‘ডিজিটাল গুপ্তচর’ শব্দ নিয়ে বিব্রত সরকার

বর্তমান সরকারের ১৭১তম মন্ত্রিপরিষদে সোমবারের (২৯ জানুয়ারি) নিয়মিত বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’-এর ৩২ ধারায় বর্ণিত ‘গুপ্তচর’ শব্দ নিয়ে বিব্রত সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহল। বিষয়টি নিয়ে তারা অনেকটা বিব্রত। অনেকেই প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে না চাইলেও নিজেদের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিষয়কে ‘ডিজিটাল গুপ্তচর’বৃত্তি নামে অভিহিত করেছেন। সরকারি প্রশাসনের সর্বোচ্চ দফতর বাংলাদেশ সচিবালয়ে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) মন্ত্রী, সচিবসহ উচ্চপদ্স্থ একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে এমন তথ্য জানা গেছে।

সোমবার অনুমোদিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’-এর ৩২ ধারায় বর্ণিত তথাকথিক ‘গুপ্তচর’ বা এ আইনের অন্য যেকোনও বিষয় সম্পর্কে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্ত্রী বা সচিব প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি।  তবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্ব-স্ব মন্তব্য উপস্থাপন করেছেন। তবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের কাছে এ আইন ও আইনে বর্ণিত ‘গুপ্তচর’ সম্পর্কে জানতে চাইলেও তারা অনেকেই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। আবার অনেকেই এর যেনতেন ব্যাখ্যা দিয়ে সাংবাদিকদের সন্তুষ্ট করারও চেষ্টা করেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, এমন বিতর্কিত বিষয়ে মন্তব্য না করাই ভালো।

সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে অবস্থিত এক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। এ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা উচিত হবে না।’ তিনি বলেন, ‘‘গুপ্তচর শব্দটি আগেও শুনেছি। এবার শুনলাম নতুন করে শুনলাম ‘ডিজিটাল গুপ্তচরে’র গল্প কাহিনি।’’

এদিকে সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের এক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যদার একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারকরা অনেকটাই বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়েছেন বলে মনে হয়। হয়তো এই অবস্থা কেটে যাবে।’ তবে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি আরও বলেন, ‘রাতের টক শো-তে অনেককেই দেখেছি, যেনতেন ব্যাখ্যা দিয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছেন।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ ঢাকা চেম্বারের নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এ সময় ওই বৈঠকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন। সরকারের নীতি-নির্ধারক হিসেবে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় এ সম্পর্কে। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিকরা) গণমাধ্যমে যেভাবে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেন, তাতে তাদের মান-ইজ্জত থাকে না। তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। তারা তো জনপ্রতিনিধি। এ আইনের বলে এখন হয়তো এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।’ তবে তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেন, ‘আইন করা হলেও আমার বিশ্বাস আপনাদের (সাংবাদিক) ঠেকানো যাবে না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ অনেক চিন্তা-ভাবনা করেই করা হয়েছে। অনুমোদনের আগে এ আইনটি নিয়ে নিজেদেও মধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে এ আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগের আইসিটি অ্যাক্টটি বিএনপির সময়ে করা ছিল। যেখানে অনেক বিষয় অস্পষ্ট ছিল। নতুন আইনে বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।’

এদিকে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘আমি এ আইন নিয়ে আর কী বলবো? কারণ আইনটি তো আমি করিনি। আইনটি চূড়ান্ত করেছে আইসিটি মন্ত্রণালয়।’ পরে অবশ্য তিনি বলেন, ‘কম্পিউটারে সংঘটিত অপরাধগুলোকে আইনের আওতায় আনতেই এ আাইন করা হয়েছে। যা আগে ছিল না। কোনও কম্পিউটারে যদি লিগ্যাল কিছু পাওয়া যায় এবং তা যদি সত্য হয় তাহলে তা কোনও অপরাধ হবে না বলে আমি মনে করি। সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করলে তা গুপ্তচরবৃত্তি হবে না। তিনি বলেন, ‘‘যদি সাংবাদিকরা কোনও অবৈধ ঘটনা প্রকাশ করেন, তবে সেটি ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ বা অপরাধ হবে না।’’

এ সময় আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে উল্লিখিত সংজ্ঞায়িত অপরাধ না করলে এ আইনের মাধ্যমে কেউ হয়রানি হবেন না। এ আইনে কারও বাক-স্বাধীনতা হরণ করা হয়নি। ফলে কারও বাক-স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও চান, এই আইনের মাধ্যমে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন। সে কারণেই ৫৭ ধারা বিলুপ্ত করা হয়েছে। আমি মনে করি, আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারায় বাক-স্বাধীনতা কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। ৫৭ ধারার অপব্যবহার হচ্ছিল, আমরা সেটি বন্ধ করার কমিটমেন্ট করেছিলাম। আমরা সেটিই বাস্তবায়ন করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘গুপ্তচরবৃত্তি একটি অপরাধ। এটি আগেও ছিল, এখনও আছে। এটি নতুন করে বলার কিছু নেই। জাতির জনককে হত্যা করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে। কিন্তু তাদের আইনের আওতায় আনা যায়নি। এখন ডিজিটাল আইনের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারা অস্পষ্ট ছিল। যেখানে সর্বনিম্ন সাজা ছিল সাত বছর। নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধগুলোকে স্পষ্ট করে সাজা কম বেশি করা হয়েছে। অপরাধগুলোকে পরিষ্কার করে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি কেন করা হলো সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগের অনেক অপরাধের বিচার পেনাল কোডে করা হতো। কিন্তু কম্পিউটার ব্যবহার করে করা সেই একই ধরনের অপরাধগুলোর বিষয়টি আইনে স্পষ্ট ছিল না। তাই কম্পিউটার ব্যবহার করে করা অপরাধের বিষয়গুলোকে নতুন আইনে স্পষ্ট করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রানার মোটর সাইকেলের সার্ভিস ক্যাম্প উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় দুইদিন ব্যাপি রানার মোটর সাইকেলের ধামাকা সার্ভিস ক্যাম্প উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের পানসি রেস্তোরা সংলগ্ন নুর মহলে রানার অটোমোবাইল কাস্টমার কেয়ারের আয়োজনে ও ভেনাস অটোর্স এর সহযোগিতায় রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের সাউথ ওয়েস্ট জোনের জোনাল বিজনেন্স হেড মো. মারুফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা এ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু। এ ক্যাম্প থেকে রানার মোটর সাইকেল গ্রাহকদের মাঝে বিনামূল্যে সার্ভিস, নতুন মোটর সাইকেল এর প্রদর্শণী, বিনামূল্যে ইঞ্জিন ওভার হোলিং, ইঞ্জিনওয়েল চেকআপ, ওয়াসিং এন্ড পলিশ, বডি পার্টস এক্সচেঞ্জ, মোটরসাইকেল একচেঞ্জ, ইঞ্জিনওয়েল ও স্পেয়ার পার্টর্সের উপর ১০% মূল্য ছাড় এবং নতুন মোটর সাইকেল ক্রয়কালে ৮ হাজার টাকা মূল্য ছাড় ও রানার মোটলাইফ জ্যাকেট ফ্রি, এছাড়া প্রতিদিন ৩৫ জন ক্রেতার মধ্যে ১ জন ভ্যগ্যবান বিজয়ী ক্রেতাকে ১টি গোল্ডেন কয়েন উপহার দেওয়া হবে। বিনামূল্যে ড্রাইভিংসহ ইত্যাদি সুবিধা মোটরসাইকেল গ্রাহকদের মাঝে সেবা প্রদান করছে এ প্রতিষ্ঠানটি। দুইদিন ব্যাপি রানার মোটর সাইকেলের ধামাকা সার্ভিস ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ডিলার ও রানার অটোমোইলর্সের পরিচালক মো. জহুরুল আলম, সাউথ জোন জোনাল সার্ভিস ম্যানেজার মো. ইব্রাহিম খলিল ও ক্যাম্প ব্যবস্থাপনায় মো. আল-আমিন প্রমুখ। এসময় মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী ও ক্রেতা এবং সেবা গ্রহনকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি আটক

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া উপজেলার খোরদো ক্যাম্প পুলিশ ২৪পিচ ইয়াবাসহ আনিছুর রহমান (৩৮) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। সে উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত সুরত আলীর ছেলে। খোরদো পুলিশ ক্যাম্প’র আই.সি হাসানুজ্জামান রিপন সাংবাদিকদের জানান- সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আনিছুরকে আটক করা হয়। সেসময় তার দেহ তল্লাশী করে ২৪পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। রাতেই ইয়াবাসহ আটক আনিছুর রহমানকে কলারোয়া থানায় সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় জাতীয় ছাত্র সমাজের নব নির্বাচিত কমিটিকে সংবর্ধনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: জাতীয় ছাত্র সমাজ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে তালা সদর ইউনিয়ন জাতীয় ছাত্র সমাজ ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তালার মাঝিয়াড়াস্থ বাজার প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তালা সদর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড জাপা সভাপতি আনসার আলীর সভাপতিত্বে ও তালা সরকারি কলেজ ছাত্র সমাজের সদস্য সচিব হাসান আলী বাচ্চুর পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা জাপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা জাপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর কাইয়ুম ইসলাম ডাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, জাপা নেতা আবুল বাসার, আব্দুর রশিদ সরদার, ঈমান আলী, আব্দুস সবুর খাঁ, আইয়ুব আলী, শেখ আব্দুস সালাম, রেজাউল ইসলাম, শ্রমিক পার্টির সভাপতি জুলফিক্কার আলী, ইসলামকাটি ইউনিয়ন জাপার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্র সমাজের সভাপতি আলীম আল রাজি রাজ, ছাত্র সমাজ নেতা রিমন, রনি, কালিগঞ্জ ছাত্র সমাজের সদস্য সচিব শওন, তালা উপজেলা ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুচ আলী, তালা সদর ইউনিয়ন ছাত্রসমাজ সভাপতি মিঠু, যুব সংহতির ওয়ার্ড সভাপতি মতিয়ার সরদার, যুব সংহতি নেতা বাহারুল ইসলাম, নেয়ামত আলী মোড়ল, আব্দুল লতিফ। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন জেলা ছাত্রসমাজের নব-নির্বাচিত কমিটির সভাপতি কায়সারুজ্জামান হিমেল, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনুজ্জামান সুমন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন এমপি জগলুল

শ্যামনগর প্রতিনিধি : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে জীবিকা নির্বাহের জন্য অবস্থানকারী জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার শীতবস্ত্র কম্বল নিয়ে উপস্থিত হন সাতক্ষীরা – ৪ আসনের সংসদ সদস্য এস, এম জগলুল হায়দার।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ কামরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চেয়ারম্যান ভবতোষ মন্ডল, মোশারফ করিম প্রভাষকসহ নেতৃত্ববৃন্দ।
প্রতিক্রিয়ায় কম্বল পেয়ে অসহায় মানুষেরা বলেন, “আমরা হাজার হাজার জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালি দীর্ঘদিন যাবৎ নদীতে কুমির, ডাঙ্গায় বাঘ ও বনদস্যুর ভয় উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহের জন্য এই গহীন বনের মধ্যে থাকি আমাদের এলাকার সন্তান, আমাদের প্রিয় নেতা জগলুল হায়দার এমপি কম্বল নিয়ে আমাদের কাছে এসেছেন। এজন্য আমরা ভীষণ আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। আমরা সকলে প্রাণভরে দোয়া করি যেন শেখ হাসিনা আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে পারেন এবং জগলুল হায়দার যেন আবারও আমাদের এমপি হতে পারেন। কম্বল বিতরণ শেষে সাংসদ সকলের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আতরজান মহিলা কলেজ জারীগান প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগে প্রথম

শ্যামনগর ব্যুরো: জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় জারীগান প্রতিযোগিতায় শ্যামনগর আতরজান মহিলা মহা বিদ্যালয় প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছে। গত ২৯ জানুয়ারী সোমবার খুলনা মন্নুজান স্কুলে খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা হতে জারীগান প্রতিযোগিতায় ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করে। সকাল ৯টা হইতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জারী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে শ্যামনগর আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয় প্রথম স্থান অধিকার করে। ইতিপূর্বে আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয় জারীদল উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে বলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমির হোসেন জানান। আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অংশগ্রহন করা জারীদলের ছাত্রীরা হলো- বিথিকা রানী, অনন্যা মন্ডল, জারিন আতকিয়া, প্রিয়াংকা মন্ডল ও সামিয়া হোসেন। প্রথম স্থান অধিকার করায় শ্যামনগরের সর্বস্তরের মানুষ জারীদল কে অভিনন্দন জানায়। উল্লেখ্য, প্রথম স্থান অধিকার করার আনন্দে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও ছাত্রীরা গোপলগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগর প্রাইমারিতে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন

নুরনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর ১৭নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন সর্ম্পন্ন হয়েছে। অত্র বিদ্যালয়ে ৩০শে জানুয়ারি স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচনে যথাযথ নির্বাচন আইন মেনে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোট ১৩জন শিক্ষার্থী প্রার্থীর তালিকায় নাম লিখিয়েছিল। ৩য় শ্রেণি থেকে তিয়াশা দেবনাথ, রিয়াজ হোসেন, অতনু হালদার, নাজমুস সাকিব ও সানজিদা আক্তার, ৪র্থ শ্রেণি থেকে সিথি কর্মকার, সুরঞ্জনা জয়া ও সাদিয়া পারভীন, ৫ম শ্রেণি থেকে মারুফ বাদশা, আশফিক, রাকিব আহমেদ, ইলিয়াস ও তনুশ্রী। এর মধ্যে ৫ম শ্রেণি থেকে মারুফ বাদশা ১১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে এবং রাকিব হোসেন ৯৬ ভোট ও তনুশ্রী ৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। ৪র্থ শ্রেণি থেকে সিথি কর্মকার ১০০ ভোট এবং সুরঞ্জনা জয়া ৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। ৩য় শ্রেণি থেকে নাজমুস সাকিব ৯৮ ভোট পেয়ে এবং তিয়াশা দেবনাথ ৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। মোট ভোটারের সংখ্যা ১৮১ জন ভোট পোল হয়েছে ১৫২জন। উক্ত নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন শিহাব শাহীন ৫ম শ্রেণি,প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে ছিলেন ইছমি নিশাত ৫ম শ্রেণি, সহ- প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে ছিলেন সাবিকা নারজিস,ঐশ্বয্য রক্ষিত,দীপা সাহা। পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন মোহিনী সাহা ও কাজী আতিক হাসান। সুন্দর মোনরম পরিবেশে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গ ম জাহাঙ্গীর ফারুক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাছখোলা বাজার কমিটির আলোচনা সভা

ধুলিহর প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা বাজার কমিটির আয়োজনে মঙ্গলবার বিকেলে মাছখোলা বাজার প্রাঙ্গনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাছখোলা বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ সাহাবুদ্দীন (বতু) এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মদ, ওসি (তদন্ত) শেখ শরিফুল আলম, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম শহিদুল ইসলাম ও ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য নুর ইসলাম মাগরেব। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাছখোলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন (মিন্টু), ব্রহ্মরাজপুর ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, মেম্বর ও সাংবাদিক রেজাউল করিম মিঠু, মেম্বর কুরবান আলী, মেম্বর কালিদাস সরকার, জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মফিজুল ইসলাম (মফিজ), ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আলাউদ্দীন, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশেদ, যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ শাহাদাৎ হোসেন রাজ প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বি,এম শামসুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest