আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারী গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ৪টি পদে সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএম নুর আলম ও অর্থ-সম্পাদক মইনুল ইসলাম নির্বাচনে জয়লাভ করে। দ্বি-বার্ষিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠণের লক্ষ্যে বুধবার সকালে বুধহাটাস্থ আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাব কার্যালয়ে ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আকাশ হোসেন, সুব্রত দাশ, শেখ বাদশা, মইনুল ইসলাম, এমএম নূর আলম, মোখলেছুর রহমান ময়না, শেখ হেদায়তুল ইসলাম, আবু ছালেক, আলমিন হোসেন ছট্টু, উত্তম কুমার দাশ, বাপন মিত্র, তপন বিশ্বাস, সত্য রঞ্জন সরকার প্রমূখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আইয়ুব হোসেন রানাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মাষ্টার সুব্রত দাশ ও শেখ বাদশাকে সহ-সভাপতি, আবু ছালেককে যুগ্ম-সম্পাদক, মোখলেছুর রহমান ময়নাকে দপ্তর সম্পাদক, আলমিন হোসেন ছট্টুকে ক্রীড়া সম্পাদক, বাপন মিত্রকে প্রচার সম্পাদক, শেখ হেদায়েতুল ইসলাম ও সোহরাব হোসেনকে কার্যনির্বাহী সদস্য করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি কমিটি ঘোষনা করা হয়। এ ছাড়া বাহাবুল হাসনাইন, উত্তম কুমার দাশ, আজিজুল ইসলাম, তপন বিশ্ব্সা ও সত্যরঞ্জন সরকারকে সাধারণ সদস্য করে মোট ১৮ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে ফলের রস কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে

লেবু বা লেবু জাতীয় ফল যেমন মাল্টা, কমলা ইত্যাদির রস কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে আমাদের শরীরকে প্রতিরোধ করে। লেবুর রসে hydroxycitrate (HCA) থাকে, যা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে।

এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই মূলত কিডনিতে পাথর হয়।

ইউনিভার্সিটি অব হাউজটনের অধ্যাপক জেফ্রি রিমার জানিয়েছেন, মিনারেল জমে শক্ত হয়ে আমাদের কিডনিতে জমে যায়। একেই আমরা কিডনির পাথর বলে থাকি। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবিটিস, ওবেসিটি থেকে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। যে কোনও লেবুর রস এই জমাট বাঁধা ক্যালসিয়াম গলিয়ে দিতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু; জেলায় পরীক্ষার্থী ২৬ হাজার ৩শ ১৩ জন

এম বেলাল হোসাইন: সারা দেশের ন্যায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষা ২০১৮। আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এসএসসি, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষা ২০১৮। পরীক্ষা নকলমুক্ত ও পরীক্ষার পরিবেশ সুন্দর করতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরুপের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্র গুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ফোর্স ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ থাকবে। পরীক্ষায় কোন শিক্ষক ও কর্মচারী নকল করতে সহযোগিতা করলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষার্থীরা যাতে কোন অবৈধ কাগজপত্র না নিয়ে যেতে পারে সে জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাসী করে কেন্দ্রে ঢোকানো হবে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০ মিনিট পুর্বে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। যে সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তান পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবে সে সকল শিক্ষক ইনভিজিলেটর হিসেবে সেই কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা। পরীক্ষা আসে পাশে এক কিলোমিটারের মধ্যে সকল ফটোষ্টাট মেশিন পরীক্ষা চলাকালিন সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে। কোনো অবস্থাতেই কোন শিক্ষক নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। পরীক্ষার্থীদের সাথে বৈষম্যূুলক ও অশোভন আচরণ করলে কেন্দ্র বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের তাৎক্ষনিক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্র গুলোতে ডাক্তার নিয়োগ থাকবে। পরীক্ষা চলাকালিন কেন্দ্রের পার্শ্বে মাইক ব্যবহার করা যাবে না।
এবছর সাতক্ষীরা জেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ হাজার ৩শ ১৩ জন। পরীক্ষায় জেলায় মোট ২৩ টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৫৪৩ জন। এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ শত ১৭ জন এবং দাখিল পরীক্ষার ১১টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার ৫শ ৫৩ জন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সাতক্ষীরা টাউন গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২শ ৫৭ জন। সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সাতক্ষীরা পিএন স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১ শ ৩৩ জন। নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭শ ৯০ জন। এসএসসি ভোকেশনাল সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ শ ৯৫ জন। দাখিল পরীক্ষায় সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ শ ৪৬ জন।
কলারোয়া উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলারোয়া গার্লস পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৮৭ জন। সোনাবাড়িয়া মাধ্যমিক সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সোনার বাংলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬’শ ৪৭ জন। খোর্দ্দ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও খোর্দ্দ সালেহা হক মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শ ৮৭ জন। কলারোয়া গার্লস পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শ ৩১ জন। এসএসসি ভোকেশনাল কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলারোয়া সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ শ ৭৭ জন। দাখিল পরীক্ষায় কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা ও কলারোয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ শ ৩১ জন।
তালা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় তালা সরকারি বি,দে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শহীদ আলী আহমেদ সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৩শ ৬৩ জন। কুমিরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কুমিরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬শ ৩৬ জন। খলীষখালী মাগুরা এসসি কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট ও ৪২ নং বালিয়াদহ সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ শ ২২ জন। আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কুমিরা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শ ৬৪ জন। এসএসসি ভোকেশনাল কুমিরা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও কুমিরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১শ ৫১ জন। দাখিল পরীক্ষায় তালা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শ ৮৩ জন। পাটকেলঘাটা আল আমিন ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শ ৫৮ জন।
আশাশুনি উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় আশাশুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আশাশুনি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১শ ১৮ জন। দরগাপুর এস কে আর এইচ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দরগাপুর সিদ্দিকিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬শ ৯ জন। বুধহাটা বিবিএম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বুধহাটা কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শ ১১ জন। বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬শ ১১ জন। এসএসসি ভোকেশনাল সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ ও আশাশুনি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯জন। দাখিল পরীক্ষায় আশাশুনি দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫শ ৪০ জন। গুনাকরকাটি আজিজিয়া খাইরিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২শ ৬৬জন।
কালিগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কালিগঞ্জ পাইলট গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৫শ ৬২ জন। নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নলতা গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬শ ৭২জন। চাম্পাফুল আঃপ্রঃচঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চাম্পাফুল সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪শ ৮২ জন। এসএসসি ভোকেশনাল কালিগঞ্জ পাইলট কমিউনিটি হাইস্কুল ও কালিগঞ্জ সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১শ ৯৫জন। দাখিল পরীক্ষায় কালিগঞ্জ নাছরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪শ ৩ জন এবং নলতা আহছানিয়া দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ শ ৪৭ জন। দেবহাটা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় দেবহাটা বিবিএমপি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দেবহাটা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫শ ৮১ জন। পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পারুলিয়া গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭শ ৪ জন। এসএসসি ভোকেশনাল আহছানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও হাদিপুর জগন্নাথপুর দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯০ জন এবং দাখিল পরীক্ষায় সখিপুর দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২শ ৫৩ জন। শ্যামনগর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় নকিপুর এইচ,সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১ শ ৪৩ জন। নওয়াবেকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ছফিরুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শ ৪৯ জন। নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬শ ৮৪ জন। এসএসসি ভোকেশনাল নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও শ্যামনগর সরকারি শিশু শিক্ষা নিকেতন কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯০ জন। দাখিল পরীক্ষায় শ্যামনগর কেন্দ্রিয় মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬শ ৭৫ জন এবং নওয়াবেকী বিড়ালক্ষী কাদেরিয়া সিনিয়র মাদরাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪শ ৫১ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চির বিদায় নিলেন গোয়ালডাঙ্গা ফকিরবাগড় স্কুলের সোমনাথ মন্ডল

বড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি: এ বিদায় চিরবিদায় নয়, এ বিদায় খনিকের বিদায়, গত রবিবার ২০১৮ সালের স্কুলে এস,এস,সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য কথাগুলো বলেছিলেন আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা ফকিরবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সোমনাথ মন্ডল (৪৫)। কিন্তু বক্তৃতা রাখা কালীন তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে এভাবে হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের কাঁদিয়ে চির বিদায় নিবেন এটায় হয়তো তার কপালে লেখা ছিল। বুধবার ভোর ৫ টায় খুলনা গাজী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। দুপুর ১২ টায় তার লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্স বিদ্যালয়ে চত্বরে এসে পৌছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয় তাকে শেষ এক নজর দেখার জন্য হাজার হাজার জনগনের সমাগম ঘটে এবং ফুলদিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানায়। মৃত্যু কালে স্ত্রী, এক পুত্র, এক কণ্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। বিকাল ৫ টায় বুড়িয়া শ্মশান ঘাটে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন করা হয়।
তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ উপলক্ষে গোয়ালডাঙ্গা ফকিরবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপি

গ্রেফতার আতঙ্কে এখন ঘরছাড়া অবস্থায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ৮ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ মামলার রায়কে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বিএনপিতে। এদিকে গত রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ছাড়া এরই মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ তিন কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে তোলা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৫৫ নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। গত রাতে মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালসহ ছয় নেতা-কর্মীকে।

বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের মাঠপর্যায়ের প্রায় ২৭৫ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে। দলের আরেক প্রবীণ স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতার বাসায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্র জানায়, দেশব্যাপী বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ৭৮ হাজার ৩২৩। আর আসামির সংখ্যা ৭ লাখ ৮৩ হাজার ২৩৮ জন। এ সরকারের সময়ে তাদের ৭৪৭ জন নেতা-কর্মী অপহূত হয়েছেন; সরাসরি ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে খুন’ হয়েছেন ৫২০ জন; ১৫৭ জন এখনো নিখোঁজ। গত দুই দিনে নতুন করে চার মামলায় ৯০০ নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এরমধ্যে অজ্ঞাত আসামিই বেশি। ফলে গাঢাকা দিয়েছেন মধ্যসারি ও নিম্নস্তরের নেতা-কর্মীরা। অনেকেই বন্ধ রেখেছেন নিজের সেলফোন। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার এড়িয়ে চলার দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৮ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণভাবে আদালত পাড়ায় নেতা-কর্মীদের অবস্থান নেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে তিনি শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের এই নির্দেশনা দেন। ঢাকাসহ সারা দেশের সাংগঠনিক ইউনিটগুলোতে একই বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সরকার পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাদের গ্রেফতার করছে। বিএনপি নেতা-কর্মীরা ৮ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণভাবে আদালতে যেতে চায়। কিন্তু সরকার সেটা মেনে নিতে পারছে না। উদ্দেশ্য একটাই, আগামী নির্বাচনকে একতরফা করা। কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসনকে জেলে নিয়ে কিংবা সাজা দিয়েও বিএনপিকে দমাতে পারবে না। কোনো কারণে বেগম জিয়াকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে সেই নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। ওই নির্বাচন দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্যও হবে না।’

গত মঙ্গলবার বকশীবাজারে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ৯০০ নেতা-কর্মীকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করা হয়েছে। যাদেরকে নতুনভাবে আটক করা হচ্ছে, তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, দলের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ অন্যান্যদের ওই মামলায় আটক দেখানো হয়েছে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা আশঙ্কা করছেন, আটক হলে তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে। পুলিশের ওপর আক্রমণের মামলার ধারাও জটিল বলে মনে করেন তারা। তাই গতকাল বিশেষ আদালতে খালেদা জিয়ার হাজিরা থাকলেও নেতা-কর্মীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, গত দুই দিনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ছাড়াও গ্রেফতার হয়েছেন বিএনপির সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সহসম্পাদক, ছাত্রদলের সহগণসংযোগ সম্পাদক আমজাদ হোসেন চৌধুরী শাহাদাত, যুব দলের সাবেক সহসম্পাদক গাজী হাবিব হাসান রিন্টু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা মহিলা দলের সভাপতি বেগম রাজিয়া আলিম, সাবেক যুবনেতা আবদুজ জব্বার, যুবদল নেতা মো. রুবেল, মো. হানিফ, দুলাল, মামুন আহম্মেদ, রাকিব আকন্দ, হোসনা, পারভিন, দিথি, লায়লা, জাকিয়া, মাহফুজুর রহমান চেয়ারম্যান, ফরিদ উদ্দিন জুয়েল, শাহ আলম, মাহবুব খান, সোকন মিয়া, মিন্নাত আলী, ইব্রাহিম, আমিনুর রহমান প্রমুখ। গতকালও বকশীবাজার থেকে কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। রাতে তল্লাশি চালানো হয়েছে নেতাদের বাসায় বাসায়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘৮ ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে সরকার এক অশুভ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। গণগ্রেফতার সরকারের ভয়ঙ্কর অশুভ পরিকল্পনার অংশ। সরকার ভাবছে, গ্রেফতার করে দেশের মানুষ ও জাতীয়তাবাদী শক্তি ভয় পেয়ে যাবে, আতঙ্কগ্রস্ত হবে। এই গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা দেশ আরও বেশি ক্ষোভে-বিক্ষোভে ফেটে পড়বে।’

সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশি অভিযান চালায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানের বাসায়। গতকাল সকালে জিনজিরা যুব দলের সভাপতি মামুনের বাসায় পুলিশ তল্লাশি করে। এভাবে তল্লাশি ও আটকের ফলে দেশব্যাপী গ্রেফতার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বিএনপিতে। আটকের ঘটনার পর গতকাল অনেক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনও বন্ধ রেখেছেন অনেকে। বন্ধ পাওয়া গেছে বিএনপি নেতাদের পিএসদের নম্বরও।

এদিকে কয়েক দিনের তুলনায় গতকাল সকাল থেকে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেও নেতা-কর্মীদের আনাগোনা কম ছিল। আর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। দুই দিন ধরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থান করছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তাকে ছাড়াও গুটি কয়েক নেতা-কর্মীও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে থাকছেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কারাগারে, ৫৫ নেতা-কর্মী রিমান্ডে : গ্রেফতারের পরদিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে আনা হয়। তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এ ছাড়া রাজধানীতে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার পৃথক চার মামলায় বিএনপির ৫৫ জন নেতা-কর্মীর বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ঢাকার মহানগর হাকিম মাহমুদুল হাসান এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে রমনা থানায় দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়নি। আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন বলেই গয়েশ্বর চন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ও সাবেক মন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ছেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

শাহবাগ ও রমনা থানায় দায়ের হওয়া পৃথক চার মামলার অন্য আসামিদের পক্ষে বিএনপির আইন সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়াসহ বিএনপিপন্থি চারজন আইনজীবী আদালতকে বলেন, পুলিশের ওপর বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা চালাননি। বরং পুলিশ নিজের লোক দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। যাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে, তাদের কারও বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আনতে পারেনি পুলিশ।

বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা আদালতের কাছে দাবি করেন, আসামিদের মধ্যে কয়েকজন আছেন, যারা বৃদ্ধ। গতকালের হামলার ঘটনার সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন থানা ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করছে। তারই অংশ হিসেবে দু-তিন দিন আগে এসব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গতকাল এ ঘটনা ঘটিয়ে তাদের এই মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

অপর দিকে রাষ্ট্রপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি সাজ্জাদুল হক আদালতে বলেন, আসামিরা পুলিশকে হত্যার উদ্দেশেই ইটপাটকেল ছুড়ে আক্রমণ করেছে। নাশকতা চালিয়েছে। কেন পুলিশের ওপর এই আক্রমণ এবং কোন নেতারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন— তা খুঁজে বের করার জন্য এই আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয়। আদালত সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানায় পৃথক দুই মামলায় ১৮ জনকে দুই দিন করে এবং রমনা থানায় দায়ের হওয়া মামলায় ৩৫ জনকে দুই দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেয় আদালত। সাবেক মন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ্য ইসলামকে তিন দিন এবং কেন্দ্রীয় নেতা আনিসুর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ড লাইনে সরকার

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার আগেই হঠাৎ মারমুখী বিএনপিকে প্রতিহত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। সহিংসতা বন্ধসহ সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে সরকার জিরো টলারেন্সে থাকবে। তালিকা অনুযায়ী আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দেশজুড়ে অভিযান পরিচালনা করবে। পুরনো মামলা সচলসহ সহিংসতা করলেই আন্দোলনকারী ও হুকুমদাতাদের গ্রেফতার করা হবে। পাশাপাশি রাজপথে সক্রিয় থেকে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলারও সিদ্ধান্ত আছে আওয়ামী লীগের। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সরকার ও আওয়ামী লীগের এ অবস্থান থাকবে। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্রমতে, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজপথ নিজেদের দখলে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি সারতে চায় সরকার। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সাজা হবে। এ মামলায় সাজা হওয়ার মতো সব রকম প্রমাণাদি আছে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা তাদের অবহিত করেছেন। সাজা হলে বিএনপি আন্দোলনের মরণ কামড় দেবে। গত মঙ্গলবার হাই কোর্টের সামনে দলটি সেই শক্তি দেখিয়েছে। পুলিশের গাড়ি ভেঙে আটককৃতদের ছিনিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বিশেষ আদালত এলাকাসহ শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, মত্স্য ভবনসহ বিভিন্ন জায়গায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি সেদিন রাজপথ দখলে রাখবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা, সন্ত্রাস নৈরাজ্য কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যারাই সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা অবস্থা বজায় রাখতে যা যা করণীয় তা-ই করা হবে। গতকাল মহানগর নাট্যমঞ্চে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের উসকানি না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা কোনো উসকানি দেব না, কিন্তু আক্রমণ হলে সমুচিত জবাব দেব। সে জন্য প্রস্তুত হোন, মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিন।’ সূত্রমতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সরকারবিরোধী আন্দোলনকে মাথায় রেখে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী নেতাদের মামলাগুলোও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সেসব মামলার ভিত্তি কতটা শক্তিশালী তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যখনই বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন নিয়ে মাঠে নামবে তখনই সরকার বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হবে। পাশাপাশি নতুন মামলায়ও গ্রেফতার করা হবে সামনের সারির নেতাদের। ইতিমধ্যে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামী ৮ তারিখ পর্যন্ত ধরপাকড় আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, যেসব এলাকায় বিএনপি-জামায়াত তাণ্ডব চালাতে পারে সে এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। যেসব নেতাকে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি মনে করা হবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, আমরা সরকারে আছি, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারাই আইন ভঙ্গ করবে তাদেরই শাস্তি পেতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণতন্ত্র সূচকে আট ধাপ অবনতি, বিশ্বে ৯২তম বাংলাদেশ

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)-এর গণতন্ত্রের সূচকে বছরখানেক আগের অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। সংস্থাটির দৃষ্টিতে এক ধাক্কায় আট ধাপ নিচে নেমেছে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অবস্থান। ২০১৬ সালে ইআইইউ-এর গণতন্ত্রের সূচকে ১০ এর মধ্যে ৫ দশমিক ৭৩ নম্বর পেয়ে বিশ্বে ৮৪তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ ২০১৭ সালে ৫ দশমিক ৪৩ নম্বর পেয়ে এসেছে ৯২তম অবস্থানে। গতকাল লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গণতন্ত্রের সূচকে এই তথ্য দেওয়া হয়। আগের বছরের মতো এবারও সূচকে বাংলাদেশকে ‘হাইব্রিড রেজিম’ বিভাগে রাখা হয়েছে। ২০১৭ সালের বৈশ্বিক সূচকে আবারও শীর্ষস্থান অধিকার করেছে নরওয়ে। আর সূচকে সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে উত্তর কোরিয়া। গড় হিসাবে এশিয়ার দেশগুলো ২০১৭ সালে পেয়েছে ৫.৬৩ নম্বর। যদিও বিশ্বের গড় হিসাব ২০১৬ সালের ৫.৫২ থেকে কমে নেমেছে ৫.৪৮ এ। ইআইইউ হচ্ছে দ্য ইকোনমিস্ট পত্রিকার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান দ্য ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগ। ২০০৬ সাল থেকে শুরু হওয়া এই গণতন্ত্রের সূচকে দেখা যায় ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কমে একেবারে নিম্ন পর্যায়ে এসেছে। কেননা, উন্নত গণতান্ত্রিক দেশেও সংবাদমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে সূচক পতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়। ২০১৭ সালে ‘সারা বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বিভাগে দেখা যায় মাত্র ৩০টি দেশের জনগণ সংবাদমাধ্যমের ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ ভোগ করেন। তারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ ভাগ। অন্যদিকে, ৪৭টি দেশের জনগণ, যারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৩৫.৯ ভাগ, ‘সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ ভোগ করতে পারেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসম প্রেম ও বিয়ের গল্পে শ্রীলেখা!

টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বাংলা কমেডি শো মীরাক্কেল এর বিচারক হিসেবে তিনি বেশ জনপ্রিয়। ৪৬ বছর বয়সে এসেও রুপালি পর্দায় রীতিমতো ঝড় তুলছেন এ অভিনেত্রী।সম্প্রতি সব্যসাচী ভৌমিক পরিচালিত শর্ট ফিল্ম ‘লকড’ এ তিনি অভিনয় করেছেন।

‘লকড’ এর গল্পে দেখা যাবে, বিবাহবার্ষিকীর দিন সকালে স্বামী-স্ত্রী আবিষ্কার করেন, তারা ঘরের ভিতর লকড হয়ে পড়েছেন। অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও বাইরে বের হতে পারছেন না। ধৈর্য হারিয়ে একটা সময়ের পর তারা দুজন একে অন্যকে দোষারোপ করতে শুরু করেন। বয়সের অসম প্রেম ও সেই দাম্পত্যের দাঁত-নখগুলো ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে। বিবাহবার্ষিকীর সকালের মানেটা ক্রমশই পাল্টে যেতে থাকে।

প্রায় ২০ মিনিটের এই ছবিতে মাত্র দুটি চরিত্র। একজন শ্রীলেখা মিত্র এবং তার অল্প বয়সী স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন শঙ্খদীপ রায়।

ছবিটি নিয়ে বেশ আশাবাদী শ্রীলেখা। তিনি বলেন, ‘স্ক্রিপ্ট পড়েই ছবিটা নিয়ে আগ্রহী হয়ে পড়েছিলাম। অনেক ক্ষেত্রে বিয়ের আড়ালেও কিছু ভণ্ডামি লুকিয়ে থাকে, এই ছবি সেগুলোর সামনে একটা আয়না তুলে ধরবে। গল্পটা পছন্দ হতেই তাই রাজি হয়ে যাই।’

ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি নাগাদ ‘লকড’ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইউটিউবে বা অন্য কোনও চ্যানেলে মুক্তির আগে এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিকে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছেন পরিচালক সব্যসাচী ভৌমিক। এ বছরের শেষের দিকে ‘লকড’ মুক্তি পাবে বলেও তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest