ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে রিয়াল

প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব আলজাজিরা। তাদের বিপক্ষে জয় পেতেই ঘাম ঝরাতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। অবশ্য এই জয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি। গতকাল বুধবার রাতে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা জিতেছে ২-১ গোলে।

জায়েদ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও গ্যারেথ বেল একটি করে গোল করে রিয়ালের জয়ে মূল অবদান রাখেন। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলের ক্লাব গ্রেমিও।

ম্যাচে হারলেও প্রথমে এগিয়ে যায় আলজাজিরা। ৪৩ মিনিটে ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার রোমারিনিয়ো লক্ষ্য ভেদে করেন। কিন্তু এই ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি আরব আমিরাতের ক্লাবটি। দুই মিনিট পর ম্যাচে সমতায় ফিরে রিয়াল। আর গোলদাতা দলটির সবচেয়ে বড় তারকা রোনালদো। ডি-বক্সে বল পেয়ে কোনাকুনি শটে জালে জড়াতে মোটেও ভুল করেননি সদ্য ব্যালন ডি’অর জেতা এই তারকা।

প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। তবে রিয়ালকে দ্বিতীয় গোলের দেখা পেতে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। ৮১ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে গ্যারেথ বেল দলকে সাফল্য এনে দেন। লুকাস ভাসকেজের বাড়ানো বল ধরে দলের পক্ষে দ্বিতীয় এবং জয়সূচক গোলটি করেন তিনি।

আগামী শনিবার ফাইনালে ব্রাজিলীয় ক্লাব গ্রেমিও মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদের। এ আগে গত মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে মেক্সিকোর ক্লাব পাচুকাকে ১-০ গোলে হারিয়ে গ্রেমিও ফাইনালে ওঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাগরপারে সংসার পাতবেন তাঁরা

বিনোদন ডেস্ক : বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মাইতালির ফ্লোরেন্সে গত সোমবার চুপিচুপি বিয়ের কাজটা সেরেছেন বলিউড তারকা আনুশকা শর্মা আর ভারতের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সংসার সেই অর্থে এখনো শুরু করেননি। দেশে ফিরেই নিজেদের বাড়িতে উঠবেন। কিন্তু কোন শহরে থাকবেন ‘বিরুশকা’ জুটি? কোহলি থাকেন নয়াদিল্লিতে আর আনুশকা তাঁর পরিবারসহ এত দিন ছিলেন মুম্বাইয়ের ভারসোভায়। আনুশকার মুখপাত্র প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধিকে জানান, বিরাট-আনুশকা দেশে ফিরে মুম্বাইয়ের ওরলি এলাকায় নিজেদের নতুন অ্যাপার্টমেন্টে উঠবেন। ‘আর্কিটেকচারাল ডাইজেস্ট’ সম্প্রতি এই নবদম্পতির বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের বিস্তারিত প্রকাশ করেছে।
আরব সাগরের তীরে এই ফ্ল্যাটটি বিরাট কোহলি কিনেছেন গত বছর। চার বেডরুমের এই ফ্ল্যাটের আয়তন ৭ হাজার ১১৭ বর্গফুট। বিলাসবহুল এই ফ্ল্যাটের প্রতিটি শোয়ার ঘরের সঙ্গে রয়েছে বিশাল বারান্দা, আর সেখান থেকে দেখা যায় সমুদ্র। বিরাট-আনুশকার বাড়িতে আরও আছে ইনডোর টেনিস কোট, পোষা প্রাণীর চিকিৎসার জন্য ক্লিনিক, স্পা, জিম আর খেলাধুলার জায়গা। ছাদে পার্টি করার জন্য আলাদা জায়গার ব্যবস্থা আছে। শিশুদের খেলার জন্য সেখানে রাখা হয়েছে আলাদা জায়গা। আর আছে বিশাল একটি পুল। বিয়ের পর সাধারণত মেয়েরা বরের বাড়ি যান। শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে না থাকলেও সাধারণত স্বামীর শহরেই সংসার পাতেন মেয়েরা। তবে বিরাট এবার সেই প্রথা ভাঙতে চলেছেন। স্ত্রী আনুশকার অভিনয়, প্রযোজনা, পোশাক ব্যবসাÑ সব কাজ মুম্বাই শহরে। তাই সেখানেই ঘর বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দুজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

ন্যাশনাল ডেস্ক : উদয়ের পথে শুনি কার বাণী/ভয় নাই ওরে ভয় নাই/নিঃশেষে প্রাণ, যে করিবে দান/ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অমর পঙক্তির চেতনায় উজ্জীবিত জাতি আজ পালন করবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
জাতি স্মরণ করবে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। ভোর থেকে জনতার ঢল নামবে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ আর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যাবে তাঁদের স্মরণে নির্মিত সৌধ।
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতি যখন আসন্ন বিজয়ের আনন্দে উন্মুখ, ঠিক তখন দখলদার পাকিস্তানিদের এদেশীয় দোসর আলবদর, রাজাকার, আলশামস-ঘাতকরা রাতের অন্ধকারে মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী নিধনযজ্ঞে। তারা হত্যা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।
মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কাছে পরাজয় স্বীকার করে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দুদিন আগে ১৪ ডিসেম্বর সারা দেশ থেকে সহস্রাধিক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যা করে তারা। অনেকের লাশই পাওয়া যায়নি। এভাবে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন চক্রান্তে মেতে ওঠে নির্মম ঘাতক-দালালরা। দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের মহান মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে নিজ কর্মের মাধ্যমে স্বাধীনতার সংগঠকদের প্রভূত প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। মুক্তিকামী জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে।
হানাদাররা সেদিন কেবল ঢাকাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিসেবী, পদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় দেড়শ বুদ্ধিজীবী-কৃতী সন্তানকে অপহরণ করে মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করে। সেই থেকে ১৪ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে এক শোকাবহ দিন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মরণে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।
একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হানাদাররা সে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যার মাধ্যমে শুরু করে বাঙালি নিধনযজ্ঞ। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস হানাদাররা বাংলাদেশে গণহত্যা, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ অব্যাহত রাখে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নিজেদের পরাজয় অনিবার্য জেনে দখলদাররা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার গোপন নীলনকশা করে। বুদ্ধিজীবীদের তালিকা তৈরি করে তা তুলে দেয় আলবদর, আলশামস ও রাজাকার বাহিনীর হাতে। ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই তালিকা অনুযায়ী পাকবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘৃণ্যতম অপকর্মে এ তিনটি ঘাতক গ্রুপ মেতে ওঠে। কারফিউর মধ্যে রাতের অন্ধকারে বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে ধরে এনে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার ও মিরপুরের বধ্যভূমিতে নির্মম-নৃশংসভাবে হত্যা করে। ১৩ ডিসেম্বর মধ্যরাতের পর সারা দেশে একযোগে সর্বাধিক সংখ্যক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত সারা দেশে ৪৬৭টি বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া গেছে। কেবল ঢাকা ও এর আশপাশে ৪৭টি বধ্যভূমি চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে দখলদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা বুদ্ধিজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা, অধ্যাপক রাশিদুল হাসান, ড. সন্তোষ ভট্টাচার্য, ডা. মোহাম্মদ শফি, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, নিজামউদ্দিন আহমেদ, খন্দকার আবু তালেব, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, সৈয়দ নাজমুল হক, চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান, সুরকার আলতাফ মাহমুদ, ড. আবদুল খায়ের, ড. সিরাজুল হক খান, ড. ফয়জল মহী, ডা. আবদুল আলীম চৌধুরী, সাংবাদিক সেলিনা পারভীন, হবিবুর রহমান, মেহেরুন্নেসা, গিয়াস উদ্দীন আহমদ প্রমুখ।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণা, চিত্রপ্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ বেতার, বিটিভি, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও এফএম রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। জাতীয় দৈনিকগুলোতেও বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে গুগল অনুসন্ধানের শীর্ষে সাবিলা নূর, মিয়া খলিফা ও তাসকিন

দেশের মানুষ চলতি বছর সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে মডেল ও অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে। এরপরই আছে পর্নোতারকা মিয়া খলিফা! শীর্ষে দুই নারী থাকলেও তৃতীয় অবস্থানেই আছে একজন পুরুষ। তিনি ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ।

সার্চ ইঞ্জিন গুগল এ কথাই বলছে। বছর শেষে ওই সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে কী এবং কাদের সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে মানুষ তার একটি প্রতিবেদন দিয়েছে গুগল। ট্রেন্ডস ডট গুগল ডট কম জানিয়েছে ‘অনুসন্ধান’, ‘ব্যক্তিত্ব’, ‘খবর’ এই তিন ধরনের মাধ্যমে বের করা হয়েছে কী এবং কাদের সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে ব্যবহারকারীরা।

বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের তালিকায় শীর্ষে আছেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। এরপরই মিয়া খলিফা এবং তাসকিন। ব্যক্তিত্বদের তালিকার শীর্ষ দশে থাকা অন্যরা হচ্ছেন, অভিনেতা শাকিব খান, মোশাররফ করিম, সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী জান্নাতুল নাইম এভ্রিল, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা, ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদি, অভিনেত্রী শবনম বুবলি এবং গায়ক আতিফ আসলাম।

‘অনুসন্ধান’-এর তালিকায় এসেছে একাধিক বলিউড চলচ্চিত্রের নাম। এর মধ্যে আছে জাগ্গা জাসুস, দঙ্গল, হাফ গার্লফ্রেন্ড। এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলও আছে শীর্ষ দশে। আছে সদ্য শেষ হওয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)।

‘খবর’ এর তালিকায় ওপরের দিকে আছে ‘জেএসসির প্রশ্ন’, ‘রোহিঙ্গা’, ‘একটি বাড়ি একটি খামার’, ‘আর্জেন্টিনা সাবমেরিন’, ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’, ‘চিকনগুনিয়া’, ‘দুর্গাপূজা’, ‘সাইক্লোন মোরা’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রীকে ‘তালাক’ দিয়ে শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও!

ভারতের উত্তর প্রদেশের সহারানপুর জেলার দেববন্দ এলাকার পাঠানপুরা কলোনিতে অবাক করা ঘটনাটি ঘটে। এক ব্যক্তি স্ত্রীকে ‘তিন তালাক’ বলে স্ত্রীর ছোটবোনকে নিয়ে পালিয়েছে। ঘটনার শিকার নূরজাহান বেগম (২৭) অভিযোগ করেন, যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারায় স্বামী শুধু তাকে তিন তালাক বলে ত্যাগই করেনি একই সঙ্গে তার ছোট বোনকে নিয়ে পালিয়েছে।

থানায় দায়ের করা অভিযোগে নূরজাহান জানান, প্রতিবেশী এলাকার আরশাদ আহমদের সঙ্গে তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নূরজাহান বলেন, আরশাদ যৌতুকের জন্য সব সময়ই অত্যাচার করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ ডিসেম্বর তাকে বেদম মারধর করে এক পর্যায়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারতে চায়। কিন্তু প্রতিবেশীরা এসে তাকে রক্ষা করে। এরপর আরশাদ তাকে ‘তিন তালাক’ উচ্চারণের মাধ্যমে তালাক দেয় এবং তার স্বর্ণালংকারগুলোসহ তার ছোটবোনকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, দেশটির সুপ্রিম কোর্ট শুধু মুখে তিন তালাক বলে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের বহুল চর্চিত অপপ্রথার বিরুদ্ধে সম্প্রতি রায় দেয়। কিন্তু আইনে নিষেধ হলেও বাস্তবে এর চল এখনও রয়েই গেছে।
এরই সর্বশেষ উদাহরণ এ ঘটনা।

এ ব্যাপারে ভারতের সাহারানপুরের এএসপি বাবলু কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তদন্তের পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যাংক লকারের চাবির জন্য বাবা-মাকে পেটাল শিক্ষক ছেলে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানে বাবা-মায়ের কাছ থেকে ব্যাংকের লকারের চাবি ও ব্ল্যাঙ্ক চেকে সই না পেয়ে আক্রোশে বাবা ও মাকে লোহার রড দিয়ে পেটাল শিক্ষক ছেলে। গুণধর ছেলের এমন কর্মকাণ্ডে অবাক সাধারণ মানুষ।

বুধবার দুপুরে কাটোয়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাধবীতলায় এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় তাপস মল্লিক (৭৬) নামের ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে স্থানীয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আটক করা হয়েছে অভিযুক্তকে।

পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্ত ছেলের নাম অমিত মল্লিক (৪৮)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অমিতের মা বুলুরাণিদেবীও।

স্থানীয়রা জানান, অমিত নামে ওই ব্যক্তি তার বাবা মাকে প্রায়শই মারধর করত। কাটোয়া শহরে মাধবীতলায় তাপসবাবুদের বাড়ির নিচেই হার্ডওয়ারের দোকান। পৈতৃক ব্যবসা।

জানা গেছে, অগাধ সম্পত্তির মালিক তাপস মল্লিকরা।
তিনি বৃদ্ধ বয়সেও নিজেই দোকান চালান। দুজন কর্মচারী রয়েছেন দোকানে।

বুলুরাণি মল্লিক জানান, অমিত তাদের একমাত্র সন্তান। কেমিস্ট্রিতে এম এস সি। খুব মেধাবী ছাত্র ছিল। অল্প বয়সেই শিক্ষকতার চাকরি পায়। বীরভূম জেলার কীর্নাহারের সরডাঙ্গা আব্দুল হালিম স্মৃতি শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষকতা করত। মাস চারেক আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অমিতের বিয়ে হয় মঙ্গলকোটের মাজিগ্রামে। একটি ছেলেও রয়েছে তার। তবে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তির কারণে অমিতের স্ত্রী তিনমাস আগে ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেছেন।

আহত তাপসবাবু বলেন, ‘আমার ছেলে প্রায়ই আমাকে চাপ দিত সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দেওয়ার জন্য। মারধরও করত। তবে পারিবারিক বিষয় বলে মুখ বুজে সব সহ্য করে এসেছি। ’

তিনি জানান, এদিন বুধবার সকালে ঘটনার সূত্রপাত। তাপস মল্লিকের কথায়, ‘অমিত আমার কাছে ব্যাংকের লকারের চাবি চায়। আর চেকবই নিয়ে বলছিল একটি ব্ল্যাংক চেকে সই করে দিতে। আমি রাজি হইনি। তখন ও আমাকে দোকানের লোহার রড নিয়ে এসে মারতে থাকে। আমাকে ছাড়াতে এলে ওর মাকেও মারে। ’

পরে পুলিশ এসে তাপসবাবুকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে দুজনকে। দুজনেরই মাথায় আঘাত লেগেছে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় যুবলীগ নেতা জজ আলীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০১৩ সালের ১৩ই ডিসেম্বর বিএনপি- জামায়াত- শিবিরের নৃশংস হত্যার শিকার উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান জর্জ আলীর ৪র্থ শাহাদাৎ বাষির্কীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসার সামনে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে সন্তানহারা মা ও তার বিধবা স্ত্রী, সন্তানসহ হাজারও মানুষ মানববন্ধন করেন।পরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ১নং জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও গীতা পাঠের মধ্যে দিয়ে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিঃ শেখ মুজিবুর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, বিগত ২০১৩ সালে বিএনপি- জামায়াত শিবিরের নৃশংস হামলায় নিহত শহীদ মেহেদী হাসান জর্জ আলীর হত্যাকারীদের এই সরকারের আমলেই বিচারের কার্যক্রম শেষ হবে। যারা দেশকে জঙ্গীবাদ বানিয়ে জর্জ আলীসহ উপজেলার ৪ নেতাকে হত্যা করেছেন তাদের ফাঁসির সকল কাজ শেষ পর্য্যায়ে। হত্যাকারীদের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আপনারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। পরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ১নং জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু তাপস পালের পরিচালনায় স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব নজরুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কামাল শ্রভ্র, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্জ্ব শেখ আমজাদ হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আসিফ সাবাজ খান, কলারোয়া পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম শফিউল আলম শফি, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগের সভাপতি শেখ আশিকুর রহমান মুন্না, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মইনুল রশিদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মাস্টার মোতালেব খা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান শেখ ফিরোজ আহম্মেদ, শফিকুর রহমান মালী, জর্জ আলীর স্ত্রী রিতা খাতুন, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এসএম আবু সাঈদ, উপজেলা তরুনলীগের সভাপতি রিপন হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস সালাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হিজড়াদের সমাজের মূল স্রোতে আনতে হবে – জেলা প্রশাসক এ.কে.এম মহিউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘বৈষম্য নয়, সামাজিক মর্যাদা হিজড়াদের প্রাপ্য’ হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা সমাজ সেবা অধিদফতরের আয়োজনে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক দেবাশিস সরদারের সভাপতিত্বে সেমিনারের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘হিজড়ারা সমাজের একটি অংশ। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি খুদ্র অংশ হলেও আবহমান কাল থেকে এ জনগোষ্ঠী অবহেলিত ও অনাগ্রসর গোষ্ঠীর হিসেবে পরিচিত। সমাজে বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার এ জনগোষ্ঠীর পারিবারিক, আর্থসামাজিক কোন শিক্ষা ব্যবস্থা, বাসস্থান, স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সর্বপরি তাদেরকে সমাজের মুল স্রোতধারায় এনে দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাদেরকে সম্পৃক্ত করণের লক্ষ্যে সরকার এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।’
সেমিনারের আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ, শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এমদাদুল হক, কলারোয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন প্রমুখ। সেমিনারে জেলার ৩০ জন হিজড়া অংশ নেয়। আগামী ১৭ ডিসেম্বর রবিবার থেকে ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক ৫০ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠত হবে। এতে জেলার ৫০ জন হিজড়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest