সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

হৃদরোগের যে ৯টি অপ্রত্যাশিত লক্ষণ আপনার জানা দরকার

স্বাস্থ্য ও জীবন : বুকের ব্যাথা, ক্লান্তি এবং অবসাদসহ হৃদরোগের বেশ কিছু লক্ষণ এখন আমাদের প্রায় সকলেই জানি। কিন্তু এছাড়াও হৃদরোগের কিছু অপ্রত্যাশিত লক্ষণ আছে যেগুলো সম্পর্কে আপনাকে সজাগ হতে হবে।
যদি অকালেই হার্ট অ্যাটাকে মরতে না চান। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই লক্ষণগুলো।
১. যৌন দুর্বলতা
আপনি নারী বা পুরুষ যাই হোন না কেন বেডরুম ডিপার্টমেন্টে সমস্যা হলে তা আপনার জন্য খুবই বিব্রতকর বা হতাশাজনক হতে বাধ্য। সাধারণত লোকে মনে করেন পুরুষদের লিঙ্গোত্থানে সমস্যা এবং নারীদের যৌন শীতলতা অন্য নানা কারণেও হতে পারে। তবে হৃদপি-ের সমস্যার কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কেননা হৃদপি- দুর্বল হয়ে পড়লে তা যৌনাঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পাম্প করে সরবরাহ করতে পারে না। যার ফলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
২. উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এমন একটি কন্ডিশন যাতে ধমনীগুলোর বিপরীতে রক্তের প্রবাহ খুবই উচ্চ হয়। যার ফলে নানা নেতিবাচক লক্ষণ দেখা দেয়।
এখন অনেকেই জানেন যে উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের লক্ষণ। তবে এটি একটু ভিন্ন রকমও হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে পূর্ব থেকেই বিদ্যমান কোনো হৃদরোগের লক্ষণ! অর্থাৎ হৃদরোগের কারণেই উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি হয়েছ!
৩. অনবরত কফ কাশি
কফ হলো ভাইরাল ফ্লু বা শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতার লক্ষণ। ফলে লোকে কখনোই একে হৃদরোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে দেখেন না। তবে যখন হৃদপি- আপনার ফুসফুসে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পাম্প করে সরবরাহ করে না তখন ফুসফুস শুকিয়ে যেতে পারে এবং আপনার অনবরত কফের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সুতরাং এটিও হৃদরোগের একটি লক্ষণ।
৪. শ্বাসকষ্ট
আপনার যদি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয় বা আপনার যদি বুকে কোনো কিছু জমাটবদ্ধতা বা আটকে পড়ার অনুভূতি হয় তাহলে তা যে সবসময়ই শ্বাসজনতি সমস্যা হবে তা নয়। বা নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় সাঁ সাঁ করে শব্দ হয় তাও যে সবসময় শ্বাসজনিত সমস্যা এমনটা ভাবা ঠিক নয়। বরং ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ কমে গেলেও এমনটা হতে পারে। অর্থাৎ হৃদপি- আপনার ফুসফুসে পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে পারছে না। আর সে কারণেই এমন সব সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
৫. দেহে লোম কমে যাওয়া
এই লক্ষণটির কথা শুনে হয়তো আপনি বিস্মিত হতে পারেন। কেননা অনেক নারীই আজকাল পুরোপুরি লোমমুক্ত দেহ পেতে চান। তাই না? যাইহোক দেহে কিছুটা পরিমাণে লোম থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যখনই আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার দেহের লোমগুলো উধাও হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে পুরুষদের বেলায় যা হঠাৎ করেই ঘটে; তাহলে তা হতে পারে হৃদরোগের লক্ষণ। হৃদপি- ঠিক মতে রক্ত পাম্প করতে না পারায় রক্তসরবরাহ কমে যওয়ায় এমনটা ঘটতে পারে।
৬. পা ফোলা
ওজন বাড়া, গর্ভধারণ, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা কারণে পা এবং পায়ের পাতা ফোলার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি হতে পারে কোনো হৃদরোগের লক্ষণ। কেননা আপনার হৃদপি- যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত আপনার পায়ে পাম্প করে সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে শিরা-উপশিরাগুলো থেকে রক্তের বদলে অন্যান্য তরল পদার্থ অতিরিক্ত হারে পা এবং পায়ের পাতায় প্রবেশ করছে। এবং ফুলে উঠছে।
৭. ঘাড় ব্যথা
লোকে অনকে সময় ভাবতে পারে যে, ঘাড়ে ব্যথা হয় সাধারণত বেঠিক অঙ্গভঙ্গি, কাজের সময় ঘাড় মচকানো প্রভৃতি কারণে। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে ঘাড়ে ব্যথা হতে থাকে তাহলে তা হতে পারে ‘অ্যানজিনা’ নামের হৃদরোগের লক্ষণ। ঘাড়ে ব্যথা এই রোগের একটি লক্ষণ।
৮. মাড়ি ফোলা
অনেকেই মনে করেন যে, মুখের স্বাস্থ্য খারাপ হলে বা ক্যাভিটিস এর কারণে মাড়ি ফোলা দেখা দেয়। তবে রক্ত সরবরাহ কমে গেলেও দাঁতের মাড়িতে প্রদাহ হতে পারে এবং তা থেকে মাড়ি ফুলে যেতে পারে। তার মানে মাড়ি ফোলা বিদ্যমান কোনো হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে।
৯. বমি
বমি সাধারণত খাবার হজমপ্রক্রিয়ার সমস্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সমস্যা। তবে এটি হৃদরোগেরও লক্ষণ হতে পারে। রক্ত সরবরাহ কমে গেলে বুকে এবং পাকস্থলিতে সংকোচন হতে পারে যা থেকে বমির অনুভূতি হতে পারে বা বমির উদ্রেক করতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতকালে নিয়মিত বাঁধাকপির রস খেলে পাবেন ৬টি উপকারিতা

স্বাস্থ্য ও জবিন : ক্রসিফেরাস পরিবারের এই সদস্যটিকে কাজে লাগিয়ে নানা মুখরোচক খাদ্য বানানো হলেও চিকিৎসকদের মতে নিয়মিত বাঁধাকপির রস খেলে মেলে নানা শারীরিক উপকারিতাও। বিশেষত এই ঠা-ায় শরীরকে চাঙ্গা রাখতে এই ঘরোয়া ঔষধিটির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে।
স্তরে স্তরে সাজানো এই গোলাকার সবজিটিতে প্রচুর মাত্রায় আছে ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে আছে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, সালফার, ফসফরাস এবং ফলেটের মতো উপকারি উপাদানও, যা নানাভাবে শরীরের গঠনে সাহায্য করে থাকে।
এখন প্রশ্ন হল কীভাবে খেলে এই সবজিটি থেকে সর্বোত্তম উপকার পাওয়া যেতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে রান্না করার সময় অল্প হলেও এই সবজিতে থাকা উপকারি উপাদানগুলো নষ্ট হয়ে যায়। সে কারণেই রান্না করে নয়, বরং বাঁধাকপির রস বানিয়ে তা খাওয়া উচিত। এমনটা করলে সবজিটির ভেতরে থাকা প্রতিটি ভিটামিন এবং মিনারেল আমাদের শরীরে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়ে যায়। ফলে মেলে নানা উপকার। আসুন জেনে নেওয়া যাক…
১. শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়
যেমনটা একেবারে শুরুতেই আলোচনা করা হয়েছে যে বাঁধাকপিতে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান থাকে, যেমন- ভিটামিন সি, এ, বি১, বি২, বি৬, ই এবং কে। এই সবকটি ভিটামিনই শরীরে নানা উপকারে লেগে থাকে। সেই সঙ্গে রোগ ভোগের আশঙ্কা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।
প্রসঙ্গত, বাঁধাকপির ভেতরে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২. শরীরকে বিষ মুক্ত করে
বাঁধাকপির রসে উপস্থিত ভিটামিন কে এবং সি আমাদের শরীরের ভেতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে একদিকে যেমন কোষেদের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়, তেমনি ক্যান্সারের মতো রোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। প্রসঙ্গত, হার্টকে দীর্ঘদিন কর্মক্ষম রাখতেও এই দুই ভিটামিন দুটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এবার বুঝেছেন তো বাঁধাকপির রসের উপকারিতা কতটা।
৩. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়
সারা দিন দূষণ এবং খাবারের মাধ্যমে নানাবিধ ক্ষতিকর টক্সিক বা বিষ আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে থাকে। এই বিষাক্ত উপাদানেরা রক্তে মিশে যাওয়ার পর যেমন শরীরের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যায়, তেমনি ত্বকের ভেতরেও জমতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ত্বকের সৌন্দর্য কমে যায়। সেই সঙ্গে নানাবিধ ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। এমন অবস্থায় নিয়মিত যদি বাঁধাকপির রস খাওয়া যায়, তাহলে দারুন উপকার মেলে। কারণ এই সবজিটিতে থাকা সালফার এবং ফসফরাস ত্বকের ভিতরে জমতে থাকা বর্জ্য পদার্থদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে স্কিনের ভেতরে হওয়া পুষ্টির ঘাটতিও দূর করে। ফলে ধীরে ধীরে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণোচ্ছ্বল হয়ে ওঠে।
৪. ওজন কমাতে সাহায্য করে
অতিরিক্ত ওজন আজ অভিশাপের সমান। কারণটা খুব সহজ! মাত্রাতিরিক্ত ওজন মানেই তার লেজুড় হবে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল এবং হার্টের রোগের মতো মারণ ব্যাধি। আর এমনটা হলে জীবনে একেবারেই শান্তি থাকবে না, তা কি আর বলে দিতে হবে। তাই কোমরের মাপ যদি বাড়তে শুরু করে, তাহলে আজ থেকেই বাঁধাকপির রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দ্রুত ওজন কমে যাবে। আসলে নিয়মিত বাঁধাকপির রস খেলে ইনটেস্টাইনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। আর এমনটা হলে মেদ বৃদ্ধির আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে নানাবিধ পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে।
৫. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটায়
শরীরকে নানাবিধ জীবাণু এবং ফরেন বডির হাত থেকে বাঁচাতে আমাদের শরীরের ভেতরে বেশ কিছু সৈনিক রাত্রি দিন কাজ করে চলে। এরা যখন কাজ করতে করতে দুর্বল হয়ে পড়ে, তখনই মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে নানা রোগ। আপনি কি চান, আপনার সৈনিকেরাও এমন দুর্বল হয়ে পড়ুক। উত্তর যদি না হয়, তাহলে আজ থেকেই বাঁধাকপির রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ এই প্রাকৃতিক উপদানাটি ইমিউন সিস্টেমকে এত মাত্রায় শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে কমে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও।
৬. লিভার ফাংশনের উন্নতি ঘটে
শরীরকে চাঙ্গা রাখতে যে যে অঙ্গগুলির কোনও বিকল্প হয় না, লিভার তাদের অন্যতম। সেই কারণেই তো চিকিৎসকেরা লিভারের একটু বেশি মাত্রায় খেয়াল রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর এই কাজটি যাতে আপনি ঠিক ঠিক মতো করতে পারেন, তার জন্যই তো বাঁধাকপির রস খাওয়া জরুরি। কারণ এই পানীয়টি খাওয়া শুরু করলে শরীরে ইনডোল-৩ কার্বোনাইল নামে একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টর মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা শরীরকে বিষ মুক্ত করার পাশাপাশি লিভার ফাংশনের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায়

স্বাস্থ্য ও জীবন : জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে অফিস বা ব্যবসা ক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়। অনেকক্ষণ বসে থাকার ফলে ধীরে ধীরে শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে নানা রোগ-ব্যাধি, যা কখনো মারাত্মক রূপও ধারণ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোমরে চর্বিজমা, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, হার্টের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি সমস্যা যারা বসে কাজ করেন তাদের মধ্যে বেশি।
এছাড়াও যারা ডেস্কে বসে বেশিক্ষণ কাজ করেন তারা কোমর ও ঘাড় ব্যথায় বেশি ভোগেন। কিন্তু জীবনের তাগিদে নিত্যদিনের কাজ ত্যাগ করা সম্ভব নয়। তাই প্রতিদিন কাজের ফাঁকে কিছু অভ্যাস তৈরি করা উচিত। যেমন এক ঘণ্টা পর পর চেয়ার থেকে উঠে কিছুক্ষণ হাঁটা, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি দিয়ে উঠা-নামার অভ্যাস করা, চেয়ারে সোজা হয়ে বসা।
এছাড়াও কিছু ছোট-খাটো ব্যায়াম আছে যা চেয়ারে বসেই করা যায়, কাজের ফাঁকে এই ব্যায়ামগুলো করা। মনে রাখতে হবে আমাদের শরীর প্রতিদিন যেই পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করে, তা কাজে লাগাতে হবে। তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি নাশতায় ভাজাপোড়া বা ফাস্টফুডের পরিবর্তে মৌসুমি ফল বা বাদাম জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। গ্রিন টি আমাদের শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, তাই চা বা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া কোনো প্রকার স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন মোদি

ভারতের গুজরাট বিধানসভার দ্বিতীয় ও শেষ দফার নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার কিছু পরে আমেদাবাদের সবরমতী বিধানসভা কেন্দ্রের রানিপ এলাকায় অবস্থিত নিশান হাইস্কুলে ১১৫ নম্বর বুথে ভোট দেন তিনি। এই সবরমতী বিধানসভা কেন্দ্রের বর্তমান এমএলএ বিজেপির অরবিন্দ প্যাটেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কংগ্রেস প্রার্থী জিতুভাই প্যাটেলের সঙ্গে।

এদিন দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে মোদির শোভাযাত্রা এসে থামে নির্বাচনী কেন্দ্রের বাইরে। এরপর সেখান থেকে হেঁটে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে যান এবং আর পাঁচজন সাধারণ ভোটারের সঙ্গেই লাইনে দাঁড়ান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করার পর ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ভিতর প্রবেশ করেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর আঙুলে ভোটের কালি লাগিয়ে দেন ভোট কর্মীরা। এরপর সমস্ত আনুষ্ঠাকিতা শেষ করে নিজের ভোটটি প্রদান করেন এবং কালি লাগানো আঙুলের ছবিটি গণমাধ্যমের কর্মীদের সামনে তুলে ধরেন।

এদিন নির্বাচন কেন্দ্রে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই মোদিকে ঘিরে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে। মোদিকে দেখতে ভোট কেন্দ্রের বাইরে অনেক সাধারণ মানুষও জড়ো হন এবং তারা প্রত্যেকেই ‘মোদি-মোদি’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। মোদিকে সামনে পেয়ে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায় উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে।

এদিন, ভোটদানের পরও কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। কয়েকশত মিটার পায়ে হেঁটে সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যান, এ সময় মোদিকে ঘিরে সাধারণ জনতার মধ্যে প্রবল উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে, মোদিকে দেখতে হুড়াহুড়ি শুরু তাদের মধ্যে। সে সময় ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমসিম খেতে হয় মোদির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মীদের।

শেষ দফায় সকাল ৮টা থেকে উত্তর ও মধ্য গুজরাটের ১৪টি জেলার ৯৩টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ ভোটার মোট ৮৫১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন।

এদিন সকালে গান্ধীনগরে আর্যভট্ট হাইস্কুলে ভোট দেন নরেন্দ্র মোদির মা হিরাবেন (৯০)। মা’এর সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছোট ছেলে পঙ্কজ মোদি ও পরিবারের লোকেরা। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ভোট দিয়ে যান বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, গুজরাটের সাবেক নারী মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেল, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি, রাজ্যটির উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির নীতিন প্যাটেল, কংগ্রেস প্রার্থী শক্তিশিং গোহিল, পতিদার নেতা ও প্যাটেল আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেল, সাবেক ক্রিকেটার নয়ন মোঙ্গিয়া প্রমুখ।

গত ৯ ডিসেম্বর প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয় গুজরাটে। গণনা আগামী ১৮ ডিসেম্বর। ওই একই দিনে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার ভোটেরও ফলাফল ঘোষিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়ার ছবি দিয়ে শুরু হচ্ছে ঢাকাই সিনেমার নতুন বছর

বিনোদন ডেস্ক : ঢাকা ও কলকাতা দুই শহরেই জয়া আহসানের কদর। তবে সম্প্রতি কলকাতাতেই তার ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। সেখানে নামী দামি নির্মাতারা প্রায় সবাই জয়াকে চাইছেন তাদের ছবিতে। সেই সুবাদে বেশ কিছু ছবিতে তিনি কাজ করছেন।
এরইমধ্যে পাওয়া গেল নতুন খবর, জয়া আহসানের ছবি দিয়েই শুরু হতে যাচ্ছে ঢাকাই সিনেমার ইন্ডাস্ট্রির নতুন বছর। অর্থাৎ, নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই অভিনেত্রীর সিনেমা। ছবির নাম ‘পুত্র’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সাইফুল ইসলাম মান্নু।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রযোজনা এবং ইমপ্রেস টেলিফিল্মের তত্ত্বাবধায়নে নির্মিত হয়েছে ‘পুত্র’। অটিস্টিক শিশুদের বেড়ে ওঠা, পরিবারের চ্যালেঞ্জ আর পারিপার্শ্বিক সামাজিক অবস্থায় একটি অটিস্টিক শিশু জীবন-যাপন কেমন হয়, শিশুটি কীভাবে বেড়ে ওঠে, সেসব দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে ‘পুত্র’ ছবিতে।
চলচ্চিত্রটির ডিস্ট্রিবিউটিংয়ের দায়িত্বে পেয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। ৫ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে ‘পুত্র’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে জানিয়ে জাজের সিইও আলিমুল্লা খোকন বলেন, ‘জাজ মাল্টিমিডিয়া ‘পুত্র’ ছবিটির পরিবেশকের দায়িত্ব পেয়েছে। এই ছবিগুলোতো গ্রামের দিকে খুব একটা চলে না, তাই আমরা সিনেপ্লেক্সগুলোতেই বেশি মনযোগ দিচ্ছি।’
অনুমান করা যাচ্ছে ত্রিশটি প্রেক্ষাগৃহে ‘পুত্র’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে পারে। এ বিষয়ে জাজ কর্মকর্তা খোকন বলেন, ‘আপাতত আমাদের টার্গেট বিশটির মতো হলে ছবিটি মুক্তি দেওয়া। পরবর্তীতে দর্শক চাহিদার উপর নির্ভর করবে পরের সপ্তাহে হল আরও বাড়বে কী না।’
জয়া আহসান ছাড়াও ‘পুত্র’ ছবির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহসান হাবিব, রিচি সোলায়মান, সাবেরী আলমসহ অনেকে। হারুন রশীদের কাহিনিতে চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন স্বয়ং নির্মাতাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমার চরিত্রের নাম মুটি : মৌমিতা

বিনোদন ডেস্ক : চলচ্চিত্রে চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে কত কিছুই না করতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। কখনো ওজন কমাতে হয়, কখনো আবার বাড়াতেও হয়। মৌমিতা মৌকে ওজন বাড়াতে হয়েছে। মালেক আফসারি পরিচালিত ‘অন্তর জ্বালা’ ছবির জন্যই ওজন বাড়ান মৌমিতা। তিনি জানান চরিত্রের প্রয়োজনে ৭ কেজি ওজন বাড়িয়েছেন তিনি। আর ওজন বাড়িয়েছেন কিভাকে সেটাই জানিয়েছেন তিনি।
মৌমীতা বলেন, ‘আমাকে যখন এই ছবিতে সিলেক্ট করা হয়, তখন পরিচালক মালেক আফসারি স্যার আমাকে ফোন করে বললেন আমাকে আরো মোটা হতে হবে। আমি তো অবাক, আমি এমনিতেই অনেক হেলদি, আরো মোটা হবো মানে কী? পরে স্যারের সাথে আমি দেখা করি, তিনি আমাকে ছবির গল্প ও চরিত্র বুঝিয়ে দেন, তখন দেখি আমার চরিত্রের নাম মুটি। আমাকে তাই আরো মোটা হতে হবে।’
মৌমিতা বলেন, ‘আমি দুই মাস নিয়মিত ফাস্ট ফুড খেয়েছি তিন বেলাতেই, এমনিতেই খাবার খেতে আমার ভালো লাগে, ছবির জন্য আমি আরো খাবার বাড়িয়ে দেই। দুই মাসে আমি আরো সাত কেজি ওজন বাড়িয়েছি।’
নিজের চরিত্র নিয়ে মৌমিতা আরো বলেন, ‘গল্পে আমি একজন ভয়েস আর্টিস্ট, আমি মফঃস্বল শহরে একটি ডিস চ্যানেলের প্রচারের জন্য যে বিজ্ঞাপন তৈরি হয়, আমি সেখানে ভয়েস দেই। সেখানেই পরিচয় হয় ছবির হিরোর সাথে। এর বেশি বলতে চাই না। আশা করি দর্শক হলে গিয়ে ছবিটি দেখবেন।’
এ ছবির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন পরিচালক মালেক আফসারি নিজেই। সংগীত পরিচালনা করেছেন এস আই টুটুল। ছবিটি প্রযোজনা করেছে জায়েদ খানের সংস্থা জেড কে মুভিজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেকড়ের সঙ্গে সালমান খানের লড়াই!

বিনোদন ডেস্ক : সিনেমার পর্দায় দর্শকদের আনন্দ দিতে কত কসরতই তো করেন তারকারা। কিন্তু তাই বলে সত্যিকারের নেকড়ের সাথে লড়াইয়ের মতো দুঃসাহস কেউ করেন? কেউ না করলেও এমন দুঃসাহস করেছেন বলিউড ভাইজান খ্যাত তারকা সালমান খান।
তার নতুন ছবি ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’- এর একটি দৃশ্য ছিলো নেকড়ের সঙ্গে লড়াইয়ের। সেই দৃশ্যের একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন পরিচালক আলি আব্বাস জাফর। তিনি বলেন, ভেবেছিলেন প্রযুক্তির মাধ্যমেই সেই দৃশ্যটি করবেন। কিন্তু দর্শকদের কাছে যেনো খুঁত না থাকে তার জন্যে প্রযুক্তির নেকড়ে নয়, দৃশ্যায়নের জন্যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিলো একেবারে জীবন্ত রক্ত পিপাসু নেকড়ে।
অস্ট্রিয়ার তুষার ঢাকা সে জঙ্গলে কয়েকটি নেকড়ের ব্যবস্থা করেছিলেন অ্যাকশন দৃশ্যের পরিচালক টম স্ট্রাথার। এই দৃশ্যধারণ সম্পর্কে ছবির পরিচালক আলী আব্বাস জাফর বলেন, ‘বলিউডের রুপালি পর্দায় এ ধরনের অ্যাকশন দৃশ্য প্রথমবারের মতো দেখবেন দর্শক। জীবন্ত নেকড়ের সঙ্গে অ্যাকশন দৃশ্য করে অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলেন সালমান।’
আগামী ২২ ডিসেম্বরে রুপালি পর্দায় মুক্তি দেয়া হবে সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিটি। ছবিটিতে একজন ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্টের ভূমিকায় দেখা যাবে সালমান খানকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিনয়ে ফিরলেন শারমিন শীলা

বিনোদন ডেস্ক : পাঁচ বছর পর অভিনয়ে ফিরলেন শারমিন শিলা। মীর সাব্বিরের পরিচালনায় ধারাবাহিক নাটক ‘নোয়াশাল’-এ দেখা যাবে তাঁকে।
এর মধ্যে শুরু করেছেন শুটিং। সাব্বির বলেন, “বন্ধু শিলাকে আমার নাটকে পেয়ে ভালো লাগছে। একদিন সে-ই বলেছিল, ভালো কোনো চরিত্র হলে আবার অভিনয়ে ফিরবে। ‘নোয়াশাল’ নাটকটি অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় নির্মিত হচ্ছে। শিলার বাড়ি নোয়াখালী। সে নোয়াখালীর ভাষা ভালো বলতে পারে। তাই ওকেই নাটকটিতে কাস্ট করেছি। এর মধ্যে নাটকটির ৬০০তম পর্ব প্রচারিত হয়েছে। ৬১০ পর্ব থেকে দেখা যাবে শিলাকে। সে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর খালার চরিত্রে অভিনয় করছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest