সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

আজ ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিদাহাস ট্রফিতে যেন নতুন করেই শুরু করতে চাইছে বাংলাদেশ। কেননা ক’দিন আগে ঘরের মাঠে বাজে সময়ই কেটেছিল টাইগারদের। আর এই সিরিজে যেখানে শুরুটাতে ভারতকে পাচ্ছে তামিম-রিয়াদরা, ফলে সতর্ক হয়েই মাঠে নামতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (০৮ মার্চ) কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় কোহলি-ধোনিবিহীন ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ভারত অবশ্য উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার কাছে হার মেনেছে। ফলে কিছুটা ব্যাকফুটে থেকে তাদের মাঠে নামতে হবে। এই সিরিজে নিয়মিত অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মাহেন্দ্র সিং ধোনিকে বিশ্রাম দিয়েছে ভারত।

বাংলাদেশ ও ভারত এখন পর্যন্ত পাঁচটি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলেছে। জয় অবশ্য একটিতেও পায়নি বাংলাদেশ। তবে সর্বশেষ ম্যাচটির দিকে তাকালে গল্পটা অন্যরকমই মনে হতে পারে। কেননা ২০১৬ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে বাংলাদেশ মাত্র ১ রানে হেরেছিল।

সেই ম্যাচটি অবশ্য অনুপ্রেরণা থেকে বাংলাদেশকে দুঃখই বেশি দেবে। তার বড় কারণ শেষ দিকে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ’র অতি আত্মবিশ্বাসের কারণে ম্যাচটি হেরে এসেছিল লাল-সবুজের দল। সেদিন পর পর দুই বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে তারা দু’জনেই ক্যাচ হয়ে মাঠ ছাড়েন।

কিন্তু সেই সাকিবের ইনজুরির কারণে এই আসরে অধিনায়ক রিয়াদ অবশ্য ম্যাচের আগের দিন জানিয়ে দিলেন ব্যাঙ্গালুরুর ভুল আর হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘দাওয়াহ ইলাল্লাহ’ ফোরামের নির্দেশনায় জাফর ইকবালের ওপর ফয়জুলের হামলা

‘দাওয়াহ ইলাল্লাহ’ নামে একটি উগ্রবাদী ফোরামের নির্দেশনায় লেখক ও অধ্যাপক জাফর ইকবালের ওপর হামলা করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে হামলাকারী ফয়জুল।ওই গ্রুপে জাফর ইকবালকে হত্যা করা নিয়ে নিয়মিত আলোচনাও হতো বলে জানিয়েছে সে।

নির্দেশনা পাওয়ার পর ফয়জুল সিলেটের মদিনা মার্কেটের একটি জিমে শারীরিক প্রশিক্ষণের জন্যও ভর্তি হয়েছিল। কীভাবে হামলা করতে হবে এবং কোথায় আঘাত করলে দ্রুত মৃত্যু হতে পারে, ‘দাওয়াহ ইলাল্লাহ’ ফোরামে  সেসব কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়েছিল। এদিকে হামলার চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়ার পর সিলেটের জিন্দাবাজারের আল-হামরা মার্কেটের একটি দোকান থেকে কমান্ডো নাইফটি (চাকু) কেনে ফয়জুল। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার গোলাম কিবরিয়া বুধবার রাতে বলেন, ‘আমরা এপর্যন্ত ধারণা করছি, ফয়জুলের সঙ্গে আরও কেউ ছিল। কিন্তু সে মুখ খুলতে চাইছে না। সে একাই জাফর ইকবালকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে দাবি করছে। কিন্তু সে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। আমরা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছি।’

পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘হামলাকারী ফয়জুলের কোথায় কোথায় বিচরণ ছিল, কোথা থেকে সে কমান্ডো নাইফ কিনেছে, কখন কীভাবে পরিকল্পনা করেছে, এসবের কিছু কিছু তথ্য জানা গেছে। তার সহযোগীদের সনাক্ত এবং গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।’

গত শনিবার (৩ মার্চ) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে রোবোটিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে পেছন থেকে মাথা, ঘাড়ে এবং হাতে ছুরিকাঘাত করে ২৪-২৫ বছর বয়সী ফয়জুর ওরফে ফয়জুল নামে এক তরুণ। ঘটনার পরপরই জাফর ইকবালকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে সিলেটের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। বুধবার (৭ মার্চ) সকালে তাকে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিট- আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এদিকে হামলার পরপরই ফয়জুলকে আটক করে গণপিটুনী দেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে র‌্যাব হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। হামলার একদিন পর রবিবার বিকালে ফয়জুলকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে র‌্যাব। বর্তমানে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ ও ঢাকার সিটিটিসি’র কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা তদন্তে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, সিআইডি, পিবিআই এবং জঙ্গি প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা বিশেষায়িত ইউনিট কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট হামলার রহস্য উন্মোচনে অনুসন্ধান শুরু করে। পুলিশ সদর দফতর থেকেও সরাসরি বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে।

সিটিটিসির একজন কর্মকর্তা বলেন,‘‘ ফয়জুল জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, সে দাওয়ায় ইলাল্লাহ নামে একটি ফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ওই ফোরামে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে নাস্তিক আখ্যায়িত করে তাকে কীভাবে হত্যা করা যায়, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতো। ফয়জুল নিজে থেকে জাফর ইকবালকে হত্যার দায়িত্ব নেয়। এরপর জাফর ইকবালকে কীভাবে হত্যা করা হবে, দাওয়াহ ইলাল্লাহ ফোরামে ফয়জুলকে সেসব বিষয়ে ভার্চুয়াল আলোচনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফয়জুলকে শেখানো হয়— মাথা এবং ঘাড়ের পেছনে আঘাত করতে হবে। তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই ‘টার্গেট’ মৃত্যুর মুখে পতিত হবে। সেই প্রশিক্ষণ অনুযায়ী সে জাফর ইকবালের মাথা ও ঘাড়েই কমান্ডো নাইফ নিয়ে আঘাত করেছিল।’’ ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘হামলার কয়েকদিন আগে সিলেটের আল হামরা মার্কেট থেকে কমান্ডো নাইফটি কিনেছিল ফয়জুল।’

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দাওয়াহ ইলাল্লাহ হলো বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং আনসার আল ইসলামের একটি অনলাইন ফোরাম। যেখানে নির্দিষ্ট আইডির মাধ্যমেই কেবল প্রবেশ করা যায়। বিভিন্নভাবে পরীক্ষিত লোকজনই এই ফোরামের আলোচনায় যুক্ত হতে পারে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম বা আনসার আল ইসলামের যেসব সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারাও দাওয়াহ ইলাল্লাহ ফোরামের মাধ্যমে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমের কথা স্বীকার করেছে। এমনকি বিভিন্ন সময়ে দাওয়াহ ইলাল্লাহসহ অনেক গ্রুপ এবং ওয়েবসাইট বন্ধ করেও দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার সিটিটিসি এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সূত্রগুলো বলছে, দাওয়ায় ইলাল্লাহ ফোরামের নির্দেশনা অনুযায়ী জাফর ইকবালকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে প্রথমে রেকি করা শুরু করে  ফয়জুল। বিভিন্ন সময়ে সে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরি করতো। ফোরামের নির্দেশনা অনুযায়ী সিলেটের স্থানীয় মদিনা মার্কেটের জিম ক্রাফটে ভর্তি হয়েছিল সে। শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে গত বছরের ৩১ আগস্ট জিমে ভর্তি হলেও প্রথম তিন দিন জিমে গিয়ে আর যায়নি। তবে হামলা চূড়ান্ত করার আগে গত একমাস ধরে নিয়মিত জিম করতো ফয়জুল।

ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-কমিশনার মহিবুল ইসলাম খান বুধবার রাতে বলেন, ‘‘এপর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যে ফয়জুলকে ‘সেল্ফ র‌্যাডিক্যালাইজড’ বলেই মনে হচ্ছে। তবে সে দাওয়ায় ইলাল্লাহসহ আনসারুল বাংলা টিম বা আনসার আল ইসলামের বিভিন্ন অনলাইন ফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এসব ফোরামে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে হত্যা করতে নানারকম উসকানিমূলক আলোচনা হতো। এসব থেকেই সে হত্যাচেষ্টায় উদ্ভুদ্ধ হতে পারে।’

মহিবুল ইসলাম খান বলেন, ‘ফয়জুলের কয়েকজন সহযোগীকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এছাড়া সুমন নামে ফয়জুলের এক সহকর্মীও পলাতক। সুমনের সঙ্গে ফয়জুল তার বোনের বিয়ে দিতে চেয়েছিল। সেও জঙ্গিবাদ ভাবাদর্শের অনুসারী হতে পারে। এছাড়া ফয়জুলের ভাই এনামুলও পলাতক। তাকেও খোঁজা হচ্ছে। এনামুলের কাছে ফয়জুলের ব্যবহৃত সব ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো রয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এখন হন্যে হয়ে ফয়জুলের ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ভিভাইসগুলো খুঁজছেন। কিন্তু হামলার পরপরই ফয়জুলের ভাই এনামুল এগুলো নিয়ে পালিয়ে গেছে। এনামুলের কাছে ফয়জুলের একটি মোবাইল এবং একটি ট্যাব রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ফয়জুলের ব্যবহৃত ট্যাবের মাধ্যমেই সে যোগাযোগের সিক্রেট অ্যাপস টেলিগ্রাম এবং দাওয়াহ ইলাল্লাহ ফোরামে যুক্ত ছিল।

সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে তারা ফয়জুলের ব্যবহৃত একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধারের পর ঘেঁটে দেখেছেন। সেখানে আল-কায়েদা এবং আইএসের নানারকম ভিডিও, ইরাক-সিরিয়ার ভিডিওসহ নানারকম জঙ্গিবাদি প্রপাগান্ডা প্রচারণার উপাদান পাওয়া গেছে। তবে এসব উপাদান অন্য জায়গা থেকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। সিটিটিসি কর্মকর্তারা ধারণা করছেন,ফয়জুল ট্যাবের মাধ্যমে এসব কিছু ডাউনলোড এবং সব যোগাযোগ স্থাপন করতো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেক্স ডলের সাথে থাকলে মোটা অর্থ উপার্জন!

বেকার জীবনে যারা চাকরি খুঁজছেন, তাদের চাকরি দিচ্ছে এক ব্রিটিশ সংস্থা।   বছরে বেতনের প্যাকেজ ৩৫০০০ পাউন্ড।

কাজটা কি? শুনলে একটু আঁতকে উঠবেন বৈকি। ‘সেক্স ডল টেস্টার’।   এ আবার কেমন চাকরি! ভেবে দেখুন সেক্স ডলটি ভালো না খারাপ, এটা টেস্ট করলেই এত বিশাল টাকা বেতন পাওয়া যেতে পারে।

সংস্থাটির নাম ‘সিলিকন সেক্স ওয়ার্ল্ড’। এটি একটি সেক্স টয় সংস্থা। লন্ডনের হ্যাটন গার্ডেনে তাদের অফিস। সেখানে গিয়ে টেস্ট করতে হবে তাদের তৈরি সেক্স ডলগুলো। আর তাহলেই মিলবে মোটা অঙ্কের টাকা। কাজের কোন বাঁধা ধরা সময় নেই।

আর কোম্পানির দেওয়া মোবাইল নম্বর।

এখানেই শেষ নয়। পরিবারের কেউ যদি এই চাকরিতে যুক্ত হয়, তাহলে তার পরিবার ও বন্ধুরা ব্যাপক ছাড়ে সেক্স ডল পাবে। শর্ত একটাই। কোম্পানির সেক্স ডল ভালোভাবে পরখ করতে হবে। তারপর একেবারে ডিটেলে ফিডব্যাক দিতে হবে কোম্পানিকে। সেইসঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সেক্স ডল সংক্রান্ত সম্মেলনে অংশ নিতে হবে।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ইন্ডাস্ট্রিতে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও চলবে। সেক্স ডলের প্রতি আগ্রহ থাকাটাই আসল। তবে কাজের ডেডলাইন দেওয়া থাকবে। আগামী ২০ মার্চ প্রার্থীদের শর্ট লিস্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থার মার্কেটিং ম্যানেজার রিচার্ড থর্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসছে ‘দাবাং ৩’, আসছেন চুলবুল পাণ্ডে সালমান

আপনি নিশ্চয়ই আবার সেই চুলবুল পাণ্ডেকে দেখতে চাইছেন। এবং সেটা নিশ্চয়ই ‘দাবাং’-এর নতুন কোনো সিক্যুয়েলে।

আপনার সেই আশা হয়তো পূরণ হতে চলেছে। প্রস্তুতি চলছে সালমান খানের পুলিশ অ্যাকশন মুভি ‘দাবাং’-এর নতুন সিক্যুয়েলের কাজ।

এই তো, আর মাত্র ক’টা দিন। এ বছরের মাঝামাঝিতেই শুটিং শুরু হবে ‘দাবাং ৩’-এর। ‘দাবাং’ ফ্র্যাঞ্চাউজির তৃতীয় ছবিতেও সালমানের সাথে থাকবেন যথারীতি সোনাক্ষী সিনহা।

এ-প্রসঙ্গে সালমান খানের ভাই ও ছবিটির প্রযোজক আরবাজ খান বার্তা আইএএনএসকে বলেন, আমার মনোযোগ এখন এই ছবিটার প্রতি। এ বছরের মাঝামাঝি ছবির কাজ শুরু করার ইচ্ছে আছে।

ট্রেড অ্যানালিস্ট রমেশ বালা ট্যুইটে জানান, ‘রেস ৩’-এর কাজ শেষ করে সালমান ‘দাবাং ৩’-এর কাজ ধরবেন। ছবিটি পরিচালনা করবেন প্রভুদেবা।

পূর্বের সিক্যুয়ালগুলোর মতো একই রূপে দেখা যাবে সালমান খানকে, পুলিশ অফিসার চরিত্রে। তাঁর স্ত্রী রাজো চরিত্রে থাকবেন সোনাক্ষী সিনহা।

‘দাবাং’-এর প্রথম ছবিটি আসে ২০১০ সালে। এর দুই বছর পর আসে ‘দাবাং ২’। দারুণ ব্যবসাসফল হয় ছবি দুটি।

‘দাবাং ২’ পরিচালনা করেন প্রযোজক আরবাজ খান। ছবি দুটিতেই তিনি সালমান খানের ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিল গেটসকে টপকে বিশ্বের সেরা ধনী জেফ বেজোস

বিল গেটসকে হাটিয়ে ২০১৮ সালের শীর্ষ ধনীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে অনলাইন ভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আমাজন ডট কমের কর্ণধার জেফ বাজোস। ফোর্বস ম্যাগাজিন এবার ৭২টি দেশের ২ হাজার ২০৮ জন বিলিয়নিয়ারের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই ধনীদের সম্পদের পরিমাণ গত বছরের চেয়ে ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গড়ে একজন ধনীর সম্পদের পরিমাণ ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। এবারো সবচেয়ে বেশি ধনকুবেরের বাস হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৫৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর পর রয়েছে চীন ৩৭৩ জন।

বিশ্বের সেরা ধনী জেফ বাজোসের নাম আগে আসলেও এবার ফোর্বসের তালিকায় তা পাকাপোক্ত হলো। কারণ সাবেক শীর্ষ ধনী বিল গেটসের চেয়ে তার সম্পদ ব্যবধান বেড়েছে। বাজোসের সম্পদের পরিমাণ ১১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে বিল গেটসের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাত্ শীর্ষ ধনী দুইজনের সম্পদের ব্যবধান ২২ বিলিয়ন ডলার। ফোর্বস বলছে, ২০০১ সালের পর শীর্ষ পর্যায়ে সম্পদের এত ব্যবধান এটাই সবচেয়ে বেশি। তাই মনে করা হচ্ছে আমাজন ডট কমের কর্ণধার বাজোস এবার শীর্ষ আসনটি পাকাপোক্তা করতে সক্ষম হয়েছে। একবছরের ব্যবধানে বাজোসের সম্পদ বেড়েছে ৩৯ বিলিয়ন ডলার। তবে বিল গেটস এবার দ্বিতীয় অবস্থানে গেলেও তার সম্পদ আগের চেয়ে ৪ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ২০১৮ সালের তালিকায় ওয়ারেন বাফেট ৮৪ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। বার্নার্ড আরনল্ড ২০১২ সালের পর এই প্রথম কোনো ইউরোপীয় হিসেবে তালিকায় চতুর্থ স্থান দখল করেছে। তার সম্পদের পরিমাণ ৭৫ বিলিয়ন ডলার। ফোর্বস এবারের তালিকায় ভার্চুয়াল মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সির বিলিয়নিয়ারকে স্থান করে দিয়েছে। এবারের তালিকায় এরকম ২৫৯ নতুন ধনীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এক বছরের মাথায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি কমে যাওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান ৭৬৬ তম। তার পূর্ব অবস্থান ছিল ৫৪৪ তম। তালিকার ৫ম স্থানে আছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ। এশিয়ার শীর্ষ ধনী চীনা ইন্টারনেট জায়ান্ট টেনসেন্টের সিইও মা হুটাং এর অবস্থান ১৭ তম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড. জাফর ইকবালকে কেবিনে স্থানান্তর

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালকে বুধবার সকালে সিসিইউ ( করোনারি কেয়ার ইউনিট) থেকে কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

তার শারীরিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। তবে তাকে হাসপাতাল থেকে কবে ছাড়পত্র দেয়া হবে- এ বিষয়টি চিকিৎসকরা এখনো জানায়নি বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জঙ্গি হামলায় আহত হন অধ্যাপক জাফর ইকবাল। ওই দিন রাতেই তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেধা তালিকা থেকে কোটার শূন্য পদ পূরণের সিদ্ধান্ত

সরাসরি নিয়োগে কোটার কোনো পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্য থেকে সেসব পদ পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে নতুন এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটার কোনো পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা সম্ভব না হলে সেসব পদ মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণ করতে হবে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে সরকারের এ সিদ্ধান্ত এল।

এতে আরো বলা হয়, সিনিয়র স্টাফ নার্সের চার হাজার এবং মিডওয়াইফের ৬০০টি পদ পূরণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সার্কুলারে উল্লেখিত মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা শিথিল করে ওই পদগুলো জাতীয় মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে, যা এককালীন না হয়ে সব সময়ে প্রযোজ্য হবে।

জানা গেছে, এই আদেশের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, জ্যেষ্ঠ সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের সচিব, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (এপিডি) দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি শেখ ইউসুফ হারুন গণমাধ্যমকে বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সার্কুলার জারি করা হলে তা সরকারি সব চাকরির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য পাঁচ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। প্রতিবন্ধীর জন্য এক শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ এবং নারী ও জেলা কোটার জন্য ১০ শতাংশ করে রয়েছে। সব মিলিয়ে কোটার জন্য বরাদ্দ ৫৬ শতাংশ পদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন

তালা প্রতিনিধি : জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন প্রেক্ষিতে তালায় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের যৌথ আয়োজনে বুধবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, বরেন্য মুক্তিযোদ্ধা অমল কান্তি ঘোষ। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি জাহিদুর রহমান লিটু’র পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. মফিজ উদ্দীন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বরেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীন জোয়াদ্দার, মাষ্টার আব্দুস সোবহান, আব্দুল জলিল, মোহাম্মাদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতা আবু হোসেন অপু, মোস্তফা ও সাইদুজ্জামান টিটু প্রমুখ বক্তৃতা করেন। এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest