লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে ক্ষোভ ঝাড়লেন শরিকেরা

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে খোদ ক্ষমতাসীন দল ও শরিকদের মধ্যেই আলোচনা সমালোচনা হয়েছে। সোমবার ১৪ দলের বৈঠকে জোটের শরিক বেশ কয়েকজন নেতা এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। কেউ কেউ ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে চাল, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন তরকারির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত নেতারা বলেন, কোন কিছুর দাম কমছে না। এতে সরকারের দুর্নাম হচ্ছে। খুব দ্রুত এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ছাড়াও বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করা হয়। আগামী জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে ১৪ দলের মুখপাত্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ (একাংশ) সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের দুর্নীতির বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সূত্র জানায়, আলোচনার এক পর্যায়ে সাবেক শিল্পমন্ত্রী, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও সভার সভাপতি দিলীপ বড়ুয়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চাল, পেঁয়াজ, তেল, কাঁচা মরিচ ও তরকারিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষের দাম বেড়ে গেছে, অনেক মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরেও চলে গেছে। এসব জিনিসপত্রের দাম দ্রুত কমাতে না পারলে সরকারের বদনাম হবে।

এ বিষয়ে দিলীপ বড়ুয়া বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে অতিদ্রুত জিনিসপত্রের দাম কমানোর বিষয়ে বলা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে ১৪ দলের পক্ষ থেকে সরকারকে কোন লিখিত প্রস্তাব দেয়া বা সুপারিশ করা হবে কিনা এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পত্র পত্রিকায় নিউজ হলে সরকার জেনে যাবে। সূত্র জানায়, জাতীয় পার্টি (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম বৈঠকে বলেন, জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এখনই নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির লাগাম টেনে ধরা দরকার, না হলে আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে।

সূত্র আরও জানায়, জাসদ (একাংশ) নেতা শরীফ নুরুল আম্বিয়া, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের নেতা অসিত বরণ রায়সহ আরও কয়েকজন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য রাখেন। বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমসহ উপস্থিত আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারা বাম নেতাদের আলোচনা শুনেছেন। তারা বলেছেন, বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জানানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোহলি-আনুশকার বিয়ের ভিডিও

গুঞ্জনটা বেশ আগে থেকেই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষে কোহলির ছুটি চাওয়ার পরই পালে হাওয়া লাগে। ওই সময় কোহলি-আনুশকার কেউই বিয়ের কথা স্বীকার করেননি। তবে বিয়েটা হয়ে যেতেই আর লুকোচুরি নয়। সুখবরটা মিয়া-বিবি একসঙ্গেই জানিয়েছেন। নিজ নিজ টুইটার একাউন্টে একই ধরণের পোস্ট করেছেন বিরাট-আনুশকা।

একটি ছবি পোস্ট করে টুইটে লেখেন, ‘আজ আমরা একে অপরকে সারাজীবনের জন্য ভালোবাসার বন্ধনে বেঁধে রাখার প্রতিজ্ঞা করেছি। এই খবরটা আপনাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পেরে আমরা সত্যিই সৌভাগ্যবান। এই সুন্দর দিনটাকে আরও বিশেষ করে তুলবে আমাদের ভক্ত পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা। আমাদের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী হবার জন্য ধন্যবাদ।’

উল্লেখ্য, ২৯ বছর বয়সী কোহলি ও আনুশকা দুজনই ২০১৩ সাল থেকে প্রেম করছেন। শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে দুজনের পরিচয়। এর মধ্যে দুজনের একবার ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল। তবে দুজনের জুটি যে স্বর্গ থেকে রচিত। অভিনন্দন মিস্টার অ্যান্ড মিসেস কোহলি!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনিয়ম ঠেকাতে উদ্যোগ; অনুমতি ছাড়া পুলিশের অভিযান নয়

পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল গত ১৮ এপ্রিল গভীর রাতে রাজধানীর কাফরুলের ‘নিউ ওয়েভ’ ক্লাবে গিয়ে লোকজনের মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা নিয়ে নেয়। পরে চারজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় মিলিটারি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ডিবির ১১ সদস্যের ওই দলটি।
এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তদন্তে বেরিয়ে আসে, ডিবির ওই দলটি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই অভিযানে গিয়েছিল।

এ ছাড়া গত ১৯ নভেম্বর ডিবির আরেকটি দল মোহাম্মদপুরে বিল্লাল নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করে ২০ লাখ টাকা আদায় করে। পরে ওই ব্যবসায়ী অভিযোগ করলে তদন্তে দেখা গেছে, এই দলটিও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই অভিযানের নামে ওই ব্যবসায়ীকে আটক করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

কেবল এ দুটি ঘটনা নয়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেই পুলিশের অসাধু সদস্যরা ‘উপরি কামানোর’ হাতিয়ার হিসেবে অনুমতি ছাড়াই এমন অভিযান চালাচ্ছেন। রাতেই চালানো হয় এ ধরনের অভিযান।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই পুলিশ এসব অভিযান চালায়। টাকা না পেলে মিথ্যা মামলা দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করা হয়।

অনুমতি ছাড়া পুলিশের অভিযান বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সব রেঞ্জ, সব মহানগর পুলিশ ও ৬৪ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে যে কোনো সদস্য কর্তৃপক্ষ বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের অভিযানে গেলে তাত্ক্ষণিক বরখাস্ত করা হবে।
সেই সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাঁদের বিরুদ্ধে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এই বার্তা অসাধু সদস্যদের নিয়ন্ত্রণহীন হওয়ার চিত্রই তুলে ধরে। তবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘নিয়মের মধ্যে থেকেই পুলিশ যেকোনো অভিযান চালায়। কাউকে হয়রানি করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে দুয়েকটি ঘটনা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে তা সঠিক। তবে আমরা এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছি। ’ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পুলিশের কোনো সদস্য অভিযানে গেলে তাত্ক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, কাফরুলের ঘটনায় ডিএমপি গোয়েন্দা শাখার সহকারী কমিশনার (পূর্ব বিভাগ) রুহুল আমিনসহ ১১ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশি তদন্তে পাওয়া গেছে, এর আগেও তাঁরা এ রকম একাধিক অভিযান চালিয়েছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন। কাফরুলের ঘটনায় তাঁরা ১৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

পুলিশের এ ধরনের অন্যায় অভিযানের তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, গত ৭ এপ্রিল চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশের উত্তরা পূর্ব থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেন গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা।

এ ছাড়া গত বছরের ১৮ নভেম্বর রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেল মোড়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবল। কিন্তু ওই কনস্টেবল জামিন নিয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর পুলিশ হেফাজত থেকে রুবেল নামের আসামিকে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগ ওঠে বাড্ডা থানার এসআই ইমরান উল হাসান ও এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। তাঁরা মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়ে আসামিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার তথ্য-প্রমাণ মিললেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ ছাড়া গত ৬ ফেব্রুয়ারি কল্যাণপুর পোড়া বস্তিতে নিরীহ রিকশাচালক সাজু মিয়াকে গুলি করে আহত করে পুলিশ। এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি মিরপুরে পুলিশের সামনেই এক সোর্স চায়ের দোকানি বাবুলকে পুড়িয়ে হত্যা করে। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা আগুন নেভানোরও চেষ্টা করেননি।

সর্বশেষ চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগে বাড্ডা থানার ওসিসহ আটজনের বিরুদ্ধে গত ৩ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করেছেন নূরুন নাহার নাছিমা নামের এক নারী।

ঊর্ধ্বতন দুই পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কয়েক মাস ধরে গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ অনুমতি ছাড়াই অভিযানে যাচ্ছে। তবে সবাই এ কাজ করছে না। কিছু দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্য এসব অপকর্ম করছেন। বিশেষ করে ডিবি পুলিশের কিছু সদস্য অর্থের জন্য নিরীহ লোকজনকে আটক করেন। দেনদরবার করে টাকা পেলেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আর না পেলে তাদের পুরনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কিছুদিন আগে মগবাজারে অনুমতি ছাড়াই ডিবির একটি দল অটোরিকশা ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনকে আটক করে টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে অভিযোগ আসার পর ডিবির পরিদর্শক বাহাউদ্দিন ফারুকী, উপপরিদর্শক পলাশ কুমার নাথ ও কনস্টেবল সাইফুল কবিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতনদের অনুমতি ছাড়া কেউ অভিযানে যেতে পারে না। দুয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। সে ব্যাপারে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি। ’

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পুলিশের কোনো সদস্যই কোনো ধরনের অভিযান চালাতে পারে না। কাফরুলের ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পুলিশ কমিশনার স্যারের কাছে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ’

পুলিশ সদর দপ্তরের পাঠানো বার্তার ব্যাপারে দপ্তরের ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেন, বার্তাটি এসপিরা প্রতিটি থানার ওসিদের কাছে পাঠাবেন। ওসিরা থানার প্রতিটি সদস্যের কর্মকাণ্ড মনিটর করবেন। আবার ওসিদের কর্মকাণ্ড মনিটর করবেন এসপিরা। আর এসপিদের কর্মকাণ্ড মনিটর করবেন ডিআইজি।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে তা সত্য। প্রতিটি অভিযানই তদন্ত করা হয়। বিশেষ করে অর্থ লেনদেনের কোনো বিষয় নিয়ে অভিযোগ উঠলে কঠোরভাবে তদন্ত করা হয়। ’

বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে এক লাখ ৬০ হাজার সদস্য রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোহলি-আনুশকার বিয়ে দেখুন ছবিতে

ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং বলিউড সুপারস্টার আনুশকা শর্মার শুভ পরিণয় অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের বিয়ের কয়েকটি ছবি পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো।

ছবি- আনুশকা শর্মার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে সংগৃহীত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় অসময়ের বৃষ্টিতে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন জেলার ইট ভাটাগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক : সম্প্রতি নিম্ন চাপের ফলে সৃষ্ট বৃষ্টিপাতে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে জেলার অধিকাংশ ইট ভাটা মালিকেরা। অসময়ে বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে জেলা শতাধিক ইটভাটার পাড়ান। নষ্ট হয়েছে লক্ষ-লক্ষ প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট। মাথায় হাত উঠেছে ইটভাটা মালিকদের। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন জেলার ইটভাটা মালিকরা।
সাতক্ষীরা জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম জানান, অসময়ে বৃষ্টির কারণে জেলা ইটভাটা গুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে লক্ষ-লক্ষ প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট নষ্ট হয়েছে। স্বরণকালের ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ইটভাটা মালিকেরা।
অনেক ভাটা মালিকেরা ব্যাংক থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছেন ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য। কিন্তু বছরের শুরুতেই এ বড় ধরনের ধাক্কায় সর্বশান্ত হয়ে গেছেন তারা। কিভাবে ঋণ পরিশোধ করবে আর কিভাবেই বা নতুন করে ব্যবসা পরিচালনা করবেন ভাটা মালিকেরা। অনেকেই ইতিমধ্যেই দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
তিনি আরো জানান, জেলায় প্রায় এক’শ ইট ভাটার মালিকেরা এখন দিশেহারা। প্রতিটি ভাটা মালিক ব্যাবসার শুরুতেই ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। অনেক ভাটা মালিকের পক্ষে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এদিকে হটাৎ বৃষ্টিপাতের ফলে ক্ষয়ক্ষতির কারনে জেলার সরকারি-বেসরকারি উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে ইটের সংকট দেখা দিতে পারে। রাজস্ব আদায়ে ঘাটতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেক ভাটা মালিক মন্তব্য করেছেন। এ ব্যাপারে ভাটা মালিকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক বিমা কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবাগত পুলিশ সুপারকে শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নবাগত পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতি। সোমবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ পুলিশ সুপারের অফিস কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এ শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি সদর উপজেলা শাখার সভাপতি রেজাউল ইসলাম, সহ সভাপতি আব্দুর জব্বার, আব্দুল লতিফ, মিজানুর রহমান, সাধারন সম্পাদক বিএম শামছুল হক, প্রধান শিক্ষক শাহাজান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইদুজ্জামান ইদ্রিস, মনোরঞ্জন মন্ডল, ক্রীড়া সম্পাদক জাহিদ হাসান, এসএম নাজমুচ্ছায়াদাত পলাশ, নজরুল ইসলাম, আশাফুর রহমান, জহুরুল ইসলাম প্রমূখ। এসময় নবাগত পুলিশ সুপার শিক্ষকদের আদর্শ বজায় রেখে দেশ ও জাতির স্বার্থে কাজ করে যাবার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ডিজিটাল নাম্বার প্লেটের কভার লাগানোর নামে মটরযান মালিকদের হয়রানি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ডিজিটাল নাম্বার প্লেটের কভার লাগানোর নামে দালালদের খপ্পরে পরে দিশেহারা হয়ে পড়ছে মটর সাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহনের মালিকরা। যেন ডিজিটাল নাম্বার প্লেটের কভার লাগানো বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে দালাল চক্রের কাছে। তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি ও হুমকি দিয়ে জোর পূর্বক অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মটর সাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহনের মালিকরা। যদিও ডিজিটাল নাম্বার প্লেটের কভার লাগানো বাধ্যতামূলক না থাকলেও জোর পূর্বক অর্থ আদায় করছে দালাল চক্ররা।
সরজমিনে দেখা যায়, শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের ভিতরে শিল্পকলা একাডেমীর সামনে বিআর টিএ কর্তৃক ডিজিটাল নাম্বার প্লেট লাগানো হয়। পাশেই শহিদ মিনারের সামনে বসে থাকে আর একটি দল। তবে এরা বিআরটিএ’র কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নয়। এরা স্থানীয় কিছু দালাল। আর এ দালালরা চাতক পাখির মত পার্কেই বসে থাকে কখন মটর সাইকেল আসবে। আসলেই হয়রানী শুরু হয়ে যায় ওই দালাল চক্রের। তাদের কে দেখলে ও কথা শুনলে মনে হবে তারা বিআরটিএ’র কর্মকর্তা ও কর্মচারী। বিআরটিএর কর্মকর্তারা জানান, মটর সাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের ডিজিটাল নাম্বার প্লেট লাগাতে বিআরটিএ’র কোন প্রকার অর্থের প্রয়োজন হয়না বা তারা কোন প্রকার অর্থ আদায় করে না। এদিকে, নাম্বার প্লেট নেয়ার পর প্লেটে একটি টিনের কভার লাগানো হয়। আর সেই কভার লাগাতে গিয়েই মালিকদের বিভিন্ন ভাবে ভোগান্তি ও হয়রানি পোহাতে হচ্ছে শুধু মাত্র ওই দালাল চক্রদের জন্য। শ্যামনগর উপজেলার নীলডুমুর গ্রামের আব্দুস সোবহান, সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, তিনি গত কয়েকদিন পূর্বে তার মটর সাইকেলে ডিজিটাল নাম্বার প্লেট লাগাতে শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আসেন। তিনি তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে ডিজিটাল নাম্বার প্লেট সংগ্রহ করেন। এসময় যুবলীগ নেতা ও স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির ভাইপো পরিচয়দানকারী জনৈক যাদু ও জিতুর নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক এসে তার কাছে নাম্বার প্লেটের টিনের কভার লাগাতে হবে বলে ৫শ টাকা দাবী করেন। তিনি অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়া হয়। পরে আড়াই শ টাকায় তা রফাদফা হয়। আশাশুনি উপজেলার খাজরা গ্রামের মটর সাইকেল মালিক রফিকুল ইসলাম, কুদ্দুস ও আজিজ জানায়, তিনিও ডিজিটাল নাম্বার প্লেট সংগ্রহ করতে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আসেন। সেদিন খুব সকাল হওয়ায় তখনও পর্যন্ত বিআরটিএ’র কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সেখানে উপস্থিত ছিল না। কিন্তু সেখানে উপস্থিত ছিল স্থানীয় যুবলীগ ও জনপ্রতিনিধি পরিচয়দানকারী যাদু, জিতু, লিটু, সেলিমসহ কয়েকজন যুবক তাদের নিজেদেরকে বিআরটিএ’র কর্মকর্তা দাবী করেন। এসময় মটর সাইকেল চালক রফিকুল ইসলামের কাছে তার মোবাইলের ম্যাসেজ দেখতে চায়। রফিকুল ম্যাসেজ দেখাতে না পারলে অফিস খরচ বাবদ তার কাছে ৫শ টাকা দাবী করে জোর পূর্বক আদায় করে। এভাবেই স্থানীয় কিছু যুবক ডিজিটাল নাম্বার প্লেট লাগানোর নামে ও নিজেদের বিআরটিএ’র কর্মকর্তা পরিচয়ে সাধারণ মটর সাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের মালিকদের কে হয়রানি করছে। এদিকে গত ১২নভেম্বর বিআরটিএ’র খুলনা বিভাগীয় উপ পরিচালক সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক সফরে এসে সব কিছু দেখেন এবং যারা নাম্বার প্লেটের কভার লাগাচ্ছে তারা কেউ পার্ক এরিয়ায় না থাকার নির্দেশ দেন। কিন্তু সে নির্দেশও মানছে না ওই দালাল চক্রটি। তারা কারো কথায় কোন তোয়াক্কা না করেই বীরদর্পে হয়রানি করে চলেছে। ওই দালাল চক্রটির বিরুদ্ধে যদি কেউ প্রতিবাদ করতে যায়, তাহলে তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ও মারপিট করা হয় বলে ভূক্তভোগীরা জানায়। ভুক্তভোগীরা আর যাতে হয়রানি না হয় সেজন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এব্যাপারে বিআরটিএর সাতক্ষীরা সার্কেলের পরিচালক তানভীর আহমেদ চৌধুরী বলেন, দালাল চক্রের হয়রানীর ব্যাপারে আমি অভিযোগ পেয়েছি। যার ফলে আমি খুলনা বিভাগীয় ডিডিকে নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু ওই সময় কেউ কোন অভিযোগ না করে বিষয়টি এড়িয়ে গেছে। আমরা সুনির্দিষ্ট কোন দালালকে চিহ্নিত করতে পারিনি। আপনারা এগুলো পত্রিকায় প্রকাশ করেন তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব। তাছাড়া যদি বিআরটিএর কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারী ওই দালাল চক্রের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ সাতক্ষীরা আসছেন ওবায়দুল কাদের; জেলা আ ‘লীগের নেই কোন কার্যালয়

অপ্রতিম/এম বেলাল হোসাইন : আজ সাতক্ষীরায় আসছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। তার আগমনকে ঘিরে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠন সেজেছে নতুন সাজে। কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সম্পাদকের সফরকে সফল করতে সকল প্রস্তুতিও কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে গত ২৪ নভেম্বর তার সাতক্ষীরা সফরের কথা থাকলে বিশেষ কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। তবে অবশেষে আজ সাতক্ষীরায় আসাছেন তিনি।
তার সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় আ ’লীগের নেতাকর্মীরা চাইছেন, জেলার সড়ক যোগাযোগের যে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে সেদিকে যেন মন্ত্রীর সুনজর পড়ে। সরকারের সড়ক যোগোযোগ ও সেতু মন্ত্রী হিসেবে এটি তার মন্ত্রণালয়েরই বিষয়। বর্তমান সরকারের অভাবনীয় উন্নয়ন কর্মকা-কে ম্লান করে দেয়া সাতক্ষীরার বেহাল সড়কগুলোতে ইতিমধ্যেই প্রলাপ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। কিন্তু যথাযথভাবে সংস্কার করা না হলে স্বল্প সময়েই এসব রাস্তা আবারও ভগ্ন চেহারায় ফিরে যাবে বলে মনে করে সাধারণ মানুষ।
এদিকে বিগত ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ কার্যত দুটি ২টি অংশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এরপর থেকে কয়েকবার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগকে এক করার জন্য ঢাকায় ডেকে বসাবসী করলেও তেমন কোন সমাধান হয়নি। আর এ কারণে জেলা আওয়ামীলীগের কার্যক্রমে তেমন উদ্দীপনা লক্ষ্যণীয় নয়। এছাড়া জেলার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে গ্রুপিং এর প্রভা তৃণমূলেও রয়েছে। অধিকাংশ উপজেলায় দলীয় কোন্দলের কারণে দীর্ঘদিন ধরে নেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ফলে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে দলের চেয়ে বেশি ব্যক্তি বন্দনার রাজীনীতিই চলছে। এর পাশাপাশি ‘এমপি লীগ’তো আছেই। সম্প্রতি কলারোয়ায় উপজেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য মারপিটে রূপ নেয়Ñ যা সারাদেশে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করে।
উল্লেখ্য বিগত কয়েকটি সংসদ নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় সাতক্ষীরা জেলা ৪টি সংসদীয় আসনে সম্মিলিতভাবে আওয়ামীলীগই সবচেয়ে বেশি সমর্থকের দল। কিন্তু প্রায় সকল আসনেই দলীয় কোন্দল থাকায় নির্বাচনে এক পক্ষ নমিনেশন না পেলে অপর পক্ষের প্রকাশ্য বিরোধিতা করে যার ফলে দলীয় প্রার্থীর ভোটের বাক্সে দলের সকল ভোট পড়ে না। আর এ সুবিধা নিয়ে জেলায় মৌলবাদি রাজনীতিকে শক্তিশালী করে জামায়াত। সুতরাং সাতক্ষীরাকে মৌলবাদি রাজনীতির করাল থাবা থেকে বাাঁচাতে হলেও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আ’লীগকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। নইলে ২০১৩ সালের জামাতি নৃশংসতার ইতিহাস আবারও ফিরে আসতে পারে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। অথচ স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরেও সাতক্ষীরায় জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কোন কার্যালয় নেই। এতবড় একটি সংগঠনের দলীয় কার্যালয় না থাকায় দলীয় কার্যক্রম অনেকাংশে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দলের দায়িত্বশীল নেতা অভিযোগ করেছেন। কার্যালয় না থাকায় নেতাদের ড্রয়িং রুম কেন্দ্রিক রাজনীতি কোন্দল আরও বাড়িয়ে তুলছে। আর এই কোন্দল আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলেও প্রার্থীদের জন্য দুর্ভাবনার কারণ হতে পারে। তাই জেলার অধিকাংশ আ ’লীগ নেতাকর্মীর দাবি নিজস্ব কার্যালয়।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আজকের সম্মেলন সফল করতে আমরা প্রস্তুত। ইতোমধ্যে আমরা সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। তবে অনাকাঙ্খিত বৃষ্টির কারণে আমাদের অনেক বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। সম্মেলন স্থলের কাজও সম্পন্ন। বৃষ্টি যাতে সম্মেলনকে বাধাগ্রস্থ করতে না পারে এজন্যও বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও জেলা আওয়ামীলীগের কোন কার্যালয় হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু জায়গার অভাবে সেটি সম্ভব হয়নি। তবে কিছু আগে আমার নামে একটি জায়গা ভাড়া নিয়েছি। কিন্তু অর্থের অভাবে সেখানে কার্যালয় করা যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে অবশ্য আমরা অর্থের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদনও করেছি।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, “আমরা আমাদের প্রিয় নেতা ও দলীয় সাধারণ সম্পাদক মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর কাছে আমাদের জেলার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর আশু সংস্কারের দাবি জনাবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক রেলালাইন স্থাপনের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন চাইব।” দলের অফিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অবশ্যই দলীয় কার্যালয় আমাদের প্রয়োজন। আমরা একটি ভালো স্থান নির্বাচন করার চেষ্টা করছি। তা সম্ভব হলে অর্থ কোন সমস্যা নয়। আমরাও বিশ্বাস করি নিজস্ব কার্যালয় থাকলে সাতক্ষীরা আওয়ামীলী আরও গতিশীল হবে।”
জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহিদ উদ্দীন বলেন, ২৫ বছর আগে পর পর দুইবার দলীয় সভানেত্রী বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জেলা আ ’লীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদককে বলেছিলেন আপনারা জায়গা দেখেন আমি টাকা দেব। কিন্তু সুস্পষ্ট উদ্যোগ না নেওয়ার কারণে সেটি করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest