সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটারজ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় গণমিছিলসাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলম

বিএসএমএমইউ’র প্রথম নারী  প্রা‌ে-ভিসি ড. আতিউরের স্ত্রী ডা. সাহানা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শিশু বিভাগের চেয়ারম্যান (বিভাগীয় প্রধান) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান। আজ বুধবার তিনি এ পদে যোগদান করেছেন। এ সময় তাকে সহকর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।তার স্বামী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ।
বিশ্ববিদ্যালয়টির নতুন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা)-এর শূন্যপদে নিযুক্ত হয়েছেন তিনি। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক এএসএম জাকারিয়া স্বপনের মৃত্যুতে এ পদটি শূন্য হয়।
গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর ডা. সাহানা আখতার রহমানকে ৩ বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শাহ আলম মুকুল স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান আজ বুধবার ৭ মার্চ ২০১৮ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করে তাঁর অফিসে কাজে যোগ দিয়েছেন।
অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমানের মায়ের নাম রওশন আরা বেগম এবং পিতার নাম শাহ্ হাবিবুর রহমান। তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কামরুন্নেসা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং হলিক্রস কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ১৯৮২ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৯০ সালে তিনি এফসিপিএইচ (শিশু) এবং ১৯৯৫ সালে এম.এড (মেডিক্যাল এডুকেশন) ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান তিন কন্যার জননী। তার স্বামী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।
নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান ১৯৯১ সাল থেকে একনিষ্ঠভাবে চিকিৎসা শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণার সঙ্গে জড়িত। দেশি বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে তার শতাধিক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে এবং থিসিস গাইড হিসেবে তিনি ২৫টিরও বেশি এম. ডি এবং এফ.সি.পি.এস গবেষণা কাজ তত্ত্বাবধান করেছেন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান বাংলাদেশে মেডিক্যাল শিক্ষা কার্যক্রমের নতুন সংযোজন ওএসসিই ও স্ট্রাকচার্ড কোর্স কারিকুলামের রূপকার। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট নার্সিং বিভাগ চালু করেন। তিনি বাংলাদেশের শিশু রিউমাটোলজির পাইওনিয়ার। অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান শিশুদের উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে ইউকে, সিঙ্গাপুর ও ভারতে বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল ফেলোশিপ ট্রেনিং গ্রহণ করেছেন।
এদিকে অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) হিসেবে নিযুক্ত হওয়ায় তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) অভিনন্দন জানিয়েছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অফিস প্রধান, শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, কর্মচারীরাও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন বিএনপি নেতারা

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে দেখা করার অনুমতি পেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

আজ বুধবার বিকাল ৩টায় পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কারাগারে গিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে.জে. মাহবুবুর রহমান (অবসরপ্রাপ্ত), ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতায় ভাঙা হল শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি

কলকাতায় বুধবার সকালে ভেঙে ফেলা হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি। ভাঙার আগে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয় দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদের মূর্তির মুখে। দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলা শ্মশানের কাছে একটি পার্কে বসানো ছিল জন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একটি আবক্ষ মূর্তি। সেই মূর্তিটিকেই প্রথমে কালিমালিপ্ত করার পর তারপরে ভেঙে দেওয়া হয়।পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার এখন মূর্তিটি ঠিক করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর জানিয়েছে, সকালে ওই পার্কে ছয় শিক্ষার্থী স্লোগান দিতে দিতে আসে। তাদের সঙ্গে কিছু পোস্টার এবং প্ল্যাকার্ড ছিল। কিছুক্ষণ স্লোগান দেওয়ার পর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি ভাঙতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তৃণমূল কর্মীরা। যদিও ততক্ষণে বিকৃত হয়ে গিয়েছে সম্মানীয় ব্যক্তি শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি।

টালিগঞ্জ থানার পুলিশ মূর্তি ভাঙায় অভিযুক্ত সাত জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তদের দাবি তারা সকলেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

গত রবিবার ত্রিপুরায় ভেঙে ফেলা হয় কমিউনিস্ট লেনিনের বিশাল মূর্তি। মঙ্গলবার রাতে তামিলনাড়ুতে ভাঙা হয় দক্ষিণ ভারতের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ পেরিয়ারের মূর্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সোহরাওয়ার্দীর মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের আজকের বিশাল জনসভার মঞ্চে তৈরি করা হয়েছে জাতির জনকের ম্যুরাল। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐহিত্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় দিবসটি উপলক্ষে এ জনসভার আয়োজন করেছে দলটি।

ইতিমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মী সমাবেশ স্থলে আসতে শুরু করেছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এখন জাতির জনকের ভাষণ বাজানো হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর বরেণ্যে শিল্পী গান পরিবেশন করবেন।

এ প্রসঙ্গে দলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল বলেন, শিল্পী মমতাজ বেগম, রথীন্দ্রনাথ রায়, শফি মণ্ডল, আলম দেওয়ান, তমালিকা চক্রবর্তী, লালন শিল্পী বর্ষা সংগীত পরিবেশন করবেন।

বিকাল ২টায় শুরু হবে আলোচনা পর্ব। শুরুতেই কবি নির্মলেন্দু গুণ ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতা আবৃত্তি করবেন।’

নির্বাচনী বছরে রাজধানীতে এটিই হবে আওয়ামী লীগের প্রথম জনসভা। তাই লোক সমাগমের দিক থেকে দলীয় নেতারা ভাঙতে চান অতীতের সব রেকর্ড। এ জনসভায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দল ও দেশবাসীকে চারটি বিশেষ বার্তা দেবেন বলে দলীয় নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটরের বাসায় ৯২ লাখ টাকা

কিশোরগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণ তহবিল থেকে ১৪ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর সৈয়দুজ্জামানের বাড়ি থেকে ৯২ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার গভীর রাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের ঢাকা বিভাগের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি দল স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের কাতিয়ারচর এলাকায় সৈয়দুজ্জামানের বাড়িতে এ অভিযান চালায়।

কিশোরগঞ্জ কালেক্টরেটের ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদ, দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াদুদ, মনিরুল ইসলাম, ফজলুল বারী ও কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি আবুশামা মো. ইকবাল হায়াত এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণের তহবিল থেকে কালেক্টরেটের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা সেতাফুল ইসলাম জাল আদেশ তৈরি ও প্রতারণা করে চেকের মাধ্যমে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। এছাড়া আরও কয়েকটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

গত ১৭ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ময়মনসিংহ অঞ্চলের একটি দল সেতাফুলকে পিরোজপুর জেলা থেকে গ্রেফতার করে। একই দিন তার বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা করে দুদক। ২৯ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট আ. ছালাম খান সেতাফুল ইসলামকে জিজ্ঞসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দুদকের কর্মকর্তারা জানান, গত ২ ফেব্রুয়ারি ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এলএও) মো. সেতাফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপরই গত ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয় জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর সৈয়দুজ্জামান ও পিয়ন দুলাল মিয়াকে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে সৈয়দুজ্জামানের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পর্নঅভিনেত্রীর মামলা !

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৬ মার্চ মামলা করেছেন স্টর্মি ড্যানিয়েল নামের এক পর্নস্টার। এতে তিনি অভিযোগ করেছেন, যৌনসম্পর্ক স্থাপনের আগে ট্রাম্প তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি।

বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর প্রকাশ করেছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার রাজ্য আদালতে মামলাটি করা হয়েছে এবং সে খবর টুইট করেছেন পর্নস্টারের আইনজীবী। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেন প্রেসিডেন্টের পক্ষে একটি দলিলে স্বাক্ষর করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় অনলাইন ক্যাসিনোর জুয়ার টানে বুঁদ যুবসমাজ

শতাধিক কম্পিউটারের সামনে চেয়ারে বসে আছে কিশোর, তরুণ, যুবক এমনকি মধ্যবয়সী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মাউসের বাটনে তাদের হাত, চোখ মনিটরে।

এদিক-সেদিক তাকানোর ফুরসত নেই। নিবিড়ভাবে জুয়া খেলছে তারা। ঢাকার পুরানা পল্টনের ৩৭/২ প্রীতম জামান টাওয়ারের ১৩ ও ১৪ তলায় ঢুকে এই জুয়াযজ্ঞ দেখে যে কারো চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে।

সম্প্রতি সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বিরতিহীনভাবে চলছে জুয়ার আসর। কেউ কম্পিউটারে আবার কয়েকজন মিলে গ্রুপ করে অনেকটা প্রকাশ্যেই জুয়ার কোর্টে টাকা ছড়িয়ে খেলছে। আজিজ নামের এক কিশোর এগিয়ে এসে বলল, ‘ভাই, খেলবেন নাকি? ১০০, ৫০০, এক হাজার থেকে এক লাখ, যত খুশি খেলতে পারেন। সেই সঙ্গে বাড়তি ব্যবস্থাও আছে। ’ বাড়তি ব্যবস্থাটা কী জানতে চাইলে, কিশোরটি মুখ কানের কাছে এনে বলে, বিভিন্ন ধরনের মাদকের ব্যবস্থাও আছে।

নতুন খেলোয়াড় পরিচয়ে রুমের ক্যাশিয়ার একরামুলের কাছে নিয়ম-কানুন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভিআইপি ক্যাটাগরিতে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার ও এক লাখ টাকা (জুয়াড়িদের ভাষায় একে বলে বেটিং) একবারে খেলতে পারেন।

আর ভিআইপি রুমের বাইরে কম্পিউটারে খেললে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেটিং করতে পারেন। ’ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চক্রটি ডেস্কটপের পাশাপাশি জুয়াড়িদের নিজস্ব ল্যাপটপ, এমনকি মোবাইল ফোনে সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ঘরে ঘরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে জুয়া। এতে আসক্ত হয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সর্বস্বান্ত হচ্ছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। আর অনলাইন ক্যাসিনোর এই ফাঁদ পেতে বাংলাদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে চক্রটি।

প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত লাখ লাখ টাকার জুয়ার আসর বসে প্রীতম জামান টাওয়ারে। সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, ঘুষখোরসহ কোটিপতি ব্যবসায়ীরাও এখানে জুয়া খেলতে আসে। তবে তারা কেউই খেলায় জিতে এখান থেকে টাকা নিয়ে বের হতে পারে না। ফাঁদে আটকা পড়ে আবার খেলতে বসে সব হারায়। পুলিশের কাছে তথ্য থাকলেও প্রভাবশালীদের কারণে এই জুয়া-মাদক আসরের নেপথ্যের কুশীলবদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

জানা গেছে, বাংলাদেশের কয়েকজন প্রভাবশালীর সঙ্গে ট্যুরিস্ট ভিসায় আসা চীনা বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ার চার নাগরিক এই ক্যাসিনোর প্রধান নিয়ন্ত্রক। সাত মাস ধরে তাদের এই কর্মকাণ্ডে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম করা ঢাকার এক বড় জুয়াড়ি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল জোনের উপকমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, “তিন মাস ধরে মতিঝিল এলাকায় একটি বহুতল ভবনে নতুন ‘ক্যাসিনো’র তথ্য পাওয়া গেছে। আমরাও এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে প্রাথমিক খোঁজ নিয়েছি। এদের কাগজপত্রে ত্রুটি আছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ”

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর প্রীতম জামান টাওয়ারের ১৪ তলায় এই অনলাইন ক্যাসিনো বসানো হয়। ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ফিলিপাইনের নামকরা ক্যাসিনোর সঙ্গে সার্ভার লিংকের মাধ্যমে সরাসরি এই খেলা চালানোর মিথ্যা প্রলোভন দেওয়া হয় জুয়াড়িদের। কিন্তু বাস্তবে সফটওয়্যার কারসাজির মাধ্যমে মালয়েশিয়া থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় সব কিছু। ব্যাংকার-প্লেয়ার, রোলেট, ড্রাগন টাইগার ও সিক বো নামের চারটি খেলা চালানোর জন্য প্রথমে ৪৯টি কম্পিউটার বসানো হয়। কিন্তু দ্রুত জুয়াড়িদের ভিড় বাড়ায় গত মাস থেকে একই ভবনের ১৩ তলায় আরো ৩৬টি কম্পিউটার বসায় চক্রটি। এর মধ্যে ১৩ তলায় কাচঘেরা ছোট আলাদা পাঁচটি কক্ষে বসানো দুটি করে আলাদা কম্পিউটারে ভিআইপিরা জুয়া খেলে। আরো ২৬টি কম্পিউটারে বিশেষ শ্রেণির লোকজন জুয়া খেলে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জুয়াড়িরা ক্যাশ কাউন্টারে টাকা জমা দিলেই তা সরবরাহ করা হয় নির্ধারিত কম্পিউটারে। এরপর চলতে থাকে খেলা। জুয়াড়িদের আস্থা অর্জনে হাতে গোনা দু-চারজনকে বড় অঙ্কের টাকা জিতিয়ে দেওয়া হয়। ভিআইপি রুমে খেলার ফাঁকে একজন জানান, বেশির ভাগ সময়েই বড় অঙ্কের টাকা হেরে যান তিনি। কখনো কখনো তিন ঘণ্টা খেলে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হেরেছেন তিনি। মাঝেমধ্যে দু-এক দিন হঠাৎ হঠাৎ পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জিতেছেন, তবে সে টাকা নিয়ে বাইরে বের হতে পারেননি। জুয়াড়িদের ফাঁদে পড়ে আবার খেলতে বসেই হেরে গেছেন।

বাসায় বসে খেলার নিয়ম জানতে চাইলে ক্যাশ কাউন্টারে বসা শরীফ নামের আরেক যুবক বলেন, যিনি বাসায় বসে খেলতে চান তিনি নির্ধারিত টাকা ক্যাশ কাউন্টারে জমা দেন। এরপর তাঁকে একটি সদস্য পরিচিতি নম্বর ও পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়। সেই আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তিনি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে ঢুকে বাসায় বসেই ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কিংবা স্মার্টফোনে খেলতে পারেন। এরই মধ্যে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের কয়েক হাজার জনকে বাসায় বসে খেলার ব্যবস্থা করে দিয়েছে তারা।

১৪ তলার ক্যাশিয়ার জানান, তাঁর তলায় এখানে একযোগে ৪৯ জন বসে খেলতে পারেন। তবে ১৩ তলার চেয়ে ১৪ তলায় খেলে অপেক্ষাকৃত ছোট জুয়াড়িরা। এখানে সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা ক্যাশ কাউন্টারে জমা দিলেই খেলতে পারে যে কেউ। জুয়ার আসরের সুপারভাইজর রবিউল হোসেন বলেন, খেলতে গিয়ে কোনো ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক তার সমাধান দেন কক উইং পিং নামের একজন। ভ্রমণ ভিসায় তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তিনি মূলত সার্বক্ষণিক ল্যাপটপের মাধ্যমে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। কোনো জুয়াড়িকে কখন জেতাতে হবে তা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মালয়েশিয়া থেকে সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ঠিক করে দেন। অনুমোদন ছাড়া কিভাবে এই ক্যাসিনো চালাচ্ছেন, জানতে চাইলে কোনো সঠিক জবাব দিতে পারেননি সুপারভাইজর।

জানা গেছে, চক্রটি গত চার মাসে এই জুয়া প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। প্রীতম টাওয়ারের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও আইনজীবী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব কিছুই জানে। মাঝেমধ্যে তাদের লোকজন খোঁজখবর নেয়।

ইন্টারনেট ব্যবহার করে এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে পারে কি না, জানতে চাইলে বিটিআরসির এক কর্মকর্তা বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহার করে অবৈধ এমন কাজ চললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের নিরাপত্তার জন্যও এটি ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকাবাসী জানায়, রাত-দিন সমানতালে জুয়ার আসর চলায় পুরানা পল্টন এলাকায় চলাচলকারী মানুষ এখন নিরাপদ নয়। এখানে বেড়ে গেছে ছিনতাই তৎপরতা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মালয়েশিয়ার জুয়া সিন্ডিকেটের চার সদস্য ইয়ং উইং হং, টং খা চিয়ান, কক উইং পিং এবং লাও ফুক চিংকে গত আগস্ট মাসে ঢাকায় নিয়ে আসেন এক শীর্ষ ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ী পরিচয়ের আড়ালে ঢাকার ক্লাবপাড়ায় বড় জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিতি আছে তাঁর। অবৈধভাবে টাকা পাচার করে মালয়েশিয়ায় তিনি সেকেন্ড হোমও করেছেন। সে দেশের ক্যাপং এলাকায় রয়েছে তাঁর বাড়ি ও একাধিক গাড়ি।

সূত্র: কালের কণ্ঠ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিমেষে অ্যাসিডিটির সমস্যা কমায় এই ১০টি উপাদান

১. দারুচিনি
যখনই অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে, তখনই অল্প করে দারুচিনি খেয়ে নেবেন। দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগবে না। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদনটিতে থাকা একাদিক উপকারি উপাদান একদিকে যেমন হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, তেমনি পেটের সংক্রমণের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে ঠিক মতো হজম না হওয়ার সমস্যা কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে অল্প করে দারুচিনি দিয়ে তৈরি চা খেলে দেখবেন দারুন উপকার মিলবে।

২. অ্যালোভেরা
এতে থাকা নানাবিধ খনিজ একদিকে যেমন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, অ্যালোভেরায় থাকা অ্যাসিড, স্টমাকে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের কর্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৩. ডাবের পানি
গরমের সময় শরীরে পানির ঘাটতি মেটানোর পাশাপাশি স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ স্বাভাবিক করতেও ডাবের পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, শরীরে থাকা অতিরিক্ত অ্যাসিডকে বের করে দিতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। তাই তো অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৪. গুড়
শুনতে অবাক লাগলেও অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে বাস্তবিকই এই খাবারটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে গুড়ে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, ইন্টেস্টাইনের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে, দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে এবং স্টমাকের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কারণেই তো গরম কালে বেশি করে গুড়ের সরবত খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৫. রসুন
অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে এক কোয়া রসুন খেয়ে ফেললেই স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করে। ফলে গ্যাস-অম্বল সংক্রান্ত নানা লক্ষণ ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।

৬. মৌরি
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে অ্যাসিডিটির প্রকোপ কমাতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে মৌরিতে থাকা বিশেষ এক ধরনের তেল পাকস্থলির কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজম এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।

৭. লস্যি
শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার পাশপাশি এই পানীয়টি স্টামাক অ্যাসিডের কার্যকারিতাকে কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গলা জ্বালা করার মতো সমস্যা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে এমন ধরনের অসুবিধা দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস বাটার মিল্ক খেয়ে নেবেন। দেখবেন নিমেষে সমস্যা কমে যাবে। এক্ষেত্রে বাটার মিল্ক বানানোর সময় তাতে দই এবং অল্প করে লবণ মিশিয়ে দিতে ভুলবেন না। আসলে এমনটা করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

৮. খাবার সোডা
মাঝে মধ্যেই কি অ্যাসিডিটির সমস্যায় হয়ে থাকে? তাহলে কাজে লাগান এই ঘরোয়া পদ্ধতিটিকে। এক্ষেত্রে এক গ্লাস পানিতে ১ চামচ খাবার সোডা মিশিয়ে সেই পানি পান করুন। প্রতিদিন এই মিশ্রনটি পান করলে দেখবেন আর কোনও দিন অ্যাসিডিটি হবে না। আসলে এই পানীয়টি অ্যান্টাসিডের কাজ করে থাকে। এই কারণেই তো এমন ধরনের সমস্যা কমাতে এই উপাদানটিকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৯. তুলসি পাতা
একেবারে ঠিক শুনেছেন। গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমাতে তুলসি পাতা দারুন কাজে আসে। এতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা খুব অল্প সময়ে অ্যাসিডিটিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তাই তো নিমেষে এমন রোগের প্রকোপ কমাতে ৩-৫ টি তুলসি পাতা পানিতে ভিজিয়ে, সেই পানি ফুটিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন চোখের পলকে অ্যাসিডিটি কমে যাবে।

১০. বাদাম
আপনি কি প্রায়শই অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগে থাকেন? তাহলে খাবার পরপরই ২-৩ টি বাদাম খেয়ে নিতে ভুলবেন না। কারণ এমনটা করলে এমন ধরনের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনা কমে। আসলে বাদামে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং অ্যালকেলাইন কমপাউন্ড, যা স্টমাক অ্যাসিডিটির জন্য দায়ি অ্যাসিডদের ক্ষতি করার ক্ষমতা একেবারে কমিয়ে দেয়। ফলে গ্যাস-অম্বলের কষ্ট কমতে সময় লাগে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest