সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও আটকের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনআবারও নারী কেলেংকারীর অভিযোগ! বাগেরহাটের ডিসি বদলিআদালতে সাংবাদিক রোজিনা, ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশভারতে করোনায় একদিনে ৪৩২৯ জনের মৃত্যুর নতুন রেকর্ডসাংবাদিক রোজিনাকে নির্যাতন : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিং বয়কটের ডাকপুলিশের ৪ ডিআইজি অতিরিক্ত আইজিপি হলেনকলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনাসাতক্ষীরায় কোয়ারেন্টাইনে থাকা ভারত ফেরতদের খাবার দিল জেলা পরিষদবাস-ট্রেন-লঞ্চ আরো কিছুদিন বন্ধ থাকুক : স্বাস্থ্যমন্ত্রীদেশের মানুষের মাসে মাথাপিছু আয় বেড়ে সাড়ে ১৫ হাজার টাকা

ooo

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দুরে আশাশুনি উপজেলার বড়দল শিববাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির বেহাল-দশা। দীর্ঘ দিন ধরে এ বিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষা চলে জরাজীর্ণ অবস্থায়। বিদ্যালয়টি ১৯৬৩ প্রতিষ্ঠিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টির অভাবে আজও নির্মাণ হয়নি সেখানে পাকা বিল্ডিং, নেই কোন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও আলো বাতাস। মাটির দেয়ালে তৈরী করা ঘরে করুণ অবস্থায় চলছে এই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম। প্রায় ২শ ছাত্র/ছাত্রী এ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে । দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পাঠদান কর্মসূচি চললেও উধর্ক্ষতন কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকা পালন করে আসছেন।  এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল জানান, তিনি আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে সাতক্ষীরার উদ্দ্যেশ্য রওনা হওয়ার সময় পথিমধ্যে দেখতে পান রাস্তার পাশে মাটির দেয়ালে তৈরী পুরাতন টিনের ঘরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাশ চলছে। গাড়ি থামিয়ে তিনি বিদ্যালয়টি দেখতে যান । বিদ্যালয়টি দেখার পর তিনি জানান, মাটির দেয়ালের ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাশ চলছে। সেখানকার শ্রেণী কক্ষের অবস্থা খুবই করুণ। বিদ্যুৎ নেই, আলো বাতাসের চলাচল নেই। অথচ সেখানে কোমলমতি ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করছে। প্রায় দুইশত ছাত্রছাত্রী রয়েছে বিদ্যালয়টিতে। বিদ্যালয়ের নাম ৬৩ নং বড়দল শিববাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থাপিত ১৯৬৩ সাল। তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়টি দেখে প্রচন্ড কষ্ট পেলাম। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে- কিন্তু বিদ্যালয়ের এ অবস্থা কেন ? তিনি এ সময় সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুজ্জামান জানালেন, ভবন নির্মানের জন্য অনেক বার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলেও কোন কাজ হয়নি। বর্তমানে বিদ্যালয়টির খুবই নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বর্ষার সময় চারি দিক থেকে পানি পড়ে রুমের ভিতরে। যে কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদানেও খুবই ব্যাঘাত ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

77777777777777777777777777777

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ০৪ কর্মীসহ ৩১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা থেকে ০৬ জন, তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৩ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e4821f5457d70dc7b3f5bfdb66b18b68-bangladeshস্পোর্টস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পথচলা শুরু ১৯৮৬ সালে। আর ৩০ বছর পেরিয়ে এবার নতুন এক মাইলফলকের সামনে টাইগাররা। আর একটি জয় পেলেই বিশ্বের দশম দেশ হিসেবে ওয়ানডেতে জয়ের সেঞ্চুরি পূর্ণ হবে তাদের।

প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান বলেই আশাটা জোরালো। আবার প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান বলে ভয়ও আছে সামান্য। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলে গেছে দলটা। শততম জয়ের আগাম ঘোষণা তাই দেওয়া যাচ্ছে না। তবে আজ সেই আশা নিয়েই ভরে উঠবে মিরপুরের গ্যালারি।

অভিষেকের পর প্রথম জয়টা পেতেই তো লেগে গিয়েছিল ১২ বছর। ১৯৯৮ সালে ভারতের মাটিতে (হায়দরাবাদ) ত্রিদেশীয় সিরিজে কেনিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়েছিল আকরাম খানের বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওটাই বাংলাদেশের প্রথম জয়। পরের বছর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলা, ইংল্যান্ডের মাটিতে স্কটল্যান্ডকে হারানোর পর পাকিস্তান বধ বাংলাদেশের ক্রিকেটকে নিয়ে গেছে অন্য উচ্চতায়।

আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের ৩১৪তম ওয়ানডে ম্যাচটি খেলতে নামবে বাংলাদেশ। আর এ ম্যাচে জয় পেলেই শততম জয়ের আনন্দে মাতবে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। দারুণ অর্জনের আনন্দে মাতবে গোটা বাংলাদেশ।

ওয়ানডে ক্রিকেটের ৪৫ বছরে ৩ হাজার ৭৮১টি ওয়ানডে গড়িয়েছে মাঠে। সব থেকে বেশি ওয়ানডে খেলেছে ভারত (৮৯৯টি)। তবে জয়ের হিসেবে তাদের থেকে ঢের এগিয়ে ৮৮২টি ওয়ানডে খেলা অস্ট্রেলিয়া। ৫৪৬টি জয় আছে অজিদের ঝুলিতে। সমান ৪৫৪টি করে জয় আছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের।

৭৪১টি ওয়ানডে খেলে ৩৭৬ ম্যাচে জিতে চতুর্থ স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়ের হিসেবে এর পরের স্থানে যথাক্রমে আছে শ্রীলংকা (৩৬৫), দক্ষিণ আফ্রিকা (৩৪৩), ইংল্যান্ড (৩১৭), নিউজিল্যান্ড (৩১১) এবং জিম্বাবুয়ে (১২২)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

f5598b6967f9833e30b4a1e27128024f-57ea9032ee2ecডেস্ক রিপোর্ট: আজ ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭০তম জন্মদিন। এ জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে দেশের কবি লেখক সংস্কৃতিকর্মীজনদের পক্ষ থেকে আনন্দ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল আগেভাগেই। সেই জন্মদিন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। নিজের শরীর খারাপ হলেও দেশনেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনে তাঁর ছিল অসীম আগ্রহ। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন করা সম্ভব হলো না তাঁর। এ আয়োজনের মাত্র এক দিন আগে ২৭ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশবরেণ্য প্রথিতযশা এই লেখক।
বুধবারের এ আয়োজন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদন করে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কবিতার নাম ‘আহা, আজ কী আনন্দ অপার!’
এ কবিতায় সব্যসাচী লেখকের মনের আনন্দ প্রকাশ করেছেন এভাবে- ‘আহা, আজ কী আনন্দ অপার/ শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার’।
সৈয়দ হক প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের কবিতায় লেখেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বপ্নবাহু তাঁর/শুভ শুভ জন্মদিন/দেশরত্ন শেখ হাসিনার/পঁচাত্তরের কলঙ্কিত সেই রাত্রির পর/নৌকা ডোবে নদীর জলে/সবাই বলে নৌকা তুলে ধর/কেইবা তোলে কে আসে আর/স্বপ্নবাহু তাঁর/বঙ্গবন্ধু কন্যার/শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার।’
এ কবিতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্যের প্রশংসা করে সৈয়দ হক লেখেন, শেখ হাসিনা সব নদীতে/দুর্জয় গতিতে/টেনে তোলেন নৌকা আনেন উন্নয়ন জোয়ার/শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার।’
প্রধানমন্ত্রীর ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষে সৈয়দ হক কবিতায় যা উচ্চারণ করেছেন, সুস্থ থাকলে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর হয়ত নিজেই স্বকণ্ঠে আবৃত্তি করতেন। কিন্তু তার আগের দিন নিজেই বিদায় নিয়ে চলে গেলেন ৮০ বছর বয়সে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তার কবিতাটা আর আবৃত্তি করা হলো না।
বুধবার সন্ধ্যা ছয়টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ওই ‘আনন্দ অনুষ্ঠান’টি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে এই অসামান্য কবির মৃত্যুতে নিজের জন্মদিনের সব অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বাতিল করায় ধারণা করা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানটিও স্থগিত হতে পারে।
শেখ হাসিনার উদ্দেশে কবির লেখা কবিতাটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো:

আহা, আজ কী আনন্দ অপার!

-সৈয়দ শামসুল হক

আহা, আজ কী আনন্দ অপার

শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার

জয় জয় জয় জয় বাংলার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বপ্নবাহু তাঁর

শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার

পঁচাত্তরের কলঙ্কিত সেই রাত্রির পর

নৌকা ডোবে নদীর জলে

সবাই বলে নৌকা তুলে ধর

কেইবা তোলে কে আসে আর

স্বপ্নবাহু তাঁর

বঙ্গবন্ধু কন্যার

শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার

শেখ হাসিনা সব নদীতে

দুর্জয় গতিতে

টেনে তোলেন নৌকা আনেন উন্নয়ন জোয়ার

শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার

জাতির পিতার রক্তে দেশ

এখনও যায় ভেসে

সেই রক্তের পরশ মেখে দেশ উঠেছে জেগে

এ দেশ তোমার আমার

জয় জয় জয় জয় বাংলার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বপ্নবাহু তাঁর

শুভ শুভ জন্মদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনার

আহা, আজ কী আনন্দ অপার!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001525drau‘প্রথম প্রথম একটু অস্বস্তি হতো এই ব্যবস্থায়, এখন কিছু মনে হয় না। আমার পাঁচ স্বামীকেই একইরকম সুযোগ দিই আমি।’ তরুণী যেন আধুনিক দ্রৌপদী। কারণ উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন নিবাসী ২১ বছরের রাজো বর্মা মহাভারতের দ্রৌপদীর মতোই বিয়ে করেছেন পাঁচ পুরুষকে। আর মহাভারতের পাণ্ডবদের মতোই তাঁর স্বামীরাও পাঁচ ভাই। রাজো একসঙ্গে এক বাড়িতেই থাকেন পাঁচ স্বামীকে নিয়ে। এক এক স্বামীর সঙ্গে এক রাত্রে মিলিত হন তিনি। ‘প্রথম প্রথম একটু অস্বস্তি হতো এই ব্যবস্থায়, এখন কিছু মনে হয় না। আমার পাঁচ স্বামীকেই একইরকম সুযোগ দিই আমি।’ ১৮ মাসের একটি ছেলেও রয়েছে রাজোর।

কিন্তু সেই ছেলের প্রকৃত পিতা কে, তা জানেন না রাজো নিজেও। কিন্তু হঠাৎ পাঁচ ভাইকে এক সঙ্গে বিয়ে করতে গেলেন কেন রাজো? পাঁচ ভাইয়ের এক ভাই গুড্ডুর সঙ্গেরাজোর বিয়ে হয় ৪ বছর আগে। বিয়েটা হয়েছিল উভয় পক্ষের বাবা-মা’র দেখাশোনার মাধ্যমে। বিয়ের পরে রাজো বুঝতে পারেন, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত
নিবিড়। রাজোর মনে জাগে আশঙ্কা, বিয়ের পর গুড্ডু বউকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন না তো, অবিবাহিত ভাইদের সঙ্গে তাঁর ভাতৃত্ব-বন্ধন শিথিল হয়ে যাবে না তো?তখনই রাজোর মনে আসে মহাভারতের দ্রৌপদীর দৃষ্টান্ত। রাজো সিদ্ধান্ত নেন, তিনি গুড্ডুর অন্য ভাইদেরও বিয়ে করবেন পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য।আপত্তি ছিল না গুড্ডুরও।

ফলে একে একে বইজু, সন্ত রাম, গোপাল এবং দীনেশকেও বিয়ে করেন রাজো। জ্যেষ্ঠ ভাই বইজুর বয়স ৩২ বছর, কনিষ্ঠ দীনেশ ১৯ বছর। পরিবারে অশান্তি হয় না? বিশেষত স্ত্রী-এর শারীরিক অধিকার নিয়ে? উত্তর দেন গুড্ডুই, ‘উঁহু, আমাদের পরিবার ছোট পরিবার না হতে পারে, কিন্তু আমাদের পরিবারে কোনো অশান্তি নেই। আমরা প্রত্যেকেই রাজোর সঙ্গে মিলিত হই, কিন্তু এই নিয়ে আমার কোনো যৌন ঈর্ষা বোধ হয় না।’ আর রাজো, কী বলছেন তিনি নিজে? তাঁর বক্তব্য, ‘আমার মা-ও তো তিন ভাইকে বিয়ে করেছিলেন। আমি আমার স্বামীদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে রাত্রি যাপন করি।

আমাদের ঘরে কোনো বিছানা নেই। মাটির উপর পুরু করে কম্বল পেতে নিয়ে আমরা শুয়ে পড়ি।’ পাঁচ স্বামীকে নিয়ে সমস্যা হয় না? লাজুক হেসে রাজোর উত্তর- ‘একটুও না। বরং অন্য বিবাহিত মেয়েদের থেকে অনেক বেশি ভালবাসা পাই আমি।’ ভালবাসার স্থান যে যৌন ঈর্ষা ও যৌন হিংসার অনেক উপরে সেই কথাই যেন প্রমাণ করছে রাজোদের পরিবার। সূত্র: এবেলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1474998430কুষ্টিয়ার মিরপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও জাসদ সমর্থকদের সংঘর্ষে মহিলাসহ ২৫জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত দুই ভাই ঝন্টু ও সেন্টুর অবস্থা গুরুত্বর। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আমলা ইউনিয়নের পারমিটন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার জাসদ সমর্থক রাজা মাস্টার গ্রুপের লোকজন দোকানে বসাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থীত মুদি দোকানদার লিটনকে মারধর করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে রাজা মাস্টারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। থানায় অভিযোগ করে ফেরার পথে ঝন্টুর লোকজনের উপরে রাজা মাস্টারের লোকজন হামলা চালায়। এতে দুই গ্রুপের মুখোমুখি তুমুল সংঘর্ষ বাধে। সংষর্ষে উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ২৫জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে এক রাউন্ড গুলি ও দুটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী জালাল উদ্দিন বলেন, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_91049920_syedshamsulhaqueডেস্ক রিপোর্ট: বাংলা সাহিত্যজগতে এককথায় সৈয়দ শামসুল হকের পরিচয় ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি তার মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস এবং নাটকসহ শিল্প-সাহিত্যের নানা অঙ্গনে।

বাঙ্গালি মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ-অনুভূতি-বিকার সবই খুব সহজ কথা ও ছন্দে উঠে এসেছে তার লেখনীতে।

সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা কুড়িগ্রামে। আট ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিলেন সৈয়দ হক।

১৯৫১ সালে ‘অগত্যা’ নামে একটি ম্যাগাজিনে তার প্রথম প্রকাশিত লেখাটি ছিল একটি গল্প। এরপর তার প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন সাহিত্যের নানা ক্ষেত্রে। ১৯৬৬ সালে পান বাংলা একাডেমি পুরস্কার।

“সৈয়দ শামসুল হকের রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে। আগের বড় লেখকেরা সকলেই গ্রামকেন্দ্রিক উপন্যাস বা গল্প লিখেছেন। সৈয়দ শামসুল হক নতুন উদীয়মান মধ্যবিত্তের কথা ভালো করে বললেন এবং মধ্যবিত্ত জীবনের বিকারকেও তিনি ধরলেন”। বলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

সৈয়দ শামসুল হক স্কুলজীবন শেষ করেন কুড়িগ্রামে। এরপর ১৯৫১ সালে মুম্বাইতে গিয়ে কিছুদিন একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থায় কাজ করেন।

পরবর্তীতে জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন। সেখানে পড়ালেখা শেষ না করেই পুরোদমে লেখালেখি শুরু করেন। প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস ‘দেয়ালের দেশ’।

দীর্ঘজীবনে তিনি অনেক উপন্যাস লিখেছেন। তার অনুজ এবং তরুণ লেখকেরা প্রভাবিত হয়েছেন তার লেখায়। তাদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘হক ভাই’ নামে।

লেখক আনিসুল হক বলেন, সৈয়দ শামসুল হকের প্রবন্ধ, উপন্যাস তাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে।

“আমি স্কুলের ছাত্র থাকার সময় তিনি সাপ্তাহিক বিচিত্রায় মার্জিনে মন্তব্য নামে একটি কলাম লিখতেন। সেখানে তিনি লেখালেখির করণ কৌশল, কিভাবে লিখতে হয় সেই বিষয়ে লিখেছিলেন। বিদেশে এধরণের অনেক বই পাওয়া যায়, কিন্তু বাংলাদেশে লেখালেখির করণ কৌশল নিয়ে তেমন কোন বই ছিল না। সৈয়দ শামসুল হকই একমাত্র লেখক যিনি এইবিষয়ে আমাদের দৃষ্টি প্রথম আকর্ষণ করেন”। বলেন আনিসুল হক।

সৈয়দ শামসুল হক কবি হিসেবেও পরবর্তী প্রজন্মের কবিদের জন্য পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছেন।

১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ, বৈশাখে রচিত পঙক্তিমালা। আধুনিক সময়ে কোন কবির এত দীর্ঘ কবিতা বেশ বিরল। তার এই কাব্যগ্রন্থের কারণে তিনি তখন আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।

তার আরেক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘পরানের গহীন ভিতর’ দিয়ে তিনি তাঁর কবিতায় আঞ্চলিক ভাষাকে উপস্থাপন করেছেন।

কবি অধ্যাপক মোহাম্মদ সামাদের মতে, সৈয়দ হক তাঁর কবিতা দিয়ে বারবার সাড়া ফেলেছেন।

“কবিতায় তার ধারাবাহিকভাবে যে অবদান তা বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। সৈয়দ হককে অনুসরণ করে আমাদের কালের কবিরা বা তার পরবর্তী কালের কবিরা আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা লেখার চেষ্টা করেছেন। তার ‘খেলারাম খেলে যা’ অনুকরণ করে আমাদের কথাসাহিত্যিকেরা লিখেছেন। বাংলা সাহিত্যে সৈয়দ হকের অবদানকে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই”।

সৈয়দ শামসুল হক তার কর্মজীবনের প্রায় সাত বছর কাটিয়েছেন লন্ডনে বিবিসি বাংলা বিভাগের সাথে। বিবিসি বাংলা থেকে সংবাদ পরিবেশন করেছেন ১৯৭১ সালে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে।

“উনি নাটক এবং অভিনয়ে আগ্রহী ছিলেন, নির্দেশনাও দিয়েছেন। বিশেষ করে ক্লাসিকাল নাটকের অনুবাদে তার আগ্রহ ছিল। এছাড়া বিবিসির যেমন কাজ সেটা তিনি করে গেছেন সেগুলো নিশ্চয়ই তার ভাল লাগেনি”। বলেন বিবিসি বাংলায় তাঁর সহকর্মীদের একজন তালেয়া রেহমান।

পরবর্তীতে সৈয়দ শামসুল হকও এক সাক্ষাতকারে বলেন, নাট্যকার হিসেবে তার কাজের সূচনাটি হয়েছিল বিবিসি বাংলায় নাটক করবার অভিজ্ঞতা থেকেই।

নাট্যকার হিসেবেও সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন দারুণ সফল। বিশেষ করে তাঁর রচিত দুটি কাব্যনাট্য ‘নুরলদিনের সারাজীবন’ এবং ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ বাংলা নাটকে একটি বিশেষ স্থান দখল করে রয়েছে।

নাগরিক নাট্যদলের হয়ে নুরলদিনের সারা জীবন নাটকটির অন্যতম একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নুর।

“তার যে শব্দের ব্যবহার, রূপকল্প, কাব্যময়তা এবং তার সঙ্গে সঙ্গে নাটকের যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত এই সমস্ত কিছু তিনি যেভাবে ধারণ করেছেন বাংলা নাটকে এই ঘটনা আর কেউ ঘটাতে পেরেছে বলে আমি মনে করি না”। বলেন আসাদুজ্জামান নুর।

শিল্পক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের অবদান শুধু নাটকেই সীমাবদ্ধ নয়, তিনি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখেছেন, এমনকি চলচ্চিত্রের জন্য গানও রচনা করেছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাঁর রচিত ‘হায়রে মানুষ, রঙ্গিন ফানুস’ গানটি এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

“আমাদের সাহিত্যিকদের মধ্যে সৈয়দ শামসুল হক ভাষার ব্যবহার নিয়ে যে লিখেছেন ‘হৃৎকলমের টানে’ বা ‘কথা সামান্যই’ এগুলো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তিনি একইসঙ্গে একজন সৃষ্টিশীল লেখক এবং ভাষার ব্যবহারে ছিলেন অত্যন্ত সচেতন”। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলছেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সৈয়দ শামসুল হক তার অবদানের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

যে লেখক শিল্প-সাহিত্যের এতগুলো অঙ্গনে তার পদচিহ্ন রেখেছেন, তাকে বাঙ্গালি কী হিসেবে মনে রাখবে?

“তিনি যদি অন্য সব বাদ দিয়ে দুটো বই লিখতেন ‘পরানের গহীন ভেতর’ এবং ‘বৈশাখে রচিত পঙক্তিমালা’ তাহলে এ দুটো বই তাকে অমর করে রাখত। তিনি যদি শুধু তার কাব্যনাট্যগুলো লিখতেন ‘নুরলদিনের সারাজীবন’ এবং ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ তাহলেও আমরা চিরদিনের জন্য তাকে বাংলা সাহিত্যে স্মরণ করতে বাধ্য থাকতাম। তাঁর কবিতা-নাটক-কলাম সবটা মিলিয়ে যে ব্যক্তিত্বটি দাঁড়ায় তা তুলনারহিত”। বলেন লেখক আনিসুল হক।

সৈয়দ শামসুল হকের কলম এখন থেমে গেছে, কিন্তু তিনি যে ভবিষ্যৎ লেখকদের-কবিদের-নাট্যকারদের অনুপ্রাণিত করবেন, পথ দেখাবেন তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_91397094_23101b92-9908-4fbc-bee3-b33d5f4fed1dডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্প এবং হিলারি ক্লিনটন প্রথম মুখোমুখি টিভি বিতর্কে অংশ নিয়েছেন।
তাদের ৯০ মিনিটের বাকযুদ্ধে, নীতির চেয়ে পরস্পরের ব্যক্তিত্ব নিয়ে কটাক্ষ ও আক্রমণ করেছেন দু’জনেই।
ডনাল্ড ট্রাম্প বলার চেষ্টা করেছেন, মিসেস ক্লিনটন, তার ভাষায় “পঁচে যাওয়া” রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের অংশ।
অন্যদিকে, হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, মি. ট্রাম্পের মত মানুষের হাতে পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত তুলে দেওয়া ভীষণ বিপজ্জনক।
দুই ক্যাম্প থেকেই এই বিতর্কে বিজয় দাবি করা হচ্ছে।

এরকম একটা টেলিভিশন রিয়েলিটি শো দেখার সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কমই হয়েছে। একদিকে, সাবেক ফার্স্ট লেডি, তুখোড় আইনজীবী হিসেবে যার নামডাক ছিল। অন্যদিকে, ম্যানহাটনের এক প্রপার্টি টাইকুন, যার খ্যাতি মূলত সেলসম্যান হিসেবে।
প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের টেলিভিশন বিতর্ক যে এতোটা আক্রমণাত্মক এবং ব্যক্তিগত লড়াই হয়ে উঠতে পারে, সেটা এই বিতর্ক না দেখলে হয়তো বিশ্বাস হতো না।
হিলারি ক্লিনটন ডনাল্ড ট্রাম্পকে আক্রমণ করে বলেছেন, তিনি তার ট্যাক্স রিটার্ন প্রকাশ করেন নি।
হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, “আমি এটা বিশ্বাস করার কোন কারণ দেখি না যে তিনি কখনো তার ট্যাক্স রিটার্ন প্রকাশ করবেন। কারণ তিনি কিছু একটা গোপন করছেন। আমরা অনুমান করার চেষ্টাই শুধু করে যাব, তিনি আসলে কি গোপন করছেন।”
এর জবাবে ডনাল্ড ট্রাম্পও পাল্টা আক্রমণে যান হিলারি ক্লিনটনের প্রাইভেট ইমেল সার্ভার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলে।
তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রী থাকাকালে হিলারি এই কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছেন।
ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “এটা কেবল ভুল নয়, তার চাইতেও বড় কিছু। এই ভুল ইচ্ছাকৃত। পঞ্চম সংশোধনীর সুযোগ নিয়ে আপনার কর্মীরা নিজেদের বিচারের হাত থেকে রেহাই পেয়েছে। এটা খুবই অবমাননাকর।”
বিতর্ক যেন এরপর আরও বেশি ব্যক্তিগত আক্রমণের দিকে গড়ালো।
ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশ্ন তুললেন প্রেসিডেন্ট হবার মতো স্ট্যামিনা এবং মেজাজ হিলারি ক্লিনটনের আদৌ আছে কিনা।
তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট হিসেবে আপনাকে বহু ভিন্ন ধরনের কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। আমার মনে হয় না হিলারির সেই স্ট্যামিনা আছে।”
এই ব্যক্তিগত আক্রমণের উত্তরে হিলারি ক্লিনটন পররাষ্ট্র মন্ত্রী থাকাকালে তার ব্যস্ত সময়ের রেকর্ড তুলে ধরেন।
তিনি বলেছেন, “আমার স্ট্যামিনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে বিশ্বের ১১২টা দেশ ঘুরে আসেন,শান্তি চুক্তি করে দেখান, অন্য দেশের ভিন্নমতাবলম্বীদের মুক্ত করে আনুন, কিংবা কংগ্রেসের সামনে ১১ ঘণ্টা ধরে শুনানিতে সাক্ষ্য দিয়ে আসুন। তারপর আমার স্ট্যামিনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।”

হিলারি ক্লিনটনকে ব্যঙ্গ করে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকেই আইসিসের (ইসলামিক স্টেট) বিরুদ্ধে লড়াই করছেন।”
পাল্টা উত্তরে হিলারি ক্লিনটন বলেন, “আপনি তো মেয়েদের শুকর, অলস আর কুকুরের সঙ্গে তুলনা করেছেন।”
ডনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ আনেন মিসেস ক্লিনটন।
এসব ব্যক্তিগত ইস্যুর বাইরে মার্কিন অর্থনীতি, বিশ্ব নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও তারা তর্কে লিপ্ত হন।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বিতর্ক টেলিভিশন ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দেখা বিতর্ক অনুষ্ঠান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সারা বিশ্বে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখেছেন।
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ৭টায় এই বিতর্ক শুরু হয়।
বিতর্ক উপস্থাপনা করেন এনবিসি টিভির লেস্টর হল্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest