ত্রিপুরার নতুন মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের বিপ্লব

বিপ্লব কুমার দেব। ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ত্রিপুরা রাজ্যের সভাপতি।

বিপ্লবের আসল পরিচয় তিনি বাংলাদেশি বাবা-মায়ের সন্তান। তার দাদার বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার মেঘদাইর গ্রামে।

সালের ৭ জানুয়ারি তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারে থাকা দলটির ত্রিপুরা রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি নির্বাচিত হন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিধানসভার ৬০ আসনের মধ্যে তার তরুণ নেতৃত্বে বিজেপি ৪৩ আসনে জয়লাভ করে। এ ছাড়া তিনিও ত্রিপুরার বনমালিপুর আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি বুধবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। কচুয়ার মেঘদাইর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘মাস্টার বাড়ি’র কবিরাজ গোবিন্দ চন্দ্র দেবের নাতি বিপ্লব কুমার দেব। কবিরাজ গোবিন্দ চন্দ্র দেবের ৪ ছেলে।

তারা হলেন, হারাধন চন্দ্র দেব, হিরুধন চন্দ্র দেব, প্রাণধন চন্দ্র দেব এবং মধুসূদন চন্দ্র দেব। গোবিন্দ চন্দ্র দেবের দ্বিতীয় ছেলে হিরুধন চন্দ্র দেবের সন্তান হলেন বিপ্লব কুমার দেব। বিপ্লব কুমার দেবের বাবা-মা ছাড়া অন্যরা কচুয়া এবং মেঘদাইরে বসবাস করেন। তবে তার মেজ চাচা কবিরাজ প্রাণধন দেব কচুয়ার পরিচিত মুখ। তিনি কচুয়া উপজেলার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি। থানা পুলিশিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। কচুয়া সদরেই তিনি সপরিবারে বসবাস করেন। কবিরাজ গোবিন্দ চন্দ্র দেবের পারিবারিক সব অনুষ্ঠানেই তাদের আসা-যাওয়া রয়েছে। ত্রিপুরার রাজ্য সভাপতি হওয়ার কিছুদিন আগে চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন বিপ্লব। সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসেন তিনি। এর আগে গত বছর বিজেপির প্রতিনিধি দলের প্রধান হয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে অংশ নেন তিনি। সেখান থেকে হেলিকপ্টারযোগে কচুয়া গিয়েছিলেন ত্রিপুরার হবু এ মুখ্যমন্ত্রী। ওই সময় কচুয়া প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিপ্লব কুমার দেবের বাবা-মা ত্রিপুরা পাড়ি জমান। দেশ ছেড়ে ভারতের পাড়ি জমানোর কয়েক মাসের মাথায় ত্রিপুরাতেই মা মিনা রানী দেবের ঘর আলো করে জন্ম নেন বিপ্লব কুমার দেব।

মানিক সরকারের পদত্যাগ : ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মানিক সরকার (৬৯)। রবিবার দুপুরের দিকে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যটির রাজ্যপাল তথাগত রায়ের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাজ্যপাল তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। তবে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কেউ শপথ গ্রহণ না করা পর্যন্ত মানিক সরকারকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর কথা বলা হয়েছে। পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরই মানিক সরকার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘আমি রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি এবং তিনি আমাকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী না আসা পর্যন্ত দায়িত্ব সামলানোর কথা বলেছেন। ’ মানিক সরকার আরও বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য আমি সব সরকারি কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে সরকারি জায়গায় নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মোঃ আরাফাত আলী : কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন বাজুয়াগড় গেল্লের খালের জায়গা দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার বেলা ১২ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমেদ মাছুমের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের একটি টিম এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় বাজুয়াগড়-হরিখালী খালের জায়গা দখল করে নির্মিত ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাজুয়াগড় গ্রামের মৃত মোনতেজ গাজীর ছেলে গোলাম গাজী, শুকচাঁন গাজীর ছেলে গোলাম গাজী ও উচ্ছেপাড়া গ্রামের মৃত সেফাত উল্যাহ গাজীর ছেলে কাশেম গাজীর ঘরসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। প্রসঙ্গত গত ১৮ ফ্রেব্র“য়ারি ডেইলি সাতক্ষীরা অনলাইন পত্রিকায় কালিগঞ্জে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় চলছে খাল দখলের মহোৎসব শিরোনাম প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে উপজেলা প্রশাসন বাঁশঝাড়ীয়া, নৈহাটী, হরিখালী, বাহাদুরপুর, বাজুয়াগড়, পিরোজপুর, মহেশ্বরপুর,গান্ধুলিয়া, উচ্ছেপাড়া ও বদরকাটী গ্রামের পানি সরবরাহের এক মাত্র মাধ্যম পানি সেচ সহ এলাকার কৃষি মৎস্য চাষের জন্য প্রায় ১ হাজার চাষীর পানি সরবরাহ জন্য খালটি অবমুক্ত করেছেন। উচ্ছেদ কার্যক্রমের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক আরিফুজ্জামান, ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুল্লাহ প্রমুখ। কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্মেদ মাছুম বলেন, অবৈধ দখলদারদের কয়েক দফা নোটিশ করলেও তারা স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে খালের ভিতর ভেক্যু দিয়ে ভরাটকৃত মাটি সরিয়ে নেয়ার জন্য শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানুষের ফুল ও ভালবাসায় সিক্ত হলেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার মানুষের ফুল ও ভালবাসায় বিদায় অনুষ্ঠানে সিক্ত হলেন বিদায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন কাঁদলেন এবং কাঁদালেন। রবিবার রাতে জেলা প্রশাসকের বাংলো নিহারীকায় সাতক্ষীরা ফেন্ড্রস্ ড্রামেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সাতক্ষীরা ফেন্ড্রস্ ড্রামেটিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল করিম সাবু, সহসভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, আজিবর রহমান, রফিকুল আলম বাবু, ইউছুফ আলী, সদস্য আব্দুস সালাম ও ইকবাল। অপরদিকে একই সময়ে জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সাতক্ষীরা পিএন বিয়াম লাবরেটরী (ইংলিশ মিডিয়াম) স্কুল ও কবি সিকান্দার একাডেমির পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক পত্মী জেলা লেডিস ক্লাবের সভানেত্রী সেলিনা আফরোজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন, সহকারি পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, উপভাষা গবেষক অধ্যাপক কাজী মুহম্মদ অলিউল্লাহ, জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেনরী সরদার, পিএন বিয়াম লাবরেটরী (ইংলিশ মিডিয়াম) স্কুলের উপাধ্যক্ষ এমদাদুল হক, সিনিয়র শিক্ষক মনজুরুল হক, শামীমা পারভীন রত্মা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, আবু আফ্ফান রোজ বাবু, সংগীত শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক বরুণ ব্যাণার্জী, শিক্ষক আবুল বাসার পল্টু, জেলা পরিষদের সদস্য এড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, শেখ সহিদুর রহমান প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিংড়ীতে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের উদ্বোধন

আশাশুনি ব্যুরো : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ীতে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকালে ফিংড়ীর ব্যাংদহা বাজারস্থ এ আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোহাম্মদ মহিউদ্দীন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তহমিনা খাতুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দীন, ফিংড়ী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মোঃ সোহাগ হোসেন, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, আফসার উদ্দীন, মধুসুধন মন্ডল, আব্দুর রকিব ঢালী, সুকুমার সরদার, আশরাফ হোসেন, শেখ জাকিরুল হক, মহাদেব ঘোষ, রেবেকা বেগম, নাছিমা বেগম, আছিয়া বেগম প্রমুখ। আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার এবং সবার জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করণের লক্ষে অত্র এলাকার ১শ জন হতদরিদ্র প্রত্যেককে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ১টি করে ঘর বরাদ্ধ দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মোহাম্মদ মহিউদ্দীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ হলো ফিংড়ী দরবার শরীফের বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব

আশাশুনি ব্যুরো: আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ী ইউনিয়নের দরবার শরীফ আলিম মাদ্রাসার ইছালে ছাওয়াব। ফিংড়ী দরবার শরীফ আলিম মাদ্রাসা ময়দানে ৩দিন ব্যাপী বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। ফিংড়ী দরবার শরীফ মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওঃ মোস্তফা আবুল কালাম আযাদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগ সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদার, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, শ্যামনগর উপজেলা আ’লীগ সভাপতি এড. আলহাজ্ব আবু বক্কর ছিদ্দিকী, সদর উপজেলা আ’লীগ কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, পৌর আ’লীগ যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক রাশিদুরজ্জামান রাশি, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সামছুর রহমান, ফিংড়ী আ’লীগ সভাপতি মোঃ লুৎফর রহমান, সহ সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, যুবলীগ সভাপতি সোহাগ হোসেন, সাংবাদিক শাহিন আলম সহ এলাকার ধর্মপ্রান মুসল্লীবৃন্দ। ইছালে ছাওয়াব মাহফিলে কোরআন ও হাদিস থেকে তাসরিব পেশ করবেন ঢাকা ইসলামী ফাউন্ডেশন এর গবেষক মাওঃ মোঃ আশরাফুল ইসলাম আজিজী, যশোরের প্রখ্যাত মুফতি মোঃ হায়দার আলী, জাহানাবাজ মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম বেলালী, প্রতাপনগর এপিএস কলেজ এর অধ্যাপক মাওঃ মোঃ আনারুল ইসলাম কোনআন ও হাদিস থেকে তাসবির পেশ করেন। রবিবার বাদ ফরজ আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন দরবার শরীফ মাদ্রসার অধ্যক্ষ মাওঃ আবুল হাই সিদ্দিকী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার দেয়াড়ায় নাম্বারবিহীন মটরসাইকেল উদ্ধার

কলারোয়া,প্রতিনিধি ঃ-কলারোয়ার দেয়াড়া দেয়াড়া ইউনিয়নে একটি নাম্বার প্লেট বিহীন লাল প্রলেপের কালো রঙের নতুন মটরসাইকেল উদ্ধার করেছে খোরদো ক্যম্প পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাত অর্থাৎ ৪ঠা মার্চ রবিবার রাত ১২.১৫ মিনিটের দিকে উপজেলার দেয়াড়ার কাশিয়াডাংগার আনছার আলীর মৎস্য ঘেরের বেড়িবাধ পার্শ্ববর্তী মতিয়ার মাস্টারের মৎস্য ঘেরের ভিতর থেকে গাড়িটি উদ্ধার হয় বলে জানান খোরদো ক্যাম্পের পুলিশ।

খোরদো ক্যাম্প ইনচার্জ (আইসি) এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান- রাতে বিভিন্ন এলাকা টহলরত অবস্থায় ঐ এলাকা থেকে মটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। কাশিয়াডাংগার ঘেরবর্তী স্থানীয় সাধারণ মানুষের টর্চ লাইটের আলো পেয়েই অজ্ঞাত মটরসাইকেল চালক গাড়িটি ফেলে রেখে ত্রিমোহীনি ঘাট পাড়ি দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলের কিছু দূর অবস্থান করাতে পলাতক চালককে সনাক্ত করা যায়নি।
তাছাড়া উদ্ধার করা গাড়িটির বিভিন্ন স্থান তল্লাশী করেও কিছুই পাওয়া যায়নি বলে জানান আইসি সিরাজুল ইসলাম। উদ্ধারকৃত মটরসাইকেলের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনি ও রোববার দুই দিন ব্যাপি উপজেলার উত্তরশ্রীপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেট পার্লামেন্টের আয়োজনে ও মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের সহযোগিতায় ৩ ও ৪ মার্চ আন্তঃস্কুল বিতর্ক কর্মশালার সমাপনি ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুর রহমান। অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি (অবসরপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুফী আলহাজ্ব শেখ আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ জিএম, রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চ,ু প্রধান শিক্ষক রমেশ চন্দ্র, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু দাউদ, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মাষ্টার আব্দুল হামিদ, সহকারী অধ্যাপক খান মইনুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক, অবিভাবক ও সূধি মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। আন্তঃস্কুল বিতর্ক কর্মশালায় অংশগ্রহন কারীদের সনদ পত্র প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ বেতার খুলনার কথক উপস্থাপক ও ডিভেট নিদের্শক খুলনা আহ্ছানউল্লাহ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মমতাজ আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাল সরকারি চাকরিতে যোগদান করছেন ১০১০ কওমি আলেম

কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতির পর সোমবার সকাল ১০টায় একসঙ্গে ১ হাজার ১০ জন কওমি আলেম সরকারি চাকরিতে যোগদান করছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাস্তবায়নাধীন মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৬ষ্ঠ পর্যায়) প্রকল্পের দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় কওমী নেসাবের শিক্ষক হিসেবে তারা যোগদান করবেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে একসঙ্গে এত কওমি আলেমের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ঘটনা এটাই প্রথম বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ইফা জানায়, যোগদান শেষে সকল শিক্ষকের জন্য ৩ দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার বেলা আড়াইটায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে কর্মশালার উদ্বোধন করবেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন এমপি। সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস এর গভর্নর মিছবাহুর রহমান চৌধুরী। বাসস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest