্বল্প থেকে দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে বাংলা শেখার সুযোগ; যার মধ্যে আছে অক্সফোর্ড, ইয়েল, হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির মতো খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ‘লার্নিং ইলিমেন্টারি বেঙ্গলি’ ও ‘মডার্ন বেঙ্গলি লিটারেরি টেক্সটস’ নামের দুটি কোর্স। ফ্যাকালটি অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের অধীন অক্সফোর্ডে বাংলা শেখানো হচ্ছে। অক্সফোর্ড বলছে, মূলত মাস্টার অব স্টাডিজ অথবা এমফিলের শিক্ষার্থীদের জন্য এলিমেন্টারি বেঙ্গলি কোর্সটি পরিচালিত হয়। বাংলা শিক্ষার হাতেখড়ি হয় রাদিচে লিখিত ‘টিচ ইওরসেলফ বেঙ্গলি বুক’ বইটি দিয়ে। অক্সফোর্ডের সাইটে দেওয়া (http://intranet.orinst.ox.ac.uk/isa/bengali_language.html) প্রসপেক্টাসে লেখা হয়েছে তাদের ‘আধুনিক বাংলা সাহিত্য পাঠ’ কোর্সে ‘মাইকেল মধুসূদন দত্ত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ চট্টোপাধ্যায় প্রভৃতিসহ কম পরিচিত লেখকদেরও রচনাও পড়ানো হচ্ছে।’

অক্সফোর্ড শিক্ষার্থীদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সংসদ বাংলা-ইরেজি অভিধান, সংসদ ইংরেজি-বাংলা অভিধান, জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের ‘বাংলা ভাষার অভিধান’ (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড), সুকুমার সেনের ‘অ্যান এটিমোলজিক্যাল ডিকশনারি অব বেঙ্গলি ১০০০-১৮০০ এ.ডি.’ পড়ার পরামর্শ দিয়েছে। নেই বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘বাংলা বানান অভিধান’।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বার্কলে) প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চতর—তিন স্তরে বাংলা কোর্স পরিচালনা করছে ‘ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়া স্টাডিজ’-এর আওতায়। তাদের সাইটে (https://southasia.berkeley.edu/berkeley-bangla-initiative) বলা হয়, আমেরিকার উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ই বাংলা শিক্ষাদানে এগিয়ে রয়েছে। তাদের বাংলার সংস্কৃতি ও সাহিত্য কোর্সে উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৪৭-এর উপমহাদেশ ভাগ এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানো হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয়টি তাদের প্রকাশনায় জানাচ্ছে। এদিকে নিউ ইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলের প্রি-কে ক্লাস পর্যায়ে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে অতি সম্প্রতি বাংলা অন্তর্ভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। জ্যামাইকার একটি স্কুলে নতুন শিক্ষাবর্ষে এই কার্যক্রম শুরু হবে বলে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খৎনা করলে ৬ বছরের কারাদণ্ড, তীব্র ক্ষোভ

প্রথম কোনো ইউরোপীয় দেশ হিসেবে খৎনা নিষিদ্ধের পরিকল্পনা করছে আইসল্যান্ড। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংসদে একটি বিল আনার পর তা নিয়ে দেশটির ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আইসল্যান্ড সরকার মূলত পরিকল্পনা করছে চিকিৎসা ছাড়া অন্য কোনো কারণে যেন খৎনা না করা হয়।

এরআগে ২০০৫ সালে আইসল্যান্ড এফজিএম (ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন) বা মেয়েদের যৌনাঙ্গ ছেদ নিষিদ্ধ করেছে।

সংসদে যে খসড়া বিলটি আনা হয়েছে সেখানে চিকিৎসা বাদে অন্য কোনো কারণে খৎনার জন্য শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে। সে শাস্তি হলো ছয় বছর কারাদণ্ড।

বিলে বলা হয়েছে, খৎনার মাধ্যমে শিশুদের অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। অন্যদিকে এটি নিষিদ্ধ করা ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার সামিল বলে অভিযোগ করছে মুসলিম ও ইহুদি সংগঠনগুলো।

আইসল্যান্ডের প্রগ্রেসিভ পার্টির সাংসদ সিলজা ডগ গানারসডটির বলছেন, এটি কারও ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাধীনতার বিষয় নয়, বরং এটি শিশুদের অধিকারের বিষয়। প্রত্যেকেরই অধিকার আছে তিনি কি বিশ্বাস করবেন বা করবেন না। কিন্তু শিশুদের অধিকারকে সবার ওপরে স্থান দিতে হবে।

আইসল্যান্ডের ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের ইমাম আহমাদ সিদ্দিক এ বিলের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘এটি আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ। এটাতো আমাদের ধর্মে হাত দেয়ার সামিল। আমি মনে করি এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।’

নরডিক ইহুদি কমিউনিটিজ এক বিবৃতি দিয়ে বিলটির নিন্দায় বলছে, ইহুদি ধর্মবিশ্বাসের সবচেয়ে কেন্দ্রীয় একটি রীতিকে এতে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। আপনারা ইহুদী ধর্মকে এমনভাবে আক্রমণ করতে যাচ্ছেন যা সারা বিশ্বের ইহুদিদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইকাভিকের বিশপ অ্যাগনেস এম সিগুরোয়ারডটির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে এরকম বিল পাস হলে আইসল্যান্ডের মুসলিম এবং ইহুদিদের মনে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে এই দেশটিতে তাদের আর জায়গা হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সংকট: ঢাকায় আসছেন তিন নোবেল বিজয়ী, জোলিকে আমন্ত্রণ

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পক্ষে অবস্থান নিতে ২২ ফেব্রুয়ারি আট দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তিন নারী। এরা হচ্ছেন ইরানের শিরিন এবাদি, ইয়েমেনের তাওয়াক্কুল কারমান ও যুক্তরাজ্যের মেইরিড ম্যাকগুয়ের। নারীপক্ষের আমন্ত্রণে তারা ঢাকায় আসছেন। এছাড়া, বিশ্বখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে সরকার। জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এ হলিউড তারকা।

নোবেল বিজয়ীদের ঢাকা সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে একজন কর্মকর্তা বলেন, ওই তিনজন নোবেল বিজয়ী নোবেল ওমেন্স ইনিশিয়েটিভের সদস্য। শান্তি, ন্যায্যতা ও সমতার জন্য তারা কাজ করে থাকেন। রোহিঙ্গাদের অবস্থা সরেজমিনে দেখতে তারা কক্সবাজার সফর করবেন। আশা করা হচ্ছে, তারা এখানকার অবস্থা দেখে প্রকৃত বাস্তবতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সেটি জানাবেন।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে আমন্ত্রণ

হলিউড অভিনেত্রী এবং জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

একজন কর্মকর্তা বলেন, গত নভেম্বরে কানাডার ভ্যানকুভারে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী ডিফেন্স মিনিস্টেরিয়েল সামিটে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি অংশগ্রহণ করেন। সেখানে দেওয়া বক্তব্যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া প্রায় প্রতিটি রোহিঙ্গা নারী হয় যৌন নিপীড়নের শিকার অথবা ধর্ষণ বা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সাক্ষী। এমএসএফ যেসব ধর্ষিতার চিকিৎসা করেছে তার অর্ধেকের বয়স ১৮ বছরের নিচে।’

কবে নাগাদ অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বাংলাদেশে আসতে পারেন? এমন প্রশ্নের জবাবে এই কর্মকর্তা বলেন, তার সফরসূচী নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বছরের প্রথমার্ধে তিনি সফর করতে পারেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এই হামলার ভয়াবহতাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। সেনাবাহিনী ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের তাণ্ডবে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, এই হামলায় তিন হাজারের মতো রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। এছাড়া, এখন পর্যন্ত দুটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তরিকুল ইসলাম লাভলু: কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার সোনাটিকারী আহ্ছানিয়া দরবেশ আলী মন্নুজান মেমোরিয়াল প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলে গতকাল সোমবার সকাল ৯ টায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী,অভিভাবক সম্মেলন,পুরস্কার বিতরণী সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে আলহাজ্জ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু দাউদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন,কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন,নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোনায়েম,বিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিক্ষক রজব আলী দৈনিক দৃষ্টিপাতের নলতা প্রতিনিধি ও কালিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম,সহ-সভাপতি ডাঃ জিএম ফজলুর রহামান,সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম লাভলু,বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য মঈনুল ইসলাম মুকুল,মোহর আলী,আলহাজ্জ ইদ্রিস আলী, আলহাজ্জ আবুল কাসেম,মাহবুবুল হক,পাপিয়া সুলতানা,শিরিনা খাতুনসহ শিক্ষকবৃন্দ,অভিভাবকবৃন্দ,শিক্ষার্থীবৃৃন্দ ও সুধিবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন,সুদর্শন কুমার ব্যানার্জি। অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে বিকাল ৩ টা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সভ্যতার উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীতে আবিষ্কৃত হয়েছে নানা ধরনের অস্ত্র। আদিমকাল থেকে মানুষ অস্ত্রের ব্যবহার শুরু করে নিজেকে বন্য প্রাণীর আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার জন্য। কিন্তু ধীরে ধীরে এখন অস্ত্রের ব্যবহার এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন অস্ত্রের ঝনঝনানি বেড়েছে মানুষ মানুষকে মারতেই। তার একটি নিদর্শন বলতে পারেন একটি দেশের ৩২ কোটি নাগরিকের মধ্যে ২৯ কোটি মানুষের হাতে অস্ত্রের থাকা। এর ফলও মারাত্মক আকার ধারণ করছে দেশটিতে। দেশটির নাম যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে সাধারণ মানুষ নিহত হওয়া প্রতিদিনের ঘটনা। গত বুধবারও দেশটির এক স্কুলে সাবেক ছাত্রের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। এমন গোলাগুলির ঘটনার পরই কিছু তাক লাগানো তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটিতে ঘটা এমন ঘটনার হিসাব রাখতে থাকা একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান ‘গান ভায়োলেন্স আর্কাইভ’।

১. প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে এলোপাতাড়ি গুলিতে (Mass Shooting) ৩৪৬ জন নিহত হন। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ৪৩২, এবং ২০১৫ তে এটি ছিল ৩৬৯।

২. যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ এলোপাতাড়ি গোলাগুলির (Mass Shooting) থেকে ‘বড় ধরনের এলোপাতাড়ি গুলি’ (Major Mass Shooting) কে আলাদা করে দেখা হয়। কোনো ঘটনায় চারজনের বেশি লোক নিহত হলে সেই ঘটনাকে ‘মেজর ম্যাস শুটিং’ বলা হয়। ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গড়ে প্রতি ৭২ দিনের ব্যবধানে একটি বড় ধরনের এলোপাড়াতি গুলির ঘটনা ঘটে। ২০০০ সাল থেকে ২০১০ পর্যন্ত এই ব্যবধান ছিল ১৬২ দিন। অর্থাৎ, দিন দিন এমন ঘটনার হার বেড়েই চলেছে। গত বছরের অক্টোবর মাসে লাস ভেগাসে বন্দুক হামলায় নিহত ৫৮ জনকে এই কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে

৩. গোলাগুলির কোনো বড় ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ’ এর দাবি উঠলেও আশ্চর্যজনকভাবে বেড়ে যায় অস্ত্র বিক্রি! উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসের কথা। আগের মাস নভেম্বরে সান বার্নান্দিনোতে হামলায় ১৪ জন নিহত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে ওবামা প্রশাসন অস্ত্র আইনে কড়াকড়ি আরোপের ঘোষণা দেয়। কিন্তু ডিসেম্বর মাসে দেখা যায় ব্যক্তিগত অস্ত্র কেনার হিড়িক পড়েছে মার্কিনীদের মধ্যে। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, নতুন হামলায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই অস্ত্র কেনায় আগ্রহী হন সাধারণ মানুষ।

৪.একই দিনে একাধিক স্থানে এলোপাতাড়ির গোলাগুলির ঘটনায় হত্যার ঘটনাও ঘটছে। গত বছরের অক্টোবরে একই দিনে মান্দালা উপকূলে এবং কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। উভয় ঘটনায় ৬২ জন নিহত হন।

৫.সাধারণ মানুষের অস্ত্রের বৈধ মালিকানার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে এক নম্বর। দেশটির শতকরা ৯০ শতাংশ মানুষের বৈধভাবে ব্যক্তিগত অস্ত্র রয়েছে। দেশটিতে ৩২ কোটি মানুষের হাতে ২৯ কোটি অস্ত্র রয়েছে। ২০০৭ সালের এক হিসাব মতে, যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের কাছে ২৫ থেকে ২৯ কোটি অস্ত্র রয়েছে। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা ৩২ কোটির একটু বেশি।

৬. ম্যাস শুটিং বা এলোপাতাড়ি গুলি নিয়ে এত তথ্য দিলেও যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে নিহতের সংখ্যার খুবই নগন্য অংশ এ ধরনের ঘটনায় হয়ে থাকে।
২০০১ সাল থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ১৩ বছরে দেশটিতে গুলিতে নিহতের সংখ্যা চার লাখ ছয় হাজার ৪৯৬ জন। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন এই তথ্য দিয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখ ৩৭ হাজার ৫২ জন নিজের বন্দুকের গুলিতে আত্মহত্যা করেছেন! অর্থাৎ, গুলিতে নিহতের ধরনের মধ্যে আত্মহত্যাই সর্বোচ্চ সংখ্যক। এক লাখ ৫৩ হাজার ১৪৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া সাড়ে আট হাজার জন দুর্ঘটনায় গুলিতে নিহত হয়েছেন। পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে চার হাজার ৭৭৮ জন।

৭.অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দিক থেকে মার্কিনীরা পুরোপুরি দ্বিধাবিভক্ত। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসের এক জরিপে দেখা গেছে, ৪৭ শতাংশ মার্কিনী নিজেদের হাতে বন্দুক রাখার পক্ষে। আর ৫১ শতাংশ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে। আগের দশক থেকে ব্যক্তিগত অস্ত্র রাখার পক্ষে জনমত বাড়ছে। ১৯৯৯ সালে ৬৫ শতাংশ লোক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের প্রশংসায় ট্রাম্প

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের গভীর প্রশংসাও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মো. শহিদুল হকের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপসহকারী লিসা কার্টিসের বৈঠকে এ কথা জানান কার্টিস। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস রবিবার এ তথ্য জানায়। এতে আরও বলা হয়, কার্টিস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপসহকারী এবং হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালকও। তিনি বৈঠকে বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কার্টিস বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিবের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশলের বিভিন্ন দিকও বৈঠকে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ ছাড়া তারা দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। কার্টিসের সঙ্গে বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রসচিব শহিদুল মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী মন্ত্রী অ্যালিস ওয়েলসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ওয়েলস বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন রোহিঙ্গা ইস্যু সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। তিনি এই জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। পররাষ্ট্রসচিব সর্বশেষ সাক্ষাৎ করেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসনবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত সহকারীমন্ত্রী মার্ক স্টোরেলার সঙ্গে। তিনি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় জোরালো সমর্থনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অভিনন্দন জানান। আর মার্ক স্টোরেলা বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে সরকারি বাহিনী ও তাদের মিত্রদের বিমান হামলায় ৯৪ জন নিহত হয়েছেন, যারা সবাই বেসামরিক নাগরিক। আহত হয়েছেন তিন শতাধিক। খবর রয়টার্সের।

বিরোধীদের হাতে থাকা একটি অঞ্চল দখলে নিতে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে সিরীয় বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের (এসওএইচআর) বরাত দিয়ে এই খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

এসওএইচআরের প্রধান রামি আবদেল রহমান বলেছেন, পূর্ব ঘুটা শহরতলীর আবাসিক এলাকাগুলো ছিল হামলার লক্ষ্যবস্তু। এতে বহু লোক হতাহত হয়।

তবে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ৭৭ বলে জানানো হয়েছে। নিহতদের সবাই বেসামরিক নাগরিক। এদের মধ্যে ২০ জন শিশুও আছেন।

আল জাজিরার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, অনেক আহত ব্যক্তিতে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে। তাদের সবার শরীর বেয়ে রক্ত ঝরছে। আহতদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সী মানুষ আছেন। তাদের আর্তনাদে হাসপাতালগুলো ভারী হয়ে এসেছে। তাদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্থানীয় এক চিকিৎসক বলেন, সরকারি বাহিনী আবাসিক এলাকায় যা কিছু নড়তে দেখেছে, সেসব এলাকায় গুলি করেছে। আহত মানুষের ভিড়ে ভরে গেছে প্রতিটি হাসপাতাল। প্রতিটি হাসপাতালে অনুভূতিনাশক ও অন্যান্য ওষুধ ফুরিয়ে গেছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest