সর্বশেষ সংবাদ-
ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণদেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দফের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি সেঁজুতিআসুন মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি: প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে খুলনায় তদন্ত সোমবারদেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অতিবর্ষণে জেলার ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধহাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৬স্কুল-কলেজে সিসিটিভি ও অনলাইন নজরদারি, মাউশির জরুরি নির্দেশনাশেষের ঝড়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেখানে ইংল্যান্ড

সাংবাদিক কাজী মামুনের মেয়ে বৃত্তি পেয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাংবাদিক কাজী জামাল উদ্দীন মামুনের মেয়ে কাজী জান্নাত আরা সাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বৃত্তি পেয়েছে। কাজী জান্নাত আরা সী ব্রীজ কিন্ডার গার্টেনে বর্ষিক পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হয়েছে। সে সকলের দোয়া প্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি যুব মহিলালীগের সভাপতি সীমা সম্পাদক শিম্মি

আশাশুনি ব্যুরো: বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি সীমা পারভিন ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শামীমা পারভীন শিম্মি।
সাতক্ষীরা জেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি ফারহা দিবা খান সাথী ও সাধারণ সম্পাদক সাবিহা হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে ঘোষিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আনজুমান আরা জুই, রুবাইয়া পারভীন, মাহফুজা খাতুন, সাহারা বান তোহরা উশা, মর্জিনা খাতুন, শম্পা হালদার ও সাজেদা খাতুন, যুগ্ম-সম্পাদক রেবেকা সুলতানা, হেনা বেগম ও তাছলিমা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমা খাতুন, মিনারা খাতুন, রোজিনা খাতুন ময়না, প্রতিমা গোলদার ও ফারহানা আক্তার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাহেরা খাতুন, দপ্তর সম্পাদক আবেদা খাতুন, অর্থ সম্পাদক হাফিজা খাতুন, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক শিউলি আক্তার, ত্রাণ সম্পাদক নাসিমা খাতুন, সমাজ কল্যাণ মাছুরা, সাংস্কৃতিক মলিনা চক্রবর্তী, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ জান্নাতুল ফেরদাউস, তথ্য ও গবেষণা নমিতা রানী, মুক্তিযুদ্দা বিষয়ক শাবেত্রী হালদার, ক্রীড়া মমতাজ বেগম,ধর্ম বিষয়ক অনিমা সরকার, মহিলা উন্নয়ন খাদিজা বেগমসহ ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আরব বিশ্বের প্রথম নারী কুস্তিগির সাদিয়া

সাদিয়া বেসিসো। জর্দানের আম্মানের বাসিন্দা। তার প্রথম পরিচয় তিনি একজন টিভি উপস্থাপক। কিন্তু উপস্থাপনার গণ্ডি পেরিয়ে মার্শাল আর্ট। আর এখন রীতিমতো পেশাদার কুস্তিগির (রেসলার) হিসেবে নাম লিখিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্টে (ডব্লিউডব্লিউই) কুস্তি লড়তে হাজির হন সাদিয়া। যা তাকে প্রথম আরব নারী কুস্তিগিরের খেতাব এনে দিয়েছে।

গত সোমবার ডব্লিউডব্লিউইতে যুক্ত হন পেশাদার মার্শাল আর্টের অ্যাথলেট সাদিয়া। ৩১ বছর বয়সী এ জর্ডানি নারী ২০১৪ সালে মার্শাল আর্ট শুরু করেন। বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। স্বীকৃতি স্বরূপ ডোরাকাটা নীল বেল্টও পেয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সাদিয়া জানান, তিনি বিভিন্ন শোতে উইমেন সুপারস্টার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা, মার্শাল আর্ট ও টিভি উপস্থাপনায় ডব্লিউডব্লিউই তাঁর সুযোগকে ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারবে।

তিনি আরও জানান, রিংয়ের ভেতরে কুস্তি লড়তে তাঁর আরও দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে তিনি কতটা ভালো কাজ করছেন, তার ওপর বিষয়টা নির্ভর করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কারাগারে গয়েশ্বর, রিমান্ডে ৫৫ জন নেতা-কর্মী

রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম মাহমুদুল হাসান এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন না করা হলে গয়েশ্বরের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করে। এ সময় আদালত তার জামিনের আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন বলেই গয়েশ্বর চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ছাড়াও রাজধানীতে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় শাহবাগ ও রমনা থানায় দায়ের হওয়া পৃথক চার মামলায় বিএনপির ৫৫ জন নেতা-কর্মীর বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন একই আদালত।

জানা গেছে, এ ব্যাপারে বিএনপির আইন সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়াসহ বিএনপিপন্থী চারজন আইনজীবী এদিন আদালতকে বলেন, পুলিশের ওপর বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা চালাননি। বরং পুলিশ নিজের লোক দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। যাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে, তাদের কারও বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আনতে পারেনি পুলিশ।

বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আদালতের কাছে আরো দাবি করেন, আসামিদের মধ্যে কয়েকজন আছেন, যাঁরা বৃদ্ধ। গতকালের হামলার ঘটনার সময় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন থানা ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করছে। তারই অংশ হিসেবে দু–তিন দিন আগে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গতকাল এ ঘটনা ঘটিয়ে তাঁদের এই মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি সাজ্জাদুল হক আদালতে বলেন, আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যেই ইটপাটকেল ছুড়ে আক্রমণ করেছে। নাশকতা চালিয়েছে। কেন পুলিশের ওপর এই আক্রমণ এবং কোন নেতারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তা খুঁজে বের করার জন্য এই আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। পুলিশের দাবি, এতে রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমসহ কয়েকজন আহত হন। পরে এ ঘটনায় শাহবাগ ও রমনা থানায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির সহায়ক সরকারের দাবি অসাংবিধানিক—এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে, তা ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় সরকারের পরিসর ছোট করা হবে। সরকার নির্বাচনের সময়ে শুধু রুটিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবে না।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে সরকারের চতুর্থ বর্ষপূর্তির দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হবে। কিন্তু সে সরকার কেমন হবে তার ব্যাখ্যা ওই বক্তব্যে ছিল না।

সংসদে সরকারি দলের সাংসদ তানভীর ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে, তার একটি ব্যাখ্যা দেন। সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হচ্ছে সংবিধান। সংবিধান অনুযায়ী সহায়ক সরকার বলে কোনো সরকার গঠন করার বিধান নেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিএনপি কোনো দিনই গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার পক্ষে ছিল না। আর এ জন্যই বর্তমানে তারা অসাংবিধানিকভাবে সহায়ক সরকারের দাবি করে আসছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের সরকার গণতন্ত্রকে সব সময় সমুন্নত রাখবে। সে জন্য সংবিধান পরিপন্থী কোনো সরকারব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করব না।’

বিএনপির অবৈধ দাবি করা অভ্যাস
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জন্ম নিয়েছে মার্শাল ল জারি করে সংবিধান লঙ্ঘন করার মাধ্যমে অবৈধ পথে। তাই অবৈধ দাবি করাটা তাদের অভ্যাস। জিয়াউর রহমানের আমলে ভোটারবিহীন গণভোট (হ্যাঁ/না ভোট) করেছিল বিএনপি এবং সামরিক বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে কোনো নিয়মনীতি অনুসরণ না করে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে এবং সরকার গঠন করেন। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পরবর্তী সময়ে তাঁর এই কর্মকাণ্ড অবৈধ ঘোষিত হয়েছে।

বিএনপি নির্বাচনী-ব্যবস্থা ধ্বংস করেছিল
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে সরকার গঠন করার পর মাগুরা ও ঢাকার উপনির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপি করেছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করে অবৈধ সরকার গঠন করে বিএনপি। গণ-আন্দোলনের মুখে দেড় মাসের মধ্যে তাদের পতন ঘটে। ওই সময়ে বিএনপি নির্বাচনী-ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিল। ২০০৬ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্পষ্ট রূপরেখা থাকা সত্ত্বেও তাদের পছন্দসই ব্যক্তিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার চেষ্টা করে নির্বাচনের নামে প্রহসন করার উদ্দেশ্য থাকায় দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর ক্ষমতায় থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দায়িত্ব নিলেন আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী

বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেলের (আইজিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাবেদ পাটোয়ারী।

বুধবার দুপুরে পুলিশ সদরদফতরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন সদ্য সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক।

দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে ৩২ বছরের কর্মজীবনের ইতি টানেন একেএম শহীদুল হক।

বুধবার পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত ‘বিদায় সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে শহীদুল হক বলেন, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব শেষ হওয়ার মাধ্যমে পূর্ণ সন্তুষ্টি নিয়ে ৩২ বছরের চাকরি জীবনের ইতি টানছি।

তিনি আরও বলেন, গত তিন বছর এক মাস আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চেষ্টা করেছি পুলিশের সক্ষমতা উঁচুমাত্রায় নিয়ে যেতে এবং পুলিশকে জনবান্ধব করতে। দায়িত্ব পালনকালে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু সাহকিতার সঙ্গে সব সংকট মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।

‘গত তিন বছরে পুলিশে যা অর্জন তার কৃতিত্ব কনস্টেবল থেকে আইজি পর্যন্ত সবার। আর সব ব্যর্থতার দায় আমার। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের সবাইকে হয়তো খুশি করতে পারিনি। একটা প্রশাসনিক কাঠামোতে কাজ করতে হয়েছে। এর বাইরে কিছু চাপ, কিছু গাইডলাইন থাকে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কারো প্রতি বিরাগভাজন ছিলাম না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদুল হক বলেন, স্বপ্ন অনেক থাকে কিন্তু সব তো পূরণ হয় না। তবে অধিকাংশ কর্মপরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করেছি। পুলিশের পেশাদারিত্বের জন্য ২০টি নির্দেশনা দিয়ে গেছি। ৯৯৯- জরুরি সেবা ছিল সবচেয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

তবে থানা লেভেলে পরিবর্তন সম্ভব হয়নি। আমি চেয়েছিলাম মানুষ যেখানে অভিযোগ নিয়ে যায়, যেটা মানুষের শেষ ভরসা, সেখানে সেবা পেয়ে যেন সন্তুষ্টি নিয়ে ফিরে। আমি থানা পর্যায়ে সেবার মান বাড়াতে অনেক চেষ্টা করেছি, অনেক উন্নতি হয়েছে কিন্তু পুরোপুরি পরিবর্তন হয়নি। যদিও এটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। পুলিশে নতুন ছেলেরা আসছে, আশা করব তারাই মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে।

একই অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, বিগত দিনগুলোতে আইজিপিকে সবাই যেভাবে সহায়তা করেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সামনের দিনগুলোতেও সে সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।

মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার পুলিশের যে প্রয়াস, সেটা অব্যাহত রাখতে পারলে আরও এগিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন সদ্য দায়িত্ব নেয়া জাবেদ পাটোয়ারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরীর স্বপ্নজাল-এর প্রচারণা শুরু

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ফিল্ম ক্লাবের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু হলো পরীমণির ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমার। মঙ্গলবার ইউনিভার্সিটির অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে এক আড্ডা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে ছবিটির পরিচালক এবং অভিনেতা- অভিনেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবিটির পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলেন, স্বপ্নজালের নায়ক ইয়াশ রোহান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ছাত্র। তাই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকেই আমরা প্রচারণা শুরু করলাম।

ইতোমধ্যে ছবিটির একটি ট্রেইলার প্রকাশিত হয়েছে। যা নজর কেড়েছে চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের। বিশেষ করে এ ছবিতে এক ভিন্নলুকে পরীকে দেখা গেছে।

‘মনপুরা’খ্যাত পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘স্বপ্নজাল’। ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরীমণি। তার বিপরীতে আছেন ইয়াশ রোহান। এছাড়া অভিনয় করেছেন শহীদুল আলম সাচ্চু, ফজলুর রহমান বাবু এবং মিশা সওদাগর প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অফিস না করে ১৪ বছর বেতন উত্তলোন; অনিয়ম, দুর্নীতি, ও ডাক্তার সংকটে ধুকছে তালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শাকিলা ইসলাম জুঁই : জনবল, ডাক্তার সংকট আর দুর্নীতি ও অব্যবস্থ্যপনার কারণে চরমভাবে ভেঙে পড়েছে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সেবা। বন্যা কবলিত উপজেলার প্রায় ৪ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার এক মাত্র আশ্রয়স্থল এ হাসপাতালটিতে ৩৪টি ডাক্তারের পদ থাকলেও ডাক্তার রয়েছে মাত্র ৬ জন। এদের মধ্যে অনেকেই আছেন ডেপুটিশনে আবার কেউ রয়েছেন প্রশিক্ষনে। বিশেষ করে সার্জন, এ্যানেসথেসিয়া, গাইনি, চক্ষু কনসালটেন্ট ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ না থাকায় চরম চিকিৎসা সংকটে পড়েছে এ উপজেলার মানুষ। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, ৪র্থ শ্রেণিসহ মোট ২৩১টি পদের মধ্যে ৭৬টি পদই খালি রয়েছে। দীর্ঘ ৬ মাস ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে এক্স-রে ম্যাশিন ও এ্যাম্বুলেন্সটি। হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি বিকল থাকায় রোগীদের ছুটতে হয় বাহিরে কোন প্রাইভেট ক্লিনিক অথবা জেলা শহর সাতক্ষীরায় বা খুলনায়। ফলে চরমভাবে উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট তালার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকৎসা বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলাবাসী।
তার মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কুদরত-ই-খূদা ও হেলথ্ ইন্সেপেক্টর মীর মহাসিন আলীর ক্ষমতার দাপট, অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এখন পরিণত হয়েছে চরম দুর্নীতির আখড়ায়। মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ডেন্টিস) মোঃ নাসির উদ্দীন দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে অফিস না করেও বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। রাজধানী ঢাকার বাড্ডায় নিজস্ব বাসভবনের সাথে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন বিলাশ বহুল অত্যাধুনিক একটি বেসরকারি ক্লিনিক। মেডিকেল টেকনিশিয়ান নাসির উদ্দীন সেখানেই মূলত ব্যস্ত সময় পার করেন। একই অভিযোগ অফিস সহকারী-কাম হিসাব রক্ষক রেজওয়ান এর বিরুদ্ধে। তিনিও বছরের পর বছর অফিস না করে হাসপাতালের সকলকে ম্যানেজ করে হাজিরা খাতায় সই-স্বাক্ষরের মাধ্যমে বেতন ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে কেউ কারও যেন মাথা ব্যথা নেই।
গত ২৮ জানুয়ারী তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে হাসপাতালের একমাত্র এক্স্র-রে ম্যাশিনটি ৬ মাস ধরে নষ্ট হয়ে আছে। এ্যাম্বুলেন্সটি বিকল অবস্থায় পড়ে আছে। সার্জন, এ্যানেসথেসিয়া, গাইনি, চক্ষু, কনসালটেন্ট ও মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় প্রতিদিনই প্রচুর পরিমাণ রোগী চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। মাত্র ৪ জন মেডিকেল অফিসার নিয়ে জোড়া তালি দিয়ে ধুকে ধুকে চলছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্র এর কার্যক্রম। তবে জরুরী বিভাগে গিয়ে দেখাগেছে কোন মেডিকেল ডাক্তার নেই। হাসপাতালে সাংবাদিক আসার খবরে তড়িঘড়ি করে জরুরি বিভাগে ছুটে আসেন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো: রাইহান ইসলাম ও মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আবু সাইদ রিপন। তবে মো: রাইহান ইসলামের পোস্টিংও আবার ইউনিয়ন সাব সেন্টারে। সেখানে উপজেলার তেতুলিয়া গ্রাম থেকে আসা খুকুমনি তার ৪ বছরের পা ভেঙ্গে যাওয়া নাতনিকে ডাক্তার দেখাবেন বলে এসেছেন। এসময় বাইরে থেকে আসা আরও কয়েক জন পা ভাঙা রোগী উপস্থিত হতেই হাসপাতালের এক্্র-রে ম্যাশিন নষ্ট থাকায় তাদেরকে এক্্র-রে করার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয় বেসরকারী ক্লিনিক তালা সার্জিকাল ক্লিনিকে। পরে সেখান থেকে তারা ২৬০ টাকা দিয়ে এক্্র-রে করে হাসপাতালে ঔষধের জন্য উপস্থিত হয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালে কোন ঔষধ নেই বলে তাদের সাব জানয়ে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় তলায় পুরুষ ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। অধিকাংশ বেড নোংড়া অপরিস্কার অবস্থায় খালি পড়ে আছে। হাসপাতালে কোন বিষেশজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে রোগী ফিরে যাওয়ার কারনে তাই রোগীর সংখ্যাও কম বলে জানালেন কয়েক জন নার্স।
তবে হাসপাতালের বেডে ভর্তি চিকিৎসাধীন রোগী দক্ষিণ নলতার আব্দুল কুদ্দুস জানান, বমি, গ্যাসসহ শারিরিক নানা সমস্যার কারণে দুই দিন আগে ভর্তি হয়েছেন। কিন্তু ঠিকমত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না। হাসপাতাল থেকে গ্যাসের ট্যাবলেট ছাড়া বাকি ঔষুধ সব বাইরে থেকে চড়া দামে কিনে আনতে হচ্ছে। খাদ্য খাবার চিড়ি, চিনি, কলাসহ যা দেওয়া হয় তাও অত্যন্ত নিন্ম মানের। একই অভিযোগ করলেন পাশ্ববর্তী বেডে চিকিৎসাধীন পাইকগাছার জামাল। তাকেও বাইরে থেকে ঔষক কিনে আনতে হয়।
১৯৬৫ সালে ৩১ শয্যার মধ্য দিয়ে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর যাত্রা শুরু হয়। সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বদান্যতায় ২০০৯ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও লোকবল নিয়োগ না হওয়ায় হাসপাতালটি চলছে এখন ধুকে ধুধে। হেলথ ইন্সেপেক্টর মীর মহাসিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কুদরত-ই-খূদা সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার কারনে হাসপাতালটি এখন পরিনত হয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায়। মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ডেন্টিস) মোঃ নাসির উদ্দীন দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে অফিস না করেও বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। একই অভিযোগ অফিস সহকারী-কাম হিসাবরক্ষক রেজওয়ান এর বিরুদ্ধে। তিনিও বছরের পর বছর অফিস না করে হাসপাতালের সকলকে ম্যানেজ করে হাজিরা খাতায় সই-স্বাক্ষরের মাধ্যমে বেতন ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছেন।
এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং দীর্ঘ ৮/১০ বছর ধরে স্টাফ কোয়াটারে বসবাসরত নার্স ও ডাক্তারদের ভাড়ার টাকা সরকারী কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাত ও হাপাতালের চুরি করে সরকারী ঔষধ বিভিন্ন ক্লিনিকে বিক্রি বন্ধসহ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগের দাবীতে গত ১৫ জানুয়ারী হাপতালালের সামনেই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে এলাকাবাসী। তালা প্রেসক্লাবের ব্যানারে উক্ত কর্মসূচী পালিত হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ডেন্টিস) মোঃ নাসির উদ্দীন ও অফিস সহকারী-কাম হিসাবরক্ষক রেজওয়ান এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কুদরত-ই-খূদা জানান, আমি ১ বছর হচেছ তালা হাসপাতালে যোগদান করেছি। দীর্ঘ দিন যাবত অফিস না করে মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ডেন্টিস) নাসির উদ্দীন ও অফিস সহকারী-কাম হিসাবরক্ষক রেজওয়ানের বেতন ভাতা উত্তলনের বিষয়ে কেন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়নি তা আমার জনানেই। অফিস না করে বেতন ভাতা উত্তলোন ও স্টাফ কয়াটারের ভাড়ার টাকা যারা আত্মসাৎ করেছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিভিল সার্জনকে জানিয়েছি। এসব অনয়ম ও দুর্নীতির সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা: তহিদুর রহমান জানান, আমি ঢাকাতে ট্রেনিং এ আছি, তালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর কর্মরত কর্মকর্তাদের বেশ কিছু অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং স্টাফ কয়াটারের ভাড়ার টাকা রাজস্ব ক্ষাতে জমা না দিয়ে প্রদান অফিস সহকারী কর্তৃক টাকা আত্মসাতের বিষয়টি শুনেছি। সাতক্ষীরায় ফিরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest