সাতক্ষীরা শিশু পরিবারে নির্যাতনের প্রতিবাদ করে শিক্ষার্থীরাই বহিষ্কার !

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শিশু পরিবারে নির্যাতনের প্রতিবাদকারী ওই ৪ শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শিশু সদনের উপ-তত্ত্বাবোধায়ক জামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত বহিস্কারাদেশ পত্র শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পাঠানো হয়। বহিস্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, ধুলিহর এলাকার শওকত রহমানের ছেলে সাতক্ষীরা পল্লী মঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র এখলাসুর রহমান, একই এলাকার নুর আলী সরদারের ছেলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম, বুধহাটা ইউনিয়নের কাদাকটি এলাকার নেসার আলী গাজীর ছেলে সাতক্ষীরা পল্লী মঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র মুরশিদ গাজী ও পাটকেলঘাটা এলাকার আলী আহম্মদের ছেলে সাতক্ষীরা পল্লী মঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির ছাত্র সবুজ হোসেন।
গত কয়েকদিন পূর্বে শিশু পরিবারের একশিশুকে দিয়ে এক কর্মচারী তার মটর বাইক পরিস্কার করান। স্থানীয় একজন ব্যক্তি ওই ঘটনার ছবি তুলে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পৌছে দেন। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা বলছেন, ইতিপূর্বে এতিম শিশুদের দিয়ে লিঙ্গ মেহনের মত চরম ঘৃণ্য অপকর্ম করেও সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবারের কর্মচারীরা পার পেয়ে গেছেন। তাদেরকে কৌশলে বিচারের হাত থেকে বাঁচানো হয়েছে। শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আয়োজিত বিভিন্ন সেমিনারে অতিথির আসন অলংকৃত করে গলাবাজি করা ব্যক্তিরা নিজেরাই শিশু যৌন নিপীড়নকারীদের আইনের হাত থেকে রক্ষা করার শপথ নিয়েছেন। আর এর ফলশ্রুতিতে এতিম শিশুদের উপর নিপীড়নের মাত্রা আরও বেড়েছে।
এদিকে শিশুদের ১৮বছর বয়স না হলেও তাদের নাম কর্তন করা প্রসঙ্গে সাতক্ষীরা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দেবাশিষ সরদার জানান, ওই ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে শিশু পরিবারে বডি কমিটির এক সভায় তাদেরকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। শিশুদের দিয়ে মটরবাইক পরিষ্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি আমিও দেখেছি। এটি খুব খারাপ কাজ হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।
বহিস্কৃত এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, গত বছরের জুলাই মাসে ঠিকমত খাদ্য না দেওয়া, ভয়ংকর যৌন নিপীড়নসহ বিভিন্ন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবারের ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারপিট করে শিক্ষার্থীরা।
এঘটনায় তৎকালীন সদর সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও দেবাশিষ চৌধুরী সকলকে শান্ত থাকতে বলেন এবং পরবর্তীতে বিষয়টি শুনে বুঝে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরও অপরাধের বিপরীতে দোষীদের বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
অন্যদিকে ঘটনার ৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর উল্টো প্রতিবাদী শিশুদের বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে সাতক্ষীরা সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
তৎকালীন ওই কর্মকর্তারা হলেন, অফিস সহকারী সাতক্ষীরার দেবনগর এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে তানভীর হোসেন, গোপালগঞ্জ জেলার বিমল বৈরাগী, বড় ভাই (পদের নাম) নওগা জেলার মোজাফফার হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিন হোসেন ও কৌশিক।
সে সময় শিশু পরিবারের এতিম শিশুরা জানায়, সরকার কর্তৃক দেওয়া সুযোগ সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত। তারা অসুস্থ হলেও তাদের ঠিকমত চিকিৎসা করানো হয় না। সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো ওই কর্মকর্তারা এতিম শিশুদের দিয়ে বিকৃত যৌনাচার করে। পুরুষের বিশেষ অঙ্গ না চুষলে তাদের অকথ্য নির্যাতন করা হয় বলেও জানিয়েছে শিশুরা। কথা না শুনলে ছোট ছোট বচ্চাদের বেদম মারপিট করে তারা। এবিষয়ে কারো কাছে নাশিল করলে তাদের জন্য আরও কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়। তারপরও তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার বিচার দিলেও কোন ফল পায়নি বলে জানিয়েছে। কোন উপায় না পেয়ে ওই ৪ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শিশুরা এধরনের কাজ করতে বাধ্য হয়েছে। তবে আহত অফিস সহকারীরা এধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের সাথে তাদের কোন সমস্যা নেই। কিন্তু কি কারণে তারা আমাদের মারপিট করেছে তা তাদের জানা নেই। কতজন মেরেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন ৭২ জন শিক্ষার্থীই তাদের উপর হামলা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজের পক্ষ থেকে রবি এমপিকে শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক : জার্মানীতে বিশ্ব সন্ত্রাসবিরোধী সংগঠন ওয়ার্ল্ড এন্টি টেরোরিজম ওরগানাইজেশন এবং জার্মান পার্লামেন্টারীর সহযোগিতায় আয়োজিত সেমিনারে বাংলাদেশের হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখায় শুভচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার সকালে শহরের মুনজিতপুরস্থ মীর মহলে ফুলের শুভেচ্ছা জানান সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজের অধ্যক্ষ এ.কে.এম শফিকুজ্জামান, উপাধ্যক্ষ মো. ময়নুল হাসান, সহকারি অধ্যাপক মোস্তাক আহমেদ, ফেরদৌসি বেগম, বেলাল গাজী, মোস্তফা কামাল, দেব কুমার ঘোষ, রফিউদ্দিন, তপন কুমার নাথ, সন্দীপ কুমার বসু, রওশন আরা, শফিক আহমেদ, তৈয়ব হাসান বাবু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাভা এ.কে.এম হাইস্কুলে একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ি ইউনিয়নের গাভা এ.কে.এম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪ তলা বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার বিকালে গাভা এ.কে.এম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল খায়ের সরদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারি প্রকৌশলী মো. তানভীর ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদস্য অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোৎন্সা আরা, ফিংড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামসুর রহমান, ফিংড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি লুৎফর রহমান, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, গাভা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ শিবপদ গাইন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারি সহকারি প্রকৌশলী এম.এম.এ জায়েদ বিন গফুর, গাভা এ.কে.এম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র সরকার প্রমুখ। রাজস্ব বাজেট কোর্ড নং-৭০১৬) এর আওতায় ৪তলা ভিত বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবন ৬৭ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫শ টাকা ব্যয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বাস্তবায়নে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করবে। এসময় গাভা এ.কে.এম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাচার জমি দখল করতে মরিয়া হয়ে ভাইপো !

নিজস্ব প্রতিবেদক : আইন আদালতের তোয়াক্কা না করে চাচার জমি অবৈধভাবে দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে চোরাকারবারি ভাইপো। এ নিয়ে একাধিকবার শালিসী বৈঠকে মিমাংসা হলেও পরবর্তীতে আবারো জবর দখল শুরু করে ভাইপো। সে সদরের আলীপুর গ্রামের মৃত সামছুর রহমানের পুত্র চোরাকারবারি সাঈদুজ্জামান (বাবলু)।
অবৈধ টাকার প্রভাবে আইন, আদালত, জনপ্রতিনিধি কারো কোন তোয়াক্কাই করেন না ভাইপো সাঈদুজ্জামান। এমনই অভিযোগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর গ্রামের শরিয়াতুল্লা মোড়লের ছেলে ইমান আলীর।
কাগজ পত্রানুযায়ী ভিটাবাড়ির জমি সকল ভাই বোনের মধ্যে ক্রয় বিক্রয় হওয়ার পর পথ, পুকুর, কবরস্থান বাদে চার ভাই যথাক্রমে প্রাপ্য বড় ভাই এনছাপ ০১.৭২(দখল নাই), মৃত ছামছুরের পুত্র সাইদুজ্জামান ১৪.৭৯ (দখল৩৪.২৫)শতক, ইমান ৩৩.৪৩ (দখল ২৪) শতক ও জিয়াদ আলী ১৯.২১ (দখল ১০.৯০) শতক করে প্রাপ্য। কিন্তু দেখা যায় ভিটাবাড়িতে সাইদুজ্জামান প্রাপ্য ১৪.৭৯ শতক ছাড়াও ১৯.৪৬ শতক ও বিলান ১৪.১২ শতক জমি দীর্ঘদিন জোর পূর্বক অবৈধ দখল করে রেখেছে। সেই সম্পত্তি ফেরত চাওয়ায় চাচা ইমান আলীর সাথে বিরোধে সূত্রপাত ঘটে। ইতোপূর্বে সাঈদুজ্জামানের চোরাকারবারী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় ইমান আলীর ছেলে মোঃ হাবিবুল্লাহ বাহার কে ০১নং আসামী করে আরো তিন জনের নামে সাতক্ষীরা আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় হাবিবুল্লাহকে তার চাকুরি হারাতে হয়। চাকুরি হারিয়ে হাবিবুল্লাহ বর্তমানে মানবেতর জীবন – যাপন করছে।
এরপর গত ২১জানুয়ারি১৮ তারিখের সদর থানার এস আই হাসানুর রহমান উক্ত মামলার তদন্ত করেন। তদন্তে উক্ত মামলা মিথ্যা প্রমানিত মর্মে প্রতিবেদনও দেন সদর থানার এস আই হাসানুর রহমান। এটা নিয়ে পত্র-পত্রিকায় একাধিক সংবাদও প্রকাশিত হয়।
এদিকে এ বিষয়ে মিমাংসা করার জন্য কিছু শর্ত স্বাপেক্ষে গত ২৫ নভেম্বর’১৭ তারিখে একটি শালিসী বৈঠক আহ্বান করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ। সেখানে আলীপুর ইউপি সদস্য আতাউর রহমান, ও সাঈদুজ্জামানের অভিভাবকের দায়িত্ব পালনকারী আকবর আলী সরদার, তার আপন বড় চাচা এনছাপ, স্থানীয় সাংবাদিকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তারপরও সে শালিস না মানায় আলীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, সাঈদুজ্জামানের আপোন বড় চাচা এনছাপ আলী, ১,২, ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ব্যবস্থা পত্রে সুপারিশ করেন। এছাড়া এলাকাবাসীর মধ্যে ১২৫ জন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাঈদুজ্জামানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গণস্বাক্ষর করেন।
ভুক্তভোগী অসহায় চাচা ইমান আলী জানান, সে ২০১৩ সাল হতে ৪ বছরের অধিক সময় ধরে নানান ভাবে অত্যচার করে যাচ্ছে। ২৫মার্চ১৭ইং তারিখে অবৈধ ভাবে জায়গা দখল করে প্রাচির নির্মানের ভিডিও তথ্য রয়েছে।
এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে লাঞ্চিত ও হুমকি প্রদর্শন করায় তার বিরুদ্ধে ০৭অক্টোবর১৭ইং তারিখে অভিযোগ দায়ের সহ একের অধিকবার সাধারণ ডায়েরি নং-১৯১৩ ও ৩৮৬ রয়েছে যা তদন্তে সঠিক পেয়েছে। তারপর ও সে মিথ্যা অভিযোগে ১৬ অক্টোবর’১৭ইং তারিখে ০৯ টি ধারা দিয়ে মামলা নং-৩০৪/১৭ইং সাতঃ দায়ের করে, তার বিরুদ্ধে ২২-২৩ অক্টোবর’১৭ইং তারিখে ১৮৫ জনের গণস্বাক্ষর করে। ২৫নভেম্বর’১৭ইং তারিখের শালিসে ৫৩ জনের এবং ১০মার্চ’১৭ইং তারিখে শালিস অমান্য করায় তার বিরুদ্ধে ৮৯ জনের গণস¦াক্ষর রয়েছে।
উক্ত সাঈদুজ্জামান চোরাকারবারি ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কারণে কালো টাকার প্রভাবে বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে চলে। যে কারণে তার কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন চাচা ঈমান আলীসহ অন্যান্য ভাই ও তাদের পরিবার। অবিলম্বে উক্ত ভাইপো নামের কলঙ্ক সাঈদুজ্জামানের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে ভাইপো সাঈদুজ্জামান বাবলুর ব্যবহৃত ০১৯৮১৬৯১৫৬৩ নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তা সম্ভব হয়নি।

১২.০২.২০১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাবসা ইউপিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে বাবু’র দায়িত্বভার গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : লাবসা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবু। সোমবার দুপুর ২টায় ১৩নং লাবসা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আব্দুর রাজ্জাকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জামির হোসেন, ২নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ সাঈদ আলী সরদার, ৩নং ওয়ার্ডের মোঃ আজিজুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ডের আসাদুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ডের কাজী মনিরুল ইসলাম, ৯নং ওয়ার্ডের মনিরুল ইসলাম, ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বর মাছুরা বেগম, ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের ফেরদৌসী ইসলাম মিস্টি, ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সুফিয়া খাতুন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, লাবসা ইউপি চেয়াম্যান আব্দুল আলিম অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি গ্রহণ করেন এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবুকে দায়িত্বভার অর্পণ করেন। এদিকে বাবু ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে লাবসা ইউনিয়নবাসীসহ সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে খালেদা জিয়াকে

কুমিল্লার নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর ফিরোজ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এর আগে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আখতারুজ্জামান। এরপর থেকেই খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন।

জানা যায়, বিএনপির অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার উপজেলার জগমোহনপুরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে পেট্রোল বোমা হামলা হয়। এতে বাসটিতে আগুন ধরে ৮ জন দগ্ধ হয়ে মারা যান।

এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে মামলা করেন। এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ৬ মার্চ কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে খালেদা জিয়াসহ মোট ৭৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করবে সরকার

গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করছে জানিয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘সব গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা সমন্বয় করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।’

সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘তুলনামূলক অপরাধ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, অপহরণ ও চুরি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলার যথেষ্ট উন্নতি সাধন হয়েছে।’

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশেষভাবে মাদকের ব্যাপারে কনসার্ন। মাদক পাচার, মাদক ব্যবসায়ী, গডফাদার-সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেয়া তালিকার ভিত্তিতে মোট ৮৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ১৮৮ জন জেল হাজতে আছে। তারপরেও এটার ব্যাপারে আরও তৎপর হওয়ার প্রয়োজন। সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আগামীতে তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পাবে।’

গত ডিসেম্বর মাসে মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী মিলে মোট ১০ হাজার ১২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানিয়ে আমু বলেন, ‘সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। সব গোয়েন্দা সংস্থা থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের লিস্ট তৈরি করা হচ্ছে। সব গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা সমন্বয় করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।’

‘আমরা মাদকের বিষয়ে জোর দিচ্ছি। জঙ্গি ব্যাপারটা মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে আছে। মাদকটা যাতে আর বিস্তার লাভ করতে না পারে সেটা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছি।’

কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমরা কতগুলো কর্মপন্থা নিচ্ছি। জনগণকে সম্পৃক্ত করা, সব স্কুল কলেজের শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করতে চাই। তারা যাতে ক্লাসে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন। মসজিদে খুৎবার আগে বয়ানে যাতে ইমাম সাহেবরা মাদকের ক্ষতির জিনিসটা তুলে ধরেন। যাতে একটা সামাজিক বিপ্লব হয়। এগুলো যাতে কার্যকর হয় সেজন্য মনিটরিংও করা হবে।’

২০১৬ সালের জুলাই থেকে এ পর্যন্ত জঙ্গিবিরোধী মোট ৩২টি বড় অভিযান পরিচালিত হয়েছে জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, ‘অভিযানে ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। শীর্ষ জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছেন ৬৪ জন, ভিকটিম উদ্ধার হয়েছেন ১০৩ জন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন ৮ জন। নিহতদের মধ্যে পুলিশ ৬ জন, র‌্যাব একজন ফায়ার সার্ভিসের একজন রয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত জঙ্গি অভিযানে নিহত, হত্যা চেষ্টা, বোমা হামলা ইত্যাদি নিয়ে মোট ৮০টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে চারটি মামলার বিচার শেষ হয়েছে। চার্জশিট হয়েছে ২৮টি মামলার। প্রায় সব মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে।’

গত ডিসেম্বরে দেশে ১৬ হাজার ৫৪২টি মামলা হয়েছে জানিয়ে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘এরমধ্যে উদ্ধারজনিত যেমন- অস্ত্র উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, বিস্ফোরক উদ্ধার মামলা ৮ হাজার ৭৭৫টি। যা মোট মামলার ৫৩ শতাংশ।’

আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে বৈঠকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফোনসহ পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে পেলেই গ্রেফতার

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে এবং কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ কাউকে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

এছাড়া পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ না করলে তাকে আর কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে।

‘জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ-সংক্রান্ত’ এক আদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (মাউশি), সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের গত রোববার ওই নির্দেশ পাঠানো হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় কেবল কেন্দ্র সচিব সাধারণ একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন, যা দিয়ে ছবি তোলা যায় না। তবে ওই ফোনটিও কেন্দ্র সচিবের কক্ষে রেখে ব্যবহার করার নিয়ম।

এবার এসএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষার প্রশ্নই পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ফাঁস হয়েছে, সেই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে।

পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিলেও লাভ হয়নি। এক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর বিভিন্ন ফেইসবুক ও মেসেঞ্জার গ্রুপ থেকে পরের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিজ্ঞাপন চলছে নিয়মিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest