সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশুনির্বাচনীয় জনসভায় বক্তব্য চলাকালিন সময় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি প্রকল্প পরিদর্শণে জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বাস শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারে নগদ অর্থ সহায়তাসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য সুনীল ব্যানার্জীর স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় চার ইয়াবা পাচারকারী গ্রেফতারকালিগঞ্জে গোয়াল ঘেসিয়া নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় আসছেন জামায়াতের আমীরHogyan kezdhetsz el játszani a betmatch kaszinó platformján még maসেতু-রাস্তাঘাট-শিক্ষা উন্নয়নের ঘোষণা ধানের শীষে ভোট চাইলেন – হাবিবুল ইসলাম

ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, রোশানলে ডিবি

সাদা পোশাকে ডিবি পরিচয় দিয়ে রাজধানীর মৌচাকে ফরচুন মার্কেটের এক ব্যবসায়ীকে ধরে নেয়ার সময় সাধারণ মানুষ ঘেরাও করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। ওই ব্যবসায়ীর নাম মাজহারুল ইসলাম ইরান। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করেছে।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার।

তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আসামী ধরার জন্য এসেছিলো। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের ভুয়া পুলিশ মনে অরে আটকিয়ে রাখেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ ব্যবসায়ীদের ফোন পেয়ে এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে করেছে বলে জানা যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলে জানা যায়।

ফরচুন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া জানান, রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ৫/৬ জন লোক মার্কেটে প্রবেশ করে ব্যবসায়ীর নাম মাজহারুল ইসলাম ইরানকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় ব্যবসায়ী ইরানকে মারতে মারতে নিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত লোকজন ও অন্য ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এলে তারা নিজেদের ডিবির লোক বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু এসময় তাদের গায়ে পুলিশের বা ডিবির পোশাক না থাকায় ব্যবসায়ী ও উপস্থিত লোক জনের ভুয়া ডিবি বলে সন্দেহ হয়।

ফলে তাদের মাইক্রোবাসসহ ঘিরে ফেলে। ভুয়া ডিবি বলে স্লোগান দেয় জনতা। ঘটনাটি আমরা স্থানীয় পুলিশকে জানাই। পরে তারা এসে জনগণকে ছত্রভঙ্গ করে তাদের উদ্ধার করেন বলে জানা যায়। বর্তমানে আসল ডিবি পুলিশের ব্যবসায়ী ইরান জিম্মায় আছেন।

ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ উদ্দিন দুলাল জানান, এখন বিভিন্ন স্থানে ভুয়া ডিবির লোকজন ব্যবসায়ীদের তুলে নেয়ার ঘটনা ঘটছে। জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও আছে। তাই ব্যবসায়ীরা সন্দেহ করে। এভাবে পোশাক ছাড়া আসায় এ ভুলবুঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সব সময় আমাদের সহযোগীতা করেন। আমরাও পুলিশকে সহযোগীতা করতে প্রস্তুত। কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা থাকলে, ওয়ারেন্ট থাকলে আমাদের জানালেও আমাদের অবগত করলে আমরা গ্রেফতারে সহযোগীতা করব।

আরেক ব্যবসায়ী জানান, শাড়ি ব্যবসায়ী ইরান ফরচুন মার্কেটের বড় ব্যবসায়ীদের অন্যতম।

একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফরচুন মার্কেটসহ আশপাশের মার্কেটে ডিবির পরিচয়ে প্রায় ব্যবসায়ীদের ধরে নিয়ে যায়। পরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের ছাড়িয়ে আনতে হয়। নয়তো নানা রকম নির্যাতন করা হয়।

এজন্য এখন ব্যবসায়ীরা ডিবির নামে কোনো অভিযান চালালে তাদের প্রতিরোধ করতে জোট বদ্ধ হচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্দান্ত রোনালদোয় অবিশ্বাস্য রিয়াল

পরের মিনিট পনেরো দুই দলই একটু সাবধানী ভঙ্গিতে এগোল। তখনো ঝড়ের ইঙ্গিত মেলেনি। ২৩ মিনিটে এসেনসিওর এক পাসেই শুরু হলো সেভিয়ার দুর্ভাগ্য। আপাত নিরীহ এক আক্রমণ থেকেই অসাধারণ এক থ্রু পাস এসেনসিওর। হঠাৎ করেই নিজেকে ফাঁকায় আবিষ্কার করা রোনালদো সেখান থেকে গোল বের করে নিতে ভুল করেননি। দুই গোলে এগিয়ে থাকলেই এ মৌসুমে রিয়ালকে সন্তুষ্ট মনে হচ্ছিল, কিন্তু আজ সেটা হয়নি।

একের পর এক আক্রমণ, আর তারই ফল ৩১ মিনিটে মার্সেলোকে আটকাতে গিয়ে জেসুস নাভাসের বলে হাত লাগিয়ে ফেলা। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান (৩-০) বাড়ালেন রোনালদো। এ গোলেই টানা সাত বছরে এক পঞ্জিকাবর্ষে কমপক্ষে ৫০ গোলের রেকর্ড গড়লেন রোনালদো। পরের চার মিনিটেই আরও দুবার এগিয়ে যেতে পারত রিয়াল। গোলের ক্ষুধা নিয়ে নামা অতৃপ্ত রিয়াল একের পর এক আক্রমণ করেই যাচ্ছিল আর সেভিয়াকে বারবার বাঁচিয়ে দিচ্ছিলেন রিকো।

৩৮ মিনিটে রিকোও পারলেন না দলকে বাঁচাতে। মাঝমাঠে বল কেড়ে নিলেন রোনালদো। সে বল ক্রুসকে দিতেই, মাঝমাঠ থেকে ডি-বক্স পর্যন্ত একাই দৌড়ে এলেন ক্রুস। বক্সের কাছে এসে বল দিলেন ভাসকেজকে। ফিরতি বলে বাঁ পায়ের এক টোকা ক্রুসের। ৪-০ গোলে এগিয়ে গেল রিয়াল।

তাতেও তৃপ্ত হয়নি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। চার মিনিট পরেই আবারও রিয়ালের গোল। এবারও তাতে অবদান রইল রোনালদোর। বেনজেমার সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে বক্সের সামনে বেনজেমাকে বল ফিরিয়ে দিলেন রোনালদো। সে বল থেকে নিজে শট না নিয়ে আগুয়ান আশরাফ হাকিমিকে বল দিলেন বেনজেমা। চমৎকার এক শটে রিয়ালের পক্ষে নিজের প্রথম গোলটা করে নিলেন এই রাইটব্যাক (৫-০)। ৪৪ মিনিটে ভাসকেজ একটু আগে সিদ্ধান্ত নিতে পারলে অর্ধ ডজন গোল হয়ে যেত রিয়ালের।

এমন দাপুটে প্রথমার্ধের পর আয়েশি ভঙ্গিতে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে রিয়াল। যে কয়েকবারই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সেটাও কাজে আসেনি। রোনালদো নিজেও গোল না করে বেনজেমাকে গোল করাতে মন দিলেন। ৬৬ মিনিটেই সেটা হতে পারত। কিন্তু মার্সেলোর ক্রসে দারুণ এক হেড করলেও ক্রসবার বাধা হয়ে দাঁড়াল বেনজেমার সামনে।

এমন অনায়াস জয় বলেই কিনা ৭৫ মিনিটে প্রায় অভাবনীয় একটি বিষয়ও দেখা গেল। অনেক দিন পর মাঠ থেকে তুলে আনা হলো রোনালদোকে। পাঁচজন মিডফিল্ডার নিয়ে বল দখলে মন দিল রিয়াল। তবু একটু পরপরই সেভিয়া গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিয়েছে তারা। শেষ দশ মিনিটের প্রায় পুরোটা সময় সেভিয়ার অর্ধেই কাটিয়েছেন রিয়ালের ৯ জন খেলোয়াড়। রিকো বাধা না হলে রিয়ালের জয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে আর্ন্তজাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভায় হয়। দুনীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অবঃ অধ্যক্ষ চিত্ত রঞ্জন ঘোষের সভাপতিত্বে ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজ সেবা কর্মকর্তা ইমদাদুল হক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজিজুল হক, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, আশাশুনি প্রেস ক্লাব সভাপতি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ- সভাপতি জি এম মুজিবুর হমান, প্রেসক্লাব উপদেষ্টা সুবোধ চক্রবর্তী। এসময় আশাশুনি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষিকা আশরাফুন নাহার নার্গিস, এস আই দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষিকা আরিফা খাতুন। অনুষ্ঠানে দুর্নীতি বিরোধী, বাল্য বিবাহ, নারী ও শিশু নিয়র্যাতনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত

কালিগঞ্জ ব্যুরো : “সবাই মিলে গড়ব দেশ, দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালন উপলক্ষে মানববন্ধন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে শনিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে ব্যানার, ফেষ্টুন ও প্লাকার্ড সম্বলিত একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে একই স্থানে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মোস্তাফা আক্তারুজ্জামান পল্ট’ুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ঠ সাহিত্যিক, গবেষক, প্রবান্ধিক ও সমাজসেবক অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমান। উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চ’ুর সঞ্চালনায় সভায় অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি এ্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহীম, সদস্য সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মাহমুদুর রহমান, শেখ আনোয়ার হোসেন, ইলাদেবী মল্লিক, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, বিশিষ্ঠ আইজীবি এ্যাডঃ মোজাহার হোসেন কান্টু, তারালী ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শ্যামাপদ দাশ, সাধারণ সম্পাদক (প্রধান শিক্ষক) মোসলেম আলী, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও শিক্ষক আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবুল হোসেন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মঞ্জুর লুতফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, কুশলিয়া ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শাহারিয়ার খান রিপন, ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এসএম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, রতনপুর ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিএম গোলাম রব্বানি, মথুরেশপুর ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি আবু তাহের সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর আলম, নলতা ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ পাড় প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দুর্নীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় দুর্নীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে আর্ন্তজাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মুখে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে এক মানববন্ধন কর্মসূচি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালিত হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক চন্দ্রকান্ত মল্লিকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা কলেজের অধ্যক্ষ আনিসুজ্জামান কালাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার দাশ প্রমুখ। সভায় বক্তারা দেশ থেকে সকর প্রকারের দুর্নীতি প্রতিরোধ করে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত

তালা প্রতিনিধি : “আসুন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই” এই স্লোগান সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে গতকাল ৯ ডিসেম্বর (শনিবার) সকালে তালা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে উপ-শহরে র‌্যালী, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অচিন্ত্য সাহার পরিচালনায় তালা ডাকবাংলোর সামনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খানম, তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাসান হাফিজুর রহমান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোঃ মফিজ উদ্দীন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ অহিদুল ইসলাম, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রহমান, শহীদ মক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

শ্যামনগর ডেস্ক : ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবস। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩২ সালের একই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন। সে হিসেবে বেগম রোকেয়ার ১৩৭তম জন্মদিন ও ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ৯ ডিসেম্বর।
নারীমুক্তি আন্দোলন ও নারী জাগরণ বেগবান করার দৃপ্ত শপথে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে শনিবার সকাল ১১ টায় বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন ও জয়িতাদের সম্মামনা প্রদান ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার।এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুজন সরকার, শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মান্নান আলী, অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলন, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান শাহানা হামিদ সহ প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থায় নারীর সমান অধিকারের জন্য বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন আমৃত্যু লড়াই করেছেন। মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী ইত্যাদি কালজয়ী গ্রন্থে ক্ষুরধার লেখনির মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার ও নারীর বন্দিদশার স্বরূপ উন্মোচন করেছেন। এ ছাড়াও বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও পণপ্রথাসহ নারীর প্রতি অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সচেষ্ট। আলোচনা সভা শেষে সমাজ সেবা সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জয়িতা প্রাপ্তদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

 

 

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে লাইব্রেরিয়ানের সার্টিফিকেট কিনতে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা!

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনিতে লাইব্রেরিয়ান সার্টিফিকেট বিক্রি হলো ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকায়। জাল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বড়দল ইউনিয়নের বড়দল গ্রামের মোঃ ঈমান আলী গাজীর পুত্র মোঃ আজগর আলীর নিকট হতে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে এ টাকা। আজগর আলী জানান, সে বর্তমানে বড়দল মোটর সাইকেল গ্যারেজে মোবাইলে ফ্লাক্সি লোডের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। বড়দল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমীরন কান্তি বৌদ্ধ প্রায়ই তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতো। সেই থেকে তার সাথে শিক্ষক সমীরনের পরিচয় হয়। হঠাৎ সমীরন তাকে (আজগর) বলে আমাদের স্কুলে লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগ হচ্ছে তুমি চাইলে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারো। প্রতি উত্তরে সে বলে আমার তো লাইব্রেরিয়ানের সার্টিফিকেট নাই। সমীরন তখন বলে তুমি নিরাকার সারের সাথে কথা বলো উনি হয়তো তোমার জন্য সার্টিফিকেট ম্যানেজ করে দিতে পারে। শুনেছি উনার স্ত্রীর জন্য কিভাবে সার্টিপিকেট সংগ্রহ করে দিয়েছে এবং সেই সার্টিফিকেটের মাধ্যমে সে চাকরিও করছে। এরপর তার পরিচয় হয় ইউনিয়নের নড়েরাবাদ গ্রামের পরেশ মন্ডরের পুত্র শ্রীউলা মাধ্যিমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিরাকার মন্ডলের সাথে। ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট দিতে রাজিও হয়ে যান তিনি। কিন্তু নিরাকারের তাকে বলে বিষয়টি কাহকে বলা যাবে না এমনকি টাকা লেনদেন হবে অন্য কারো মাধ্যমে। আজগর তখন টাকা লেনদেনের জন্য সমীরনকে বেচে নেয়। এবং বিভিন্ন সময়ে ক্যাশ এবং বিকাশের মাধ্যমে নিরাকারকে সার্টিফিকেটের বাবদ মোট ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা দেয়। জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরী না হওয়ার পর থেকে সমীরন সারের মাধ্যমে নিরাকার সারের কাছে টাকা ফেরৎ চইলে আমার সাথে এক বছর ধরে বিভিন্ন তালবাহানা করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার বসাবসিও হয়েছে। আজগর আরও জানায়, বসাবসিতে জানা যায়, তার নিকট হতে যতটাকা সমীরন নিয়েছে সব টাকা সে নিরাকাকে দিয়েছে। সর্বশেষ সম্প্রতি সমীরন তাকে বিষয়টি নিয়ে আর নাড়াচাড়া না করার অনুরোধে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে মিমাংশা করে। আমিও তাদের সাথে বিষয়টি মীমাংসা করে নেই। পরে জানতে পারি এ ৬০ হাজার টাকা সমীরন সার নিজের পকেট থেকে দিয়েছে। নিরাকার সার সমীরন সারকে কোন টাকা দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে খাজরা ইউনিয়নের গজুয়া গ্রামের তারাপদ কান্তি বৌদ্ধের পুত্র বড়দল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমীরন কান্তি বৌদ্ধের সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, নিরাকার টাকা লেনদেনের ব্যাপারে আজরকে বিশ্বাস করতে পারছিল না বিধায় আমাকে মাধ্যম করে নেয়। আর এই টাকা লেনদেনের মাধ্যম হয়েই তাকে ৬০ হাজার টাকা গুনগারি দিতে হল। আমার হাত দিয়ে আজগর যত টাকা দিয়েছে আমি সে টাকা নিরাকারকে দিয়ে দিয়েছি। এখন নিরাকার বলছে তাকে মোট ৫৭ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তদন্ত করলে নিরাকারের হাত দিয়ে এরকম জাল সার্টিফিকেট আরও হয়েছে কিনা সেটা জানা যাবে। নিরাকার মন্ডল আমাকে বলে তার স্ত্রীর সার্টিফিকেটও ঠিক এভাবে করা হয়েছে। নিরাকার তাকে আরও বলে এ সার্টিফিকেটে তার স্ত্রী গোয়ালডাংগা ফকিরবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লাইব্রেরীয়ান পদে বহাল তবিয়তে চাকরি করে আসছে, বেতনও পাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বড়দল ইউনিয়নের নড়েরাবাদ গ্রামের পরেশ মন্ডরের পুত্র শ্রীউলা মাধ্যিমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিরাকার মন্ডলের সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আজগর লাইব্রেরীয়ান সার্টিফিকেট বানানোর জন্য সমীরন সারের মাধ্যমে আমাকে ৫৭ হাজার টাকা দেয়। চুক্তি ছিল ৬০ হাজার, ৩ হাজার টাকা কম দিয়েছে। কথামত আমি তাকে ঢাকা দারুল ইহসান ইনভার্সিটির লাইব্রেরিয়ানের সার্টিফিকেট এনে দিয়েছি। সার্টিফিকেট নিতে আমাকে তো সেখানে টাকা দিতে হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest