লেবু অপছন্দ করেন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। তবে একটি লেবুর মূল্য কত হতে পারে? আট-দশ টাকার বেশি হয়তো হবে না। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন একটি লেবুর দাম ৯৮০০ (৭৬০০ রুপি) টাকা হয়! হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও এমনটাই ঘটেছে।
তাহলে কি এ লেবুতে কোনো হিরা-জহরত বসানো আছে? না, ব্যাপারটা এমন নয়। আসলে দিন কয়েক আগে এই লেবুটি শিবরাত্রিতে শিবের পুজোয় ব্যবহার করা হয়েছিল। ভারতের তামিলনাড়ুর ইরোড় জেলার পাঝাথিন্নি করুপান্নান মন্দিরে পুজোর পর শুক্রবার লেবুটিকে নিলামে তোলা হয়। সেখানেই এক ভক্ত লেবুটি কিনে নেন ৭৬০০ টাকার বিনিময়ে। শিবগিরির কাছে ওলাপালায়ম গ্রামের এক ব্যক্তি লেবুটি কেনেন।
শুধু লেবুই নয়, পুজোয় ব্যবহৃত অন্যান্য বেশ কিছু সামগ্রী নিলামে তুলেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। নারকেলসহ নানা ধরনের ফলমূল, রুপোর পাত্রের মতো জিনিসও চড়া মূল্যে বিক্রি হয় নিলামে।

এমসয় তিনি অশ্রু ভেজা কন্ঠে বলেন আশাশুনিতে রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকা- আমার খুবই ভাল লেগেছে। রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকাল ৩বছর হলেও এ ক্লাবের সাংবাদিকদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে তারা আজ অনেক এগিয়ে। আমি আমার প্রমোশন জনিত কারণে আশাশুনি থেকে চলে গেলেও আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাব আমার অন্তরে গাথা থাকবে। উল্লেখ্য তিনি বিগত ২বছর আশাশুনিতে নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করার পর প্রমোশন জনিত কারণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাষক এর দায়িত্ব নিয়ে নরসিংদী জেলায় যোগদান করবেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক অফিসার ফাতেমা জোহরা। রিপোর্টার্স ক্লাব নির্বাহী সদস্য শেখ হেদায়েতুল ইসলাম এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাব সহ সভাপিত সুব্রত দাশ, শেখ বাদশা, সদস্য উত্তম কুমার দাশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম নুর আলম, অর্থ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোখলেছুর রহমান ময়না, ক্রিড়া সম্পাদক আলমিন হোসেন ছট্টু, প্রচার সম্পাদক বাপন মিত্র, সদস্য সত্যরঞ্জন সরকার প্রমুখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সাংবাদিক জিএম আজিজুর রহমান রাজ, আবু হাসান, বি এম আলাউদ্দীন, শেখ আক্তারুজ্জামান সহ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইয়াছিন আরাফাত ডেনিস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
