সর্বশেষ সংবাদ-
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণবৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নাশকতার মামলায় সাতক্ষীরার সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন কারাগারে

আসাদুজ্জামান: নাশকতার একটি মামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীনসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৮ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে সাতক্ষীরার একটি আদালত। রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা জেলা দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক মোঃ সাদিকুল ইসলাম তালুকদার তাদের এ জামিন না মঞ্জুর করেন।
সাতক্ষীরা আদালতের কোর্ট পরিদর্শক অমল বিশ্বাস জানান, কালিগঞ্জ থানার জিআর ২৯১/ ১৭ নং (তারিখ-০৩/১২/১৭) নাশকতার একটি মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ইসলামসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৮ নেতা-কর্মী নি¤œ আদালতে হাজির হওয়ার শর্ত সাপেক্ষে হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। এর পর তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ হলে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ তারা সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা জানালে আদালতের বিচারক মোঃ সাদিকুল ইসলাম তালুকদার তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়ায় ধর্ষণ উৎসব, রেহাই নেই শিশু-বৃদ্ধার

সেনাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষে বিধ্বস্ত সিরিয়া। নতুন করে বোমা হামলায় গত তিন দিনে আফরিন শহর ছেড়েছেন দু’ লক্ষেরও বেশি মানুষ।

এদিকে বিরোধীদের দমন নিপীড়ন চালাতে ধর্ষণ উৎসবে মেতে উঠেছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী এবং তাদের মিত্র মিলিশিয়ারা। আর এই ধর্ষণ থেকে বাদ যাচ্ছে না শিশু-বৃদ্ধারাও।

বিষয়টিকে অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্য জানিয়েছে। অন্তত ৪৫০ জনকে প্রশ্ন করে তৈরি হয়েছে এই প্রতিবেদন। যা থেকে উঠে এসেছে যৌন হিংসার ভয়াবহ চিত্র।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্থা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সিরিয়ায় পরিবার-জীবনকে পুরোপুরি বিপন্ন করে দিতে এবং সন্ত্রাসদীর্ণ মানুষের মনোবল ভেঙে দিতে যৌন হিংসা একটা মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে। জঙ্গি ও বিদ্রোহী খোঁজার নামে আসাদের বাহিনী যখন-তখন হানা দিচ্ছে বসতবাড়িতে।

তার পর অবাধে চালিয়েছে যৌন অত্যাচার। কোথাও কোথাও আবার বাড়ির বাইরে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে বাহিনীর লোকজন। কখনও সামরিক ট্যাঙ্কের সামনে নগ্ন হয়ে হাঁটতে বলা হয় নারীদের।

জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান পাওলো পিনহেইরো বলেছেন, সিরিয়ায় সাত বছর ধরে চলমান গৃহযুদ্ধে যুদ্ধরত সব গোষ্ঠীই ভয়াবহ যৌন নির্যাতন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা চালাচ্ছে। তবে সরকারি বাহিনীর তুলনায় অন্যদের নির্যাতনের মাত্রা কম।

প্রতিবেদনে সাক্ষাতকার দেওয়া এক নারী বলেছেন, তাঁকে তাঁর ভাইয়ের সামনে ধর্ষণ করা হয়েছে। আর এক জন জানিয়েছেন, স্বামী আর তিন সন্তানের সামনে ধর্ষিত হতে হয়েছে তাঁকে। যাঁরা বাধা দিতে গিয়েছেন, মরতে হয়েছে তাঁদের।

এদিকে বিদ্রোহীদের দখলে থাকা সেনাছাউনিগুলিতেও একই চিত্র। হঠাৎ ইচ্ছে মত নারীদের তুলে এনে রাখা হচ্ছে আলাদা কোনও বাড়িতে। জখম শরীরে পরার জন্য কিছু দেওয়া হয়নি তাঁদের। রক্ষা পাননি বৃদ্ধারাও। অশালীন ভাবে তাঁদের দেহতল্লাশি করা হয়েছে। এক বৃদ্ধা জানিয়েছেন, সেনা অফিসার তাঁকে যৌন নির্যাতনের সঙ্গে মারধরও করেছে। আর এক বৃদ্ধার দাবি, যৌনাঙ্গে জিনিস ঢুকিয়ে অত্যাচার চালানো হয়েছে তাঁর উপরে।

অন্যদিকে সরকার-বিরোধী কথা বললেই আসাদ বাহিনী জেলে ভরেছে নারী সাংবাদিক, আইনজীবী এবং আন্দোলনকারীদের। বন্দি ওই নারীদের অবস্থা সব চেয়ে ভয়াবহ বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে। রেহাই নেই ওই নারীদের আত্মীয়দেরও। জেলে রয়েছে ৯ বছরের মেয়েও। সবার সামনে জেলে ধর্ষণ করা হয়েছে অন্তঃসত্ত্বাকে। জেলে ঢুকিয়েই মহিলাদের নগ্ন অবস্থায় পুরুষ অফিসারের সামনে মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হয়েছে। যৌনাঙ্গে ও স্তনে বিদ্যুতের শক দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে।

তবে রেহায় পাচ্ছে না পুরুষরাও। নিগ্রহের শিকার হয়েছেন অনেক পুরুষ। অন্য বন্দিদের সামনে তাঁদেরও ধর্ষণ করা হয়েছে। পাইপ, রড দিয়ে চালানো হয় নির্যাতন। আসাদের বাহিনী এ সব দৃশ্য দেখে ‘আনন্দ’ পেত বলে সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন সিরিয়ার বন্দিরা।

জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরা বলছেন, সিরিয়ার সরকারের সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে অন্তত ২০টি আস্তানা নারী ও মেয়ে শিশুদের ধর্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া পুরুষ ও বালকদের ধর্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ১৫টি আস্তানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সম্পর্কের কথা ফাঁস করায় পর্ন তারকার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলা!

মার্কিন পর্ন তারকা স্টিফেন ক্লিফোর্ডের বিরুদ্ধে দুই কোটি ডলারের মানহানির মামলা দায়ের করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে ট্রাম্পের পক্ষে মামলা করেন তার আইনজীবী।

খবরে বলা হয়, ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন মামলায় অভিযোগ করেন, পর্ন জগতে স্টর্মি ড্যানিয়েল নামে পরিচিত স্টিফনি ক্লিফোর্ডকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দেওয়া হয়েছিল। বিনিময়ে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের তথ্য প্রকাশ করবেন না বলে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু সেই চুক্তি লংঘন করায় এ মামলা করা হয়েছে।

ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেন ক্লিফোর্ডকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল কিনা সেটা বলেননি কোহেন।

তবে স্টিফনি ক্লিফোর্ড বলছেন, তার সঙ্গে করা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ২০০৬ সালে তার সঙ্গে ট্রাম্পের শারীরিক সম্পর্ক হয়।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, আমার সঙ্গে ট্রাম্পের যে চুক্তি হয়েছিল, তা বাতিল হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল, রিট খারিজ

নিজ দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে সংসদ সদস্য পদ শূন্য সংক্রান্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের একক বেঞ্চ আজ রবিবার এ রায় দেন।

এর আগে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতার প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দিয়েছিলেন। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের প্রশ্নে রুল জারি করে করেন। আর কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। এরপর প্রধান বিচারপতি মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের একক বেঞ্চে পাঠান। আজ আদালত ওই রিট আবেদনের উপর কোনো রুল জারি না করেই খারিজ করে দেন।
আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদার লিভ টু আপিল শুনানি শেষ, কাল রায়

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আজকের লিভ টু আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ বিষয়টি ঘোষণা করেছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় নিম্ন আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের (লিভ টু আপিল) ওপর শুনানি শেষ হয়েছে।

সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিরতি দিয়ে শুনানি চলে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম, খালেদা জিয়ার পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এ জে মোহাম্মদ আলী।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

১৪ মার্চ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন রোববার (১৮ মার্চ) পর্যন্ত স্থগিত করেন। এরপর ১৫ মার্চ ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাদেম হত্যা মামলায় ৭ জেএমবি সদস্যের ফাঁসির আদেশ

রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত জেএমবি সদস্যের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ছয়জনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে এ রায় দেন আদালত।

২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের মধুপুরে চৈতার মোড়ে মাজারের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত খাদেমের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপকূলে পানির অভাবে হুমকির মুখে প্রাণ বৈচিত্র্য

গাজী আল ইমরান : উপকূল অঞ্চলে ধীরে ধীরে সঙ্কুচিত হচ্ছে গৃহপালিত গবাদি পশু গরু-ছাগল, মহিষ-ভেড়ার চারণ ভূমি। ঘনবসতির কারণে একদিকে কমছে কৃষি জমি, অন্যদিকে ভূমি খনন করে গড়ে উঠছে নতুন নতুন মাছের ঘের, মিষ্টি আঁধার গুলো ভরে যাচ্ছে লবন পানিতে। এতে একদিকে গবাদি পশুর বিচরণ ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে লবণ পানির আগ্রাসনে বিলুপ্ত হচ্ছে প্রাণ বৈচিত্র্য।
উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট এবং শ্রীফলকাঠি এলাকা ঘুরে এখানে বহু গবাদি পশুর বিচরণ দেখা যায়। কিন্তু তাদের শারিরিক গঠন তেমন ভালো নেই। কারণ তাদের নেই অবাধ চরণ ভূমি , খাঁ খাঁ রৌদ্রে নেই তৃষ্ণা মেটানোর ব্যবস্থা। বাধ্য হয়ে পান করছে খাল দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর লবনাক্ত পানি। যেটা গবাদি পশুর শরীরের জন্য ক্ষতিকর। যার কারনে বিভিন্ন ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে গবাদি পশু।
গবাদি পশু বাঁচাতে বহু আঁকুতি এখানকার স্থানীয় মানুষের। গবাদি পশুগুলি দেখভাল করার বিষয়গুলি লক্ষ করলে দেখাযায়, নিজের পরিবারের সদস্যদের মতই গবাদি পশুকে ভালোবেসে চলেছে তারা।
ধুমঘাট গ্রামটিতে লক্ষ করা যায়, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের সদস্যরা গরু ও ছাগল পালন করে লাভবান হচ্ছেন। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই একাধিক গরু-ছাগল-মহিষ রয়েছে। আর এসব গাভী থেকে পাওয়া দুধ বিক্রি করে অনেকের সংসার চলে। শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাটের বড় বড় বিলের জমি গরু-ছাগল পালনের উপযুক্ত বিচরণ ভূমি। এই বিলকে কেন্দ্র করে এসব অঞ্চলের কৃষকরা গরু-ছাগল পালনে আগ্রহী হন। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হওয়ায় এই অঞ্চলের কৃষকেরা চিংড়ি চাষের ওপর ঝুঁকে পড়ছে। এছাড়া মিষ্টি পানির আঁধার খালে লোনা পানি উত্তোলন করার ফলে গরু-ছাগল বিচরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। মানুষ যেনো তার নিজের ভোগের মহিমায় প্রাণ বৈচিত্র্যকে বিলুপ্ত করতে চাচ্ছে।
সমস্যা সমাধান বিষয়ে জানতে চাইলে এলাকার মুরব্বিরা জানান, আমাদের এলাকার গবাদি পশু পালনে সবচেয়ে বড় সমস্যা গবাদি পশুর জন্য কোনো মিষ্টি পানির ব্যবস্থা নেই । এ জন্য বিলের চার পাশে খালগুলো লোনা পানি মুক্ত করা খুব দরকার বলে মনে করেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিন পালন

ধুলিহর প্রতিনিধি : স্বাধীন বাংলাদেশের স্থাপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস ব্যাপক, উৎসাহ,উদ্দীপনা,আনন্দঘন ও মনোরম পরিবেশে আলোচনা সভা,দোয়া অনুষ্ঠান ও কেক কাটাসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের মধ্য দিয়ে গতকাল বিকালে সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদ ও ধুলিহর ইউনিয়ন আ’লীগের আয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ। প্রধান অতিথি তিনি তার বক্তব্যে বলেন,বঙ্গবন্ধু ও শিশু একে অপারের সাথে জড়িত। শিশুদের সাথে ছিলো সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর গভীর প্রেম ও ভালোবাসা। বঙ্গবন্ধু যেমন শিশুদের ভালবাসতেন তেমনি তিনি শিশুদের অধিকার আদায়েও পিছপা হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গনেশ চন্দ্র ম-ল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক স.ম জালাল উদ্দিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান,বীর মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন শফি,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আজাহারুল ইসলাম, সালাম সানা,ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান,রাজ্জাক মোল্যা,বিপ্লব বিশ^াস, তপন শীল,শফি,এবাদুল ইসলামসহ সকল সদস্য,সদস্যা,গ্রাম্য পুলিশ,ইউনিয়ন ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ আ’লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থি ছিলেন। অনুষ্ঠানে মুনাজাত পরিচালনা করেন ধুলিহর পরিষদ মসজিদের হাফেজ মাওলানা তরিকুল ইসলাম।
ডিবি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ঃ- ব্রহ্মরাজপুর ডিবি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়েছে।
ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ- ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ ও ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।
এছাড়া বিডিএফ প্রেস ক্লাব,ডিবিএফ ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন শাখা ব্রহ্মরাজপুর,নুনগোলা এনএনবিকে আল মদিনা দাখিল মাদ্রাসা,জাহানাবাজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,ধুলিহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে দিবসটি পালিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest