জায়েদ-পরীর ‘পোস্টার লাগাব’ (ভিডিও)

পরীমণি ও জায়েদ খান অভিনীত ‘অন্তরজ্বালা’ বড় পর্দায় উঠবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর। মুক্তির আগেই নানা আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে ছবিটি। এছাড়া দিন দিন চলচ্চিত্রপ্রেমীদের প্রত্যাশাও বাড়ছে একে ঘিরে। এ বছর বেশ কয়েকটি ছবি সাফল্যের শীর্ষ বিন্দু ছুঁয়েছে। আর কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। তাই বছরের শেষে ফিল্মপাড়ার লোকজনও মুখিয়ে আছেন এ ছবিটির দিকে।

সম্প্রতি এই ছবির একটি গান ইউটিউবে মুক্তি পায়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘পোস্টার লাগাব’ শিরোনামে আরও একটি গান মুক্তি পেয়েছে। গানটিতে বেশ চঞ্চল ও প্রাণোচ্ছ্বল লাগছে জায়েদ-পরীকে। অন্তরজ্বালা ছবিটি নিয়ে তাদের প্রত্যাশাও অনেক। তারাও অপেক্ষার প্রহর গুনছেন কখন মুক্তি পাবে এটি।
কারণ এতে জায়েদ এবং পরী- দু’জনই উজাড় করে অভিনয় করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, মুক্তির আগেই রেকর্ডসংখ্যক হল বুকিংয়ের খবরে আলোচনায় উঠে এসেছে অন্তরজ্বালা। ছবিটি ১৭৫টি হলে মুক্তি দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন পরিচালক নিজেই। মালেক আফসারী জানান, এই হল সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বেশ কয়েকটি ছবিতে ইতিমধ্যে জুটিবদ্ধ হয়েছেন জায়েদ-পরী। এই ছবিটি তাদের রসায়নের ‘এসিড টেস্ট’ বলে মনে করছেন কেউ কেউ। অপেক্ষা করছেন দর্শকরা এ জুটিকে কীভাবে গ্রহণ করেন। এখন দেখার পালা সত্যি সত্যি তারা অভিনয় দিয়ে দর্শকহৃদয়ে কতটা আগুন জ্বালাতে পারেন?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিভোর্সের সিদ্ধান্তে অটল শাকিব, এ সিদ্ধান্ত মানহানিকর- অপু

অপু বিশ্বাস বলেছেন শাকিব তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে ডিভোর্স দিতে চাইছেন। প্রতিটি অভিযোগ তাকে প্রমাণ করতে হবে। একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার পর এখন তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন শাকিব। এটি তার জন্য মানহানির সমতুল্য। এ কারণে অপু এখন প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেছেন। অন্যদিকে হায়দরাবাদে ‘নোলক’ ছবির শুটিংয়ে থাকা শাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্তে আমি অটল। আমি আমার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা বলতে চাই না। ডিভোর্স সংক্রান্ত বিষয়ে আমার আইনজীবী যা বলার বলবেন। ছেলে আবরাম খান জয় প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, সে তো আমারই সন্তান। আমার সন্তানের ভালোর জন্য যা যা করার দরকার, আমি অবশ্যই তা করব।

এদিকে চলচ্চিত্রকারদের মধ্যে অনেকে নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেছেন, অপু শাকিবকে স্বামী হিসেবে দাবি করলেও স্বামীর প্রতি স্ত্রীর দায়িত্ব কখনো সে পালন করেনি।
কোনো বিষয়ে স্বামীর অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে শাকিবের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে। সে এখন পর্যন্ত তার নাম ‘অপু বিশ্বাস’ রেখেছে। বিয়ের সময় ধর্ম পাল্টে মুসলমান হিসেবে তার নাম রাখা হয়েছে ‘অপু ইসলাম খান’। এরপরেও এতদিন পর্যন্ত শাকিব চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সম্প্রতি শিশু সন্তান জয়কে বাসায় কাজের লোকের কাছে রেখে শাকিবের অনুমতি না নিয়ে অপু কলকাতায় চলে গেলে শাকিব হার্ডলাইনে যেতে বাধ্য হন। শাকিবকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়ে অপু বলেন, না হলে আমার আর কোনো পথ থাকবে না। প্রয়োজনীয় যা করার সবই করতে হবে আমাকে। অপু বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইছি। কারণ ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার পর আজ আমাকে শাকিব তালাক দিতে চাইছে। আমি এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। আমার সম্প্রদায় তো এখন আমাকে আর স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবে না। অপু বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সহনশীল ও সুবিবেচনাপ্রসূত মনের মানুষ। তার সহমর্মিতা অতুলনীয়। আমি দেশের একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিক। শাকিবের একরোখা সিদ্ধান্তে আমার জীবন এখন বিপন্ন। প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপই এই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে আমাকে মুক্ত করতে পারে। মানবাধিকার ও নারী সংগঠনগুলোকেও পাশে চান অপু। তিনি বলেন, সেলিব্রেটি হলেও আমার সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। ডিভোর্সের মতো একটি ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত কখনো মেনে নেওয়া যায় না। অপুর কথায়, সংসারে ঝগড়া, ঝামেলা থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। শাকিবের সিদ্ধান্ত মেনে নিতাম যদি একই ধর্মের হতাম। আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে। তাই তার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেব না। অপু বলেন, যদিও এখন পর্যন্ত ডিভোর্সের কোনো চিঠি পাইনি তারপরও বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি। কারণ গত মাসের ২৮ তারিখে সন্তান জয়কে নিয়ে শাকিবের বাসায় গিয়েছি। জয়কে শাকিবের কাছে রেখে দুদিনের জন্য গ্রামের বাড়ি বগুড়া গিয়েছি। শাকিবের মা, বাবাকে বলেছি আমি নামাজ, রোজা, হজ আদায় করব আর শাকিবের সঙ্গে সুখে সংসার করব। তারাও আমার কথায় সম্মত হয়েছিলেন। এরপর এমন কী ঘটনা ঘটল যে, সে আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। অপু বলেন, জয়ের জন্ম নিয়েই শাকিবের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সন্তানের জন্ম হোক এটি শাকিব চায়নি। জয়ের জন্মের আগে শাকিবের আপত্তির মুখে তিনবার অ্যাবরশন করাতে হয়েছে তাকে। অপু বলেন, জয় যখন গর্ভে আসে তখন অ্যাবরশন করানোর জন্য আমাকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে পাঠায় শাকিব। সেখানকার চিকিৎসক জানান, যেহেতু আগে তিনবার অ্যাবরশন হয়েছে আর নতুন করে কনসেপ্টের সময় ৪ মাস হয়েছে, সেহেতু অ্যাবরশন করানো ঝুঁকিপূর্ণ। এরপর শাকিব আমাকে কলকাতা পাঠায় অ্যাবরশন করানোর জন্য। সেখানে শাকিব তখন ‘শিকারি’ ছবির শুটিং করছিল। শাকিব তার চাচাতো ভাই মুনিরকে দিয়ে আমাকে কলকাতার একটি হাসপাতালে পাঠায়। সেখানকার চিকিৎসকরাও অ্যাবরশন ওই সময় ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে তা করতে অস্বীকার করেন। তখন আমি সন্তান জন্মদানের সিদ্ধান্ত নেই। আর এতেই শাকিব আমার ওপর খেপে যায়। তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সে আমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয় এমন কি আমার মোবাইল নাম্বারও ব্লক করে দেয়। এতে মুনিরের মাধ্যমে শাকিবের সঙ্গে আমার যোগাযোগ চলতে থাকে। যে কোনো বিষয়ে শাকিবের অনুমতি নিতে মুনিরের মাধ্যমে তাকে জানিয়ে আসছি। অপু বলেন, শাকিবের কারণে আমি আমার নাম অপু ইসলাম খান বলে প্রকাশ করতে পারিনি। কারণ বিয়ের ব্যাপরটি ৮ বছর ও জয় গর্ভে আসার পর থেকে টিভি চ্যানেলে তা প্রকাশ করা পর্যন্ত দেড় বছর শাকিবের নির্দেশে বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি গোপন রাখতে হয়েছে। আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসপোর্ট থেকে শুরু করে সব জায়গায় ‘অপু বিশ্বাস’ নাম রয়ে গেছে। এসব বদলাতে তো সময়ের দরকার। শাকিব আমার সঙ্গে কথা বলে সব ঠিক করলে এক্ষেত্রে আর কোনো সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। এখন সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে শাকিব ও জয়কে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন থেকে ড্রোন উদ্ধার, ১২ বিদেশি পর্যটকের পাসপোর্ট জব্দ

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের আলোরকোলে বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে একটি ড্রোন উদ্ধার করেছে সুন্দরবন বিভাগ। এ সময়ে সুন্দরবনে অবৈধভাবে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়ানোর অভিযোগে মাল্টার নাগরিক ১২ পর্যটকের পাসপোর্টও জব্দ করা হয়েছে। একই সাথে ‘বাংলার বন সুন্দরবন’ নামের যে লঞ্চ করে বিদেশি এসব নাগরিকরা ড্রোন নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণ করছিলো ওই ট্যুরিস্ট লঞ্চ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছে সুন্দরবন বিভাগ। আলোরকোল থেকে দুপুরে আটকের পর ড্রোনটি বাগেরহাটে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগে নিয়ে আসা হচ্ছে।

সুন্দরবনে ড্রোন দিয়ে বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্যে দেখা ও ছবি ধারণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও বিদেশিএই ১২ পর্যটক কিভাবে ড্রোন নিয়ে সুন্দরবন প্রবেশ করলো ও ড্রোন উড়িয়ে কী কী দৃশ্য ধারণ করেছে তা খতিয়ে দেখছে সুন্দরবন বিভাগ।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএপও) মো. মাহমুদুল হাসান মাল্টার ১২ নাগরিকের কাছ থেকে ড্রোন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এই ১২ বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ড্রোন বহনের কোন ঘোষণা দিয়েছিলো কিনা? সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সে কারণে তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের বিষয়টি পর্যটকরা না জেনেও থাকতে পারেন। তবে দেশি-বিদেশি কোনো পর্যটকই সুন্দরবনে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়াতে পারবে না এই মর্মে চিঠি দিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ট্যুর অপারেটরদের নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই সুন্দরবনে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়ানোর জন্য ১২ বিদেশি পর্যটকবাহী লঞ্চ ও ট্যুর অপারেটরের বিরুদ্ধ আইনগত ব্যবস্থা নেবে সুন্দরবন বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার এসপি আলতাফ হোসেনের বিদায় ও সাজ্জাদুর রহমানের বরণ সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলার বিদায়ী পুলিশ সুপার মোঃ আলতাফ হোসেন পিপিএম এর বিদায় ও নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান এর বরণ উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হকের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতক্ষীরা সার্কেল) মেরিনা আক্তার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ দিদার আহম্মদ।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি(অপরাধ) মোঃ হাবিবুর রহমান বিপিএম, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১ মোঃ মিজানুর রহমান, সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিদায়ী পুলিশ সুপার তার সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে তাকে সহযোগিতা করার জন্য জেলা পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, সামাজিক সগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সকল শান্তিপ্রিয় মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
নবাগত পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলার আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে যেকোন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সবশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় ও বরণের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাঙামাটিতে আ. লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দ চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে উপজেলার সুবলং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিঁড়ির পাশেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা আবদুল বাসেত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) জানান, ‘মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে জুরাছড়ি উপজেলার সুভলং খাগড়াছড়ি নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিঁড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।  খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তারা ফিরে আসার আগপর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।’ এই ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এদিকে, বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাসেল মার্মকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এই প্রসঙ্গে বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ ইকবাল জানান, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে বাসায় যাওয়ার পথে ৫/৬জনের একদল যুবক লাঠি-শোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তার মাথায় ও কানে জখম হয়।  আহত রাশেদ মাহমুদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।’

এদিকে, দুই ঘটনার জন্যই পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেছেন রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মুছা মাতব্বর। তিনি জানান, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে তারাই অবৈধ অস্ত্রের মাধ্যমে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।’ দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এই অভিযোগ অস্বীকার করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি  (জেএসএস)-এর সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, ‘ঘটনাটি এই মাত্র শুনলাম। তবে এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জেএসএস সম্পৃক্ত থাকতে পারে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক সিভিল সার্জনকে কারাদণ্ড; লক্ষ্মীপুরের সেই এডিসিকে ওএসডি

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। তাঁকে সেখান থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

গতকাল সোমবার লক্ষ্মীপুরের সাবেক সিভিল সার্জন মো. সালাহ উদ্দিন শরিফের সঙ্গে হাতাহাতির পর ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় আজ তাঁকে ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নুরুজ্জামানকে তলবের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব দেওয়ান মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব শেখ মুর্শিদুল ইসলামকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হলো। জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

গতকাল সোমবার লক্ষ্মীপুর শহরে জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকার কাকলি শিশু অঙ্গনের (বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) প্রবেশ পথে আগে-পরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সালাহ উদ্দিন শরিফের বড় ছেলে মিনহাজের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় ডা. সালাহ উদ্দিন এগিয়ে গিয়ে তাঁর পরিচয় জানতে চান। কিন্তু এডিসি পরিচয় না দিয়ে তাঁর সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে এডিসি পুলিশ দিয়ে ডা. সালাহ উদ্দিন আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ডা. সালাহ উদ্দিনকে ‘অসদাচরণের’ দায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।

খবর পেয়ে জেলায় কর্মরত চিকিৎসকরা ক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছুটে যান। বিক্ষুব্ধ অবস্থায় চিকিৎসকরা প্রশাসনের সব সেবা কার্যক্রম ও সব হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে ডা. সালাহ উদ্দিন শরিফের মুক্তি দাবি করেন। জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগমের সঙ্গে প্রায় আধা ঘণ্টার মতো রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন তাঁরা। বৈঠকে চিকিৎসকরা তড়িঘড়ি করে সাজা দেওয়ার বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্ন তোলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক আপিল করলে সহযোগিতার আশ্বাস দেন চিকিৎসকদের।

ডা. সালাহ উদ্দিন শরিফের পক্ষ থেকে আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে জামিন দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর শওকত হোসেন। আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

ওই ঘটনায় আজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশফাকুর রহমান ও কামাল হোসেন নিয়াজী বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত লক্ষ্মীপুরের সাবেক সিভিল সার্জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড-সংক্রান্ত সংবাদ সংযুক্ত করে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটের শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন ও হাসান এম এস আজিম।

শুনানি শেষে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ লক্ষ্মীপুরের সাবেক সিভিল সার্জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তিন মাসের সাজা দেওয়ার ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে (ইউএনও) তলব করেন। তাঁদের আগামী ১৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় স্বশরীরে হাজির থাকতে বলেছেন হাইকোর্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার কোঁড়ায় আজকের সাতক্ষীরা ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

কে. এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটার কোঁড়ায় দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিনেডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রঙ্গণে কোঁড়া যুব সংঘের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

খেলায় প্রধান অতিথি ও অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার দেবহাটা ব্যুরো প্রধান কে.এম রেজাউল করিম।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সখিপুর ইউনিয় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সম্পাদক শাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোনাজাত আলী, প্রভাষক শেখ শরিফুল ইসলাম পলাশ, সমাজসেবক ও দলিল লেখক শেখ আবু সাঈদ, সাইফুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল গফ্ফার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম। খেলাটি পরিচালনা করেন কোঁড়া যুব সমাজের আলমগীর হোসেন ও আব্দুর রহমান খোকন। খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন রাজু আহম্মেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনেক পাপ করেছেন এখন একটু আল্লাহ আল্লাহ করবেন শ্রাবন্তী

ইপশিতা শবনম শ্রাবন্তী। এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এছাড়াও ‘রং নাম্বার’ এবং ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার মাধ্যমে বেশ সাড়াও জাগিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। তবে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ার পরও হঠাৎ করেই তিনি হারিয়ে গেলেন। অবশ্য তিনি বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরই শোবিজ দুনিয়া থেকে পুরোপুরি বিদায় নেন।

তিনি ২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকেই শোবিজের রঙিন দুনিয়া থেকে নিজেকে আড়াল করে নেন এই গুণী অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিন্ন রকম পোস্ট দিলেন শ্রাবন্তী। মায়ের অসুস্থতার খবর জানিয়ে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লিখেন, ‘অনেক তো পাপ করলাম। কখন খোদা ডাক দেন কে জানে? মাও সিক। সব আল্লাহর ইচ্ছা।
এখন থেকে একটু আল্লাহ আল্লাহ করি। কিছু আর গায়েও লাগে না। ভালো লাগে না। আল্লাহ ডাকা ছাড়া আসলে আমাদের আর কোনো উপায় নাই। সবাই যদি একটু সময় পান আমার মেয়ে দুইটার জন্য আর আমার আম্মার জন্য দোয়া করবেন। ‘

(অভিনেত্রীর ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest