সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটারজ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় গণমিছিলসাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরা

এমপিওভুক্তিতে অনিয়ম; অর্ধশতাধিক শিক্ষা কর্মকর্তা চিহ্নিত

শ্রম, অর্থ ও সময় বাঁচানোর পাশাপাশি দুর্নীতি কমানোর লক্ষ্যে বিকেন্দ্রীকরণ করে অনলাইনে বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। কিন্তু কিছু কর্মকর্তার জন্য এ বিকেন্দ্রীকরণে হয়েছে উল্টো ফল। মাঠ প্রশাসনে এই এমপিওভুক্তি নিয়ে বাণিজ্য হয়েছে। শিক্ষকদের হয়রানি করে, ঘুষ নিয়ে বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছেন কয়েকজন আঞ্চলিক উপ-পরিচালকসহ বেশ কিছু শিক্ষা কর্মকর্তা।

এমন অর্ধশতাধিক অসাধু কর্মকর্তার তালিকা দিয়ে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। আর ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালককে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে শিক্ষা অধিদপ্তরের ৫ জন আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক, ২০ জনের বেশি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং ৫০ এর অধিক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রয়েছেন। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনিয়ম, বেপরোয়া ঘুষ-দুর্নীতি এখন ওপেন সিক্রেট। উপ-পরিচালক, কর্মকর্তা ছাড়াও এসব অনিয়মে জড়িত থাকেন অফিস সহকারীসহ অন্যান্য কর্মচারীও। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ অনিয়মের বিষয়টি জেনে গত বছরের জুলাইয়ে এসব দুর্নীতিবাজদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন অধিদপ্তরের তত্কালীন মহাপরিচালককে।

মন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষক এমপিওভুক্তিতে অনিয়ম ও জালিয়াতি ধরতে মাঠ পর্যায়ে ২০ টিম গঠন করা হয়েছিল। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ৪০ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত এই টিম দেশের ৬৪টি জেলা সরেজমিন পরিদর্শন করার সিদ্ধান্ত নেয়। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক চিত্র প্রতিবেদন আকারে ১৫ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সিন্ডিকেট। ফলে কমিটি হলেও কমিটি কাজ করেনি। অভিযোগ ছিল, ওই সিদ্ধান্ত যাতে বাস্তবায়ন হতে না পারে এ কারণে আঞ্চলিক উপ-পরিচালকরা জোটবেঁধে মাউশির সিন্ডিকেটকে ঘুষ দিয়েছে।

চার থেকে পাঁচ স্তরে অনিয়ম:চার থেকে পাঁচ স্তরে অনিয়ম হয় শিক্ষক এমপিওভুক্তিতে। প্রথমে স্কুল থেকে এপিওভুক্তির জন্য প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করতে হয় ঘুষ দিয়ে। এরপর উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সেখান থেকে জেলা শিক্ষা অফিসারকে ঘুষ দিতে হয়। উপ-পরিচালক পর্যন্ত এই অনৈতিক সুবিধা দিতে হয়। দিলেই অনলাইন ফাইলে সঠিক মন্তব্য করা হয়, নয়তো নানা কারণ দেখিয়ে তা বাতিল করা হয়। জানা গেছে, নতুন এমপিওর ক্ষেত্রে প্রতি স্তরে ঘুষ দিতে হয় ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে প্রতি শিক্ষকের এমপিওতে মোট ঘুষ দিতে হয় ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এমপিওভুক্তির কাজ শিক্ষার মাঠ প্রশাসনের ৯টি আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের হাতে ছেড়ে দেয়। এর পর থেকেই মূলত দুর্নীতির হিড়িক পড়ে যায় আঞ্চলিক অফিসগুলোয়। এমপিওভুক্তির প্রায় প্রতিটি কাজে নানা ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আসতে থাকে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন আশায় আজ শুরু টি-টোয়েন্টি

নতুন ফরম্যাট, নতুন সিরিজ ও একঝাঁক নতুন খেলোয়াড়। আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে এই ‘নতুন’-এর ওপরই ভরসা রাখছে বাংলাদেশ দল। টেস্ট সিরিজ ও ওয়ানডে টুর্নামেন্টের হতাশা ভুলে নতুন এই সিরিজে নতুন তারকাদের মুখ চেয়ে স্বপ্ন দেখছে তারা। আশা করছে, এবার অন্তত জয় ধরা দেবে বাংলাদেশের হাতে।

এই আশায় আজ বিকেল ৫টায় মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টির প্রথমটি খেলা শুরু করবে বাংলাদেশ দল।

বাংলাদেশের অবশ্য টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড কখনোই ভালো নয়। দেশের মাটিতে অন্তত টেস্ট ও ওয়ানডেতে একটা শক্তিশালী দল হয়ে উঠেছে তারা। যদিও সর্বশেষ এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফলাফল ভালো নয়। তার চেয়েও খারাপ টি-টোয়েন্টিতে সামগ্রিক ফলাফল। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ নিজেদের ইতিহাসে ৬৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২১টি মাত্র জয় পেয়েছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রেকর্ডটা আরো খারাপ। এই দলটির বিপক্ষে ৭ ম্যাচে এসেছে ২টি মাত্র জয়। তবে আশার কথা হলো, এই ২টি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ দুই দলের সর্বশেষ ৩ ম্যাচে। এখানে অন্তত একটু এগিয়ে আছে তারা।

তবে খেলোয়াড়রা প্রায়ই বলেন, টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড বা ইতিহাস কোনো ব্যাপার নয়। ম্যাচের নির্দিষ্ট দিনে যে দল ভালো খেলবে, সেই দল ম্যাচ জিতবে। আজ সেই ভালো খেলাটা নিজেরাই খেলতে চায় বাংলাদেশ। জাতীয় দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বললেন, তারা আশা করছেন- সাম্প্রতিক পরাজয়গুলোর স্মৃতি ভুলে এবং ব্যর্থতার ভয় কাটিয়ে আজ তারা সেরা পারফরম্যান্সটা করতে পারবেন।

বাংলাদেশ দলে আজ কয়েক জন খেলোয়াড়ের অভিষেক দেখতে পাওয়ার কথা। টি-টোয়েন্টি দলটাকে অনেকদিন ধরেই বাংলাদেশ ঢেলে সাজাতে চাইছে। সেই লক্ষে কয়েক জন সিনিয়রকে বাদ দিয়ে দলে ডাকা হয়েছে পাঁচ জন একেবারে নতুন খেলোয়াড়কে। পাশাপাশি গতকাল পর্যন্ত ইনজুরি নিয়ে অনিশ্চিত ছিলেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। এর আগে থেকেই ইনজুরিতে দলে নেই সাকিব আল হাসান। আর মাশরাফি বিন মুর্তজা টি-টোয়েন্টি থেকেই অবসর নিয়েছেন। ফলে একেবারে আনকোরা একটা দল দেখা যেতে পারে আজ মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্বে।

একাদশটা অবশ্য গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি। আজ উইকেট দেখে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা। দুই দলই আশা করছে, টি-টোয়েন্টিতে অন্তত মিরপুরে ব্যাটিং সহায়ক উইকেট পাওয়া যাবে। ওয়ানডে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে এবং টেস্টে উইকেট ছিল একেবারেই বোলিং সহায়ক। সেটা হলে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আকর্ষণ হারাতে পারে। তাই একটু ভালো উইকেটের দিকে চেয়ে আছেন খেলোয়াড়রা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা জজ হিসেবে পদোন্নতি পাচ্ছেন ১২৮ বিচারক

অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার ১২৮ জন বিচারক জেলা জজ হিসেবে পদোন্নতি পাচ্ছেন। গতকাল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে হাই কোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ফুল কোর্ট সভায় এ পদোন্নতির বিষয় অনুমোদন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষায় সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। এ ছাড়া বিচারপতিদের সময়মতো এজলাসে ওঠা ও সতর্কতার সঙ্গে বিচারকাজ পরিচালনা করতে আহ্বান জানিয়েছেন। বিকাল সাড়ে তিনটায় শুরু হয়ে এ সভা প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে। সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন ভবন ৪-এর দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কঠিন চ্যালেঞ্জে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক: সাজা পেয়ে প্রথমবারের মতো কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মোটা দাগে এরই মধ্যে চার চ্যালেঞ্জে পড়েছে দলটি। প্রথমত. বেগম জিয়াকে মুক্ত করাই এ মুহূর্তে বিএনপির প্রধান চ্যালেঞ্জ। দ্বিতীয়ত. দলের নেতারা মনে করেন বেগম জিয়ার কারাবাস দীর্ঘায়িত হলে দলের ঐক্যও ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। নিজেদের মধ্যে বাড়তে পারে সন্দেহ-অবিশ্বাস। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নেতাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে সরকার। তাই বিএনপি-প্রধান কারাগারে যাওয়ার পর আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও চলবে। তৃতীয়ত. আন্দোলন আর আইনি লড়াইয়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতেও দৌড়ঝাঁপ বিএনপির। এরই মধ্যে বেড়েছে কূটনৈতিক তৎপরতাও। তবে তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কতটুকু আস্থায় আনতে পেরেছে তা স্পষ্ট নয়। চতুর্থত. বেগম জিয়ার কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই বিএনপির নির্বাচন প্রস্তুতিতে ভাটা পড়েছে। যদিও তারা বলছে, তারা সবসময়ই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। বলছে, সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই বিএনপির বিজয় হবে। এদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জিয়া পরিবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনেকটা অনিশ্চিত বলে মনে করেন কেউ কেউ। পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাও বিভিন্ন মামলায় আসামি। জিয়া পরিবার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এ অবস্থায় মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও এখন বেগম জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে ব্যস্ত। ফলে নির্বাচন প্রস্তুতিতে পিছিয়ে বিএনপি। জানা যায়, দেশি-বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি নেতারা বোঝানোর চেষ্টা করছেন, বেগম জিয়াকে অন্যায়ভাবে সরকার কারাগারে নিয়েছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনে অযোগ্য করাই সরকারের টার্গেট। তবে তারা কূটনীতিকদের কতটুকু আস্থায় নিয়ে আসতে পেরেছেন তা স্পষ্ট নয়। দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলছেন, তারা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন। কূটনীতিকরাও সরকারকে নানাভাবে চাপ দিচ্ছেন বলে জানান বিএনপির কূটনীতিসংশ্লিষ্ট নেতারা।
বিএনপি সমর্থিত এক বুদ্ধিজীবী বলেন, বেগম জিয়ার কারামুক্তি দীর্ঘায়িত হলে বিএনপির চিত্র পাল্টে যেতে পারে। দলে ভাঙন সৃষ্টির পাশাপাশি বিভেদও বাড়তে পারে। তাই কারান্তরিন হওয়ার আগে বেগম জিয়া দলীয় ঐক্য ধরে রাখার নির্দেশ দিয়ে গেছেন। লন্ডন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও একই বার্তা দিয়েছেন। তিনি নিয়মিত সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলছেন। দলের ঐক্য ধরে রাখার পাশাপাশি কর্মসূচি নিয়েও কথা বলছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখন জেলে। সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানও সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তার সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমানও লন্ডনে অবস্থান করছেন। এ অবস্থায় জিয়া পরিবারের রাজনীতি কোন পথে— এমন প্রশ্নে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপি জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর এবং এরশাদের সময়ও সংকটে পড়েছিল। ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও একটা বড় সংকট তাদের গেছে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি জটিল। দল তো আছে, তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দলের মধ্যে সংহতিটা থাকবে কিনা। কারণ এই দলের অনেক নেতা অতীতে দল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন আবার এসেছেন, আবার চলেও যেতে পারেন। সরকার থেকে নানান টোপ তাদের দেওয়া হতে পারে। সুতরাং এই সময়টা বিএনপির জন্য খুবই নাজুক।’

বিএনপির শীর্ষ নেতারা বলছেন, এ মুহূর্তে বিএনপির প্রথম ও প্রধান কাজ বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা। এজন্য আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থাকবে। কারাবাস দীর্ঘায়িত হলে সে ক্ষেত্রে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। তবে বেগম জিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী আপাতত নরম কর্মসূচিতেই থাকবে বিএনপি। এই সময়ে জামিন আবেদন করা হবে। এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘চেয়ারপারসনের মুক্তির বাইরে আমরা আপাতত কিছু ভাবছি না। তাকে মুক্ত করতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথেও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আছি। এটাই আপাতত ভাবনা আমাদের।’

দলের নেতারা বলছেন, ক্ষমতাসীনরা চেষ্টা করছে, আগামী নির্বাচন পর্যন্ত বেগম জিয়াকে কারাগারে রেখে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখার। ৬৩২ পৃষ্ঠার এ বিশাল রায়ের সার্টিফায়েড কপি পেতে বেশ কিছু দিন লেগে যেতে পারে। এ ছাড়া আরও পাঁচ মামলায় জারি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানাও বেগম জিয়ার মুক্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার আমরা মামলার রায়ের কপি চেয়েছি। সেদিন আমরা সত্যায়িত কপিটি পাইনি। এখনো আমরা তা পাইনি বলে শুনেছি। এভাবে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে রায়ের কপি দেওয়া নিয়ে গড়িমসি করছে।’ একই কথা বলেন স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস।

জানা গেছে, খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার আগে সম্ভাব্য প্রার্থীরা যেমন এলাকামুখী হয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তারা সবাই এখন দলীয় কর্মসূচি পালনে ব্যস্ত। অনেকেই মামলার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তা ছাড়া বিএনপি-প্রধানের মুক্তির বাইরে তারা কিছুই ভাবছেন না।

বিএনপি সূত্র জানায়, দলের চলমান কূটনৈতিক তৎপরতা পর্যায়ে গতকালও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। এর আগে কয়েক দফায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রভাবশালী সব দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতৃত্বাধীন দলের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিনিধি দল। বিএনপির রংপুর বিভাগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘আমাদের কাছে খালেদা জিয়া মায়ের মতো। তাকে মুক্ত না করা পর্যন্ত বিএনপি ঘরে ফিরে যাবে না।’ বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, ‘সারা দেশে স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী জেলা নেতৃবৃন্দ এখন বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তির কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত। নেত্রীকে মুক্ত না করা পর্যন্ত আমরা কেউ বাড়ি ফিরব না।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্য হচ্ছে আমাদের অপ্রস্তুত রেখে নির্বাচন করা। জনগণের কাছে যেতে না দেওয়া। আমরা নির্বাচনে যেতে চাই। এর আগে চেয়ারপারসনসহ কারাগারে থাকা সব নেতা-কর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। চেয়ারপারসন ছাড়া বিএনপি নেতা-কর্মীরা নির্বাচনে যাবেন না— এটাই পরিষ্কার কথা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষের শ্রেণির কার্যক্রম শুরু

সাতহ্মীরা সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সেশন ২০১৫-১৬ অনার্স ৩য় বর্ষের ১ম দিনের ১ম ক্লাস জাঁকজমক ভাবে কেক কেটে উৎযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম আজাদ। তার হাত দিয়ে কেক কেটে অনার্স ৩য় বর্ষের ক্লাসের শূভসূচনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডির্পাটমেন্টের অন্যান্য স্যার মহোদয়। ৩য় বর্ষের শিহ্মার্থী আরিফ এবং রিমার নেতৃত্বে এই অনুষ্ঠানটা খুব সুন্দর ভাবেই অনুষ্ঠিত হয়। তারা চায় পরবর্তীতে যেন এই রকম অনুষ্ঠান কলেজে হয় এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সুনাম অব্যাহত থাকে। আরিফ এবং রিমা অনুষ্ঠানটা আরও সুন্দর ভাবে করার আপ্রান চেষ্টা করেছে।তারা কৃতঙ্গ বিভাগীয় স্যারদের প্রতি এমন সুন্দর একটা অনুষ্ঠানে তাদের পাশে থাকার জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ফানি খান’ সিনেমায় ঐশ্বরিয়ার ফার্স্ট লুক প্রকাশ

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রায়ের ‘ফানি খান’ ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশিত হয়েছে।

ক্রিআর্জ এন্টারটেইনমেন্টের এই ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তাঁর সাথে আরো আছেন অনিল কাপুর ও রাজকুমার রাও।

জানা গেছে, ২০০১ সালের সেরা বিদেশি ভাষার ছবি নমিনেশন পাওয়া ডাচ ছবি ‘এভরিবডিস ফেমাস’-এর ছায়া অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এই ছবিটি।

মঙ্গলবার ক্রিআর্জ এন্টারটেইনমেন্ট তাদের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলে ঐশ্বরিয়ার ছবিটি প্রকাশ করে। ছবিতে ঐশ্বরিয়াকে অন্যরকম ‘লুকে’ দেখা গেছে।

সূত্র জানাচ্ছে, ছবিতে ঐশ্বরিয়া একজন গায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। আর ছবিতে তাঁকে পোশাকে সাজিয়েছেন আর কেউ নন, মণীষ মালহোত্রা। ছবিতে ঐশ্বরিয়ার বিপরীতে অভিনয় করেছেন রাজকুমার রাও। যিনি ঐশ্বরিয়ার চেয়ে ১০ বছর বড়।

ছবিটি টি-সিরিজ ও ক্রিআর্জ এন্টারটেইনমেন্ট যৌথভাবে প্রযোজনা করছে। শিডিউল অনুযায়ী আগামী ১৩ এপ্রিল মুক্তি পাবে ছবিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একই ছেলেকে ভালোবেসে দুইবোনের আত্মহত্যা

রংপুরে একই ছেলেকে ভালোবেসে দুই বোন কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে। বুধবার ভোরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এর আগে মঙ্গলবার সকালে বিষপান করলে স্বজনরা তাদেরকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনাটি ঘটেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নগরীর মডার্ন মোড় ৩১নং ওয়ার্ডের পূর্ব শেখপুরা এলাকায়।

মঞ্জুর হোসেন লিটনের মেয়ে লুৎফর নাহার লতা (১৪) ও আলমগীর হোসেনের মেয়ে সাদিয়া জান্নাত অর্নী (১৪)। তারা দুজন খালাতো বোন। লতা নগরীর নাজিরদিঘি উচ্চ বিদ্যালয় ও সাদিয়া জান্নাত অর্নী দর্শনা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আনসার আলীর ছেলে ও রংপুর মডেল কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী মেরাজুল ইসলামের সঙ্গে লতা ও অর্নী দু’জনেরই দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েপক্ষ গত সোমবার মেরাজুলকে মারধর করে।

এ অবস্থায় মঙ্গলবার লতা ও অর্নী একই এলাকায় তাদের নানাবাড়ি বেড়াতে যায়। দু’জনেই প্রেমিক মেরাজুলের উদ্দেশ্যে দুটি প্রেমপত্র লিখে সবার অগোচরে বাড়িতে থাকা কীটনাশক পান করে। পরে পরিবারের লোকজন জানতে পেরে তাদেরকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে সাদিয়া জান্নাত অর্নী ও সকালে লুৎফর নাহার লতা মারা যায়।

৩১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শামসুল ইসলাম এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ২০ বছর পিছিয়ে গেছে’

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা আগের তুলনায় ২০ বছর পিছিয়ে গেছে। আমাদের ভাবতে হবে- আমাদের বাচ্চারা কোথায় যাচ্ছে, কি শিখছে? এর দায় সকলকেই নিতে হবে।

বুধবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নয়, এর জন্য আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। আমরা অভিভাবকরা, জনপ্রতিনিধিরা সবাই সজাগ হতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দুদকের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মন্ডলসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest