গণতন্ত্র সূচকে আট ধাপ অবনতি, বিশ্বে ৯২তম বাংলাদেশ

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)-এর গণতন্ত্রের সূচকে বছরখানেক আগের অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। সংস্থাটির দৃষ্টিতে এক ধাক্কায় আট ধাপ নিচে নেমেছে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অবস্থান। ২০১৬ সালে ইআইইউ-এর গণতন্ত্রের সূচকে ১০ এর মধ্যে ৫ দশমিক ৭৩ নম্বর পেয়ে বিশ্বে ৮৪তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ ২০১৭ সালে ৫ দশমিক ৪৩ নম্বর পেয়ে এসেছে ৯২তম অবস্থানে। গতকাল লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গণতন্ত্রের সূচকে এই তথ্য দেওয়া হয়। আগের বছরের মতো এবারও সূচকে বাংলাদেশকে ‘হাইব্রিড রেজিম’ বিভাগে রাখা হয়েছে। ২০১৭ সালের বৈশ্বিক সূচকে আবারও শীর্ষস্থান অধিকার করেছে নরওয়ে। আর সূচকে সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে উত্তর কোরিয়া। গড় হিসাবে এশিয়ার দেশগুলো ২০১৭ সালে পেয়েছে ৫.৬৩ নম্বর। যদিও বিশ্বের গড় হিসাব ২০১৬ সালের ৫.৫২ থেকে কমে নেমেছে ৫.৪৮ এ। ইআইইউ হচ্ছে দ্য ইকোনমিস্ট পত্রিকার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান দ্য ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগ। ২০০৬ সাল থেকে শুরু হওয়া এই গণতন্ত্রের সূচকে দেখা যায় ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কমে একেবারে নিম্ন পর্যায়ে এসেছে। কেননা, উন্নত গণতান্ত্রিক দেশেও সংবাদমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে সূচক পতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়। ২০১৭ সালে ‘সারা বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বিভাগে দেখা যায় মাত্র ৩০টি দেশের জনগণ সংবাদমাধ্যমের ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ ভোগ করেন। তারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ ভাগ। অন্যদিকে, ৪৭টি দেশের জনগণ, যারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৩৫.৯ ভাগ, ‘সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ ভোগ করতে পারেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসম প্রেম ও বিয়ের গল্পে শ্রীলেখা!

টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বাংলা কমেডি শো মীরাক্কেল এর বিচারক হিসেবে তিনি বেশ জনপ্রিয়। ৪৬ বছর বয়সে এসেও রুপালি পর্দায় রীতিমতো ঝড় তুলছেন এ অভিনেত্রী।সম্প্রতি সব্যসাচী ভৌমিক পরিচালিত শর্ট ফিল্ম ‘লকড’ এ তিনি অভিনয় করেছেন।

‘লকড’ এর গল্পে দেখা যাবে, বিবাহবার্ষিকীর দিন সকালে স্বামী-স্ত্রী আবিষ্কার করেন, তারা ঘরের ভিতর লকড হয়ে পড়েছেন। অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও বাইরে বের হতে পারছেন না। ধৈর্য হারিয়ে একটা সময়ের পর তারা দুজন একে অন্যকে দোষারোপ করতে শুরু করেন। বয়সের অসম প্রেম ও সেই দাম্পত্যের দাঁত-নখগুলো ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে। বিবাহবার্ষিকীর সকালের মানেটা ক্রমশই পাল্টে যেতে থাকে।

প্রায় ২০ মিনিটের এই ছবিতে মাত্র দুটি চরিত্র। একজন শ্রীলেখা মিত্র এবং তার অল্প বয়সী স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন শঙ্খদীপ রায়।

ছবিটি নিয়ে বেশ আশাবাদী শ্রীলেখা। তিনি বলেন, ‘স্ক্রিপ্ট পড়েই ছবিটা নিয়ে আগ্রহী হয়ে পড়েছিলাম। অনেক ক্ষেত্রে বিয়ের আড়ালেও কিছু ভণ্ডামি লুকিয়ে থাকে, এই ছবি সেগুলোর সামনে একটা আয়না তুলে ধরবে। গল্পটা পছন্দ হতেই তাই রাজি হয়ে যাই।’

ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি নাগাদ ‘লকড’ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইউটিউবে বা অন্য কোনও চ্যানেলে মুক্তির আগে এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিকে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছেন পরিচালক সব্যসাচী ভৌমিক। এ বছরের শেষের দিকে ‘লকড’ মুক্তি পাবে বলেও তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবদুল হামিদই দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মো. আবদুল হামিদকেই প্রার্থী করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির সংসদীয় বোর্ড বুধবার রাতে তাকে মনোনীত করেছে। জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীই হবেন দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি। ফলে দ্বিতীয় মেয়াদে মো. আবদুল হামিদই রাষ্ট্রপতি থাকছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভা শুরু হয়। শেষ হয় রাত পৌনে ৯টায়। সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আবদুল হামিদের নাম প্রস্তাব করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আর এতে সমর্থন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এরপর সভায় উপস্থিত সদস্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আবদুল হামিদকেই আগামী মেয়াদের জন্য প্রার্থী করা হয়।

যে কারণে প্রার্থী করা হলো তাকে

দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ চায় ক্ষমতার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে। নির্বাচনকালীন সরকারে প্রধানমন্ত্রী শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবেন। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কোনো ক্ষমতা থাকবে না। এ সময় রাষ্ট্রপতির পদটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রপতির অধীনে। ফলে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আবদুল হামিদ আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত সৈনিক। এ কারণে তাকেই প্রার্থী করা হয়েছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আবদুল হামিদই ২১তম রাষ্ট্রপতি

আগের নির্বাচনগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৯৯১ সালের পর সব রাষ্ট্রপতিই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও সরকারি দলের মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এ কারণ দলটির মনোনীত প্রার্থীই হবেন দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি।

আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দুবার দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

আবদুল হামিদ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিলে।

তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। সে হিসেবে তফসিল ঘোষণা করে ইসি।

যদিও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করার কথা ছিল ৫ ফেব্রুয়ারি। এদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ছিল। মনোনয়নপত্র যাছাই-বাছাইয়ের সময় ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ১০ ফেব্রুয়ারি। ১৮ ফেব্রুয়ারি ছিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক কাজী মামুনের মেয়ে বৃত্তি পেয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাংবাদিক কাজী জামাল উদ্দীন মামুনের মেয়ে কাজী জান্নাত আরা সাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বৃত্তি পেয়েছে। কাজী জান্নাত আরা সী ব্রীজ কিন্ডার গার্টেনে বর্ষিক পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হয়েছে। সে সকলের দোয়া প্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি যুব মহিলালীগের সভাপতি সীমা সম্পাদক শিম্মি

আশাশুনি ব্যুরো: বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি সীমা পারভিন ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শামীমা পারভীন শিম্মি।
সাতক্ষীরা জেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি ফারহা দিবা খান সাথী ও সাধারণ সম্পাদক সাবিহা হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে ঘোষিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আনজুমান আরা জুই, রুবাইয়া পারভীন, মাহফুজা খাতুন, সাহারা বান তোহরা উশা, মর্জিনা খাতুন, শম্পা হালদার ও সাজেদা খাতুন, যুগ্ম-সম্পাদক রেবেকা সুলতানা, হেনা বেগম ও তাছলিমা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমা খাতুন, মিনারা খাতুন, রোজিনা খাতুন ময়না, প্রতিমা গোলদার ও ফারহানা আক্তার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাহেরা খাতুন, দপ্তর সম্পাদক আবেদা খাতুন, অর্থ সম্পাদক হাফিজা খাতুন, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক শিউলি আক্তার, ত্রাণ সম্পাদক নাসিমা খাতুন, সমাজ কল্যাণ মাছুরা, সাংস্কৃতিক মলিনা চক্রবর্তী, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ জান্নাতুল ফেরদাউস, তথ্য ও গবেষণা নমিতা রানী, মুক্তিযুদ্দা বিষয়ক শাবেত্রী হালদার, ক্রীড়া মমতাজ বেগম,ধর্ম বিষয়ক অনিমা সরকার, মহিলা উন্নয়ন খাদিজা বেগমসহ ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আরব বিশ্বের প্রথম নারী কুস্তিগির সাদিয়া

সাদিয়া বেসিসো। জর্দানের আম্মানের বাসিন্দা। তার প্রথম পরিচয় তিনি একজন টিভি উপস্থাপক। কিন্তু উপস্থাপনার গণ্ডি পেরিয়ে মার্শাল আর্ট। আর এখন রীতিমতো পেশাদার কুস্তিগির (রেসলার) হিসেবে নাম লিখিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্টে (ডব্লিউডব্লিউই) কুস্তি লড়তে হাজির হন সাদিয়া। যা তাকে প্রথম আরব নারী কুস্তিগিরের খেতাব এনে দিয়েছে।

গত সোমবার ডব্লিউডব্লিউইতে যুক্ত হন পেশাদার মার্শাল আর্টের অ্যাথলেট সাদিয়া। ৩১ বছর বয়সী এ জর্ডানি নারী ২০১৪ সালে মার্শাল আর্ট শুরু করেন। বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। স্বীকৃতি স্বরূপ ডোরাকাটা নীল বেল্টও পেয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সাদিয়া জানান, তিনি বিভিন্ন শোতে উইমেন সুপারস্টার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা, মার্শাল আর্ট ও টিভি উপস্থাপনায় ডব্লিউডব্লিউই তাঁর সুযোগকে ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারবে।

তিনি আরও জানান, রিংয়ের ভেতরে কুস্তি লড়তে তাঁর আরও দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে তিনি কতটা ভালো কাজ করছেন, তার ওপর বিষয়টা নির্ভর করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কারাগারে গয়েশ্বর, রিমান্ডে ৫৫ জন নেতা-কর্মী

রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম মাহমুদুল হাসান এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন না করা হলে গয়েশ্বরের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করে। এ সময় আদালত তার জামিনের আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন বলেই গয়েশ্বর চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ছাড়াও রাজধানীতে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় শাহবাগ ও রমনা থানায় দায়ের হওয়া পৃথক চার মামলায় বিএনপির ৫৫ জন নেতা-কর্মীর বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন একই আদালত।

জানা গেছে, এ ব্যাপারে বিএনপির আইন সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়াসহ বিএনপিপন্থী চারজন আইনজীবী এদিন আদালতকে বলেন, পুলিশের ওপর বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা চালাননি। বরং পুলিশ নিজের লোক দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। যাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে, তাদের কারও বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আনতে পারেনি পুলিশ।

বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আদালতের কাছে আরো দাবি করেন, আসামিদের মধ্যে কয়েকজন আছেন, যাঁরা বৃদ্ধ। গতকালের হামলার ঘটনার সময় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন থানা ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করছে। তারই অংশ হিসেবে দু–তিন দিন আগে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গতকাল এ ঘটনা ঘটিয়ে তাঁদের এই মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি সাজ্জাদুল হক আদালতে বলেন, আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যেই ইটপাটকেল ছুড়ে আক্রমণ করেছে। নাশকতা চালিয়েছে। কেন পুলিশের ওপর এই আক্রমণ এবং কোন নেতারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তা খুঁজে বের করার জন্য এই আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। পুলিশের দাবি, এতে রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমসহ কয়েকজন আহত হন। পরে এ ঘটনায় শাহবাগ ও রমনা থানায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির সহায়ক সরকারের দাবি অসাংবিধানিক—এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে, তা ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় সরকারের পরিসর ছোট করা হবে। সরকার নির্বাচনের সময়ে শুধু রুটিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবে না।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে সরকারের চতুর্থ বর্ষপূর্তির দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হবে। কিন্তু সে সরকার কেমন হবে তার ব্যাখ্যা ওই বক্তব্যে ছিল না।

সংসদে সরকারি দলের সাংসদ তানভীর ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে, তার একটি ব্যাখ্যা দেন। সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হচ্ছে সংবিধান। সংবিধান অনুযায়ী সহায়ক সরকার বলে কোনো সরকার গঠন করার বিধান নেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিএনপি কোনো দিনই গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার পক্ষে ছিল না। আর এ জন্যই বর্তমানে তারা অসাংবিধানিকভাবে সহায়ক সরকারের দাবি করে আসছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের সরকার গণতন্ত্রকে সব সময় সমুন্নত রাখবে। সে জন্য সংবিধান পরিপন্থী কোনো সরকারব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করব না।’

বিএনপির অবৈধ দাবি করা অভ্যাস
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জন্ম নিয়েছে মার্শাল ল জারি করে সংবিধান লঙ্ঘন করার মাধ্যমে অবৈধ পথে। তাই অবৈধ দাবি করাটা তাদের অভ্যাস। জিয়াউর রহমানের আমলে ভোটারবিহীন গণভোট (হ্যাঁ/না ভোট) করেছিল বিএনপি এবং সামরিক বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে কোনো নিয়মনীতি অনুসরণ না করে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে এবং সরকার গঠন করেন। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পরবর্তী সময়ে তাঁর এই কর্মকাণ্ড অবৈধ ঘোষিত হয়েছে।

বিএনপি নির্বাচনী-ব্যবস্থা ধ্বংস করেছিল
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে সরকার গঠন করার পর মাগুরা ও ঢাকার উপনির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপি করেছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করে অবৈধ সরকার গঠন করে বিএনপি। গণ-আন্দোলনের মুখে দেড় মাসের মধ্যে তাদের পতন ঘটে। ওই সময়ে বিএনপি নির্বাচনী-ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিল। ২০০৬ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্পষ্ট রূপরেখা থাকা সত্ত্বেও তাদের পছন্দসই ব্যক্তিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার চেষ্টা করে নির্বাচনের নামে প্রহসন করার উদ্দেশ্য থাকায় দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর ক্ষমতায় থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest