মনোনয়ন যাকে দিক আমরা মনে করবো আমাদের প্রতীক নৌকা – এবিএম মোস্তাকিম

আশাশুনি ব্যুরো : বাংলাদেশের এ উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে আমাদেরকে আবারও আওয়ামীলীগকে জয়যুক্ত করতে হবে। শেখ হাসিনার সরকারের পক্ষে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন সম্ভব অন্য কারো হাতে সে উন্নয়ন কল্পনা করাও অসম্ভব। মনোনয়ন কাকে দিল এটা বড় কথা নয়। মনোনয়ন যাকে দিক আমরা মনে করবো আমাদের প্রতিক নৌকা। আমার আহবান থাকবে আওয়ামীলীগ সরকার যদি দেশের তথা আপনার এলাকার উন্নয়ন করে থাকে তাহলে আপনারা আবারও নৌকায় ভোট দিবেন। আশাশুনির বুধহাটায় বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের কর্মী সমাবেশ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সকল কথা বলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। বুধবার বিকাল ৩টায় ইউনিয়নের নৈকাটি দাখিল মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনে, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি ডাঃ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী। এসময় বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি এস এম সাহেব আলী, সহ সভাপতি খোকন মন্ডল, সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা বিল্টু, যুগ্ম সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম মঞ্জুরুল ইসলাম, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি সমীরণ পাইন, বুধহাটা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি জিএম বাপ্পী, ০৯ ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আবু তালেব প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস ; উদ্যোগ নেই যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি গ্রেফতারের

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সাতক্ষীরার দামাল ছেলেরা থ্রি নট থ্রি আর এসএলআরের ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে সাতক্ষীরা শহরে প্রবেশ করে। ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা। সন্তান হারানোর বেদনা ভুলে সেদিন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাথে রাস্তায় নেমে আসে মুক্তিপাগল আপামর জনতা। দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সেদিনের সাহসী সস্তানরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। পাক হানাদার ও তাদের দোসররা মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছিল। ধ্বংস করতে চেয়েছিল বাঙ্গালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে। শত্রুর বুলেটের এত সব আঘাত সহ্য করেও সাতক্ষীরার সন্তÍানরা অন্ততঃ ৫০টি যুদ্ধের মোকাবেলা করেছিল। সাতক্ষীরার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সবচেয়ে হিং¯্র বিরোধিতাকারীদের ৪ জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাবুনালে মামলা হয়েছে। হত্যা, ধর্ষণসহ ৭টি অভিযোগে সাতক্ষীরার কুখ্যাত রাজাকার জেলা জামাতের আমির খালেক ম-ল, আব্দুল্লাহিল বাকী, খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ওরফে টিক্কার বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে খালেক ম-ল ও বাকিকে আটক করা হয়েছে। অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এমনকি আদালত কর্তৃক ডেইলি স্টার ও জনকণ্ঠ পত্রিকার আসামি হাজির হওয়ার বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। জহিরুল ওরফে টিক্কা ২০১৩ সালের নাশকতার পর থেকেই আত্মগোপনে আছে। অন্যদিকে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল নবজীবন ইন্সটিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক খান রোকনুজ্জামান দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়িয়েছে। তদন্ত চলাকালীন সময়ে এক পর্যায়ে সে আত্মগোপন করে। চার্জশিট প্রদানের পর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় রোকনকে ধরতে আজ পর্যন্ত কোন পুলিশি অভিযান পরিচালনার খবর সাতক্ষীরাবাসী শোনেনি। কি এক অদৃশ্য কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ এ ব্যাপারে নিরব থেকেছে। জনশ্রুতি আছে রোকনকে তার পরিবার বিদেশে পাঠিয়ে দিতে পেরেছে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই। যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীরাই বরং উদ্বেগের সাথে দিন কাটান। তাদের নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রহস্যময় নিষ্ক্রিয়তা সাক্ষী ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের মনে ক্রমেই আশংকার সৃষ্টি করছে।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ সাতক্ষীরা শহরে পাকিস্তান বিরোধী মিছিলে রাজাকাররা গুলি করে হত্যা করে শহিদ আব্দুর রাজ্জাককে। আর এখান থেকে শুরু হয় সাতক্ষীরার দামাল ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া। মুক্তিযুদ্ধের খরচাদি বহনের জন্য সাতক্ষীরা ট্রেজারি হতে অস্ত্র আর ন্যাশনাল ব্যাংক হতে অলংকার টাকা পয়সা লুটের মধ্য দিয়ে শুরু মুক্তির সংগ্রাম। ৮ম ও ৯ম সেক্টরের অধীনে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ট্রেনিং শেষে ২৭ মে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ শুরু হয় । এ সময় পাক সেনাদের ২ শতাধিক সৈন্য নিহত হয়। ১৭ ঘণ্টাব্যাপী এ যুদ্ধে শহিদ হয় ৩ জন মুক্তিযোদ্ধা। আহত হয় আরো ২ জন মুক্তিযোদ্ধা। এরপর থেমে থেমে চলতে থাকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের গুপ্ত হামলা। এসব যুদ্ধের মধ্যে ভোমরার যুদ্ধ, টাউন শ্রীপুর যুদ্ধ, বৈকারী যুদ্ধ, খানজিয়া যুদ্ধ উল্লেখযোগ্য। এ সব যুদ্ধে শহিদ হয় ৩৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। লাইটের আলোয় অসুবিধা হওয়ায় ৩০ নভেম্বর টাইম বোমা দিয়ে শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত পাওয়ার হাউস উড়িয়ে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা ভীত সন্ত্রস্ত করে ফেলে পাক সেনাদের। রাতের আঁধারে বেড়ে যায় গুপ্ত হামলা। পিছু হটতে শুরু করে পাক সেনারা। ৬ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধাদের হামলায় টিকতে না পেরে বাঁকাল, কদমতলা ও বেনেরপোতা ব্রিজ উড়িয়ে দিয়ে পাক বাহিনী সাতক্ষীরা থেকে পালিয়ে যায়। ৭ ডিসেম্বর জয়ের উন্মাদনায় জ্বলে ওঠে সাতক্ষীরার দামাল ছেলেরা।
যারা শহিদ হন- মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শত্রুদের গুলিতে সাতক্ষীরার যে সকল বীর সন্তান শহিদ হন- তারা হলেন শহিদ আব্দুর রাজ্জাক, কাজল, খোকন, নাজমুল, হাফিজউদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আবু বকর, ইমদাদুল হক, জাকারিয়া, শাহাদাত হোসেন, আব্দুর রহমান, আমিনউদ্দিন গাজী, আবুল কালাম আজাদ, সুশীল কুমার, লোকমান হোসেন, আব্দুল ওহাব, দাউদ আলী, সামছুদ্দোহা খান, মুনসুর আলী, রুহুল আমীন, জবেদ আলী, শেখ হারুনার রশিদ প্রমুখ।
তবে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার বধ্যভূমি ও গণকবরগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি আজও। একই সাথে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত শহিদ স্মৃতি স্তম্ভে রাজাকারের নাম উল্লেখ থাকায় তা উদ্বোধন করা হয়নি। সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে যান না মুক্তিযোদ্ধারা। অযতেœ আর অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে বধ্যভূমি ও গণকবরের স্মৃতিচিহ্ন। এগুলো যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। তাই বধ্যভূমি ও গণকবরের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধারা।
সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু জানান, প্রতিবছর ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের আয়োজনের যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করা হয়। তিনি সাতক্ষীরার বধ্যভূমি ও গণকবরগুলো সংরক্ষণের দাবি জানান সরকারের কাছে। একই সাথে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত শহিদ স্মৃতি স্তম্ভে রাজাকারদের নাম মুছে সেটি উদ্বোধনের জোর দাবি জানান।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন জানান, সাতক্ষীরার বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে কালেক্টরেট চত্বরের শহিদ স্মৃতিস্মম্ভ নিয়ে বিদ্যমান বির্তক নিরসন করে তা অচিরেই উদ্বোধনের আশ্বাস দিলেন তিনি ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আটক

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তেরিজা মেকে হত্যার পরিকল্পনা করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক নাইমুর জাকারিয়া রহমানকে (২০)। আজ বুধবার ওয়েস্টমিনিস্টার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আদালতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে।

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, অভিযোগ আছে, লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে বোমা ও ছুরি মেরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনার ছক এঁকেছিলেন নাইমুর।

এ ছাড়া পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক মোহাম্মাদ আকিব ইমরানকে (২১) সহযোগিতা করার অভিযোগও উঠেছে নাইমুরের বিরুদ্ধে। ইমরান জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দিতে যুক্তরাজ্য ছাড়তে চেয়েছিল। উভয়কেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিকল্পনা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে।

গত ২৮ নভেম্বর নাইমুর ও ইমরানকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তী শুনানি ২০ ডিসেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাফিজুর রহমান মাসুমকে বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের শুভেচ্ছা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের পক্ষ থেকে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও সাতক্ষীরার জনপ্রিয়তম অনলাইন নিউজপোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরা’র সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় পত্রিকা অফিসে উপস্থিত হয়ে এ শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি মাহমুদ আলী(সুমন), সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন শোভন, সাধারণ সম্পাদক এড. তৌহিদুর রহমান শাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমেদ খান শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শাহীনুল ইসলাম(শাহীন), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুজ্জামান বকুল, দপ্তর সম্পাদক সম্পাদক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু, অর্থ সম্পাদক শেখ রফিকুল ইসলাম খোকন, অর্থ সহ সম্পাদক তাহিয়াতুল হক মুকুল, ক্রীড়া সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান লিটু, কার্যকরী সদস্য আরিফুজ্জামান রাসেল, শাহিনুর রহমান শাহীন, ২নং কুশখালী ইউনিয়ন আ’লীগের ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসীন কবির জোনাকী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ছাত্র মৈত্রীর ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশের গৌরবোজ্জল বাম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেককাটা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা পুরাতন আইনজীবী ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি প্রণয় সরকার। জেলা ছাত্রমৈত্রীর সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশিস সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-১(তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর অন্যতম সদস্য সাতক্ষীরা জর্জ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, জেলা যুবমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য আব্দুল জলিল মোড়ল, শ্রমিক ফেডারেশন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সাবেক সভাপতি বিশ্বনাথ কয়াল, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ মন্ডল, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সাবেক তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পলাশ দাশ, সাবেক ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসেন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর বতর্মান সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সাকিব মোড়ল, আনন্দ সরকার, ব্রজগোপাল সরকার, বেলাল হোসেন, হেলাল খান। এছাড়াও উপজেলা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ছাত্রমৈত্রীর নেতারা কুষ্ঠিয়ায় ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তীব্র নিন্দা জানান। এর আগে শহীদ জুবায়ের চৌধুরী রীমুর স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দু’জন আটক

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে ৫৩ পিচ ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাজাসহ ২ মাদক সেবী ও ববসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাত অনুমান সাড়ে ১০টার দিকে সদর ইউনিয়নের দূর্গাপুরে মাদক বিক্রির সময় স্পটে হানা দিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

এসআই আব্দুর রাজ্জাক সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি সদরের মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী তফিল উদ্দিন সরদারের পুত্র সাইফুল ইসলাম (৪৪) ও অজিয়ার সরদারের পুত্র সাবেক ইউপি সদস্য রেহেনা ইসলামের স্বামী নূর ইসলাম (৪৫) কে হাতেনাতে আটক করেন। পুলিশ তাদের দেহ তল্লাসি করে ৫৩ পিচ ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাজা উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানায় ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৯ (১) টেবিল (৭)/ক, ৯(ক)/২৫ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আখড়াখোলায় পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার সদর উপজেলার আখড়াখোলায় পানিতে ডুবে হাবিবা সুলতানা (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্রীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। সে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের আখড়াখোলা গ্রামের আবু বকর ছিদ্দিকের বড় মেয়ে। সে ঝাউডাঙ্গা কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। বুধববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বাড়ির পাশের বেত্রাবতী নদীতে গোসল করতে করতে পানিতে ডুবে সে মারা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতিদিনের ন্যায় কলেজ থেকে ফিরে হাবিবা সুলতানা নদীতে গোসল করার জন্য পানিতে ডুব দেয়। পানিতে ডুব দেওয়ার অনেকক্ষণ পরও তাকে উঠতে না দেখে নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরতে থাকা স্থানীয়রা তার চাচা ও বাবাকে খবর দেয়। পানিতে নেমে তারা তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। স্থানীয় এক ডাক্তারকে তাৎক্ষণিকভাবে দেখে মৃত বলে ঘোষণা করলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাসে কোহলির ভারত

ইতিহাসে কোহলির ভারত

কর্তৃক Daily Satkhira

ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা অধিনায়ক কে? প্রশ্নের উত্তরে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের নাম বলতে পারেন আপনি। তবে পরিসংখ্যান বলছে, দেশটির ইতিহাসে বিরাট কোহলির মতো সফল অধিনায়ক আর একজনও নেই। দেশকে এ পর্যন্ত ৩২টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাতে ২০টিতেই জিতেছে ভারত। কমপক্ষে পাঁচটি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন এমন ক্রিকেটারের মধ্যে কোহলির সাফল্যের হার সবচেয়ে বেশি।

ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কাকে টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে বিরাট কোহলির দল। এ নিয়ে টানা নয়টি সিরিজ জিতল ভারত। ক্রিকেট ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি সংখ্যক টানা সিরিজ জয়ের রেকর্ড নেই। আজ অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের পাশে বসল কোহলির দল। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত টানা নয়টি টেস্ট সিরিজ জিতেছিল পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। টেস্ট ইতিহাসে ইংল্যান্ডও টানা নয়টি টেস্ট সিরিজ জিতেছে। সেটি ১৮৮৪-৯২ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে সাতটি অ্যাশেজ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুটি সিরিজে হারায় ইংল্যান্ড।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে কোহলি অধিনায়ক হওয়ার পর প্রথম ম্যাচটাই হারে ভারত। এর পরের বছর শ্রীলঙ্কা সফরেও হারে কোহলির দল। তবে এরপরই যেন জয়ের নেশা টেপে ধরে কোহলিকে। সেই সিরিজটা ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়ে শুরুটা করেন তিনি। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জেতে ভারত।

একটা দিক দিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে আছে ভারত। ইংল্যান্ড যে নয়টি সিরিজ জিতেছিল, সেখানে ম্যাচ ছিল ২৩টি। পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া যে নয়টি সিরিজ জেতে সেখানে ২৬টি ম্যাচ ছিল তবে কোহলির দল নয়টি সিরিজ জিততে খেলেছে ৩০টি টেস্ট।

আগামী জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামবে ভারত। এই সিরিজটা জিতলে টানা দশটি সিরিজ জিতে ইতিহাস তৈরি করবে কোহলি দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest