সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরাসাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশুWie man bei Cipherwins Casino sicher ein- und auszahltনির্বাচনীয় জনসভায় বক্তব্য চলাকালিন সময় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি প্রকল্প পরিদর্শণে জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বাস শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারে নগদ অর্থ সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘বসন্ত, তুমি এসেছ হেথায়, বুঝি হল পথ ভুল। এলে যদি তবে জীর্ণ শাখায়, একটি ফোটাও ফুল।’ স্লোগানে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ ২০১৭’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সমাপনী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিশ^াস সুদেব কুমারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, উপাধ্যক্ষ এসএম আফজাল হোসেন।
পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে ক্বেরাত, গীতা পাঠ, দেশাত্ববোধক গান, ভক্তিগীতি, কবিতা আবৃত্তি (বাংলা), জ্ঞান জিজ্ঞাসা, নজরুল ও রবীন্দ্র সংগীত, বিতর্ক (বাংলা ও ইংরেজি), আধুনিক গান, একক ও দলীয় অভিনয়সহ সকল ইভেন্টের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-২০১৭ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক মো. আমানউল্লাহ আল হাদী, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম আফজাল হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মহাদেব চন্দ্র সিংহ, অধ্যাপক আবু হাশেম, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শাহিনুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আবুল কালাম আযাদ, প্রভাষক মফিজুল ইসলাম, নিগার সুলতানা, মাহমুদা খাতুন, অরুণাংশ কুমার বিশ^াস প্রমুখ। পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন অতিথিবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অধ্যাপক আনম গাওছার রেজা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন খালেদা জিয়া

দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে খালেদার আইনজীবী দলের সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মঙ্গলবার হাই কোর্টের সংশ্লিট শাখায় এই আপিল জমা দেন।

নথিপত্রসহ ১২২৩ পৃষ্ঠার ওই আবেদনে ফাইলিং লইয়ার হিসেবে আবদুর রেজাক খানের নাম রয়েছে। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালেদার জিয়ার খালাস চাওয়া হয়েছে ওই আবেদনে।

গতকাল সোমবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের সার্টিফায়েড কপি হাতে পায় খালেদার আইনজীবীরা। এর পরই আজ আপিল করবেন বলে তারা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, আপিল আবেদন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

এর আগে রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল ও জামিন আবেদনের প্রস্তুতিতে দফায় দফায় বৈঠক করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এই বৈঠকে ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, দুদক আইন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাচঁ বছর কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। রায়ের পরই তাকে ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুদ্ধ প্রশিক্ষণে সাপের রক্ত পান করে বেঁচে থাকে সৈন্যরা!

যুদ্ধ জয়ের প্রশিক্ষণে নানা রকম চ্যালেঞ্জ থাকে সৈন্যদের। কখনো ঘন জঙ্গলে শত্রুপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হয়। কখনো বা সম্মুখ সমরে। তবে যুদ্ধের আগে প্রশিক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি একটি প্রশিক্ষণের নাম ‘কোবরা গোল্ড’।

‘কোবরা গোল্ড’ হচ্ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। প্রতিবছরই এর আয়োজন করে থাকে থাইল্যান্ড। বলা হয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণ করে এমন বড় সামরিক প্রশিক্ষণগুলোর মধ্যে এটি একটি। এতে অংশ নিয়ে টানা ১০ দিন নৌ সেনাদের গভীর জঙ্গলে কাটাতে হয়। এ সময় সাপের রক্ত পান ও মাংস খেয়ে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।

যুক্তরাষ্ট্র ও থাইল্যান্ডের নৌবাহিনীর নেতৃত্বে ৩৭ বছর ধরে চলছে কোবরা গোল্ড যু্দ্ধ প্রশিক্ষণ। এটি নৌ সেনাদের সামরিক প্রশিক্ষণের একটি বড় অংশ।এবার এ প্রশিক্ষণ বসেছিল থাইল্যান্ডের চোনবুরি প্রদেশে। সেখানে নৌবাহিনীর সদস্যদের সাপের রক্ত ও মাংস খেতে দেখা গেছে।

এ ছাড়া ট্রেনিংয়ে মাকড়সা, কাঁকড়া বিচ্ছার শরীর থেকে কীভাবে বিষ বের করতে হয়, শেখানো হয় তাও। এমনকি কোন গাছ খাওয়া যায়, সেটিও খুঁজে বের করতে হয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের।এবার বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীর প্রায় ছয় হাজার ৮০০ সদস্য যোগ দিয়েছিলেন এই বিশেষ প্রশিক্ষণে।

প্রশিক্ষণ পরিচালক মেজর চাইওয়াত ল্যাডসিন বলেছেন, জঙ্গলের প্রতিকূল পরিবেশে কীভাবে বেঁচে থাকতে হয় তাই শেখানো হয় এই অনুশীলনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নজরুল ইসলাম রাজু: পাটকেলঘাটা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সিপিসি-৩ এর সদস্যরা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ী ও লেহেঙ্গা উদ্ধার করেছে। এসময় দু’টি পিকআপ ও ড্রাইভারসহ ৭ জন কে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গবার ভোর ৫টার দিকে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে।
র‌্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খুলনা র‌্যাব-৬ এর যশোর ক্যাম্প সিপিসি-৩ মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া ইউনিয়নের কুটিঘাটা বাজার হয়ে কলারোয়া অভিমূখে যাওয়ার পথে দু’টি পিকআপ খুলনা মেট্রো-ন ১১-০৯০৩, ঢাকা মেট্রো ন-১১-২৭০৪ আটক করে। পরে ১২টি প্লাষ্টিকের বস্তা ও ২৩ টি চটের বস্তায় রক্ষিত পিকআপ থেকে ২৯৪৯ পিচ ভারতীয় শাড়ি ও লেহেঙ্গা উদ্ধার করে। যার বাজার মুল্যে ৪৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ৩শ টাকা। এঘটনায় ড্রাইভার দক্ষিন পারুলিয়ার জামাল মোড়লের পুত্র মিলটন মোড়ল (২৫) ও সূধীর কৃষ্ণ বর এর পুত্র গৌতম কুমার (২৬) সহ ভারতীয় মালামালের সাথে থাকা সাতক্ষীরার রসুলপুর এলাকায় সনু কারিগরের পুত্র মাজেদ আলী (৩৫), দেবহাটা থানার পারুলিয়ার মোক্তার মোড়লের পুত্র রবিউল ইসলাম (৩৬), উত্তর পারুলিয়ার আনিছ গাজীর পুত্র রবিউল বাসার (২২), সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহা এলাকার মৃত কাওছার দালাদের পুত্র জাকির হোসেন (৪১) ও মতলুবর রহমানের পুত্র আজারুল ইসলাম (৩০) কে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে যশোর ক্যাম্প সিপিসি-৩ এর ডি এ ডি ফরিদ মিয়া বাদী হয়ে ১৯৭৪ আইনের ২৫-বি ক্লোজ বি এর ধারায় একটি মামলা করেছে। মামলা নং-৫। তাং-২০/০২/১৮ইং। তবে ভারতীয় মালামালের মালিকের নাম জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ফরিদপুরে বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের বেধড়ক পিটুনি ও গুলিতে সাংবাদিকসহ শতাধিক আহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর শহরের সুপার মার্কেট চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আজ (মঙ্গলবার) জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে সুপার মার্কেট চত্বরে আসতে থাকেন নেতাকর্মীরা। এ সময় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই নাসিরের নেতৃত্বে পুলিশ মিছিলে বাধা দিতে থাকে।

একপর্যায়ে পুলিশ মিছিলকারীদের ব্যানার কেড়ে নেয়। এসময় কয়েক দফায় নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা ও সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয়। বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম সুপার মার্কে ট চত্বরে পৌঁছান। এসময় পুলিশ বেপরোয়া হয়ে ওঠে। পুলিশ বাঁশের লাঠি দিয়ে জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েলসহ নেতাকর্মীদের বেপরোয়া পেটাতে থাকে। অনেকেই এসময় রাস্তায় পড়ে যান।

এমন অবস্থায় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশ কোনোরকম সতর্ক না করে সরাসরি গুলি চালায়। এতে সাংবাদিক, দলীয় নেতাকর্মী এবং ব্যবসায়ীসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন।

একপর্যায়ে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।

ডিবি পুলিশের সদস্যরা সুপার মার্কেট, চৌরঙ্গী মোড়সহ পুরো এলাকার দোকানপাট, বাড়িঘর ও পথচারীদের ওপর চড়াও হন। এতে পুরো এলাকায় ত্রাস ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ এলাকায় ছুটতে থাকে। এসময় পুলিশ মোদাররেছ আলী ইছা ও জুলফিকার হোসেন জুয়েলসহ ২০ নেতাকর্মীকে আটক করে।

তবে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা ওসি নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি ছোড়ে।’

এদিকে, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ফরিদপুর প্রেসক্লাবে তাৎক্ষণিক এক প্রেসব্রিফিং করে পুলিশের নারকীয় হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি পুলিশের এ নগ্ন হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।
সূত্র: কালের কণ্ঠ অনলাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আজই (২০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার) আপিল করবেন তার আইনজীবীরা। আদালত আপিল আবেদন গ্রহণ করার পর খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আবেদন করা হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি পেয়েছেন আইনজীবীরা। এরপরই এ আপিল আবেদনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

জানা গেছে, আপিল আবেদন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন জানান, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা ও পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য সিনিয়র আইনজীবীদের নেতৃত্বাধীন একটি আইনজীবী প্যানেল এক দফা বৈঠক করেছেন। এছাড়া বেলা সাড়ে ১২টার পর আবারও দ্বিতীয় দফা বৈঠক করা হবে। বৈঠক শেষে আপিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, আপিলের প্রধান গ্রাউন্ড হতে পারে- রাজনৈতিক উদ্দেশে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। সকাল ১০টার দিকে আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। এখন দুপুরের দিকে আবারও বসে আপিল ফাইল করা হবে।

আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১০টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির (বার) ভবনের তৃতীয় তলার কনফারেন্স কক্ষে এ বৈঠকে ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার এমএম মাহবুবউদ্দিন খোকন, আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার বদরোদ্দোজা বাদল ও সানাউল্লাহ মিয়াসহ খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন জাগো নিউজকে জানান, প্রথম দফার বৈঠক শেষ হয়েছে। দুপুরে আরেক দফা বৈঠক করা হবে। আজই (মঙ্গলবার) হাইকোর্টের সেকশনে খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন করা হবে।

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন হাইকোর্টের কোন বেঞ্চে করা হবে এ বিষয়ে জরুরি আলোচনার জন্য বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। গ্রাউন্ড কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে জয়নুল আবেদীন বলেন, রায়টি ঐতিহাসিক, তাই আমরা পর্যালোচনা করছি। এখনই সব বলা যাচ্ছে না।

এদিকে আজকের (মঙ্গলবার) মধ্যে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে উপস্থাপনের জন্য পুরোদমে আপিল করার প্রস্তুতির কাজ করছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সদস্যরা। আপিল আবেদনের ফটোকপি, হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন এবং যে কোর্টে শুনানি হবে তা নির্ধারণ করতে পারলে আজকেই (মঙ্গলবার) আইনজীবীরা আপিল আবেদন আদালতে উপস্থাপন করতে পারবেন। অন্যথায় আগামী বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে মনে করছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার একে এম এহসানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, এখন আমাদের পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরাই সিদ্ধান্ত নেবেন কখন কী করবেন। তবে আজই (মঙ্গলবার) আপিল ফাইল করা হবে। সেটা ২টার পর বা বিকেল নাগাতও হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আজ (মঙ্গলবার) আপিল করার পর প্রথমেই হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

হাইকোর্টে দুদকের মোট ৬টি বেঞ্চ রয়েছে। তার মধ্যে তিনটি একক বেঞ্চ এবং তিনটি দ্বৈত বেঞ্চ। এর মধ্যে দ্বৈত বেঞ্চেই খালেদার আইনজীবীরা যাবেন বলে বলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিশেষ জজ ৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ডের রায় দেন। একইসঙ্গে দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের সংবাদ সম্মেলন; আনসার উল্যাহ বাংলা টিমের ২ সদস্য আটক ও গুলি উদ্ধার

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জেএমবি আনসার উল্যাহ বাংলা টিমের দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৫০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি।
সোমবার রাতে আটক আনসার উল্যাহ বাংলা টিমের দুই সদস্যকে সদর উপজেলার ভাদড়া গ্রামের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
আটককৃত বাংলাটিমের দুই সদস্যরা হলেন, সদর উপজেলার ভাদড়া গ্রামের মৃত হামিদুন্নবীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বাবলু (৪০) ওরফে আক্তার ওরফে সাদ এবং একই এলাকার আবুল খায়ের ঢালীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম ঢালী (২৫)। তারা পেশায় কৃষক।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার সাজাদ্দুর রহমান দুপুর ১২ টায় এক প্রেস ব্রিফিং এ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ হেডকোযাটার্স ঢাকার এল আই সি শাখার একটি টিম, বগুড়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি টিম ও সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তারের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতার তথ্যের ভিত্তিতে সদর উপজেলার ভাদড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় আশরাফুলের বাড়ির রান্নাঘরের পাশ হতে ৫০ রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ আশরাফুলকে তার বাড়ি হতে আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাবলুকেও তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, তারা উভয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জঙ্গি। আনসার উল্যাহ বাংলা টিমের সাথে তাদের কার্যক্রম। দুই বছর আগেই ঢাকার মীরপুর এলাকার গোপন আস্তানা থেকে তারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। সাতক্ষীরায় নানাবিধ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও নাশকতার পরিকল্পনা করার জন্য অস্ত্র ও গুলি মজুদ করে রেখেছিল এবং তারা একটি স্বার্থান্বেষী অপশক্তির দ্বারা মদদ পুষ্ট।
প্রেস ব্রিফিং এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে দেশ ব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে শহরের জজ কোর্টের সামনে থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানের নেতৃত্বে উক্ত ঝটিকা মিছিলটি বের হয়। বিক্ষোভ মিছিল থেকে এ সময় বিএনপি চেয়াপর্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী জানানো হয়। পরে মিছিলটি খুলনা রোডে মোড়ে যাওয়ার আগেই পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে নেতা-কর্মীরা ছত্র ভঙ্গ হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest