সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান -২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জেলা প্রশাসক পত্মী মিসেস সেলিনা আফরোজ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরার শিক্ষার মানোন্নয়নে ও মেধার বিকাশ ঘটাতে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে। এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শহরের দুটি সরকারি বিদ্যালয়ের তুলনায় এ বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অভিভাবকদের মধ্যে একরকম প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। তিনি স্কুলের প্রগতি পত্রে ও স্কুলের ঠিকানায় মুক্তিযোদ্ধা শহিদ নাজমুলের নাম ব্যবহার করায় স্কুল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং শহরের সড়কগুলিতে যেসব মুক্তিযোদ্ধাদের নাম দেওয়া আছে সে নামগুলি সকলকে ব্যবহারের আহবান জানান। এসময় তিনি স্কুলটির ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি কামনা করেন।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল লতিফ খান, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম ছায়েদুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ রবিউল ইসলাম, কালেক্টরেট এর নাজির খাজা শাহবুদ্দিন, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন।

আলোচনা সভা শেষে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের ২০১৭ বর্ষ সেরা ছাত্র পুরস্কার, বর্ষ সেরা ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিতি, শিক্ষক উপস্থিতিসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এসময় সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক/শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার আসফিয়া সিরাত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্বাধীনতাবিরোধী ও মৌলবাদী ভাবধারার স্টাফ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতা বিরোধী জামাত-শিবির চক্র পরিচালিত দুর্নীতি-অনিয়ম এবং মৌলবাদী রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্টাফ’র সকল কার্যক্রম বন্ধ ও এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র জনতার উদ্যোগে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটস্থ শজিদ আলাউদ্দিন চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার।
জেলা ছাত্রমৈত্রীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ মন্ডলের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডারও জেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ইনামুল হক বিশ্বাস, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, জেলা জেএসডি’র সভাপতি সুধাংশু সরকার, সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান পলাশ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের জেলা সভাপতি প্রভাষক এম. সুশান্ত, জেলা গণফোরাম সেক্রেটারি আলী নুর খান বাবুল, কবিতা পরিষদ সভাপতি মন্ময় মনির, জাগ্রত সাতক্ষীরার সভাপতি সায়েম ফেরদৌস মিতুল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওহিদুজ্জামান টিটু, ছাত্র মৈত্রীর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, নিমাই দাশ, শতদল শিল্পকলার ইকবাল লোদী, যুব জোট সভাপতি আবু সেলিম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা হাসনে জাহিদ জজ, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, ছাত্রনেতা রওনক বাসার, যুবমৈত্রীর জেলা সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, ফিরোজ বিশ্বাস, পৌর ৩ নং ওয়াড ছাত্রলীগের সভাপতি হিরণ প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার বলেন, আগামী প্রজন্ম মৌলবাদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য অনতিবিলম্বে স্টাফ এর মত জামাতি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হবে। এড. আব্দুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষাদস্যু আক্তারুজ্জামানের মত স্বাধীনতাবিরোধী চক্র যারা শিক্ষাঙ্গনে অনুপ্রবেশ করেছে তাদেরকে শিক্ষাঙ্গন থেকে বহিস্কার ও বিচারের আওতায় এনে শিক্ষাঙ্গনকে কালিমামুক্ত করতে হবে। কালক্ষেপন না করে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে যে সমস্ত শিক্ষকরা নাশকতার মামলার আসামি তাদের দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে শাস্তি ও স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করতে হবে এবং চাকরিতে যোগদান হতে অদ্যবধি যে সমস্ত বেতন ভাতা গ্রহণ করেছে তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। কথিত বৃত্তি পরীক্ষার নামে স্টাঢ যে অর্থ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে নিয়েছে তা অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীদের ফেরত দিতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক বিশ্বাস বলেন, শুধুমাত্র স্টাফের সাথে জড়িতদের বিচার করলেই হবে না। একই সাথে যারা সরকারের ভিতরে থেকে এবং প্রশাসনের ভিতরে থেকে এই মৌলবাদি চক্রকে সহায়তা করছে তাদেরও বিচার করতে হবে।
আলীনুর খান বাবুল বলেন, এই সংস্থার পিছনের মাস্টারমাইন্ড ও এর অর্থের যোগানদাতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে।
কবিতা পরিষদের সভাপতি প্রভাষক মন্ময় মনির বলেন, স্টাফ পরীক্ষার নামে সাধারণ মানুষদের নিকট যে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তা অবিলম্বে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সাথে নবারুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের জেলা সভাপতি প্রভাষক এম. সুশান্ত বলেন, আমার হৃদয়ে আজ রক্তক্ষরণ হচ্ছে কারণ স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও সরকারের একজন মহিলা সাংসদ ও একজন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাদের নীতি আদর্শ ত্যাগ করে ও আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে এই মৌলবাদি জামা-শিবির চক্রকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। শিক্ষাদস্যু আক্তারুজ্জামান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেয়ার পরও কলেজ এর সভাপতি মিসেস রিফাত আমিন তা করছেন না। অথচ আক্তারুজ্জামান একজন স্বঘোষিত বিএনপি ক্যাডার।
প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জী বলেন, শুধু স্টাফ বন্ধ করলেই হবে না একই সাথে এদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে এবং এর মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারুলিয়ায় চাউল সংগ্রহের উদ্বোধন

কে.এম. রেজাউল করিম : পারুলিয়ায় খাদ্য গুদামে আমন মৌসুমের সরকারি চাউল সংগ্রহের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রধান অতিথি হিসাবে চাউল সংগ্রহের উদ্বোধন করেন দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান মনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গাজী মাজহারুল আনোয়ার, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, পারুলিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবু অসীম কুমার, উপজেলা খাদ্য প্রত্যয়ন কর্মকর্তা শাহীদা সুলতানা, পারুলিয়া ইউ,পি, সদস্য মোঃ সালাহউদ্দীন সরাফী, মোঃ রশীদুল আলম, মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং মিলার মোঃ আব্দুর রশীদ ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিখোঁজের আড়াই মাস পর ফিরেছেন সাংবাদিক উৎপল দাস

নিখোঁজ হওয়ার দুই মাস ১০ দিন পর খোঁজ মিলেছে সাংবাদিক উৎপল দাসের। মঙ্গলবার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে তাকে পাওয়া যায়। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয় উৎপলের।

উৎপল বলেন, ‘আমি রাত সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জে ভুলতা আসি। বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হওয়ার কথা ছিল এখান থেকে। তবে গাড়ির টিকিট পাইনি। এরপর রূপগঞ্জ পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে এসেছে।’
এখন কেমন আছেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি ভালো আছি, দেখলে বুঝবেন।’

নারায়ণগঞ্জ এসে কিছু খেয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পানি খেয়েছি। ক্ষুধা নাই।’

বাড়ি যাবার টাকা আছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পকেটে যে ৩০০ টাকা ছিল, সেটাই আছে। টাকা লাগবে না।’

নারায়ণগঞ্জে আমাদের সংবাদকর্মীদের আসতে হবে কিনা, এর জবাবে উৎপল তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সাংবাদিকের নাম বলেন, যারা রূপগঞ্জের পথে রওয়ানা হয়েছেন।

উৎপল আরও বলেন, ‘যারা আমাকে ধরে নিয়েছিল, তারা আমার মোবাইল নিয়ে যায়। এরপর কি হয়েছে আমি জানি না। তারা কি করেছে জানি না। তারা আমার কাছে টাকা চাইতো। আমার কাছে মোবাইল ছিল না। আজ আমাকে চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে করে এখানে নিয়ে আসে। চোখ খুলে দেওয়ার পর আমি বুঝতে পারি এটা ভুলতা, নারায়ণগঞ্জ।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ বর্তমানে আমাকে পুলিশ ফাঁড়িতে বসিয়ে রেখেছে। পরিচিত কেউ এলে তারা আমাকে বুঝিয়ে দিবে। এখানে কোনও ভয় নেই।’

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর রাজধানী থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন সাংবাদিক উৎপল দাস। উৎপল ঢাকার ফকিরাপুল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার রাধানগরে। নিখোঁজের ঘটনায় গত ২২ ও ২৩ অক্টোবর মতিঝিল থানায় দুটি পৃথক সাধারণ ডায়েরি করা হয় তার পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে কাবাবের দাম ৭ লাখ টাকা!

কাবাব সবার কাছে এতটি জনপ্রিয় খাবার হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন স্বাদের মনমাতানো নাম শুনলেই শুনলেই অনেকের জিভে পানি আসে। কাবাবের ধরণের কোন শেষ নেই। জালি কাবাব, টিকিয়া কাবাব, চিংড়ির কাবাব, বিফ শিক কাবাব, আদানা কাবাব, আফগানি বিফ কাবাব, ডোনাট কাবাব, শামি কাবাব, শাহী কাঠি কাবাব, বিন্দি কাবাব, ভেজিটেবল মুঠো কাবাব, মাটন কাঠি কাবাব, তন্দুরি ম্যাংগো চিকেন কাবাব, চিকেন রেশমি কাবাব- আরও কত কী।

এরমধ্যে অনেকগুলোই, কেউ বা সবগুলোই চেখে দেখেছেন। কিন্তু কত দাম দিয়ে? জানেন কি লন্ডনের হ্যাজেফ রেস্তোরায় যে স্পেশাল কাবাবটা পাওয়া যায় তার একটার দাম ৯২৫ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা দাঁড়ায় সাত লাখ টাকার বেশি।

দামটা শুনে অনেকে চমকে যেতেই পারেন। কিন্তু বিশ্বের সেরা কাবাবটা খাবেন, আর তার জন্য একটু ব্যয় করবেন না? আর যারা এসব কাবাব খান তারা কী আর দামের কথা ভাবেন?

হ্যাজেফ রেস্তোরার শেফ এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তাঁরা কোনও একটি বিশেষ খাবার বানানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। এমন খাবার যা সবার থেকে আলাদা হবে। বিশেষ কোনও ধরণের কিছু। তাই তাঁরা এই ‘রয়্যাল কাবাব’ বানালেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে জি সিনে অ্যাওয়ার্ডসে সেরা অভিনেত্রী জয়া

জি সিনে অ্যাওয়ার্ডস হাতে জয়া আহসান‘বিসর্জন’ ছবির জন্য এবার ভারতে ‘জি সিনে অ্যাওয়ার্ডস’ পেয়েছেন জয়া আহসান। ‘বিসর্জন’ ছবিটি পেয়েছে সেরা ছবির পুরস্কার আর সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন জয়া। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে বিকে গ্রাউন্ডসে জয়ার হাতে পুরস্কার তুলে দেন তামিল ভাষার চলচ্চিত্র নির্মাতা অশ্বিনী তিওয়ারি।

সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার গ্রহণ করার পর রাতে মুম্বাই থেকে মুঠোফোনে জয়া বলেন, ‘জি সিনে অ্যাওয়ার্ডস খুব সম্মানজনক একটি পুরস্কার। এবার আমি এই পুরস্কার পেয়ে অভিভূত। ছবির পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি এই ছবির টিম মেম্বারদের ধন্যবাদ জানাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন আরও ভালো কাজ দর্শকদের উপহার দিতে পারি। বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারি।’

এদিকে কলকাতার ২০১৭ সালের ‘সেরা ১০ টালিউড অভিনেত্রী’র তালিকায় শীর্ষে আছেন জয়া আহসান। এ বছর তাঁর অভিনীত ‘বিসর্জন’ ছবিটি পেয়েছে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সম্প্রতি ভারতের এক জনপ্রিয় অনলাইনের জরিপেও উঠেছে তাঁর নাম। প্রথম অবস্থানেই রয়েছেন জয়া আহসান। এরপর ধারাবাহিকভাবে আছেন সোহিনী সরকার, মিমি চক্রবর্তী, স্বস্তিকা মুখার্জি, শুভশ্রী গাঙ্গুলী, রুক্মিণী মিত্র, পাওলি দাম, তনুশ্রী চক্রবর্তী, কোয়েল মল্লিক ও নুসরাত জাহান।

জরিপে প্রথম স্থানে থেকে বেশ উচ্ছ্বসিত জয়া। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এটি অবশ্যই সম্মানের। কাজের ইতিবাচক সাড়া সব সময় ভালো কাজের অনুপ্রেরণা দেয়। “বিসর্জন” ছবিকে কলকাতায় ক্যারিয়ারের একটি মোড় বলা যায়। ভক্তদের কাছে কৃতজ্ঞ। তাদের অনুপ্রেরণা আর ভালোবাসায় এত দূর এসেছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি উপজেলা আ ’লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলা আ’লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনছুর আহম্মেদ ও সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে অনুমোদিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
কমিটিতে প্রবীন রাজনীতিক সাবেক চেয়ারম্যান এসএম সামছুল আলম, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সরদার হাফিজুর রহমান, সুবোধ কুমার মন্ডল, আব্দুল কাদের, আবু বক্কার সরদার, ডাঃ আব্দুর রউফ, মতিয়ার রহমান, এমদাদুল হক ও আব্দুর রউফ সরদারকে উপদেষ্টা করা হয়েছে। কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম (নির্বাচিত), সহ-সভাপতি এম শাহাজাহান আলী, রফিকুল ইসলাম মোল্যা, নীলকণ্ঠ সোম, রাজ্যেশ্বর দাশ, জহুরুল হক, ডাঃ গাউছুল হক, মুজিবর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি. আ ব ম মোছাদ্দেক ও জি এম আক্তারুজ্জামান। সাধারণ সম্পাদক এড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু (নির্বাচিত)। আবু হেনা শাকিলকে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, আছাদুল ইসলাম ও প্রভাষক মাহবুবুল হক ডাবলুকে যুগ্ম-সম্পাদক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস সামাদ বাচ্চু, চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ ডালিম ও সাবেক মেম্বর বিমল চন্দ্র গাইনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, শেখ জাকির হোসেনকে কোষাধ্যক্ষ, এড. মোশারফ হোসেনকে আইন সম্পাদক, নূরুল আলমকে কৃষি সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম বাবলুকে তথ্য সম্পাদক, মনজুরুল ইসলামকে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, সুনীল মন্ডলকে দপ্তর সম্পাদক, সোলায়মান গাজীকে ধর্ম সম্পাদক, জগদীশ সানাকে প্রচার সম্পাদক, হিরুলাল বিশ্বাসকে বন ও পরিবেশ সম্পাদক, রবিউল ইসলামকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক, পারভীন সুলতানা লিপিকে মহিলা সম্পাদিকা, মুনছুর আহম্মেদকে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক, ফিরোজ খান মধুকে যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক, প্রধান শিক্ষক বুদ্ধদেব সরকারকে শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, আবু বক্কার সিদ্দিককে শ্রম সম্পাদক, এএসএম জমির উদ্দীনকে সাংস্কৃতিক সম্পাদক, অধ্যক্ষ ড. শিহাবউদ্দীনকে স্বাস্থ্য ও জনশক্তি সম্পাদক, রাজু আহম্মেদ পিয়ালকে সহ-দপ্তর সম্পাদক, প্রভাষক আনন্দ মন্ডলকে সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, এবং ডাঃ এসএম মোখলেছুর রহমান (সাবেক এমপি), চেয়ারম্যান প্রভাষক ম. মোনায়েম হোসেন, নূর মোহাম্মাদ সরদার, চেয়ারম্যান সম সেলিম রেজা মিলন, আব্দুল্লাহহেল বাকী বাচ্চু, চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, ইয়াহিয়া ইকবাল, সম সেলিম রেজা সেলিম, চেয়ারম্যান শেখ মেরাজ আলী, চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, রুহুল কুদ্দুস মোল্যা, সুরঞ্জন ঢালী, জেলা পরিষদ সদস্য মহিতুর রহমান, চেয়ারম্যান দীপঙ্কর সরকার, আহছান উল্লাহ আছু, আল. ইউনুস আলী সানা, আঙ্গুর হোসেন, কামরুজ্জামান কাজল, মধুসুধন রায়, আবু সাঈদ ঢালী, আলিম সরদার, মইনুল ইসলাম বুলু, মিকাইল হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, হুমায়ুন কবির মন্টু, হুমায়ুন কবির সুমন, ইদ্রিস আলী, নজরুল গাইন, সালাউদ্দীন বকুল, নিরাপদ মন্ডল, রমজান মোড়ল, জেলা পরিষদ সদস্য দেলোয়ার হুসাইন, আছাদুর রহমান আসাদ, আব্দুল হান্নান মন্টুকে কার্যকরী সদস্য করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ছাত্রলীগের প্রস্তুতি সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান (সাদিক) এর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আছান হাবিব লিমু, সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান শাওনসহ পৌর, উপজেলা এবং কলেজে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ। এসময় নেতৃবৃন্দ ৪ জানুয়ারী ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল করার জন্য সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণের জন্য উদ্যত্ত আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest