৯ ঘণ্টা স্থায়ী তাইওয়ানের রংধনু রেকর্ড ভেঙেছে

আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে তাইওয়ানের আকাশে দেখা দেয়া রংধনু। গত সপ্তাহে তাইপে পর্বতে দেখা দেয়া এ রংধনু প্রায় ৯ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল। ওই এলাকাতেই চাইনিজ কালচার ইউনিভার্সিটি অবস্থিত। এত সময় ধরে রংধনু অবলোকন করতে পেরে এর শিক্ষাক ও শিক্ষার্থীরা ভীষণ উচ্ছ্বসিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক চৌ কুন-সুয়ানসাইদ বলেন, প্রথমে এক ঘণ্টা, পরে আরেক ঘণ্টা, রংধনু যেন কিছুতেই বিলীন হতে চাইছিল না। এমন করে চার ঘণ্টা কেটে যায়। পরে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের রংধনুর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে উৎসাহিত করি। ওই চার ঘণ্টার পর রংধনু আরও পাঁচ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল।

সকাল ছয়টা থেকে বিকেল ৩.৫৫ মিনিট পর্যন্ত আট ঘন্টা ৫৮ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল রংধনু। যা ভেঙে দিয়েছে আগের বিশ্ব রেকর্ড। ১৯৯৪ সালের ১৪ মার্চ ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের আকাশে ছয় ঘণ্টা ব্যাপী রংধনু স্থায়ী হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাবার হাতে ২৮৮ বার ধর্ষণের শিকার, অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী মেয়ে

আরব দেশ জর্ডানে নিজ বাবার হাতে ২৮৮ বার ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক শিশুকন্যা। এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই বাবার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত। জর্ডান টাইমস এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ৯ বছর বয়স থেকে মেয়েকে ধর্ষণ ও শারীরিকভাবে হয়রানি করে আসছেন ওই ব্যক্তি। বর্তমানে মেয়ের বয়স ১৭ বছর। আর এ সময়ের মধ্যে সে বাবার কাছে ২৮৮ বার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের শিকার হয়ে ওই কিশোরী মাত্র ১৩ বছর বয়সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ২০০৯ সালে একটি ছেলে সন্তানের জন্মও দেয় সে।

জর্ডান টাইমস আরও জানায়, ছয় বছর বয়সে ওই কিশোরীর মা মারা যায়। তখন তাকে খালার বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে নয় বছর বয়সে ওই কিশোরীকে বাড়িতে নিয়ে আসেন তার বাবা।
তখন থেকে মেয়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতেন তিনি। আর প্রতিরাতেই সে বাবার কাছে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতো। মেয়ের বয়স ১২ বছর হলে তাকে নিয়মিত ধর্ষণ শুরু করেন তিনি।

২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার ভাইকে জানায়। তার ভাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। আর অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাবাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আর এ বিষয়টি তদন্তে নামে জর্ডানের পরিবার সুরক্ষা বিভাগ। ওই কিশোরীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে ধর্ষণের বিষয়টির প্রমাণিত হয়। এদিকে ধর্ষক ওই বাবার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল বলে জানান চিকিৎসকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আত্মসমর্পণ করতে আদালতের পথে খালেদা জিয়া

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আদালতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন খালেদা জিয়া।

এর আগে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে সময়মতো আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ৩০ নভেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালত। একই সঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ বাতিল করে ৫, ৬ ও ৭ ডিসেম্বর যুক্তিতর্কের জন্য দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানান, ৩০ নভেম্বর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম দলগুলোর ডাকা হরতালে নিরাপত্তার কারণে খালেদা জিয়া সময় অনুযায়ী আদালতে হাজির হতে পারেননি। তাই আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে থাকাবস্থায় একই আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দেশে ফিরেই তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এর পর থেকে প্রতি সপ্তাহেই তিনি আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছিলেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেতাকর্মীদের ডাটাবেজ তৈরি করছে আওয়ামী লীগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সমন্বিত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে নিজ দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ তথ্য দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি শক্তিশালী ‘ডাটাবেজ’ তৈরি করবে দলটি। দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, গত ২০ মে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত দলের বর্ধিত সভায় দফতর সম্পাদক একটা আবেদনপত্র তুলে দেন তৃণমূল নেতাদের হাতে। সে আবেদনপত্রে তথ্য-উপাত্ত সংযুক্ত করে দফতরে জমা দেয়ার কথা ছিল। তবে তথ্য সমন্বয়হীনতার কারণে বিষয়টি ধীর গতিতে চলছে। এ তথ্য ভাণ্ডার বা ডাটাবেজটি তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে দলের গবেষণা সেল হিসেবে পরিচিত সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)।

সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ শুরু হয়েছিল বেশ আগেই। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ভালো হওয়ায় এখন দেশব্যাপী এ কার্যক্রম চলছে। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা/উপজেলা, পৌরসভা, জেলা এবং সিটি কর্পোরেশন থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সব নেতার জন্য আলাদা প্রোফাইল তৈরি হবে।

জানা গেছে, প্রত্যেকের ফাইলে নাম, পদের নাম, ছবি, মোবাইল নাম্বার, ই-মেইল অ্যাড্রেস, ফেসবুক আইডি, স্থায়ী ঠিকানা ও অস্থায়ী ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকবে।

সূত্র আরও জানায়, এখন রংপুর বিভাগের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহ চলছে। চলতি সপ্তাহে রংপুর বিভাগের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হবে। রংপুর বিভাগ শেষ হলে আরও দুটি বিভাগে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। আগামী মার্চের মধ্যে সারাদেশের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

তথ্য সংগ্রহ ও ডাটাবেজ তৈরিতে যুক্ত এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। কিন্তু নিজ দলেরই এখন পর্যন্ত কোনো ডাটাবেজ নেই। তাই সারাদেশের নেতাদের মধ্যে একটি নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ গড়ে তোলার জন্যই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিটি জেলায় ৭-১০ জনের একটি করে টিম যাবে। ইতোমধ্যে ১০০ জনের মতো সাবেক ছাত্র নেতাকে তথ্য সংগ্রহের কাজে বাছাই করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রথম দফায় ৬০ জনকে তথ্য সংগ্রহের কাজের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নেতাদের কাছ থেকে জানা গেছে, প্রত্যেকটি জেলার জন্য একজন টিম লিডার থাকবেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একজনের জন্য একটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব থাকবে। তবে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক উপজেলার জন্য একাধিক তথ্য সংগ্রহকারীও নিযুক্ত হতে পারেন।

আওয়ামী লীগের অপর এক নেতা জানান, মোবাইল-ইন্টারনেটের এ যুগেও দলের কেন্দ্রীয় একটি নির্দেশনা তৃণমূলে পৌঁছাতে অনেক সমস্যা হয়। দেশের সব নেতাদের এক সুতোয় বাঁধতে এটা অনেক বড় একটি কাজ হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডেকেছেন।

পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ বলে সম্বোধন করেন। এখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পীচ প্যালেসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পররাষ্ট্র সচিব হক কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন, আপনি আমার বোনও। এ কারণে আপনাকে আমি আমার বোন হিসেবে সম্বোধন করলাম’।

পররাষ্ট্র সচিব আরো বলেন, ‘কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন যখন শেখ হাসিনাকে বোন বলে সম্বোধন করেন, তখন তাঁকে খুবই আবেগাপ্লুত মনে হচ্ছিল। তিনি বলেন, আমি আমার জীবনে কখনো কোন আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এভাবে কাউকে বোন বলে সম্বোধন করতে দেখিনি’।

পররাষ্ট্র সচিব হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেন। তিনি বলেন, এশিয়ার এ দু’টি দেশের মধ্যে এ যেন একটি বিশেষ সম্পর্ক এবং এ সম্পর্ক আগামীতে বিভিন্ন ভাবে আরো এগিয়ে যাবে’।

শহীদুল হক বলেন, দুই নেতার এই নতুন সম্পর্কের কারণে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক একটি নতুন মাত্রায় পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সফর করে ঢাকা সম্পর্কে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ ধারণার জন্ম নিয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও কম্বোডিয়ার সাবেক নেতৃত্বের মধ্যেও অনুরূপ একটি বিশেষ সম্পর্ক ছিল। সূত্র-বাসস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাসপাতাল থেকে মেসির ভাইকে গ্রেফতার

লিওনেল মেসির ভাই ম্যাতিয়েস মেসিকে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করেছে আর্জেন্টিনা পুলিশ। নদীতে দুর্ঘটনার পর রক্তভরা নৌকা ফেলে এসেছেন বলে জানিয়েছিলেন লিওনেল মেসির ভাই ম্যাতিয়েস মেসি। কিন্তু ওই ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে বোটের মধ্যে অবৈধ অস্ত্র পায় পুলিশ। ফলে হাসপাতালেই গ্রেফতার করা হয় মেসির ভাইকে।

ম্যাতিয়েস চোয়াল ভেঙে মুখে অনেক কাটা-ছেঁড়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার দাবি, রোজারিওর কাছে পারানা নদীতে মটরবোট চালানোর সময় অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে তার। বোটের মধ্যে রক্তের ছোপও দেখা যায়। এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে বোটের মধ্যে পাওয়া গেছে অবৈধ অস্ত্র।

ফলে হাসপাতালে একটু সুস্থ হলে মেসির ভাইকে রিমান্ডে নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে আদালতে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আর্জেন্টিনার আইনে সাড়ে আট বছরের জেল হতে পারে ম্যাতিয়েসের। এই অপরাধে সর্বনিম্ন শাস্তিই সাড়ে তিন বছরের জেল।
অবৈধ অস্ত্র বহনের অভিযোগে অবশ্য এর আগেও ম্যাতিয়াস মেসিকে আটক করেছিল আর্জেন্টিনার পুলিশ।

২০১৫ সালের অক্টোবরে ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকা ম্যাতিয়াসের গাড়ি তল্লাশি করে পয়েন্ট ২২-ক্যালিবার পিস্তল খুঁজে পায় পুলিশ, যা লাইসেন্সকৃত ছিল না।

তবে ম্যাতিয়েসের আইনজীবী দাবি করেছেন, সৈকতে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটেছে বোটের। যে অস্ত্র পাওয়া গেছে, সেটা পুলিশ সাজিয়ে রাখতে পারে বলেও সন্দেহ তার। এর আগে ২০০৮ সালের অক্টোবরে আরও একবার পুলিশের কাছে গ্রেফতার হন ম্যাতিয়াস। তার কোমরে একটি হ্যান্ডগান উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল আল্যামনাই এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি মিথুন, সম্পাদক অভিজিৎ

কলারোয়া ডে¯ : শেখ সালাউদ্দীন আহমেদ মিথুনকে সভাপতি (এসএসসি-৮৯) ও প্রকৌশলী অভিজিৎ চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক (এসএসসি-৯০) নির্বাচিত করে কলারোয়া জিকেএমকে মডেল পাইলট হাস্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের প্রথম আল্যামনাই এ্যসোসিয়েশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত শুক্রবার বিকালে ঢাকার মিরপুরে স্কুলে প্রাক্তন ছাত্রদের (সর্বশেষ-২০১৬) উপস্থিতিতে জরুরী সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।
একই সাথে আগামী সভায় সকলের সম্মতিক্রমে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলমগীর কবীর জানান- কলারোয়া জিকেএমকে মডেল পাইলট হাইস্কুলের ছাত্রদের আল্যামনাই এ্যসোসিয়েশনের কমিটি গঠনের জন্য ঢাকার মিরপুরে স্কুলে অনুষ্ঠিত প্রাক্তন ছাত্রদের দ্বিতীয় সভায় এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর আগে স্কুলের সকল প্রাক্তন ছাত্রদের সভায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।
তিনি বলেন, স্কুলের (সর্বশেষ ২০১৬ সাল) বিভিন্ন ব্যাচের শতাধিক প্রাক্তন ছাত্র সভায় উপস্থিত ছিলো।
সভায় স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন স্কুলের সাবেক ছাত্র বিশিষ্ট এনজিও ব্যক্তিত্ব ও দাতা সংস্থা এনসিএসসি’র উর্ধতন কর্মকর্তা সৈয়দ সলিমুল¬াহ, পুলিশ পরিদর্শক সালাউদ্দিন রানা, সাবেক ফুটবলার লিটন মজুমদার, শিক্ষক কবিরুল ইসলাম, বিমান কর্মকর্তা ফারুক হোসেন, ছাত্রনেতা আতিকুজ্জামান রিপন, প্রকৌশলী নাসিম হায়দার শিমুল, সাইদুল আলম মিল্টনসহ কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্ররা।
সভা শেষে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করা কলারোয়া জিকেএমকে মডেল পাইলট হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের সভাপতি বা সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করার বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সভাপতি পদে অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাহুল

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী (৪৭)। গতকাল সকালে দিল্লিতে ২৪ আকবর রোডে অবস্থিত কংগ্রেসের সদর দফতরে রাহুল তার মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং, কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, কুমারী শৈলজা, সি পি যোশী, অম্বিকা সোনি, আনন্দ শর্মা প্রমুখ। এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে দাদি ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দুই কংগ্রেস নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। এর একজন হলেন দেশটির সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, অন্যজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। পাশাপাশি দুজনের কাছ থেকেই তাদের আশীর্বাদ চেয়ে নেন রাহুল। গত মাসেই দিল্লিতে দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে দলের পরবর্তী সভাপতি হিসেবে রাহুলের নাম প্রস্তাব করা হয়। সে ক্ষেত্রে মা সোনিয়ার স্থলাভিষিক্ত হবেন রাহুল। ১৯৯৮ সালে দলের সভানেত্রী হন সোনিয়া। বর্তমানে দলের সহসভাপতির পদে রয়েছেন রাহুল। ২০১৩ সাল থেকে এই পদে রয়েছেন তিনি।
গতকাল বিকাল ৩টায় মনোনয়নপত্র পেশ করার শেষ সময় ছিল। এই সময়ের মধ্যে আর কেউ এই পদে মনোনয়নপত্র জমা না দিলে আজ বিকালেই ঘোষণা হয়ে যেতে পারে যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হয়েছেন রাহুল গান্ধী। তবে একটির বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়লেই সভাপতি পদে নির্বাচনের দিন ঘোষণা দেবেন দলের নির্বাচন কমিশনার মুলাপল্লি রামচন্দ্রন। এদিকে সভাপতি পদে রাহুলের মনোনয়নপত্র পেশের পর তাকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া, দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী পি. চিদাম্বরম, জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রাজ বাব্বর, কংগ্রেস সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াসহ শীর্ষ নেতৃত্ব। ৯ ডিসেম্বর মোদির রাজ্য গুজরাটে প্রথম দফার বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে রাহুলের এই পদোন্নতি দলকে আরও চাঙ্গা করবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। সে ক্ষেত্রে রাহুলকে কাছে পেয়ে নতুন উদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবে কংগ্রেস। নির্বাচন সামনে রেখে ইতিমধ্যেই কার্যত গোটা গুজরাটেই চষে বেড়াচ্ছেন রাহুল, মিটিং-মিছিল, সভা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলা, তাদের সঙ্গে মিশে যাওয়া কোনো কিছুই বাদ রাখছেন না তিনি। স্বভাবতই বেশ কিছুটা চাপে রাজ্যটির শাসক দল বিজেপি। তবে এত কিছুর পরও গুজরাটে ভোটে কংগ্রেসের পক্ষে ইতিবাচক প্রতিফলন পড়ে কিনা সেটাই এখন দেখার। আর যদি ফল খারাপ হয় তাহলে ফের রাহুলকে নিয়ে বিতর্ক যে শুরু হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest