আপনি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে-বিশ্বের প্রথম নাগরিকত্ব পাওয়া রোবট সোফিয়া

হ্যালো সোফিয়া, কেমন আছ?

—ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমি ভালো আছি। আমি গর্বিত। আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়া দারুণ ব্যাপার।

এই কথোপকথন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচিত রোবট সোফিয়ার। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক মেগা ইভেন্ট ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’-এর এবারের আয়োজনের বড় আকর্ষণ এই যন্ত্রমানবী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধন করেন। বক্তৃতা পর্ব শেষে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও রোবোটিক্সের সমন্বয়ে গড়া রোবট সোফিয়ার সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে ট্যাব চেপে তিনি মেলার উদ্বোধন করেন।

পরের প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরব থেকে আসা সোফিয়ার কাছে জানতে চান, ‘তুমি আমাকে কীভাবে চিনলে?’ জবাবে বিশ্বের প্রথম নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট বলে, ‘আমি জানি, আপনি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মেয়ে। আপনি মাদার অব হিউম্যানিটি। আপনার নাতনির নামও সোফিয়া।’ প্রধানমন্ত্রী তখন উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা জানেন, জয়ের (প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং তাঁর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়) মেয়ের নাম সোফিয়া।’ হলুদ-সাদা রঙের জামদানির পোশাক পরা সোফিয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইংরেজিতে কথোপকথন চলে।

যার আদলে সোফিয়াকে বানানো হয়েছে সেই বিখ্যাত হলিউড অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নও বাংলাদেশে এসেছিলেন। ১৯৮৯ সালে ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হয়ে বাংলাদেশে এসে প্রায় এক সপ্তাহ ছিলেন।বাসসের খবরে বলা হয়েছে, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ এবং বাংলাদেশ সফটওয়্যার ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি ও বিজয় সফটওয়্যারের প্রবক্তা মোস্তাফা জব্বার। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সরকারের পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কম্পিউটার খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কয়েকটি আইটি সংগঠনের সহযোগিতায় আইসিটি বিভাগ ও বেসিস ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’-এর আয়োজন করেছে। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘রেডি ফর টুমরো’। ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেলা সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড দেখতে কোনো টিকিট লাগবে না, তবে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। মেলা প্রাঙ্গণেও নিবন্ধন করার সুযোগ থাকছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের শীতলপাটি

বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির বয়নশিল্প ইউনেস্কোর নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ২০১৭ তে (ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউমিনিটি) তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে।

আজ বুধবার ইউনেস্কোর নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণের জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় কমিটি শীতলপাটির বয়নপদ্ধতির স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছে।

সিলেটের ঐহিত্যবাহী শীতলপাটির আকার-আকৃতিতে ও নকশায় রয়েছে বৈচিত্র্য। পাখি, ফুল, লতাপাতা, জ্যামিতিক নকশা, মসজিদ, চাঁদ, তারা, পৌরাণিক কাহিনীচিত্র, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার, শাপলা, পদ্ম; কী নেই? সুযোগ আছে প্রিয়জনের নাম লেখার।

বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন শীতলপাটি। মুর্তা বা বেতগাছের বেতি থেকে বিশেষ বুননকৌশলে শিল্পরূপ ধারণ করে এই লোকশিল্পটি।

উল্লেখ্য, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটিকে ইউনেস্কোর Intergovernmental Committee for the Safeguarding of the Intangible Cultural Heritage এর ১২তম অধিবেশনে বিশ্বের নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (The Intangible Cultural Heritage of Humanity) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য প্রস্তাবনা উত্থাপন করে।

সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, বরিশাল, ঝালকাঠি, কুমিল্লা, ঢাকা, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল ও নেত্রকোনায় এই গাছ পাওয়া গেলেও এই পাটির বেশির ভাগ শিল্পীই বৃহত্তম সিলেট বিভাগের বালাগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জের। সিলেট অঞ্চলের এই পাটির শতবর্ষী ঐতিহ্য রয়েছে। এখানকার এক শ গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার এই কারুশিল্পের সঙ্গে জড়িত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাতক্ষীরা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সুজা ও ওয়ায়েশ

তোষিকে কাইফু : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আরিফুজ্জামান জনি, তোষিকে কাইফু, মাহমুদ হুসাইন পারভেজ, সাইফুল আলম গাজী ও অরূপ ব্যানার্জি স্বাক্ষরিত বিবৃতির মাধ্যমে জবি পরিসংখান বিভাগের ছাত্র তাহমিদ সুজা কে সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের ছাত্র ওয়ায়েশ মাহমুদ কে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী এক বছরের জন্য ৪১ সদস্য বিষিষ্ট কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, সভাপতি তাহমিদ সুজা, সহ-সভাপতি তপন কুমার, আকিব জাভেদ, কাজী মুজাহিদ আলম, বি.এম. আবু সাঈদ, হাসান আব্দুল কাইয়ুম, রুবিনা আক্তার রুবি, রাফিজা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়েশ মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ তাজ, শেখ সজিব আহমেদ, তরিকুল ইসলাম, সরদার দীপ্তি, রাফিউজ্জামান রাফি, তাপস রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুজ্জামান তৌহিদ, রাসেল কবির, অনুরাধা পাল, সৌরভ সরকার, ফারহানা নাজনীন দিয়া, সৈয়দ রিফাত, দপ্তর সম্পাদক নিরব রহমান, প্রচার সম্পাদক তামিমা নাসরিন মিমি, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাক ফারজানা সুলতানা জুই, আপ্যায়ন সম্পাদক আশরাফুজ্জামান নাদিম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক মো: শিমুল হোসেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া তুলি, শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক তাজমিন আশামনি, সদস্য শুভাশিষ মন্ডল, আরিফ হোসেন, রিয়াজুল আহসান, হুয়ায়ন কবির। নবগঠিত কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীদের ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ রাখতে এবং তাদের সহযোগিতা করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিকামী বাঙালিরা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছিলেন- কলারোয়া মুক্তদিবসে মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া ও তালা) আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন- ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন আর ধারণ করে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা সবার চলার পথের পাথেয়।’
বুধবার দুপুরে ৬ডিসেম্বর কলারোয়া পাক হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের স্মৃতিচারণ করে মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি বলেন- ‘তখন ফাইভে পড়ার সময় যখন স্কুলের পাশ দিয়ে মুক্তিকামী যোদ্ধারা স্লোগান দিয়ে যেতো তখন আমরা উন্মুখ হয়ে থাকতাম স্কুলের ঘন্টা পড়লেই দৌড়ে তাদের সাথে যাবো।’
তিনি বলেন- ‘স্বশস্ত্র পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র সাধারণ মুক্তিকামী বাঙালিরা কোন বেতন-ভাতা, লুঙ্গি-গামছার আশা না করে শুধুমাত্র দেশ স্বাধীনের প্রত্যাশায় জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। তাদের প্রতি আমাদের বিন¤্র শ্রদ্ধা চিরকাল।’
কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড। আলোচনা সভার আগে মুক্তিযোদ্ধা-জনতার এক বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালী কলারোয়ার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে স্মৃতিচারণ করেন যুদ্ধকালীন সময়ে এ অঞ্চলের মুজিব বাহিনীর প্রধান এবং তালা-কলারোয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান।
বিশেষ বক্তা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক সাংসদ ও সাবেক কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বিএম নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীন ও আব্দুল গফফার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন ও সেলিনা আনোয়ার ময়না, জেলা পরিষদের সদস্য রোকেয়া মোসলেম ও আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ এবং   দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ ।
কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কলারোয়া পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

কেএম রেজাউল করিম/আরাফাত হোসেন লিটন: দেবহাটায় ৬ই ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে সম্পূর্ণ রুপে পাক হানাদার মুক্ত হয় গোটা দেবহাটা। এ উপলক্ষে বুধবার বিকাল ৪টায় পারুলিয়া শহিদ আবু রায়হান চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মুনসুর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা যুদ্ধহত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভাপতি আব্দুল মাহমুদ গাজী, দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার ইয়সিন আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আবু রায়হান তিতু।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামসেদ আলী, দপ্তর কমান্ডার আব্দুর রউফ, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন কমান্ডার ইদ্রিস আলী, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন কমান্ডার আব্দুর রশিদ, সখিপুর ইউনিয়ন কমান্ডার আবুল কাসেম, মুক্তিযোদ্ধা সাবুর আলী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব, দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রনি, সাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান প্রিন্স, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবু, সখিপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি হারুন অর রশিদ প্রমূখ।

এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ দিনের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে অবশেষে এই দিনেই দেবহাটা ছেড়ে পিছু হটে যায় পাক সেনারা। স্বাধীনতা সংগ্রামের তৎকালীন ৯নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার প্রয়াত ক্যাপ্টেন শাহাজান মাস্টারের নেতৃত্বে সম্মুখ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো দেবহাটার মুক্তিকামী মানুষ। একের পর এক যুদ্ধে পরাস্থ হয়ে সেদিন দেবহাটা ছাড়তে বাধ্য হয় পাক বাহিনী ও তাদের দোষররা। একাত্তরের নভেম্বর মাসের শেষ ও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের প্রতিটি দিন অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে ক্রমেই পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোষররা পিছু হটতে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যমুনা ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় যমুনা ব্যাংকের ১১৫তম শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে শহরের আবুল কাশেম সড়কের খানপ্লাজায় উক্ত শাখাটির উদ্বোধন করা হয়। যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইসমাইল হোসেন সিরাজী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, যমুনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা চেম্বার অব-কমার্সের সভাপতি নাসিম ফারুক খান মিঠু, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও জেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সম্পদের মান সংরক্ষণ, মূলধন পর্যাপ্ততা, সম্পদের গুণগত মান, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, সন্তোষজনক উপার্জনসহ প্রধান প্রধান লক্ষ্যকে সামনে রেখে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গ্রাহক সেবা আরও দ্রুত ও স্বল্প সময়ে মানুষের দোর গোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষে সাতক্ষীরায় যমুনা ব্যাংকের ১১৫ তম শাখার উদ্বোধনের মধ্য দিযে এ জেলায় ব্যাংকিং সেবা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যমুনা ব্যাংক আমদানি ও রপ্তানি অর্থায়নসহ ব্যাবসা-বাণিজ্য, মাঝারি ও বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানে মেয়াদি ঋণ ও চলতি মূলধন খাতে অধিকাংশ ঋণ বিতরণ করে থাকে। তবে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পেও ব্যাংকটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বিতরণ করে থাকে।
বক্তারা আরো বলেন, যমুনা ব্যাংক মানব কল্যাণ ও সামাজিক দায়ীত্ব পালনের অংশ হিসেবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পুরস্কৃত এবং তাদের লেখাপড়ার দায়-দায়িত্ব নিয়ে থাকে। বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন এবং গরিব-দুঃস্থদের নিয়মিত আর্থিক সাহায্য প্রদানে ব্যাংকটির সামাজিক দায়িত্ব পালনের অপর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
বক্তব্য শেষে প্রধান অতিথি ইসমাইল হোসেন সিরাজী ফিতা কেটে এ শাখাটির আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেতন ১০ হাজার বাড়ি কিনেছেন আড়াই কোটির, তদন্তে দুদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী তিনি। মাসিক মূল বেতন মাত্র ১০ হাজার টাকা। অথচ টাঙ্গাইলে ৫ কাঠা জমিতে তার আছে অত্যাধুনিক পাঁচ তলা বাড়ি। রাজধানীর খিলক্ষেতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন দোতলা বাড়ি। এ ছাড়া নামে-বেনামে তার আরও কয়েক কোটি টাকার সম্পদ আছে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে। টাকার কুমির এই লেজারকিপারের নাম আবদুর রশিদ। ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুদক। এর আগে ১৯ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা হয় দুদকে। শুধু তাই নয়, সিটি করপোরেশনে চাকরি নেওয়ার পর বর্তমান সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নাম ভাঙিয়ে লেজারকিপার থেকে রাজস্ব বিভাগে লাইসেন্স সুপারভাইজার পদে কারওয়ান বাজারস্থ ডিএনসিসির আঞ্চলিক অফিসে পোস্টিং বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি। অদৃশ্য এক ক্ষমতায় একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন চার-পাঁচটি ওয়ার্ড। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অবৈধভাবে ঘুষ ও দুর্নীতির টাকায় ইতিমধ্যে টাঙ্গাইলের দিঘলিয়া এলাকার থানাপাড়া রোডের পানির ট্যাংকির সঙ্গে ৫ কাঠা জমিতে ‘মণ্ডলবাড়ী’ নামে অত্যাধুনিক পাঁচ তলা একটি বাড়ি তৈরি করেছেন রশিদ।

এমন আধুনিক নকশা আর নান্দনিক বাড়ি ওই এলাকায় আর একটিও নেই। রাজধানীর খিলক্ষেতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন আরও একটি দোতলা বাড়ি (ক/এ-৩/ডি খিলক্ষেত মধ্যপাড়া, পোস্ট অফিস রোড, ঢাকা)। এ ছাড়া রশিদের নামে-বেনামে আরও কয়েক কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে বলে তথ্য পেয়েছে দুদক।
দুদক জানায়, তিনি জাল সনদ, নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ ছাড়া তদবির ও জালিয়াতির মাধ্যমে লেজারকিপার পদে চাকরি পাওয়া রশিদ এখন ডিএনসিসিতে শ্রমিক লীগের প্রভাবশালী নেতা। শ্রমিক লীগ সভাপতি পরিচয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদে কর্মচারী নিয়োগ, পোস্টিং, পদোন্নতি দেওয়ার নামে অবৈধভাবে লোকজনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়েছেন রশিদ। ডিএনসিসিতে চাকরি দেওয়া ও প্রমোশন করে দেওয়ার কথা বলে ২০ জন কর্মচারীর কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা অগ্রিম ঘুষ নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিনবার গর্ভপাত করাতে হয়েছে অপুকে!

নয় বছরের দাম্পত্য জীবনে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়। এ বছর তার প্রথম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। এ বছরই স্ত্রী অপুকে ডিভোর্সের নোটিশ পাঠান শাকিব। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, জয়ের জন্মের আগে শাকিবের আপত্তির মুখে তিনবার অ্যাবরশন (গর্ভপাত) করাতে হয়েছে তাকে।

অপু জানান, জয়ের জন্ম নিয়েই শাকিবের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সন্তানের জন্ম হোক এটি শাকিব চায়নি। অপু বলেন, জয় যখন গর্ভে আসে তখন অ্যাবরশন করানোর জন্য আমাকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে পাঠায় শাকিব। সেখানকার চিকিৎসক জানান, যেহেতু আগে তিনবার অ্যাবরশন হয়েছে আর নতুন করে কনসেপ্টের সময় ৪ মাস হয়েছে, সেহেতু অ্যাবরশন করানো ঝুঁকিপূর্ণ।

ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও অপুকে ফের অ্যাবরশন করতে বলেন তার স্বামী শাকিব। অপু বলেন, ব্যাংককের পর শাকিব আমাকে কলকাতা পাঠায় অ্যাবরশন করানোর জন্য। সেখানে শাকিব তখন ‘শিকারি’ ছবির শুটিং করছিল।
শাকিব তার চাচাতো ভাই মুনিরকে দিয়ে আমাকে কলকাতার একটি হাসপাতালে পাঠায়। সেখানকার চিকিৎসকরাও অ্যাবরশন ওই সময় ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে তা করতে অস্বীকার করেন। তখন আমি সন্তান জন্মদানের সিদ্ধান্ত নেই। আর এতেই শাকিব আমার ওপর খেপে যায়। তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সে আমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয় এমন কি আমার মোবাইল নাম্বারও ব্লক করে দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest